Hawk Eye Digital

Hawk Eye Digital We bring our A-game to help companies go that extra mile. We don’t aim to win, we aim for winning streaks.

Every single data point is an arrow in our quiver, put to use to unlock your brand’s full potential. We comb through trends and patterns to map out your best route. We help you create the desired impact through insightful and personalized content. We don’t believe in one-size-fits-all, each communication is specifically designed to hit the perfect spot.

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সাম...
23/03/2022

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থাকতো তবে কেমন হতো তার ব্যবহার।

২৫ শে মার্চ ১৯৭১, রাত ১টায় "অপারেশন সার্চলাইট" -এর নামে সারা দেশব্যাপী শুরু হয় পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা। ঘুমন্ত নিরস্ত্র জনতার উপর নির্বিচারে হানাদার বাহিনী পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ চালায়। ঢাকার মধ্যে শুধু শহরেই ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয় সেই রাতে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়ে যায় ইতিহাসের এই কালরাত্রি।

১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। তাঁর পক্ষ থেকে বেতারে প্রথমে এম এ হান্নান ও পরে মেজর জিয়াউর রহমান ঘোষণা পত্রটি পাঠ করেন। বিশ্ব মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করে হত্যাযজ্ঞ ও তাঁর প্রেক্ষিতে স্বাধীনতা ঘোষণা করার খবর। এনবিসি নিউজ, এবিসি নিউজ, বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা-সহ বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার প্রধান খবরে পরিণত হয় বাংলাদেশের এই স্বাধীনতার ডাক।

[তথ্যসূত্র : এনবিসি নিউজ ও এবিসি নিউজ]

#কল্পনায়ডিজিটাল৭১

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সাম...
21/03/2022

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থাকতো তবে কেমন হতো তার ব্যবহার।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অবিস্মরণীয় দিন। এ দিনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির উদ্দেশে এক গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। ইতিহাস খ্যাত এই ভাষণের কথা জানলেও আমরা ক'জনই বা জানি এই ভাষণের প্রেক্ষাপট, লোকসংখ্যা, সময় কিংবা স্লোগান?

২ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সারা বাংলায় পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ চলছিল। তৎকালীন পাকিস্তানি জনগণই শুধু নয়, বহির্বিশ্বের অনেকেও এক অনন্য উদ্দীপনা নিয়ে তাকিয়ে ছিল, বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে কী বলেন। ভাষণের মূল উপজীব্য কী হবে, তা নির্দিষ্ট করার লক্ষ্যে এর আগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি একটানা ৩৬ ঘণ্টা বৈঠক করেও যখন কোনো স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হলো না, তখন উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় যা বলা আবশ্যক, তা–ই বলবেন বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের ওপর দায়িত্ব নেন। এই ছিল ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের সার্বিক প্রেক্ষাপট। ভাষণ বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে শুরু করে বিকেল ৩টা ৩ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। সেদিন প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন ভাষণ শুনতে। রেসকোর্স ময়দানের আকাশে বাতাসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল "জয় বাংলা", "বীর বাঙ্গালী অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো" -সহ নানা স্লোগান।

[তথ্যসূত্র : প্রথম আলো ও উইকিপিডিয়া]

#কল্পনায়ডিজিটাল৭১

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সাম...
20/03/2022

"কল্পনায় ডিজিটাল '৭১" -ক্যাম্পেইনে আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কল্পনা করেছি আমাদের সময়ে। আমরা কল্পনা করেছি যদি সেসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থাকতো তবে কেমন হতো তার ব্যবহার।

স্বাধীন বাংলাদেশের অনেক প্রাপ্তির মাঝে আমরা পেয়েছি আমাদের আত্ম পরিচয় বহনকারী লাল-সবুজের পতাকা। কিন্তু আমরা ক'জনই বা জানি কীভাবে এই পতাকা আমাদের হলো? কীভাবে এর নকশা করা হলো? প্রথম কবে উড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা?

১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের তিন সদস্য সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদ গঠন করেন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামের এক গোপন সংগঠন যার সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৭০০০। এই সংগঠন পরিচিত ছিল 'নিউক্লিয়াস' নামে। ১৯৭০ সালের ৬ জুন তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হল (বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) -এর ১১৬ নাম্বার কক্ষে কাজী আরেফ আহমেদ ডাক দেন মনিরুল ইসলাম, শাজাহান সিরাজ ও আ স ম আবদুর রবকে। ডেকে তিনি ‘নিউক্লিয়াস’-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফ্ল্যাগ তৈরির কথা জানান, সাথে এও বলেন যে পরবর্তীতে এই ফ্ল্যাগ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা হিসেবেও গৃহীত হতে পারে। তখন মনিরুল ইসলাম (মার্শাল মনি) ও আ স ম আবদুর রব বলেন, এ পতাকার জমিন অবশ্যই বটলগ্রিন হতে হবে। শাজাহান সিরাজ বলেন, লাল রঙের একটা কিছু পতাকায় থাকতে হবে। কাজী আরেফ আহমেদ প্রস্তাব করেন, এ পতাকাকে পাকিস্তানি প্রতারণা থেকে বাঁচাতে লাল সূর্যের মাঝে সোনালি রঙের মানচিত্র দেয়া উচিত। এ প্রস্তাবে সবাই একমত হন। ছাত্রনেতা শিবনারায়ণ দাশ তার নিপুন হাতে মানচিত্রটি লাল বৃত্তের মাঝে আঁকেন। ১৯৭১ সালের ২রা মার্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

[তথ্যসূত্র : বাঙালির জাতীয় রাষ্ট্র, ঢাকা, ২০১৪, পৃ. ৭৭-৭৯]

#কল্পনায়ডিজিটাল৭১

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801322895890

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hawk Eye Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hawk Eye Digital:

Share