04/10/2020
বাহহহ!! এই মাত্র খবর পেলাম রেপের ভিডিওটা ৩২ দিন আগে করা হয়েছে মানে রেপ হয়েছে ৩২ দিন আগে, কিন্তু ভাইরাল হয়েছে আজ। এই ৩২ দিন ধরে মেয়ের পরিবার ভয়ে থানায় যায়নি এবং বিচারও চায়নি। কারন ধর্ষক বাহিনীর রাজনিতিক পাওয়ার আছে। রাজনীতিক দলটা কোনটা মনে হয়না আমার নাম নিতে হবে। অভিয়াউসলি আওয়ামীলীগ!! শুধুমাত্র পরিবার নয়, এলাকাবাসীরাও সব জানে। অনেকে নাকি রেপের সময় মেয়েটির চিৎকারও শুনেছে। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি, আর বিচার ও চায়নি। কারন? ওই সেম কারন!! রেপিস্টের রাজনিতিক পাওয়ার আছে। এর আগেও এদের থানা পুলিশ ধরে ছেড়ে দিয়েছে। কারন? আবার বলতে হবে?
কিন্তু আজ ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে, আর এই আশ্বাস দিয়েছে যে বাকিদের অচিরেই আইনের আওতায় আনবে। এই পুরো ঘটনা থেকে দুটো জিনিস বুঝলাম।
১ - আমাদের দেশে রাজনিতিক কিংবা পাওারফুল কেউ ক্রাইম করলে পরিবার, এলাকাবাসী, দেশবাসী, পুলিশ, র্যাব, আর্মি, সবাই চুপ।
২ - কোনো ক্রাইম সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হলে, পরিবার, এলাকাবাসী, দেশবাসী, পুলিশ, র্যাব, আর্মি, সবাই সোচ্চার।
তো এটার সলিউশান কি? সলিউশান একটিই আছে আপাতত! বাংলাদেশে বিচার পেতে হলে একটি অস্ত্র লাগবে। অস্ত্রটির নাম হচ্ছে "মোবাইল ফোন"। এই অস্ত্র দিয়ে লাইভে যেতে হবে। লাইভ ভাইরাল হলেই বিচার হবে। না হলে, আল্লাহর কাছে বিচার দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। ও আরেকটা কথা, মোবাইল ফোন অস্ত্রের বুলেট হিসেবে "মোবাইল ডাটা" লোড করতে ভুলবেন না।