21/05/2023
✅আমি কি Freelancing করতে পারব?
✅কি কি বিষয় জানতেই হবে❓
✅কি কি Tools থাকতেই হবে❔
🔰 সকল প্রশ্নের Answer নিয়েই আজকের লেখা।
যারা ইনবক্সে এই Question গুলো করে তাদের জন্য বিশেষ এই আলোচনা। মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে আর কোন প্রশ্ন থাকবে না।
Freelancing বা Outsourcing। গত কয়েক বছর ধরেই বিশ্ব জুরে এই মুক্ত পেশায় তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বেশি। স্বাধীন চেতা মানুষেরা যেন ঘরে বসে বিদেশের তথ্যপ্রযুক্তির নানা কাজ করে Income করেন ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশাজীবীরা।
কিন্তু শুরুটা কীভাবে করতে হবে, ফ্রিল্যান্সার হতে কী জানতে হবে❓—এ নিয়ে Hesitation অনেকের। অনেকে সঠিক দিকনির্দেশনাও পান না। ফ্রিল্যান্সিং করতে চান, এ ব্যাপারে আগ্রহ আছে—এমন পাঠকদের জন্য শুরু হলো ধারাবাহিক আলোচনা।
~ হাসান
Freelancing সম্পর্কে BASIC ধারণা নেওয়ার পর অনেকেই ভাবেন ‘আমি কি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারব❓
এ প্রশ্নের উত্তর পেতে কী ধরনের কাজে আপনি Expert বা আপনার Skill বাড়াতে হবে তা জানতে হবে।
🎯 ফ্রিল্যান্সার হওয়ার পূর্বশর্তঃ
♻️ টিপস ০০ঃ
প্রথমেই কাজ শেখা ও Practice করার জন্য অবশ্যই একটি মধ্যম বা হাই ( কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে) Laptop নিতে হবে। সাথে একটি Smartphone (বাধ্যতামূলক নয়)।
এর পর ভালো একটি ইন্টারনেট কানেকশন (WiFi) নিতে হবে।
♻️ টিপস ০১ঃ
ফ্রিল্যান্সিং করার আগে আপনি কোন বিষয়ে (গ্রাফিক ডিজাইন, মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি) দক্ষ, তা ভালোভাবে জানতে হবে। কারণ, Specific বিষয়ে Skill না থাকলে Freelancing এর কাজ করা বেশ কঠিন।
♻️ টিপস ০২ঃ
আপনাকে অবশ্যই Self-confident হতে হবে। কোনো Project নেওয়ার সময় অবশ্যই ভেবে দেখতে হবে আপনি কাজটি Exact সময়ে ভালোভাবে শেষ করতে পারবেন কি না। এ জন্য অনলাইন Marketplace এ নিজের দক্ষতা ভালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে। Client কে জানাতে হবে যে আপনি তার কাজের জন্য Fit।
♻️ টিপস ০৩ঃ
English Communication Skill ভালোভাবে জানতে হবে। ক্লায়েন্টদের সঙ্গে কথা বলা এবং কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে Expert হতে হবে।
♻️ টিপস ০৪ঃ
কাজ করার সময় বিভিন্ন Problem সমাধানের Tactics জানতে অনলাইনে দ্রুত এবং সঠিকভাবে তথ্য Search করার কৌশল জানতে হবে। কারণ, কাজ করতে গেলে Occasionally বেশ কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়, যা ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে Solve করা সম্ভব।
♻️ টিপস ০৫ঃ
ক্লায়েন্টের Issues সমাধানের Mentality থাকতে হবে। কোনোভাবে Patch-work দিয়ে কাজ Submit দেওয়া যাবে না। শুধু তা–ই নয়, ক্লায়েন্টের Demand মতো একাধিকবার জমা দেওয়া কাজে পরিবর্তন আনার মানসিকতাও থাকতে হবে।
🔰কী শিখলে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে⁉️
Marketplace বিভিন্ন ধরনের Project পাওয়া যায়। আর তাই আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে, সে বিষয়ে Training নেওয়া উচিত। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা বা চাকরি করছেন, সে বিষয়ে Training নেওয়া। তবে মনে রাখতে হবে, কোনো বিষয়ে Initial Training নিয়েই মার্কেটপ্লেসে কাজ সংগ্রহ করা ঠিক হবে না। Coz, এতে ক্লায়েন্ট আপনার কাজে Displeased হয়ে খারাপ Rating দেবে। ফলে Future এ অন্য ক্লায়েন্টরা আপনাকে Project দেবে না। এমনকি মার্কেটপ্লেসে থাকা আপনার Profile Blocked ও হতে পারে।
💠 Freelancing মার্কেটপ্লেসে প্রযুক্তিনির্ভর কাজের সংখ্যা বেশি থাকায় নিজেকে প্রযুক্তিতে সব সময় Updated রাখতে হবে। পাশাপাশি Fleetest Income মানসিকতা বাদ দিয়ে Time নিয়ে ভালোভাবে কাজ শেষ করতে হবে। ফলে ক্লায়েন্টরা আপনার কাজে খুশি হয়ে ভালো রেটিং দেবে, যা দেখে অন্য ক্লায়েন্টরাও ধীরে ধীরে আপনাকে কাজ দিতে শুরু করবে। ফলে Imcome এর পরিমাণ Increase হওয়ার পাশাপাশি Successful ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন।
🚫 ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে ভূল ধারনাঃ
অনেকেই মনে করেন, দুই থেকে চার মাস ফ্রিল্যান্সিং করলেই অনেক TAKA আয় করা যায়। এ ধারণা Utterly ভুল। ভালোভাবে যেকোনো কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং করার সময় প্রথমে আয়ের পরিমাণ খুব কম থাকে। ক্লায়েন্টদের কাছ থেকে কাজ পেতেও অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হয়। আর তাই হাতে যথেষ্ট সময় এবং ধৈর্য থাকলেই কেবল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের চিন্তা করতে হবে।
বিস্তারিত জানতে কল করুন অথবা ইনবক্স করুন
✆+8801861532931
Website:
Keep Learning