Digital Income for All

Digital Income for All we are a Team of "Digital Income Opportunity Seekers". always finding advanced digital technology base income & spreading it to all.

https://techshohor.com/175791/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%A...
06/11/2020

https://techshohor.com/175791/%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BE/

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে আন্ত.....

Post  # 9      BLOCKCHAIN & CRYPTO CURRENCYক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কিভাবে এটার উৎপত্তি  ???ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি ভার্চুয...
06/11/2020

Post # 9

BLOCKCHAIN & CRYPTO CURRENCY

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং কিভাবে এটার উৎপত্তি ???

ক্রিপ্টোকারেন্সি একটি ভার্চুয়াল কারেন্সি। ক্রিপ্টো কাথাটি শুনলেই একটি বিষয় মাথাই চলে আসে। আর তা হলো ইনক্রিপ্টেড এবং ডিক্রিপ্টেড । আমারা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা সকলেই এই কথাটির সাথে পরিচিত হয়ে থাকবো। বেশ কিছু ফাইলকে এক সাথে রেখে সুরক্ষার জন্য ক্রিপ্টেড করে থাকি। আর এই সুরক্ষার জন্যই ক্রিপ্টেড কথাটি ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফরে ক্রিপ্টো+কারেন্সি মিলে তৈরি হয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি।

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ?

আগেই বলেছি ক্রিপ্টোকারেন্সি হচ্ছে ভার্চুয়াল কারেন্সি। যা ধরা-ছুয়া যায় না, শুধু দেখা যায়। এটি একটি কম্পিউটার এ্যলগোরিদম টেকনোলজি। ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোডের মাধ্যমে এটিকে তৈরি করা হয়েছে। সহজ কথাই বলতে গেলে এটি একরকম কোডিং এর মাধ্যমে সংখ্যা। যেমন মনে করেন আপনার বিকাশে ১০,০০০/- টাকা রয়েছে। এই ১০,০০০/- টাকা কি বাস্তব টাকা, নাকি শুধু সংখ্যা? শুধু সংখ্যা, এই সংখ্যা আপনি এর অনুমদিত প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে তার বিপরিতে আপনি বাস্তব টাকা নিতে পারবেন। বিকাশ একটি অনুমদিত এবং নিয়ন্ত্রিত মাধ্যম কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি কারো নিয়ন্ত্রনাধীন নয়।
ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হয় একটি সুরক্ষিত ব্লকচেইন এর মাধ্যমে। যা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং হ্যাকহীন মাধ্যম।

মার্কেটে ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনগুলো ?

ক্রিপ্টোকারেন্সির কথা বলতে গেলে সর্বপ্রথম বিটকয়েন এর কথা চলে আসে। মার্কেটে বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি আছে কিন্তু তার মধ্যে বিটকয়েন প্রথম এবং সব চাইতে জনপ্রিয়। এছাড়া ক্রমানুসারে রয়েছে, ইথেরিয়াম (ETH/Ethereum), ট্রন (Tron/TRX), লাইটকয়েন (LTC/Litecoin), এক্সআরপি (Ripple/XRP) ইত্যাদি।

#১: বিটকয়েন (Bitcoin):

ক্রিপ্টোকারেন্সিকে সহজ ভাবে বুঝার জন্য আমরা বিটকয়েন দিয়ে আলোচনা করতে পারি। বিটকয়েন নামটি শুনলে মনে করবেন এটি একটি বাস্তব কয়েন। আমি আগেই বলেছি ক্রিপ্টোকারেন্সি মানে ভার্চুয়েল কারেন্সি।

যতদুর জানা যায়, জাপানের একজন না দেখা ব্যক্তি, যার নাম সাতোশি নাকামোতো, তিনিই বিটকয়েন তৈরি করেন ২০০৯ সালের দিকে যার দাম তলহ্ন ছিল মাত্র ১০ সেন্টের মধ্যে। তিনি নিজের পরিচয় গোপন রাখেন। আজ অবধি তাকে কেউ দেখেনি এবং তিনি বেঁচে আছেন কিনা তাও কারো পক্ষে বলা সম্ভব নয়। নাম ছাড়া তার আর কোন পরিচয় জানা নেই। আর তার নামেরই একটা অংশ বিটকয়েন। অর্থাৎ আমার ১ টাকার ভাংগা সংখ্যাকে (০.০৫ পাঁচ পয়সা) যেমন পয়সা বলি ঠিক তদ্রুপ বিটকয়েন এর শুন্য দশমিক এর পরের সংখ্যা গুলোকে সাতোশি বলা হয়।

বিটকয়েন কিভাবে তৈরি হয় ?

বিটকয়েন উচ্চক্ষমতা সম্পূর্ণ কম্পিউটারের মাধ্যমে তৈরি করা হয় যাকে মাইনিং বলা হয়। যার মূল চালিকা শক্তি GPU (Graphics processing unit) নামে শক্তিশালী ইন্সট্রুমেন্ট। Graphics শব্দটির মাধ্যকে অনেকটাই বুঝা যায়, কারন আমরা এই শব্দটির সাথে বেশ পরিচিত। বিটকয়েন তৈরি পদ্ধতিকে বলা হয় মাইনিং আর যারা এই মাইনিং করে তাদের বলা হয় মাইনার।
যারা বিটকয়েন মাইনিং করেন তারা একটা কমিশন পান। আর এই মাইনারই যেসব বিটকয়েন ট্রান্জেকশন করা হয় তা ভ্যলিড করেন বা ভ্যলিডি চেক করেন। অর্থাৎ আমরা যখন একজন থেকে আরেকজনের কাছে বিটকয়েন ট্রান্সফার করি তা অটোমেটিক সেই সব মাইনিং করা কম্পপিউটারের সিস্টেমে চলে যায় এবং মাইনিং করা কম্পিউটার গুলো ট্রিন্জেকশনের ভ্যলিডিটি চেক করে ট্রান্জেকশন সঠিক হলে সেই ট্রান্জেকশনকে একটি ব্লকে পাঠায়। যেটিকে ব্লকচেইন সিষ্টেম বলে।
মাইনংএ বিদ্যুৎ খরচ অনেক বেশি। তাই যেদেশে বিদ্যুৎ এর দাম বেশি সে দেশে মাইনিং খুব একটা লাভজনক নয়।

বিটকয়েনের উপর নিয়ন্ত্রণ:

বিটকয়েনকে বা ক্রিপ্টোকারেন্সি কেউ নিয়ন্ত্রন করতে পারে না। আর তাই একে ডিসেন্ট্রালাইজড্‌ বলা হয়। যেমন আমাদের দেশের টাকা নিয়ন্ত্রিত, তাই টাকা একটি সেন্ট্রালাইজড্‌ কারেন্সি। টাকাকে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সরকার মিলে নিয়ন্ত্রন করে। আর বিটকয়েন কোন দেশের কারেন্সি নই, তাই বিটকয়েনকে বা ক্রিপ্টোকারেন্সিকে কেউ নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা।

বর্তমানে যদিও ক্রিপ্টোকারেন্সিকে রেগুলেশনের মধ্যে নিয়ে এসে নিয়ন্ত্রন করা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উন্নত দেশ গুলো। যার মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র।

এখানে একটি বিষয় যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ন্ত্রনহীন; তার ফলে এই মার্কেটের প্রাইসটা খুব বেশি উঠা নামা করে। যেমন ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে এর দাম ২০,০০০ ইউ এস ডি তে গিয়ে পৌছে ছিল, আবার ২০১৬ সালে ১০,০০০ ইউ এস ডি এর নীচে চলে গিয়েছিল। বর্তমানে আমার এই পোষ্ট করার সময় যার দাম এখন ১৫,৭৩০ ইউ এস ডি বা ১৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৭ শত ৩০ টাকা !! দাম কত বেশি উঠানামা তা সহজেই বুঝা যায়। আর তাই এই মার্কেটে ইনভেস্ট যেমন রিস্কি তেমনি প্রফিটও অনেক বেশী। যদিও দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বাড়ছেই।

বিটকয়েন লেনদেন:

বিটকয়েনে লেনদেন খুব সহজে, দ্রুত এবং নিরাপদে করা যায়। এখানে কোন থার্ড পার্টি নেই। যেমন ধরেন, আপনি বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে টাকা পাঠাবেন। তাহলে এর জন্য আপনাকে টাকা নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে পাটাতে হবে বা বাসাই বসে ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পাঠাবেন। যেটাই করেন না কেন, আপনি ব্যাংক ছাড়া পাঠাতে পারবেন না। এখানে ব্যাংক থার্ড পার্টি। কিন্তু আপনি যদি কাউকে বিটকয়েন পাঠাতে চান তবে আপনাকে কোন থার্ড পার্টির সাহায্য নিতে হবে না। অর্থাৎ এখানে শুধু আমি যদি আপনাকে কোন বিটকয়েন পে করি তবে আমি আর আপনি ছাড়া আর কেউ জানবে না। এই ট্রান্জেকশনকে বলা হয় P2P বা Peer to Peer আর তাই এটি অনেক নিরাপদ এবং সহজ।

Post  # 8২.৫) Blockchain Technology এবং Bangladesh: Fin Tech এর এই  যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেরও ব্লকচেইন প্রযুক্ত...
06/11/2020

Post # 8

২.৫) Blockchain Technology এবং Bangladesh: Fin Tech এর এই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেরও ব্লকচেইন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সময় এসে গেছে। কিন্তু তার আগে জানতে হবে আমরা কি নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে প্রস্তুত ? আশার কথা হচ্ছে স্বল্প পরিসরে হলেও এবার আমরা এ ধরনের প্রযুক্তির সাথে কাজ করার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে বিনিয়োগ করা শুরু করছি যা আমাদেরকে বহি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সাহায্য করবে।

নিম্নে আমরা কয়েকটি সরকারী ও বেসরকারী রিপোর্ট তুলে ধরছি যেখানে বক্তারা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে Blockchain এর সম্ভাবনা ও ব্যবহার নিয়ে কথা বলেছেন......

রিপোর্ট-১: ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থা ব্লকচেইন প্রযুক্তি চালু করার ঘোষণা এসেছে নতুন বাজেটে। ২০১৯-২০ অর্থবছর হতেই এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ১৩ জুন ২০১৯ ইং জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে নতুন বছরের বাজেট প্রস্তাবে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে তথ্য আদান-প্রদানের অপরিবর্তনীয় ও নিরাপদ মাধ্যম হয়ে উঠেছে ব্লকচেইন।এতে বলা হয়েছে, এই পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেন ছাড়াও ব্যবসা-বাণিজ্য, মেধাসত্ব, স্বাস্থ্যসেবা, মালিকানার তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান শুরু হয়েছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও ব্লকচেইন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে। তাই আগামী অর্থবছরে দেশে বক্লচেইন প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহার হবে।
ব্লকচেইন নিয়ে অনেক দিন হতেই কাজ করছে দেশীয় কোম্পানি ইজেনারেশন। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, অর্থনৈতিক প্রযুক্তিতে ব্লকচেইন একটি উন্নয়নশীল জাতির অর্থনৈতিক অবস্থা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।বাজেটে ব্লকচেইন চালুর ঘোষণা সরকারের সুদূরপ্রসারী ভাবনার প্রতিফলন উল্লেখ করে বেসিসের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ব্লকচেইন প্রযুক্তি চালুর ফলে সরকারের কাজে স্বচ্ছতা আসবে। ভুলভ্রান্তি কমে আসবে, সেবার মান উন্নতি হবে। ইজেনারেশন দু’বছর আগে হতে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে এই ব্লকচেইন সেবা দিয়ে আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাজ করতে তারা দক্ষতা নিয়েই প্রস্তুত আছেন। এছাড়া অল্প সংখ্যক আরও কিছু প্রতিষ্ঠানও রয়েছে যারা ব্লকচেইন নিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে চাইছেন।

রিপোর্ট-২: গত ২৪ শে জানুয়ারী ২০২০ ইং এ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বর্তমান বিশ্ব চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ শিল্প বিপ্লবের প্রধান নিয়ামক হবে প্রযুক্তি। প্রযুক্তিনির্ভর এ বিপ্লবের সুযোগ নিতে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রধান নিয়ামকের ভূমিকায় থাকবে ন্যানো টেকনোলজি, রোবোটিকস, ব্লকচেইন, এনার্জি স্টোরেজ ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মতো বিষয়গুলো। এ শিল্প বিপ্লবের সুফল পেতে হলে তার জন্য উপযোগী জনবল কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন্স সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ২৫ বছর ও এআইএসের ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অত্যাধুনিক আর্থিক প্রযুক্তি ব্লকচেইন বিষয়ে অ্যাকাউন্টিং বিভাগ যদি কোনো কোর্স চালু করে, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

রিপোর্ট-৩: ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, ব্লকচেইন ডাটা নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। বাংলাদেশের জন্য এটি নিয়ে কাজ করা অন্যতম এক অর্জন।
বিগত ১০ ই জানুয়ারী ২০২০ ইং এ বেসিস মিলনায়তনে ইজেনারেশনের উদ্যোগে 'বৈশ্বিক অর্থায়ন ব্যবস্থায় ব্লকচেইন-বাংলাদেশের করণীয়' শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্লকচেইন নিয়ে কাজ করতে পারে এটা এক সময় অকল্পনীয় ছিলো। বর্তমানে বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তি খাতে একটি সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এই সম্ভাবনাকে যদি কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যেতে না পারি তাহলে আমরা এগোতে পারবো না।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির প্রতি যে আগ্রহ তা সচরাচর দেখা যায় না। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে যারা কাজ করছে তারা কিন্তু প্রযুক্তিতে মহাপণ্ডিত নয়। ইচ্ছাশক্তি ও প্রযুক্তি ব্যবহারই তাদের এগিয়ে দিয়েছে। তবে দুর্ভাগ্য যে শিক্ষা ব্যবস্থা এখনো বদলাতে পারিনি। এটা চলতে থাকলে এক সময় মানবসম্পদ বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো যতক্ষণ পর্যন্ত তথ্যপ্রযুক্তি সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছাতে না পারি, জনগণ যদি সেই প্রযুক্তির ব্যবহার করতে না পারে, তাহলে এই সম্ভাবনা কোনো কাজে আসবে না।
গোলটেবিল আলোচনায় ই-জেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমে ইন্টারনেট যেমন ভূমিকা রাখছে, ব্যাংকিং খাতে ব্লকচেইনও তেমনি ভূমিকা রাখবে। স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং, রিয়েল স্টেট এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিবর্তন নিয়ে এসেছে এই প্রযুক্তি। যেহেতু ক্রিপ্টোকারেন্সির সচেতনতা ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং ছোট পরিসরে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মনে করা হয় যে, ব্লকচেইন প্রযুক্তি বিনিয়োগ শিল্পকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। বর্তমানে গতানুগতিক ও বিকেন্দ্রীভূত প্রতিষ্ঠানগুলো ইনিশিয়াল কয়েন অফারিং দ্বারা বিনিয়োগের তহবিল সংগ্রহ করছে।
আলোচনায় এস এম আশরাফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ২০১৭ সালের প্রযুক্তি পরিবেশ ২০১৮ সালে এসে অনেকটাই বদলে যাবে। ডাটার অপেন অ্যাক্সেসের কারণে কপিরাইট সংরক্ষণ একটি বিশাল চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে। কপিরাইট নিশ্চিতকরণে ব্লকচেইন বড় ভূমিকা পালন করবে। দেশে ভূমি রেকর্ড ব্যবস্থাপনায় ব্লকচেইনের ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

রিপোর্ট-৪: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক দেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ব্লককচেইন অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া বিজয়ী দলগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে দেশের শিক্ষার্থীদের নতুন নতুন উদ্ভাবনী দ্বারা সমস্যাকে সুযোগে পরিণত করার আহবান জানিয়েছেন।
বিগত ৩ রা মে ২০২০ ইং এ ডিজিটাল প্লাটফর্মে ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ ২০২০’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আরও বলেন, উদ্ভাবনী এবং সৃজনশীল চিন্তা থেকে যে কোন সমস্যাকে সুযোগে পরিণত করতে পারে দেশের তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল চিন্তার সাথে ব্লকচেইনের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তা ব্যবহার করা হলে দেশ অনেকদূর এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, প্রয়োজন থেকেই নতুন নতুন উদ্ভাবনের জন্ম হয়। করোনাকালে আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছি ঠিকই কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্ভাবনের দ্বারা ভার্চুয়াল জগতে আমরা একে অপরের কাছাকাছি আছি।
অনুষ্ঠানে ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ এন করিম দেশে প্রথবারের মতো অনুষ্ঠিত ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারিদের মধ্য থেকে ১০টি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী দলগুলোকে পুরস্কারের অর্থের ভার্চুয়াল চেক প্রদান করা হয়। আর চ্যাম্পিয়নশিপ অ্যাওয়ার্ডটি প্রদান করা হয় সদ্য প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর নামে, যিনি ব্লকচেইন অলিম্পয়াড বাংলাদেশের একজন উপদেষ্টা
ছিলেন।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী চ্যাম্পিয়ন দলের প্রধান অনিরুদ্ধ’কে তার নগদ অ্যাকাউন্টে পুরষ্কারের এক লক্ষ টাকা ট্রানসফার করেন। বিজয়ীদের হংকং ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের স্পনসর করা হবে বলে জানানো হয়।
হাবিবুল্লাাহ বলেন, একটি জুরি বোর্ডের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারি ৬২টি দলের জমাকৃত ৬২টি প্রকল্পের মূল্যায়ন করে ১০ দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
বিজয়ী দলগুলো হচ্ছে: হাইপারঅ্যাকটিভ অরেঞ্জেস, টীম লীড চেইন, ডিইউ নিমবাস, টীম ডিজিটাল ইনোভেশন, টর, ওয়েব থ্রি ডট ওয়ান, ব্রোগ্রামারস, এভিয়াটো, ডিইউ হাইপালেজার, কসমিক ক্রিউ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৫৭ জন বিচারক নিয়ে গঠিত বোর্ড গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ব্লকচেইন অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারিদের জমাকৃত ৬২টি প্রকল্পের মূল্যায়ন করে এ ১০টি দলকে বিজয়ী দল হিসেবে নির্বাচন করে।

রিপোর্ট-৫: তথ্য প্রযুক্তি খাতের আলোচিত ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যাংকিং খাতের জন্য এক অপার সম্ভাবনা নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) অর্থায়নে মর্টগ্যাজসহ সকল ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা ব্যবস্থাপনায় এটি খুবই সম্ভাবনাময়।
বিগত ২৬ শে অক্টোবর ২০১৯ ইং এ বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) এবং ব্রাক ব্যাংকের যৌথ আয়োজনে এক কর্মশালায় হংকং ব্লকচেইনের প্রেসিডেন্ট ড. লরেন্স মা এ সব কথা বলেন।
রাজধানীর গুলশানে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কর্মশালায় লরেন্স মা বলেন, ইন্টারনেট যখন কালের পরিক্রমায় দ্বিতীয় প্রজন্মে পদার্পণ করছে, তখনই বিশ্ব প্রযুক্তির বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এই ‘ব্লকচেইন’।
তিনি বলেন, তথ্য প্রবাহের প্রথম যুগটি ছিল যে কোনো জায়গায় যে কোনো সময়ে তথ্যের সহজলভ্যতা। কিন্তু এখন ব্লকচেইন প্রযুক্তি নামে ক্রিপ্টোগ্রাফি, গণিত, সফটওয়্যার প্রকৌশল আর আচরণগত অর্থনীতির এই বুদ্ধিদীপ্ত সমন্বয় নিয়ে আসছে। ইন্টারনেট অব ভ্যাল্যু, যা একটি নতুন ডিস্ট্রিবিউটেড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাণিজ্যে রূপান্তর ঘটিয়ে পৃথিবীকেও একভাবে বদলে দেবে।
কর্মশালাটির আলোচ্য বিষয় ছিল ব্লকচেইনের কৌশলগত, ব্যবসায়িক আর আইনী দিকগুলো বিশ্লেষণ করা। একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য এই ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার প্রযুক্তিটির প্রয়োগ কীভাবে হবে।
শিক্ষাবিদ, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং ব্যাংকিং, টেলিকম, আইসিটি আর উন্নয়ন খাতের পেশাজীবিরা কর্মশালায় অংশ নেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর কর্মশালায় ব্লকচেইন বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা সঞ্চালন করেন।
আলোচনায় অংশ নেন ড. লরেন্স মা, টেকনোহ্যাভেন কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হাবিবুল্লাহ এন করিম এবং এশিয়ান টাইগার ক্যাপিটাল পার্টনারসের চেয়ারম্যান ইফতি ইসলাম।
পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার এবং ব্র্যাক ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির হোসেন এতে উপস্থিত ছিলেন।

Post  # 7২.৪) Blockchain Technology: ব্লক এবং চেইন দুটি আলাদা শব্দের যোগফলই হচ্ছে ব্লকচেইন যা একটি আধুনিক প্রযুক্তি হিসে...
06/11/2020

Post # 7

২.৪) Blockchain Technology: ব্লক এবং চেইন দুটি আলাদা শব্দের যোগফলই হচ্ছে ব্লকচেইন যা একটি আধুনিক প্রযুক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। "ব্লক" বলতে ডাটা বা তথ্য বুঝানো হচ্ছে আরা "চেইন" বলতে উক্ত ব্লকগুলোকে একের পর এক জোড়া লাগানোর ফলে সৃষ্ট হওয়া শিকলের মত দেখা যায় বুঝাচ্ছে।

উদাহরণ: মনে করুন, আপনি কোন ব্যক্তিকে কিছু টাকা পাঠাতে চাচ্ছেন ট্র‍্যাডিশনাল কোর ব্যাংকিং/মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, তাহলে আপনি এবং ঐ ব্যাক্তির মাঝে ৩য় পক্ষ হিসেবে ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিতে হচ্ছে; অপরদিকে যদি ব্লকচেইনের মাধ্যমে কোন তথ্য বা টাকা পাঠাতে চান, তহলে আপনি যখন সেই ব্যক্তির ঠিকানায় (ওয়ালেট/এড্রেস) পাঠাবেন তখন আপনার সেই ট্রান্জেকশনটিকে একটি ব্লকের মধ্যে নেওয়া হবে যেখানে কোন ৩য় পক্ষ থাকবে না, এরপর সেই ব্লকটিকে সিকিউরিটি পারপাসে একটি হ্যাশের ( #) মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। আর এক একটি ব্লক অপরটির সাথে সংযুক্ত। প্রতিটি ব্লকে তার পূর্বের ব্লকের এ্যড্রেস থাকে এইভাবে একটি ব্লককে আরেকটি ব্লকের সাথে সংযুক্ত করা হয়। অপরদিকে একই সময়ে যত ট্রান্জেকশন হয় তার সকল ট্রান্জেকশনকে একটি ব্লকের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যার জন্য হাজার হাজার কম্পিউটার কাজ করে যাকে Mining/মাইনিং বলা হয়; পাশাপাশি সকল কম্পিউটারে সেই ব্লকটির একটি করে কপি থাকে এবং যারা এই কপি রাখার কাজটি করে বা Mining করে তাদেরকে Miner/মাইনার বলা হয়ে থাকে আর এই ভাবে Mining এর মাধ্যমে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক বা চেইনের সৃষ্টি হয়। আর চেইনের মাধ্যমে যে নথিপত্র ভবিষতরে জন্য জমা হয় এটিকেই Ledger/লেজার/খতিয়ান বলা হয়; যেখান থেকে আমারা সকলেই লেনদেন গুলো দেখতে পাই, তাই এটিকে ওপেন লেজার বলা হয়ে থাকে।

যেভাবে কাজ করে Blockchain: অন্যান্য ডাটা বেইসের মতো ব্লকচেইনেও রেকর্ড হিসেবে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি রেকর্ডকে বলা হয় ব্লক। প্রতিটি ব্লকে তথ্যের সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ এবং টাইম স্টাম্প যুক্ত করা থাকে, পাশাপাশি আরো থাকে ট্রানজেকশন ডাটা। ‘ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ’ হচ্ছে, একটি ব্লক তৈরির পর তার বিশেষত্ব গুলো নিয়ে তৈরি করা একটি কোড। কোনো কারণে যদি ব্লকটিতে পরিবর্তন করা হয়, তাহলে তার ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশও বদলে যায়। ব্লকে থাকা রেকর্ড কোন ব্যক্তি কখন যুক্ত বা পরিবর্তন করেছেন তা দেওয়া থাকে টাইম স্টাম্প এবং ট্রানজেকশন ডাটায়। আর ব্লকগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিলে তৈরি হয় ‘ব্লকচেইন’। তথ্যের পরিমাণ যত বাড়বে, চেইনে তত বেশি ব্লক যুক্ত হবে। চেইনে প্রয়োজনে অসীম সংখ্যক ব্লকও যুক্ত করা সম্ভব।

যখন ব্লকচেইনের তথ্য কোনো ব্যবহারকারী দেখবেন বা পরিবর্তন করতে চাইবেন, তখন তাঁর কাছে পুরো চেইনটিই পাঠানো হবে। এভাবে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার ছাড়া শুধু ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে অগণিত কপি সংরক্ষণের মাধ্যমে ব্লকচেইন টিকে থাকতে পারে। এ ধরনের সার্ভারবিহীন তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের উপায়কে বলা হয় ‘পিয়ার টু পিয়ার(P2P) নেটওয়ার্কিং’।

পুরো চেইনের প্রতিটি কপি যে ডিভাইস গুলোতে আছে, তাকে বলা হয় Node/নোড। প্রতিবার নতুন ব্লক যুক্ত বা পরিবর্তন হলে প্রতিটি নোডেই সঙ্গে সঙ্গে তা আপডেট করা হবে। ফলে নতুন তথ্য প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে যাবে নিমেষেই।

যেহেতু ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহারে ডিজিটাল তথ্যসমূহের নিরাপত্তার সঙ্গে আপস না করেই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ডিজিটাল তথ্য যাচাই করা যায়, সেহেতু এটি প্রয়োগ করে ডিজিটাল বিশ্বে এক আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা সম্ভব। ব্লকচেইন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ হলো ‘স্মার্ট কন্ট্রাক্ট’। এটি মূলত একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি চুক্তির শর্তাবলি সম্পাদন করতে পারে। আরেকটি নির্ভরযোগ্য প্রয়োগ হলো— এই স্মার্ট চুক্তি ব্যবহার করে সম্পত্তির মালিকানা নিয়ন্ত্রণ, যাকে ‘স্মার্ট প্রোপার্টি’ বলা হয়।

ব্লকচেইনের মূল শক্তি: ব্লকচেইন এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে এর মধ্যে থাকা কোনো তথ্য গোপনে পরিবর্তন করা যায় না। প্রতিটি পরিবর্তনে ব্লকের ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ বদলে যাবে। ফলে চেইনে থাকা অন্য ব্লকে সংরক্ষিত হ্যাশের সঙ্গে তা মিলবে না। এ ছাড়া ব্লকে পরিবর্তন করলেই সেটি কে কবে কখন কোন ডিভাইস থেকে করেছে, তার পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড ব্লকে রাখতেই হবে। কোনো ব্লক ডিলিট করে দিলে চেইনটি পুরোটাই অকার্যকর হয়ে যাবে। ফলে ভুয়া তথ্য বা কোনো ধরনের জালিয়াতি ব্লকচেইনে করা সম্ভব নয়।

আবার যেহেতু ব্লকচেইনের কোনো অংশ আলাদা করে দেখার উপায় নেই, দেখতে হলে ব্যবহারকারীকে পুরো চেইন ডাউনলোড করতে হয়, তাই বাকি চেইনে কোথায় কী তথ্য আছে, তা সহজেই দেখা সম্ভব। চাইলেও তাই ব্লকচেইনে কোনো লুকানো তথ্য রাখা যায় না। যে কারণে ভোটের তথ্য, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের তথ্য বা সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার তৈরি করার জন্য ব্লকচেইন এক আদর্শ প্রযুক্তি।

ব্লকচেইন প্রযুক্তির ডেটাবেইস বণ্টিত ও সর্বজনীন। এটা কোনো একক জায়গায় অবস্থান করে না বা সংরক্ষণ করা হয় না। অর্থাৎ, এতে যে রেকর্ড গুলি থাকে তা সত্যিকার অর্থেই সবার জন্য এবং সহজেই যাচাইযোগ্য। কোনো কেন্দ্রীয় সংস্করণ না থাকার ফলে এটা হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি থেকেও মুক্ত। ব্লকচেইন ডাটাবেজ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ওপর নির্ভর করে কাজ করে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতি দশ মিনিট অন্তর অন্তর প্রত্যেকটি লেনদেন যাচাই করতে থাকে। এই লেনদেন গুলিকে এক একটি ব্লক বলা হয়। অর্থাৎ, কোনো একটি অংশের তথ্য পরিবর্তন করে ডেটাবেইস-এর অখণ্ডতা বা বিশুদ্ধতা নষ্ট করা যায় না। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

Post  # 6২.৩) Fin Tech Innovation: আমরা যদি পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাব সারা বিশ্বে এখন Blockchain নামক একটি শব্দ ধীর...
06/11/2020

Post # 6

২.৩) Fin Tech Innovation: আমরা যদি পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাব সারা বিশ্বে এখন Blockchain নামক একটি শব্দ ধীরে ধীরে ব্যাপক জনপ্রিয় হচ্ছে Fin Tech ইন্ডাস্ট্রিতে। তাই এখন থেকে পরবর্তী বেশ কয়েকটি আলোচনায় আমরা এই Blockchain Technology নিয়ে ধারাবাহিক কিছু কথা বলব যা আপনাদের "ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকামের" ক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগবে আশা করছি।

Post  # 5২.২) Asia & Bangladesh's Fin Tech possibilities:ফিনটেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এশিয়ায়:সিবি ই...
06/11/2020

Post # 5

২.২) Asia & Bangladesh's Fin Tech possibilities:

ফিনটেকে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এশিয়ায়:

সিবি ইনসাইটস- এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্লোবাল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল-ব্যাকড ফিনটেক ২০১৮ সালের বিনিয়োগ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠানটির ২০১৮ সালের ঋণের ২৯.৫৭ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বব্যাপী ১৭০৭টি চু্ক্তি করেছে। বছরে ১৫ শতাংশ চুক্তি বেড়েছে। অনন্য ফিনটেকগুলো বার্ষিক ১৪৬৩ সংস্থার সাথে চুক্তি করেছে। অনন্য বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ২৭৪৫, যার বেশির ভাগই কর্পোরেট বিনিয়োগকারী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে ১১.৮৯ বিলিয়ন ডলারের ৯৬৫ টি বিনিয়োগ করে শীর্ষ ফিনটেক বাজার হিসাবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে। তবে এশিয়া এটিকে প্রারম্ভিক পর্যায়ে দেখছে। ধীরে ধীরে মেগা বিনিয়োগ করছে। এশিয়ায় ৩৮ শতাংশ বছরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এশিয়ার ফিনটেক সংস্থাগুলোর তহবিলের পরিমাণ ২২.৬৫ বিলিয়ন ডলার যা ৫১৬ টি চুক্তির মাধ্যমে করেছে। খুব শীঘ্রই ফিনটেক বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসাবে এশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সিবি ইনসাইটস এর প্রতিবেদনে বলা হয়।

বাংলাদেশে ফিনটেক এর সম্ভাবনা:

বাংলাদেশের অনুন্নত আর্থিক ব্যবস্থা, বিশাল অব্যবহৃত জনসংখ্যা ও স্মার্টফোন ব্যবহারের হার, উদ্ভাবনী ডিজিটাল ফিনান্সগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে এ খাতটি উদীয়মান পর্যায়ে রয়েছে তবে সাম্প্রতিক বছরগুলো সরকারের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি এক্সিলার, ইনকিউবেটর, স্টার্টআপ ইভেন্ট দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। মোবাইল ফোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার আলোড়ন তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশের প্রযু্ক্তিতে। যেখানে মোবাইল ফোন যোগাযোগের পাশাপাশি আরও অনেক ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপ করার জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

বিকাশের মতো নন-ব্যাংকিং ফিনটেক সংস্থা বিগত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশের মোবাইল মানি সেবার ক্ষেত্রে বাজারের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম আই পে’র পরে রয়েছে। আই পে’র মাধ্যমে মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার থেকে অর্থ প্রদান করা যায়। কিছু ব্যাংকও একই পরিসেবাদী সরবরাহ করছে তার মধ্যে রয়েছে- রকেট, এমক্যাশ, ইউক্যাশ তবে তাদের বাজার খুব ছোট। মোবাইল মানি পরিসেবা ছাড়াও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার মতো অ্যাকাউন্ট খোলা, ঋণ, বীমা এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবাগুলো প্রচলিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় করা হয়নি।

আধুনিক আর্থিক পরিসেবা খাত ৪০০ বছরেরও বেশি পুরনো। অর্থ পরিশোধের জন্য সতেরো শতকে চেক প্রবর্তন করা হয়েছিল এবং এর কয়েক শতাব্দী আগে বীমার কার্যক্রম শুরু করা হয়। বছরের পর বছর ধরে, আর্থিক সেবা সংস্থাগুলো আরও বেশি লোককে তাদের সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে। তবুও, আজ বাংলাদেশের ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই এবং তাদের অর্থনৈতিক কার্যক্রম দেশের আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির অংশ নয়।

সঠিক নিয়ামক কাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় গৃহীত হলে ফিনটেক এই দৃশ্য পরিবর্তন করতে পারে। ফিনটেক বাংলাদেশের মতো উদীয়মান দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করার জন্য প্রস্তুত। ভারতের মতো অন্যান্য উদীয়মান দেশগুলির আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ফিনটেকের অনেক উপাদান ইতিমধ্যে গ্রহণ করে এর সুবিধা ভোগ করছে।

ফিনটেক বাংলাদেশের অর্থনীতি কার্যক্রমের সংস্কার করতে পারে। এখনো নগদ বা অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অর্থ আদান-প্রদান করা হয়। বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ প্রদানের সুবিধার্থে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির একটি বিশাল অংশকে আনতে সহায়তা করবে।

আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির মাধ্যমে অর্থ প্রদান বাড়ানো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করবে এবং কর আদায়ের কার্যকারিতা উন্নত করবে। ফিনটেক নোট মুদ্রণ ও বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় নগদ পরিমাণ লেনদেন হ্রাস করবে। ফিনটেক দেশে জাল মুদ্রার প্রচারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করবে। নগদ অর্থের হ্রাস প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যয় হ্রাস ও ঝুঁকি পরিচালনা করতে সহায়তা করবে।

প্রচলিত আর্থিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করার ক্ষমতা আছে ফিনটেক। খুচরা আর্থিক ক্রিয়াকলাপ যেমন ঋণ প্রদান বা কোনও বীমা প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য যাচাইকরণ প্রয়োজন। ফিনটেক এই যাচাইকরণের প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণরূপে স্বয়ংক্রিয় করতে পারে। কোনও ব্যক্তি ডিজিটালভাবে সমস্ত সহায়ক নথির সাথে ঋণ আবেদন বা একটি বীমা প্রস্তাব অনলাইনে জমা দিতে পারে ও যাচাইকরণ এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে।

প্রক্রিয়াটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবেদনকারী অনলাইনে বা ইমেলের মাধ্যমে তার আবেদন সম্পর্কিত প্রতিক্রিয়া পাবেন। এই জাতীয় প্রযুক্তির নেতৃত্বাধীন পরিসেবা ব্যবসায়িক ক্রিয়াকলাপগুলোতে ধারাবাহিকতা নিয়ে আসে ও ত্রুটি এবং পক্ষপাতের ঝুঁকি হ্রাস করে। আর্থিক পণ্য বিক্রি করার সময় হ্রাস ও গ্রাহকদের সন্তুষ্টি বাড়ায় ফিনটেক।

আর্থিক পরিসেবা সংস্থাগুলো গ্রাহকদের পারস্পরিক কার্যকলাপের সঙ্গে নতুন মাত্রা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ফিনটেকের। বাংলাদেশে গ্রাহকরা ও আর্থিক পরিসেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ও পরিসেবার জন্য সংস্থা বা কল সেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের কাছে তাদের আর্থিক সেবা সরবরাহকারীদের সাথে চ্যাট করার বিকল্প রয়েছে।

ফিনটেক সক্ষম প্ল্যাটফর্মগুলোতে চ্যাট আলোচনাগুলো সফটওয়্যার রোবট দ্বারা করা হয়, যা চ্যাটবট নামে পরিচিত। একইভাবে, গ্রাহকরা সেবা কেন্দ্রে কল করলে তাদের কলগুলোর উত্তর ডিজিটাল ভয়েস সহায়ক বা হিউম্যানয়েড সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে পান। মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন প্রযুক্তিগুলি এ জাতীয় অর্জন সম্ভব করেছে। এই জাতীয় প্রযুক্তি আর্থিক পরিষেবা সংস্থাগুলিকে ব্যয় হ্রাস এবং তাদের পরিষেবার গতি এবং ধারাবাহিকতা উন্নত করতে সহায়তা করে।

সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় ফিনটেকের কাছ থেকে নানাভাবে উপকৃত হতে পারে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যাক তরুণ জনসংখ্যা রয়েছে যারা দ্রুত প্রযুক্তি গ্রহণ ও সম্ভাব্যভাবে ফিনটেকের আগ্রহী ব্যবহারকারী হতে পারে। আনুষ্ঠানিক আর্থিক পরিসেবাদি নেটওয়ার্কে আরও গতিশীল করার জন্য বাংলাদেশের আর্থিক সেবা সংস্থাগুলো তাদের রূপান্তর যাত্রায় ফিনটেক গ্রহণ করা উচিত।

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো স্বয়ংক্রিয়করণে পিছিয়ে রয়েছে। ফিনটেক স্টার্টআপগুলোর মতো নতুন নন-ব্যাংকিং আর্থিক পরিষেবা সরবরাহকারী গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে ও বাজার দখল করতে পারে। ফিনটেক বাংলাদেশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে ও বৃদ্ধির হারকে বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন ও তহবিল প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ফিনটেক ও ডিজিটাল ফিনান্স জনগণের কাছে প্রাথমিক ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা আনতে মৌলিক ভূমিকা পালন করার সম্ভাবনা রাখে।

Post  # 4২.১) Financial Technology: বিশ্বজুড়ে আজ প্রযুক্তির ঢেউ আছড়ে পড়ছে সবখানে। সেখানে কেউ তাল মিলিয়ে টিকে যাচ্ছে ...
06/11/2020

Post # 4

২.১) Financial Technology: বিশ্বজুড়ে আজ প্রযুক্তির ঢেউ আছড়ে পড়ছে সবখানে। সেখানে কেউ তাল মিলিয়ে টিকে যাচ্ছে নতুবা হারিয়ে যাচ্ছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Financial Technology বা ফিনটেক (Fin Tech) একটি নতুন শব্দ যা ফাইনানসিয়াল টেকনোলজির সংক্ষিপ্ত রূপ। সনাতন ফিনান্সিয়াল সার্ভিসগুলোকে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুবিধাজনকভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই হলো ফিনটেক। ফিনটেক নিঃসন্দেহে জীবনকে বদলে দেবে। ফিনটেক এখন বাস্তবতা ও যুগের দাবি।

অর্থ প্রদান, বীমা, ঋণ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য আর্থিক সাব সিডিয়ারি পরিসেবা দিয়ে থাকে ফিনটেক। প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্থিক পণ্য ও সেবার ডিজাইন ও সরবরাহের কাজও করে ফিনটেক। এর মাধ্যমে ব্যাংকে চেক ছাড়াই টাকা উত্তোলন ও কোনো কাগজপত্র ছাড়াই লেনদেন ও একাউন্ট খোলা যায়।

এছাড়াও ফরেস্ক ও স্টক ট্রেডিং, ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড অ্যাপস, এগুলো সবই ফিনটেক এর উদাহরণ। ফিনটেকের মূল ব্যবহারকারি হচ্ছে ব্যাংক, ইনসুরেন্সসহ অন্যান্য ফাইনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান করে থাকে। ফিনটেক এর মাধ্যমে সহজেই কম খরচে গ্রাহকদের সেবা দেয়া যায়।

কেন ফিনটেকের জনপ্রিয়তা ও গ্রহন্যোগ্যতা বাড়ছে:

অনেকগুলো কারণ রয়েছে; যেমন- যারা সাধারণ ব্যাংকিং করে না, তাদের কাছেও পণ্য ও সেবা পৌঁছানো যায়। প্রতিযোগিতার যুগে ফিনটেক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে রাখে। বিশ্বব্যাপি দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে ফিনটেক। বিশ্বের অনেক দেশে ফিনটেক ভিত্তিক কোম্পানি কাজ করছে। বিশ্বব্যাপী, আর্থিক সেবা খাতে বাধা দূর করে এর পথ সুগম করে কাজকে সহজ করে চলেছে। কাগজপত্র পূরণের কোনো ব্যাপার নেই। গ্রাহকদের মৌলিক তথ্য যেমন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ও ব্যাংক একাউন্টের তথ্য দিলেই ফিনটেকের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ তথ্যাদী ভেরিফাই করার পর সঠিক থাকলে তারপর একাউন্টটি চালু হয়। কাগজপত্র পূরণের কোনো ব্যাপার নেই। গ্রাহকদের মৌলিক তথ্য যেমন ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ও ব্যাংক একাউন্টের তথ্য দিলেই ফিনটেকের সাথে যুক্ত হওয়া যায়। কর্তৃপক্ষ তথ্যাদী ভেরিফাই করার পর সঠিক থাকলে তারপর একাউন্টটি চালু হয়।

আমেরিকার ওয়ারবার্গ পিনকাস, ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট ও এম এন এ, চীনের অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল, দুবাইয়ের ফিনটেক ইনোভেশন ইন্টারন্যাশনাল ডিএমসিসি বিশ্বের অন্যতম ফিনটেক কোম্পানি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে অ্যাপের মাধ্যমে উপরোক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কোথাও না গিয়ে ফিনটেক চালু করতে পারে।

Post  # 3২) Technology: বা প্রযুক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কারকে কাজে লাগিয়ে নতুন কোন কিছু তৈরি করা এবং জীবন মানকে আ...
06/11/2020

Post # 3

২) Technology: বা প্রযুক্তি হচ্ছে বিজ্ঞানের নানা আবিষ্কারকে কাজে লাগিয়ে নতুন কোন কিছু তৈরি করা এবং জীবন মানকে আরো উন্নত করা। যিনি বিজ্ঞানকে এই সকল কাজে লাগান, তিনি প্রযুক্তিবিদ। যেমন: মোবাইল ফোন প্রযুক্তির একটি অবদান। কারন এর প্রতিটি ক্ষুদ্র অংশ কোন না কোন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন। আর প্রযুক্তিবিদ সেই আবিষ্কারগুলি একত্রিত করে মোবাইল ফোন তৈরি করেছেন।

যদি পর্যালোচনা করে দেখা হয় তাহলে প্রযুক্তিকে দুই ভাবে ভাগ করা যায়:

১) প্রাচীন প্রযুক্তি ২) আধুনিক প্রযুক্তি

বর্তমানে আমরা আধুনিক প্রযুক্তির মধ্যে বসবাস করছি যেখানে হাতের নাগালেই সব কিছু পাওয়া যাচ্ছে যেমন- তথ্য প্রযুক্তি (ICT), চিকিৎসা প্রযুক্তি (Medical Technology), অর্থ প্রযুক্তি (Financial Technology), ইত্যাদি। একবার ভেবে দেখুন, এ সকল প্রযুক্তির কারণে আমাদের জীবনযত্রার মান কতটা সহজ হয়ে গিয়েছে !
কিন্তু অনেক সময়ই আমরা অনেকেই নিজেদেরকে এ সকল প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়াতে পারি না বা সংকীর্ণ মানসিকতার জন্য খাপ খাওয়াতে চাই না যা অনেক বড় একটি ভূল।

আমাদের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে "আর্থিক প্রযুক্তি (Financial Technology)" যা নিয়ে পরবর্তি সময়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে......

Post  # 02“ইন্টারনেটে প্যাসিভ আয়” সমন্ধে বিস্তারিত জানার আগে আমাদের কে বেশ কয়েকটি বিষয় সমন্ধে অল্প বিস্তর জানতে হবে; তা ...
06/11/2020

Post # 02

“ইন্টারনেটে প্যাসিভ আয়” সমন্ধে বিস্তারিত জানার আগে আমাদের কে বেশ কয়েকটি বিষয় সমন্ধে অল্প বিস্তর জানতে হবে; তা না হলে প্যাসিভ ইনকামের পুরো কন্সেপ্টি আমরা ক্লিয়ার হতে পারব না। বিষয়গুলো হচ্ছেঃ

১) ইন্টারনেট/Internet
২) টেকনোলজি/Technology
৩) কারেন্সি/Currency
৪) ইনকামের প্রকারভেদ/Types of Income

চলুন ধারাবাহিক ভাবে একেকটি বিষয় সমন্ধে ক্লিয়ার হবার চেষ্টা করি……

১) Internet: ১৯৫৭ সালে ইন্টারনেটের ধারণা উদ্ভাবনের (Innovation) পর থেকে তা ডেভেলপ হয়ে ১৯৮২ সালে পূর্নাংগ রূপ পেয়েছে।কিন্তু এই সময়ের মধ্যে অনেকেই এই উদ্ভাবনকে সহজে গ্রহন করেনি; বলেছিল এটা হবে পৃথিবী ধংসের জন্য সবচেয়ে বাজে উদ্ভাবন ! অথচ আজকে পৃথিবীর ৬.৮ বিলিয়ন মানুষ তা ব্যবহার করছে যা প্রতি নিয়তিই বাড়ছে।

যার ফলে এখন বলা হচ্ছে “ইন্টারনেট হচ্ছে বিগত ৫০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর সেরা উদ্ভাবন!” সবচেয়ে বাস্তব উধারণ হচ্ছে বিগত কয়েক মাস যাবত Covid-19 ভাইরভাইরাসে যখন পুরো বিশ্ব লকডাউনে গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে, তখন এই “ইন্টারনেটের” কল্যানেই সীমিত আকারে হলেও ঘরে বসে সবাই অফিসিয়াল কাজ গুলো সেরে নিচ্ছে ; বাজার করা থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোও তাদের ক্লাস গুলো অনলাইনে নিয়ে এসেছে !

নিম্নের চিত্রে দেখা যাচ্ছে প্রতি ৬০ সেকেন্ডে পৃথিবীর মানুষ ইন্টারনেটের কোন কোন সেক্টরে কত পার্সেন্ট সময় ব্যয় করছে…

Post  # 01আমাদের সর্ব প্রথম আলোচনা হছে আয় বা ইনকাম নিয়ে। কারণ এ পৃথিবীতে ধর্ম কর্ম করার পরই আমাদের চিন্তা বা ফোকাস থাকে ...
06/11/2020

Post # 01

আমাদের সর্ব প্রথম আলোচনা হছে আয় বা ইনকাম নিয়ে। কারণ এ পৃথিবীতে ধর্ম কর্ম করার পরই আমাদের চিন্তা বা ফোকাস থাকে জীবন যাপনের দিকে যা মেটানোর জন্য আয় বা ইনকামের প্রয়োজন অনিবার্য।জন্মের পর থেকেই আমরা আমাদের পরিবার এবং সমাজের মধ্যে দেখে আসছি বিভিন্ন ধরনের আয় যা কখনোই আমরা সংজ্ঞায়িত করে উপলব্ধি করিনি কখনোই। আর বর্তমান এবং ভবিষ্যত- দুটো সময়ই হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির সময়, তাই সময় এসেছে আমাদের ইনকামের।বিষয়ে নতুন করে ভাবার।

চলুন প্রথমেই দেখে নেই ইনকাম কত প্রকারের আছে।

দুই প্রকারঃ

১) এক্টিভ ইনকামঃ কাজ করলে ইনকাম আছে কিন্তু কাজ না করলে ইনকাম নাই; এমন ইনকামকে এক্টিভ বা অস্থায়ী ইনকাম বলে। যেমনঃ চাকুরী,ব্যবসা,টিউশনি, ইত্যাদি।

২) প্যাসিভ ইনকামঃ একবার কাজ করে পরবর্তিতে আর কাজ না করেও ইনকাম করা গেলে তাকে প্যাসিভ বা স্থায়ী ইনকাম বলে। যেমনঃ বইয়ের/গানের স্বত্ব,বাড়ী ভাড়া,টীম ওয়ার্ক, ইত্যাদি।

লেটেস্ট আরেকটি জনপ্রিয় প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয় যা নিয়ে আমরা পরবর্তিতে আলোচনা করব......

আপনার প্রতিদিনের "ব্যয় থেকে আয়"করুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে...
08/05/2020

আপনার প্রতিদিনের
"ব্যয় থেকে আয়"
করুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে...

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Income for All posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share