Best it Care Fo

Best it Care Fo Our pride is in our work and our first-rate service. The collective talent of our team is built from

09/04/2022
“গাহি তাহাদের গান-ধরণীর হাতে দিল যারা আনি' ফসলের ফরমান।শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলেত্রস্তা ধরণী নজরানা দেয় ডা...
01/05/2021

“গাহি তাহাদের গান-
ধরণীর হাতে দিল যারা আনি' ফসলের ফরমান।
শ্রম-কিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলে
ত্রস্তা ধরণী নজরানা দেয় ডালি ভ'রে ফুলে-ফলে!
বন্য শ্বাপদ-সঙ্কুল জরা-মৃত্যু-ভীষণা ধরা
যাদের শাসনে হল সুন্দর কুসুমিতা মনোহরা।
যারা বর্বর হেথা বাঁধে ঘর পরম অকুতোভয়ে
বনের ব্যাঘ্র ময়ূর সিংহ বিবরের ফণী ল'য়ে।”

ই-কমার্স ওয়েবসাইট, অনলাইন পত্রিকা, অনলাইন টিভি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, রেস্টুরেন্ট ওয়েবসাইট, শপিং ওয়েবসাইট, ফ্যাশ...
30/12/2020

ই-কমার্স ওয়েবসাইট, অনলাইন পত্রিকা, অনলাইন টিভি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট, রেস্টুরেন্ট ওয়েবসাইট, শপিং ওয়েবসাইট, ফ্যাশন হাউস ওয়েবসাইট সহ যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা প্রয়োজন হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
Best IT Care
Phone: +88-01910-218420
www.bestitcare.com

এই লকডাউনের সবচেয়ে লাভবান ব্যক্তিটি চীনের ইরিক ইউয়ান। Zoom-জুম এ্যাপ এর প্রতিষ্ঠাতা।ফোর্বসের বিলিয়নারের তালিকায় নতুন মুখ...
23/09/2020

এই লকডাউনের সবচেয়ে লাভবান ব্যক্তিটি চীনের ইরিক ইউয়ান। Zoom-জুম এ্যাপ এর প্রতিষ্ঠাতা।

ফোর্বসের বিলিয়নারের তালিকায় নতুন মুখ।
সারা বছর অনলাইন মিটিংয়ের অতোটা কদর না থাকলেও এই লকডাউনে প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষ অনলাইনে জুম সেবা নিয়ে ক্লাস কিংবা মিটিংয়ে ব্যস্ত।

শুধু এই বছরই তার আয় ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে!
প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন টাকা!!!!

এটাই বিজনেস পলিসি!
শুধুমাত্র আইডিয়া সেল করে বিলিয়নিয়ার বনে যাওয়া!!!

আগামীর বিশ্বে যে যত উন্নত আইডিয়া ডেভেলপ করতে পারবে, সে তত বেশী সফলতা পাবে।

সফলতা বলে কয়ে আসে না, ধৈর্য সফলতার বৃক্ষ!

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা । #ওয়েবসাইট_সার্ভিস_সমূহঃ...
01/08/2020

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?
আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।
সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা ।
#ওয়েবসাইট_সার্ভিস_সমূহঃ

🔘 ই-কমার্স ওয়েবসাইট
🔘 অনলাইন নিউজপেপার/ ই-পেপার/ নিউজ পোর্টাল
🔘 কর্পোরেট ওয়েবসাইট
🔘 ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
🔘 ব্লগিং ওয়েবসাইট
🔘 ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট
🔘 এন জি ও ওয়েবসাইট
🔘 কোচিং সেন্টার/ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট
🔘 ট্রাভেল/ট্যুরিজম কম্পানী ওয়েবসাইট
🔘 আবাসিক হোটেল ওয়েবসাইট
🔘 ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট
🔘 ফার্নিচার কোম্পানী ওয়েবসাইট
🔘 রিয়েল এস্টেট কোম্পানী ওয়েবসাইট
🔘 কন্সট্রাকশন কোম্পানী ওয়েবসাইট
🔘 বায়িং হাউজ ওয়েবসাইট
🔘 গার্মেন্টস ওয়েবসাইট
🔘 ইন্টেরিয়র ফার্ম ওয়েবসাইট
🔘 মার্কেটিং ফার্ম ওয়েবসাইট
🔘 টিম মেনেজম্যান্ট ওয়েবসাইট
🔘 ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
🔘 ডেন্টাল ওয়েবসাইট
🔘 অনলাইন শপ ওয়েবসাইট
🔘 ক্লিনিক/হসপিটাল ওয়েবসাইট

সহ কাষ্টমারের চাহিদা মত ওয়েবসাইট সার্ভিস প্রদান করা হয় ।
Programming language: PHP , Framework: Laravel

Call us for any IT support on these numbers:
☎ a️Imo, WhatsApp +88 01910-218420
☎️+88 01710-218420

Our Website:
👉 www.bestitcare.com

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। আপনি পৃথিবীতে বাস করছেন ডিজিটাল প্র...
22/07/2020

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়
বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। আপনি পৃথিবীতে বাস করছেন ডিজিটাল প্রযুক্তির মাঝে। সেই হিসেবে আপনার ব্যবসায়ও অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে করতে হবে। আপনি তুলনামুলকভাবে কম খরচে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে কাজ করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারকে বোঝায়। ইন্টারনেট ডিজিটাল মার্কেটিং এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। এছাড়া অন্যান্য মাধ্যমগুলো যেমনঃ তারবিহীন টেক্সট মেসেজিং, মোবাইল ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, ডিজিটাল টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল ইত্যাদিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়

এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরব ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়-

এক নজরে বিস্তারিত [hide]

1 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
2 সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
3 কন্টেন্ট সৃষ্টি করা
4 সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
5 ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন
6 পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং
7 মোবাইল মার্কেটিং
8 ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং
9 ভাইরাল মার্কেটিং
10 ইমেইল মার্কেটিং
11 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
12 ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা ও বায়িং
13 ওয়েব এনালিটিক্স
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা SEO মূলত আপনার ওয়েবসাইট এটি গুগল, ইয়াহু বিং বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। আজকের প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসবেন, তাহলে আপনার পণ্যের বিক্রিও বৃদ্ধি পাবে কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। গুগল তার তথ্য গুলো নিয়মিত আপডেট করে।
-সনাক্ত করুন এবং বিং, ইয়াহু এবং গুগল সার্চ বিজ্ঞাপনের নিয়ম অনুসরণ করুন তারা কোন প্রচারাভিযান চালাবার আগে যে ফরমেট অনুসরন করে থাকে।
-কখনও ডুপ্লিকেট কনটেন্ট ব্যবহার করা উচিতনা। এটা এসইওর ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকর হবে।
মনে রাখবেন, এটার অধিকাংশ খরচ কার্যকর মার্কেটিং কৌশলের উপর ভিত্তি করে যা আপনার ব্যবসার জৈব ট্রাফিক নিয়ে আসবেন।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বা SEM এটি ব্যাপক মার্কেটিং কৌশল যা প্রাথমিকভাবে দেওয়া প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনার ব্যবসা ট্রাফিক ড্রাইভ হয়। তাকে আমরা Paid সার্চ মার্কেটিং বলে থাকি। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়। এক্ষেত্রে কোন PPC (পে-পার-ক্লিক করুন) অথবা সিপিসি (খরচ প্রতি ক্লিকে) মডেল বা সিপিএম (খরচ প্রতি হাজার ইমপ্রেশন) মডেল নির্বাচন করতে পারবেন। এসইএম সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের হয়ে থাকে। যেমন-গুগুলের AdWords এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এছাড়াও এসইএম বিজ্ঞাপন অনুসন্ধান, মোবাইল মার্কেটিং, পুনঃবাজারজাতকরণের এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। SEM বর্তমান অনলাইন মার্কেটিং এর সব চেয়ে সাশ্রয়ী অনলাইন মার্কেটিং যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে পারে।

কন্টেন্ট সৃষ্টি করা
গবেষণায় দেখা গেছে বিষয়বস্তু নির্মাণের জন্য গুগলের অ্যালগরিদম ২০১৪ ব্যবহৃত হয় বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে গুগল অ্যালগরিদম পরিবর্তন করেছে। অনলাইনে আপনার কনটেন্ট, যেকোন পোস্ট কিংবা ফোরাম ডিসকাশনে যাতে আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডের উপস্থিতি থাকে যাতে খুব সহজে আপনার টার্গেটেড পাঠক আপনাকে খুঁজে পেতে পারেন। প্রত্যেকদিন নির্দিষ্ট সময় পর পর মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট গুলোকে আপডেট করা উচিৎ। সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট পোস্ট করা ক্ষেত্রে অটোমেটিক প্রক্রিয়া ব্যবহার করা উচিৎ। আপনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের জন্য আপনার বিষয়বস্তু কাস্টমাইজ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, মোবাইল ফোনের জন্য বিষয়বস্তু সহজ এবং সংক্ষিপ্ত হতে হবে। মনে রাখবেন, একটি কার্যকর কৌশল আপনার পাঠকদের জন্য তৈরি করবেন এবং তারা আপনার কাছ থেকে আরো তথ্য জানতে আগ্রহী হবে। একটি ভাল কন্টেন্ট ভাগ করা এবং আপনার ব্যবসা ব্র্যান্ডিং জন্য সবচেয়ে ভাল উপায়।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
আপনার ব্যবসায়িক পণ্যের প্রচারের জন্য এর চাইতে ভাল জায়গা, এখনও নাই। একটি এ্যাক্টিভ কমিউনিটি তৈরি করুন। এমনভাবে একটি কমিউনটি তৈরি করুন যেখানে সকল মেম্বার এ্যাক্টিভ থাকবে। ফেসবুকে কমিউনিটি তৈরি করার জন্য গ্রুপ কিংবা পেজ তৈরি করুন। এমনি করে টুইটার, গুগল প্লাস কিংবা লিংকেডিনে কমিউনিটি তৈরি করুন। আপনার টার্গেটকৃত ক্রেতাদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিভিন্ন আলোচনাতে অংশগ্রহন করতে পারেন। কাউকে ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ কিংবা গ্রুপের লিংকগুলো সিগনেচার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। আপনার নিজের ওয়েবসাইটে কিংবা কোন ব্লগে পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক বাটন যুক্ত করুন। সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়ভাবে নিয়মিত অংশগ্রহণের জন্য ম্যানেজমেন্টটুলস (HootSuite, TweetDeck) ব্যবহার করুন যা আপনার সময়কে সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে ভাল ফলাফল বের করতে সাহায্য করবে। নিয়মিত পোস্ট দিতে হবে। সেটা একটা রুটিন অনুযায়ী করলে ভাল হয়ে। যেমন, ৩ দিন পর, ১ সপ্তাহ পর। তাহলে নিয়মিত ভিজিটর আসবে নতুন কিছু পাবার আশায়।

ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন
এটি অনেকটা আবার আপনার SEM ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি উপসেট মার্কেটিং ব্যবস্থা। সম্ভাব্য শ্রোতাদের লক্ষ্য করে ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন ফরম্যাটের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করতে পারেন- এটি টেক্সট, ইমেজ, ব্যানার, সমৃদ্ধ মিডিয়া, ইন্টারেক্টিভ বা ভিডিও বিজ্ঞাপন হতে পারে। আপনার আগ্রহ, বিষয়বস্তু বিষয় বা ক্রয় চক্রের গ্রাহকের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে আপনার বার্তা কাস্টমাইজ করতে পারেন।
তবে মনে রাখবেন, ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল। আপনি আপনার ব্যবসার জন্য ভাল ROI চালনা করলে বিশেষজ্ঞদের মতামতের প্রয়োজন হতে পারে।

পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং
পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং একটি কৌশল যেখানে দেখতে পাবেন গ্রাহকরা আপনার ওয়েবসাইটটি কতবার ভিজিট করেছে। এটা কুকি প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে করা হয়। Retargeting একটি পছন্দের কৌশল হিসেবে গ্রাহকদের মাঝে যারা ইতিমধ্যে আপনার ব্যবসা আগ্রহ দেখিয়েছে টার্গেট হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। আপনি সামাজিক নেটওয়ার্কে বা মোবাইলেও আপনার সাইটে Retargeting ব্যবহার করতে পারবেন।

মোবাইল মার্কেটিং
এসএমএস(SMS) মার্কেটিং, এমএমএস(MMS) মার্কেটিং, ব্লুটুথ মার্কেটিং, ইনফ্রারেড মার্কেটিং এর মাধ্যমে মোবাইল মার্কেটিং করা হয়। আর এগুলোর মধ্যে “SMS FOR MOBILE” মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই গুরুতুপূর্ণ। আপনি ভার্চুয়াল জগৎ এর, ডিজিটাল যুগের মানুষ। আপনার ফেসবুক, টুইটারে অনেক ফলোয়ার থাকতে পারে। তাদেরকে আপনি মেসেজ অথবা টুইট করতে পারেন আপনার keyword গুলো। হয়তো তারাও SMS এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের সাবস্ক্রাইবার হতে পারে। যারা আপনার প্রডাক্টের নিয়মিত সাবস্ক্রাইবার হয়েছে তাদেরকে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিবরণের মেসেজ পাঠাতে পারেন। মেসেজ হবে সংক্ষিপ্ত, to-the–point এ এবং ১৬০ ওয়ার্ডের বেশী নয়। মেসেজ হবে ফ্রেণ্ডলি যাতে সাবস্ক্রাইবার এমন মনে না করে যে আপনি আপনার কোম্পানীর প্রোডাক্ট কেনার জন্য তাকে প্ররোচিত করছেন। এই মার্কেটিং পদ্ধতিটি খুবই ফ্লেক্সিবল এবং এটি টাকা তৈরীর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং
আপনার ওয়েবসাইটে কি ধরনের ভিজিটর আসে আর কতজন ভিজিটর আসে তার উপরেই আপনার ওয়েবসাইটের সকল সাফল্য নির্ভর করে। আপনি একটা ভিডিও তৈরি করে সেটা বিভিন্ন ভিডিও সাইটে দিতে পারেন যেমন ইউটিউব, ডেইলিমোশন, ভিমিও, রেভের ইত্যাদি। এতে আপনার ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়বে আর অনেক মানুষকে আপনার ওয়েবসাইটে আসতে বাধ্য করবে।

ভাইরাল মার্কেটিং
আপনি যেই সেক্টরেই থাকুন না কেন, আপনার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ভাইরাল মার্কেটিং ও কনটেন্টের গুরুত্ব বলে হয়তো শেষ করা যাবেনা। ছবি বা লেখাকে প্রোমোট করতে আপনার আর তেমন খাটনি করার প্রয়োজন হবে না। মানুষই ভাইরাসের মত কনটেন্টটি ছড়িয়ে দেবে। এই ধরণের কনটেন্ট তৈরী ও প্রকাশ করার পরে আপনার কাজটি হল তার দিকে নজড় রাখা, যেমন ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি প্রায় সকল সোশাল মিডিয়াতেই ইনসাইট বা এ্যানালিটিকস রয়েছে যা দিয়ে আপনি একটি কনটেন্ট কতোটা ভালো পারফর্ম করছে বা না করলে কি সমস্যার কারণে করছে না ইত্যাদি জানতে পারেন। দিন শেষে, একটি কথা না বললেই নয়! তা হল ভালো কনটেন্ট তৈরী করুন। ক্যাপশান, পোস্ট করার সময়, প্রিভিউ ইমেজ ইত্যাদির উপরেও অনেকাংশে ভাইরালিটি নির্ভর করে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজ করার ১৩টি উপায়

ইমেইল মার্কেটিং
যখন আমি আমার বার্তা গ্রাহকদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে পোঁছাবো তখন তাকে আমরা ইমেইল মার্কেটিং বলব। একটি কার্যকর ইমেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ই-মেইল লিস্ট গ্রাহকদের পছন্দ এবং অপছন্দ এবং খরচ অভ্যাস সহ বিভিন্ন কারণের উপর ভিত্তি করে আলাদা করে বজায় রাখতে পারেন। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার পন্যের এবং সেবার প্রচার করতে করতে পারবেন এবং আপনার সাইটের প্রচার করতে পারবেন। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছোট বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের আয় বৃদ্ধি করছে। ইমেইল মার্কেটিং হল আপনার ক্রেতাদের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌছানোর সবচাইতে কাযকরী পদ্ধতি। ইমেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনার যা ভাবতে হবে- বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বয়সের কিংবা বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের মেইল এড্রেস জোগাড় করুন, যে পণ্যের মার্কেটিং করতে চান, সেটি নিয়ে ভালভাবে গবেষণা করুন, অন্য কোম্পানীর একই পণ্যকে নিয়ে ও তাদের মার্কেটিং কৌশল নিয়ে গবেষণা করুন, সবচাইতে সহজভাবে আপনার পণ্যের গুণ বর্ণনা করুন আপনার মেইলে। ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, মার্কেটিং টুলস এবং পন্য বা সেবা। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মুহূর্তেই আপনি আপনার পণ্য এবং সেবা কে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে তুলে ধরতে পরবেন এবং এতে করে আপনার পন্যটি জনপ্রিয় হতে থাকবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পণ্য অধিক পরিমানে বিক্রি হতে থাকবে ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
আপনি যখন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল টা ব্যাবহার করে অন্য কারও প্রডাক্ট অথবা সার্ভিস কমিশন ভিত্তিক প্রমোশন করবেন সেটা হবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমন কোন বিষয় নয় যেখানে আপনি রাতারাতি খুব বেশি কিছু করে ফেলতে পারবেন। এখানে তারাই সফল হবে যারা ধৈর্য সহকারে কাজ করে যেতে পারবে।

ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা ও বায়িং
যখন মিডিয়া এজেন্সি গবেষণা এবং একটি সমন্বিত কৌশল ফ্রেমওয়ার্ক এর সমন্বয়ে মার্কেটিং হয় তখন আমরা এটাকে ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা বলে থাকি। স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টারনেটের প্রসারে দিনকে দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইন মিডিয়াগুলো। ফলে বিশ্বের নামিদামি ব্র্যান্ড ও কোম্পানি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে প্রচার প্রচারণার একটি বড় মাধ্যম হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অনলাইন মার্কেটিং। ফলে অনলাইন মিডিয়ার প্রসারে ছাপা পত্রিকা, গতানুগতিক বিলবোর্ডসহ পুরাতন সব প্রচার মাধ্যমকে পেছনে ফেলার পথে এই নব্য মিডিয়া।

ওয়েব এনালিটিক্স
আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ওয়েব Analytics। মূলত, ওয়েব এনালিটিক্স সংগ্রহ করা, পরিমাপ, বুঝতে, বিশ্লেষণ, পরিকল্পনা, রিপোর্ট করা এবং আপনার ব্যবসার জন্য ওয়েব কার্যক্রম ভবিষ্যদ্বাণী করতে আপনাকে সাহায্য করবে। ওয়েব এনালিটিক্স ওয়েব পরিসংখ্যান সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব এনালিটিক্স হচ্ছে গুগল এনালিটিক্স, স্প্রিং মেট্রিক্স, অপেরা, প্রিন্ট। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রত্যেক বিজ্ঞাপনদাতা তার ব্যবসা বুঝতে ওয়েব এনালিটিক্স ব্যবহার করা হয়।

এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার ব্যবসার জন্য বিভিন্ন মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করতে পারেন এবং এর মধ্যে থেকে আপনাকে বেছে নিতে হবে কোন কৌশলটি ব্যবহার করলে বেশি লাভবান হবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং একটি গতিশীল মাধ্যম এবং আপনি সবসময় আপানার কাজের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনি আপনার গ্রাহকদের চেনেন এটাই যথেষ্ট নয়। কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য আমরা বিভিন্নভাবে মার্কেটিং করি যেমনঃ লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি। বর্তমানে ডিজিটাল যুগ। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সবচাইতে বেশি মানুষের কাছে পণ্যের প্রচার করা যায়, এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়েই সবচাইতে বেশি ব্যবসায়িক সফলতা পাওয়া যায়। অনেক ধরণের ব্যবসা আছে যে গুলো গড়েই উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংকে কেন্দ্র করে।খুব সহজে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যায় বলে, অনলাইন ব্যবসায়ীদের জন্য তো অবশ্যই।

জীবনে সফল হতে মেনে চলুন পবিত্র কোরআনের চার পরাম’র্শসফল হতে পরিকল্পনামাফিক আম’রা অনেক কাজই করে থাকি। সাফল্যের পেছনে ছুটোছ...
17/07/2020

জীবনে সফল হতে মেনে চলুন পবিত্র কোরআনের চার পরাম’র্শ

সফল হতে পরিকল্পনামাফিক আম’রা অনেক কাজই করে থাকি। সাফল্যের পেছনে ছুটোছুটি করি। সফল হতে গেলে মাত্র চারটি বিষয়ে মনোযোগী হতে হয়। এই চারটি বিষয় আয়ত্ত করতে পারলে যেকোনো মানুষই সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে উঠতে পারে – ইহকালে এবং পরকালেও। সূরা ‘আসরের দ্বিতীয় আর তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই চারটি বিষয় আমাদের বলে দিয়েছেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেই চারটি বিষয়:

১. বিশ্বা’স রাখু’ন: “ঈ’মান” শব্দের অর্থ হলো বিশ্বা’স। মৃ’ত্যু পরবর্তী জীবনে সফলতা চাইলে এক আল্লাহ তাআলা, তাঁর রাসূল (সা.) এবং রাসূল (সা.) এর উপর যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বা’স রাখতে হবে। আর এই জীবনে সাফল্য অর্জন করতে হলে আমাদের বিশ্বা’স রাখতে হবে – “আমি পারবই ইনশা’ আল্লাহ”। হাল ছেড়ে দিলে চলবে না।উচ্চারণ: ওয়াল ‘আসর ইন্নাল ইনসা-না লাফিই খুসর। ইল্লাল্লাযিনা আ-মানু… (সূরা ‘আসর ১-২) অর্থ: সময়ের শপথ, নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। তারা ছাড়া, যারা ঈ’মান এনেছে…

২. যা করা দরকার তা করে যান: অনেক সময় আমাদের এমন হয় যে – নামায পড়তে ইচ্ছা করে না, যিকর করতে মন চায় না, কোরআন মজিদ পড়ারও আগ্রহ পাওয়া যায় না – তবু যেহেতু আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূল (সা.) এই আমলগুলো আমাদের করতে বলেছেন – তাই এগুলো করে যেতে হবে।একইভাবে, দুনিয়াতে সাফল্য লাভের জন্যও কিছু রুটিন ওয়ার্ক আছে, সেগু’লি আমাদের করে যেতে হবে। যেদিন ভালো লাগবে সেদিনও একজন ছাত্রকে পড়তে বসতে হবে, যেদিন ভালো লাগবে না সেদিনও তাকে পড়তে বসতে হবে; একজন চাকুরিজীবীর যেদিন কাজে মন বসবে সেদিন অফিসের কাজ করতে হবে। আবার কাজে মনোযোগ না বসলেও জো’র করে অফিসের কাজ করে যেতে হবে। যা করা উচিত তা করতে থাকতে হবে, আজ বা আগামীকাল এর ফল চোখে না দেখা গেলেও, পরশু এর ফল ঠিকই পাওয়া যাবে। وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ উচ্চারণ: ওয়া ‘আমিলুস স্বয়ালিহ্বা-তি… (সূরা ‘আসর ৩) অর্থ: যারা ভালো কাজ করে

৩. নতুন কিছু শিখু’ন: আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদের সূরা ফাতির-এর ২৮ নং আয়াতে বলেছেন- إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاء إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ “আল্লাহ তাআলার বান্দাদের মধ্যে শুধু তারাই তাঁকে ভয় করে যাদের জ্ঞান আছে”। ইস’লাম স’ম্পর্কে আপনি যত জানবেন ততই প্রাত্যহিক ইবাদতগুলো আপনার কাছে ধীরে ধীরে গভীর অর্থবহ হয়ে উঠবে। নামায-রোযাকে আপনার কাছে কেবল রুটিন ওয়ার্ক কোনো ব্যাপার বলে মনে হবে না, বরং তখন আপনি এই ইবাদতগুলোর মাঝে ঈ’মানের সুমিষ্ট স্বাদ আস্বাদন করতে থাকবেন। পার্থিব জীবনেও সেই ব্যক্তি তত সফল, যে অন্য মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশী অবদান রাখতে পারে। আর অন্যের উপকারে আসতে চাইলে, আগে নিজের উন্নয়ন করতে হবে। ভালো কথা অন্যকে বলতে হলে আগে নিজেকে ভালো কথা শিখতে হবে। وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ উচ্চারণ: ওয়াতা ওয়া- সাওবিল হাক্কি… (সূরা ‘আসর ৩) অর্থ: একে অ’পরকে সঠিক উপদেশ দেয়

৪. মানুষের উপকারে আসো: নবী হওয়ারও আগে হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) ছিলেন ম’ক্কার সবচেয়ে বিশ্বস্ত আর পরোপকারী মানুষ। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর সমস্ত জীবন ব্যয় করেছেন অন্য মানুষদের ভাগ্য উন্নয়নে। যত অল্প টাকাই হোক না কেন আম’রাও তা দিয়েই মানুষকে সাহায্য করব, যত অল্প শ্রমই হোক না কেন তা দিয়ে মানুষের উপকার করব। যত অল্পই শিখি না কেন, তা অন্যদের সাথে শেয়ার করব। পরিবার, বন্ধু, প্রতিবেশীসহ সব মানুষকে উপকারের চেষ্টা করব। কারো কাছ থেকে প্রতিদান চাইবো না, প্রতিদান চাইবো শুধুই আল্লাহর কাছে।

মানুষকে উপকার করার এই পথ মধুর না, বন্ধুর। অনেক সমালোচনা-গালমন্দ শুনব, অনেক অকৃতজ্ঞ মানুষের দেখা পাবো, অনেক সময় আর্থিক বা সামাজিক সংকটে পর্যন্ত পড়ে যেতে পারি – তবু ধৈর্য্য ধরব। যত অল্পই হোক না কেন, নিজের সাম’র্থ্য অনুযায়ী বিলিয়ে দেবো। হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) বলেছেন, খেজুরের অর্ধেকটা দান করে হলেও নিজেকে জাহান্নামের আ’গুন থেকে বাঁ’চাও (বুখারী)। وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ উচ্চারণ: ওয়াতা ওয়া- সাওবিস সবর। (সূরা আসর-৩) অর্থ: একে অ’পরকে ধৈর্য্যের উপদেশ দেয়।

দ্বিতীয়-তৃতীয় আয়াতে বর্ণিত এই চারটি কাজ যদি আম’রা না করি তাহলে আম’রা মা’রাত্মক ক্ষতির মধ্যে ডুবে যাবো। এই ক্ষতির ভয়াবহতা যে কতটা চরম তা বুঝাতে আল্লাহ তাআলা এই কাজগুলোর উপর চারভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এক. প্রথম আয়াতে আল্লাহ তাআলা সময়ের কসম নিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা কোন কিছু কসম নেয়ার অর্থ হচ্ছে তার পরের কথাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুই. আল্লাহ তাআলা “ইন্না” দিয়ে বাক্য শুরু করে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। “ইন্না” শব্দের অর্থ হলো “নিশ্চয়ই”।

তিন. আল্লাহ তাআলা “ইন্নাল ইনসানা ফী খুসর” (নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে), না বলে “ফী” এর আগে “লা” যুক্ত করেছেন। এই “লা” এর অর্থ হলো “অবশ্যই”। সুতরাং আল্লাহ তাআলা যখন বললেন “ইন্নাল ইনসানা লাফী খুসর”, এর অর্থ দাঁড়ায় “নিশ্চয়ই অবশ্যই মানুষ ক্ষতির মধ্যে আছে”। চার. আল্লাহ তাআলা তৃতীয় বাক্য শুরু করলেন “ইল্লা” (“শুধু তারা বাদে” বা Except) দিয়ে। ইল্লা দিয়ে কোন বাক্য শুরু করা হলে সেটা পূর্ববর্তী বাক্যের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। যেমন – কোন ক্লাসের ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে যদি ৯৫ জন ফেইল করে তাহলে টিচার বলবেন

“এই ক্লাসের ছাত্ররা ফেল করেছে, শুধু কয়েকজন বাদে”, অর্থাৎ ফেল করাটাই যেন স্বাভাবিক ঘটনা, পাশ করাটা হলো ব্যতিক্রম। একইভাবে, আল্লাহও তাআলা বলতে চাইছেন যে, অধিকাংশ মানুষই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে, শুধু গুটিকয় আছে যারা সঠিক পথে আছে। আমাদের অফিসের কোন বিশ্বস্ত কলিগ যদি এক বা দুইবার নয়, চার চারবার ফোন করে বলে – “বন্ধু, মহাখালীর রাস্তায় এক্সিডেন্ট হয়েছে, বিরাট জ্যাম, ভুলেও ঐ পথে যেও না, ঘুরে যাও” – তাহলে আম’রা বাসায় ফিরতে নিশ্চিত মহাখালীর রাস্তা নিব না।

আর, আমাদের পালনক’র্তা প্রভু যখন আমাদের একই আয়াতে চারবার সতর্ক করে কোন কিছু করতে আদেশ করেন তখন আম’রা কত অনায়াসে সেই আদেশ অমান্য করে দিনাতিপাত করতে থাকি! ই’মাম শাফেঈ’ রহ. বলেছেন – লোকে যদি শুধু এই সূরা (সূরা ‘আসর) নিয়ে চিন্তা করত, সেটাই তাদের জন্য যথেষ্ট হত।

Sharing is caring!

16/07/2020

>>>SEO Tools & Resources>>>

I hope the tools come in handy ......

1. KEYWORD TOOLS

https://keywordseverywhere.com

https://answerthepublic.com/

https://keywordkeg.com/

https://www.wordtracker.com/scout

https://lsigraph.com/keyword/

https://keywordfinder.io/

2. KEYWORD RANKINGS

https://www.seolium.com/

https://smallseotools.com/keyword-position/

3. BACKLINK TOOLS

https://moz.com/…/nonintuitive-search-queries-resources-for…

https://backlinko.com/high-quality-backlinks

https://www.helpareporter.com/

4. IMAGE OPTIMIZATION

https://tool.geoimgr.com/

https://www.colorpilot.com/exif.html

5. WEBSITE AUDIT TOOLS

https://neilpatel.com/ubersuggest/

https://seositecheckup.com/

http://www.browseo.net/

6. SEO RESOURCES

https://www.brightedge.com/resources/checklists

https://backlinko.com/google-ranking-factors

7. WEBSITE ANALYTICS

https://statcounter.com/

http://clicky.com/101211868

https://context.sweetlabs.io/google-analytics-annotations-…/

8. MOBILE SEO TOOLS

https://zeo.org/seo-tools/mfi/

https://search.google.com/test/mobile-friendly

https://ready.mobi/

9. COMPETITOR ANALYSIS

https://www.spyfu.com/

https://www.keywordspy.com/

10. WEBSITE SPEED TESTS

https://gtmetrix.com/

https://developers.google.com/speed/pagespeed/insights

11. SEO BLOGS TO FOLLOW

https://moz.com/blog

https://www.semrush.com/blog/

https://ahrefs.com/blog/

https://www.searchenginejournal.com/

https://searchengineland.com/library/channel/seo

12. BLOG POST IDEAS

https://www.thehoth.com/headline-generator/

https://sumo.com/stories/blog-post-ideas

কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই পোস্ট। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উদয় হয়। দেখি...
15/07/2020

কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই পোস্ট। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উদয় হয়। দেখি আমি কি কি বিষয় লিখতে পারি এখানে। তবে একটি লিস্ট করে ফেলি তার আগে।

• ফ্রিল্যান্সিং কেন করব।
• ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
• আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
• ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
• আমার কি কি শিখা উচিত?
• আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
• আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করব।
• আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।
• আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
• কভার লেটার লেখার নিয়ম
• টাকা কিভাবে পাবো?
ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন করব।
আপনার যদি স্বাধীনতা পছন্দ হয়, নিজ বাসায় বা যে কোন স্থান থেকে কাজ করতে ভালো লাগে, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কেন করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখা লিখেছি। চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য।

এবার লিখব ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।
একদম সহজ থেকে শুরু করি, আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন। লেখা লেখি, ডেটা এন্ট্রি, প্রোগ্রামিং, মার্কেটিং, টাইপিং, ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ডেভেলপমেন্ট, ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট সহ অনেক কিছু। এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে বিষয়টা ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় পেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?

আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথাগত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুলে ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রিল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।

আমার কি কি শিখা উচিত?
আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব পোস্ট পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।

আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খুলে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেস এ নিজের প্রোফাইল সাজাতে হয়। প্রোফাইলে নিজে কি কি কাজ পারি তা যুক্ত করতে হয়। নিজে যেটা পারি, সেটা সত্যি পারি কিনা, তা জন্য অনলাইন পরীক্ষা দিতে হয়। এসব করতে পারলে বুঝতে পারবেন আপনি কাজ করার জন্য উপযুক্ত। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য, কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।

• upwork.com
• freelancer.com
• guru.com
• 99designs.com
• fiverr.com
www.getacoder.com
ইত্যাদি।

আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।।
কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। যে কাজটা আপনি পারবেন বলে আপনি কনফিডেন্ট। যদি না পারেন, তাহলে বিড করার পূর্বে আগে গুগলে সার্চ করে ঐ কাজটি সম্পর্কে আইডিয়া নিন। আপনি শিখে নিতে পারেন। এভাবে শিখতে শিখতে এক্সপার্ট হয়ে যেতে পারবেন। সুন্দর করে যদি আপনি জবের জন্য এপ্লিকেশন করার সময় মেসেজ দিয়ে থাকেন, কেন আপনি কাজটা করতে চান, কিভাবে আপনি কাজটা সম্পুর্ণ করবেন, তা বুঝিয়ে দিলে একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। আর রিপ্লাতে সাধারনত জিজ্ঞেস করা হয় কখন কাজটি আপনি শুরু করতে পারবেন, কত দিন সময় লাগবে ইত্যাদি। এগুলো সুন্দর মত বুঝিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।

কভার লেটার লেখার নিয়ম
আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে। সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন। কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব পোস্টটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে। কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।

টাকা কিভাবে পাবো?
আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। সেখান থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন। ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি মানিবুকার্স বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবেন হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সার থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। ফ্রি কার্ড। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

টাকা কি সত্যিই পাবো?
জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে সত্যিই টাকা পাবেন।
দোয়া করি আপনার ফ্রীল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।
এ সম্পর্কিত দুই একটা লেখাঃ
• সফলতা এবং অন্যান্য
• আগে কাজ শিখুন প্লিজ, তার পর কাজ করুন। অন্তত কি করবেন তা সম্পর্কে ধারনা নিন।
• ফ্রীল্যান্সিং করা নাকি অন্য কিছু?





Address

Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Best it Care Fo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Best it Care Fo:

Share

Category