U Turn

U Turn Religious

31/05/2024
13/11/2022

Does not make sense:

"এমন মেয়ের প্রেমে পোড়ো না
যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব
করে, আর যে মেয়ে লেখে।
কখনও
শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক ,
পাগলাটে মেয়ের প্রেমে পোড়ো না।
এমন মেয়ের প্রেমে পোড়ো না
যে ভাবতে পারে, যে জানে সে কি
জানে এবং উড়তে জানে;
যে মেয়ে নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত।
এমন মেয়ের প্রেমে পোড়ো না
যে প্রেমের সময় হাসে বা কাঁদে,
জানে কীভাবে আত্মাকে পরিণত করতে হয়
শরীরে; সে মেয়েকে ছেড়ে দাও যে বিপজ্জনকভাবে কবিতা ভালোবাসে,
অথবা একটি পেইন্টিং-এর ধ্যানে
ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়
এবং যে সঙ্গীত ছাড়া বাঁচতে
পারে না।...
এমন মেয়ের প্রেমে পোড়ো না
যে তার শরীরের গঠন ও মুখের আদল
ছাড়াই সুন্দর।
এমন মেয়ের প্রেমে পোড়ো না
যে তীব্র, মনোরম,
স্বচ্ছ এবং অপ্রাসঙ্গিক।
এমন কোনও মেয়ের
প্রেমে পোড়ো না।
কারণ যখন তুমি এমন একটি
মেয়ের প্রেমে পড়বে,
তুমি তার সঙ্গে থাকো
বা নাই থাকো, সে তোমাকে ভালোবাসুক
বা নাই ভালোবাসুক, এমন মেয়ের কাছ থেকে
তুমি কখনওই ফিরতে পারবে না।"
লেখক: মার্তা রিবেরা গাররিদো
অনুবাদ: Gautam Mitra

25/10/2022

মিনা কার্টুন হল একচোখার হাতিয়ার । যা ছোটবেলায় আমাদের মগজে ঢুকিয়ে দেয়া হইছে । মধুর কথার ছদ্মবেশে আল্লহর বিরোধিতা করাই এর কাম

যদি চারদেয়ালের মাঝে কাটে সারা জীবন
তাহলে থাকবো, শুধু বোঝা হয়ে
শিক্ষা আমায় মুক্তি দেবে,
মুক্তি দেবে...

আমি তো কালকের খুশি আর আশা
আমারও তো সাধ আছে, আছে অভিলাষ
ঘরে বেঁধে রেখো না, নিয়ে যাও এগিয়ে...

তো নারীরা ঘরে বসে ইল্ম শিখবে যেমন উম্মুল মুমিনিন আয়িশা রদিয়াল্লহু আনহাঁ শিখেছেন কিংবা এমন স্থানে যেখানে পর্দার সাথে মা বোনরা এযে অপরকে শিখাবে । চার দেয়ালের ভেতরেই । হাদিসে আছে কমবেশি এমন নবীজিকে জিজ্ঞেস করা হল নারীরা তো জিঃহা,দে যেতে পারেনা তারা চার দেয়ালের মাঝে অবস্থান করে । নবীজি বললেন কমবেশি এমন যে চারদেয়ালের মাঝে পর্দার সাথে থাকলে জিঃহা,দের নেকি পাবে ।

অথচ এই মিনার কার্টুনের গানে কি বলা হইতেছে , ''যদি চারদেয়ালের মাঝে কাটে সারা জীবন তাহলে থাকবো, শুধু বোঝা হয়ে । '' নারীকে চার দেয়ালের ভেতরে থাকারে ইসলাম বোঝা বলছে নাকি আল্লহর পছন্দ বলছে ? নারী স্বামীর সন্তানের ভাইয়ের বাপের পয়সা হালালভাবে কামাই ছাড়াই ভোগ করবার অধিকার ইসলাম দিয়ে রাখছে । এখন স্বামী যদি চুরিও করে সেই চুরির খানা স্বামীর জন্য হারাম কিন্তু স্ত্রির জন্য হালাল । যখন আরবে মূর্তিপুজকহিন্দুরা কন্যা সন্তানকে কবর দিতো কিংবা সতীদাহ করত অর্থাৎ স্বামী মরলে স্ত্রীকেও শ্মসানের আগুনে জ্বলতে হবে তখন ইসলাম সেই দ্বীন যা কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়াকে হারাম করেছে , কন্যা সন্তানের জন্মকে সুসংবাদ বলেছে , হাদিসে কন্যা সন্তান পালনকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি জান্নাতের কারণ , জান্নাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জনের বলা হইছে

সুরা নাহল : আয়াত ৫৮-৫৯ == ‘' যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তারা মুখ কালো করে এবং মনে অসহ্য কষ্ট ভোগ করতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে মানুষের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে (কন্যা সন্তানকে) থাকতে (বাঁচতে) দেবে, নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখ, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট।’'

মিনা কারটুনে বলা আছে --আমারও তো সাধ আছে, আছে অভিলাষ
ঘরে বেঁধে রেখো না, নিয়ে যাও এগিয়ে...
তো তুমি রাস্তাঘাটে খোলামেলা পোশাকে ঘুরে ফিরবা এই অভিলাষরে পুরণ করতে নাপারারে ঘরে বেঁধে রাখা বলা হইছে । শুধুমাত্র এর দ্বারা সমাজে ব্যভিচার থেকে শুরু করে মানুষের পরিবার পর্যন্ত ভেংগে যেতে পারে । শয়তান সবচে বেশি সফল হয় তখন যখন সে মানুষের পরিবার ভাংতে পারে । কারণ পরিবার নষ্ট করে জারজ বানানো এগুলা হল দঃজ;জালের হাতিয়ার । ইস্লামে এই ঘরে থাকা পর্দার সাথে থাকারে বেঁধে রাখা বলা হয়নাই বরং পবিত্রতার কথা বলা হইছে । মরিয়াম আলাইহিসসালাম এই পবিত্রতার কারণে জান্নাতি ফল পাইতেন আল্লহর কাছ থেকে নবীর মা হইছেন , জান্নাতি হইছেন । আর শয়তানের দল মিনা কারটূন দিয়া এটারে ঘরে বেঁধে রাখা শিখাইছে ! বাইরে যাওয়ারে সে অভিলাষ বলে যেটা এমন অভিলাষ যাতে শয়তান ব্যাভিচারের মাধ্যমে সমাজে রোগ শোক পারিবারিক বন্ধন ছিন্ন আত্মহত্যা নানান কিসিমের অপরাধ সৃষ্টি করতে পারে ।

তো আল্লহপাক যা কিছুকেই পবিত্রতা সন্তুষ্টির কারণ বলছেন ইব্লিসের দল সেটার বিপরীতটারেই মানুষের কাছে সুশোভিত বা উত্তম হিসাবে পেশ করে ।

সূরা হিজর ৩৯) সে (ইব্লিস) বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি যে আমাকে বিপথগামী করলে তার জন্য আমি পৃথিবীতে মানুষের নিকট পাপ কর্মকে অবশ্যই শোভনীয় করে তুলব এবং আমি তাদের সকলকে অবশ্যই বিপথগামী করে ছাড়ব ।

"নিরাপদ থাকার উপায়"১. কথা হজম করতে শিখুন। এইটা অনেক বড় গুণ। আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে।২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না।...
15/10/2022

"নিরাপদ থাকার উপায়"

১. কথা হজম করতে শিখুন। এইটা অনেক বড় গুণ। আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে।

২. কখনও তর্কে জিততে যাবেন না। এটা সময়ের অপচয়।

৩.আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন। আপনার প্রতিপক্ষ যদি খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে। আপনি একটু হাসুন।

৪. মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে। আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে দিবে।

৫. হারতে শিখুন। সব জায়গায় জিততে নেই। এটা বোকামি।

৬. মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না। তাই কাজ শুরু করুন নিরবে। আপনার কাজই কথা বলবে।

৭. আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন। নিজেকে বিশ্বাস করুন। নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।

৮. আপনি অনেক কিছু পারেন। কি দরকার বলে বেড়ানোর। কাজ করুন। যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুজে বের করবে।

৯. মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করে না। কুকুরদের জিততে দিন। আপনি যে চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন।

১০. নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন। আর নিরবে কাজ করুন। আপনার কাজই কথা বলবে।

A channel to share life in Singapore by A Bangladeshi. Thank you for visiting, please subscribe and hit the bell button for quick update notification. Let me...

You can try to make this car frame with Woods.Then try to include ingine.
11/10/2022

You can try to make this car frame with Woods.Then try to include ingine.

11/10/2022

#কাজ_নাকি_অভ্যাস

আম্মু কখনোই আমাকে পারফেকশনিস্ট বানাতে চান নি৷ কিন্তু সবসময় চেয়েছেন, যে কাজগুলো না পারলেই নয়, সেই কাজগুলোতে অভ্যস্ত করে তুলতে। কারণ আম্মু চাকরিজীবী হওয়াতে এটা অন্তত জানতেন, যতো পড়াশোনা আর যত বড় চাকরি ই করি না কেনো, এই নূন্যতম কাজগুলো আমাকে করতেই হবে। আর তা করতে হবে, খুব দ্রুততার সঙ্গে। তাই খুব ছোটবেলা থেকে কিছু কাজ আমাকে দিয়ে করাতেন। আর বলতেন, এমন ভাবে তৈরী হও, যাতে কাজকে কখনো কাজ মনে না হয়।

ভাত রান্না করা টা যে কোনো কাজ, আমার কখনোই জানা ছিলো না। সকালের ভাত বরাবর ই আব্বু রান্না করতেন। আর অন্য বেলায় আমি, ভাইয়া, বোন যে যখন সুযোগ পেতাম, বা রান্নার সময় হয়ে যেতো, রান্না করে ফেলতাম।

কাজ করার সময় আম্মু কিছু কিছু ইন্সট্রাকশন দিতেন, যেটা সে সময় আমার মতো ক্লাস ২/৩ এ পড়া বাচ্চার মাথায় সহজে ঢুকে যেতো৷

১। রুটি ভাজার সময়, রুটি তাওয়া বা ফ্রাইপেনে দেওয়ার পর যখন নিচের পার্ট থেকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করবে, তখন উল্টিয়ে দিতে হবে।

২। মাছ ভাজার সময় যখন শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে ( পানি শুকিয়ে যাওয়ায় শব্দ বন্ধ হয়) তখন উল্টিয়ে দিতে হবে।

৩। চালনা দিয়ে আটা চালার সময় যতটুকু সম্ভব নিজের বডিকে স্ট্রিক্ট রাখতে হবে। হাতের চেয়ে চালনী বেশি নড়বে।

৪। রুটি বানানোর সময়, রুটির মাঝখানে চাপ বেশি দিতে হবে। তাহলে বেশি চাপের বিন্দুকে কেন্দ্র করে একটা বৃত্ত হবে, মানে রুটি গোল হবে।

৫। ঘর মোছার সময় পিছনের দিকে যেতে হবে, তাহলে নিজের ময়লা পা মোছা অংশে পড়বে না

৬। কিন্তু ঘর ঝাড়ার সময় সামনে দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

৭। ঝুল ঝাড়ুর সময় ঝাড়ু রোল করতে হবে, বাড়ি দিয়ে ঝাড়া যাবে না।

৮। মশলা বাটার সময় শীল টাকে লম্বা করে টানতে হবে, তাহলে কম সময় ও কম পরিশ্রমে বাটা হয়ে যাবে।

৯। কখনোই প্রথমে গরম মশলা বা রাধুনি সজ বাটা যাবে না, তাহলে পেয়াজ রসুনেও সেই গন্ধ থেকে যাবে।

১০। সবজি বা পেয়াজ কাটতে হবে, সেটা কি দিয়ে রান্না করা হবে সেটার সাইজের সাথে মিলিয়ে। ছোট মাছের জন্য চিকন লম্বা, বড় মাছের জন্য মোটা ও লম্বা। আর মাংস বা সবজির জন্য কিউব করে কাটতে হবে

১১। দুধ সাদা বলে দুধের অনেক অহংকার আর খুব রাগ। সে চায়, সবাই তার দিক থেকে চোখ না ফেরাক। তাই দুধ জাল দেওয়ার সময় কেউ যদি একবার চোখ সরায়, সে রেগেমেগে ফুলে উঠে উপচিয়ে পড়ে যায়।

১২। প্রেসার কুকারে ডাল রান্না করলে, লিড বন্ধ করে রাবার বরাবর কয়েক ফোঁটা তেল দিতে হবে।

১৩। যে কোনো সবজি, নুডলস সেদ্ধ করার সময় ২/১ ফোঁটা তেল দিলে, সবজির কালার চ্যাঞ্জ হবে না, নুডলস ঝড়ঝড়ে হবে।

১৪। আব্বুর ফরমাল প্যান্ট ধুয়ে শুকোতে দিতে হবে উল্টো করে। আর ভাইয়ার জিন্স প্যান্ট সোজা করে।

১৫। কাপড় ৩ বার খচতে বা ধুতে হবে। প্রতিবার ধুয়ার পর কাপড় রাখার রডে ঝুলিয়ে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে।

১৬। কাপড়ের বেশি ময়লা জায়গাগুলোতে এক্সট্রা ডিটারজেন্ট বা সাবান দিয়ে, সেম কাপড়ের এক অংশ দিয়ে অই অংশ টা ঘষতে হবে। হাত দিয়ে ঘষলে হাতে ফোসকা পড়ে যাবে।

১৭। যে কোনো কাপড় ই সিমিট্রিকাললি ভাজ করতে হবে। শার্টের ভাজ শিখে গেলে সব কাপড় ভাজ করা যাবে। ফরমাল প্যান্ট পায়ের দিক থেকে ইস্ত্রির ভাজ বরাবর ভাজ করতে হবে। আর পায়জামা বা ক্যাজুয়াল প্যান্ট সেলাই বরাবর ভাজ করতে হবে।( আব্বুর কাছ থেকে শেখা)।

১৮। বুদ্ধিমতী রা কখনো জিনিসের অপেক্ষায় বসে থাকে না। হাতের কাছে থাকা স্বল্প জিনিস দিয়ে যে যতো সুন্দর করে কাজ করতে পারবে, সে ততো বুদ্ধিমতী।

অনেকের কাছেই মনে হবে, এগুলো তো সব জানি। আপনি আমি জানি, আমাদের বাচ্চারা জানে না। আমরা ও সেই বয়সে জানতাম না। আর করতে পারাটাও ব্যপার না। সময় আর প্রতিকুলতার সাথে তাল মিলিয়ে করাটাই ব্যপার। আম্মু আরেকটা কথা বলতে, কাজ করতে না পারা কখনো ক্রেডিট না, সবসময়ের জন্যই ডিসক্রেডিট। সে সময় টায় আসলেই মন খারাপ হতো, যখন বন্ধু বান্ধবী রা কেউ ই কোনো কাজ করতো না। আর আন্টিরা আম্মুকে এসে বলতেন, "ম্যাডাম, আপনি ছেলে মেয়েকে দিয়ে কত্তো কাজ করান। আমার ছেলেমেয়ে তো পানিটা ঢেলেও খেতে পারে না।" আম্মু মিটমিট করে হাসতেন শুধু।

Positive parenting-পজিটিভ প্যারেন্টিং

25/09/2022

You can send your opinion that kept in your mind. And express your wishes what do you want to know , what do you want to see.

U Turn the page of your wishes that can you turn

25/09/2022

সুন্দরবন ঘুরে এলাম।

25/09/2022

Say the tricks
That you mixed

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when U Turn posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share