SYM Digital

SYM Digital SYM Digital is a data-driven and targeted brand promoter through digital technology. SYM Digital del

16/12/2024

মাটি, মানুষ আর দেশপ্রেমে ভরা বিজয়ের দিন। আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী এই দিনটি স্মরণ করিয়ে দেয় একতার শক্তি।

রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে চান ??প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার এই সময়ে বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রায় সবাই ধীরে...
20/02/2023

রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে চান ??
প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার এই সময়ে বিশ্বের ছোট-বড় ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রায় সবাই ধীরে ধীরে ইন্টারনেটের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। সবাই চাচ্ছেন তার একটি ভার্চুয়াল ঠিকানা হোক। কারণ, একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে এর গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা দেশে অবস্থিত নিজ নিজ শাখার সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন ।
একটি ফ্ল্যাট বা প্লট কিনতে যেসব তথ্য প্রয়োজন হয় সেসব তথ্য সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট এ আপডেট দিতে পারবেন । একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রিয়েল এস্টেটের বিভিন্ন অন গোয়িং এবং আপ কামিং প্রজেক্ট সম্পর্কে জানাতে পারবেন। এ ছাড়া হোম লোন, ডেভেলপার, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি তথ্য দিতে পারবেন।
আমাদের কাছে থেকে ওয়েবসাইট করালে যে সুবিধা গুলো পাবেন ?
* রিজেনেবল প্রাইস
* ফুল ডায়নামিক ওয়েবসাইট
* রেস্পন্সিভ ডিজাইন (মোবাইল, ট্যাব)
* ইউজার ফ্রেন্ডলি এডমিন প্যানেল
* লাইভ চ্যাট অপশন
* পেমেন্ট গেটওয়ে (ব্যাংক, ক্যাশ অন ডেলিভারী, বিকাশ, রকেট ও অন্যান্য)
* লগইন / রেজিস্টার সিস্টেম।
* আপনি নিজের মত করে প্যাকেজ বানাতে পারবেন।
* নিজের মত করে বিস্তারিত দিতে পারবেন।
* এসইও র জন্য আপনার নিজের মত করে মেটা কিওয়ার্ড ও ডেসক্রিপশন এড করে নিতে পারবেন।
* আপনার যদি ডোমেইন হোস্টিং না থাকে সেটাও পাবেন আমাদের কাছ থেকে।
আপনার যে কোন সহযোগীতার জন্য যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগঃ-
Mail: [email protected]
Office Address: West Rampura, Dhaka, Bangladesh-1219
www.symdigitalbd.com

যেকোনো বিজনেসে পণ্য বা সার্ভিস, স্টার্টআপ, অনলাইনে নতুন ষ্টোর কিংবা বিভিন্ন ব্লগ বা নিউজ পেজের ওয়েবসাইট তো আমরা সচরাচর অ...
20/02/2023

যেকোনো বিজনেসে পণ্য বা সার্ভিস, স্টার্টআপ, অনলাইনে নতুন ষ্টোর কিংবা বিভিন্ন ব্লগ বা নিউজ পেজের ওয়েবসাইট তো আমরা সচরাচর অনেকেই দেখে থাকি। কিন্তু একজন ডাক্তারের জন্য পার্সোনাল ওয়েবসাইট সম্পর্কে আমরা কজন ই বা জানি? এটি ডাক্তার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করার একটি অন্যতম মাধ্যম হতে পারে। এখানে পণ্য ডিসপ্লে করার মত নিজেদের উদ্যোগ, প্রফেশনাল ডিটেলস, সিভি, রেজিউমে, বায়োডাটা, নিজেদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, শখ, সোশ্যাল মিডিয়া ডিটেলস, ও পছন্দ অপছন্দের জায়গা অতি সহজেই তুলে ধরা যায় একটি পেজের মাধ্যমে। বিশ্বাস হচ্ছে না? নাকি এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে এখনো সন্দিহান? তবে নিম্নোক্ত পয়েন্টগুলো আপনার জন্যেই।
পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংঃ
এটি সম্পূর্ণ নিজস্ব প্লাটফর্ম যেখানে নিজের ইচ্ছে মত নিজের কর্মদক্ষতা, অভিজ্ঞতা তুলে ধরা যায় যা দিন শেষে আপনাকেই প্রচার করবে অন্যদের কাছে। এর মাধ্যমে অতি সহজেই আপনার সাকসেস ও আপনার পরিচয় প্রকাশ করতে পারেন।যেহেতু, এটি আপনি নিজের মনের মত করে সাজাবেন, ভিউয়াররা অতি সহজেই আপনার পার্সনালিটি ও আপনার ক্রিয়েটিভিটি সম্পর্কিত একটি ধারণা পেয়ে যাবেন। অনেকটা সহজে নিজেকে ভিজ্যুয়ালি রিপ্রেজেন্টেশনের মাধ্যমেই তুলে ধরতে পারবেন সবার মাঝে।
সহজে আপনার প্রোফাইল খুঁজতে নিয়োগদাতাদের সাহায্য করেঃ
যেহেতু নিয়োগদাতাদের কাছে এত সময় নেই বা একটি মানুষের পিছনে এত সময় ব্যয় করবেন না, সে ক্ষেত্রে যত সহজে ও কম সময়ে তাদের কাছে নিজেকে তুলে ধরা যায় বা ধরা দেয়া যায় ততই ভাল। এক্ষেত্রে একই প্লাটফর্মের মাধ্যমে এক ঝলকেই আপনার সকল ক্রাইটেরিয়া বা ক্যাটাগরির কাজ দেখা যাচ্ছে যা একটি প্লাস পয়েন্ট বটে। তার উপর সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, লিংকডইন, টুইটার ঘেঁটে আপনাকে ও আপনার খুঁটিনাটি খোঁজার ঝামেলা থাকছে না একদমই এবং শুধুমাত্র গুগলে সার্চ করেই পেয়ে যাওয়া যাচ্ছে আপনার যাবতীয় সকল তথ্য। ৭৭% ক্ষেত্রে নিয়োগদাতারা পার্সোনাল ওয়েবসাইট দেখে তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন কারণ এটি নিয়োগদাতার কাজ অনেকটা সহজ ও দ্রুত করে দেয়।
ডিজিটাল পোর্টফোলিওঃ
যেহেতু এখানে একই সাথে ডিজিটাল আকারে আমরা সব ফুটিয়ে তুলতে পারছি সেক্ষেত্রে, এটি একটি পোর্টফোলিও এর মত কাজ করবে কিন্তু বিভিন্ন কাগজ পত্র বা ফাইলের ঝামেলা ছাড়াই।তাই এই পার্সোনাল ওয়েবসাইট দ্বারা অনেক সহজেই নিজেদের ডিজিটাল পোর্টফোলিও তৈরি করে সবকিছু একত্রিত ভাবে সংগ্রহে রাখা যায়।
কম্পেটেটিভ এডভান্টেজঃ
এর মানে হল এটি আপনাকে করতে পারে অনেকের মাঝে অনন্য। সকল মানুষের ভিড়ে আপনার একার একটু নতুনত্ব ও নিজের ওয়েবসাইট আপনাকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলবে, যা কিনা একটি কম্পেটেটিভ এডভান্টেজ হিসেবে আপনাকে আরও শক্তিশালী ও সবার চেয়ে আলাদা ভাবে পেশেন্টদের সাথে সহজেই কমিউনিকেশন করে সার্ভিস প্রদান করতে সাহায্য করবে। এবং খুব সহজে পেশেন্ট আপনাকে খুজে বের করতে পারবে এবং তার কাঙ্ক্ষিত তথ্য ঘরে বসে নিতে পারবে।
যোগাযোগ করুনঃ
Mail: [email protected]
Office Address: West Rampura, Dhaka, Bangladesh-1219
www.symdigitalbd.com

24/08/2022

Business আপনার Brand বানানোর দায়িত্ব আমাদের!
Planning and Strategy শেষ করে প্রথমেই একটা Brand Guideline তৈরী করা হবে আপনার জন্য। তার পরপর ই আপনার Brand Identity তৈরী করার কাজ শুরু করে দিবো। এখানে প্রথমেই করে নেয়া হবে আপনার Competitor Analysis, তারপর আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর pain and gain পয়েন্ট খুঁজে বের করে তৈরি করা হবে আপনার জন্য Creative Brief. আপনার পছন্দ হওয়া সাপেক্ষে আমরা নেমে যাবো আপনার Brand Visual বা Design এর Brainstorming এর কাজে। আমাদের ক্রিয়েটিভিটি, আইডিয়া, এনালাইসিস এবং ব্র‍্যান্ড গাইডলাইন এর সমন্বয়ে তৈরী হবে আপনার Brand Material বা আপনার Social Media পেজের সমস্ত Creative Design, Product Design, Creative Content, Technical Content, এবং Attention Grabbing Copy.
ক্রিয়েটিভ কাজ তো হলো, এবার টার্গেটেড কাস্টমার এর কাছে পৌঁছে দেয়ার পালা। এটা ও আমরাই করে দিবো Facebook বা Google Ad এর মাধ্যমে।
ব্যাস এভাবেই ধীরে ধীরে আপনার সোস্যাল মিডিয়া পেজ পেয়ে যাবে একটা প্রফেশনাল এবং ক্রিয়েটিভ লুক। আর আপনি হয়ে যাবেন সাধারণ থেকে অসাধারণ।

ই-কমার্স এসইওই-কমার্স বর্তমান সময়ের ট্রেন্ডিং একটা বিষয়, দিন দিন এর চাহিদাও বেড়েই চলছে। তাই এই সেক্টরে এসইও এর চাহিদাও ...
10/08/2022

ই-কমার্স এসইও
ই-কমার্স বর্তমান সময়ের ট্রেন্ডিং একটা বিষয়, দিন দিন এর চাহিদাও বেড়েই চলছে। তাই এই সেক্টরে এসইও এর চাহিদাও বাড়ছে।
তবে নরমাল এসইও আর ই-কমার্স এসইও এর বেশ কিছু পার্থক্য আছে, যে গুলো আপনাকে অবস্যয় জানতে হবে। সাথে ই-কমার্স এসইও এর জন্য এক্সট্রা কিছু স্কিল থাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ । আজকে আমরা নিদিষ্ট কিছু প্রশ্ন এবং বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ।
ই-কমার্স সাইটে এসইও করবো কি ভাবে?
আসলে কি করে এসইও করবেন সেটা একটা আটিকেল লিখে বুঝানো কষ্টকর, যদিও এতো কঠিন না, তবুও নিম্নে কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করলাম।
স্টেপ - ১
সাইট অডিট করুন (কিভাবে ই-কমার্স সাইট অডিট করতে হয় পরবর্তীতে আটিকেল দিবো ইনশাআল্লাহ)
যে সমস্যা গুলো বের করেছেন, সেগুলো আগে সমাধান করে নিন।
হোম পেজে কোনো লিংক ব্রোকেন রাখবেন না।
ডিজাইন ঠিকমতো আছে কিনা, অফার ব্যানার, ফন্ট, ব্যান্ডিং ক্যালার যাচাই করুন।
মোবাইল রেসপনসিভ কিনা যাচাই করুন, না থাকলে সমাধান করুন।
সাইটের স্পিড যাচাই করুন, মোবাইল ৭০/ পিসি ৮০ এর নিচে স্পিড স্কোর হলে স্পিড অপ্টিমাইজ করুন।
গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলো আছে কিনা চেক করুন। ( Terms & Conditions, Returns & Refunds, Payment Terms, Delivery Terms, Privacy Policy, Contact Us, About Us)
সাইট ফুটারে অবস্যয় গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলো লিংক করে দিবেন।
স্টেপ - ২
সাইটের মেইন টাইটেল ও ডিসক্রিপশন টিকমতো অপ্টিমািইজ করুন।
ইউ আর এল (URL) স্ট্রাকচার ঠিক করে নেন, ‍
1. Site. com/products/iphone
2. Site. com/iphone
3. Site. com/mobile/iphone
যে কোনো একটা ফরমেট ব্যাবহার করতে পারেন এতে করে কেনো সমস্যা নাই, তবে আমি ১ নাম্বারটা বেশি রিকমেন্ড করি।
ব্রেডক্রাম্বস (breadcrumbs) ব্যাবহার করুন।
ক্যাটাগরি, ট্যাগ এবং রিভিও, ইনডেক্স রাখবেন (ট্যাগ এবং রিভিও অপশনাল)
সাইট ম্যাপ জেনারেট করুন
রোবট টেক্স (Robots.txt) ঠিকমতো তৈরী করুন, কেনো ভুল হলে ইনডেক্সিং এ সমস্যা হতে পারে।
সাইটের শপিং স্কিমা স্টাকচ্যার ঠিকমতো ব্যাবহার করুন।
সার্চ কনসোলে সাইট এড করুন।
গুগল এনালিটিক্স এড করুন।
স্টেপ - ৩
’’প্রডাক্টস ক্যাটাগরি এসইও’’
ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রডাক্টস ক্যাটাগরি এসইও সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি বেশি রাষ্ক করে থাকে। তাই এটা অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। নিম্নে কিছু পয়েন্ট এড করলাম
ক্যাটাগরি অবস্যয় কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী অপ্টিমাইজ করতে হবে
টাইটেলে কী-ওয়ার্ড ব্যাবহার করুন, পাওয়ার ওয়ার্ড ব্যাবহার করুন।
ডিসক্রিপশন কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী লিখতে হবে।
ক্যাটাগরিতে এক্সট্রা আর্টিকেল এড করতে পারেন, এতে করে বেশ বেনিফিট পাবেন। তবে ব্যাধ্যতামুলক না
ক্যাটাগরি ইমেজ ব্যাবহার করবেন । ইমেজের ফাইল নাম,ইমেজ অল্ট টেক্সট কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী দিতে হবে
স্টেপ - ৪
’’প্রডাক্টস এসইও’’
একটা ছোট সাইটে প্রডাক্টস এসইও করা সহজ কারন সেখানে খুব কোম প্রডাক্টস থাকে, হয়তো কয়েক দিন বা সপ্তাহে করে ফেলতে পারবেন। কিন্তুু যদি এমন একটা সাইট হয়, যেখানে কয়েক মিলিয়ন প্রডাক্টস আছে, তখন আপনি কি করবেন? একটা একটা করে কি সব প্রডাক্টস এসইও করবেন বছরে পর বছর?
না, এটা করার দরকার নাই। আপনি ডাইনামিক ভাবেও সবগুলো প্রডাক্টস এসইও করতে পারেন, কিন্তু তারজন্য অবস্যয় একজন ডেভেলপার এর সাহায্য লাগবে। হয়তো অন্য কোন দিন ডাইনামিক এসইও নিয়ে আলোচনা করা যাবে। আপনি যদি নিদিষ্ট একটা প্রডাক্টস রাষ্ক করাতে চান, তবে অবস্যয় আপনাকে নিদিষ্ট কী-ওয়ার্ড দিয়ে আপনাকে প্রডাক্টসটি অপ্টিমাইজ করতে হবে। আজকে প্রডাক্টস এসইও নিয়ে কিছু পয়েন্ট দেখি চলুন:
প্রডাক্টস এর কী-ওয়ার্ড রিসার্চ করুন
কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী টাইটেল অপ্টিমাইজ করুন, প্রডাক্টস টাইটেল অবস্যয় ছোট এবং ক্লিন রাখতে হবে।
প্রডাক্টস ডিসক্রিপশন অবস্যয় ইওউনিক হতে হবে, দরকার হলে রি-রাইট করে নিবেন, তারপরেও অন্য সাইট থেকে সরাসরি কপি করবেন না।
ডিসক্রিপশনে একাধিক H2, H3, H4 ট্যাগ ব্যাবহার করুন
ডিসক্রিপশনে ইমেজ ব্যাবহার করুন, তবে ইমেজ অবস্যয় কপি করে ব্যাবহার করবেন না, একটু চেঞ্জ করে নিবেন। ইমেজ অল্ট টেক্সট ব্যাবহার করুন।
ডিসক্রিপশনে টেবিল, বুলেট পয়েন্ট ব্যাবহার করতে পারেন।
প্যারাগ্রাফ ছোট ছোট করে লিখুন, একটানা বড় করে করে লিখবেন না
বানান ভুল এরিয়ে চলুন।
ইন্টারনাল লিঙ্কিং করুন অবস্যয় রিলেটেড প্রডাক্টস, ক্যাটাগরি কিনবা কোনো ব্লগ পোষ্ট কে।
এক্সটার্নাল লিঙ্কিং করুন অবস্যয় রিলেটেড কেনো সোর্চ এ, একাধিক লিংক দিতে পারেন। ডু-ফলো/ নো-ফলো দুই ধরনের লিংকই দিবেন।
প্রডাক্টস ইমেজ এর অল্ট টেক্সট ব্যাবহার করবে, গ্যালারি ইমেজও ব্যাবহার করবেন।
স্টেপ - ৫
’’ই-কমার্স ব্যাকলিংক’’
যদিও ব্যাকলিংক সব সাইটের জন্যয় গুরুত্বপূর্ণ, তবে ই-কমার্স সাইটের জন্য এটা তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ না, তবে আপনি ব্যাকলিংক করতেই পারেন। তবে যেহেতু লাখ লাখ প্রডাক্টস আপনার সাটটে আছে, সবগুলো প্রডক্টস এ তো ব্যাকলিংক করেত পারবেন না, আপনি চাইলে আপনার হোম পেজে ব্যাকলিংক করতে পারেন, কিছু ক্যাটাগরি তেও ব্যাকলিংক করতে পারেন। আর যদি আপনার স্পেশাল কোনো প্রডাক্টস থাকে, তবে সেটাতেও স্পেশাল ভাবে ব্যাকলিংক করতে পারেন। তবে যে ব্যাকলিংক করতেই হবে এমন না। তবে করলে ভালো।
তবে কি টাইপ ব্যাকলিংক করবো?
নিম্নের ব্যাকলিংক গুলো করতে পারেন:
প্রফাইল ব্যাকলিংক
স্যোসাল ব্যাকলিংক
ইমেজ সাবমিশন ব্যাকলিংক
ডিরেক্টরি সাবমিশন
আটিকেল সাবমিশন
গেষ্টপোষ্ট
প্রশ্ন উত্তর ব্যাকলিংক
আরো ন্যাচারাল টাইপ ব্যাকলিংক করতে পারেন
স্টেপ - ৬
কিভাবে ই-কমার্স সাইটে ট্রাফিক বাড়াতে পারি?
ই-কমার্স সাইটে ট্রাফিক বাড়াতে নানা রোকম পদ্ধতি ব্যাবহার করা যায়, নিম্নে কিছু পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:
সাইটে ব্লগ সেকশন রাখতে পারেন, সেখানে কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী আপনার রিলেটেড বিষয়ে ইনফরমেশন কন্টেন্ট দিতে পারেন। সেখান থেকে ট্রাফিক ড্রাইভ করে প্রডাক্টস পেজে আনতে পারেন। এতে করে সেল বাড়তে পারে।
নিদিষ্ট কিছু প্রডাক্টস ভালোমতো এসইও করতে পারেন, প্রডাক্টস রাঙ্ক করলে সেখান থেকে ট্রাফিক পাওয়া শুরু করবেন। এখানে বেশি সময় লাগেনা যদি কী-ওয়ার্ড উনুযায়ী অপ্টিমাইজ করেন।
পিন্টারেষ্ট ব্যাবহার করুন, এটা একটা দরুন ট্রাফিক সোর্চ, পিন্টারেষ্ট শপ এর মাদ্ধমে আপনার সরাসরি সেল ও আসবে।
গুগল মার্চেন্ট সেন্টার ব্যাবহার করুন, এখান থেকে বর্তমানে অনেক ভালো ট্রফিক ও সেল আসে, মাসে মিলিয়ন এর ও বেশি ট্রাফিক পেতে পারেন।
সোস্যাল মিডিয়াতে অবস্যয় এক্টিভ থাকতে হবে।
স্টেপ - ৭
সবকিছুই করলাম এখন কি করবো?
এখন নিয়মিত সাইট অডিট করুন, টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখেন, ইনডেক্ট ইসু চেক করুন। নিয়মিত সার্চ কনসোল ঘুরে দেখুন। গুগল এনালিটিক্স ঘুরে দেখুন, দেখুন কোন কোন প্রডাক্টস ভালো পারফরমেন্স করছে, সেগুলো আবারো এসইও চেক দিতে পারেন।
স্টেপ - ৮
তারাতারি সেল চাই, কি করবো?
এসইও তে তাড়াহুড়োর কেনো স্থান নেই, তারপরেও তো একটা লিমিট আছে, আর কতো অপেক্ষা করা যায়!
তারাতারি সেল এর জন্য গুগল মার্চেন্ট সেন্টারে ফ্রি লিষ্টিং ব্যাবহার করুন, গুগুল শপিং এড ব্যাবহার করতে পারেন, তাছাড়া ফ্রেসবুক এড ও দেখতে পারেন।
তবে এসইও তে অবস্যয় রেজাল্ট পারেন, ২-৩ মাস অপেক্ষা করুন, তার আগেই ভালো রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ।
আমি তেমন একটা লিখিনা, তাই ভুলে হলে মাফ করে দিয়েন ভাই। আর আমার কোনা যায়গায় ভুল হলে ধরিয়ে দিয়েন ।
যদি আরো নিদিষ্ট কিছু জানার থাকে কমেন্ট এ জানান, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন অনুগ্রহ করে।

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা ।✍️ওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ...
04/08/2022

আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজন?
আমরা সকল ধরনের ওয়েবসাইট করে থাকি।
সাথে থাকছে লাইফ টাইম সাপোর্ট এর সুবিধা ।
✍️ওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ
✅ ই-কমার্স ওয়েবসাইট
✅ কুরিয়ার ওয়েবসাইট
✅ অনলাইন নিউজপেপার
✅ কর্পোরেট ওয়েবসাইট
✅ ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
✅ ব্লগিং ওয়েবসাইট
✅ ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট
✅ এডুকেশন ওয়েবসাইট
✅ ট্রাভেল ওয়েবসাইট
✅ হোটেল ওয়েবসাইট
✅ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট
✅ ফার্নিচার ওয়েবসাইট
✅ রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট
✅ বায়িং হাউজ ওয়েবসাইট
✅ গার্মেন্টস ওয়েবসাইট
✅ ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
✅ হসপিটাল ওয়েবসাইট
সহ কাষ্টমারের চাহিদা মত ওয়েবসাইট সার্ভিস প্রদান করা হয় ।
Mail: [email protected]
Office Address: West Rampura, Dhaka, Bangladesh-1219
www.symdigitalbd.com

সুপারফাস্ট ওয়েবসাইট করুন আকর্ষণীয় মূল্যেওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ * ই-কমার্স ওয়েবসাইট * কুরিয়ার ওয়েবসাইট * অনলাইন নিউজপেপার...
03/08/2022

সুপারফাস্ট ওয়েবসাইট করুন আকর্ষণীয় মূল্যে
ওয়েবসাইট সার্ভিস সমূহঃ
* ই-কমার্স ওয়েবসাইট
* কুরিয়ার ওয়েবসাইট
* অনলাইন নিউজপেপার
* কর্পোরেট ওয়েবসাইট
* ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
* ব্লগিং ওয়েবসাইট
* ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট
* এডুকেশন ওয়েবসাইট
* ট্রাভেল ওয়েবসাইট
* হোটেল ওয়েবসাইট
* ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট
* ফার্নিচার ওয়েবসাইট
* রিয়েল এস্টেট ওয়েবসাইট
* বায়িং হাউজ ওয়েবসাইট
* গার্মেন্টস ওয়েবসাইট
* ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
* হসপিটাল ওয়েবসাইট
সহ কাষ্টমাইজ ওয়েবসাইট সার্ভিস প্রদান করা হয় ।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
Mail: [email protected]
Office Address: West Rampura, Dhaka, Bangladesh-1219
Website: www.symdigitalbd.com

আপনার ব্যাবসার যখন ইতিমধ্যেই একটি ফেসবুক পেজ আছে, তাহলে কেন আপনার একটি ওয়েবসাইট দরকার?আপনার ওয়েবসাইট একটি পোর্টাল হিসা...
02/08/2022

আপনার ব্যাবসার যখন ইতিমধ্যেই একটি ফেসবুক পেজ আছে, তাহলে কেন আপনার একটি ওয়েবসাইট দরকার?
আপনার ওয়েবসাইট একটি পোর্টাল হিসাবে কাজ করে যাতে গ্রাহকরা আপনার কোম্পানি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে, সেইসাথে পণ্যের তথ্য অনুসন্ধান করতে পারে এবং তারা আপনার সাথে ব্যবসা করতে চায় কিনা তা নির্ধারণ করতে পারে। ৯৩% ব্যবসায়িক ক্রয়/বিক্রয়ের সিদ্ধান্তগুলি ওয়েবসাইট অনুসন্ধানের মাধ্যমে শুরু হয়। আপনি যদি একজন ছোট ব্যবসার মালিক হন, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে একটি ওয়েবসাইট একটি ব্যয়বহুল বিলাসিতা বা অসার প্রচেষ্টা নয় - এটি একটি, মৌলিক সরঞ্জাম যা প্রতিটি কোম্পানির প্রয়োজন।
কম খরচে আকর্ষণীয় একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
Mail: [email protected]
Office Address: West Rampura, Dhaka, Bangladesh-1219
www.symdigitalbd.com

এফ-কমার্স থেকে ইকমার্সে ব্যবসা রূপান্তর করার সঠিক সময় কখন?ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা বা এফ-কমার্স বহুদিন ধরে চলে আসা একটি ট্...
31/07/2022

এফ-কমার্স থেকে ইকমার্সে ব্যবসা রূপান্তর করার সঠিক সময় কখন?
ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা বা এফ-কমার্স বহুদিন ধরে চলে আসা একটি ট্রেন্ড ইকমার্স ইন্ডাস্ট্রিতে। যদিও বা ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার উত্থান হয়েছে মূলতঃ সামাজিক যোগাযোগের জন্যে, তবে বর্তমানে প্রায় সব সোশ্যাল মিডিয়াতেই কমার্স তথা বাণিজ্য একটি বিশেষ ফিচার হয়ে গিয়েছে। এই যেমন ফেসবুক পেইজ খুলে অনেকেই কত প্রোডাক্ট বিক্রি করছেন অনলাইনে।
কিন্তু শুধুমাত্র ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা গড়ে তোলা কতটা যৌক্তিক? বিভিন্ন সময়ে এই বিষয়ে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে শুধু ফেসবুক ভিত্তিক হয়ে থাকাটা এক্সপার্টরা সাপোর্ট করেন না।
তাই আজ আমরা জানবো একটি ব্যবসা এফ-কমার্স থেকে ইকমার্সে রূপান্তর করার সঠিক সময় কখন?
সোজা উত্তর হচ্ছে, এখনই!
তবে এখানে কিছু বিষয় আছে, কেন এখনই এফ-কমার্স থেকে ইকমার্সে রূপান্তর করার সঠিক সময় তার কারণগুলো একনজরে জেনে নেয়া যাক,
১) ফেসবুক পেজের কার্যকারিতাতে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে
২) দৈনন্দিন অর্ডারের পরিমান যখন বাড়তে থাকবে তখন পেইজের ইনবক্সে এগুলো ম্যানেজ করাটা প্রচন্ড ঝামেলার হবে
৩) কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্টের পূর্ণাঙ্গ ক্যাটালগ দেখতে এবং আপনার অনলাইন স্টোর ‘এক্সপেরিয়েন্স’ করতে চাইবে
৪) কাস্টমাররা পেইজের ব্যবসার উপর শতভাগ আস্থা রাখবেনা
৫) ইকমার্স ব্যবসায় লং টার্ম সেলস মেশিন তৈরী করতে ডাটা প্রয়োজন
৬) ফেসবুকে অর্গানিক কাস্টমার-বেইজ তৈরী করা সম্ভব নয়

আসুন এবার বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।
১) ফেসবুক পেইজের কার্যকারিতাতে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে
ফেসবুক পেইজ সব দেখতে একই রকম লাগে, এটাকে পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ আপনার নেই। তাছাড়া আপনার যত পণ্য আছে সব ক্যাটাগরি আকারে এবং গোছানোভাবে কাস্টমাররা দেখতে পায়না।
আপনি যখন নিজের ওয়েবসাইট তৈরী করেন তখন সেটি নিজের ব্র্যান্ডের সাথে মিলিয়ে এবং আপনার ইন্ডাস্ট্রির ট্রেন্ডের সাথে তাল রেখে সাজাতে পারেন। এতে করে কাস্টমাররা আপনার ব্র্যান্ডকে উপভোগ করতে পারে যেটি আপনার সেলস বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
ফেসবুক পেইজের আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো, এটি যেকোন সময় ডিজেবল হয়ে যেতে পারে, রেস্ট্রিকটেড হয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে নিশ্চয়ই দেখেছেন যে অনেকেরই এড একাউন্ট থেকে শুরু করে পেইজ রেস্ট্রিকটেড হয়েছে ফেসবুকের কমিউনিটি গাইডলাইন ভঙ্গের কারণে।
এরকম ঘটনায় আপনার অনেকদিনের তৈরী করা পেইজটি মুহূর্তেই হারিয়ে যেতে পারে, যেখানে রয়েছে লাইক, কমেন্ট সহ কাস্টমারদের সাথে আলাপের তথ্য। অথচ আপনি যদি ইকমার্স ওয়েবসাইট রাখেন, তাহলে এটি আপনার কন্ট্রোলে থাকবে, এবং ফেসবুকের উপর নির্ভর হয়ে থাকার জটিলতা কম থাকবে।
২) দৈনন্দিন অর্ডারের পরিমান যখন বাড়তে থাকবে তখন পেইজের ইনবক্সে এগুলো ম্যানেজ করাটা প্রচন্ড ঝামেলার হবে
ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে ইনবক্সে চ্যাট করে করে কাস্টমারদের সেল করছেন এবং অর্ডার নিচ্ছেন? একটি অর্ডার নিতে গেলে আধা ঘন্টা চলে যাচ্ছে শুধু অর্ডার নিয়ে কথা বলতে, প্রসেস করতে, পেমেন্ট নিতে এবং কনফার্মেশন জানাতে গিয়ে? কাস্টমার অর্ডার করেছে দুদিন আগে কিন্তু আপনি কাজের প্রেশারে সেটি ডেলিভারী দিতেই ভুলে গেলেন? এমন সব ঘটনা কিন্তু প্রায়ই ঘটে থাকে।
এভাবে শুরুতে ৫-১০ টি অর্ডার নিতে এমন হয়ত ঝামেলার মনে হবে না, কিন্তু যখন আপনি ব্যবসায় গ্রো করবেন, তখন শত শত অর্ডার আর চ্যাটের মাধ্যমে নেয়াটা সম্ভব হবেনা, কারণ তখন আপনার অনেক সময় এখানে ব্যয় হয়ে যাবে শুধু অর্ডার প্রসেস আর ম্যানেজ করতে। আপনি নোটখাতায় কিংবা এক্সেলের মত টুল ব্যবহার করে হয়ত অর্ডারগুলোর তথ্য রাখছেন, এবং সব তথ্য একটা একটা করে টুকে রাখছেন। কিন্তু এভাবে কি শত শত অর্ডার ম্যানুয়ালি টুকে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ?
তাছাড়া ফেসবুকে কোনো অর্ডার ম্যানেজমেন্ট এর সিস্টেমও নেই। একটা পণ্য কাস্টমারের কাছে অর্ডার নেয়ার জন্যে ডিজিটাল সিস্টেমের প্রয়োজন, যেটি ওয়েবসাইট এর সাথে সরাসরি কানেক্টেড থাকবে। কাস্টমার যখন অর্ডার দিবে এটি ঐ সিস্টেমে আসবে, আপনাকে এলার্ট দিবে এবং কাস্টমার কি অর্ডার করেছে, কয় টাকার পণ্য অর্ডার করেছে, পেমেন্ট মেথড কোনটি নির্বাচন করেছে যথা, ক্যাশ অন ডেলিভারী নাকি বিকাশের মত অনলাইন পেমেন্ট, এবং কাস্টমার কোন ঠিকানায় পণ্যটি ডেলিভারি চাচ্ছে এমন সবকিছু একটি জায়গায় থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইকমার্স ব্যবসার জন্যে।
অর্ডার আসার পর তো সরাসরি পণ্য কাস্টমারের কাছে চলে যায়না, আপনাকে নিশ্চয় প্রসেস ফলো করতে হয়। শুরুতে অর্ডারটি কনফার্ম করতে হয় আপনার স্টকের উপর নির্ভর করে, অতঃপর সেটি ডেলিভারী কোম্পানীর নিকট দেয়া হয় এবং তারা কয়েকটি ধাপে পণ্যটি কাঙ্খিত কাস্টমারের নিকট পৌঁছে দেয়।
এইসব কিছুর তথ্য আপনার কাছে তাৎক্ষনিক থাকাটা জরুরি এবং এগুলোর কোনোটাই ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে করা যায়না।
৩) কাস্টমাররা আপনার প্রোডাক্টের পূর্ণাঙ্গ কালেকশন দেখতে এবং আপনার অনলাইন স্টোর ‘এক্সপেরিয়েন্স’ করতে চাইবে
আপনি যখন কোনো দোকানে কিছু কিনতে যান আগে প্রোডাক্ট এর কালেকশন দেখতে চান। এরপর দেখেন সে পণ্যের দাম কত এবং অন্যান্য তথ্য, এরপর যেয়ে পণ্যটি কিনেন যদি বাজেট এবং পছন্দ মিলে যায়।
একইভাবে অনলাইনে যখন কেউ কিছু কিনতে আসবে তারাও আপনার পুরো দোকানে কি কি কালেকশন আছে তা দেখতে চাইবে, এরপর পছন্দ অনুযায়ী যেগুলো সিলেক্ট করবে এবং তা অর্ডার করবে। এর জন্যই ওয়েবসাইটটি কাজ করে আপনার ডিজিটাল দোকান হিসেবে, যেখানে কাস্টমার তার ইচ্ছেমত কালেকশন দেখতে পারে, এবং একটি সুন্দর শপিং এক্সপেরিয়েন্স নিতে পারে।
ফেসবুক পেইজে আপনি পোস্টের পর পোস্ট দিতেই আছেন, এবং অনেকেই হয়ত এসে কমেন্ট করছে কিংবা ইনবক্স করছে কোন প্রোডাক্টের দাম কেমন। আপনি সবার উত্তর একসাথে দিতে পারবেন না নিশ্চয়। কাস্টমার যখন এসেছে সে কিন্ত অল্প সময়ই অপেক্ষা করবে, সারাদিন বসে থাকবেনা রিপ্লাই এর জন্যে। একটি রিসার্চ বলছে, বর্তমান এই ইন্টারনেটের যুগে মানুষের কোনো বিষয়ে মনোযোগের মাত্রা ৮.২৫ সেকেন্ডে নেমে এসেছে, যেটি বুঝায় আপনি দ্রুত কথা না বললে তারা অন্যত্র চলে যাবে।
এক্ষেত্রে ওয়েবসাইট সেই সময়টুকু বাঁচিয়ে দেয় এবং কাস্টমারদের এক্সপেরিয়েন্স ও ভালো থাকে।
৪) কাস্টমাররা পেইজের ব্যবসার উপর শতভাগ আস্থা রাখবেনা
ফেসবুক পেইজ খুলে তো হাজারো বিজনেস আছে, কিন্তু সবাই কি আস্থা অর্জন করতে পারে? কাস্টমার যখন দেখে একটি ওয়েবসাইট আছে, যেখানে সবকিছু সাজানো গোছানো এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সমূহ আছে, তখন কাস্টমার এর আস্থা আসবে। তাছাড়া এখন বাংলাদেশ সরকার থেকেও ইকমার্স ব্যবসা নিয়ে বেশ কড়াকড়ি আইন নেয়া হচ্ছে, যেন ভোক্তারা সঠিক এবং কাঙ্খিত সার্ভিসটি পায়।
যদি ফেসবুক পেইজ খুলেই ব্যবসাকে বড় করা যেত তাহলে যারা ইকমার্স ওয়েবসাইট করে ব্র্যান্ড তৈরী করেছে, তারাও ফেসবুক দিয়েই চালিয়ে দিত। আদতে যেটি হয় না।
৫) ইকমার্স ব্যবসায় লং টার্ম সেলস মেশিন তৈরী করতে ডাটা প্রয়োজন
কখনো খেয়াল করেছেন কেন অনলাইনে ভালো ব্র্যান্ডগুলো তাদের ওয়েবসাইটে পণ্য বিক্রি করে থাকে এবং ফেসবুক কিংবা অন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে কেন পণ্য বিক্রি করেনা বরং পণ্যের বিজ্ঞাপণ প্রচারনা করে? কারণ, তারা ডেটাকে কাজে লাগিয়ে স্ট্র্যাটেজি সেট করে, এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রমোশনের জন্যে ব্যবহার করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই।
শুধু ইকমার্স নয়, যেকোন ব্যবসায় দীর্ঘমেয়াদে সাফল্য পেতে হলে বর্তমানে ডেটা সংরক্ষন করতে হয়। অর্থাৎ, আপনার কাস্টমার কিংবা অডিয়েন্সকে ফানেলিং করে করে তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করা, যাতে করে তারা পুনরায় এবং বারবার আপনার কাছে ফিরে আসে পণ্য কিনতে। এই ফানেলিং করতে হলে আপনার বিভিন্ন ওয়েব ট্র্যাকার নিজের ওয়েবসাইটে বসাতে হয়, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ভিজিটরদের ডেটা আপনি সংরক্ষন করতে পারবেন এবং মার্কেটিং চালানোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
তাছাড়া আপনার পেইজে কাস্টমার এসে কতক্ষন থাকছে, কোন প্রোডাক্ট দেখছে, পেইজের কোন কোন জায়গায় নেভিগেট করছে এই ডেটা আপনি ফেসবুক পেইজে পাবেন না। অথচ ওয়েবসাইটে এধরনের ডেটা ট্র্যাক করা যায় যেগুলো আপনাকে বিভিন্ন বিজনেস ডিসিশন নিতে সাহায্য করবে।
যেমন, ফেসবুক পিক্সেল যদি আপনি ওয়েবসাইটে যুক্ত করেন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে যত মানুষ আসবে, তাদের ডেটা আপনি সংরক্ষণ করে পুনরায় সে মানুষগুলোকে ফেসবুকেই আবারো টার্গেটেড এডস দেখাতে পারবেন, এতে করে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে একজন কাস্টমারের টপ অফ মাইন্ডে আপনি স্থান করে নিতে পারেন এবং সেলস পেতে পারেন।
আর এই কাজগুলো শুধুমাত্র ফেসবুক ভিত্তিক ব্যবসা করে পুরোপুরি সম্ভব নয়।
৬) ফেসবুকে অর্গানিক কাস্টমার-বেইজ তৈরী সম্ভব নয়
আপনি যদি একটি ব্র্যান্ড তৈরী করতে চান, আপনার ব্যবসার অর্গানিক কাস্টমার-বেইজ ও বিল্ড করতে হবে। আর এটি করতে হলে এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা সাধারনত কোনো কিছু প্রয়োজন হলে গুগলে গিয়ে সার্চ করি, এবং গুগল আমাদের রিলিভেন্ট ইনফরমেশন এবং লিঙ্কগুলো দেখায়। এটা মূলত হয় এসইও এর মাধমেই। এর মাধ্যমে অর্গানিক ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসার সম্ভাবনা আছে, যেটি আপনার মার্কেটিং বাজেট অপ্টিমাইজ করতে সহায়তা করবে, সেইসাথে আপনার অর্গানিক কাস্টমার-বেইজও তৈরী করবে।
কিন্তু একই কাজ কেউ ফেসবুকে এসে করবেনা, ফেসবুকে সাধারনত মানুষ কিছু কিনতে আসার উদ্দেশ্যে সার্চ করেনা। আর ফেসবুকে অর্গানিক রিচও অনেক কম, প্রায় ২% এরও নিচে।
পরিশেষে বলা যায়, ফেসবুক ভিত্তিক হয়ে বসে থাকলে ব্যবসার গ্রো করার সম্ভাবনা কম, কারণ, এটি আপনাকে লং টার্মে টিকিয়ে রাখবেনা। এই অবস্থায় অনেকে চিন্তায় পড়েন, ইকমার্স করতে গেলে তো অনেক খরচ আছে, তাছাড়া টেকনিক্যাল অনেক ব্যাপারে জানতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। যদিও ব্যাপারটি সত্য নয় এখন। এখন এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, টুলস আছে যেগুলো দিয়ে স্মার্টফোন থেকেই ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরী করে নেয়া যায়, মাত্র কয়েক মিনিটেই। কোনো কোডিং জানার কিংবা টেকনিক্যাল বিষয়ে বিশদ ধারনা থাকার দরকার নেই।
আশা করি এই পোস্টটি আপনাদের কিছুটা হলেও ধারনা দিতে পেরেছে কখন এবং কেন এফ-কমার্স ব্যবসাকে ইকমার্স ব্যবসায় রুপান্তর করার উপযুক্ত সময়। শুভকামনা!

পেইজে 1 হাজারের কম লাইক  নিয়ে চিন্তায় আছেন?আপনার জন্য আমরা নিয়ে আসছি "পেইজ লাইক+ফলোয়ার  প্যাকেজ"। যেখানে আপনি  5,000 পে...
19/03/2022

পেইজে 1 হাজারের কম লাইক নিয়ে চিন্তায় আছেন?

আপনার জন্য আমরা নিয়ে আসছি "পেইজ লাইক+ফলোয়ার প্যাকেজ"। যেখানে আপনি
5,000 পেজ লাইক পাবেন 1,500 টাকায়
10,000 পেইজ লাইক পাবেন 2,800 টাকা
20,000 পেইজ লাইক পাবেন 5,000 টাকা
50,00 পেইজ লাইজ পাবেন 11,500 টাকা।

এখনি আপনার প্যাকেজ বুক করুন।

Address

West Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SYM Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SYM Digital:

Share