VAST digital

VAST digital Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from VAST digital, Advertising agency, House: 21-22, Road: 02, Block: C, Kaderabad Housing, Muhammadpur, Dhaka.

শুভেচ্ছা!
18/06/2023

শুভেচ্ছা!

অকৃত্রিম এই ভালোবাসা শুধুমাত্র মায়ের কাছেই পাওয়া যায়।
14/05/2023

অকৃত্রিম এই ভালোবাসা শুধুমাত্র মায়ের কাছেই পাওয়া যায়।

একজন পরিচ্ছন্ন ও স্বপ্নবাজ মানুষ। অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ একজন Twaha Nm Haqueআস্থাশীল ব্র‍্যান্ড ডেভেলপমেন্টের একজন সৃজনশীল মেধার...
03/05/2023

একজন পরিচ্ছন্ন ও স্বপ্নবাজ মানুষ। অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ একজন Twaha Nm Haque
আস্থাশীল ব্র‍্যান্ড ডেভেলপমেন্টের একজন সৃজনশীল মেধার প্রতি আমাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল!

"Work isn't to make money; you work to justify life." ~ Marc Chagall
30/04/2023

"Work isn't to make money; you work to justify life." ~ Marc Chagall

EID MUBARAK to all of our Client, Member, Employees and Well-wishers.Be back with you guys soon. 😊
21/04/2023

EID MUBARAK to all of our Client, Member, Employees and Well-wishers.
Be back with you guys soon. 😊

চলে আসুন আপনিও।
20/04/2023

চলে আসুন আপনিও।

04/04/2023
যেভাবে খুঁজে পাবেন বিশ্বস্ত কাস্টমার (দ্বিতিয় অংশ)একজন কাস্টমার যখন একটি কোম্পানির কাছে বার বার সেবার জন্য ফিরে আসে, তাক...
04/02/2023

যেভাবে খুঁজে পাবেন বিশ্বস্ত কাস্টমার (দ্বিতিয় অংশ)

একজন কাস্টমার যখন একটি কোম্পানির কাছে বার বার সেবার জন্য ফিরে আসে, তাকে আমরা বিশ্বস্ত কাস্টমার বলি। আপনি যদি নিজের পণ্য বা সেবার গুণ বাড়ানোর পাশাপাশি ভালো কাস্টমার সার্ভিস দেন, তাহলে কাস্টমারদের ধরে রাখতে সুবিধা হবে।
গত পর্বে বিশ্বস্ত কাস্টমার খুঁজে পাওয়ার কয়েকটি উপায় আমরা দেখেছি। এ পর্বে থাকছে কীভাবে বিশ্বস্ত কাস্টমারদের ধরে রাখবেন, সে নিয়ে কিছু কথা।

# নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে কাস্টমারদের ধন্যবাদ জানান
বিশেষ অফার, ডিসকাউন্ট ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কারণে কাস্টমাররা বার বার কেনাকাটা করে। আর এই বিষয়গুলিই তাদের আস্থা অর্জনে সাহায্য করে। কাস্টমারদের আস্থা ধরে রাখতে নিজস্ব বিভিন্ন কার্যক্রম বানাতে পারেন। উপহার দেয়ার মাধ্যমে কাস্টমারদের খুশি করা যায় ও তারা যাতে আবার আপনার কাছে ফিরে আসে তা নিশ্চিত করা যায়।
এমন কার্যক্রমের মাধ্যমে সহজে কাস্টমারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যায়। তাছাড়া এর মাধ্যমে কাস্টমারদের কাছ থেকে সার্ভিস সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। যা কাজে লাগিয়ে কাস্টমার সার্ভিস আরো ভালো করতে পারবেন আপনি। এই কৌশলটি খুব কম সময়ে আপনার বিজনেসের প্রসারে সাহায্য করবে।
-
# কাস্টমারদের সাথে সংযুক্ত থাকার চেষ্টা করুন
আপনার কোম্পানির সাথে কাস্টমারদের নানা উপায়ে যুক্ত করুন। এটি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় গ্রুপ খোলার মাধ্যমে ক্রেতাদের একটি কমিউনিটি গড়ে তোলা। সেখানে পণ্যকে আরো ভালো করার নানা টিপস ও কৌশল জানতে চাইতে পারেন তাদের কাছে।
-
# ফিডব্যাক বা মতামত জানতে চান
বিশ্বস্ত কাস্টমার পেতে চাইলে বা কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে চাইলে, সবসময় তাদের ফিডব্যাক বা মতামত জানতে চান। কাস্টমাররা আপনার সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট কিনা তা জানতে স্যাটিসফেকশন সার্ভে করতে পারেন। এই সার্ভেটি কাস্টমারদের কোনো সেবা দেয়ার পর পরই করুন।
কাস্টমাররা বিভিন্ন সমস্যাকে কীভাবে দেখছে কিংবা এ বিষয়ে তাদের মতামত কী তা আপনার কাস্টমার সার্ভিস টিমের সদস্যদের জিজ্ঞেস করুন। সার্ভের বাইরে সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যক্রম কিংবা অনলাইন রিভিউ বিশ্লেষণ করেও কাস্টমারদের মতামত পেতে পারেন।
নেতিবাচক রিভিউ কেউ’ই চায় না। তবে এই নেতিবাচক রিভিউগুলি আপনার পণ্য বা সেবার আসল সমস্যা কী তা দেখিয়ে দিতে পারে।
তাছাড়া কাস্টমারদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়ার মাধ্যমে তাদের প্রতি আপনার শ্রদ্ধাশীলতা প্রকাশ পায়। আপনি তাদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা দিতে কাজ করছেন সেটা দেখা যায়।
-
# কাস্টমার অভিজ্ঞতা ভালো করার চেষ্টা করুন
কাস্টমার বা ক্রেতাদের আস্থা অর্জন একদিনে হয়ত হবে না। ধীরে ধীরে, অনেকটা সময় নিয়ে প্রতিনিয়ত বিজনেসে নানা উন্নয়ন ও বিকাশের মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে যেতে হবে। পৃথিবী প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে, তাই আপনার ব্র্যান্ডের পরিচয় ও মূল্যবোধ যাতে এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
হঠাৎ করে বড় পরিবর্তন আনলে হয়তো অনেকে তা গ্রহণ করবে না। দরকারে ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে আগান। সমসাময়িক পরিস্থিতির সাথে সবসময় যাতে আপনার বিজনেস তাল মেলাতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
বিভিন্ন ধরনের অডিয়েন্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মার্কেটিং কৌশল নিয়ে কাজ করতে পারেন। কাস্টমারদের সাথে নিয়মিত কথা বলুন ও তাদের মতামত নিন। এতে বিজনেসের নানারকম সমস্যা বেরিয়ে আসবে।
কাস্টমারদের অভিযোগের দিকে মনোযোগ দিন, কারণ তাদের সাথে আপনার বিজনেসের সম্পর্ক কেমন তার ইঙ্গিত এখান থেকেই পাওয়া যাবে।
-
কাস্টমারদের আস্থা অর্জন অনেকটা নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার মতোই। যেকোনো সম্পর্কের মতো, বিশ্বাস বা আস্থা গড়ে তুলতে অনেকটা সময় ও প্রচেষ্টার দরকার হয় এতে। এই সম্পর্ককে ধরে রাখতে সবসময় এর পেছনে বিনিয়োগ করতে হবে। কাস্টমারদের বিশ্বাস অর্জনে কাস্টমার অভিজ্ঞতার দিকে নজর দিন ও তাদের অভিজ্ঞতা সহজ ও সুন্দর করতে যা যা প্রয়োজন, তাই করুন।

#বিজনেস #কাস্টমার #সার্ভিস #ভাস্ট

যেভাবে খুঁজে পাবেন বিশ্বস্ত কাস্টমার। (প্রথম অংশ)একটি ব্যবসার টিকে থাকার ক্ষেত্রে কাস্টমার বা ক্রেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা...
02/02/2023

যেভাবে খুঁজে পাবেন বিশ্বস্ত কাস্টমার। (প্রথম অংশ)

একটি ব্যবসার টিকে থাকার ক্ষেত্রে কাস্টমার বা ক্রেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাস্টমাররা দ্বিতীয়বার আপনার বিজনেস থেকে সেবা গ্রহণ করতে আসবে কিনা তা নির্ভর করে আপনার সার্ভিস তাদের কেমন লেগেছে তার ওপর। এটা কাস্টমারদের সন্তুষ্টি, ইতিবাচক অভিজ্ঞতা ও বিজনেস থেকে পাওয়া পণ্য বা সেবার মানের ফলাফল।
• বিশ্বস্ত কাস্টমার বা ক্রেতারা বেশি খরচ করেন: যেসব কোম্পানি তাদের কাস্টমারদের পছন্দ অনুযায়ী সার্ভিস দেয়, ৯০ শতাংশ ক্রেতারা তাদের থেকে বেশি কেনাকাটা করেন।
• বিশ্বস্ত কাস্টমাররা মুখ ফিরিয়ে নেন না: ৭৪ শতাংশ ক্রেতারা বলেন, ভালো সার্ভিস বা সেবা পেলে তারা একটি কোম্পানির আগের ভুলগুলি ক্ষমা করবেন।
• বিশ্বস্ত কাস্টমাররা একই জায়গায় ফিরে আসেন: ৮১ শতাংশ ক্রেতা বলেন, কাস্টমার সার্ভিস ভালো হলে তাদের পুনরায় কোনো দোকানে কেনাকাটা করতে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
• বিশ্বস্ত ক্রেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে যাওয়ার সম্ভাবনা কম: কয়েকবার খারাপ কাস্টমার সার্ভিসের সম্মুখীন হলে, ৭৬ শতাংশ ক্রেতা একটি কোম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছ থেকে কেনাকাটা করেন।
• বিশ্বস্ত ক্রেতারা পরিবার ও বন্ধুদের কাছে আপনার বিজনেসের প্রচার করে ও ব্র্যান্ডের খ্যাতি বাড়ায়: ৬৪ শতাংশ বিজনেসের মালিক ও কর্মকর্তারা মনে করেন তাদের কোম্পানির বিকাশে কাস্টমার সার্ভিসের ইতিবাচক প্রভাব আছে।
কাস্টমারদের সাথে সুসম্পর্ক তৈরি তাই একটি দরকারি বিষয়। কাস্টমারদের আস্থা অর্জনে যে কাজগুলি করতে পারেন:
-
১. নিজের মূল্যবোধের কথা বুঝিয়ে বলুন
কাস্টমারদের আস্থা অর্জন কিংবা বিশ্বস্ত কাস্টমার পাওয়ার আগে, আপনাকে প্রথমে বুঝতে হবে বিজনেসের কোন দিকগুলি কাস্টমারদের আস্থা অর্জনে সাহায্য করে।
নিজের টিম নিয়ে বসুন ও এমন একটি মার্কেটিং কৌশল বের করুন যাতে আপনার কোম্পানির বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি ফুটে ওঠে। পাশাপাশি আপনার মূল্যবোধ কীভাবে কাস্টমার বা ক্রেতাদের চাহিদার সাথে মিলে যায় তাও তুলে ধরুন।
মার্কেটিংয়ের সময় আপনার বিজনেসের বিশেষ দিকগুলি তুলে ধরুন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দুই তৃতীয়াংশ কাস্টমার বর্তমানে নিজের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করেই কেনাকাটা করেন। ব্র্যান্ডের মূল্যবোধ হবে আপনার পথনির্দেশক। নিজের বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরুন ও সঠিকভাবে তা সবার কাছে পৌঁছে দিন।
-
২. ভালো কাস্টমার সার্ভিস দেয়ার চেষ্টা করুন
নতুন ও পুরোনো কাস্টমারদের সবচেয়ে ভালো কাস্টমার সার্ভিস দেয়াই হবে আপনার লক্ষ্য। ইনবক্স থেকে শুরু করে ডেলিভারি সার্ভিস ইত্যাদি সবকিছুই কাস্টমার সার্ভিসের অংশ।
শুরু থেকেই যেই বিজনেসগুলি কাস্টমারদের সব প্রশ্নের উত্তর তাড়াতাড়ি দেন, ৮৯ শতাংশ কাস্টমার তাদের থেকে বেশি কেনাকাটা করেন। এমনটা এক গবেষণায় দেখা গেছে। তাছাড়া, প্রায় অর্ধেক ক্রেতা একবার খারাপ সার্ভিস পেলে দ্বিতীয়বার অন্য কোনো ব্র্যান্ড থেকে কেনাকাটা করবেন বলে জানিয়েছেন।
তাই, বিশ্বস্ত কাস্টমার পেতে কাস্টমার সার্ভিসের দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। কাস্টমারদের অনুরোধে দ্রুত সাড়া দিতে নতুন পণ্য নিয়ে আসতে পারেন। অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্নভাবে কাস্টমার সার্ভিস পরিচালনা করুন, যাতে যেকোনো সমস্যায় কাস্টমাররা দ্রুত সাহায্য পান ও তাদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়।
-
৩. বিশ্বস্ত ক্রেতাদের মাধ্যমে নিজের ব্র্যান্ডের প্রচার করুন
নিজের মূল্যবোধ বোঝার পর বিশ্বস্ত ক্রেতাদের খুঁজে বের করুন। যারা আপনার ব্র্যান্ড ও এর মূল্যবোধের ভক্ত। এই কাস্টমাররাই আপনার সবচেয়ে দরকারি কাস্টমার। যারা আপনার প্রডাক্ট নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেবে বা ইন্সটাগ্রামের স্টোরিতে আপনার পেইজকে মেনশন করবে। তারাই আপনার পণ্য তাদের কত পছন্দের তা তাদের বন্ধুদেরকে বলবে।
বিজনেসের শুরুর দিকে অল্পসংখ্যক সন্তুষ্ট কাস্টমার হয়ত এই কাজগুলি করবে। কিন্তু আরো বড় প্ল্যাটফর্মে পৌছাতে, বিজনেস আরো বড় করে তুলতে এই কাস্টমারদেরই দরকার বেশি।
আপনার কাজ হবে এই কাস্টমারদের খুঁজে বের করা ও তাদের সম্পর্কে যত বেশি সম্ভব তথ্য জানা। যাতে তাদের মতো অন্যান্য কাস্টমারদের খুঁজে পাওয়া সহজ হয়।
কোনো ক্রেতাকে তার বিশ্বস্ততার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সারপ্রাইজ হিসেবে নানারকম উপহার দিতে পারেন। এই কৌশলটি ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড ডিলাইট’ হিসেবে পরিচিত, যা কাস্টমারদের ধরে রাখতে ও তাদের আস্থা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

#বিজনেস #কাস্টমার #সার্ভিস #ভাস্ট

টাইম ব্লকিং (২য় পর্ব)টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময়ের সবচেয়ে ভালো ব্যবহার করার অসংখ্য পদ্ধতি আছে এখন। টাইম ব্লকিং এর মধ্যে অন্...
30/01/2023

টাইম ব্লকিং (২য় পর্ব)

টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময়ের সবচেয়ে ভালো ব্যবহার করার অসংখ্য পদ্ধতি আছে এখন। টাইম ব্লকিং এর মধ্যে অন্যতম। যেটা সময়কে কাজে লাগানোর পাশাপাশি আপনাকে ঠিক করতে সাহায্য করে কোন কোন দরকারি কাজগুলি আগে করবেন।
কখনো এ পদ্ধতি ব্যবহার করে না থাকলে আপনার ব্যস্ত দিনগুলি সহজ ও ঝামেলামুক্ত করতে এখনই পদ্ধতিটি প্রয়োগ করে দেখুন।
-
# নিজের শিডিউল পর্যালোচনা করুন
টাইম ব্লক তৈরির কাজ মোটামুটি শেষের দিকে চলে এলে, কাজের জন্য কতটুকু সময় ও হঠাৎ চলে আসা মিটিং কিংবা অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য কতটা সময় রেখেছেন তা হিসাব করুন। এই সময়টা আপনার অফিসের সময়ের চেয়ে বেশি কিনা দেখুন। তারপর সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করুন।
রিভিউ বা পর্যালোচনা একবার করলেই কাজ শেষ, বিষয়টা তা না। সময়ের সাথে এই শিডিউলেও নানা বদল আসবে। বছরের নির্দিষ্ট কোনো সময়ে যদি আপনার শিডিউলে কোনো চেঞ্জ আসে, তাহলে মাসিক কিংবা ত্রৈমাসিক রিভিউ করতে হবে।
-
# প্রিয় ক্যালেন্ডার অ্যাপস ব্যবহার করে টাইম ব্লকিং এর প্রয়োগ করুন
ফোনের ক্যালেন্ডার অ্যাপেই আপনি নিজের টাইম ব্লক করা শিডিউল রেকর্ড করতে পারেন। গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করেও কাজটি করতে পারেন। এই ওয়েবসাইটগুলিকে সরাসরি জিমেইল ও আউটলুকের সাথে সংযুক্ত করা যায় আর টিম ক্যালেন্ডারও বানানো যায়।
মানুষ কখন আপনার সাথে দেখা করতে পারবে, কর্মীদের সাথে কখন কথা বলবেন তার জন্য আলাদা টাইম স্লট নির্ধারণ করে নিজের শিডিউলের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন। এতে অন্যান্য অনেক কাজের জন্যও সময় পাবেন। টাইম স্লট মেনে চলতে অসুবিধা হলে ফোনে অ্যালার্ম সেট করে রাখতে পারেন। তাহলে সময়মতো কাজ করতে পারবেন, প্রয়োজনমতো রুটিনে পরিবর্তন আনতে পারবেন।
-
# টাইম ব্লকিং এর সুবিধা
• কাজের প্রবাহ তৈরি করে
মনোযোগী হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে কাজ করাই মূলত কাজের প্রবাহ। টাইম ব্লকিং এর মাধ্যমে কাজে প্রবাহ আসে, কারণ দিনের একেকটা সময় একেকটা কাজের জন্য নির্ধারণ করা থাকে, ওই সময়টায় আপনি অন্য কিছু করেন না।
• অমনোযোগী হওয়ার আশঙ্কা কমায়
মাল্টিটাস্কিং এর বিপরীত প্রক্রিয়াই টাইম ব্লকিং। ফলে একটি কাজের দিকেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দেয়াটা এখানে সবচেয়ে দরকারি। এর মানে হাতের যেকোনো কাজে আপনি অনেক বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন, অযথা অন্য কাজে হাত দিয়ে সময় ও মনোযোগ নষ্ট করতে হবে না। মনোযোগ নষ্ট করে এমন কিছু আশেপাশে না থাকলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, ছোটখাটো ভুল হয় না।
• পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের অনুভূতি দেয়
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আমাদের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমে। টাইম ব্লকিং এর মাধ্যমে আমাদের সময়ের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে আসে, কোন কাজে কীভাবে কতটা সময় দেবো তা নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে। কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি ও সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি আমাদের অনেক কাজে আসে।
-
# টাইম ব্লকিং এর সাহায্যে হয়ে উঠুন আরো ফলপ্রসূ
টাইম ব্লকিং বেশ কার্যকর হলেও সবার ক্ষেত্রে তা কাজে আসে না। আপনি যদি নিজের রুটিনকে কিছুটা গুছিয়ে তুলতে চান, সব কাজে সমান মনোযোগ দিতে চান তাহলে এই পদ্ধতি কাজে আসবে।
টাইম ব্লকিংয়ের ধাপগুলি অনুসরণ করে একটি বিচক্ষণ, বাস্তবসম্মত প্ল্যান বানাতে পারবেন, যা আপনার কর্মদিবসকে আরো কার্যকর করে তুলবে। ফলপ্রসূ দিন কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হতে পারে এই টাইম ব্লকিং।

#সময় #টাইমব্লকিং #টিপস #ভাস্ট

টাইম ব্লকিং (১ম পর্ব)আপনার কি কখনো এমন মনে হয়, সব কাজ শেষ করার মতো যথেষ্ট সময় হাতে নেই? ফোন কল থেকে কাজের তালিকা করা, এস...
28/01/2023

টাইম ব্লকিং (১ম পর্ব)

আপনার কি কখনো এমন মনে হয়, সব কাজ শেষ করার মতো যথেষ্ট সময় হাতে নেই? ফোন কল থেকে কাজের তালিকা করা, এসব করতে গিয়ে হয়ত সবচেয়ে দরকারি কাজটা আর গুছিয়ে ওঠাহয় না।
এরকম হলে আপনি টাইম ব্লকিং-এর সাহায্য নিতে পারেন। টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি সহজ ও কার্যকর কৌশল টাইম ব্লকিং। এটি আপনার কাজের ফলাফল বাড়িয়ে দিতে পারে বহুগুণ, পাশাপাশি কোন কাজগুলি আগে করা দরকার তা বাছাইয়ে সাহায্য করে।
-
# টাইম ব্লকিং কী?
টাইম ব্লকিং এক ধরনের শিডিউল তৈরি করার পদ্ধতি। যা একটি দিনকে সময়ের কয়েকটি ব্লকে ভাগ করে আপনার কাজের ফলাফল বাড়াতে সাহায্য করে।
এই পদ্ধতিতে কোন কাজে কতটা সময় দিতে হবে সেটা ঠিক করা হয় প্রতিটি ব্লকের মাধ্যমে। অন্য সব পদ্ধতির চাইতে এই পদ্ধতি আরো স্পষ্ট ও কার্যকর উপায়ে কাজ করে।
কাজের রুটিন অগোছালো থাকলে কিংবা “যখন যে কাজ সামনে এলো তাই করা হলে” কাজের পিছনে সময় বেশি নষ্ট করে। এর বদলে টাইম ব্লকিং করে শিডিউল তৈরি করা গেলে সময়ের কাজ সময়ে করা যাবে এবং আপনার অযথা সময় নষ্ট হবে না।
-
# টাইম ব্লকিং কি কাজের জিনিস?
টাইম ব্লকিংয়ের মাধ্যমে সময় ও মনোযোগের মতো দরকারি বিষয়গুলিকে বিবেচনা করা যায়।
কাজে মনোযোগী হওয়ার বাধাগুলি জয় করার প্রথম ধাপ হচ্ছে টাইম ব্লকিং অনুসরণ করা। কখন কী কাজ করবেন তার ওপর ভিত্তি করে রুটিন বানাতেও এই কৌশলটি কাজে আসবে। দরকারি কাজগুলিতে কী পরিমাণ সময় লাগছে তা ট্র্যাক করার মাধ্যমে ভবিষ্যতের কাজ ও প্রজেক্টে কী পরিমাণ সময় লাগতে পারে তা আগে থেকেই অনুমান করতে পারবেন।
-
# টাইম ব্লকিং যেভাবে করবেন
কার্যকর টাইম ব্লকিং করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন।
প্রথম ধাপ: কোন কাজগুলি শেষ করতে হবে তা ঠিক করুন
টাইম ব্লকিংয়ের জন্য প্রথমেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, প্রতি সপ্তাহে কোন কাজগুলি আপনাকে করতেই হয়। সবার আগে সে কাজগুলির তালিকা তৈরি করুন। এসব কাজের ক্ষেত্রে গুরুত্ব অনুযায়ী অগ্রাধিকার দিন।
-
দ্বিতীয় ধাপ: প্রতিটি কাজে কয় ঘণ্টা লাগতে পারে অনুমান করুন
তারপর তালিকার কাজগুলির পেছনে কতটা সময় দেবেন তা নির্ধারণ করুন। কী পরিমাণ সময় সাধারণত নষ্ট হয় তা হিসাব করুন ও সেই সংখ্যাটি বাদ দিন। এই সংখ্যাগুলি একদম পুঙ্খানুপুঙ্খ হতে হবে তা না। মোটামুটি একটা ধারণা হলেই হবে। এক্সেল, এয়ারটেবিল বা অন্য কোনো অ্যাপ্লিকেশনে এই সংখ্যাগুলি রেকর্ড করুন। পাশাপাশি কাজগুলি করতে আসলে কত সময় লাগে তার হিসাবও রাখুন।
-
তৃতীয় ধাপ: শিডিউল কতটা নমনীয় করবেন তা ঠিক করুন
আনুষঙ্গিক ও হঠাৎ হাতে আসা কাজগুলির জন্য আলাদা সময় রাখা দরকার। শিডিউল নমনীয় রাখুন, যাতে অপরিকল্পিত কোনো কাজ যেমন মিটিং, ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এসবের জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়।
আপনি কী ধরনের কোম্পানিতে কাজ করেন? সেখানে মিটিং এর নিয়মাবলী কি? মিটিং এর শিডিউল কি আগে থেকেই জানানো হয়? নাকি ধরে নেয়া হয় আপনি যেকোনো সময় নিজের শিডিউল থেকে সময় বের করতে পারবেন?

#সময় #টাইমব্লকিং #টিপস #ভাস্ট

আপনার ব্যবসার সিজনাল মার্কেটিং (২য় পর্ব) বিশেষ ছুটির দিনকে কেন্দ্র করে যে মার্কেটিং কৌশল ব্যবহৃত হয়, সেটাই সিজনাল মার্ক...
26/01/2023

আপনার ব্যবসার সিজনাল মার্কেটিং (২য় পর্ব)

বিশেষ ছুটির দিনকে কেন্দ্র করে যে মার্কেটিং কৌশল ব্যবহৃত হয়, সেটাই সিজনাল মার্কেটিং। এসব ছুটির দিন, তার আগের ও পরের সময়কে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট পণ্যের ব্যাপারে ক্রেতাদের চাহিদা বেশি থাকে, ফলে আপনার মার্কেটিং এর প্রচেষ্টাগুলি তাদের কাছে গুরুত্ব পাবে।
সিজনাল বা মৌসুমী মার্কেটিং এর মাধ্যমে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ, ব্র্যান্ডের খ্যাতি ও পণ্য বিক্রি বাড়ানো সম্ভব। বছরের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোনো পণ্য বা সেবার চাহিদা অনেক বাড়ে। সিজনাল মার্কেটিং এর দ্বিতীয় পর্বে থাকছে আরো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্ট।
-
# অতীতের সফল মার্কেটিং ক্যাম্পেইনগুলির পুনরাবৃত্তি ঘটান
অনেক ব্র্যান্ড প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে একই প্রচারণা চালায়। ফলে কাস্টমাররা এসব মৌসুমী অফার, ডিসকাউন্টের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। অফার, ডিসকাউন্ট শুরু হলেই তারা তা লুফে নেন।
আগের সফল প্রচার কিংবা ক্যাম্পেইন আবার ব্যবহার করলে তা ব্র্যান্ডের বিশ্বস্ততা বাড়াবে, আকর্ষণীয় বিভিন্ন অফারের মাধ্যমে নতুন কাস্টমারদের আকৃষ্ট করারও সুযোগ তৈরি করে দেবে।
আগের সফল মৌসুমী মার্কেটিং পুনরায় ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে আসে পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবগুলি। কাস্টমাররা জানে প্রতি বছর এই সময় বিভিন্ন অফার ও ডিসকাউন্ট দেয়া হয়, তাই তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে।
-
# সিজনাল মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির সাথে সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্টের মিল রাখুন
গিভআওয়ে, কাস্টমার বা ফলোয়ারদের তৈরি কন্টেন্ট, মজার কুইজ, পোল ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে কাস্টমারদের সাথে সংযুক্ত থাকা সহজ হবে।
এই কাজগুলি সফল হলে, আপনার পেইজের রিচ বাড়বে, অর্থাৎ কন্টেন্ট ছড়িয়ে যাবে অনেকের কাছে। ফলে অনেকেই আপনার অ্যাকাউন্ট ঘুরে দেখবে, নতুন ফলোয়ার তৈরি হবে, কাস্টমারদের সাথে সংযোগ বাড়বে। মৌসুমী প্রচার সম্পর্কে আগ্রহও বাড়বে সম্ভাব্য ক্রেতাদের মধ্যে।
-
# ফলোয়ারদের কন্টেন্ট বানাতে উৎসাহ দিন
মৌসুমী মার্কেটিং এর অংশ হিসেবে ফলোয়ারদেকে আপনার বিজনেসের জন্য কন্টেন্ট বানাতে উৎসাহ দিন।
কোনো অফারের অংশ হিসেবে আপনার পণ্যের সাথে ছবি তোলা কিংবা পেইজ নিয়ে ইতিবাচক কোনো পোস্ট দিতে উৎসাহইত করুন। নানারকম হ্যাশট্যাগ ব্যবহার, ব্র্যান্ডকে পোস্টে ট্যাগ দেয়া ইত্যাদি বিষয়ে উৎসাহ দিন, যাতে পোস্টগুলি সহজে আপনার চোখে পড়ে।
অনুমতি নিয়ে ফলোয়ারদের বানানো কন্টেন্টগুলি রিপোস্ট করুন, অর্থাৎ বিজনেস অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দিন। এটিকে মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের একটি দরকারি অংশ বানিয়ে নিন।
-
# সিজনাল পণ্যের পেইজ তৈরি ও প্রচার করুন
বিজনেসের ওয়েবসাইটে সিজনাল বা মৌসুমি পণ্যগুলি নিয়ে আলাদা পেইজ তৈরি করুন। তাহলে কাস্টমারদের আলাদা করে ওয়েবসাইট থেকে পছন্দের পণ্য খুঁজে বের করতে হবে না।
ক্রেতারা ওয়েবসাইটে গেলে সহজেই যাতে সেই পেইজটি খুঁজে পায় সেই ব্যবস্থা করুন। আর পণ্য কেনার প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব সহজ রাখুন। পণ্য কিনতে জটিলতার সম্মুখীন হলে কাস্টমাররা আপনার ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার আগ্রহ হারাবে।
-
# ওয়েবসাইটে কাউন্টডাউনের মাধ্যমে ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করুন
পরবর্তী মৌসুমী প্রমোশন কিংবা ইভেন্টের কাউন্টডাউন শুরু করুন, এতে কাস্টমারদের মধ্যে উৎসাহ ও উত্তেজনা বাড়বে।
বিভিন্ন উৎসব ও অনুষ্ঠান উপলক্ষে সেল শুরুর আগে, আপনার ওয়েবসাইটের সব পেইজে পপ-আপ টাইমারের মাধ্যমে এর প্রচার শুরু করুন।
এই টাইমারগুলি ওয়েবসাইটে আসা কাস্টমারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ও দর্শকদের অনুভূতি জাগায়। অফার বা সেলের সময় ওয়েবসাইটে তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়ে।
-
# সিজনাল পণ্য সম্পর্কিত রিভিউ শেয়ার করুন
কাস্টমারদের রিভিউ কিংবা সুপারিশ আপনার বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করে।
বিভিন্ন মৌসুমে, সিজনাল থিম ও কেনাকাটা সম্পর্কিত রিভিউগুলি খুঁজে বের করুন। মৌসুম অনুযায়ী এই রিভিউওগুলি পণ্যের পেইজে যোগ করুন।
আপনার পণ্য কিনে সন্তুষ্ট হওয়া কাস্টমাররা এসব রিভিউ দেন। এই পণ্যগুলি বিভিন্ন মৌসুমে তাদের কীভাবে সাহায্য করে তা এই রিভিউগুলিতে তারা শেয়ার করেন। যেসব কাস্টমারের একই ধরনের পণ্য ও অভিজ্ঞতা দরকার, তারা এইসব রিভিউ দেখে আপনার পণ্য কেনার উৎসাহ পাবেন।
-
মার্কেটিংয়ের সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলির একটা হচ্ছে সিজনাল মার্কেটিং। বছর জুড়ে ব্যবসার সেল ধরে রাখতে ও তা বৃদ্ধিতে ব্র্যান্ডের প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখুন।

#ব্যবসা #মার্কেটিং #মেলা #ভাস্ট

Address

House: 21-22, Road: 02, Block: C, Kaderabad Housing, Muhammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 11:00 - 20:00
Tuesday 11:00 - 20:00
Wednesday 11:00 - 20:00
Thursday 11:00 - 20:00
Sunday 11:00 - 20:00

Telephone

+8801789262980

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when VAST digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to VAST digital:

Share