Boost Lab It Solutions

Boost Lab It Solutions We are providing 360° Facebook Instagram and Tiktok Marketing solutions with awesome eye-catchy customer-driven design

✅ আপনার কি ঝামেলামুক্ত এবং অরিজিনাল ডলার দিয়ে বুস্ট প্রয়োজন? আমরা অরিজিনাল ডলার দিয়ে এবং ফেসবুক ভেরিফাইড এ্যাড ম্যানেজার...
27/05/2022

✅ আপনার কি ঝামেলামুক্ত এবং অরিজিনাল ডলার দিয়ে বুস্ট প্রয়োজন?
আমরা অরিজিনাল ডলার দিয়ে এবং ফেসবুক ভেরিফাইড এ্যাড ম্যানেজার দিয়ে
পেইজে বুস্ট করে থাকি ।
✅ অল্প টাকায় বিদেশী ডলার এবং কুপন ব্যাবহার করে বুস্ট/ প্রোমোট আপনার শখের বিজনেস পেইজটি হারাতে পারেন ।তাই নিশ্চিন্তে ১বার আমাদের সার্ভিসটি নিয়ে যাচাই করে দেখতে পারেন ।

📛আশানুরূপ সেল পাচ্ছেন না?
📛পেজের রিচ খুবই কম?
📛অন্যান্য পেইজের তুলনায় নিজের পেজকে অগোছালো মনে হয়?
📛কষ্টার্জিত টাকার বিজনেস বন্ধ হয়ে ইনভেস্টমেন্ট লস হবার উপক্রম ?
✅সমাধানে পাশে আছে Boostlab it Solution
আমাদের প্রফেশনাল মার্কেটিং টিম বিনামূল্যে আপনার পেইজ এনালাইসিস করে আপনার বিজনেসের সমস্যা Find out করবে ।
এবং সমস্যার যথাউপযুক্ত সমাধান দেবে ।

বিঃদ্রঃ আপনাকে আগে পেমেন্ট করতে হবেনা। আপনার বিজ্ঞাপন Active হওয়ার পর আপনি Confirm হয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন ।

Boost Your business With Boost Lab It Solutions
Your Business Our responsibility

আমাদের দেশে দুইভাবে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রথমত ছোট থেকে ব্যবসা শুরু করে ক্রমে কর্পোরেট গ্রুপে রূপ লাভ করা। দ্বিত...
20/05/2022

আমাদের দেশে দুইভাবে উদ্যোক্তা সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রথমত ছোট থেকে ব্যবসা শুরু করে ক্রমে কর্পোরেট গ্রুপে রূপ লাভ করা। দ্বিতীয়ত উদ্যোক্তাদের উত্তরসুরী হিসেবে কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়া। এ পর্যায়ে যারা পারিবারিক সূত্রে বড় বিজনেসের ভার পান তারা মেধা এবং কৌশলের উপর নির্ভর করে সেটি বড় হতে এবং পরিচালনা করতে থাকে। পক্ষান্তরে যারা শূন্য থেকে শুরু করে ক্রমে বিশাল উদ্যোক্তায় পরিণত হন তাদের থাকে কর্মজীবনে বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা।

একুশ শতকের এই সময়ে ব্যবসায় সম্পৃক্ত হয়ে সফলতা আনয়নের জন্য বেশ কতগুলো বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই শুরু করতে হবে বিজনেস কর্মকান্ড। এ জন্যে প্রথমেই থাকতে হবে শিক্ষা। একই সাথে দেশ বিদেশের বিভিন্ন বিজনেস প্রসঙ্গে ধারণা থাকা প্রয়োজন। কেননা এখন ব্যবসার গন্ডি শুধু দেশ নয়, পুরো বিশ্বই এর সীমারেখা। এরপর উদ্যোক্তা হতে হলে কঠোর পরিশ্রমী হতে হবে। তিল তিল করে গড়ে তোলা বিজনেস এক সময় বিশাল শিল্প সম্রাজ্য করে সাজাতে পরিশ্রমের বিকল্প নেই। এরপর আপনাকে হতে হবে ডায়নামিক এবং চৌকস। কেননা উদ্যোক্তা হতে আপনাকে পিওন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় প্রধানের সাথে পর্যন্ত কথা বলতে হবে। সর্বোপরি আপনাকে হতে হবে হিসেবী।

বিজনেসের প্রতিটা পর্বে নিখুঁত হিসেবী হয়ে গড়ে তুলতে হবে শিল্প কারখানা। এরপর আসতে হবে বিজনেস প্ল্যানে। মানসিকভাবে সক্ষম হবার পর উদ্যোক্তা হতে হলে আপনাকে বিজনেসের ক্ষেত্র নির্বাচন করতে হবে। কোন ব্যবসা আপনি ভাল বুঝেন এবং কোন ব্যবসার সম্ভাবনা ভাল। মনে রাখতে হবে উদ্যোক্তা হতে হলে একটি শিল্প করার পরিকল্পনা নিতে হবে। শিল্প সেটি ক্ষুদ্রও হতে পারে আবার মাঝারিও হতে পারে। আবার যদি আপনার মেধা এবং পুঁজিতে কুলিয়ে ওঠে তবে গড়তে পারেন- বৃহৎ শিল্প কারখানা। সবার আগে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে চাহিদা যোগানের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সমন্বয় করতে হবে। মনে রাখতে হবে সফল উদ্যোক্তা হতে হলে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

আপনি যে প্রডাক্ট বা সার্ভিসের সাথে জড়িত হবেন তা সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নিয়ে এই প্রডাক্টটি জনপ্রিয় করতে এবং গ্রাহকের কাছে আস্থা অর্জন করতে আপনার একান্ত কিছু বিসর্জন দিয়ে হলেও কাজ করে যেতে হবে একাগ্র চিত্তে। আপনার শুধু বিজনেস আইডিয়া থাকলেই হবে না সেটি প্রয়োগ এবং বাস্তবায়নের ক্ষমতা থাকতে হবে। বিভিন্ন বাধা, বিভিন্ন নেতিবাচক অবস্থা থেকে শিক্ষা নিয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে। আর কাজে যে নিষ্ঠ এবং ব্যবহারে যে মার্জিত সে শৃংখলা নিয়ে কর্মকান্ড চালিয়ে গেলে ব্যবসায় সাফল্য আসবেই। তবে এ পর্যায়ে পরিবারের সবার সম্মতি থাকা উচিত। কেননা, একার পক্ষে আপনার সফলভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরিবারের অন্যান্য সদস্য আপনাকে সহায়তা করবে।

💹 আবেগ এবং প্রচন্ড মানুষিক শক্তি

একজন উদ্যোক্তাকে তার কাজের প্রতি প্রচন্ড আবেগী এবং মানুষিক ভাবে দৃঢ় থাকতে হয়। এ সম্পর্কে এ্যলিকো ড্যানগোট এর একটি চমৎকার মন্তব্য আছে ‘‘আবেগ তাই যা আমাকে সামনে নিয়ে যায়। কাজের প্রতি আমার আবেগই আমাকে রাত ২টায় বিছানায় এবং ভোর ৬টায় ঘুম থেকে কাজের দিকে মনোনিবেশ করতে তাড়িত করে”।

💹 দায়িত্বজ্ঞান সম্পন্ন

একজন সফল উদ্যোক্তা দায়িত্ব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভালোবাসে। কোন ভুল হলে সে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয় এবং সহকর্মীর উপর দোষ চাপাতে পছন্দ করে না। এ প্রসঙ্গে স্টিভ জবসের একটি উক্তি আছে “কখনও নতুন কাজ শুরু করেছ, ভুল হতেই পারে। সবচেয়ে ভালো ভুল কাটিয়ে উঠতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া এবং কাজের প্রতি মনোনিবেশ করা”।

💹 নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখা

নিজের প্রতি বিশ্বাস এবং আস্থাশীল হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সে বিশ্বাস অজর্ন করতে হবে যে সব বাধাঁ অতিক্রম করে আপনিই আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাবেন। বিশ্বাসের অভাব হলে কোন কিছুই সফল ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না।

💹 অধ্যবসায়

কাজের প্রতি অটল থাকা, ধারাবহিক কাজের প্রতি নিষ্ঠাবান হওয়া, কাজে সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করাই একজন সফল উদ্যোক্তার লক্ষ্য। সফল হতে গেলে অধ্যবসায়ের কোন বিকল্প নেই।

💹 লক্ষ্য স্থির করা

একজন সফল উদ্যোক্তা তার লক্ষ্যের প্রতি স্থির থাকেন এবং লক্ষ্য মাথায় রেখে সুনির্দিষ্ঠ কিছু কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। লক্ষ্যবিহীন কোন কাজেই সফলতা আসে না।

💹 ধৈর্যশীল হওয়া

প্রতিটি কোম্পানিকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। একজন সফল উদ্যোক্তা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল থাকে এবং খুব শান্ত স্বভাবে পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

💹 ঝুঁকি নেয়ার মানুষিকতা

জে পাওয়েল গেটি এর এমন একটি উক্তি আছে “আপানাকে অবশ্যই আপনার নিজস্ব এবং লোনের অর্থ দিয়ে বিনিয়োগ করতে হবে। ঝুঁকি ব্যবসায়কে চালিয়ে নেয়ার জন্য সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়”।

💹 কৌশলী হওয়া

আজকের এই প্রতিযোগিতা মূলক বাজারে ব্যবসায়ে ভালো করতে হলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কোন সময় কিভাবে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করতে হয়। কখন কি পন্য বাজারে চাহিদা তৈরি করে, অন্য কোম্পানি থেকে কিভাবে আলাদা হওয়া যায় এসব বিষয়ে কৌশলী হতে হয়।

💹 ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন

একজন সফল উদ্যোক্তা তার ব্যক্তিগত অবস্থানের প্রতি অনেক বেশী সর্তক থাকেন। এ সম্পর্কে ওয়ারেন বাফেটের একটি উক্তি আছে “সুনাম অর্জন করতে হয়তো বিশ বছর লাগে কিন্তু মাত্র পাঁচ মিনিটই যথেষ্ঠ তা ক্ষুন্ন করার জন্য। কেউ যদি এভাবে চিন্তা করে তবে সে আলাদা কিছু করবে”।

এবার ভাবুন, নিজের মনকে স্থির করুন। কি ভাবে শুরু করবেন তার একটা প্ল্যান তৈরী করুন। সেই প্ল্যান মাফিক কাজে মনেনিবেশ করুন। চার পাশেরর অসংখ্য মানুষ কত বড় বড় অসাধ্য সাধন করছে আর আপনি একটা ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন না? নিজের ভেতরের মানুষটাকে জাগিয়ে তুলুন।

বর্তমানে যে কোন ব্যবসায় সফল হতে হলে নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে মনযোগ দিতে হবে। এখানে দুই ধরণের ব্র্যান...
19/05/2022

বর্তমানে যে কোন ব্যবসায় সফল হতে হলে নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে মনযোগ দিতে হবে। এখানে দুই ধরণের ব্র্যান্ড হতে পারে। ১. ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে ব্র্যান্ডিং করা ২. ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিসকে ব্র্যান্ডিং করা।

নিজেকে ব্যক্তি হিসাবে ব্র‍্যান্ডিং করতে পারলে সেটা ব্যবসার জন্য খুবই লাভজনক। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির উদ্যোক্তারা যেমন মার্ক জাকারবার্গ, জেফ বেজোস, বিল গেটসসহ অনেকেই নিজেকে ব্র‍্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নিজেকে ব্র‍্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আপনার কিছু গুণ লাগবে। যেমন- প্রেজেন্টেশন স্কিল, তাৎক্ষণিক উত্তর দেওয়ার স্কিল, স্মার্টনেসইত্যাদি। এজন্য আপনাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে হবে এবং ভিডিও তৈরি করতে হবে। আপনার ভক্তদের বিভাগে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এমনভাবে উত্তর দিতে হবে যাতে মানুষ আপনার কথায় কনভিন্স হয়। এভাবে আপনাকে কন্টিনিউ করতে হবে। একসময় দেখবেন মানুষ আপনার কথায় বিশ্বাস করছে এবং আপনার ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এর ফলে আপনার ব্যবসার পণ্য বা সার্ভিসের বিক্রি অনেক বেড়ে যাবে।

👉 প্রথমত, সাফল্যের কোন জাদুমন্ত্র নেই! সফলতা সহজে আসে না কিন্তু এটা অসম্ভবও না, একজন সফল মানুষ সফল হতে এবং সোনালী ভবিষ্য...
19/05/2022

👉 প্রথমত, সাফল্যের কোন জাদুমন্ত্র নেই! সফলতা সহজে আসে না কিন্তু এটা অসম্ভবও না, একজন সফল মানুষ সফল হতে এবং সোনালী ভবিষ্যত পেতে হলে দরকার ভালো পরিকল্পনা!

👉আপনি সবকিছু পেতে পারেন, একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্য আপনার যা কিছু দরকার, আপনার সবকিছুই আছে, এটি সত্যিকারের হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করুন! ট্রাস্ট সিস্টেম আপনার বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনার যোগ্যতা এবং ক্ষমতা বিশ্বাস করুন।

👉 ব্যর্থতা, প্রতিকূলতা এবং বিরোধিতা সত্ত্বেও আপনার স্বপ্নকে কখনও হাল ছাড়বেন না! সন্দেহ বা ভয়কে আপনার স্বপ্নকে পরাভূত করতে দেবেন না।

👉প্রতিদিন একটি সোনালী ভবিষ্যত পেতে স্বপ্ন দেখতে ! স্বপ্নের সাহায্যে, নিজের জন্য একটি বিলাসবহুল জীবন তৈরি করুন! যখনই কেউ আপনাকে বলে যে আপনার স্বপ্ন / আপনার লক্ষ্য অসম্ভব, তখন আপনার ভিতরে লুকানো শক্তির জোরে, আপনি এটিকে সবার সামনে সত্য করে তুলুন!

👉নিজেকে সম্মান করুন! আপনার লক্ষ্যকে সম্মান করুন, আপনার জীবনকে সম্মান করুন!

👉যখন আপনার একটি পরিষ্কার স্বপ্ন/লক্ষ্য, একটি পরিষ্কার দৃষ্টি এবং ধারাবাহিকতার গুণ থাকে, সময় এবং ধৈর্য আপনার সঙ্গী হয়ে ওঠে!

👉প্রতিটি চেইন একটি প্রাকৃতিক প্রবাহ আছে. বিলম্বের অভ্যাস এড়িয়ে চলুন!
আত্মবিশ্বাস খুব গুরুত্বপূর্ণ, এটা কোন বর দিয়ে কাজ করে না!

👉অন্যকে বিশ্বাস করবেন না! লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য, আপনাকে নিজের পথ তৈরি করতে হবে, আপনার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে! আপনি যা কিছু করেন তার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব রাখার চেষ্টা করুন! আপনাকে আরও ভাল হওয়ার জন্য কঠোর চেষ্টা করতে হবে!

👉আপনার প্রয়োজন হলে সাহায্যের জন্য জিজ্ঞাসা করুন! আপনার ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক লক্ষ্য নির্বাচন করুন ! কৃতিত্ব আপনার জন্য একটি মাইলফলক বিবেচনা করুন!

👉আপনি এই অমূল্য জীবনের বিস্ময়কর যাত্রা অব্যাহত রাখুন. আপনার জীবনের অসুবিধাগুলি উপহারের চেয়ে কম নয়!

👉বিশ্বাস করুন আপনি আপনার ভাগ্যের মালিক এবং আপনি নিজের ভবিষ্যত নিজেই তৈরি করেন। আপনি নিজের জাহাজের ক্যাপ্টেন!

👉আপনার স্বপ্নের পিছনে দৌড়ান, কখনও হাল ছাড়বেন না! প্রতিটি চ্যালেঞ্জ একটি সুযোগ!

👉 আপনার মনোভাবই ঠিক করবে আগামীর সময়ে আপনি কত বড় এবং কতটা সাফল্য পেতে চান!

👉মনে রাখবেন আপনি যদি খেলায় না থাকেন তবে আপনি জিততেও পারবেন না! আপনার একটি বড় সাফল্য এক ঝটকায় আপনার সমস্ত ব্যর্থতা শেষ করে দেয়!

👉এই পৃথিবীতে সফল হতে হলে আপনাকে একাই ভ্রমণ করতে হবে। কাফেলা, বন্ধু এবং শত্রু প্রায়ই সাফল্যের পরেই গঠিত হয়!

বাঙালী জাতি হিসেবে একটু আধটু নয় বেশ বড় ধরনের ইমোশনাল আমরা। আর যাই হোক সহজে বিশ্বাস যোগ্যতার কারনে ইমোশন ব্যাপারটা আমাদের...
18/05/2022

বাঙালী জাতি হিসেবে একটু আধটু নয় বেশ বড় ধরনের ইমোশনাল আমরা। আর যাই হোক সহজে বিশ্বাস যোগ্যতার কারনে ইমোশন ব্যাপারটা আমাদের মধ্যে খুব সহজে প্রভাব বিস্তার করে। আর সেটাকে একটু দক্ষতার সাথে কাজে লাগাতে পারলে মার্কেটিংয়ে সফলতা পাওয়া খুব কঠিন কিছু নয়। তবে অবশ্যই কাজটি নির্ভুল হওয়া চাই। সেই সাথে সাবধানতা ও দক্ষতার সাথে করতে হবে কাজটি।

কর্পোরেট এবং রিটেইল মার্কেটিং উভয় ক্ষেত্রেই ইমোশন কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করাটা বেশ কার্যকর। আর ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরীর ক্ষেত্রে ইমোশোনাল প্রসার কার্যক্রমে সফলতা বেশী পাওয়া যায়। প্রতি ঈদের আগে প্রচারিত গ্রামীন ফোনের ’স্বপ্ন যাবে বাড়ী আমার’ গানের সাথে প্রচারিত বিজ্ঞাপনটির কথা মনে আছে নিশ্চয়। ভুলে যাবার কথা নয়। কারন এই বিজ্ঞাপনটি যে পরিমান ইমোশনাল ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরী করেছে তা অকল্পনীয়। ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দের সাথে যত দূরে যান সাথে থাকুন। আপনার ইমোশনকে সঠিক প্রক্রিয়ায় কাজে লাগিয়ে ব্যবসা জমজমাট।

কাজলের ভাত বিক্রি(বাংলালিংক) , মাঝির বেটার শিক্ষা(বিজিএমইএ), ইয়োর কান্ট্রি বিল্ডিং মাই মাই কান্টির সিমেন্ট, (ক্রাউন সিমেন্ট), আমি যখন জিতে যাই জিতে যায় মা (ফ্রেস ফুলক্রিম মিল্ক পাউডার), আমরা পৃথিবীটাকে জানতে চাই, পড়ালেখা করে বড় মানুষ হতে চাই (গুডলাক বলপেন), আব্বা হেলিকপ্টার কিনে দিবে (মাইক্যাশ), খেটে খাওয়া দু হাত আর দুপা (ভ্যাসলিন) এমন অসংখ্য ইমোশনাল বিজ্ঞাপন শুধু মাত্র মানুষের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে মার্কেট শেয়ার দখল করে চলেছে। ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে আপনি ক্রেতার গ্যাপ পার্টনার হতে পারলে সফলতা পাওয়ার রাস্তাটা সহজ হয়ে যাবে।

আপনি ক্রেতার কাছে আপনার সফলতার চেয়ে প্ররিশ্রমী ও উদ্যোমী মানুষ হিসেবে পরিচিত পারলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই আপনাকে উপস্থাপন করতে পারেন সেক্ষেত্রে সেলস নিয়ে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। সমস্ত বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় অনুভুতি সেলসের ক্ষেত্রে বেশ বড় একটা প্রভাব বিস্তার করে আছে। এ্যারোমেটিক বিউটি সোপের কথা মনে আছে কি? ‍শুধুমাত্র ১০০ ভাগ হালাল সোপ কথাটি ব্যবহার করে মার্কেটের অধিকাংশ শেয়ার দখল করেছিল কোম্পানীটি। এবং সেটি সম্ভব হয়েছিল শুধুমাত্র রিলেজিয়াস ইমোশন থেকে।

আমাদের দেশে যে সমস্ত হারবাল পন্যের হকারের দেখা পাওয়া যায় তারা আসলে ঠিক কতটুকু পরিমান সেবা বিক্রি করছে তা একটু খানি চিন্তা করলে আমার থেকে আপনি ভাল বুঝতে পারবেন। শুধুমাত্র মানুষের ইমোশনকে পুঁজি করে তারা ব্যবসায় করে চলেছে। আর মাজার পূজারী ভন্ডদের কথা না হয় নাই বললাম।

সত্য সুন্দর উপস্থাপনায় আপনি একজন মানুষের ফোকাস আপনার পণ্যের দিকে ধাবিত করতে পারলেই ব্যবসায়িক সফলতা। মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার ব্যাক্তিগত বিষয় সম্পর্কে জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে ক্রেতার ধ্যান ধারণা বিশ্বাস মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে হবে। শুধুমাত্র ক্রেতার পছন্দ অপছন্দ নয় তার ব্যাক্তিগত বেশ কিছু সহজ বিষয়ও কৌশলে জেনে নিতে হবে। বিষয়টি আরও একটু পরিস্কার করি। একজন ক্রেতার সাথে ব্যবসায়িক লেনদেনের সম্পর্ক সৃষ্টিই আপনার মূখ্য উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ নয়।

মানবিক, স্পর্শকাতর ও ভালবাসার দিকগুলোও বিবেচনায় রাখতে হবে আপনাকে। এটা একটি সফট কর্ণার। ক্রেতার সাথে পরিচয়ের প্রথম দিকে পারলে তার পরিবার সম্পর্কে জেনে নিন। নিয়মিত খোঁজ খবর করুন তাদের সুস্থ্যতা, পড়াশুনা সহ অন্যান্য ইতিবাচক দিকগুলো কেমন চলছে সে বিষয়ে। কোন সমস্যায় থাকলে সাহায্য করার চেষ্টা করুন একান্ত না পারলে সমাধানযোগ্য পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করুন। তাকে আশ্বস্ত করুন আপনি তার পাশে আছেন যে কোন বিপদে।

আপনার প্রতি আপনার ক্রেতার মনে একটা সফট কর্ণার সৃষ্টি হবে। আপনাকে তাদের পরিবারেরই একজন মনে করতে শুরু করবে। ইতিবাচক সফলতার সাথে সেলস বাড়তে থাকবে। ক্রেতার কাছে আপনার ব্যক্তিগত একটা সুন্দর ইমেজ তৈরী হবে, গ্রহন যোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতা আপনার প্রতিযোগীর পন্যের থেকে আপনার পন্যে বেশী বিশ্বাসযোগ্যতা পাবে। এবং সেটা শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিক রিলেশনের উপরেই।

ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার জন্য মার্কেট থেকে তাড়াতে কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছে। আবার...
18/05/2022

ব্যবসা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন কিন্তু জানেন না আপনার জন্য মার্কেট থেকে তাড়াতে কোন ধরনের অস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছে। আবার অনেকেই ব্যবসায় পরিচালনা করছেন কিন্তু প্রতিযোগীদের কৌশলের কাছে কোন ভাবেই ব্যবসায়কে এগিয়ে রাখতে পারছেন না। আপনি সহজ ও সরল ভাবে ব্যবসায় করতে মার্কেটে আসছেন। আর আপনার প্রতিযোগী সেই মার্কেটের দখল নিয়ে অলরেডী ব্যবসা করছে।

একটা কথা আছে অবস্থান কেউ কাউকে করে দেয় না। নিজের অবস্থান নিজেকেই নির্ধারন করে নিতে হয়। প্রতিযোগীর কাছ সহযোগীতার আশা করা বৃথা হবে। আপনার প্রতিযোগীকে অনুসরন না করে কৌশলে বাজার অংশ দখল করতে পারাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। আর আপনাকে এজন্য বাজারে থাকা আপনার পন্যের প্রতিযোগী বিশ্লেষন করতে হবে খুব সুক্ষ দৃষ্টিতে।

বাজারে আপনি যে সকল পন্য বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন একই পন্য আগে থেকে অনেকেই বাজারজাত করছে। আপনার থেকে তার অভিজ্ঞ। সে ক্ষেত্রে আপনার পন্যটির অবস্থান খুব সুদৃঢ় হতে হবে। না হলে মার্কেটে প্রবেশের কিছু দিনের মধ্যে আপনাকে বিদায়ের ঘন্টা বাজাতে হবে।

একটি বাজারে বেশ কিছু প্রতিযোগী পাবেন। যাদের একটি পক্ষ বাজারের খুব বড় অংশ দখল করে নিয়ে মার্কেট লিডার হিসেবে বাজারে অবস্থান করছে। তারই খুব কাছাকাছি কোন কোম্পানী বাজারের সেই বড় অংশ দখলকারী মার্কেট লিডারকে পেছনে ফেলার জন্য প্রতিনিয়ত ধাওয়া করছে। সেই সাথে বাজারে আরও কিছু ছোট ছোট কোম্পানীর দেখা পাবেন যারা নীরবে তাদেরকে দেখছে। তাদের কৌশলগুলো পর্যবেক্ষন করছে। সেই সাথে নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে বাজারে নিজের অবস্থানকে শক্ত করছে।

বাজারে প্রবেশ ও আপনার পন্যের বাজার অবস্থান তৈরীর জন্য মার্কেটে প্রবেশের আগে-পরে বাজার ও প্রতিযোগী বিশ্লেষনের ‍কাজ করতে হবে। আপনি যদি চিন্তা করেন বাজারে দশ বা পনেরটি পন্য বাজারজাত করবেন দেশ ব্যাপী তবে অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে সবকটি পন্যই সব স্থানে সব সপরিমান বাজার অংশ দখল করতে পারবে না। কোন কোন স্থানে এমন হবে যে আপনার কোন একটি পন্য নুন্যতম বিক্রয় নাও হতে পারে। আবার অন্য কোন স্থানে সেই পণ্যেরই ব্যাপক চাহিদা পেয়ে যেতে পারেন।

আপনার প্রতিযোগী আপনার সমজাতীয় পন্য কি দামে বিক্রয় করছে? বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিলার অথবা ক্রেতাকে কি কি অফার প্রদান করছে? কোন একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করছে? বিক্রয় পরবর্তী সেবার মান কেমন? ক্রেতা কেন তার পন্যটি বাজারে এসে খুজছে? ক্রেতা কেন সন্তুষ্ট আপনার প্রতিযোগীর পন্যটি ব্যবহার করে? আপনার প্রতিযোগীর পন্য ও আপনার পন্যের মধ্যে পার্থক্য কোথায়? ক্রেতা যা চায় তা কি আপনার পণ্যে আছে? খুঁজুন প্রশ্নগুলোর উত্তর।

মার্কেট থেকে প্রাপ্ত সঠিক উত্তরের বিশ্লেষন করুন এবং সেই হিসেবে আপনার সামর্থ্য বিবেচনা করে কৌশল নির্ধারন করুন। কৌশল নির্ধারনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় সব সময় মাথায় রাখবেন। আপনি অন্যের কৌশল কপি বা অনুকরন করবেন না। নিজেই কৌশল উদ্ভাবন করবেন। অন্যদের কৌশল বিচার বিবেচনা করে আপনি ধারনা নিতে পারেন।

বাজারে প্রবেশের নির্ধারিত কৌশল ধরে রাখুন। এক ধাপে নয় কয়েক ধাপে পরিকল্পনা করুন। একটি স্থায়ী পরিকল্পনার সাথে সাথে কয়েকটি অস্থায়ী পরিকল্পনা করে রাখুন। সততার সাথে সুনাম অর্জনের জন্য ব্যবসা পরিচালনা করুন। আপনার পন্যকে ব্রান্ডে পরিনত করতে খুব বেশী সময় লাগবে না।

Success Story For Today মুক্তা আক্তারের পরিচয় এখন ‘খাদিরানী’। তিনি দেশীয় পণ্যের উদ্যোক্তা। তবে মুক্তা থেকে খাদিরানী হয়ে ...
18/05/2022

Success Story For Today
মুক্তা আক্তারের পরিচয় এখন ‘খাদিরানী’। তিনি দেশীয় পণ্যের উদ্যোক্তা। তবে মুক্তা থেকে খাদিরানী হয়ে ওঠার গল্পটা মোটেও সহজ ছিল না। এর জন্য তাকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়েছে। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছেন মুক্তা। তখন ৫ম শ্রেণিতে পড়েন। তখনো তেমন বুঝতেন না বাবা হারানোর ব্যথা। এখন যতই বড় হচ্ছেন, ততই বুঝছেন বাবা হারানোর পর কী কষ্ট করতে হয়। বাবা মারা যাওয়ার পর চার ভাই, তিন বোনের বিশাল সংসার আগলে রেখেছেন মা রৌশনআরা খন্দকার।

মুক্তা আক্তারের জন্ম সীমান্তবর্তী কুমিল্লার বিবির বাজারে। বর্তমানে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করার জন্য ব্যবসা করবেন বলে ঠিক করেন। কিন্তু কী ব্যবসা করবেন, তা ভেবে উঠতে পারছিলেন না। শেষে নিজের টিউশনির ২৩৭০ টাকা দিয়ে অনলাইনে খাদি কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। ১ বছরে তার মোট বিক্রি দাঁড়ায় ১২ লাখ টাকার উপরে।

মুক্তা আক্তার বলেন, ‘টিউশন করে নিজের পড়ার খরচ বহন করতাম। সেই টিউশনির টাকাকে পুঁজি হিসেবে কাজে লাগিয়েছি। শুরুতে আমার পরিবারের সাপোর্ট পাচ্ছিলাম না। লুকিয়ে লুকিয়ে কাজ করতে হয়েছে অনলাইনে। এরপর যখন বিক্রি বাড়তে থাকলো; তখন পরিবার আমাকে সাপোর্ট দেওয়া শুরু করলো।’ তিনি বলেন, ‘তবে এ ক্ষেত্রে বড় সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে ফেসবুক ভিত্তিক ই-কমার্স গ্রুপ।

গ্রুপটি আমাকে সাধারণ থেকে অসাধারণ করে তুলেছে। সে কারণেই আজ সবাই খাদিরানী বলেই চেনে।’ খাদি নিয়ে কেন কাজ শুরু করলেন এমন প্রশ্নের জবাবে মুক্তা বলেন, ‘খাদি প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পথে। আমাদের কুমিল্লার ঐতিহ্য এভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে পারেন না তাঁতিরা। অনেকে কাজও বন্ধ করে দিয়েছেন।

যদি এমন হতে থাকে, তাহলে অচিরেই খাদি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তাই কুমিল্লার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে আমার এ উদ্যোগ।’ তিনি আরও বলেন, ‘খাদি নিয়ে কাজ করার জন্য প্রথমে কুমিল্লার তাঁতিদের সাথে কথা বলি। তাদের কারখানায় যাই। গিয়ে খুব হতাশ হই। খুব অল্প সংখ্যক তাঁতি কাজ করছেন। অনেকে বলেছেন, আপনারা কাজ দিলে করতে পারবো।

কিন্তু তখনো আমি নতুন। বুঝতে পারছিলাম না যে, কী করবো। তবুও সাহস নিয়ে কাজ শুরু করলাম।’ তিনি মনে করেন, খাদি নিয়ে কাজ করলে অনেকের কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। প্রান্তিক মানুষের অর্থনীতির স্বাধীনতা দিতে পারে। আর খাদি কাপড় শতভাগ পরিবেশবান্ধব। এ কাপড় তুলার তৈরি এবং সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত। তাই খাদি কাপড় স্বাস্থ্যকর। খাদি কাপড় টেকসই।’

মুক্তা বলেন, ‘খাদি কাপড় গরমে ঠান্ডা এবং শীতে উষ্ম অনুভূতি দেয়। সর্বোপরি এটি বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনবে। আমি খাদি নিয়ে কাজ করার পর কুমিল্লা থেকে মিনিমাম ৫০ জন উদ্যোক্তা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে খাদি নিয়ে কাজ করছেন। ফলে কুমিল্লার খাদি তাঁতিরা অনেকে এগিয়ে এসেছেন।’

খাদি নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা হচ্ছে- খাদিতে বিভিন্ন ধরনের ফিউশন আনা। শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তিসহ অনেক আইটেম নিয়ে কাজ করা। সফলতার একটাই সূত্র, লক্ষ্য ঠিক করে লেগে থাকা আর পরিশ্রম করা। খাদি নিয়ে বিশ্ব দরবারে জায়গা করে নেওয়াটাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমরা অনেকেই বারংবার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি এমন মানুষের সংখ্যা...
18/05/2022

উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য আমরা অনেকেই বারংবার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েও লেগে থাকতে পারেননি কিংবা মাঝপথে এসে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন এমন সংখ্যাও কম নয়। ব্যবসায় নেমে আমাদের ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পেছনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারাটা সবচেয়ে বড় হুমকি স্বরুপ।

কোন ব্যবসায়ের শুরুতে বাজার পর্যালোচনা ও সঠিক মাত্রায় ঝুঁকি নিরুপন করতে না পারাটা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা। যে কোন ব্যবসায়ের শুরুতে কিছুটা সময় নষ্ট করুন। ভাল করে জানার চেষ্টা করুন আপনি কি করতে যাচ্ছেন। আর সে বিষয়ে আপনার কতটা দক্ষতা আছে। যদি সে বিষয়ে আপনার জনার সল্পতা থাকে তবে চেষ্টা করুন সম্পূর্ণ বিষয়টি ভাল ভাবে আয়ত্তে আনার জন্য। অনুমান নির্ভর করে কোন কাজ করবেন না।

অনুমান ভিত্তিক কোন কাজ করলে তার ফলাফল আপনার জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। আপনার উদ্যোগকে কবরে পাঠানোর জন্য আপনার অনুমানই যথেষ্ট। যখন আমরা কোন পরিকল্পনা করতে শুরু করি, ভাবি আমি এ বিষয়টি নিয়ে কাজে নামলে সফলতা পেতে সময় লাগবে না। এই ব্যবসায় পরিকল্পনা সবার থেকে ভিন্ন। আমার পরিকল্পনাই সর্বশ্রেষ্ঠ পরিকল্পনা। এটাতে আমি সফল হব। আর বাজারে আমার প্রতিদ্বন্দীরা ছিটকে যাবে। আমার সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে পারা সহজ হবে না কারও পক্ষে।

একবার ভাবুন। আপনার প্রতিযোগী আপনার থেকে কম বুদ্ধিমান নয়। আপনার থেকে তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতাও বেশী। আর কৌশলের কথা যদি বলি তো আপনি কার কাছে শুধুমাত্র বাচ্চা শিশু। আমরা যখন কোন পরিকল্পনা করা শুরু করি শুধু পজেটিভ দিক, না হয় তো শুধু নেগেটিভ দিক দেখতে থাকি। কিন্তু নেগেটিভ পজেটিভ দুটো বিষয়কে ব্যালেন্স করতে পারি না। যার ফলাফল হয় হ্যা নয় তো না। ভুলটা শুরু হয় এখান থেকেই।

আপনার কাছে কতটুকু সামর্থ্য আছে, কতটা সুযোগ আছে তা বিবেচনা করেন না। কতটা ঝুঁকি আপনার জন্য রয়েছে কিংবা আপনি কতটা হুমকির মুখে পড়তে পারেন তার হিসেব করেন না। যখন যে বিষয়টা নিয়ে পরিকল্পনা করেন মনে হয় সেটাই সবচেয়ে লাভবান। মোহ বুঝেন তো। মোহে পড়লে নাকি হুস জ্ঞান থাকে না। ঠিক আপনার অপার সম্ভাবনার পরিকল্পনার মোহ আপনাকে কখন যে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে সেটাও জানেন না।

নিজেকে দক্ষ হিসেবে তৈরী করুন আপনি যে ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন তার জন্য। আপনি নিজে দক্ষ না হলে অন্যের কাজের ফাঁকিবাজি কখনও ধরতে পারবেন না। আপনাকে ঠকিয়ে অন্যকেউ আপনার লাভের গুড় নিয়ে যাবে। দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিজেকে তৈরী করতে হবে। পরিশ্রম করতে হবে দিনরাত। কোথা থেকে কিভাবে কোন কাজটি হয় সে সম্পর্কে আপনাকে সঠিক ভাবে জানতে হবে। আপনি জুয়া খেলার মত অনিশ্চিত কোন কিছু করতে আসেন নি। যে রাতারাতি বড় হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখবেন। আপনি সততার সাথে ব্যবসা করতে আসছেন এটা সব সময় মনে ধরে রেখে সে অনুযায়ী কাজ করুন।

বাস্তবততার নিরিখে পরিকল্পনা করে কাজ করুন। খুঁজে খুঁজে বের করুন আপনার সুযোগ ও ঝুঁকি। জানার চেষ্টা করুন কিভাবে ঝুঁকি মোকাবেলা করে আপনি আপনার গন্তব্যে পৌছাবেন। অনুমান ভিত্তিক কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি নেওয়াটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই হবে না। আপনার একটা সঠিক সিদ্ধান্ত আপনার আগামীকে উজ্বল করবে। আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিবে। আপনার পরিবার সহ আরও কিছু মানুষের সাপোর্ট হবে। সুতরাং আরও বেশী সাবধানতা অবলম্বন করুন। প্রত্যাশার সাথে বাস্তবতার ব্যালেন্স করে জেনে বুঝে দক্ষতার সাথে বিনিয়োগ করুন যে কোন ব্যবসায়।

লেখক:
মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ

কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়সফল হতে হলে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় জানতে হবে। সফল উদ্যোক্তার জীবনী পড়ার দ্বারা, ...
17/05/2022

কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়

সফল হতে হলে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় জানতে হবে। সফল উদ্যোক্তার জীবনী পড়ার দ্বারা, সহজেই সফল হওয়ার মূলমন্ত্র জানা সম্ভব। আমাদের অনেকের স্বপ্ন একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া। কিন্তু সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে, অনেকেই ব্যর্থ হয়ে যান।
জীবন বৈচিত্র্যময় আর এই বৈচিত্র্যময় জীবনকে উপভোগ করার অবিশ্বাস্য কাজ হল উদ্যোক্তা হওয়া। আপনার নিজের ব্যবসায়ের মালিকানা, আপনাকে ব্যক্তি স্বাধীনতা দিবে। সফল উদ্যোক্তা হলে হতে পারবেন অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা।
একজন সফল উদ্যোক্তা হলে অবশ্যই কিছু গুণ থাকা জরুরি। এসব গুণ এবং বৈশিষ্ট্য যদি আপনার মাঝে নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে একজন সফল উদ্যোক্তার তালিকায় নিজের নাম লিখতে পারবেন। তাহলে কথা না বাড়িয়ে, মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

👉দেখা ও শেখা
কোন বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকলে, সে বিষয়ে সফল হওয়া অসম্ভব। পৃথিবীতে যত সফল উদ্যোক্তা আছে, তাদের প্রত্যেকেই হয় অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছে না হয় বই পড়ে শিখেছে। তাই তো সফল উদ্যোক্তা এবং পৃথিবীর সেরা ধনী বিল গেটস, প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে ৫টি বই পড়ার কথা বলেছেন। যথা:
Mindset: The New Psychology of Success (Carol Dweck)
Where Good Ideas Come From: The Natural History of Innovation (Steven Johnson)
Business Adventures (John Brooks)
Steve Jobs (Walter Isaacson)
The Black Swan: The Impact of the Highly Improbably (Nassim Taleb)
অভিজ্ঞতা থেকে শেখার পরিবর্তে, অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে চেষ্টা করুন। এর ফলে আপনাকে আর কষ্ট কিংবা টাকা হারাতে হবে না।

👉উদ্ভাবনী হন
ব্যবসায়ের পরিবেশ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। যেই কলা-কৌশল গতকাল কাজ করেছে, হতে পারে সে কলা-কৌশল আগামীকাল কাজ করবে না। নিজেকে কোন কিছুতে স্থির রাখা যাবে না। প্রতিনিয়ত নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন।
বক্সের বাহিরে চিন্তা করার চেষ্টা করুন। বাজরে কখন কিসের চাহিদা থাকে, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যুগের সাথে নিজের ব্যবসাকে তাল মেলানোর চেষ্টা করুন। পৃথিবীতে অনেক বিখ্যাত ব্রান্ড অকেজো হয়ে গিয়েছে, শুধু মাত্র তাদের স্থিরতা ও যুগের সাথে তাল না মেলাতে পারার কারণে।

👉ঝুঁকি নিন এবং সুযোগের সদ্ব্যবহার করুন
মানুষ সাধারণত ঝুঁকি বিমুখ। কিন্তু একজন উদ্যোক্তার মধ্যে যদি এই বদগুণ থাকে তাহলে তার উদ্যোক্তার পথে না হাটাই ভাল। ঝুঁকি উদ্যোক্তার জীবনের একটি অংশ। তবে, সব ধরণের ঝুঁকি নেয়াটা সবসময় উচিত নয়।
একজন সফল উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় গুণ হল, সে জানে কোন ঝুঁকি নিতে হবে এবং কোন ঝুঁকি নেয়া উচিত নয়। ঝুঁকি নেয়ার পূর্বে অবশ্যই সেই বিষয়ে অ্যানালাইসিস করুন। অ্যানালাইসিস করার সময় বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। যথা:
ঝুঁকি সনাক্ত করা। নির্দিষ্ট ঝুঁকির জন্য সম্পদের দুর্বলতা মূল্যায়ন করা। সম্পদের উপর সম্ভাবনা, আক্রমণের এবং ফলাফলের পরিমাণ নির্ধারণ। ঝুঁকি কমানোর উপায় চিহ্নিত করা। যখন কোন বিষয়ে ঝুঁকি কম থাকবে এবং লাভের পরিমাণ বেশি থাকবে, তখন বুদ্ধিমানের কাজ হল ঝুঁকি নিয়ে নেয়া। সুযোগে সদ্ব্যবহার করাটা উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় গুণ।

👉লক্ষ্যকে ভিজ্যুয়ালাইজ করুন
আপনার লক্ষ্য যদিও সফল উদ্যোক্তা হওয়া। কিন্তু এটা সঠিক লক্ষ্য নয়। উদাহরণস্বরূপ দেখুন, নিচের কোনটি আপনার লক্ষ্যকে ভালভাবে প্রদর্শন,আমি সফল উদ্যোক্তা হতে চাই । গ্রাহকদের নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধান করতে পারে, এমন বিষয়ের উপর কাজ করে সফল উদ্যোক্তা হতে চাই।
উপরের দুটি অপশনের মধ্যে ২য়টি কিন্তু খুব ভালভাবে আপনার লক্ষ্যকে প্রকাশ করে। সফল উদ্যোক্তা হবে কিন্তু সেটা কিভাবে হবেন, সেটা নির্ধারণ করা জরুরি। আপনার লক্ষ্য পূরণের ধাপগুলো ভিজ্যুয়ালাইজ করার চেষ্টা করুন।

👉মূলধনের উৎস নির্ধারণ
একজন নতুন উদ্যোক্তার জন্য সাধারণত দুটি মাধ্যম থেকে মূলধন সংগ্রহ করা যায়। যথা: আভ্যন্তরীণ উৎস: নিজস্ব তহবিল, পারিবারিক সঞ্চয়, আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সঞ্চয় ইত্যাদি।
বাহ্যিক উৎস: ব্যাংক ঋণ, সরকারি ঋণ, শেয়ার বাজার ইত্যাদি। একজন নতুন উদ্যোক্তা হিসাবে আপনার মূলধনের উৎস নির্ধারণ করুন। ব্যাংক লোণ নিলে আপনাকে অতি উচ্চ মাত্রায় সুদ দিতে হবে, যা কিনা প্রাথমিক অবস্থায় আপনার জন্য বড় বাঁধা। তাই চেষ্টা করুন আভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মূলধন জোগাড় করা। আর বাহ্যিক উৎস হিসাবে সরকারি ঋণের খাতকে নির্বাচন করতে পারেন।

👉গ্রাহক নির্ধারণ এবং অভিযোগ গ্রহণ করুন
আপনার ব্যবসায়ের গ্রাহককে তা সঠিক ভাবে নির্বাচন করুন এবং মার্কেটিং করুন। যেমন আপনি শিশুদের জন্য পণ্য তৈরি করেন। এর অর্থ এই নয় আপনার গ্রাহক শিশু। বরং আপনার পণ্য শিশুদের জন্য হলেও মূল গ্রাহক কিন্তু শিশুর পিতা-মাতা। সুতরাং, এই ভাবে গ্রাহক নির্ধারণ করে কাজ করুন।
ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অন্যতম নিয়ম হল গ্রাহকে অভিযোগ শোনা। অভিযোগগুলো গুরুত্ব সহকারে নিয়ে যদি সে অনুযায়ী কাজ করনে। তাহলে দ্রুত গ্রাহক সন্তুষ্টি পাবেন এবং সফল হতে পারবেন।

👉শেষ কথা
উপরে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে হলে করনীয় কিছু গুণ ও কাজের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসব গুণ ছাড়া আরও অনেক গুন রয়েছে যা একজন সফল উদ্যোক্তার থাকা উচিত। কিন্তু উপরে উল্লেখিত গুন ও কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে।

নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় পাশে আছে Boost Lab IT Solutions Team

উদ্যোক্তা হতে আমরা অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করি, আবার অনেক সময় বিনিয়োগও করে বসি। কিন্তু অপরিকল্পিত বিনিয়োগ আমাদের আর্থিক  ...
17/05/2022

উদ্যোক্তা হতে আমরা অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করি, আবার অনেক সময় বিনিয়োগও করে বসি।
কিন্তু অপরিকল্পিত বিনিয়োগ আমাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় আবার অনেক ক্ষেত্রে সীমিত মূলধনের জন্য আমাদের মনের মধ্যে থাকে নানান ভয় এবং আশঙ্কা।
তবে যাচাই-বাছাই এবং পরিকল্পিত বিনিয়োগ করলে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্ভাবনা অনেকটাই কমে আসে।
তবে মনে রাখতে হবে আপনি কখনোই খালি হাতে ফিরবেন না হয় জিতবেন, না হয় অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন যে আপনার পরবর্তী জীবনের জন্য আপনাকে প্রস্তুত করবে। তবে যে কোন ব্যবসা শুরু করার পূর্বে প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো যথাযথ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করা।

কোন ব্যবসায় ইনভেস্ট করার পূর্বে আপনাকে যেসব বিষয় উপর খেয়াল রাখতে হবে

👉সময় :
প্রথমে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি যে ব্যবসা করতে চাচ্ছেন সেই ব্যবসার পেছনে আপনি দৈনিক কি পরিমান সময় ব্যয় করতে পারবেন হোক সেটা স্বল্পমেয়াদে বা দীর্ঘ মেয়াদে এবং সেভাবেই আপনার আপনাকে পরিকল্পনা করতে হবে

👉পণ্য :
আপনি যে পণ্য নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন তার মার্কেট ডিমান্ড এবং মার্কেট এনালাইসিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় । এখানেই আমরা সবচেয়ে বড় ভুলটি করে থাকি । প্রপারলি মার্কেট এনালাইসিস না করে অনেকেই আমরা একটি ফেসবুক পেজ খুলে সেই ব্যবসায় ইনভেস্ট করে ফেলি এবং যা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের উপর মানসিক চাপ বা অনেক ক্ষেত্রে বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।

👉অর্থের পরিমাণ এবং অর্থের সুষম বন্টন :
আপনি কি পরিমাণ অর্থ নিয়ে ব্যবসায়ে ইনভেস্ট করতে চাচ্ছেন এটিও পরিকল্পনার একটি অংশ । সব অর্থ একেবারেই ইনভেস্ট করবেন নাকি ধাপে ধাপে ইনভেস্ট করবেন তা নির্ভর করবে আপনার ব্যবসার ধরনের উপর ।
এক্ষেত্রে আমরা অনেক সময় যে বড় ভুলটি করে থাকি সেটি হল অর্থের সুষম বন্টন না করে ।
ই-কমার্স বা 𝙛-𝙘𝙤𝙢𝙢𝙚𝙧𝙘𝙚 আপনি যেটাই বলুন না কেন এটা সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনি আপনার পণ্যের প্রতি সবচেয়ে বেশি ফোকাস করতে পারবেন । ফিজিক্যাল শপের ক্ষেত্রে আপনাকে শপের জন্য অ্যাডভান্স, দোকান ভাড়া, ডেকোরেশন, কর্মচারীর বেতন, অন্যান্য বিলসমূহ ইত্যাদিতে এককালীন প্রচুর টাকা ব্যয় করতে হয় । কিন্তু ই-কমার্স বা 𝙛-𝙘𝙤𝙢𝙢𝙚𝙧𝙘𝙚 ইত্যাদি কোন ব্যয় নেই বললেই চলে । সুতরাং আপনি আপনার ইনভেস্টের একটি বড় অংশই ব্যয় করতে পারেন আপনার পণ্যের পিছনে । তবে এখানে আমরা সবচেয়ে Major যে ভুলটি করে থাকি আমাদের পুরো অর্থ ব্যয় করে দেই পণ্যের পিছনে । আমরা ভুলে যাই যে আমাদের যেই ফেইসবুক পেজ রয়েছে সেটার ও ডেকোরেশন, ইম্প্রেশন এবং প্রচারণার বিষয় রয়েছে ।
যার ব্যায় ফিজিক্যাল শপের থেকে তুলনামূলক অনেক কম কিন্তু গুরুত্ববহ।
সুতরাং মূলধনের পুরো অংশই পণ্যের পিছনে ব্যয় না করে একটি অংশ জমা রাখতে হবে যেটা ফেইসবুক মার্কেটিং , পেজ ডেকোরেশন এবং পেজ ইম্প্রেশন ক্রিয়েট এ সহযোগিতা করবে ।
এ নিয়ে সামনে আমাদের পেইজে আরও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে

নতুন উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বদা পাশে থাকবে 𝐁𝐨𝐨𝐬𝐭 𝐥𝐚𝐛 𝐈𝐓 𝐒𝐨𝐥𝐮𝐭𝐢𝐨𝐧 𝐓𝐞𝐚𝐦

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Boost Lab It Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Boost Lab It Solutions:

Share