EBoost Consulting Service

EBoost Consulting Service Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EBoost Consulting Service, Social Media Agency, Gulshan 1, Dhaka.

কিভাবে সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেনসেলস ফানেল মার্কেটিং এর অন্যতম সেরা একটা মাধ্যম। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার...
08/02/2021

কিভাবে সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন

সেলস ফানেল মার্কেটিং এর অন্যতম সেরা একটা মাধ্যম। তাই আপনি যদি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসকে প্রমোট করতে চান তাহলে সেলস ফানেলের মাধ্যমে অ্যাড তৈরি করে মার্কেটিং করা হতে পারে আপনার জন্য চমৎকার স্ট্রেটিজি। চলুন একটু বুঝে নেয়া যাক কিভাবে আপনি সেলস ফানেল অ্যাড তৈরি করবেন।

স্টেপ ১- প্রথমেই আপনার আলাদা আলাদা কিছু কন্টেন্ট লাগবে।

প্রথমেই আপনাকে বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট দিয়ে শুরু করতে হবে, আপনি ভাইরাল হয় অথবা অনেক চাহিদা আছে এরকম ব্লগ পোস্ট দিয়ে শুরু করতে পারেন। ব্লগ পোস্ট ছাড়াও সেটা ভিডিও হতে পারে, ইনফোগ্রাফিক হতে পারে, স্লাইড শো হতে পারে, ওয়েবিনার হতে পারে অথবা ফ্রি ই বুক অফার হতে পারে, এটা ডিপেন্ড করে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের উপর। তবে এখানে প্রথমেই সেলের কথা বলা ঠিক হবে না, আপনার ক্লায়েন্টদের রেডি করেন আগে।

এবং এখনে আরেকটা ব্যাপার আপনাকে করতে হবে বয়স বুঝে আপনাকে কন্টেন্ট বানাতে হবে,আপনি হয়তো একটা নির্দিষ্ট বয়স নিয়ে কাজ করেন না, আপনার ক্রেতা হয়তো বিভিন্ন বয়সের আর বিভিন্ন বয়সের মানুষ বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট পছন্দ করবে না এটাই স্বাভাবিক তাই নয় কি? সে জন্য আপনাকে বয়স বুঝে এবং তাই পছন্দ বুঝে কন্টেন্ট বানাতে হবে এবং সেগুলা ফেসবুকে পেইড প্রমোট করতে হবে।

স্টেপ-২ আপনার "Warm Audience" এর কাছে আপনার কন্টেন্ট প্রমোট করতে হবে।

আমরা বলবো যে যারা আপনার Warm Audience তাদের কাছে প্রথমে আপনার কন্টেন্ট মার্কেট করেন, এখন কথা হচ্ছে Warm Audience কাকে বলে জানেন কি?

Warm Audience হচ্ছে তারা যারা কোন ভাবে আপনাকে চেনে জানে ইত্যাদি এবং যেহেতু তারা আপনাকে চেনে এবং জানে তারা আপনার প্রোডাক্টে আগ্রহ দেখাতে পারে।

এরা হতে পারে আপনার পেজে যারা লাইক লিস্টে আছে তারা অথবা আপনার ওয়েবাইটের ভিজিটর।

এখানে আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে আপনার কোন কন্টেন্ট সব থেকে ভালো কাজ করে।

স্টেপ-৩ লুকে এ লাইক অডিয়েন্স তৈরি করা

আপনি আপনার কিছু কন্টেন্ট দিয়ে অ্যাড চালালেন, সেটা ভিডিও ভিউজ হতে পারে, এংগেজমেন্ট অ্যাড হতে পারে, লিড জেনারেশন হতে পারে, যেটাই হোক আপনি কিছু অডিয়েন্স পেলেন, সেগুলা দিয়ে আপনি কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করলেন, কিন্তু সেটা আপনার জন্য যথেষ্ট হবে বলে আমার মনে হয় না, আপনাকে লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে যেতে হবে? লুকে এ লাইক অডিয়েন্সে কি লাভ? লুকে এলাইক অডিয়েন্স তারাই যারা আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের মতই, তাদের ফেসবুক প্রোফাইল ইনফরমেশন, বিহেবিয়ার ইত্যাদি প্রায় একই রকম, তাহলে আপনি আপনার কাস্টোম অডিয়েন্সের সাথে সাথে কিছু বাড়তি অডিয়েন্স পেয়ে গেলেন যারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আগ্রহী হতে পারে।

ফেসবুক মার্কেটিং এর বিভিন্ন গাইডলাইন মূলক অনেকগুলা লেখা এক সাথে কতে বাজারে আমার একটা বই আছে, আগ্রহী হলে কালেকশনে রাখতে পারেন। আমাকে ইনবক্স করলে আমি বলে দিবো কোথায় পাবেন।

উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করে, ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর বিভিন্ন গাইডলাইন, সাজেশন, টিপসমূলক আমার লেখা একটা বই আছে বাজারে, যারা নিতে আগ্রহী আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।

স্টেপ ৪ আপনার সেরা কন্টেন্ট প্রমোট করেন

যারা আপনাকে ইতিমধ্যে চেনে তাদের নিয়ে তো কন্টেন্ট বানালেন, কাস্টোম অডিয়েন্স, লুকে লাইক অডিয়েন্স করে তাদের দেখালেন আপনার কন্টেন্ট কিন্তু যারা আপনাকে একদমই জানে না তাদের জন্য কি?

তাদেরকে বলা হয় "Cold audinece" যারা আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে অবগত নয়। আপনার মনে আছে কি ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আপনি আপনার "Warm audience" কে প্রভাবিত করেছিলেন? এখন সময় হচ্ছে ঠিক সেই কন্টেন্টগুলা থেকে সব থেকে বেস্ট কন্টেন্ট দিয়ে আপনার "Cold audience কে প্রভাবিত করা। যেহেতু এরা একদম নতুন তাই এদের কন্টেন্ট হতে হবে আরো শক্তিশালি, জড়ালো। এখানেও কন্টেন্ট হতে পারে ভিডিও, ব্লগ, ফ্রি ই বুক, ইত্যাদি।

এটা করলে যেটা হবে সেটা হচ্ছে এখান থেকে আপনি কিছু ভালো মানের "Cold audience" আপনার ডাটাবেজে নিয়ে যেতে পারবেন এবং আপনার কন্টেন্ট যদি তারা পছন্দ করে তাহলে তারা আস্তে আস্তে "Cold audience" থেকে "Warm audience" এ রূপান্তরিত হতে পারে। আর সেটাই আপনার দরকার।

স্টেপ ৫- ইফেক্টিভ মার্কেটিং

আপনি এটা আশা করতে পারেন না যে বিশাল সাইজের একটা "Cold audience" নিয়ে আপনি অ্যাড চালাবেন আর সেখান থেকে আপনি টনের উপর টন লিড পেয়ে যাবেন এবং তার আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য পাগল হয়ে যাবে, বিশেষ করে যে সব প্রোডাক্টের কম্পিটিশন অনেক বেশি তারা যদি এরকম আশা করে ভুল হবে, সেল যে একদমই হবে না সেটা না তবে আপনার আশা অনুযায়ী হয়তো হবে না।

যেটা করতে হবে আপনার "cold audience" কে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট দিয়ে আকৃষ্ট করতে হবে, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে হবে যেন তারা আস্তে আস্তে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের দিকে ধাবিত হয়। তবে এই সেলস ফানেলের ফর্মুলা রাতারাতি কাজ করবে না এটা মনে রাখবেন, এটা একটা চলমান প্রসেস, আপনাকে এটা দিনের পর দিন করে যেতে হবে এবং একটা সময় এসে আপনি অবাক হয়ে লক্ষ্য করবেন আপনার প্ল্যান কাজ করা শুরু করেছে।

স্টেপ ৬ ফেসবুক পিক্সেল ব্যাবহার করেন

ফেসবুক পিক্সেল দিয়ে কিভাবে কাজ করবেন

১। ফেসবুক পিক্সেল বানাবেন
২। আপনার ওয়েবসাইটে পিক্সেলের কোড বসাবেন
৩। এরপর আপনি রিমার্কেটিং করবেন, যারা আপনার ওয়েব সাইট ভিজিট করেছে তাদেরকে বারবার আপনার প্রোডাক্ট, সার্ভিস ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

স্টেপ ৭ - ভিডিওর মাধ্যমে রিমার্কেটিং করেন

বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং পদ্ধতি নিয়ে এখন কাজ করা যায়, আপনি যখন এটা ফেসবুকের মাধ্যমে করতে চান আমরা বলবো ভিডিও এর মাধ্যমে আপনার সেলস ফানেলে ন্যারো করেন।

আপনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম ভিডিও ফেসবুকে দেখে থাকেন, আপনারাও বিভিন্ন ভিডিও বানাতে পারেন এবং ভিডিও ভিউজের ডাটা নিয়ে সেটা দিয়ে কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করে আবার আরেকটা কন্টেন্টে সেটা আপ্লাই করে প্রমোট করতে পারেন। তাহলে যারা আপনার ভিডিও আগে দেখেছে তারা আপনাকে কিছুটা চেনে, আরো কয়েকবার দেখালেন আরো ভালো করে চিনলো, এরপর আপনি সেল পোস্ট দিলেন তাদেরকে অডিয়েন্সে সিলেক্ট করে, তবে চেনানোর জন্য যে ভিডিও দিবেন সেটা সেল পোস্ট না হয়ে বিভিন্ন ধরনের টিপস, উপকারি, সচেতনতা পোস্ট, মজার ভিডিও, বানী ইত্যাদি হতে পারে, এখানে আপনার ক্লায়েন্টের পারসোনা অনুযায়ী আপনাকে কন্টেন্ট কি হবে সেটা ঠিক করতে হবে।

ইতি টানি এইভাবে

একটু রিভাইজ হয়ে যাক

১। ভিন্ন ভিন্ন অডিয়েন্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কন্টেন্ট তৈরি করুন, খেয়াল রাখবেন ক্লায়েন্টের পারসনা খুব গুরুত্বপূর্ণ

২। লুকে এলাইক অডিয়েন্স তৈরি করেন (কোল্ড অডিয়েন্স) যারা আপনার প্রোডাক্টে সরাসরি ইন্টারেস্টেড না হলেও একই ধরনের প্রোডাক্টে ইন্টারেস্টেড।

৩। লুকে এলাইক অডিয়েন্সের কাছে আপনার সব থেকে সেরা কন্টেন্ট নিয়ে যান

৪। এখান থেকে কিছু কাস্টোমার "ওয়ার্ম অডিয়েন্সে রুপান্তর হবে এবং কিছু জিনিস কিনবে"

৫। ফেসবুক পিক্সেলের মাধ্যমে রি মার্কেটিং করেন

৬। আপনার সেল বাড়ান।

ফেসবুক বিজনেস পেজের কোন সমস্যার সমাধান পাবেন যেভাবে।আমরা যারা ফেসবুকে বিজনেস করি তারা অনেক সময়ই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন...
30/01/2021

ফেসবুক বিজনেস পেজের কোন সমস্যার সমাধান পাবেন যেভাবে।
আমরা যারা ফেসবুকে বিজনেস করি তারা অনেক সময়ই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি, বিভিন্ন কারনেই এসব সমস্যা ঘটে থাকে। ফেসবুকের বেশির ভাগ বিষয়গুলই ফেসবুকের আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাই অনেক সময় আপনি তাদের কোন রুলস ভায়োলেশন না করলেও অনেক টা ভুলবসত ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্ট ডিজেবল, অ্যাড অ্যাকাউন্ট রেস্ট্রিকশন, অ্যাড আনঅ্যাপ্রুভ, অ্যাড পলিসি ভায়োলেশন, বিভিন্ন ওয়ার্নিং ইত্যাদির মত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকে।
কিভাবে এসব সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে সে সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকার কারনে অনেকে তাদের অনেক দিনের পুরোনো পেজ, আই ডি ,কিংবা অ্যাড এর আশা ছেড়ে দিয়ে নতুন করে তৈরি করে সমস্যা সমাধানের বিকল্প রাস্তা খোজেন।

নতুন করে সব শুরু করা আসলেই কি সঠিক সমাধান?
এসব সমস্যা সমাধানের কি আর কোন রাস্তা নাই?
অনেকের কাছে এই প্রশ্নকরেও অনেকে সঠিক উত্তর পান নি, বর্তমানে অনেক এক্সপার্টও হয়ত আপনাকে একই ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকবেন।

কিন্তু আমার মনে হয় সব কিছু শেষ হওয়ার আগে আরেক বার চেষ্টা করে দেখা দরকার, হতেও তো পারে সমস্যা সমাধান হবে, বেশিরভাগ সমস্যাই অস্থায়ী তাই একেবারে আশাছেড়ে দেওয়ার চেয়ে আরেকটা বার একটু চেষ্টা করে দেখলে মন্দ হয় না।

এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক ফেসবুকের সকল সমস্যার সমাধান কিভাবে এবং কোথায় থেকে পাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে-
✅ সমাধান নাম্বার – ০১ - ফেসবুক হেল্প সেন্টারঃ
ফেসবুক হেল্প সেন্টার হল ফেসবুক সমস্যা সমাধানের সেই জায়গা যেখান থেকে আপনি প্রায় সব সমস্যারই সঠিক সমাধান পেতে পারেন, এখানে আপনি অনেক ধরনের ফ্রিকুইন্টলি আস্ক কোয়েশ্চেন দেখতে পাবেন হতে পারে এর মধ্যই আপনার কোশ্চেনটিও রয়েছে এবং একই সাথে উত্তর ও পেয়ে যাবেন, এখানে চাইলে আপনি আপনার সমস্যা রিপোর্ট করতে পারবেন, আর তাছাড়া ফেসবুকের বিশাল কমিউনিটির মধ্যে যারা আপনার আগে এই সমস্যা ফেস করেছে তারা অনেকেই এর সমাধান হয়ত বের করেও ফেলেছে কিভাবে তারা এর সমাধান করেছে সে সম্পর্কেও আপনি এখান থেকে জানতে পারবেন।
https://www.facebook.com/help এই লিংকে গেলেই আপনি ফেসবুকের হেল্প সেন্টার পেয়ে যাবেন।

✅ সমাধান নাম্বার – ০২ – ফেসবুক রিপ্রেজেনটিটিভের সাথে লাইভ চ্যাটঃ
সকল সমস্যা সমাধান করার ক্ষেত্রে লাইভ চ্যাট আমার কাছে সব চেয়ে পছন্দের একটি অপশন, আমি যেকোন সমস্যায় পড়লেই ফেসবুক লাইভ চ্যাট থেকে সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে থাকি, কারন এটা অনেক সহজ প্রক্রিয়া, অনেক দ্রুত কাজ করে, সকল সমস্যা খুলে বলার একটা সুযোগ থাকে এখানে, আমি সবাইকে হাইলি রিকমেন্ড করবো হার মানার আগে শেষ বারের জন্য হলেও যেন একবার এটা দিয়ে চেষ্টা করে দেখেন, কারন এটা অন্যরকম একটা এক্সপেরিয়েন্স দিবে আপনাকে! আপনি যদি ইতিমধ্যে এটার সুবিধা নিয়ে থাকেন তাহলে অভিনন্দন!

তাহলে চলুন যেনে নেওয়া যাক কিভাবে ফেসবুক
রিপ্রেজেনটিটিভের সাথে লাইভ চ্যাট করবেন সে সম্পর্কে-
১। https://www.facebook.com/help এই লিংকে যান
২। Visit Business Help Center এ ক্লিক করুন এটা আপনাকে https://www.facebook.com/business/help এই লিংকে নিয়ে যাবে।
৩। Find answers or contact support এই লেখার এর পাশে Get Started এ ক্লিক করুন।
৪। Get Started এ ক্লিক করার পর আপনি ৬ টা অপশন দেখতে পাবেন তার মধ্য থেকে সেটাতেই ক্লিক করুন আপনার সমস্যা টা যেটার মধ্যে পড়ার সম্ভবনা সব থেকে বেশি।
৫। নিচের দিকে দেখবেন Need more help? Contact support লেখা এর নিচে লেখা আছে Chat with a representative একই সাথে লেখা আছে রিপ্রেজেনটেটিভ এর সাথে কথা বলার জন্য আপনাকে কতক্ষন অপেক্ষা করা লাগতে পারে এটা তে ক্লিক করুন তাহলে মেসেঞ্জার দিয়ে লিংক টি ওপেন হবে এখানে শুরুতেই হয়ত পরবর্তী অনুসন্ধানের জন্য তারা আপনার কিছু তথ্য তারা চাইতে পারে যেমন- নাম, ইমেইল, মোবাইল ইত্যাদি।

✅ কিছু টিপ্সঃ
১। চেষ্টা করুন ডেস্কটপ অথবা ল্যাপটপ থেকে জয়েন করার।
২। শুরুতেই আপনার সমস্যা গুলোর স্ক্রিনশন নিয়ে রাখুন।
৩। অ্যাড অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে অ্যাড অ্যাকাউন্ট আইডি টি নিয়ে রাখুন আর অ্যাড সম্পর্কিত হলে ক্যাম্পেইন আইডি নিয়ে রাখুন।
৪। চেষ্টা করুন সমস্যা টা খুব ভাল করে বর্ননা করতে
নোটঃ অনেক সময় উপরে উল্লেখিত ৫ নং আপশন টি আপনি নাও খুজে পেতে পারেন কারন এটা অনেক সময় আপনার জন্য এভাইলেবল নাও হতে পারে সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার বিশ্বস্ত কাউকে এডমিন / এডিটর বানিয়ে তার মাধ্যমে কাজটি করে করে নিতে পারেন।

সব শেষে এরেকবার বলতে চাই , বেশির ভাগ সমস্যাই স্থায়ী নয়, একটু চেষ্টা করে দেখুন, না হলে একটু ভিন্নভাবে চেষ্টা করুন দেখবেন আপনার সমস্যা সমাধানের কোন না কোন রাস্তা খোলা আছেই আছে।

🤔🤔সমস্যা যখন অর্গানিক রিচ!🤔🤔বর্তমানে এত পরিমান ফেসবুক পেজ তৈরি হয়েছে এবং তৈরি হচ্ছে যে সে সংখ্যা টা দিনকে দিন বেড়েই চলেছ...
27/01/2021

🤔🤔সমস্যা যখন অর্গানিক রিচ!🤔🤔

বর্তমানে এত পরিমান ফেসবুক পেজ তৈরি হয়েছে এবং তৈরি হচ্ছে যে সে সংখ্যা টা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। আর তাছাড়া সবাই এত পরিমান পেইড ক্যাম্পেইন করেন যে ফেসবসবুক চাইলেও আর বেশি পরিমান অর্গানিক রিচ করাতে পারে না। ফেসবুকেরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফেসবুক প্রতিনিয়ত তাদের অ্যালগরিদমে পরিবর্তন করে চলেছে এবং এই পরিবর্তনের সাথে সাথে অর্গানিক ভাবে পোষ্টের রিচ বৃদ্ধি করা ক্রমাগত চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে।

তবে কিছু কৌশল অনুসরন করলে আপনি আপনার পেজের অর্গানিক রিচ বাড়াতে পারেন অনেকাংশে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই বিশেষ কৌশল গুলো যা আপনার বিজনেস পেজের আর্গানিক রিচ বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকগুন।

বর্তমান সময়ে ফেসবুক পেজের অর্গানিক রিচ ১ থেকে ৬ শতাংশ মাত্র।
ফেসবুক মার্কেটিং এক্সপার্টদের মতে তা সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে তোলা সম্ভব ।
বিষয়টি সত্যি অবাক করার মতো।
পেজের অর্গানিক রিচ ধরে রাখতে হলে কিছু কাজ আপনার এখনই শুরু করে দেওয়া উচিত আর কিছু কাজ আপনার না করা উচিত ।
প্রথমে আপনাকে খুঁজতে হবে ফেসবুকের অ্যালগরিদম কোন কনটেন্টগুলো কে অর্গানিক ভাবে সবথেকে বেশি রিচ দেয়।

এখানে ৪ ধরনের কনটেন্ট এর কথা বলা হয়েছে যে গুলো বেশি রিচ এনে দিতে সক্ষম।
চলুন জেনে নেওয়া যাক কি কি সেই কনটেন্ট গুলো-
নাম্বার -১ -ভিডিও পোস্টঃ
ফেসবুক হয়ত ভবিষ্যতের ইউটিভের মত ডিজিটাল ভিডিও স্ট্রিমিং টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে যার কারণে সব থেকে বেশি প্রাধান্য ভিডিও কনটেন্টগুলো পাচ্ছে।

ভিডিও কনটেন্ট পোস্ট করার ক্ষেত্রে রিকমেন্ডেড হচ্ছে, ৭০% ভিডিও কনটেন্ট, ২০% ছবি এবং ১০% লিংক শেয়ার করতে।

লিংক ফেসবুক পোস্টের রিচ কমিয়ে দেয় তবে ভিডিও অথবা ছবির সাথে আপনি লিংক শেয়ার করতে পারেন। সেটি আপনার পোষ্টের রিচে কোন প্রকার প্রভাব ফেলে ফেলবে না।

নাম্বার-২-ফেসবুক লাইভঃ
অনেক এক্সপার্টরা মনে করেন ফেসবুক লাইভ সাধারণ আপলোড করা ভিডিও-র থেকে ছয় গুণ বেশি এঙ্গেজমেন্ট নিয়ে আসতে পারে। তাই প্রতি ৭ দিনে অন্তত একটি ফেসবুক লাইভ ভালো ফলাফল এনে দিতে পারে। আপনিও এটি ট্রাই করে দেখতে পারেন।

নাম্বার-৩- ফেসবুক ওয়াচ পার্টিঃ
ফেসবুকের যে কোন পাবলিক ভিডিও নিজের ওয়াচ পার্টিতে অডিয়েন্স সাথে শেয়ার করতে পারেন। ফেসবুক মতে, অডিয়েন্স ওয়াচ পার্টির ভিডিওগুলোতে কমেন্ট করার প্রবণতা প্রায় ১০০ গুণ পর্যন্ত বেশি।

মনে রাখবেন, অর্গানিক রিচের মূলবিসষয়ই হচ্ছে এনগেজমেন্ট। আপনি যত বেশি এনগেজমেন্ট তৈরি করতে পারবেন, তত বেশি অর্গানিক রিচ বেড়ে যাবে।

নাম্বার-৪- প্রশ্ন করুনঃ
না কোন ভিডিও, না কোন ছবি অথবা না কোন লিংক শেয়ার শুধুমাত্র একটি ছোট্ট সাধারন প্রশ্ন আপনার অডিয়েন্সদের দিকে ছুড়ে দিন। তাহলে দেখবেন আপনার পোষ্ট একংগেজমেন্ট অটোমেটিক বেড়ে গেছে।

আপনার অডিয়েন্সদের জন্য যখন একটি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন ছুড়ে দিবেন তার বিপরীতে তাদের উত্তর দেবার প্রবণতা দেখা যাবে। আর উত্তর দেওয়া মানেই এনগেজমেন্ট। আর অর্গানিক রিচ বাড়াতে এটাই আমাদের সব থেকে বেশি প্রোয়োজন।

নাম্বার –৫-কম পরিমান পোস্ট করুনঃ
অনেকেই মনে করেন যে, বেশি পোস্ট করলে বেশি এঙ্গেজমেন্ট আসে যা সবক্ষেত্রে সত্য হয় না। ফেসবুক শুধুমাত্র অনেক হাই কোয়ালিটি পোস্টগুলোকে বেশি প্রাধান্য দেয়। তাই বেশি বেশি পোস্ট করার চেয়ে বেশি কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট তৈরি এবং শেয়ার করার দিকে গুরুত্ব দেয়া উচিত ।

একটি পোস্ট যখন ফেসবুকে ভাল রেজাল্ট দেয় তখন আপনি যদি আরেকটি পোস্ট করেন তাহলে, এনগেজমেন্ট বিভক্ত হয়ে যাবে।আপনি যদি সপ্তাহে তিনটি পোস্ট করে থাকেন তবে সেটি কমিয়ে সপ্তাহে একটি করুন। চেষ্টা করুন অন্যান্য বিভিন্ন সোর্স থেকে আপনার পোস্টে ট্রাফিক নিয়ে

যে যে বিষয় গুলো আপনার ফেসবুক পেজের অর্গানিক রিচ কমিয়ে দেয়

নাম্বার – ১- ফেসবুক পোস্টের সাথে ইউটিভ লিংক যুক্ত করলেঃ
ভিডিও এর ক্ষেত্রে ফেসবুকের সবথেকে বড় প্রতিযোগী হচ্ছে ইউটিউব। যখন একটি ফেসবুক পোস্টের সাথে ইউটিউব লিংক যুক্ত করছেন অথবা ফেসবুক পোস্টে ইউটিউব লিংক শেয়ার করবেন সেই পোষ্টের অর্গানিক রিচ পাবেন না । এর কারন হল ফেসবুক আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউটিউব লিংকগুলো শনাক্ত করে সেটির রিচ কমিয়ে দিতে পারে খুব ভালভাবেই।

নাম্বার-২-এঙ্গেজমেন্ট বাইট করলেঃ
অনেক সময়েই দেখা যায় যায় যে ফেসবুকে পোস্ট করার পরে সেটিতে কমেন্ট, শেয়ার বা লাইক করার জন্য অনুরোধ করা হয়ে থাকে। যাকে ফেসবুক এঙ্গেজমেন্ট বাইট বলে উল্লেখ করে।

ফেসবুক ফেয়ার কনটেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন পলিসিতে বিশ্বাস করে। তারা মনে করে, মানুষ সেই কনটেন্টগুলো পছন্দ করবে যা সে স্বেচ্ছায় দেখতে চায়। আপনি কখনোই অডিয়েন্সদের আপনার কনটেন্ট দেখতে জোর করতে পারেন না।

তাই এই ধরনের শব্দগুলো ফেসবুক খুব সহজেই ডিটেক্ট করে এবং সেই পোস্টের অর্গানিক রিচ কমিয়ে দেয়। ফেসবুকের ল্যাংগুয়েজ ডাইরেক্টরিতে এখন বাংলা ভাষাও যুক্ত হয়েছে। তাই এঙ্গেজমেন্ট বাইট থেকে এখুনি সতর্ক হোন। অন্যথায় আপনার অর্গানিক রিচের উপর বিশাল প্রভাব ফেলতে পারে।

এঙ্গেজমেন্ট বাইটের বিপরিতে, একটি পোস্ট করার পরে অডিয়েন্সরা সে সম্পর্কে কি চিন্তা করছে? আপনার পোষ্ট সম্পর্কে তাদের মতামত কি? এই সকল বিষয়গুলো জানতে চান বা শেয়ার করার জন্য অডিয়েন্সদের উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

যেমনঃ তাদের কাছ থেকে পোস্টের বিষয়ে কিছু জানতে চাইতে পারেন।

আর চেষ্টা করুন আপনার পেজের সাথে যায় না এমন ধরনের পোস্টগুলো এরিয়ে চলতে তা না হলে আপনি আপনার অনেক ফলোয়ার ধিরে ধিরে হারিয়ে ফেলতে পারেন।

এবার আপনি বলুন আপনি কি আপনার পেজের অর্গানিক রিচ / এংগেজমেন্ট বাড়াতে এই কৌশল গুলো ব্যবহার করেন?
আপনার পেজের অর্গানিক রিচ কেমন??

অনেক অনেক টাকা খরচ করে একটা অ্যাড দিচ্ছেন তবুও যদি অ্যাড টা সাকসেসফুল অ্যাড না হয় তাহলে শধু টাকা টা ই নষ্ট হয় না সাথে সা...
25/01/2021

অনেক অনেক টাকা খরচ করে একটা অ্যাড দিচ্ছেন তবুও যদি অ্যাড টা সাকসেসফুল অ্যাড না হয় তাহলে শধু টাকা টা ই নষ্ট হয় না সাথে সাথে বিজনেস করার মনবল টাও কমে যেতে থাকে। আর একটা সাকসেসফুল অ্যাডই পারে আপনার সেল বহুগুনে বাড়িয়ে দিতে।

তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক একটা সাকসেসফুল অ্যাড দিতে গেলে যে ৩ টি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা দরকার তা সম্পর্কে-

বিবেচনার বিষয়– ১ – টার্গেট অডিয়েন্সঃ

যেকোন অ্যাডের ক্ষেত্রেই সব থেকে গুরুত্বপূর্ন হল সঠিকভাবে টার্গেট অডিয়েন্স সেট করা, যে যত নিখুঁত ভাবে টার্গেট অডিয়েন্স সেট করতে পারবে তার অ্যাড সাকসেসফুল হওয়ার সম্ভবনা তত বেশি থাকবে। আপনার প্রোডাক্ট এর সাথে রিলেটেড এমন অডিয়েন্স সিলেক্ট করতে হবে এবং এর জন্য কিছুটা সময় বের করে আগে ভাবতে হবে যে কোন এলাকার মানুষ আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কেমন নিতে পারে , কোন বয়সের মানুষের কাছে আপনি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস পৌছাতে চান আর তাদের পছন্দ ও অপছন্দ সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।

সব থেকে ভাল হয় আপনি যদি লেয়ার্ড বেস অডিয়েন্স সেট করতে পারেন। অডিয়েন্স অনেক বেশি পরিমানে টার্গেট করা ঠিক হবে না আবার অনেক বেশি ন্যারো ও করা যাবে না। বাজেট অনুযায়ী একটা স্ট্যাবল পর্যায়ে রাখতে হবে। টার্গেট অডিয়েন্স সঠিকভাবে হলে অ্যাড সাকসেসফুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

বিবেচনার বিষয় – ২ – সঠিক বাজেট নির্ধারনঃ

অ্যাডের ক্ষেত্রে বাজেট গুরুত্বপূর্ন ,হ্যা খবই গুরুত্বপূর্ন । সেটা আমরা আমারা আমাদের ট্রেডিশনাল টিভি কিংবা নিউজ পেপার অ্যাডে দিকে তাকালেই বুঝতে পারি, যে অ্যাডের বাজেট যত বেশি হয় টিভি তে বা নিউজ পেপারে সেই অ্যাড তত বড় করে বেশি সময় ধরে দেখানো হয় ফেসবুকের ক্ষেত্রেও অনেকটা ই এরকম হয়।

লো বাজেটের অ্যাড গুলোর সাকসেস রেট অনেক কম থাকে এর কারন হল – লো বাজেটের অ্যাডের চেয়ে হাই বাজেটের অ্যাড ফেসবুকের কাছে অনেক বেশি গুত্বপূর্ন। আর তাছাড়া একটা অ্যাড সাবলিল ভাবে চলার জন্য যে সময়ের প্রোয়োজন লো বাজেটের অ্যাড গুলো সেই সময় টা পায় না ফলে অ্যাড ঠিক মত রান হওয়ার আগেই বাজেট শেষ হয়ে যায়।

নতুনরা অ্যাড দেওয়ার ক্ষেত্রে সব থেকে বড় ভূল করে বাজের নির্বাচনে এর কারন হল- তারা আগে কম বাজেটে দেখতে চায় কেমন রেসপন্স আসে তারপর বাজেট বাড়ানো চিন্তা করে কিন্তু কম বাজেটে অ্যাড সাকসেসফুল না হলে তখন হতাস হয়ে পড়ে।

বিবেচনার বিষয় – ৩- অ্যাডের কনটেন্ট কোয়ালিটিঃ

কথায় আছে “প্রথমে দরশন ধারি, পরে গুন বিচারি” আমার মনে হয় কথা টা প্রায় সব ক্ষেত্রের জন্যই প্রযোজ্য, বিশেষ করে অনলাইন প্লাটফর্মে তো আরো অনেক বেশি কারন অনলাইনে কিন্তু কেউ হাতে ধরে যাচাই করে কোন কিছু কেনার সুযোগ পায় না। সবাই শুধু চোখের দেখাতেই কিনে ফেলে।

চেষ্টা করুন খুব ভাল কোয়ালিটির ছবি / ভিডিও যুক্ত করার আর সেই সাথে যে কনটেন্ট লিখবেন তা ধরা বাধা নিয়মের বাহিরে এসে লেখার চেষ্টা করুন। কনটেন্টে কিছু টা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন একটু নতুন কিছুই আপনার বিজনেস কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে অনেক দূর, আপনার সেল বৃদ্ধি করাতে পারে অনেক গুন।

সব শেষে বলতে চাই, সব সময় সততার সাথে বিজনেস করুন, আপনার কোন সার্ভিসে বা প্রোডাক্টে কাস্টমারের যেন কোন লস না হয় সে দিক টায় খেয়াল রাখুন, কাস্টমারের সাথে নমনীয় হোন , কোনালিটি সার্ভিস / কোয়ালিটি প্রোডাক্ট সেল করুন, ধৈর্যধরে লেগে থাকুন, আপনার বিজনেস সফল হবেই ইনশাআল্লাহ ওয়া রাসূলিহীল করিম।

✅ফেসবুকের অ্যাডের খরচ কিভাবে নির্ধারণ হয়, বুঝে নিন বিস্তারিতঃযারাই ফেসবুক অ্যাড নিয়ে কাজ করে সে ফেসবুকে বিজনেস করুক অথবা...
25/01/2021

✅ফেসবুকের অ্যাডের খরচ কিভাবে নির্ধারণ হয়, বুঝে নিন বিস্তারিতঃ

যারাই ফেসবুক অ্যাড নিয়ে কাজ করে সে ফেসবুকে বিজনেস করুক অথবা ফেসবুকে অ্যাড বুস্ট করুক সবারই একটা কমন প্রশ্ন থাকে যে ফেসবুক কত টাকা কেটে নিবে তার অ্যাড থেকে।

উত্তরটা খুব সন্তুষ্ট করতে পারবে না কাউকে কারন উত্তরটা হচ্ছে " এটা নির্ভর করে"

সত্যি কথা বলতে কি আপনার ফেসবুক অ্যাডের খরচ অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে, মাস, দিন, ঘন্টা এবং লোকেশন ইত্যাদি।

বিখ্যাত কোম্পানি AdEspresso ৬৩৬ মিলিয়ন ডলার ফেসবুক অ্যাড এ খরচ করেছে। তার উপর ভিত্তি করেই এখানে কিছু তথ্য দেয়ার চেস্টা করা হচ্ছে।
তবে এটা বলে নেয়া হচ্ছে এখানে একদম নির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে না যে আপনার অ্যাডে কত খরচ হবে, তবে আপনি একটা ভালো আইডিয়া পাবেন সেটা বলাই যায়।

কিভাবে ফেসবুক বিডিং প্রসেস কাজ করে
------------------------
ফেসবুক অ্যাডের খরচে যাওয়ার আগে এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা একটু সময় নিয়ে ফেসবুকের বিড প্রসেসটা বুঝে নি।
কারন ফেসবুকের অ্যাড অনেকটা অকশন অথবা নিলামের মত এখানে আপনার খরচ প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হতে পারে যেটা আপনি কন্ট্রোল করতে পারেন না। কিন্তু আপনার সুবিধা অনুযায়ী এটা আপনি smart bidding strategies এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

আপনি যখন ক্যাম্পেইন তৈরি করেন এটা আপনি pricing and bidding section এ পাবেন। আর আপনি যদি ম্যানুয়ালি এটা করেন তাহলে ফেসবুক অটোমেটিকলি আপনার বাজেট এবং আপনার অ্যাড ডিউরেশনের উপর ভিত্তি করে একটা বিড হিসাব করবে।

যেটা আগেও বলা হয়েছে যে এটা একটা নিলামের মত ব্যাপার এবং আপনি অন্য advertiser এর বিরুদ্ধে বিড করছেন এটার মানে হচ্ছে এখানে শতশত advertiser বিভিন্ন বিড স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করছে এবং সবার দৃষ্টি ফেসবুক ইউজারের উপর যেমনটি আপনারও।

তাই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে আপনি একটা ভালো বিডিং স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করছেন যেখানে আপনি কম্পিটিশনে টিকে থাকতে পারেন এবং আপনার অ্যাড কে ভালো একটা রেজাল্ট এনে দিতে পারেন।
যেমন ধরেন একটা নিউজ পেপার অ্যাড আপনি প্রথম পেজে দিলে এক রকম খরচ আবার ভিতরের পেজে দিলে আরেকরকম খরচ, এখন প্রথম পেজের এক ই যায়গায় অ্যাড দেয়ার জন্য দুইটা কোম্পানি আসলো তাহলে সেই নিউজ পেপার কোম্পানি কি করবে? যার বাজেট বেশি তার অ্যাডটা ই ছাপাবে। ঠিক এভাবেই কাজ করে ফেসবুক বিডিং।

আপনার ফেসবুক অ্যাডের কত খরচ হবে এটা বিভিন্ন কারনে নির্ভর করে আর বিড হচ্ছে সেগুলার মধ্যে অন্যতম একটি।

আরো যে ব্যাপারে ফেসবুকের অ্যাডের খরচ নির্ভর করেঃ

সময়
-----
বছরের একটি মাস,সপ্তাহের একটি দিন এবং আরো নির্দিষ্ট করে বলতে হলে একটি দিনের নিদিষ্ট একটি ঘন্টাও অ্যাড খরচের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, কিছু পিক টাইম আছে যেখানে কম্পিটিশন অনেক বেশি থাকে আর যার ফলে অ্যাড এর খরচ বেড়ে যায়।

আপনার বিড স্ট্রাটেজি
--------------
আপনি যখন কম খরচ নির্বাচন করবেন অথবা কোন specific bid cap নির্বাচন করবেন এটার উপর ও আপনার অ্যাড ডেলিভারি খরচ নির্ভর করবে।

আপনি যে সব প্লেসমেন্ট নির্বাচন করেছেন
--------------------------
বিভিন্ন ধরনের অ্যাড প্লেসমেন্টের খরচ একেকরকম যেই প্লেসমেন্টের কম্পিটিশন বেশি সেখানে খরচ বেশিই হবে সেটাই স্বাভাবিক, একটা নিউজ পেপারে অ্যাডের কথাই চিন্তা করেন আপনি যদি প্রথম পেজে আপনার অ্যাড দিতে চান তাহলে কত খরচ হবে আর যদি অ্যাড দিতে চান ভিতরের পেজে একটা কোনায় তাহলে কত খরচ হবে।

প্রাসঙ্গিক মেট্রিক্স
----------
ফেসবুকের ৩টা আলাদা আলাদা মেট্রিক্স আছে অ্যাডের মান নির্ধারণ করার জন্য Engagement Ranking, Quality Ranking এবং Conversion Ranking এখানে কোন একটা সেকশনে যদি আপনার অ্যাড লো স্কোরে থাকে তাহলে আপনার অ্যাডের খরচ বেড়ে যাবে।

যে দর্শক আপনি টার্গেট করেছেন
---------------------
যদি আরেকজন advertisers আপনার মত অডিয়েন্স মেম্বার নির্বাচন করতে চায় আপনার খরচ বেড়ে যাবে কারন নিউজফিডের স্পেস আন লিমিটেড না, কিছুক্ষণ আগেই আমি নিউজ পেপার নিয়ে এরকম একটা উদাহারন দিয়েছি।

ফেসবুক অ্যাডের খরচ AdEspresso 2018 and 2019
এখন বলা যায় আপনি মোটামুটি একটা পরিষ্কার ধারনা পেয়েছেন যে কিভাবে বিডিং সিস্টেম কাজ করে এবং কোন কোন কারনে ফেসবুক অ্যাডের খরচ বাড়ে কিংবা কমে। এখন আমরা কিছু ডাটা দেখে নেই।
এই ডাটাগুলা AdEspresso এর সব ইউজারদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিলো ২০১৮ সালের৩ মাস পর পর এবং ২০১৯ সালের প্রথম ৩ মাসে।

নিচে একটা সামারির মত করে প্রকাশ করা হলোঃ

✅কনভারশন অ্যাড এ CPC পর পর ৪টি quarters কমেছে, এখানে "Optimizing for conversions with Conversion objective campaigns is recommended" রিকমান্ড করা হচ্ছে।

✅সার্বিক ভাবে Cost per click অ্যাডের খরচ কিছুটা ইফেক্ট ফেলেছে সপ্তাহের একটি দিনে।
রাতের সময়ে CPC রেট কম দেখা গেছে, ট্র্যাফিক কম ছিলো।
✅প্রতিটা লাইকের জন্য খরচ প্রতি মাসে বাড়তে দেখা গেছে ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত।
সপ্তাহের দিন হিসেবে প্রতিটি পেজ লাইকের খরচ পরিবর্তন হতে দেখা গেছে, যেমন শনিবারে একরকম আবার রবিবারে আরেক রকম।

যদিও ২০১৯ শুরু হয়েছে এপ্স ইন্সটল এর ক্ষেত্রে কম খরচ দিয়ে, যেটা ২০১৮ সালের শেষ ভাগে বেশি ছিলো, ২০১৯ এ মাসের ভিত্তিতে খরচ বেড়েছে।

🤔🤔ফেসবুক বিজনেস পেজে দিন দিন রিচ কমে যাচ্ছে???বর্তমান সময়ে যারা ফেসবুক বিজনেস পেজ নিয়ে কাজ করছেন তাদের বেশিরভাগ দের ই এক...
23/01/2021

🤔🤔ফেসবুক বিজনেস পেজে দিন দিন রিচ কমে যাচ্ছে???

বর্তমান সময়ে যারা ফেসবুক বিজনেস পেজ নিয়ে কাজ করছেন তাদের বেশিরভাগ দের ই একটা কমন সমস্যা হল তাদের পেজ এ আর আগের মত রিচ হচ্ছে না। অনেকে অনেক রিচার্স করেও কারন টা খুজে পাচ্ছেন না অনেকেই, তাই আমি কারনগুলো খুজে বের করার চেষ্টা করছি, আপনার যদি এরকম সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে ধৈর্যধরে মনযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

✅ফেসবুকে রিচ ২ ধরনের অর্গানিক রিচ ও পেইড রিচ, চলুন একটু বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক---

অর্গানিক রিচঃ কোনো পেইড ক্যাম্পেইন ছাড়া অর্থাৎ পেজ পোমোট অথাবা পোস্ট বুষ্টের মতো কাজ ছাড়া আপনার পেজ থেকে কত মানুষ আপনার কন্টেন্ট দেখছেন, সেটিকে বলা হয় অর্গানিক রিচ।

এই অর্গানিক রিচ অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। একটি পোস্ট দেওয়ার পর কত মানুষ ক্লিক করছেন, লাইক করছেন, কমেন্ট করছেন সেটির উপর নির্ভর করে পোস্ট টি অন্যজনের কাছে পৌছায়।

অর্গানিক রিচ যত বাড়বে আপনার পেজ তত সাবলীল থাকবে। আপনার কন্টেন্ট অনুযায়ী ক্রেতা বা গ্রাহক পেজে আসবে। অর্গানিক রিচ বাড়লে আপনার ক্যাম্পেইন মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছাবে। একটা সময় পেইড ক্যাম্পেইনেও ক্লিকপ্রতি আপনার খরচ কমে যাবে।

পেইড রিচঃ আপনি যদি কোন পেইড ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে অর্থাৎ পেজ প্রোমোট বা বুষ্টিং করার মাধ্যমে রিচ পান তা হল পেইড রিচ । পেইড রিচ অনেক টাই ব্যায়সাধ্য ব্যাপার। বিশেষকরে নতুনদের কাছে অনেক টায় ব্যায়বহুল।

✅চলুন জেনে নেই রিচ কমার ৫ কারন সম্পর্কেঃ

🔴কারন নাম্বার – ০১-
আপনি শুধু সেল পোস্ট দেনঃ
একটা কথা আমরা সবাই জানি যে ফেসবুক কেউ কিছু কিনতে আসে না! সবাই আসে একটু ভিন্নকিছুর খোজে। কেউ আসে বিনোদন নিতে , কেউ আসে লেটেস্ট নিউজ পড়তে, কেউ আসে কিছু শিখতে। তাই আপনি যখন তাদের সামনে সব সময় সেল পোস্ট দেন তখন তারা বিরক্ত হয়ে যায় এমন কি আপনার পেজ টা আনফলো ও করে রাখতে পারে। নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনার সামনে সবসময় সেল পোস্ট আসলে আপনি কি করেন??
👍সমাধানঃ ডিরেক্ট সেল পোস্ট নয়! অন্যান্য পোস্ট দিয়ে আগে ইংগেজড করুন তারপর ইনফ্লয়েন্স করুন ইনডিরেক্ট সেল পোস্টের মাধ্যমে প্রোডাক্ট কেনার জন্য।

🔴কারন নাম্বার – ০২-
আপনি নিয়মিত পোস্ট আপডেট করেন নাঃ
মনে রাখবেন Content is the King of Marketing! অর্থাৎ কনটেন্ট কে বলা হয় মার্কেটিং এর রাজা। আপনি নিয়মিত পোস্ট না করলে ধিরে ধিরে আপনার পেজের ফলোয়ার দের কাছ থেকে হারিয়ে যেতে থাকবেন আর ফলোয়ার দের কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়া মানে আপনি ফেসবুকের কাছে গুরুত্বহীন! আপনার ফলোয়ার আপনার পেজ কে যত গুরুত্ব দিবে আপনি ফেসবুকের কাছে তত বেশি গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠবেন।
👍সমাধানঃ নিয়মিত পোস্ট করুন , ফলোয়ার দের বাধ্যকরুন লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করতে। গুরুত্বপূর্ন পোস্ট করুন, পেজের ফলোয়ার দের যত বেশি এংগেজড করতে পারবেন ততই আপনার লাভ।

🔴কারন নাম্বার -৩-
আপনি অতিমাত্রায় পেইড ক্যাম্পেইন নির্ভরঃ
যখন আপনি সবকিছু টাকা দিয়ে করে নেওয়ার সামর্থ্য রাখেন তখন কেউ আপনাকে ফ্রিতে কিছু করে দিতে চাইবে না! ফেসবুক ও এমন টাই করে আপনি অতিরিক্তমাত্রায় যখন পেইড ক্যাম্পেইন গুলো করেন (পেজ প্রোমোট, পোস্ট বুষ্ট ) তখন ফেসবুক আপনার অর্গানিক রিচ ধিরে ধিরে কমিয়ে দিতে পারে।
👍সমাধানঃ অনেক বেশি পেইড ক্যাম্পেইন না চালিয়ে অর্গানিক্যালি কাস্টমারের কাছে পৌছানোর চেষ্টা করুন। বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করুন আপনার পেজ সম্পর্কে বলুন

🔴কারন নাম্বার – ৪-
আপনি পেইজে বেশি একটিভ থাকেন নাঃ
কেউ পেজে মেসেজ দিলে কি আপনি সাথে সাথেই রিপ্লাই দিতে পারেন? কেউ আপনার কোন পোস্টের কমেন্ট করলে আপনি কি তৎক্ষণাৎ রিপ্লাই দেন? যদি এসব না করেন থাকেন তাহলেও আপনি ধিরে ধিরে আপনার পেজের ফলোয়ার ও ফেসবুকের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে যেতে পারেন।
👍সমাধানঃ এটা আপনার বিজনেস! সুতারাং এখানে সময় দিতেই হবে, চেষ্টা করতে হবে যত দ্রুত সম্ভব রিপ্লাই দেওয়ার।

🔴কারন নাম্বার – ৫ -
আপনার পেইজটা অগোছালোঃ
ধরুন আপনি শপিং মলে কিছু কিনতে গেলেন সেখানে যেয়ে কেমন ধরনের দোকান থেকে আপনি কিনতে চাইবেন?
যে দোকান সুন্দরকরে সাজানো , ডিসপ্লেতে প্রোডাক্ট সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা , দামের ব্যাপার টা সুন্দর করেন উল্লেখ করা নিশ্চয় এমন দোকানেই যাবেন। অনলাইনেও ব্যাপারটা তেমন ই , আপনি যদি পেইড ক্যাম্পেইন করেও পেইজে কাস্টমার নিয়ে আসেন কিন্তু কাস্টমার আপনার অগোছালো পেইজ দেখলে আপনার কাছে কিনতে চাইবে না।
এভাবে আপনি ধিরে ধিরে আপনার কাস্টমার হারাতে পারেন এমন হতে থাকলে এটা আপনার রিচের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

👍সমাধানঃ পেজ টা আগে সুন্দর করে সাজান, আর পেইড ক্যাম্পেইন চালানোর আগে অবশ্যই আগের পোস্টগুলো তে লাইক কমেন্ট কম থাকলে আগে বাড়ানো চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন যে দোকানে লোকজনের ভীড় বেশি থাকে সবাই সেখান থেকেই কিনতে চায়।

এছাড়াও আরো অনেক কারন থাকতে পারে যেমনঃ- ফেসবুকের অ্যালগরিদমের পরিবর্তন, আপনার পেইজে ব্যাড কন্টেন রাখা,বারবার ফেসবুকের গাইডলাইন ব্রেক করা, পোডাক্ট ফটোগ্রাফির উপর গুরুত্ব না দেওয়া, পেজ কোয়ালিটির উপর নজর না দেওয়া, সঠিক সময়ে পোস্ট না করা ইত্যাদি।

তবে মনে রাখবেন সব সমস্যাই সাময়িক সময়ের জন্য। ধৈর্য ধরে চেষ্টা করুন , ভূল গুলো কোথায় হচ্ছে খুজে বের করার চেষ্টা করুন, অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

✅ ফেসবুক অ্যাডের ৫ ভূল!আমরা সবাই ফেসবুকে অ্যাড দেই অধিক সেল ও অধিক লাভের আশায় কিন্তু আপনার অ্যাড টি যদি ভূলভাবে তৈরি করা...
21/01/2021

✅ ফেসবুক অ্যাডের ৫ ভূল!

আমরা সবাই ফেসবুকে অ্যাড দেই অধিক সেল ও অধিক লাভের আশায় কিন্তু আপনার অ্যাড টি যদি ভূলভাবে তৈরি করা হয়ে থাকে তাহলে আপনার “সে আশায় গুড়ে বালি!”

ভুলভাবে অ্যাড তৈরি করলে যেমন আপনি আশানুরূপ ফল পাবেন না তেমনি হতে পারে ফেসবুকের কুনজরেও পড়ার সম্ভবনা আছে। তাই সঠিক ভাবে অ্যাড তৈরি করুন।
চলুন যেনে নেওয়া যাক ফেসবুক অ্যাডের ৫ ভূল!

#ভূল_নাম্বার ১- সঠিক ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ সিলেক্ট না করাঃ
অনেকেই যে ভূলটা করে থাকেন অ্যাড সেন্টার থেকে বুষ্ট করেন অর্থাৎ ফেসবুকের পোষ্টের নিচে যে বুষ্ট বাটন আছে ওটাতে ক্লিক করে বুষ্ট করেন বিশেষ করে নতুনরা এই কাজ টি বেশি করেন। অ্যাড ম্যানেজার সম্পর্কে না জানার কারনেই অনেকে এমন টা করে থাকেন। আপনি কখনও এমনটা করবেন না সব সময় চেষ্টা করুন এ্যাড ম্যানেজার থেকে ক্যাম্পেইন ক্রিয়েট করার।

আপনার পেইজের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ সিলেক্ট করুন। অনেকেই না জেনেই ফেসবুক এর ডিফল্ট ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ ট্রাফিক সিলেক্ট করে থাকেন যদিও অন্য ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ হয়ত এর চেয়ে বেটার রেজাল্ট দিত।
এখন আপনার পেইজে কি লাইক বাড়ানো দরকার, নাকি এঙ্গেইজমেন্ট? লিড জেনারেট করা দরকার নাকি সেল? আপনি কি ওয়েবসাইট থেকে সেল করতে চাচ্ছেন নাকি সরাসরি দোকান থেকে এসে দেখে মানুষ পন্য কিনুক তা চাইছেন? আপনি কি আপনার এক্সিস্টিং প্রোডাক্ট সেল করতে চাচ্ছেন নাকি প্রি-অর্ডার চাচ্ছেন? এই ধরনের ভিন্ন ভিন্ন অব্জেক্টিভের বিপরীতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের অ্যাড রান করতে হয়। আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ক্যাম্পেইন টা সিলেক্ট করুন।

অ্যাড থেকে ভালো ফলাফলের জন্য সঠিক অবজেক্টিভ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন কারন ভুল অবেজেক্টিভ নির্বাচন করে কখনোই সঠিক রেজাল্ট পাওয়া যাবে না।

#ভূল_নাম্বার ২- সঠিকভাবে টার্গেট অডিয়েন্স সিলেক্ট না করাঃ
টার্গেট অডিয়েন্স সিলেকশন করাটা অনেক ট্রিকি একটা কাজ, আপনি অবশ্যই জানেন সব পন্য সবাই কিনবে না বা আপনি নিজেও সবার কাছে আমভাবে মার্কেটিং করবেন না। তাহলে অবশ্যই একশ্রেণীর ক্রেতা আছে যারা আপনার পন্যটি কিনতে চায় বা আপনিও সেই ক্রেতাশ্রেণীকে খুঁজে বের করতে চান। কিভাবে টার্গেট কাস্টমার সেট করবেন- আপনার প্রোয়োজন অনুযায়ী আপনার লোকেশন, এইজ, জেন্ডার, ডেমোগ্রাফিক, লাইক ইত্যাদি সিলেক্ট করুন।
মনে রাখবেন কখনই অনেক বেশি বা অনেক কম অডিয়েন্স টার্গেট করবেন না।

অনেক বেশি টার্গেট সিলেক্ট করলেও যেমন আপনার সঠিক ক্রেতার কাছে আপনার অ্যাড পৌছানোর সম্ভবনা কম তেমনি অনেক কম টার্গেট করলেও তেমন টি ই হতে পারে। তাই খুব সতর্কতার সাথে সঠিক অডিসেন্স টার্গেট করুন।
না পারলে এক্সপার্টের পরামর্শ নিন।

#ভূল_নাম্বার ৩ - অ্যাডে ভিন্ন কিছু অফার না করাঃ
আপনি যদি আপনার অ্যাডে ভিন্ন কিছু না রাখেন তাহলে আপনার অ্যাড ফেইল করার সম্ভবনা অনেক বেশি থাকবে। আপনি যদি কোন প্রোডাক্ট এর অ্যাড দেন তাহলে আপনার অ্যাডের মধ্যে কিছু ভিন্নতা থাকা প্রোয়োজন। হতে পারে এটা মার্কেটে বেস্ট প্রাইস প্রোডাক্ট, হতে পারে আপনার প্রোডাক্টে এক্সট্রা ফিচার আছে, হতে পারে এটা খুব সুন্দর ভাবে ডিজাইন করা একটা পোডাক্ট কিন্তু মনে রাখবেন অবশ্যই আপনাকে কিছু না কিছু অফার করতেই হবে আপনার অ্যাড সাকসেসফুল করতে তাছাড়া কেউ আপনার অ্যাডে কোন একশন নিবে না।

#ভূল_নাম্বার ৪ - প্রোডাক্টের ভিডিও/ছবির দিকে নজর না দেওয়াঃ
অ্যাডের ফলাফল সবথেকে বেশি যে জিনিসটির উপর নির্ভর করে তা হলো অ্যাডের প্রোডাক্টের ছবি/ভিডিও ঊদ্দেশ্যের ভিন্নতায় অ্যাডের কন্টেন্ট-ও ভিন্ন হতে হয়। আপনার সেবা বা পন্যের জন্য যে ধরনের মিডিয়া (লেখা/ছবি/ভিডিও) ব্যবহার করছেন তার উপর অ্যাডের সফলতা নির্ভর করে অনেকাংশে। বর্তমানে ক্রেতারা আর্টিফিসিয়াল/এডিটিং ছবির চেয়ে যেসব ছবি দেখতে একেবারে ন্যাচারাল লাগে সেগুলোতেই বেশি আকৃষ্ট হয়।তাই ছবি এমন ভাবে তোলার চেষ্টা করুন যাতে ছবি দেখতে একেবারে ন্যাচারাল মনে হয়।

#ভূল_নাম্বার ৫ - সঠিক বাজেট নির্ধারন করতে না পারাঃ
অনেক টাকা ব্যয় করলেই সেল আসবে এই ধারণাটা যেমন ভুল তেমনি অনেক কম অর্থ ব্যয়ে অনেক সেল আশা করাটাও ভুল। অ্যাডের ধরন ও উদ্দেশ্য বিবেচনা করে অ্যাডের জন্য সঠিক বাজেট নির্ধারন করতে হবে। এক্ষেত্রেও অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিয়ে অ্যাড রান করা উত্তম হবে। বর্তমানে দিনের পর দিন ফেসবুকে যেভাবে অ্যাডের পরিমান বাড়ছে তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাজেট বেশি রাখতেই হবে। এবং বাজেটের সাথে অ্যাডটি কতদিন ধরে চলবে সেটাও সমপরিমান গুরুত্বপূর্ণ। ফেসবুককে সময় দিতে হবে আপনার অ্যাডটি সঠিক অডিয়েন্সের কাছে পৌঁছানোর। অনেক ই দেখা যায় ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ফলাফল না পেয়ে অ্যাড বন্ধ করে দিতে চায়। এত দ্রুত ফলাফল আশা না করে ধৈর্য ধরে কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে তবেই আশানুরূপ ফল পাওয়া সম্ভব।

বেশ কিছুদিন ধরেই হয়ত লক্ষ্য করছেন, আপনার ফেসবুক পেজটির রিচ আগেরমতো নেই।বুষ্ট করলেও আগেরমতো সেল আসছে না। হয়ত আপনার কাছে অ...
20/01/2021

বেশ কিছুদিন ধরেই হয়ত লক্ষ্য করছেন, আপনার ফেসবুক পেজটির রিচ আগেরমতো নেই।

বুষ্ট করলেও আগেরমতো সেল আসছে না। হয়ত আপনার কাছে অভিযোগও এসেছে, যে আপনার ক্লায়েন্টরা আপনার পেজের পোস্ট তাদের হোমপেজে পাচ্ছে না। অথচ আপনি কিন্তু পেজ থেকে প্রতিনিয়তই নিত্যনতুন পোস্ট দিয়ে যাচ্ছেন। তাহলে সমস্যাটা কোথায়?
চলুন ফেসবুক এর সমস্যাগুলোর এর খুঁটিনাটি জেনে নিই আজ!

গত আপডেটে ফেসবুক তাদের অ্যালগরিদমে বেশ বড়সড় পরিবর্তন আনে। এর কারণে আপনার পেজের কোন পোস্ট আপনি যদি টাকা খরচ করে প্রমোট না করে থাকেন, তবে আপনার ভক্তদের প্রতি ১০০ জনে মাত্র ১৬ জন আপনার পোস্ট দেখবে। কষ্টের ব্যাপার হল বিগত কয়েকদিনে এর হার আরও কমে এখন মাত্র ৬.৪ শতাংশে এসে ঠেকেছে।

হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। ফেসবুক তাদের অ্যাডের ব্যবসা লাভজনক করতে উঠেপড়ে লেগেছে। টাকা দিয়ে অ্যাড না কিনলে এখন পোস্টের প্রচার প্রসার হয়ে গেছে দুঃসাধ্য। কিন্তু এখানেও রয়েছে একটা সমস্যা। ফেসবুকের নতুন এলগরিদম এবং এড ইউনিক এড কনটেন্ট প্রমোটিং এর সিস্টেমে টাকা খরচ করলেও আশানুরুপ ফলাফল আসছে না।

ফেসবুকের নতুন সিস্টেমে তারা ইউনিক আর মোস্ট এংগেজিং পোস্টগুলোকে প্রমোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আপনার পোস্ট যদি তাদের এড পলিসির সাথে কনফ্লিক্ট হয় তবে রেজাল্ট আশানুরুপ আসবে না এটাই স্বাভাবিক। ফেসবুকের এড পলিসি নিয়ে আমার সম্পুর্ণ বাংলায় করা একটি ফ্রি পিডিএফ আছে যা কালেক্ট করতে পড়তে পারেন।
ফেসবুকের এই সমস্যার জন্য যেসব বড় প্রতিষ্ঠানের ফ্যানবেজ অনেক বড়, তাদের জন্য ব্যাপারটি সুবিধাজনক হলেও, স্বল্পসংখ্যক ফ্যানবেজ সমৃদ্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ফেসবুকের এই অ্যাড কতটা লাভজনক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

তাই এখানে বেশ কিছু পদ্ধতি ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ফলো করে আগাতে হবে। চলুন জেনে নিই একটি এডকে এফেক্টিভ করে তুলতে কি ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়।

১) সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা।
এডভার্টাইজিং এর ক্ষেত্রে এফেক্টিভ রেজাল্ট চাইলে প্রথমেই আপনাকে এফেক্টিভ অডিয়েন্স সিলেক্ট করতে হবে। ধরুন আপনি বাচ্চাদের খেলনাসামগ্রী নিয়ে কাজ করছেন। এক্ষেত্রে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স কারা? নিশ্চয় বাচ্চাদের বাবা-মা। আপনি যদি গড়পড়তা সবাইকে টার্গেট করে দেন তবে ছেলেবুড়ো, অবিবাহিত, ছাত্রছাত্রী কুমারী থেকে শুরু করে করে সবাই দেখবে। এতে করে আপনার সেল আসার আগেই বড় ধরনের একটি বাজেট কনজিউম হয়ে গেলো। বুষ্ট পলিসিতে বিষয়টি বুঝা যাক, ধরুন আপনার প্রোডাক্টস এর মার্কেটিং এর জন্য বাজেট ১০০ ডলার। এই ১০০ ডলারে আপনি প্রায় ৩০ হাজার (কমবেশী হতে পারে) মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্টস এর এড রিচ করতে পারছেন। এখন এই ৩০ হাজার মানুষ যদি রেন্ডমলী সিলেক্ট করেন তবে এখানে প্রকৃত আগ্রহী পাবেন সর্বোচ্চ ২০০০ জন। এর মধ্যে আপনার প্রোডাক্টস কিনবে শতকরা ৫% বা র্তাও কম। এখানে প্রায় বিশাল সংখ্যক অডিয়েন্স হারাচ্ছেন একমাত্র প্রোপার টার্গেটিং করতে না পারায়। ফলাফল? অতিরিক্ত মার্কেটিং খরচ আর দিনশেষে বিজনেসে লস।

২) ফাস্ট এবং প্রপারলী রেসপন্স
শুধু টাকা খরচ করে বুষ্ট করলেই আপনার সেল চলে আসবে এরকমটা ভাবলে আপনি ভুলের সাগরে বাস করছেন। একজন সম্ভাব্য ক্রেতা যদি আপনার পেইজে একবার নক করে ইন্সট্যান্ট সাপোর্ট না পায় তবে আপনার পেইজে তার একটি নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট কাজ করে। আমাদের ডোমেইন এবং হোষ্টিং প্রতিষ্ঠান সুবাহোষ্ট এ আমরা একটি এক্সপেরিমেন্ট চালিয়েছিলাম, ২৪ ঘন্টাই ইন্সট্যান্ট সাপোর্ট থাকায় ৭ দিনের দৈনিক সেলের প্রায় ৬০% সেলের মূল কারণ ছিলো ফার্স্ট রেসপন্স। আমরা ফাস্ট রেসপন্স এবং এর কার্যকরিতা বুঝলাম কিন্তু প্রোপারলী রেসপন্সটা আসলে কি। ধরুন আপনি এই আর্টিকেল পড়ে ফার্স্ট রেসপন্সের উপকারিতার জন্য আপনার পেইজে দুজন লোক রাখলেন যারা শুধু রিপ্লাই করবে। এখন কাস্টোমার যদি কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে প্রপার উত্তর না পায় এবং আপনার রাখা লোকগুলো যথেষ্ট এডুকেটেড না হয় তবে হীতে বিপরীত হতে পারে। ভুলভাল রেসপন্সের কারনে আপনার অডিয়েন্সেরে কাছে আপনার পেইজ সম্পর্কে একটি খারাপ অভিজ্ঞতা তৈরী হবে যা কখনোই কাম্য নয়।

৩) এড রিভিউ, কিওয়ার্ডস সিলেকশন
একটি এড পাবলিশ করার পর যদি সেটি যাচাই করে রেজাল্টের উপর বেইস করে কিওয়ার্ড, লোকেশন এবং স্পিøস্ট টেস্ট এর মাধ্যমে যাচাই করেন তবে আপনার এড পারফরম্যান্স ডে বাই ডে গ্রো করা সম্ভব এবং আপনিও আপনার অডিয়েন্স এবং যাবতীয় বিষয়ে সম্যক একটি ধারনা পাবেন। শুধু এড বুষ্ট করলেই বাজেট অপটিমাইজশেন করা সম্ভব হয় না, নিজেই অপটিমাইজেশন না করে ভাগ্য আর ফেসবুককে দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই, দিনশেষে আপনারই লস। তবে আপনি যদি একজন প্রফেশনাল মার্কেটিং দিয়ে পেইজের কাজ করান তবে এই বিষয়টি নিয়ে ভাবার প্রয়োজন নেই, তিনিই সবকিছু যাচাই করে কোষ্ট কমিয়ে আনার কাজ করবে।

এছাড়াও আপনার নিজের বাজেট ঠিকভাবে বণ্টন করা লাগবে। আপনি যতটুকু প্রচার প্রসারের আশায় ফেসবুকে বিনিয়োগ করছেন সেটার আশানুরূপ ফলাফল নাই আসতে পারে। তাহলে কি ফেসবুক মার্কেটিং থেকে ভালো কিছু সম্ভব নয়?

না, সেটা ভাবাটা আসলে ভুল। সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ ফেসবুকে মার্কেটিং থেকেও আপনাকে এনে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য! চলুন জেনে নিই এমন কিছু কৌশল সম্পর্কে।

কনটেন্ট নিয়ে কাজ করা:
আপনার পোস্ট কতটুকু ভাইরাল হবে বা রিচ করবে, তার অনেকটাই নির্ভর করবে পোস্টের গুণাগুণের ওপর। মানুষকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো জ্ঞানসমৃদ্ধ কিন্তু সহজ পোস্টের বিকল্প নেই। তবে একটা ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে-কোনভাবেই যেন পোস্ট দেখে মনে না হয় যে এটা বিজ্ঞাপন। কনটেন্ট তৈরির সময়ে এ দুটো বিষয় খেয়াল রাখলেই আপনার পোস্ট হয়ে যেতে পারে জনপ্রিয়!

আপডেট নেবার জন্য ফলোয়ারদের উৎসাহ দেওয়াঃ
যখনই আপনার পেজের পোস্টগুলো মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে যাবে, কিংবা আপনার বিক্রি করা পণ্যটি হয়ত মানুষের বেশ পছন্দের, তখন আপনি তাকে চাইলে সাবস্ক্রাইব করার প্রস্তাব দিয়ে দেখতে পারেন। বা কিছু ফ্রি রিসোর্স শেয়ার করতে পারেন। যেমন আমি আপনাদের জন্য রাতজেগে কষ্ট করে দুটো মার্কেটিং বই লিখেছি এবং সেগুলো সম্পুর্ণ ফ্রিতে বিলাচ্ছি। এতে করে যখন আপনি আমার বইগুলো পড়ছেন, নতুন কিছু শেখার পাশাপাশি আমাকেও চিনলেন- জানলেন। ঠিক একইভাবে আপনার প্রোডাক্টসগুলোও মানুষকে চেনাতে হবে।

এক জায়গায় নির্ভরশীল হয়ে না থাকাঃ
আপনি যদি শুধুমাত্র ফেসবুকের উপরই আপনার বিজনেস পরিচালনা করেন তবে ফেসবুক এড কোষ্টিং বাড়ালেও আপনাকে সেই বাড়তি কোষ্ট দিয়েই মার্কেটিং করতে হবে। নানান সময় এড একাউন্ট ডিজেবল বা পেইজ রেস্ট্রিটেড হলে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে। এজন্য শুধুমাত্র একটি ফেসবুক পেইজের উপর নির্ভরশীল না হয়ে ওয়েবসাইট, গুগল বিজনেস এর মাধ্যমেও প্রচার করতে পারেন। ফেসবুকের এড কোষ্টিং এর কারণে আমরা এখন গুগলে এড রান করি, অনেক বেশী এফেক্টভি রেজাল্ট পাচ্ছি যা শুধুমাত্র ফেসবুককেন্দ্রিক বিজনেস হলে হতো না।

পোস্টের ধরণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাঃ
ধরুন আপনি সবসময় আপনার পেজে থেকে ভিডিও পোস্ট করে থাকেন। মাঝেমাঝে তাহলে ছবি শেয়ার করেই দেখুন কী হয়! কখন পোস্ট করছেন, কতজন দেখছে বা দেখবে এই হিসাবটা রাখাও জরুরি। আর কোন ছবি ভালো রিচ পেলো সেই ছবিটির সাইজ, ছবির কন্টেন্ট ও মাথায় রাখতে পারেন পরবর্তী যেকোন পোস্ট দেওয়ার সময়।

ফেসবুক পেইজে আপনার অনলাইন স্টোরের লিংক দিয়ে দেওয়াঃ
ফেইসবুক পেইজে আপনি চাইলে আপনার অনলাইন স্টোরের লিংক দিয়ে দিতে পারেন। আপনার পেইজে লোকজন যখন আপনার প্রোডাক্ট খুঁজতে থাকে অনেক সময়ই তারা হারিয়ে যান। তাদের জন্য এই কাজটি সহজতর করতে আপনি চাইলে এই রকম নিচের ছবির মত অনলাইন স্টোর ট্যাব অ্যাড করে দিতে পারেন আপনার ফেসবুক পেইজ এ।

ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে প্রচারঃ
আজকালকার দিনে ফেসবুক গ্রুপ একটি অন্যতম আড্ডাস্থল। আপনি চাইলেই বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে আপনার পণ্য সম্পর্কে পোস্ট দিয়ে আরও মানুষকে সচেতন করে তোলে। সবচেয়ে ভালো হয়, আপনার পণ্য যে ধরনের, সে ধরনের পণ্যের গ্রুপে আপনার পণ্যের প্রচার চালানো। ভালো হয় যদি কোন প্রশ্ন করে অথবা সাধারণ কোন প্রোডাক্ট সম্বন্ধীয় আলোচনা দিয়ে ব্যবহারকারীদের কে এনগেজ করতে পারেন।

মোবাইলের উপর অত্যাধিক গুরুত্ব দেওয়াঃ
প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ ফেসবুক মোবাইলে চালায়। তাই যেসব কনটেন্ট বা লিঙ্ক মোবাইলের জন্য বেশি উপযোগী সেগুলো নিঃসন্দেহে ভালো প্রচার পাবে। তাই পোস্ট প্রমোশনের সময় দেখে নিন সেটি ডেস্কটপ, মোবাইল বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কেমন দেখাবে।

তবে এসবকিছুর কোনটাই যদি আশানুরূপ ফল আপনাকে এনে দিতে না পারে তাহলে অন্য কোন প্ল্যাটফর্মে চেষ্টা করাটাই ভালো। গুগল+, পিন্টারেস্ট কিংবা ইনস্টাগ্রাম। আর নিতান্তই যদি ফেসবুকে করতে হয়, তবে খরচের প্রস্তুতি নিয়ে তবেই মাঠে নামা উচিৎ।

Address

Gulshan 1
Dhaka
1212

Telephone

+8801759275292

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EBoost Consulting Service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share