Harmonic Nest

Harmonic Nest Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Harmonic Nest, Social Media Agency, Dhaka.

31/05/2020

Schedule all your social media posts and save tons of time, get a free month via my referral link vía https://pst.cr/K2HwM

19/04/2020

পাশ দিয়ে করোনা সংক্রমিত ব্যক্তি গেলেই জানিয়ে দেবে অ্যাপ!

প্রায় আড়াই মাস আগের কথা। গত ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে ‘বিশ্বব্যাপী আপৎকালীন পরিস্থিতি’ ঘোষণা করে। সে দিনই ইসরায়েল চীন থেকে সমস্ত ফ্লাইট বন্ধ করে দেয়। কয়েক দিনের মধ্যে ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায় এশিয়ার সংক্রমিত অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও। কিন্তু ততদিনে সংক্রমণের বীজ বপনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

ইসরায়েলে প্রথম সংক্রমিতের খবর আসে ২১ ফেব্রুয়ারি। তিনি জাপান থেকে এখানে এসেছিলেন। তবে সংক্রমিতের সংখ্যা যত বেড়েছে, ইসরায়েল ততই বহির্বিশ্ব থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছে।

ইসরায়েলে যখন সংক্রমিতের সংখ্যা ৫০, তখন বিদেশ থেকে আসা সকলের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হয়। ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাকে মহামারী ঘোষণা করার পরই ইসরায়েল আরও কড়া নিয়মকানুন জারি করে এবং মার্চের মধ্যে এ সেদেশেও লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়।
বিভিন্ন দেশ করোনা সংক্রমণ রুখতে নানা রাস্তা বেছে নিয়েছে।

তবে লকডাউন ও পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়া বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করে এই মহামারীর মোকাবেলা করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল। কেমন সেই প্রযুক্তি?

মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে করোনা-সংক্রমিত ব্যক্তিদের বর্তমান অবস্থা এবং গত ১৪ দিনে তাদের ভৌগোলিক অবস্থান ও গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করতে থাকে যাতে মানুষজন সচেতন হয় এবং সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব হয়।

১৪ মার্চ ইসরায়েল সরকার ‘ট্র্যাক ভাইরাস’ নামে একটি অ্যাপের কথা ঘোষণা করে, যেটাতে সংক্রমিত ব্যক্তিদের অবস্থান দেখানো হবে। এই অ্যাপ যেকোনও ইসরায়েলি তার মোবাইল ফোনে রাখতে পারেন। অ্যাপটি ‘ইনস্টল’ করার সঙ্গে সঙ্গে ফোন ব্যবহারকারীর গতিবিধির উপরে নজর রাখা হবে। এই ব্যক্তি যদি নিজের অজান্তে কোনও সংক্রমিত ব্যক্তির আশপাশে আসেন তা হলে তখনই তাকে সতর্ক বার্তা এবং কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

এই ধরনের প্রযুক্তির সাহায্যেই বিভিন্ন দেশ আততায়ীদের ফোন ট্র্যাক করে ও তাদের শ্রীঘরে পাঠায়।

এই প্রযুক্তির সাহায্যে এখানে সংক্রমিত ব্যক্তিদের ট্র্যাক করে তাদের সংক্রমণ ধরা পড়ার আগের দু’সপ্তাহ ধরে তারা যে সমস্ত মানুষের সংস্পর্শে এসেছিল তাদের খুঁজে বের করা হচ্ছে এবং তাদের কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং বিরোধীরা এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিরুদ্ধে সরব হলেও এটি আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবেলা করার জন্য এই প্রযুক্তি যথেষ্ট কাজে দিয়েছে বলেই অনেকে মনে করছেন।

আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন। পেইজটিকে Like দিবেন; যাতে আমরা উৎসাহ পাই এবং আপনাদেরকে আরও ভালো ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিতে পারি। সকল কে ধন্যবাদ শুভকামনা রইল।

18/04/2020

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে নাজেহাল পুরো বিশ্ব। মৃত্যুর মিছিল যেন থামছে না। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। প্রতিটি রাষ্ট্র যুদ্ধ করছে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশেও সম্প্রতি করোনা ভাইরাস তার উপস্থিতি জানান দিয়েছে।

তাই করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে সরকারি নির্দেশনায় সারা দেশে প্রায় সকল প্রকারের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম বন্ধ আছে। যার ফলে ঘর বন্ধি দেশের মানুষ।
ঘর বন্ধি ও অসহায় কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের মাঝে সারা দেশের মত সরকারি প্রশাসন ও ব্যক্তিগত এস.এস. তহবীল থেকে ত্রাণ বিতরণ করছে বিত্তবান শ্রেণী ও বিভিন্ন তরুন যুব ঐক্য সমাজের নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।
এদের পাশাপাশি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এস.এস উদ্যোগেও প্রায় ২ শতাধিক কর্মহীন অসহায় ও হত দরিদ্র মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে চরফ্যাশন উপজেলা কুতুবগঞ্জ,বেতুয়া,আসলামপুর ও পৌর এলাকায় এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। চরফ্যাশন বাজারের ব্যবসায়ী আমির হোসেন দুলাল,আলী মুরতুজা, মো. রিফাত হোসেনসহ অন্যান্যরা মিলে ৫০টি পরিবারের মাঝে, এবং বন্ধু মহল থেকে
তানবির,রাফিদ,রিফাত,ইজাজ,রাকিব ও সজিব মিলে ৮০টি পরিবার ও বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মরহুম ইলিয়াস মিয়ার দুই ছেলে সাইফুর রহমান সাব্বির ও নাইমুর রহমান সাকিব মিলে ৭০টি পরিবারের মাঝে চাল,ডাল,তৈল ও লবন বিতরণ করেন। সকলের ব্যক্তিগত ও যৌথ ত্রাণ বিতরণের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপজেলা প্রশাসন। ত্রান বিতরণকারিরা জানান, আমরা আমাদের জায়গা থেকে স্থানিয় গড়িব অসহায় ও কর্মহীন মানুষের এক মুঠো খাবারের যোগান দেওয়ার চেষ্টা করেছি, সমাজের প্রত্যেক শ্রেণী পেশার ও বিত্তবানরাও যেন তাদের পক্ষ থেকে সমাজের কর্মহীন মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন। পেইজটিকে Like দিবেন; যাতে আমরা উৎসাহ পাই এবং আপনাদেরকে আরও ভালো ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিতে পারি। সকল ধন্যবাদ শুভকামনা রইল।

গরিব মানুষ কত বাড়বেকোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের প্রায় ৫৫ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাবে বল...
18/04/2020

গরিব মানুষ কত বাড়বে

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের প্রায় ৫৫ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চ্যারিটি সংস্থা অক্সফাম বলছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ আশঙ্কা সত্যি হয়ে যাবে। আর এই পরিমাণ মানুষ হচ্ছে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ।

সূত্র: অক্সফাম
সূত্র: অক্সফাম
কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের প্রায় ৫৫ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চ্যারিটি সংস্থা অক্সফাম বলছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ আশঙ্কা সত্যি হয়ে যাবে। আর এই পরিমাণ মানুষ হচ্ছে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ।

অক্সফাম বলছে, পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ, অর্থাৎ ২০ শতাংশ আয় কমলে সব মিলিয়ে বিশ্বের ৫৪ কোটি ৭৬ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ২৪ কোটি মানুষই পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের। এর পরেই আছে দক্ষিণ এশিয়া। এখানকার প্রায় ১৩ কোটি মানুষ করোনাভাইরাসের কারণে দরিদ্র হয়ে যাবে বলে অক্সফামের গবেষণায় বলা হয়েছে।

অক্সফাম অবশ্য তিনভাবে গবেষণাটি করেছে। সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত আয় কমলে দিনে ১ দশমিক ৯০ ডলার আয় করে, এমন দরিদ্র মানুষের মধ্যে নতুন করে যুক্ত হবে ৪৩ কোটি ৪৪ লাখ। এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়াতেই ২২ কোটি ৯৮ লাখ। আবার ৩ দশমিক ২০ ডলার আয় ধরলে নতুন করে দরিদ্র হবে ৬১ কোটি ১৮ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় হবে ২৭ কোটি ৯৬ লাখ। আর সাড়ে ৫ ডলার ধরলে সেই সংখ্যা ৫৪ লাখ ৭৬ হাজার। পরিস্থিতি এ রকম হলে ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম দারিদ্র্য পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। এ সময় থেকে সারা বিশ্ব যে অগ্রগতি করেছিল, তা পুরোই নষ্ট হয়ে যাবে।

জাতিসংঘ আগেই সাবধান করে দিয়েছিল যে কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা দিতেই আড়াই ট্রিলিয়ন (এক হাজার বিলিয়ন ডলারে এক ট্রিলিয়ন, আর ১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলার লাগবে। জাতিসংঘ আরও মনে করে, বর্তমান সংকটের কারণে পুরো আফ্রিকার অর্ধেক কর্মসংস্থানই হয়তো নষ্ট হয়ে যাবে। এ অবস্থায় সব পক্ষই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।

আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে অবশ্যই শেয়ার করবেন। পেইজটিকে Like দিবেন; যাতে আমরা উৎসাহ পাই এবং আপনাদেরকে আরও ভালো ভালো এবং গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিতে পারি। সকল ধন্যবাদ শুভকামনা রইল।

Address

Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:30
Tuesday 10:00 - 19:30
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:30
Saturday 10:00 - 19:30
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801941099667

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Harmonic Nest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Harmonic Nest:

Share