BORAX আয়ুর্বেদ হাউজ

BORAX আয়ুর্বেদ হাউজ স্বল্পমূল্যে ও 100% খাঁটি পণ্য।

আপনার টাইল লাইনে রেখে দিন কাজে লাগবে একটা সময়।না হয় আমাদের পেজ টা লাইক করে রাখুন
11/09/2020

আপনার টাইল লাইনে রেখে দিন কাজে লাগবে একটা সময়।না হয় আমাদের পেজ টা লাইক করে রাখুন

[ অর্শ বা পাইলস রোগের স্থায়ী সমাধান ]     🌿আয়ুর্বেদীক চিকিৎসাই🌿💉অপারেশন ছাড়া অর্শ বা পাইলস ভালো হয়।অর্শ বা পাইল্স একটি  ...
24/07/2020

[ অর্শ বা পাইলস রোগের স্থায়ী সমাধান ]
🌿আয়ুর্বেদীক চিকিৎসাই🌿
💉অপারেশন ছাড়া অর্শ বা পাইলস ভালো হয়।
অর্শ বা পাইল্স একটি জঠিল এবং যন্ত্রনাদায়ক রোগ, এই ভয়ংকর রোগে যিনি আক্রান্ত হয়েছেন তিনিই বলতে পারবেন জীবন কতটা কষ্টদায়ক।

✒✒কি কি সমস্যা হলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি এই যন্ত্রনাদায়ক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন-
• মলদ্বারে গেজ হওয়া ।
• মলত্যাগে খুবই যন্ত্রনা হওয়া।
• মলত্যাগের সময় তাজা রক্ত পরা।
• মলত্যাগের মলদ্বার প্রচন্ড জ্বালাপোড়া করা।
• মলদ্বার ফুলা ফুলা মনে হওয়া।
• মলদ্বারে চুলকানি হওয়া।
• কোষ্ঠ-কাঠিন্য হওয়া (মল শক্ত হওয়া)।
• কোমড়ে ব্যথা হওয়া।
• লিভারে সমস্যা দেখা দেওয়া।
• শরীর দূর্বল লাগা।
• মলত্যাগের সময় চোখে পানি আসা।
• শরীরে জ্বর জ্বর অনুভব হওয়া।

🎤উপরে উল্লেখিত সমস্যাগুলোর যেকোন একটি আপনার থেকে থাকে তাহলে অতি দ্রুত চিকিৎসা নিন।

🚑আমাদের চিকিৎসার নিয়মঃ
সম্পূর্ন আয়ুবেদিক পদ্ধতিতে গাছ গাছড়া দ্বারা তৈরী ঔষধ আপনি 21 দিন সেবনে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবেন ইনশা আল্লাহ।

📦আপনাকে যা যা দেওয়া হবে
১/পাউডার
২/গাছ ২১ টুকরো আর
৩/ অয়েল

🔥🔥আপনার খরচ পরবেঃ- 950 টাকা - ডেলিভারী চার্জ ফ্রি।

📲যোগাযোগঃ ইনবক্স করতে পারেন অথবা কল করুন এই নাম্বারেঃ 01303403469

(সৃষ্টির সেবাই স্রষ্টার সেবা)

পেটের গ্যাসের সমাধান এখন সম্পূর্ন ভৈষজ উপায়েমাত্র একমাস সেবনে গ্যাস্টিককে চিরতরে বিদাই বলুনকথায় বলে ভূঁড়ি ঠিক তো মুড়ি ঠি...
16/11/2019

পেটের গ্যাসের সমাধান এখন সম্পূর্ন ভৈষজ উপায়ে

মাত্র একমাস সেবনে গ্যাস্টিককে চিরতরে বিদাই বলুন

কথায় বলে ভূঁড়ি ঠিক তো মুড়ি ঠিক। ভূঁড়ি হচ্ছে পেট, মুড়ি হচ্ছে মাথা। পেট ঠিক তো মাথা ঠিক। পেট ও মাথা ঠিক না থাকলে পুরা দেহ অচল। তাই আগে পেটের বিমার দুর করুন সব ঠিক হয়ে যাবে।

অর্ডার করতে আমাদের মেসেজ করুন
অথবা কল করুন :- 01303403469
দাম - ৫০০ টাকা ( এক মাসের কোর্স )

পেটে গ্যাস জমলে ঐ গ্যাস বুকে চাপ দেয়। ফলে ঘার পিঠ ব্যথা করে, মাথা ঘুরায়, বমি বমি ভাব লাগে, পেটের পচা গ্যাস মুখ দিয়ে বের হলে গলা জ্বলে, ঝাঝালো গন্ধ আসে, মুখে চুকা টক বা তিতা রস আসে।

একটি প্রচলিত বাক্য আছে-
"সকাল বিকাল নিকাল যায়, তার কড়ি বৈদ্যে না পায়" অর্থাৎ যে ব্যক্তির নিয়মিত সকালে ও বিকালে স্বাভাবিক ভাবে মলত্যাগ হয়, তাহাকে সচরাচর রোগে আক্রমন করতে পারে না। ফলে চিকিৎসক তাহার নিকট হইতে অর্থ পায় না। ডাক্তারের কাছে গেলে দেখবেন আগে জিজ্ঞাসা করে আপনার পায়খানা প্রস্রাব কেমন হয়, ক্লিয়ার নাকি? কারন এর উপরেই রোগের মুল তথ্য অনেকটা খুজে পাওয়া যায়। পেটের বিমারে প্রথমেই আসে কোস্টকাঠিন্যের কথা। এ থেকেই যত সমস্যা বা রোগের উৎপত্তি।

উপকারিতা:-

লিভারের সমস্যা দুর হবে, গ্যাসটিক, গলাবুক জ্বলা, বদ হজম, পেট ফাপা, আমাশা, পেট ব্যথা, মুখে রুচি নাই, যার জন্য খাইতে পারে না তাই স্বাস্থও হয় না, পেট ব্যথা, সমস্ত শরীর ব্যথা,। পাউডারটা নিয়ম করে খেলে আর গ্যাসটিকের সমস্যা থাকবে না।

আমরা সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি কুরিয়ার এর মাধ্যমে নিতে হবে

(১২০ টাকা ডেলিভারী চার্জ)

"অশ্বগন্ধা চূর্ণ"অশ্বগন্ধা আমাদের স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী একটা ঔষধী গাছ।অশ্বগন্ধাকে এডাপ্টোজেন বলা হয়, এর অর্থ হল অশ্...
15/11/2019

"অশ্বগন্ধা চূর্ণ"

অশ্বগন্ধা আমাদের স্বাস্থের জন্য খুবই উপকারী একটা ঔষধী গাছ।

অশ্বগন্ধাকে এডাপ্টোজেন বলা হয়, এর অর্থ হল অশ্বগন্ধা আমাদের মানষিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়াও অশ্বগন্ধা আমাদের মস্তিষ্ক এবং শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
অশ্বগন্ধা সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ “ঘোড়ার গন্ধ”, অশ্বগন্ধার গন্ধ অনেকটা ঘোড়ার মত আর ঘোড়ার মত শক্তিবর্ধক।

এটার বৈজ্ঞানিক নাম হল, “Withania Somnifera” এটা ইন্ডিয়ান জিনসেং বা উইন্টার চেরি নামেও পরিচিত।

কার্যকারিতা:

১/ রক্তের সুগার কমাতে অশ্বগন্ধা:
বেশকিছু গবেষণাতে দেখা গেছে অশ্বগন্ধা রক্তে সুগার কমাতে সাহায্য করে।
অশ্বগন্ধা ইনসুলিন লেভেল এবং পেশীর কোষে ইনসুলিন এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

২/ কর্টিসোল এর লেভেল কমাতে অশ্বগন্ধা:
কর্টিসোল স্ট্রেস হরমোর নামে পরিচিত, কারণ যখন আমাদের শরির কোন মানষিক চাপে থাকে বা রক্তে সুগারের লেভেল কমে যায় তখন এডরেনাল গ্ল্যান্ড কর্টিসোল রিলিজ করে।

৩/ অশ্বগন্ধা আপনার হতাশা, দুঃচিন্তা আর মানষিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এসব কম থাকলে মনযোগ বৃদ্ধি পাবে স্বাভাবিক। ঠিক এ কারণেই মনোযোগ বাড়ানোর জন্য অশ্বগন্ধা ব্যবহার হয়ে থাকে।

৪/ অশ্বগন্ধা কোলেস্টেরল আর ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৫/ অশ্বগন্ধা টেস্টোস্টেরন বাড়াতে এবং ছেলেদের ফার্টিলিটি বাড়াতে সাহায্য করে। মাসল বিল্ড করতে টেস্টোস্টেরন খুবই জরুরী একটা হরমোন। তাই যারা মাসল বিল্ড করতে চায় তাদের জন্য অশ্বগন্ধা যথেষ্ট উপকারী বলা চলে।

৬/ অশ্বগন্ধা মনোবল, সহনশীলতা, শক্তি এবং পেশী বাড়াতে সাহায্য করে।

৭/ অশ্বগন্ধা আপনার ইমিউন সিস্টেম বুষ্ট করতে সাহায্য করে।

৮/ ঘুমের সমস্যা সমাধানে অশ্বগন্ধা।

সতর্কতা: গর্ভবতী কেউ অশ্বগন্ধা খেতে পারবেনা। অশ্বগন্ধা গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

পরিমাণ ও মূল্য:
১৫০ গ্রাম- ৫০০ টাকা।
২৫০ গ্রাম- ৭০০ টাকা।
৫০০ গ্রাম- ১২০০ টাকা।
+ কুরিয়ার চার্জ ১০০ টাকা।

* ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠানো যাবে, অর্থাৎ পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।

অর্ডার করতে আপনার নাম এবং ফোন নাম্বার ইনবক্সে মেসেজ করুন।

ধন্যবাদ।

শুধু সাধারণ রুগীর খাবার হিসেবে নয়, কিছু জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাঁচা কলার কোনও বিকল্প নেই। কারণ এতে থাকা কার্বোহাইড্রে...
15/11/2019

শুধু সাধারণ রুগীর খাবার হিসেবে নয়, কিছু জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাঁচা কলার কোনও বিকল্প নেই। কারণ এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি সহ নানা উপকারী উপাদান। জেনে নেওয়া যাক নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে কি ধরণের উপকার পাওয়া যায়:

১/ রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটি করে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানের মাত্রা যেমন কমে যায়, তেমনি রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

২/ পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: খাবারে উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদানগুলি যাতে ঠিক মতো শরীরের কাজে লাগতে পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে কাঁচা কলায় উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান। ফলে নিয়মিত এই ফলটি খেলে অনায়াসেই পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। আর এমনটা হওয়া মাত্র শরীরের কর্মক্ষমতা যে বৃদ্ধি পায়, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

৩/ নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমায়: কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ডাইজেস্টিভ ট্র্যাকের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই শুধু পেট খারাপ নয়, যারা প্রায়শই গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা কাঁচা কলাকে কাজে লাগাতে পারেন।

৪/ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। বরং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এই ফলটি। তাই তো ডায়াবেটিক এর রোগীরা নিশ্চিন্তে কাঁচা কলা খেতে পারেন।

৫/ ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ: গবেষণায় দেখা গেছে কাঁচা কলায় উপস্থিত পটাশিয়াম, শরীরে প্রবেশ করার পর ব্লাড ভেসেলের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। সেই সঙ্গে শিরা-উপশিরার ভেতরে তৈরি হওয়া প্রেসারকেও কমিয়ে ফেলে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণ: কাঁচা কলায় উপস্থিত রেজিস্টেন্স স্টার্চ হজম হতে সময় নেয়। ফলে বহুক্ষণ ক্ষুধা পায় না। আর ক্ষুধা না পেলে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কম। আর এমনটা দীর্ঘ দিন ধরে যখন হতে থাকে, তখন ওজন কমতে সময় লাগে না।

৭/ পটাশিয়ামের চাহিদা মেটে: এক কাপ কাঁচা কলায় প্রায় ৫৩১ এম জি পটাসিয়াম থাকে, যা পেশির গঠনে উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নার্ভ এবং কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

৮/ শরীরে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়: বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে ইন্টেস্টাইনে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে পেটের রোগও দূরে পালায়।

 # #জবা ফুলের শত গুনঃ=ত্বক ও চুলের সমস্যা থেকে শুরু করে অসুস্থতা - সব সমস্যার একটাই দাওয়াই জবা ফুল ত্বক ও চুলের সমস্যা থ...
14/11/2019

# #জবা ফুলের শত গুনঃ=

ত্বক ও চুলের সমস্যা থেকে শুরু করে অসুস্থতা - সব সমস্যার একটাই দাওয়াই জবা ফুল
ত্বক ও চুলের সমস্যা থেকে শুরু করে অসুস্থতা - সব সমস্যার একটাই দাওয়াই জবা ফুল (Hibiscus Benefits In Bengali)
ছোটবেলা থেকে চুল নিয়ে আমার একটা খুঁতখুঁতুনি ছিল। আর তাই আমার মা প্রাকৃতিক উপায়েই আমার চুলের যত্ন নিত। তবে আমার চুল কোনও কালেই কালো ছিল না। আমার চুলের রং প্রথম থেকেই একটু গোল্ডেনের দিকে। তাই চুল কালো করার জন্য মা এই টোটকা-সেই টোটকা ব্যবহার করত। মনে পড়ে, সব থেকে বেশি জবা ফুল (Hibiscus Flower) আর জবা গাছের পাতা ব্যবহার করত চুল কালো করার জন্য। শুধু কি তা-ই, মা-দিদিমার মুখে শুনেছি, চুল কালো থেকে শুরু করে স্কিনের যত্নে জবাফুল (Hibiscus Flower) অত্যন্ত উপকারী। আর শুধু কি তা-ই, কোলেস্টেরল কমানো থেকে শুরু করে ঠান্ডা লাগা - এই সব রোগের দারুণ টোটকা হিসেবেও জবা ফুলের গুরুত্ব অসাধারণ। কারণ প্রাচীন আয়ুর্বেদে ভেষজ ওষুধ হিসেবেই পরিচিতি রয়েছে এই ফুলের। আর জবা ফুল সহজলভ্যও বটে! কারণ প্রায় সকলের বাড়ির বাগানে জবা গাছের দেখা পাওয়া যায়। আজকাল তো আবার বেশির ভাগই ফ্ল্যাটবাড়ি। তাই বাগান করার সে রকম জায়গা নেই। কিন্তু ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে টবে আর কোনও গাছ থাক বা না থাক, জবা গাছ ঠিক থাকবেই! তাই রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা - সব কিছুতেই আপনার সঙ্গী হয়ে উঠবে সেই জবা ফুল (Hibiscus Flower)। আর সব থেকে বড় কথা, এর কোনও সাইড এফেক্টসও নেই।


প্রথমে আসি চুলের যত্নের কথায়। চুলের বৃদ্ধি, খুশকি তাড়ানো, চুল কালো করা, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল-ঝলমল চুলের জন্য জবা ফুলের তেল (Hibiscus Oil) খুবই উপকারী। কারণ জবা ফুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ আর সি। যা স্ক্যাল্পের বিভিন্ন সমস্যায় দারুণ কাজ দেয়। দেখে নিন কি কি ভাবে জবা ফুল কাজে লাগে আমাদের -
জবা ফুলের উপকারিতা ও আসাধারন গুণাগুণ - Hibiscus Benefits In Bengali

১। চুল পড়া ঠেকাতে (Hibiscus For Hair Fall):

চুল পড়া কমিয়ে চুলের ঘনত্ব বাড়াতে ব্যবহার করুন জবা ফুলের তেল (Hibiscus Oil)। এর জন্য লাগবে-
উপকরণ:
৩টি লাল জবা ফুল
৩টি জবা গাছের পাতা
আধ কাপ খাঁটি নারকেল তেল
বানানোর পদ্ধতি:
জবা ফুল (Hibiscus Flower) আর পাতা মিহি করে থেঁতো করে নিন। এ বার নারকেল তেলের মধ্যে জবা ফুল-পাতা বাটা দিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিন। এর পর ওই মিশ্রণ ৪-৫ মিনিট গরম করে নিন। ঠান্ডা করে একটা পরিষ্কার কৌটোয় ভরে রেখে দিন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ব্যবহার করুন এই তেল। আঙুলের ডগা দিয়ে ধীরে ধীরে স্ক্যাল্পে মাসাজ করতে থাকুন। তার পরে শ্যাম্পু করে ইষদুষ্ণ গরম জলে চুল ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়াও বিকল্প হিসেবে এক কাজ করতে পারেন, কয়েকটা তাজা জবা ফুল নিয়ে জলে ফুটিয়ে নিন। সেই জল ঠান্ডা করে চুলে লাগালেও অনেক উপকার হবে।

২। চুল বাড়াতে (Hibiscus For Hair Growth):

বেশ কয়েকটা জবা ফুল (Hibiscus Flower) ও জবা পাতা নিয়ে ভাল করে ধুয়ে তা পেস্ট বানিয়ে নিন। এ বার একটি পাত্রে এক কাপ মতো নারকেল তেল (Coconut Oil) নিয়ে জবা ফুলের পেস্ট দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। কিছু ক্ষণ ঢেকে রেখে ঠান্ডা করে নিন। এই মিশ্রণ চুল ও স্ক্যাল্পে মাসাজ করুন। এটা মেখে সারা রাত রেখে দিলে ভালো হয়। পরের দিন মাইল্ড শ্য়াম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণ একটি এয়ারটাইট জারে ভরে রেখে দিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। চুল বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চুলে পুষ্টিও জোগায়।

৩। চুল সাদা হওয়া রুখতে:=

অকালে চুল পেকে যাওয়া অন্যতম বড় সমস্যা। এই সমস্যা ঠেকাতেও জবা ফুল অত্যন্ত উপকারী। এর জন্য কয়েকটি জবা ফুল শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করে নিন। এ বার জবা ফুলের গুঁড়ো টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তার মধ্যে জবা ফুলের তেল (Hibiscus Oil) দিন। ভাল করে সব কিছু মিশিয়ে নিয়ে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে মাসাজ করুন। কিছু ক্ষণ রেখে ইষদুষ্ণ গরম জলে চুল ধুয়ে ফেলুন।

৪। খুশকি তাড়াতে :=

খুশকি তাড়াতে মেথি বীজের সঙ্গে জবা ফুল মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগালে দারুণ কাজ হবে। এক মুঠো মেথি বীজ এক রাত জলে ভিজিয়ে রেখে মিক্সারে দিয়ে একটা ঘন পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এ বার তার মধ্যে অলিভ অয়েল ও জবা ফুলের তেল মিশিয়ে নিন। সেই সঙ্গে ওই পেস্টের মধ্যে শুকনো জবা ফুলের গুঁড়ো মেশান। সব উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে সেটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন। কিছু ক্ষণ পরে শুকিয়ে গেলে ইষদুষ্ণ গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলবেন। প্রতিদিন এই টোটকা ব্যবহার করলে খুশকির (Dandruff) সমস্যা নিমেষে গায়েব হয়ে যাবে।

৫। সুস্থ চুল-স্ক্যাল্পের জন্য :=

চুল আর স্ক্যাল্প ভাল রাখতেও নজর দেওয়া উচিত। ৫-৬ চামচ জবা ফুলের তেলের সঙ্গে সমপরিমাণ আমলা (Amla Powder) পাউডার মেশান। তাতে অল্প লেবুর রস দিয়ে একটা মিশ্রণ বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি এ বার স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন। ৪০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে চুলটা ধুয়ে ফেলুন।

৬। ঘন চুলের জন্য :=

অল্প পরিমাণে জবা ফুলের তেল (Hibiscus Oil) নিয়ে তার মধ্যে পরিমাণমতো কারি পাতার পাউডার যোগ করে ফুটিয়ে নিন। তেলটা ভাল গরম হয়ে গেলে সেটি স্ক্যাল্পে লাগান। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলে।

৭। হেয়ার কন্ডিশনার :=

হেয়ার কন্ডিশনিংয়েও (Hair Conditioning) গুরুত্ব রয়েছে জবা ফুলের। কয়েকটি জবা ফুল থেঁতো করে নিয়ে অল্প অল্প করে জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। শ্যাম্পু করা চুল ও স্ক্যাল্পে মাসাজ করে অপেক্ষা করুন। কিছু ক্ষণ পরে ইষদুষ্ণ গরম জলে ধুয়ে নিন। চুলের গোড়া থেকে পুষ্টি জুগিয়ে চুলকে আরও ঝলমলে করে তুলবে।

৮। ন্যাচারাল শ্যাম্পু (Natural Shampoo):

ক্লিনজিং ন্যাচারাল শ্যাম্পু তৈরি করতেও লাগে জবা ফুল (Hibiscus Flower)। আর বাড়িতেই সহজে বানিয়ে ফেলা যায় এই শ্যাম্পু। কারণ ফুল আর পাতায় রয়েছে ক্লিনজিংয়ের উপাদান। একটি বড় জারে আধ কাপ গরম জল

পান খাওয়ার রীতি বাংলাদেশে বেশ পুরানো। নিশ্বাসকে সুরভিত করা এবং ঠোঁট ও জিহবাকে লাল করার জন্য মানুষ পান খায়। প্রধানত দক্...
14/10/2019

পান খাওয়ার রীতি বাংলাদেশে বেশ পুরানো। নিশ্বাসকে সুরভিত করা এবং ঠোঁট ও জিহবাকে লাল করার জন্য মানুষ পান খায়। প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশসমূহ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ পান খায়। কেবল স্বভাব হিসেবেই নয়, বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে সামাজিক রীতি, ভদ্রতা এবং আচার-আচরণের অংশ হিসেবেই পানের প্রচলন চলে আসছে।
স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারি পান। চলুন জেনে নেওয়া যাক পানের উপকারী ও অপকারী দিকগুলো:-

উপকারিতা সমূহ:

১) পান খেলে মুখের স্বাদ ফিরে আসে।

২) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পান সাহায্য করে।

৩) গলার সমস্যায় পান খুব উপকারী। আওয়াজ পরিস্কার করতে পান সাহায্য করে।

৪) পান হজম শক্তি বাড়ায়।

৫) পান খেলে পেট পরিষ্কার হয়।

৬) হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে পান।

৭) সর্দি কাশি হলে পানের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৮) পানের সাথে গোলমরিচ, লবঙ্গ মিশিয়ে খেলে কাশি কমে যায়।

৯) মুখে ঘা হলে পানের মধ্যে কর্পুর দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে বার বার পিক ফেললে সুফল পাওয়া যায়।

১০) পান খাওয়ার ফলে মুখে যে লালার সৃষ্টি হয় তা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।

পানের বেশ কিছু অপকারিতাও রয়েছে। পান খাওয়ার সময় এসব বিষয় ও খেয়ালে রাখতে হবে-

অপকারিতা সমূহ:-

১) খাওয়ার পরে পান খাওয়া উচিত। খালি পেটে পান খাওয়া উচিত নয়।

২) পানের সঙ্গে জর্দা মিশিয়ে খেলে পানের সব গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

৩) বেশি পান খেলে মুখ ও চোখের রোগ হতে পারে। পানের সঙ্গে বেশি সুপারি খাবেন না।

৪) পানের সঙ্গে বেশি খয়ের খেলে ফুসফুসে ইনফেকশন হয়।

৫) পানে বেশিমাত্রায় চুন খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়।

৬) যাদের জ্বর এবং দাঁতের সমস্যা রয়েছে তাদের পান খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

বি:দ্র: জর্দ্দা, চুন, সুপারী, খয়ার ব্যতিত পানে উপকার বেশি পাবেন।

গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি প...
14/10/2019

গ্রামাঞ্চলে থানকুনি পাতার ব্যবহার আদি আমল থেকেই চলে আসছে। ছোট্ট প্রায় গোলাকৃতি পাতার মধ্যে রয়েছে ওষুধি সব গুণ। থানকুনি পাতার রস রোগ নিরাময়ে অতুলনীয়।

থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম centella aciatica. থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। চিকিৎসার অঙ্গনে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য উপায়ে এর সরাসরি গ্রহণ রোগ নিরাময়ে থানকুনি যথার্থ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে আদামনি, তিতুরা, টেয়া, মানকি, থানকুনি, আদাগুনগুনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, নামে ডাকা হয়। তবে বর্তমানে থানকুনি বললে সবাই চেনে।



ভেষজের দুনিয়াতে থানকুনির স্থান রয়েছে অনেক উপরে। কারণ এর রয়েছে নানান গুণ। থানকুনি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। কোনো প্রকার যত্ন ছাড়াই জন্মে। মাটির উপর লতার মতো বেয়ে ওঠে। পাতা গোলাকার ও খাঁজকাটা। সাধারণত স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশেই থানকুনি গাছ বেশি জন্মে। তাই পুকুরপাড় বা জলাশয়ের পাশে থানকুনির দেখা মেলে বেশি।

থানকুনির ভেষজ গুণাবলি ছাড়াও অনেকে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এটি রোপণ করে, তাছাড়া থানকুনি দিয়ে অনেক সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার তৈরি করা যায়। থানকুনির নানা ভেষজ গুণ রয়েছে। আমাদের দেশের অনেকে থানকুনি পাতার ভর্তা ও খায়।

থানকুনির ভর্তা কিভাবে করা যায়-
উপকরণ
থানকুনি পাতা ৪০-৫০তি, রসুন একটি, কাচা মরিচ একটি, লবণ পরিমাণ মত।

প্রস্তুত প্রণালী
থানকুনি পাতা কুচি কুচি করে কেটে মরিচ, রসুন,লবন মিশিয়ে বাটায় বেটে নিলেই ভর্তা প্রস্তুত হয়। থানকুনি পাতা শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়। ভর্তা করে বা কাঁচা পাতা সালাদ হিসেবেও খাওয়া যায়। থানকুনিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ।

আসুন জেনে নেই থানকুনি পাতা কেন খাবেন?

হজম শক্তি

হজম শক্তি বাড়াতে পারে থানকুনি পাতা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে।

অ্যাসিডিটি

পেটের সমস্যা লেগেই থাকে? নিয়মিত থানকুনি পাতা খান, দূর হবে পেটের সমস্যা। এছাড়া অ্যাসিডিটি দূর করতেও জুড়ি নেই থানকুনি পাতার। দুধের সঙ্গে মিসরি ও থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে পান করুন প্রতিদিন।

পেটের সমস্যা

আলসার এগজিমা, হাঁপানি, চুলকানি ও অন্যান্য চর্মরোগ সারাতে থানকুনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত থানকুনির রস খেলে ত্বক ও চুল সুন্দর থাকে। জ্বর পেটের পিড়া, আমাশয়য়, আলসার, বাতের বাথা বিভিন্ন অসুখের ওষুধ হিসেবে এটির ব্যাবহার রয়েছে।

কাশি ও ঠাণ্ডা

কাশি ও ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা দূর করতে থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান। নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে ও রক্তে প্রবেশ করে। প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়।

ভিটামিন সি যুক্ত

ভিটামিন সি যুক্ত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড, বেটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

বলিরেখা

ত্বকের বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থানকুনি পাতা। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে ও বলিরেখা পড়ে না।

স্নায়ুতন্ত্র

থানকুনি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। সংবহনতন্ত্রের স্থায়ীভাবে স্ফীত ও বর্ধিত শিরা কমাতে সহায়তা করে। থানকুনি পাতা চামড়া মসৃণ করে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে পুণর্গঠনে সাহায্য করে।

তুলসি,,,ঔষধি গাছ গুলোর মধ্যে তুলসি অন্যতম । তুলসি গাছের পাতা অনেক উপকারি একটি ঔষধ । আসুন জেনে নিই এর উপকারিতা সমূহ ।সর্দ...
09/10/2019

তুলসি,,,

ঔষধি গাছ গুলোর মধ্যে তুলসি অন্যতম । তুলসি গাছের পাতা অনেক উপকারি একটি ঔষধ । আসুন জেনে নিই এর উপকারিতা সমূহ ।

সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক।

ছেলেমেয়েদের সর্দি-কাশিতে তুলসী পাতার রস ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে কয়েকটি তাজা তুলসী পাতার রসের সাথে একটু আদার রস ও মধুসহ খাওয়ানো হয়। বাচ্চাদের সর্দি-কাশিতে এটি বিশেষ ফলপ্রদ। তাজা তুলসী পাতার রস মধু, আদা ও পিঁয়াজের রসের সাথে এক সাথে পান করলে সর্দি বের হয়ে যায় এবং হাপানিতে আরাম হয়।

১। পেট কামড়ানো, কাশি: তুলসী পাতার রসে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চাদের পেট কামড়ানো, কাশি ও লিভার দোষে উপকার পাওয়া যায়।

২। ঘামাচি ও চুলকানি: তুলসী পাতা ও দুর্বার ডগা বেটে গায়ে মাখলে ঘামাচি ও চুলকানি ভাল হয়।

৩। দাদ ও অন্যান্য চর্মরোগে: স্থানীয়ভাবে তুলসী পাতার রস দাদ ও অন্যান্য চর্মরোগে ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। পাতার রস ফোঁটা ফোঁটা করে কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।

৪। ম্যালেরিয়া: পাতা ও শিকড়ের ক্বাথ ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য বেশ উপকারী। ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক হিসেবে প্রতিদিন সকালে গোল মরিচের সাথে তুলসী পাতার রস খেতে দেয়া হয়। যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়।

৫। বসন্ত, হাম: বসন্ত, হাম প্রভৃতির পুঁজ ঠিকমত বের না হলে তুলসী পাতার রস খেলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে আসবে।

৬। ক্রিমি: তুলসী পাতার রসের সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্রিমি রোগে বেশ উপকার পাওয়া যায়। শুষ্ক তুলসী পাতার ক্বাথ সর্দি, স্বরভঙ্গ, বক্ষপ্রদাহ, উদারাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময় করে থাকে।

৭। পেট ব্যথা: অজীর্ণজনিত পেট ব্যথায় তুলসী পাতার বেশ উপকার সাধন করে থাকে। এটি হজমকারক। প্রতিদিন সকালে ১৮০ গ্রাম পরিমান তুলসী পাতার রস খেলে পুরাতন জ্বর, রক্তক্ষয়, আমাশয়, রক্ত অর্শ এবং অজীর্ণ রোগ সেরে যায়।

৮। বাত ব্যথা: বাত ব্যথায় আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার রসে ন্যাকড়া ভিজিয়ে পট্টি দিলে ব্যথা সেরে যায়।

৯। কীট-পতঙ্গ কামড়ালে: বোলতা, ভীমরুল, বিছা প্রভৃতি বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ কামড়ালে ঐ স্থানে তুলসী পাতার রস গরম করে লাগালে জ্বালা-যন্ত্রণা কম হয়।

১০। সর্দি: যারা সহজেই সর্দিতে আক্রান্ত হয় (বিশেষ করে শিশুদের) তারা কিছুদিন ৫ ফোঁটা মধুর সাথে ১০ ফোঁটা রস খেলে সর্দি প্রবণতা দূর হয়।

,,,,হালিম দানা,,,,,,প্রসাবের সাথে পাতলা পানির মত বা লেলসার মত বীর্য বের হবার সমাধান। এই টিপস টি অনুসরন করলে ১০০% আপনার প...
09/10/2019

,,,,হালিম দানা,,,,,,

প্রসাবের সাথে পাতলা পানির মত বা লেলসার মত বীর্য বের হবার সমাধান। এই টিপস টি অনুসরন করলে ১০০% আপনার প্রস্রাবের সাথে পাতলা বীর্য ও লেলসার মত বীর্য বের হবার সমাধান দিবে, আপনাকে আর এই মারাত্তক সমস্যায় ভুগতে হবেনা।
কোথায় পাবেন,,,?
কিভাবে কিনবেন,,?
দামকত,,,,?
কি ভাবে খাবেন,,,,??
সব জান্তে আমাদের কে এস এম এস জানাবেন,,,
আমরা কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দিবো,

Address

Babu Buzer
Dhaka

Telephone

+8801303403469

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BORAX আয়ুর্বেদ হাউজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BORAX আয়ুর্বেদ হাউজ:

Share