21/05/2026
আজকালকার পোলাপানরা হয়তো
একে চিনবে না। এর নাম হলো রসু খাঁ।
২০০৯ সালে একে এরেস্ট করা হয় ১১ জন নারীকে ধর্ষন+হত্যা করার জন্য। নারীদের যোনীপথে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া, স্তন কেটে ফেলা সহ এমন কিছু জিনিস করতো যা লেখতেও মন চাচ্ছে না। রসু খাঁর স্বপ্ন ছিলো ১০১ টা নারী ধর্ষন করে এরপর তওবা করে ভালো হয়ে যাওয়া, তো ২০০৯ সালে এরে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।
কিন্ত এখন ২০২৬ সাল চলে, এখনো এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় নাই। ১৭ বছর ধরে জেলে বসে রিলাক্সে জনগনের ট্যাক্সের টাকায় ফ্রিতে খাওয়া দাওয়া, চিকিৎসা পাচ্ছে। কাদের টাকা এগুলা? ওই ১১ জন ভিক্টিমের পরিবারের ট্যাক্সের টাকাও তো এখানে ব্যয় হচ্ছে। পশ্চিমা আইনব্যবস্থা এত জঘন্য যে, যেই ব্যাক্তি আপনার মা বোন,মেয়েকে রেপ করবে তাকে।
আপনি আপনার টাকা দিয়ে পালবেন। সে জেলে বসে খাবে, ঘুমাবে আর পাশের কয়েদিদের রসিয়ে রসিয়ে আপনার মা বোনের উপর হওয়া অত্যাচারের বর্ণনা দিবে আর সেসব কয়েদিরাও কল্পনায় আপনার মা বোনকে আরেকবার ধর্ষন করবে। রাস্ট্র ট্যাক্স নিবে অথচ ন্যায়বিচার দিতে পারবে না। এখানে শরিয়াহ আইন থাকলে ১ সপ্তাহে বিচার হতো, তাও জনসম্মুখে। গতবছরের আছিয়া নামের মেয়েটা যে মারা গেলো, ন্যায়বিচার পেয়েছে?
এইবারের রামিশাও পাবে না। বাদ দেন এসব, কয়েকদিন পরে আবার বিশ্বকাপ। ওটায় ফোকাস দেই আপাতত সবাই। রামিসা টামিসার চিন্তা করে লাভ নাই
Emon dewan