12/07/2026
চট্রগ্রামের বন্যাতে মানুষ কেন ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছে না জানেন?
ট্যাগিংয়ের ভয়ে।
এলাকার মাতব্বরদের ভয়ে।
আপনি পরিচিত মুখ, অ্যাক্টিভিস্ট ,স্টুডেন্ট কিন্তু শিল্পপতি না।
যদি ত্রাণ পাঠাতে চান অবশ্যই ফান্ড রেইজ করতে হবে। জনগণ থেকে নিতে হবে।
তারপর ফান্ড রেইজ করলেন ,বিতরণও করলেন।
দিন শেষে আপনি একটা গাড়ি কিনলে, বাড়ি করলে ,ভালো একটা ফোন কিনলে নোংরারা বলবে ,দেখ দেখ,
হালায় ত্রাণের টাকা মেরে গাড়ি কিনছে।
ত্রাণের টাকা মেরে বাড়ি করছে।
ত্রাণের টাকা মের আই ফোন কিনছে।
ত্রাণের টাকা মেরে ট্যুর দিচ্ছে।
২০২৪ এর ভয়াবহ বন্যার সময় দেখছি Hasnat Abdullah রা টিএসসিতে ফান্ড রেইজ করছে।
ভ্রাণ পাঠাইছে লাইভে আইসা হিসাবও দিছে।
তারপরেও কিছু পাব্লিক বলে বেড়ায় ভ্রাণের টাকা মেরে দিছে।
অনেকে এখনও ত্রাণের টাকার হিসাব চায়।(চাওয়াটা দোষের না)
কিন্তু সমালোচনা করে প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য!
এ জাতির উপকার করলে বিনিময়ে লাথি খাইতে হয়।
মা ,বাপ,প্রেমিকা, খাবার ,গুম, গোসল, পড়াশোনা নষ্ট কইরা যখন তরুণরা দলে দলে খাবার, ঔষধ ,কাপড়সহ সাহায্য পৌছাতে ব্যস্ত।
তখন কিছু নষ্ট হিংসায় অপমাণ অবদস্ত করতে ব্যস্ত!
তারপর দেখবেন, আপনি যে এলাকাতে ত্রাণ নিয়া যাবেন ঐখানে চলে আরেক পলিটিক্স।
কিছু কিছু মাতব্বর সা***লারা বৈষম্য করে।
তার পরিচিত জায়গাগুলোতেই ত্রাণ দেয়।
যে পায় কয়েক পেকেট পায় আর যে পায় না কিছুই পায়না।
ত্রাণ ডিস্ট্রিবিউশন নিয়া এলাকার মানুষের সাথে মারামারিও হয়।
এরপর কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি গেলে বলে দেখ দেখ,
সা**লা ফুটেজখোর আসছে ,ফুটেজ নিতে।
এসব নোংরামির কারণে এবার অ্যাক্টি*ভিস্টরা সাড়া দিচ্ছে না।
সামনেও দিবে না।
কেউ চায় না ,উপকার করতে গিয়ে বিপদে পড়তে।
নোংরা ট্যাগিং খাইতে!
চট্টগ্রামের মানুষের পাশে কেউ দাঁড়ায়নি এটা ভুল চিন্তা ভাই।
মানুষ দাড়াতে চাই নোংরাদের নোংরা ট্যাগিংয়ের ভয়ে কেউ দাড়াতে চাইছে না।
একটা স্বতঃস্ফূর্ত মানবিক কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য কিছু নোংরা মানুষ দায়ি!
আর হ্যাঁ শেষ পর্যন্ত অনুরোধ থাকবে ,নোংরাদের কথায় থেমে যাবেন না।
চট্টগ্রামের মানুষদের ঠকাবেন না
আপনারা এগিয়ে যান আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষদ্র ভালোবাসা নিয়ে যান।
তাদের কাছে পৌঁছে দেন।
ভ্রাতৃত্ব ভালোবাসা অটুট থাকুক!
এসো বল দুর্বল হোক সবল!!!