Student and e-Commerce forum - SEF

Student and e-Commerce forum - SEF স্টুডেন্টের সাথে ই-কমার্সের একটি সেত?

🍀🍀🍀🍀শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদেশ্য করে জানতে চাইলেন-আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছো...
02/08/2021

🍀🍀🍀🍀শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদেশ্য করে জানতে চাইলেন-আচ্ছা তোমাদের মধ্যে কে আছো? যে এই দাগটিকে ছোট করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা একে মুছতে পারবে না!!! না মুছেই ছোট করতে হবে! তারপর, ছাত্ররা সবাই অপারগতা প্রকাশ করলো। কারণ, মোছা ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না‼️

এবার শিক্ষক দাগটির নিচে আরেকটি দাগ টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়। ব্যাস, আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে গেলো‼️‼️‼️‼️‼️‼️‼️

🍀🍀🍀🍀শিক্ষক বললেন: বুঝতে পারলে তোমরা❓❓❓ কাউকে ছোট করতে বা হারাতে হলে তাকে স্পর্শ না করেও পারা যায়। নিজেকে বড় করো, গড়ে তোলো, তাহলে অন্যের সমালোচনা বা দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে হবে না, তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট হয়ে যাবে।।।।।।

সুযোগ অনেক সময় নিজেই কাছে আসে, তাকে খুঁজতে হয় না। যাঁরা সময়মতো সুযোগটাকে চিনতে এবং কাজে লাগাতে পারেন, তাঁরাই সফল হন। ...
02/08/2021

সুযোগ অনেক সময় নিজেই কাছে আসে, তাকে খুঁজতে হয় না। যাঁরা সময়মতো সুযোগটাকে চিনতে এবং কাজে লাগাতে পারেন, তাঁরাই সফল হন। তাই সুযোগগুলো সময়মতো কাজে লাগানোর জন্য আপনাকে তৈরি থাকতে হবে। নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা আর অঙ্গীকার থাকলে সুযোগ আপনার কাছে ঠিকই আসবে। পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে থাকুন, তাহলে চাকরির খোঁজ এবং ব্যবসায়িক উদ্যোগে অবশ্যই সফল হবেন।

✅✅ নিজের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে চাইলে তিনটি ধাপ অনুসরণ করতে পারেন:

🪁🪁🪁 উপযুক্ত কাজটি খুঁজে বের করুন
আপনার আগ্রহের জায়গাটা নিজেকেই খুঁজে বের করতে হবে। হতে পারে সেটা খুবই প্রচলিত কোনো কাজ বা পেশা। আবার তুলনামূলক অপ্রচলিত বা নতুন একটা ক্ষেত্রও হতে পারে। নিজের জন্য উপযুক্ত মনে হলে সেই কাজের ভবিষ্যৎ এবং সব ধরনের সম্ভাবনা যাচাই করে দেখুন। ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা ও চাকরির বাজারে নতুনদের জন্য এই কৌশল প্রযোজ্য। আপনার নিজস্ব নতুন কোনো ধারণা থাকতে পারে, যা কাজে লাগিয়ে কোনো পেশাকে আরও ভালো, দ্রুততর ও বেশি সাশ্রয়ী এবং উন্নত রূপ দিতে পারেন। নতুন কোনো পেশা বা সেবামূলক কাজের ধারণাও আপনি উদ্ভাবন করতে পারেন।

🪁🪁🪁 বিশেষজ্ঞ হওয়ার পথ বেছে নিন
যে কাজটা আপনি ভালো পারেন ও ভালোবাসেন, সেটা করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে শুরু করলেই আপনার সাফল্যের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকবে। একবার সেই লক্ষ্যটা চিহ্নিত করতে পারলেই দেরি না করে কাজ শুরু করে দিন। সমবয়সী অন্যদের চেয়ে কাজটা সম্পর্কে বেশি ও বিস্তারিত জেনে নিন। এ বিষয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখুন। প্রয়োজনে নিজে ওয়েবসাইট তৈরি করুন এবং ব্লগ বা অনলাইনে আলোচনায় অংশ নিন। আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে লিখুন এবং ছাপানোর জন্য বিভিন্ন সাময়িকী, পত্রিকা ও নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিন। লেখাগুলো নিয়ে নিজের খরচে বই আকারে প্রকাশ করতে পারেন। সব মিলিয়ে কাজটা কঠিন। এ জন্য আপনার দীর্ঘ পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার প্রমাণ দিতে হবে।

🪁🪁🪁 পাওয়ার জন্য দিতেও হয়
প্রথম দিকে আপনাকে বিনা পয়সায়ই কাজ করতে হতে পারে। টাকা-পয়সার আশা না করেই নিজের আগ্রহের বিষয়টি নিয়ে লিখুন এবং বিভিন্ন জায়গায় ছাপাতে দিন। বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশ নিন। মনে রাখবেন, এটা পণ্ডশ্রম নয় বরং অর্থবহ হবে আপনার জন্য। এক সময় আপনি নিজের বিশেষত্ব টের পাবেন। তখন নিজের গন্তব্যও খুঁজে পাবেন। কী আপনার লক্ষ্য? শুধুই একটা চাকরি? নাকি পছন্দের কাজটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় কিছু করে দেখানো? তবে অভাবিত কোনো পরিণতি মেনে নিতে প্রস্তুত থাকুন। যখন ভালো কোনো কিছু করার অঙ্গীকার করবেন, আপনার সামনে সুযোগ আসবেই।

নিজের জন্য সুযোগ তৈরি করতে চাই ১০টি গুণ
১. সঠিকভাবে মনস্থির করা
২. ঝুঁকি নেওয়ার সাহস
৩. নিজের সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা
৪. স্বতন্ত্র ভাবনা ও কল্পনাশক্তি
৫. জ্ঞান ও দক্ষতা
৬. বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা
৭. উদ্যোগ ও তৎপরতা
৮. উৎসাহ-উদ্দীপনা
৯. প্রাণোচ্ছলতা ও স্থিরতা
১০. বিনয় ও নমনীয়তা

সুযোগ আসবে। সুযোগ আপনার দড়জায় কড়া নারবে। আপনি যদি এই সুযোগে কাজে লাগাতে না পারেন এটা আপনার ব্যর্থতা। তবে সুযোগকে অসৎ উদ্দেশ্য কাজে লাগানো যাবে না। সৎ থেকে সততার সাথে উপস্থাপন করতে হবে। সততার সাথে সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।

আবদুল কালামের ১০টি উক্তি, যা আপনার জীবনধারা পালটে দেবে1.'স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘু...
28/07/2021

আবদুল কালামের ১০টি উক্তি, যা আপনার জীবনধারা পালটে দেবে

1.'স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।'

2. 'সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।'

3. 'যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।'

4. 'যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।'

5. প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
১) আমি সেরা।
২) আমি করতে পারি
৩) সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে
৪) আমি জয়ী
৫) আজ দিনটা আমার

6. 'ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।'

7. 'জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।'

8. 'আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।'

9. 'উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।'

10. 'যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা এবং শিক্ষক।'

যে পাঁচটি অভ্যেস বদলে দিতে পারে আপনার জীবন- 😁‘ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল’। অনেকটা এভাবে...
25/07/2021

যে পাঁচটি অভ্যেস বদলে দিতে পারে আপনার জীবন- 😁

‘ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল’। অনেকটা এভাবেই মাত্র পাঁচ মিনিটের কিছু ছোট ছোট অভ্যেস আপনার সমুদ্রসম সাফল্যে অবদান রাখতে পারে।

জীবনের চেয়েও সাফল্যকে অনেক বড় বলে মনে হয়ে। কিন্তু আমরা যদি মিলিয়নিয়ার এবং বিলিয়নিয়ারদের জীবনাচরণ ভেঙ্গে দেখি তাহলে দেখব তাদের ব্যাক্তিগত দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কাজগুলোও তাদের ব্যবসায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহনের মতই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই অতি সফল মানুষগুলো জানেন তাদের ছোট ছোট অভ্যেসগুলোই একদিন অনেক ভালো ফলাফল এনে দেবে।

আর তাই এই পাঁচটি অভ্যেস আপনার দৈনন্দিন রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করে নিন আর হয়ে উঠুন আরো সফলঃ

১. জীবন পথের নকশা আঁকুন নিজেইঃ
জীবনে কি চান? প্রতিদিনের ৫ মিনিট সময় ধরে আপনার জীবনের লক্ষ্য কল্পনা করে একটি ছবি আঁকুন। এবং নিজেকে জিজ্ঞেস করুন আজ এমন কিছু করছেন কি যা আপনাকে আপনার লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যাবে? যদি না করে থাকেন তবে আঁকা ছবিটি পরিবর্তন করতে কি কি পদক্ষেপ নেয়া যায় তা এঁকে নিন।

বিখ্যাত লেখক Neil Gaiman এর মতে এই ছোট্ট কৌশলটিই তাকে লেখক হিসেবে সফল করেছিল। তিনি বলেন, ‘আমি যেমনটি চেয়েছিলাম সেরকমই কল্পনা করেছিলাম যা আসলেই কাজ করেছে। কল্পানায় ছিল দূরের কোন পর্বত। যা আমার লক্ষ্য ছিল। এবং আমি জানি সেই পাহাড়ের দিকে আমি হাটছি। আর সেটাই সঠিক পথ।

এই কৌশলটি কোন আদর্শ স্বপ্ন নয়। এটা এক ধরনের অভ্যাস যা আসে মস্তিষ্ক থেকে কিন্তু রূপান্তরিত হয় একটি কার্যকর পরিকল্পনায়। হার্ভার্ড এর এক গবেষণায় জানা যায় যাদের জীবনে লক্ষ্য আছে তারা অন্যদের চেয়ে দশগুন বেশি সাফল্য পায়। এবং যারা তাদের লক্ষ্যটি লেখার অভ্যেস করে তারা না লিখে রাখা মানুষের চেয়ে তিনগুন বেশি সাফল্য পেয়ে থাকে।
এটা অনেকটা একটু একটু করে অর্থ সঞ্চয়ের মত। অর্থাৎ প্রতিদিন একটু করে দক্ষতা অর্জন একসময় মিলিত হয়ে আপনাকে বিশাল আকারের সফলতা দিতে পারে।

২.সঞ্চয়ি হোনঃ
অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রসঙ্গটি যখন আসে, সবচেয়ে দ্রুত যে চিন্তাটি মাথায় আসে তা হল যত অর্থ উপার্জন করা যাবে তত বেশি সঞ্চয় করা সম্ভব। এমনকি আমরা হয়তো চাই সঞ্চয় করতে কিন্তু মাঝে মাঝে তা ভুলে গিয়ে অনেক খরচ করে ফেলি এবং তারপর ভুলটা বুঝতে পারি। তবে যাই হোক সঞ্চয় বিষয়টি যদি আপনি স্বয়ংক্রিয় করে নিতে পারেন, তখন আপনারকাছে প্রয়োজনের বেশি খরচ করা কঠিন হয়ে পরবে এবং যে কোন বিনিয়োগ ও ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে আরো সহজ।

কিন্তু কত টাকা খরচ করবেন আর কতইবা সঞ্চয় করবেন? এ বিষয়ে যদি আপনি নিশ্চিত না থাকেন তবে এই ৫০-২০-৩০ কৌশলটি অবলম্বন করতে পারেন। অর্থাৎ আপনার উপার্জিত অর্থের ৫০ শতাংশ খরচ এবং বন্টনের কাজে ব্যবহার হবে, ৩০% ব্যয় হবে অন্যান্য চাহিদা মেটাতে এবং ২০% রাখা হবে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য।

৩.চ্যালেঞ্জ নিতে শিখুনঃ
Eleanor Roosevelt একবার বলেছিলেন, ‘প্রতিদিন এমন একটি কাজ করো যা তোমাকে ভাবায়’
সবচেয়ে সফল এবং ক্ষমতাবান উদ্যোক্তারা কখনো নিজেদের স্বস্তিদায়ক গণ্ডির মধ্যে আটকে থাকেনা। আমরা অনেকেই ঝুকি নিতে ভয় পাই, আর সে কারণেই দৈনিক অন্তত পাঁচ মিনিট আমাদের নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে। আর এ কাজটি নিয়মিত করতে পারলে আপনার মস্তিষ্কে চ্যালেঞ্জ গ্রহনের চর্চা হবে এবং ঝুঁকি নিতে তখন অনেকটাই স্বস্তি বোধ করবেন। এমনকি আপনি যদি ব্যর্থ হন তাহলেও ফলাফল একই থাকবে।

এই চর্চাটা কিন্তু খুব সহজ। শুরুটা হতে পারেন নতুন কোন খাবার চেখে, কারো কাছে সাহায্য চাওয়া, নতুন কোন মানুষের সাথে কথা বলা এসব দিয়েই। এগুলো টাকা বিনিয়োগ অথবা কাউকে ‘না’ বলতে পারার মতই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

থেরাপিস্ট Dr. Elizabeth Lombardo জানান গণ্ডির বাইরে পা ফেলা মানেই সাফল্য। তিনি আরো বলেন, ‘পেশাদারী এবং ব্যক্তিগত জীবনের শীর্ষে অবস্থান করতে নিজেকে আরো শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলা সম্ভব শুধুমাত্র নিজের গতানুগতিক ছাচ ভেঙ্গে বেরোতে পারলেই।’

মনে রাখবেন, যত বেশি সফল হবেন তত বড় ঝুঁকি এবং অনেক বেশি সমালোচনার মুখোমুখি হতে হবে। এই সামান্য চর্চাটি যদি আপনি গুরুত্বের সাথে প্রতিদিন করতে পারেন তবে নিশ্চিতভাবে আপনি সুবর্ণ সুন্দর জীবনের অধিকারী হতে যাচ্ছেন।

৪. নোট করুন মাত্র ৫ টি আইডিয়াঃ
এটা সত্য যে আপনার নিজের কাছেই আছে অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের আইডিয়া। আপনি যদি আইডিয়া কাজে লাগান তাহলে চুম্বকের ন্যায় আপনি সাফল্যকে আকর্ষণ করবেন। লিখেছেন Steve Siebold যিনি স্বচেষ্টায় মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন।

তাহলে এই ধারণাকে মাথায় রেখে শুরু করে দিন আপনার প্রতিদিনকার পাঁচ মিনিটের রুটিন। দৈনিক ৫ টি নতুন আইডিয়া নোট করুন। আইডিয়াগুলো কল্পানাতিত বা অসাধারণ কিছু হতে হবে না। এই সহজ চর্চাটির মাধ্যমে আপনার মন আপনাকে অর্থ উপার্জনে সক্ষম হিসেবে প্রেরণা যোগাবে এবং সাফল্যের পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

৫. সময় দিন আত্ম-উন্নয়নেঃ
একটা মাত্র বিষয়েই সফল মানুষদের সাথে বাকিদের পার্থক্য তৈরি করে দেয়। আর তা হল তাদের অবসর সময় ব্যবহার। তারা তাদের অবসর সময় আত্ম-উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করেন। আর সে কারণেই অপরাহ উইনফ্রে থেকে শুরু করে বিল গেটস সবাই তাদের ব্যস্ত সময় থেকে কিছুটা সময় বের করে নেন শুধুমাত্র নতুন কিছু শেখা এবং আত্ম-উন্নয়ন ঘটানোর জন্য।

আপনিও তবে দিনের সময় থেকে নিজের জন্য কিছুটা সময় বেঁধে নিন উৎপাদনশীল কোন কাজের জন্য। ছোট কোন আর্টিকেল পড়া, নতুন কোন দক্ষতা অর্জন, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ অথবা ক্লান্তি দূর করার জন্য মেডিটেশন করে কাটাতে পারেন দৈনিক অন্তত পাঁচ মিনিট। মনে রাখবেন, আত্ম-উন্নয়নই পারে আপনাকে সাফল্যের খুব কাছাকাছি নিয়ে যেতে।

 #ভালোবাসায় আবেগকে সংযত করুনভালোবাসা খুবই সুন্দর এক আবেগ যা মানুষের জীবনে না থাকলে ভালোভাবে বাঁচতেই পারে না।প্রত্যেক মান...
23/07/2021

#ভালোবাসায় আবেগকে সংযত করুন

ভালোবাসা খুবই সুন্দর এক আবেগ যা মানুষের জীবনে না থাকলে ভালোভাবে বাঁচতেই পারে না।প্রত্যেক মানুষের জীবনেই এই আবেগের জন্ম হয়। জীবনকে পরিপূর্ণতা দেয় এই ভালোবাসা নামক আবেগ। কিন্তু এই ভালবাসাই যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা ভয়ঙ্কর আকার নিতে থাকে এবং জীবনকে বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। প্রতিনিয়ত সংবাদপত্রে মাত্রাতিরিক্ত ভালোবাসার ফলে আত্মহনন থেকে খুন বিভিন্ন খবর দেখতে পান। এই আবেগটি অতিরিক্ত মাত্রায় হলে তা শুধুমাত্র আপনার না আপনার আশেপাশের মানুষদের জীবন শেষ করে দেয়। তাই সব সময় ভালোবাসা নিয়ন্ত্রণে রাখা বা স্বাভাবিকতার মাত্রা না ছাড়িয়ে যায় সে দিকে সচেতন থাকা।

নিজেকে বোঝাতে হবেঃ "আমি পারব!"-হাল ছাড়া যাবে না কিন্তু...বাইরে -৫° থেকে -১০° ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এর মাঝেও তোমাদের...
22/07/2021

নিজেকে বোঝাতে হবেঃ "আমি পারব!"
-হাল ছাড়া যাবে না কিন্তু...

বাইরে -৫° থেকে -১০° ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এর মাঝেও তোমাদের অনেককেই সকাল ৫ টায় উঠতে হবে। হয়ত সূর্য তখনও উঠে নি, অথচ অন্ধকারের মাঝে ঠান্ডায় কেঁপে কেঁপে নিজের খন্ডকালীন কাজে যেতে হবে। নিজেকে হয়ত তোমার খুব অসহায় মনে হবে। মনে হবে, কোনদিনই যেখানে এক গ্লাস পানি ঢেলেও খেতে হয় নি, সেখানে এই কষ্টের মানে কী? নিজের কাছেই নিজেকে প্রচন্ড ছোট মনে হতে পারে। আত্মবিশ্বাস তলানিতে ধাক্কা খেয়ে আর নিচে নামার জায়গা না-ও পেতে পারে।

তাঁদেরকে বলছিঃ এই সময়টা সমায়িক। নিজের পরিশ্রম এবং মেধায় কিছু করতে পারার মাঝে যে আনন্দ তা কোথাও খুঁজে পাবে না। আমি, তুমি বা আমরা সবাই কখনও না কখনও এই সময়ের মাঝে গিয়েছি। কিন্তু হাল ছাড়ি নি। তুমিও ছেড়ো না। মানুষ হিসেবে তুমি কেমন? তোমার পার্সনালিটি কতটা শক্ত? তোমার টেম্পারমেন্ট কতটা ভাল? সব কিছুর পরীক্ষা এই সময়েই দিতে হবে। এই পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই। নেগেটিভ এনার্জির মানুষগুলো থেকে দূরে থেকো। তোমার স্ট্রাগল বোঝার ক্ষমতা যার নেই, যে প্রতি নিয়ত জেনে বা না জেনে তোমাকে ছোট করতে চায়, সে তোমার যত কাছেরই হোক, তার থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখো।

এই সময়টা তোমার জীবনের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। অনেকেই লেগে না থেকে ঝরে যায়/যাবে। কিন্তু তুমি হাল ছাড়বে না। এই অভিজ্ঞতাগুলো তোমার জীবনের অমূল্য সম্পদ। তোমাকে পুড়িয়ে খাঁটি সোনা হিসেবেই এটি গড়ে তুলবে। তোমাদের সবার প্রতি রইল সম্মান এবং ভালোবাসা। 🙂

প্রথমদিন সিগারেট খেয়ে কেউ দ্বিতীয় দিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়না। প্রথমদিন বার্গার খেয়ে কেউ দ্বিতীয় দিন মোটা হয়ে যায় না। এ...
13/07/2021

প্রথমদিন সিগারেট খেয়ে কেউ দ্বিতীয় দিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়না। প্রথমদিন বার্গার খেয়ে কেউ দ্বিতীয় দিন মোটা হয়ে যায় না। একদিন ডায়েট করে দ্বিতীয় দিনে কেউ স্লিম হয়ে যায় না। অথচ সিগারেট খাওয়ার কারণে ক্যান্সার হয়, বার্গার নিয়মিত খেলে যে কেউ মোটা হবে এবং প্রতিদিন ডায়েট কন্ট্রোল করলে কোনো একদিন সে স্লিম হয়। তার মানে প্রতিটি কাজের রেজাল্ট একদিন করলে পাওয়া যায় না, এমনকি বুঝাও যায় না। ধীরে ধীরে একটানা করে গেলে এই কাজের রেজাল্ট একদিন বড় আকারে চলে আসে।

প্রচন্ড রাগী মানুষ যত কঠিন শপথই নিক না কেন একদিনে সেই বদমেজাজি রাগী মানুষটা হঠাৎ করেই শান্ত হয়ে যেতে পারে না৷ কিন্তু প্রতিদিন ইচ্ছে করলে রাগের মাত্রাটা কমাতে পারে। আর এভাবে একটু একটু কমাতে কমাতে কোনো একদিন রাগ তার শুন্যের ঘরে চলে আসে। একটা প্যারাসিটামল ঔষুধ খাওয়ামাত্র কিন্তু ১০৪ডিগ্রি জ্বর টুপ করে কমে যায় না। প্রচন্ড বৃষ্টি হঠাৎ করে থেমে যায় না। সবকিছু আস্তে আস্তে হয়৷

দিনে ১০ টা করে টাকা জমালে প্রতিটি বছরের প্রথম দিন আপনার হাতে আসে ৩৬৫০টাকা। একসাথে ৩৬৫০টাকা খুব ভালো একটা একাউন্ট। এই টাকা দিয়ে বছরের প্রথম দিন পুরো পরিবারে একটা ভালো আয়োজন করা যায়। কিন্তু এর জন্য দরকার শুধু দিনে ১০টাকার খেলাটা খেলা। কেউ যদি চিন্তা করে পুরো ডিকশনারি সে মুখস্থ করবে তবে শুরুটা হোক দিনে ১০টা ভোকাবুলারি শিখার মধ্যে দিয়ে। বছর শেষে তার ব্রেইনের ঝুলিতে জমা হবে ৩৬৫০টা ওয়ার্ডস। কতগুলো ওয়ার্ডস ভাবা যায়! কেউ যদি ভাবে আমি ৭ দিনের চেষ্টায় একটা করে নতুন গুণ তৈরি করব। তবে এক বছরে ৫২টা নতুন গুণ তৈরি হবে তার নিজের মধ্যে। এতগুলো গুনের অধিকারী হওয়াটা কিন্তু মুখের কথা না। কিন্তু খেলাটা সেই একটা করে প্রতিটি দিনের। কেউ যদি ভাবে আমি ৭ দিনের চেষ্টায় একটা করে নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা দোষ কমাবো, তবে বছরে তার ৫২টা দোষ কমে যায়। অথচ আপনি মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুঁজেও নিজের ভেতর এতগুলো দোষ বের করতে পারবেন না, প্রতিদিনের চেষ্টায় যতগুলো দোষ আপনি দূর করার ক্ষমতা রাখেন।

আসেন না, প্রতিটি দিনের খেলাটা একবার শুরু করি। একদিনে একলাফে অনেক উপরে উঠা যায় না, অনেক বড় কিছুও করা যায় না। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রতিদিন করতে থাকলে কোনো একদিন অবিশ্বাস্য চেঞ্জ চলে আসে। প্রতিদিন কোদাল দিয়ে একটা করে কোপ দিতে থাকলে কোনো একদিন সেটা পুকুরে পরিণত হবে। শুরুটা কিন্তু সেই একটা কোপ দিয়েই। ছোট ছোট ইনেশিয়েটিভকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। কারণ বড় সফলতা আসে ছোট ছোট কিন্তু ধারাবাহিক ইনেশিয়েটিভের মধ্য দিয়ে।

কোন চ্যালেঞ্জটা আপনি নিয়েছেন এই আর্টিকেল পড়ে তা অবশ্যই জানাবেন। আমারও জেনে ভালো লাগবে।

✍🏻আসসালামু আলাইকুম!    👉🏻 ১ বছরের মুল্য বুঝতে চান?-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি....👉🏻 ১ মাসের মুল্য ব...
05/07/2021

✍🏻আসসালামু আলাইকুম!

👉🏻 ১ বছরের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি....
👉🏻 ১ মাসের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার বেতন পায়নি........
👉🏻 ১ সাপ্তাহের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে হাসপাতালে ভর্তি ছিল.........
👉🏻 ১ দিনের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে রোজা রেখেছিল.....
👉🏻 ১ ঘন্টার মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে প্রিয়জনের অপেক্ষায় ছিল.....
👉🏻 ১ মিনিটের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে ট্রেন মিস করেছিল.....
👉🏻 ১ সেকেন্টের মুল্য বুঝতে চান?
-তাকে জিজ্ঞেস করুন, যে এক্সিডেন্টের হাত থেকে রক্ষা পেল.......।

"প্রতিটা মুহুর্ত খুব মুল্যবান........
গতকাল ইতিহাস...
আগামীকাল অজানা...
কিন্তু আজকের দিনটা আমাদের জন্য উপহার...
আর একেই বলে বর্তমান....
এই বর্তমানকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে, তাহলে জীবনে সাফল্য ধরা দিবে_ ইনশাআল্লাহ____✍🏻

একদিন এক ব্যক্তি দরবেশ বাবার কাছে গেলেন এবং তার সমস্ত সমস্যার কথা খোলে বললেন। তিনি বললেন, দরবেশ বাবা, আমি আমার জীবনে কখন...
01/07/2021

একদিন এক ব্যক্তি দরবেশ বাবার কাছে গেলেন এবং তার সমস্ত সমস্যার কথা খোলে বললেন। তিনি বললেন, দরবেশ বাবা, আমি আমার জীবনে কখনো আনন্দিত হতে পারলাম না। প্রথমে ভেবে ছিলাম যখন চাকরি পাব তখন বাবাকে একটা সুন্দর গাড়ী কিনে দিব কিন্তু সেটা আর হলো না কারণ চাকরি পাওয়ার আগেই আমার বাবা এই পৃথবী থেকে চলে গেলেন । এরপর ভেবেছিলাম চাকরিতে যখন প্রমোশন পাব তখন বউ বাচ্চাদেরকে নিয়ে দেশের বাহিরে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাব কিন্তু প্রমোশনটাই হলো না। এরকম কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলোর জন্য আমি সব সময় অপেক্ষা করতাম কিন্তু কখনো তা পূরন হয়নি। আমি ভেবে পাচ্ছি না যে,আমি কি করব । আমার মনে হচ্ছে, আমি জীবনে কখনো আনন্দিত হতে পারব না।

লোকটির কথা শোনে দরবেশ বাবা উক্ত ব্যক্তিকে একটি ফুলের বাগানে নিয়ে গেলেন। যেখানে অনেকগুলো গোলাপ ফুল সহ নানা ধরনের গাছ লাগানো আছে এবং অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল ফুঠে আছে । দরবেশ বাবা ওই ব্যক্তিকে বললেন, তুমি এই ফুলের লাইন দিয়ে দেখতে দেখতে যাও এবং সব থেকে সুন্দর সুন্দর ফুলগুলো তুলে আমার কাছে নিয়ে আসো । কিন্তু হ্যাঁ, একটা কথা মনে রাখবে, একবার যে ফুল দেখে তুমি এগিয়ে চলে যাবে সেখান থেকে আর ফিরে আসা যাবেনা এবং কোন ফুল সংগ্রহ করা যাবে না। কিন্তু, তোমাকে ফুল আনতেই হবে। তখন ঐ ব্যক্তিটি হাঁটা শুরু করলেন এবং দেখতে থাকলেন, সেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ফুল । লোক বুঝে উঠতে পারছিল না কোনটা রেখে কোনটা নিবে ।

সে অনেকগুলো বড় বড় ফুল দেখলো, আরও কিছু ছোট ফুলও দেখতে পেলো।কিন্তু কোন ফুলটা সবচেয়ে বেশি সুন্দর সে তো ভেবে পাচ্ছিল না। সবগুলো ফুলই দেখতে খুব সুন্দর। একটা সুন্দর ফুল ধরতে গেলে তার সামনে আরও একটা সুন্দর ফুল সে দেখতে পায়। সে মনে মনে ভাবল সামনে গেলে হয়তো আরো সুন্দর ফুল পাওয়া যাবে। তখন ফুল নিয়ে নিব। এভাবে ভাবতে ভাবতে সে একসময় ফুলের বাগানের শেষ প্রান্তে চলে এলো এবং দেখল সেখানে শুধুমাত্র কিছু শুকিয়ে যাওয়া ফুল ছাড়া আর ভালো কোন ফুল নেই। এখন তার আর কিছুই করার নেই । তার মধ্য থেকে যে ফুলটা একটু ভালো মনে হলো সেই ফুলটা তুলে লোকটি দরবেশ বাবার কাছে নিয়ে এলেন।

সে দরবেশ বাবার কাছে এসে বললেন, দরবেশ বাবা, যাবার সময় রাস্তায় অনেক বড় বড় অনেক সুন্দর ফুল দেখেছিলাম এবং আমি ভেবেছিলাম হয়তো সামনে গেলে আরো সুন্দর ফুল পাওয়া যাবে। কিন্তু শেষ প্রান্তে গিয়ে দেখলাম কিছু শুকিয়ে যাওয়া ফুল ছাড়া আর ভালো কোন ফুল নেই। তাই সেখান থেকে যেটা একটু ভালো মনে হলো সেই ফুলটাই আপনার কাছে নিয়ে আসলাম।

তখন দরবেশ বাবা হেসে বলল, হে বৎস,সবচেয়ে সুন্দর ফুলের আশায় তুমি সামনে এগিয়ে যেতে থাকলে আর কত সুন্দর সুন্দর ফুলের মধ্যে থেকে এই শুকিয়ে যাওয়া ফুলটি তুমি নিয়ে এলে।
এখন মনে করো, এই ফুলের বাগানটি তোমার জীবন। আর এই ফুলগুলো তোমার জীবনে আসা ছোট বড় খুশি বা আনন্দ। তুমি এই ভেবে চলতে থাকলে যে সামনে হয়তো আরো সুন্দর সুন্দর ফুল রয়েছে। তুমি আরও ভাল সুন্দর ফুলের সৌন্দর্য খুঁজতে খুঁজতে অবশেষে শেষ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে।

ঠিক এরকমই তোমর জীবনে আসা ছোট ছোট খুশি গুলোকে ত্যাগ করেছ, তুমি বড় খুশি পাবে বলে। যখন তুমি বুঝতে পারবে তখন জীবনে আর কোন খুশি থাকবে না। হাজার চেষ্টা করলেও পিছনে ফিরে জীবনের ওই ছোট ছোট সুখগুলোকে আর কখনো ফিরে পাবে না।

ভাই ও বোনেরা, এই ছোট্ট একটি মোটিভেশনাল স্টরি বা গল্প দিয়ে সবাইকে মনে করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলাম যে, জীবনে আসা ছোট ছোট সুখগুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে সেগুলোকে উপভোগ করতে শিখুন। কালকের জন্য না ভেবে আজকের জন্য হাসি খুশিভাবে সময় কাটান। সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন।

আমরা হয়ত এমনই......🍂 যে অবস্থানে থেকে আমরা সুখি না, আমাদের অভিযোগের শেষ নেই। সেই অবস্থানে আসতেই কেউ হয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছে...
01/07/2021

আমরা হয়ত এমনই......

🍂 যে অবস্থানে থেকে আমরা সুখি না, আমাদের অভিযোগের শেষ নেই। সেই অবস্থানে আসতেই কেউ হয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছে।

🍂 যে চাকরিটা আমরা সকাল-বিকাল ছেড়ে দিতে চাই, সেই চাকরিটা পাওয়ার জন্য কেউ হয়ত প্রহর গুনছে।

🍂 পড়াশোনার সুযোগ থাকতেও আমরা হয়ত সে সুযোগ কাজে লাগাই না, অথচ কেউ কেউ পড়ার জন্য খেয়ে না খেয়ে দিনযাপন করছে।

🍂 সাময়িক লাভের আশায় অন্যকে দাবিয়ে রেখে কি করে ভালো থাকবো সেই চিন্তা যখন আমরা করি, তখন কেউ কেউ শুধু বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছে অবিরত।

🍂 খাবারের তালিকায় দামি আইটেম নেই বলে আমাদের দু:খের শেষ নেই, অথচ কেউ ডাসটবিনের উচ্ছিষ্ট খাবারের আশায় সারাদিন অপেক্ষায় থাকে।

🍂 দামি পোশাক নেই বলে কারো কারো পেস্ট্রিজ থাকে না, অথচ কারো গায়ে জড়ানোর মত কোন পোশাকই নেই।

🍂 দামি ফোন নেই বলে আমরা মনে করি জীবন বৃথা, অনেকের হয়ত ফোনই নেই, থাকবেই বা কিরে পেটের জন্য খাবারেরই তো জোগান নেই।

🍂 বাবা-মায়ের কথাশুনলে মনে হয় তারা কি বোঝে? তারা তো আগের মানুষ, অথচ যাদের বাবা-মা নেই তারাই জানে যে পৃথিবীতে তারা কত মূল্যবান সম্পদ।

🍂 যে বাসায় থাকছি সেটা হয়ত ২/৩ রুমের, অনেক ছোট, অথচ যাদের পুরো পরিবার থাকার জন্য একটাই রুম তারা কি করে থাকছে?

আমরা প্রায় সবাই শুধু উপরের দিকেই তাকাই। নিচের দিকে তাকাতে হয়ত আমাদের লজ্জা লাগে, মনে হয় এই বুঝি সব প্রকাশ হয়ে গেল। অনেকে তো গ্রামে বেড়ে ওঠার কথা বলতেই চায় না। ভাবটা এমন যেন তার জন্মই শহরে, অথচ গ্রামের উপর ভর করেই গড়ে উঠেছে শহর। গ্রামকে বাদ দিলে বিলীন হয়ে যাবে।

সুখে থাকতে পৃথিবীর সব থেকে দামী জিনিসগুলো আপনার দখলে থাকতে হবে এমন নয়। বাইরের দেশকে আমাদের স্বর্গ মনে হয় অথচ সেখানেও কাজ না করে টিকে থাকার উপায় নেই। ঠিক ওই সমান অন্তরিকতা দিয়ে কাজে নেমে পড়লে এদেশেও সোনা ফলবে।

আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার, ভীষণভাবে দরকার।

🚩 অফ লাইনে কাজ করি কম্পিউটার ট্রেনিং, অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ডের সংশোধন, নতুন ভোটার আবেদন, হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন, চাকরির আবেদন, টিন সার্টিফিকেট, ড্রাইভিং এর লার্নার, গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন সহ কম্পিউটারের নানা বিদ কাজ।

❤️❤️ আপনাদের ভাল মানের খাবার খাওয়ানোর জন্য অনলাইনে কাজ করি জনপ্রিয় বিভিন্ন খাবার নিয়ে। তার মধ্য অন্যতম 🥭আম, 🍱 খেজুরের গুড়, 🥥নারিকেল, 🍈বেল, 🥗 ড্রাগন ফল, 🍚 নাটোরের বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা নিয়ে।

🔶 আলাউদ্দিন সুজন
🔶🔶 উপজেলাঃ বাগাতিপাড়া
🔶🔶🔶 জেলাঃ নাটোর
🔶🔶🔶🔶 রক্তের গ্রুপঃ এ+
🔶🔶🔶🔶🔶পেজঃ জনপ্রিয় ফুড.কম

সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া শিখতে হবেএকদিন এক ভদ্রলোক একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করল । ...
24/06/2021

সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া শিখতে হবে

একদিন এক ভদ্রলোক একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করল । পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত কিন্তু সে লাফ না দিয়ে সহ্য করতে থাকে ।

আস্তে আস্তে পাত্রের তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয় তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার কিন্তু ততক্ষনে তার আর লাফ দেওয়ার মত শক্তি নেই । পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে অতিরিক্ত গরম পানিতে থাকতে থাকতে একটা সময় মারা যায় ।

🔶 এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা যাওয়ার কারন কি ??

তাহলে আমরা অধিকাংশরাই বলব যে গরম পানির কারনে মারা গেছে ।

কিন্তু না সে আসলেই গরম পানির কারনে মারা যায়নি, সে মারা গেছে সঠিক সময়ে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারনে ।

ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে । আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা অবস্থা সঠিক সিদ্ধান্তটি সঠিক সময়ে নিতে হবে । আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ।

এত তাড়াতাড়ি আশা ছেড়ে দিবেন না!শুরুটা সবসময় কঠিন হয়। জীবন তাদেরকেই পুরস্কার দেয় যারা সব কঠিনকে উপেক্ষা করে মন দিয়ে পরিশ্র...
22/06/2021

এত তাড়াতাড়ি আশা ছেড়ে দিবেন না!
শুরুটা সবসময় কঠিন হয়।
জীবন তাদেরকেই পুরস্কার দেয়
যারা সব কঠিনকে উপেক্ষা করে মন দিয়ে পরিশ্রম করে। সফলতা তাদের জন্যই। ভালবাসা দিয়ে লেগে থাকুন...💞💞

চাবি ছাড়া কখনো কোনো তালা তৈরী হয় না।
তাই আল্লাহ তোমাকে কখনই এমন কোনো সমস্যা দেবেন না, যার কোনো সমাধান হয় না। 💞💞

Address

Mirpur
Dhaka
1215

Telephone

+8801758031303

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Student and e-Commerce forum - SEF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share