20/01/2026
#ফার্মা
ফার্মেসী-ফার্মাকিয়া-জাদুবিদ্যা:
Pharmacy (ফার্মেসি) এটি ইংরেজি শব্দ। যা উৎপত্তি হয়েছি গ্রীক শব্দ Pharmakeia থেকে। যার অর্থ Use of drugs, medicine, spells, poisoning, sorcery often found in connection with idolatary. পৃথিবীর প্রত্যেক ড্রাগ কোম্পানি টক্সিক কেমিকেল নিয়ে কাজ করছে ও শেষে লেবেল দিচ্ছে মেডিসিন নামে। তারা যে টি/কা তৈরী করছে তার ভিতর থাকে Aluminium, Formaldehyde, Thimerosal, Acetone সহ আরও প্রশ্নবিদ্ধ টক্সিক কেমিক্যাল যা কোনদিন মুখে সরাসরি খেতে পারিনা কিন্তু সেটাই তারা ইনজে/কশনের মাধ্যমে সরাসরি রক্তে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এগুলো সবই শরীরকে তছনছ করে ফেলে। আরও থাকে ফেলে দেওয়া ভ্রুনের কোষ, বিভিন্ন প্রানির অংশ যেমন শুকর মুরগি কুকুর বানর ঘোড়া খরগোশ গরু ইত্যাদি। এটা যাদু চর্চার সাথে মিলে না? মুলত ফার্মেসি বিভিন্ন ধরনের পয়জনকে মিক্স করে, পেটেন্ট করে, প্যাকেজ করে এবং দাবি করে এটা রোগ নিরাময় করে। এই সিস্টেমের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, বিষতো বিষ। কোন ড্রাগ বা টি/কা শরীরে ঢোকে এটার নেগেটিভ বিশক্রিয়া হয় পা থেকে মাথা পর্যন্ত। এগুলো নাম দিয়েছে সাইড এফেক্ট। আসলে এটা সাইড না সরারসি পয়জন ঢোকানোর বিষক্রিয়া। কারন এগুলো শরীর চিনেনা। যা শরীর চিনেই না সেটার আবার কিসের উপকার?
Paracelsus কে বলা হয় টিক্সিকোলজির জনক। ১৫০০ সালের দিকে যে মানুষকে রোগের চিকিৎসা দিতো সিলভার বা মার্কারি পদার্থ দিয়ে। বহু সংখক মানুষ মারা যায় তার এই ভুল চিকিৎসার কারনে। কিন্তু আজও সেই মার্কারি দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন টি/কাতে।
Bowl of Hygieia কে ফার্মেসির সিম্বল হিসেবে ধরা হয় সারা বিশ্বে। গ্রীক পুরানশাস্ত্রে Hygieia হচ্ছে Asclepius এর কন্যা। যাকে মেডিসিনের দেবতা বলা হয়। Caduceus সিম্বলটা কমনলি স্বাস্থসেবাখাতে ব্যাবহার হয় যা গ্রীত দেবতা Hermes সাথে সম্পর্ক। ওষুধের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। Baphomet ছবিটি দেখুন। সেখানে মেডিসিনের সিম্বলটা আছে। এটা একটা হিজরা Hermaphrodite ছিলো। নারী পুরুষ দুই অংগই ছিলো।
শয়তানের দোষরদের একটি বড় এজেন্ডা হচ্ছে সমাজকে হিজরা বানানো। এটাও একটা জনসংখা কমানোর একটা উদাহারন যা তারা ২০৩০ ভেতর বাস্তবায়ন করতে চায়। খুব চালাক একটা উপায় পারিবারিক কাঠামো ধংস করার। তারা এটা বাস্তবায়ন করছে দৈনন্দিন প্রোডাক্টের মাধ্যমে যেমন টুথপেস্ট, সাবান, শ্যাম্পু, ক্রিম, লোশন, কাপড় ধোয়ার সাবান, লিকুইড ডিশওয়াশ, রান্নার কড়াই, এমনকি বাচ্চাদের খেলনাও, ইত্যাদি। মেয়েদের মেকআপের তাদের কোটি ডলারের ইন্ডাস্ট্রী। মেকআপ পুরোটাই বিষের রাজ্যখানা। অর্গানিক মেকআপ অনেক এক্সপেন্সিভ। মানে সব কিছুতেই তাদের বিশাক্ত থাবা থাকে। আপনিতো অর্গানিকের নাম শুনলে গা জ্বলে। স্যারকে গালি দিতে দিতে ধুয়ে ফেলেন। খালি সস্তা সস্তা খুজেন। এগুলোতে থাকে হরমোন নস্টকারী কেমিক্যাল উপাদান। যা শরীরে ঢুকে পুরো Endocrine সিস্টেমটাই উলটপালট করে ফেলে। ব্রেন, ইমিউন সিস্টেম, জন্ম প্রজনন সিস্টেম সব তছনছ হতে থাকে। এই ডেমেজটা মুলত সিরিয়াসলি করা হয় যখন বাচ্চা পেটে আসে। কনসিভ করার মুহুর্ত থেকে দুনিয়াতে আসার আগ পর্যন্ত প্রতিটা স্টেপ বাই স্টেপ ডেভলপমেন্ট সব কন্ট্রোল করে হরমোন। তখন যদি হরমোনের কোন অসুবিধা হয় এটা জন্মের পরও রিভার্স করা সম্ভব হয়ে উঠে না। ব্রেন তো আর নতুন করে সাজানো যাবে না। ভিটামিন ডি এই হরমোনের সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন সম্পর্ক। অথচ এটা নিয়ে কোন ডাক্তার কথা বলে না। টেস্ট করতে চায় না। রক্তে থাকতে হয় ১০০ উপর। ৩০-৪০ হলেই ঠিক বলে শেষ। আবার ডেইলি খাওয়ার জিনিষ করছে সপ্তাহে। যাতে হরমোনকে তছনছ করা যায়। সব ডাক্তার আর ফার্মেসিস্ট তো ওদেরই নেমক খেয়েছে। ওদেরই তো গুনগান করবে। হরমোন নিয়ে কত কত ষড়যন্ত্র।
হরমোনকে নস্ট করার বা কনফিজ করার আরও উপাদান টি/কাতেও থাকে যেমন WI -38. এটা হচ্ছে ফেলে দেওয়া মেয়ে ভ্রুনের কোষ। আপনি যখন একটা মেয়ের দুইটা এক্স ক্রমজোম ডিএনএ ঢোকাবেন একটা ছেলে বাচ্চার ভেতর যার অলরেডি একটা এক্স ক্রমোজম ও একটা দুর্বল ওয়াই ক্রমজম আছে। তখন তার শরীরে এক্স ক্রমোজম বেড়ে যায়। তখন ছেলেটা মেয়েদের মত আচরন করে বড় হয়ে। MRC -5 কে বলা হয় ফেলে দেওয়া ছেলে ভ্রুনের কোষকে। ঠিক একইভাবে মেয়েদেরও এটা এফেক্ট করে।
স্বাস্থসেবা বা মেডিসিন সব ধরনের সিম্বলে সাপ থাকবেই। কারন শয়তান এই সাপের রুপ নিয়ে জান্নাতে ঢুকে বিবি হাওয়াকে ধোকা দিয়ে গন্ধম ফল খাইয়ে জান্নাত থেকে বের করে দেয়। সে আল্লাহর সাথে চ্যালেন্জ করেছিলো যেই আদমের কারন আজ আমি বিতাড়িত হলাম সেই আদম সন্তানকে আমি শেষ করে ছাড়বো। জাহান্নামে পাঠাবো। আজ সেই শয়তানই সাপ হয়েই সারা পৃথিবীকে ধোকার ভেতর রেখেছে। পংগু করে দিচ্ছে।
পুরো মেডিসিন ইন্ডাস্ট্রী গ্রীক পুরানিক সভ্যতা দিয়ে তৈরি। Pharmakeia কে তুলে ধরা হয় সাপের ছবি দিয়ে। যে কোন স্বাথ্যসেবার ছবিতে সাপ ও hermaphrodite ছবি থাকবেই। আর এই Paracelsus সময় থেকে আমাদের শরীরে এই এলোপেথিক বিষ ও টি/কা ঢোকানো শুরু হইছে।
সবকিছু কেমন একটার সাথে একটা মিলে যাচ্ছে। এ সবই একই মালায় গাথা। সেই আদম নবীর ঘটনা থেকে আজকের দিন পর্যন্ত সব একটা মালায় গাথা। এটা বোঝার জন্য হেদায়েত লাগবে ও চোখ কান খোলা রাখলেই হবে। জিনিষটা যেমন জটিল তেমন সহজ। শুধু হেদায়েতের নুরটা লাগবে।
আরেকটা হাদিস দিয়ে শেষ করি। শয়তান প্রতিদিন তার চেলা চামুন্ডের নিয়ে মিটিংএ বসে। সবাইকে এক এক করে জিগেস করে কে কি করছে আজকে। কেউ বলে আমি জিনা করাইছি, কেউ বলে মিথ্যা বলাইছি। ইত্যাদি। শয়তান একটাও গনাই ধরে না। একজন বলে আমি আজ স্বামী স্ত্রী আলাদা করেছি। শয়তান সাথে সাথে তাকে বুকে তুলে নেয়। সবার সামনে মুকুট পড়ায়। আসলে পরিবার ধংস করার চেয়ে বড় কোন কিছু নেই। পরিবার শেষ মানে সব শেষ। হিজরা বানিয়ে হোক, বেপর্দা করে হোক, শরীর ধংস করে হোক।
©