Asif Md.Nazrul Blog

Asif Md.Nazrul Blog সাংবাদিক নাট্যকার লেখক ও প্রযোজক।

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2026/02/blog-post_22.htmlআমার মতে বাংলাদেশে যদি দ্বিতীয় কোন ব্যক্তিকে নোবেল এর জন্য ...
23/02/2026

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2026/02/blog-post_22.html
আমার মতে বাংলাদেশে যদি দ্বিতীয় কোন ব্যক্তিকে নোবেল এর জন্য -মনোনয়ন দেয়া হয় -তাহলে সেটা হতে পারে চ্যানেল আইয়ের #সাইখ_সিরাজ । নিভৃতে কৃষকদের নিয়ে কি অসাধারণ কাজ গুলো করে যাচ্ছে লোকটা। তা মনোযোগ সহকারে না দেখলে উপলব্দি করা যাবেনা। হতে পারে তাকে আমরা পছন্দ করিনা। হতে পারে লোকটার আলাদা কোন রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে। তাতে কি- দিন শেষে কাজের মুল্যায়নটাইতো আসল। তার পরিকল্পনায় মাটি ও মানুষকে নিয়ে- মাটি ও মানুষ/শ্যামল বাংলা অনুষ্ঠানটি এক কথায় অসাধারণ। যদিও প্রথমে এটা বিটিভিতে শুরু হয়। তারপর #চ্যানেল_আইতে। এছাড়াও সাইখ সিরাজ বিশেষ ভাবে পরিচিত পান প্রতি রমজানে -চ্যানেল আইতে প্রচারিত #কাফেলা অনুষ্ঠানটি করে।যেটি এখনও প্রতি রমজানে প্রচারিত হয় চ্যানেল আই থেকে। বিশেষ করে ইফতারের আগে ও সেহরির সময়। আমি এ অনুষ্ঠানের একজন নিয়মিত দর্শক।কোরানে বর্ণিত বিশেষ বিশেষ স্থান সমুহে আরব দেশ গুলোতে ছুটে চলেছেন চ্যানেল আই টিম। মরুর বুকে তাদের ছুটে চলা এবং অনুষ্ঠান ধারন খুবই দুরুহ এবং ঝুকিপূর্ন কাজ। কখনও গোপন ক্যামেরায় কখনও কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তুরে ধরছেন -দুর্লভ সব প্রতিবেদন।
শুরুন দিক থেকে #মাওলানা_নুরুল_ইসলাম_ফারুক এটি উপস্থাপনা করতেন -বিগত সরকারের আমলে তাকে নিজ গৃহে হত্যা করা হয়।তার কোরান তেলওয়াত এত মন:মুগ্ধকর ছিল -শুনলেই গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যেত। তাকে কেন হত্যা করা হয়েছিল আজ পর্যন্ত জানলাম না? এর পিছনের রহস্য কি ছিল ?

যাই হোক এরপর থেকে উনার ছেলে উপস্থাপনা করতেন অনুষ্টানটি। এখন করে অন্যজন, উপস্থাপনা ভিন্ন হলেও আবহ একই রকম। তবে মাওলানা ফারুকের উপস্থাপনা ছিল প্রানবন্ত ।আমি মনে হয় গত ১৫/২০ বছর ধরে অনুষ্ঠানটি সময় পেলেই দেখি।আমার বাবাকে দেখিয়েছিলাম কয়েকটি পর্ব। অনেক কিছু জেনেছি অনেক কিছু দেখার সুযোগ হয়েছে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ।
হয়তো আমাদের দ্বারা এসব জায়গাতে কোন-দিন যাওয়া সম্ভব হবেনা। কিন্তু কোরানে বর্ণিত সুরা আয়াত এবং ঘটনার আলোকে সরজমিনে প্রতিবেদন -দেখলে চোখের পানি আটকানো দায়।যদি আপনি একটি পর্বও দেখে থাকেন তবে বুঝবেন এর গুরুত্ব কতখানি।
কাল দেখলাম হয়রত মুসা আঃ এর তুর পাহাড়ে গমনের সময় যে গাছের নীচে গিয়ে আল্লাহর কালাম শুনতে পান সে গাছকে নিয়ে প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব। যেটা একধারে ইহুদী খৃষ্টান ও মুসলমানদের কাছে পবিত্র।যা মিশর থেকে প্রায় ৪০০ কিঃমিঃ দূরে। তুঁরে -সিনা। কোরানে এ পাহাড়কে নিয়ে একটি সুরা আছে। ওয়া -ত্বীন -ওয়াজ যাইতুন -ওয়া তুরে সিনিনা ।
যতক্ষণ অনুষ্ঠানটি দেখলাম ততক্ষণ আমরা হাত পা শীতল হয়ে আসছিল বার বার -শরীরের গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেছে। কারণ যে গাছটিকে দেখানো হয়েছে এটি কয়েক হাজার বছর পূর্বের হলেও এখনও বিদ্যমান। যে গাছ থেকে প্রথম মুসার প্রতি আওয়াজ আসে -হে মুসা তোমার জুতা খোল ----। এরপরের আয়াত -হে মুসা আমিই তোমার রব। -আনা রাব্বাকুমুল আলা ----।

শুরুন দিক থেকে #মাওলানা_নুরুল_ইসলাম_ফারুক এটি উপস্থাপনা করতেন -বিগত সরকারের আমলে তাকে নিজ গৃহে হত্যা করা হয়।তার কে...

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_14.htmlশরিয়া আইন হলো -১.আপনি কোন মুসলমানের মৃত্যুর সংবাদ শুনলে ইন্...
30/12/2025

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_14.html
শরিয়া আইন হলো -
১.আপনি কোন মুসলমানের মৃত্যুর সংবাদ শুনলে ইন্নালিল্লাহ পড়বেন।

২.মৃতকে যথা শীঘ্রই সম্ভব শেষ গোসল করাবেন।

৩.পুরুষদের সাদা ০৩ কাপড় মহিলাদের ০৫ কাপড়ে আচ্ছাদিত করবেন।

৪.তাকে জানাযা দিয়ে দাফন করাবেন।মুসলমানের জন্য ফরজ কেফায়া হলো জানাযায় অংশ গ্রহণ করা এবং চার তাকবীরের সহিত জানাযা আদায় করবেন।তবে জানাযার আগে অবশ্যই পবিত্রতা অর্জন করবেন কিংবা অযু করে জানাযা পড়তে যাবেন।

৫. পুরুষের কোমর পরিমাণ এবং মহিলাদের বুক পরিমাণ কবর খুঁড়বেন। আর মৃত ব্যক্তির মাথা উত্তর দিকে পা দক্ষিণ দিকে রাখবেন এবং মাথায় পশ্চিমমুখী করে শায়িত করবেন।

৬.যদি সম্ভব হয় তাহলে তার সন্তান জানাযা পড়াবেন আর না পারলে একজন আলেম দিয়ে জানাযা পড়াবেন।

৭. দাফনের সময় মৃতকে সম্মানের সহিত কবরে শায়িত করবেন যাতে কোন রকম আঘাত কিংবা তাড়াহুড়া না করা হয়।

৮. কবরে অবশ্যই মুহরিমকে নামতে হবে মুহরিম না থাকলে আত্মীয় স্বজন নামবেন।

৯.দাফনের পর তার জন্য মিলাদ কিংবা দোয়া করাবেন। ফকির মিসকিনকে তার নামের উপর দান সদকা দিবেন।

১০. . তার দায় দেনা পরিশোষ করবেন এবং সন্তানরা তার জন্য কোরান পাঠ করবেন।

আর যদি শরিয়ত না মানেন তাহলে-

১.মৃত্যু সংবাদ শুনে উল্লাস করবেন। ডিজে পার্টিও দিতে পারেন।

২.গোসল না দিয়ে দাফন কিংবা কফিনে দিবেন বা মেডিকেলে লাস দান করে দিবেন।

৩.পরনের কাপড় দিয়ে আচ্ছাদিত করবেন কিংবা বাজারের সবচেয়ে দামী কাপড়।

৪.কবর খুড়ার সময় ইচ্ছামত গর্ত করে পূর্ব পশ্চিম না ভেবে মাটিতে পুতে রাখবেন।

৫. জানাযা না পড়েই কিংবা বিনা তাকবীরে নামাজ পড়বেন।

৬. উনি যেসব সঙ্গীত বা শিল্পী কিংবা প্রিয় তারকাকে জায়নামাজের দায়িত্ব দিবেন যার প্রচার বেশি হয়।

৭.দাফনের সময় প্রিয় সঙ্গীত বাজাবেন কিংবা প্রিয় শিল্প এনে গান নৃত্য পরিবেশন করবেন -

৮. কবরে যে কোন লােক নামবেন -দোয়া দরুদ না পড়ে গান গাইবেন কিংবা সিগারেটও খাইতে পারেন।

০৯. মৃতকে হইচ্ছামত কবরে শায়িত করবেন যেমন মাথা পশ্চিম দিকে পা পুর্ব দিকে কিংবা মুখ অন্য দিকে।

১০. দেনার ব্যাপারে উদাসীন থাকবেন -কেউ চাইলেও এড়িয়ে যাবেন।

এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নেন -শরীয়া আইন আপনার প্রয়োজন আছে কি নাই ?

অতএব বুঝে শুনে কথা বলবেন। মৃত্যু সবার জন্যই অবধারিত কিন্ত রাজনীতি সবার জন্য অবধারিত নয়।

১.আপনি কোন মুসলমানের মৃত্যুর সংবাদ শুনলে ইন্নালিল্লাহ পড়বেন। 

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_29.htmlযদি ৩০০ আসনে প্রার্থী ০২ জন করে প্রার্থী দেয়া হয় -তাহলেও বিএন...
29/12/2025

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_29.html
যদি ৩০০ আসনে প্রার্থী ০২ জন করে প্রার্থী দেয়া হয় -তাহলেও বিএনপিতে যোগ্য প্রার্থীর অভাব হবেনা এমনকি ০৪ জন করেও তাদের প্রার্থী দিতে কষ্ট হবেনা।
সে জায়গায় এনসিপিকে ০৭টি আসন দিলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীকে সামাল দেয়া কষ্টকর হয়ে যেত। কারণ প্রার্থী কিংবা এমপি হতে কে না চায় ? এটার জন্যইতো নেতারা রাজনীতি করে।

এ পরিস্থিতিতে এনসিপি বিএনপির সাথে জোট বাঁধলে বাঘা বাঘা নেতা -নমিনেশন থেকে বঞ্চিত হত । কারণ হচ্ছে এনসিপিতে কেন্দ্রীয় নেতা হিসাবে যারা আছেন -বিশেষ করে - #হাসনাত, #সারজিস , #নাহিদ, #আক্তার, #সারোয়ার তুষার , #তাসনুবা জেরিন , #নাসির উদ্দিন - #তাসনিম জারা - #হান্নান মাসউদ -এদের আসনে যদি বিএনপির হেভি ওয়েটা প্রার্থী থাকে তাহলে তারা সেটা কখনই এনসিপিতে দিতে পারতো না।

উদারন হিসাবে জারার কথাই বলি -মীর্জা আব্বাসকে বাদ দিয়ে -জারাকে সিট ছেড়ে দিবে বিএনপি ?

তেমনিভাবে কায়কোবাদ বাদ দিয়ে আসিফকে সিট দিত বিএনপি ? উত্তর হবে না। বিপরীত দিকে যেসব আসনে বিএনপি ছাড় দিত তাতে দেখা যেত এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা, নেই তখন কি হত ?

তাছাড়া ০৭টা সিট নিয়ে দলে দেখা দিত মত বিরোধ। তখন দল থেকে আরো বেশি নেতা নেত্রী বের হয়ে যেতে অনায়াসে। তার মানে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা ছিল অসম্ভব।

এখন তারা জামায়াতে গেছে -সবাই ছি ছি করতেছে -৩০ জন বের হয়ে গেছে। এতে তাদের সাময়িক ক্ষতি হলেও লাভ সুদূর প্রসারী। কারণ জামাত আর যাই করুক এদের আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে দিবেনা কাউকে। এমনকি এদের প্রচারে এবং নিরাপত্তায় আগলে রাখবে। যে নিশ্চয়তা বিএনপির কাছ থেকে পাওয়া ছিল অসম্ভব। কারণ বিএনপির গৃহ বিবাদ এমনিতে চরমে।তাদের প্রার্থীদের পক্ষে কেন্দ্রীয় নির্দেশে এনসিপিকে মেনে নেবার মানসিকতা থাকতো কম সংখ্যক নেতরাই এমনকি স্থানীয় নেতা কর্মী সমর্থকরা কোন ভাবেই এদের মেনে নিতনা । কিন্তু জামাতের কেন্দ্রীয় নির্দেশ পালনে আজ্ঞাবহ হয়ে থাকে স্থানীয় নেতা কর্মীরা।যার কারনে কোন আসনেই কেউ বিরোধীতা করবে না এটা নির্ধিদ্বায় বলা যায়।

সে বিবেচনায় মনে হবে এনসিপির বর্তমান অবস্থান কিছুটা লাভজনক। এখান থেকে কতজন বেরিয়ে আসে এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সে জায়গায় এনসিপিকে ০৭টি আসন দিলে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীকে সামাল দেয়া কষ্টকর হয়ে যেত। কারণ প্রার্থী কিংবা এম....

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_19.htmlশরিফ ওসমান হাদি কাউকে খুন করেনি, কাউকে ধর্ষণ করেনি ,কারো জমি...
20/12/2025

https://asifmdnazrul.blogspot.com/2025/12/blog-post_19.html
শরিফ ওসমান হাদি কাউকে খুন করেনি, কাউকে ধর্ষণ করেনি ,কারো জমি দখল করেনি, কারো প্রতি মব সৃষ্টি করেনি , কাউকে হল থেকে বের করে দেয়নি, কাউকে আঘাত করেনি , কারো কাছ থেকে চাঁদা চায় নি-টেন্ডার-বাজি করে কারো মুখের খাবার কেড়ে নেয়নি। কিংবা রাষ্ট্র যন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলেনি,ধর্মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি -কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে শোষনের বিরুদ্ধে ,আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ,ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে-আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এটাই কি ছিল হাদীর অপরাধ।নইলে তাকে জীবন দিতে হল কেন ?
হাদী কোন রাজনৈতিক নেতাও না।কারণ সে এনসিপির সদস্য নয়। সে ডাক দিলে যে লক্ষ লোক জামায়েত হবে -তাও না। জুলাই বিপ্লবে তার মত শত শত ছাত্র জনতা আন্দোলন করেছে মাঠে নেমেছে -কিন্তু তাকে কেন টার্গেট করা হলো ? এর সহজ হলো বড়দের মুখের উপরে সঠিক কথা বলে দেয়া কিছু মানুষের মুখোশ উম্মোচন করে দেয়া আর নীতির স্বার্থে উচিত কথা বলা।এটাই কি কাল হলো তার জন্য ?

কিছু মূর্খ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়েছে। প্রথমে মীর্জা আব্বাস পরে আবার জামাতের উপর দায় চাপিয়ে একটা সংঘাত বাঁধিয়ে দিতে চেয়েছে কিন্তু সেটা বুমেরাং হয়ে গেছে। কারণ হাদী জাতীয়তাবাদী আদর্শের সমর্থন -খালেদা জিয়া -তারেক জিয়ার প্রতি ছিল তার অকৃত্রিম ভালোবাসা ।

তাই মীর্জা আব্বাস তাকে শক্র ভাবা কিংবা মারার প্লানিং করা হাস্যকর। সে কত ভোট পেত -১০ হাজার ২০ হাজার ৫০ হাজার কিংবা এক লাখ। সেটা কি মীর্জা আব্বাসের জন্য টেনশানের কোন বিষয় ছিল ? মীর্জা আব্বাস একজন জাতীয় লেবেলের নেতা -হাদীকে তার প্রতিধন্ধী মনে করার কোন কারণ নেই। এ ছাড়া জামাত -কাউকে হত্যা করে মীর্জা আব্বাসকে ফাঁসিয়ে দিবে -কিংবা মীর্জা আব্বাসকে দোষী বানিয়ে জনগণের ভোট আদায় করবে কিংবা হাদিকে মারলে আব্বাসের সিটে রাতারাতি তাদের ভোট বেড়ে যাবে -এত অসুস্থ চিন্তা করারও কোন কারন নাই।

তাহলে কেন হাদীকে হত্যা করা হলো -কারা হত্যা করলো তাকে ?

এর আংশিক উত্তর ইতোমধ্যে প্রকাশিত। যারা মনে করে জুলাই যোদ্ধাদের হত্যা করতে পারলে বেশি কিছু না হলেও প্রতিশোধটা নেয়া হবে। তাই বিনিয়োগ এবং সাধারণ কর্মীদের ব্যাবহার করছে নিজেদের উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য।

এখন কি হলো -কিলার ঘর ছাড়া বাড়ী ছাড়া দেশ ছাড়া। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। ব্যাংক হিসাব জব্দ। মা বাবা -শ্বশুর শাশুড়ি , বোন,স্ত্রী-বান্ধবী এবং সহযোগীরা কারাগারে। সে কতদিন দেশের বাইরে থাকবে -আর দেশে আসলে কি হবে -তাকেও যে কেউ মারবে না -এ নিশ্চয়তা কে দিবে ?

তাই ভাবিয়া করিয়া কাজ ভাই করিয়া ভাবিওনা। কচ্ছপের মত হাজার বছর বাঁচার চেয়ে সিংহের মত কয়েক বছর বাঁচা উত্তম।

হাদী কোন রাজনৈতিক নেতাও না।কারণ সে এনসিপির সদস্য নয়।  সে ডাক দিলে যে লক্ষ লোক জামায়েত হবে -তাও না। জুলাই বিপ্লবে ...

Address

House No 158 Road No 01 DOSH BariDhara
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Asif Md.Nazrul Blog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Asif Md.Nazrul Blog:

Share