06/05/2020
শরীয়তপুরের ১০ বসতঘর ভাংচুর, মহিলাসহ আহত ১০

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলায় সাঁকো দিয়ে পারাপারকে কেন্দ্র করে এক পক্ষের হামলায় ১০টি বসতঘরে ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। এ ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি বলে পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন জানিয়েছেন। বুধবার ভোরে শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়ন কাশীপুর উত্তর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন জানান, কাশীপুর এলাকায় আলামিন মুন্সি বাড়ীর উত্তর পাশে খালের উপর একটি সাকোঁ ছিল। সে সাকোঁর বাশঁ আলামিন মুন্সি তুলে ফেলে। এ নিয়ে আলামিন মুন্সি সঙ্গে স্থানীয় বিল্লাহ মাদবরের কথাকাটাকাটি হয়্। এক পযায়ে আলামিন মুন্সি বিল্লাল মাদবরকে মারধর করে। এর কিছুক্ষন পর একই এলাকার আলমগীর হাওলাদারের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জনের একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কাশিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আলামিন মুন্সীর বাড়িতে ২টি বোমা ফাটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে হামলা চালায়।
এ সময় হামলাকারীরা মান্নান মুন্সীর ১টি, খলিল বেপারীর ১টি, ফারুক মুন্সীর ১টি, পারুল বেগমের ১টি, মাসুদ মুন্সীর ১টি, সৈয়দ মুন্সীর ১টি, জুলহাস মাদবরের ১টি বসতঘরসহ আবু সালাম মুন্সীর দোকানঘরসহ ১০টি বসতঘর ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় হাজেরা বেগম, আল আমিন মুন্সী, রেজাউল মুন্সী, আতাউর মুন্সীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত হাজেরা বেগম শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
চিতলিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সেলিম মুন্সী, মজিবর মুন্সী, কালাম মুন্সী জানান, একটি বাঁশের সাঁকো ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে আলমগীর হাওলাদারের লোকজন হামলা চালিয়ে ১০ বসতঘর ও দোকানপাট ব্যাপক ভাংচুর করেছে। এ সময় দুটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় সন্ত্রাসীরা। এতে ১০ জন আহত হয়।
এ ব্যাপারে আলমগীর হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। হামলায় পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন জানান, কাশীপুর গ্রামে হাওলাদার ও মুন্সীদের বিবদমান দু’টি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনায় ওই গ্রামে ৭/৮টি বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করলে মামলা নেওয়া হবে।