Digital Marketing"

Digital Marketing" I am a Digital marketer and SEO expert, I have over 2.5 years of experience as a Social Media Manager

'পারবো না' বলে সবাই যখন কাজ ছেড়ে দেয়...'হারবো না' বলে তখন কেউ না কেউ লেগে থাকে।কিছুই হবে না ভেবে সবাই যখন হাল ছেড়ে দেয়, ...
17/10/2022

'পারবো না' বলে সবাই যখন কাজ ছেড়ে দেয়...'হারবো না' বলে তখন কেউ না কেউ লেগে থাকে।

কিছুই হবে না ভেবে সবাই যখন হাল ছেড়ে দেয়, কিছু না কিছু একটা হবেই এই বিশ্বাসে আপনি তখনো লেগে থাকুন!

সবাই যখন নিজেকে অজুহাত দেখাতে ব্যস্ত; আপনি তখন নিজেকে স্বপ্ন দেখান!

সবাই যখন অলস থাকে, আপনি তখন কাজে থাকেন। ঠিক কয়েকটা বছর পর দেখবেন ওরা সবাই যখন লাইফ নিয়ে হতাশ!! আপনি তখন সুখ ও সমৃদ্ধিতে ভরপুর।

মনে রাখবেন- There is no secret for success or happiness .
সবার মত কাজ করে সবার থেকে আলাদা কিছু আপনি কখনোই পাবেন না। যদি ভিন্ন কিছু চান তবে ভিন্নভাবে চিন্তা করুন, অতিরিক্ত কিছু করুন।

যদি এমন কিছু পেতে চান যা আগে কখনো পাননি, তবে এমন কিছু করুন যা আগে কখনো করেননি।

12/10/2022

রাস্তা ছাড়েন প্লিজ। কই যাইবেন মিস?
ঔষুধ আনতে ভাই। আজ তোরেই চাই।
দোষটা কি আমার? তুই রসের খামার।

কইরেন না সর্বনাশ! এইটা আমার অভ্যাস!
অসুস্থ মা'টা বাসায়। আমার কি আসে যায়?
মানুষ ডাকবো কিন্তু৷ এখানে নাই জীব-জন্তু।

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দম! চুপ! কথা বলবি কম।
ছেড়ে দে জানোয়ার। মিটাই আশা একবার।
নাইরে তোর মা-বোন। চুপ! করবো কিন্তু খুন।
নরপিশাচ একটা তুই, আয় সর্বাঙ্গে তোর ছুঁই।
বাঁচাও,বাঁচাও,বাঁচাও। চেঁচাও জোরে চেঁচাও।

অতঃপর জানোয়ারটা পৈশাচিক আনন্দ মেতে ওঠে।অভুক্ত কুকুরের ন্যায় খাবলে খেতে থাকে মেয়েটার আপাদমস্তক।একটা সময় পর কুকুরটা ক্লান্ত হয়ে পরে।তারপর মেয়েটা গোঙ্গাতে গোঙ্গাতে বলতে লাগলো,

একটু পানি যদি পাই, হারামজাদি পানি নাই।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শ্বাস। কিছুক্ষন পর হবি লাশ!
জীবনটা দেন ভীক্ষা। পরে দিবি আমায় শিক্ষা।
ভুলে যাব ঘটনা সব। জানি পরে হবে কলরব!

কেউ জানবে না কিছু। শুধু পুলিশ নিবে পিছু।
চুপ থাকব আজীবন। ঘটাতে পারিস অঘটন!
শুধু ভিক্ষা চাচ্ছি প্রাণ! এখন নিবো তোর জান।

এভাবেই শত শত মা-বোনের প্রাণ রোজ হচ্ছে শেষ ;
ধর্ষক বেঁচে যায়,ধর্ষণ করে যায় এর নাম বাংলাদেশ।

লেখক✍️

10/10/2022

১. "বই বিশ্বাসের অঙ্গ, বই মানব সমাজকে টিকিয়ে রাখবার জন্য জ্ঞান দান করে । অতএব, বই হল সভ্যতার রক্ষাকবচ ।" - ভিক্টর হুগো (বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এবং মানবাধিকারকর্মী)

২. "ভালো বইয়ের সাহচর্য আছে এমন কোন মানুষকে বন্ধুহীন বলা যায় না ।" - এলিজাবেথ ব্যারেট (ভিক্টোরিয় যুগের বিখ্যাত ইংরেজ কবি)

৩. "আপনি একবার পড়তে শিখলে, আপনি চিরতরে মুক্ত হবেন ।" - ফ্রেডরিক ডগলাস (আমেরিকার বিখ্যাত সমাজকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও লেখক)

৪. "যারা সাধারণের ঊর্ধ্বে উঠতে চায় তাদের জন্য পড়া অপরিহার্য ।" - জিম রোহন (আমেরিকান উদ্যোক্তা, লেখক ও প্রেরণাদায়ক বক্তা)

৫. "ভালো খাদ্য বস্তু পেট ভর্তি করে, কিন্ত ভালো বই মানুষের আত্মাকে পরিতৃপ্ত করে ।" – স্পিনোজা (সপ্তদশ শতকের বিখ্যাত ইউরোপীয় দার্শনিক)

৬. "ভালো বই পড়া মানে গত শতাব্দীর সেরা মানুষদের সাথে কথা বলা ।" - দেকার্তে (বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক গণিতবিদ ও বৈজ্ঞানিক)

৭. "পড়ার অভ্যাস অর্জন করা মানে জীবনের প্রায় সমস্ত দুঃখ-কষ্ট থেকে নিজের জন্য আশ্রয় তৈরি করা ।" - ডব্লিউ সমারসেট (বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং ছোটগল্প লেখক)

৮. "আপনি যতো বেশী পড়বেন, ততো বেশি জিনিস আপনি জানতে পারবেন । আপনি যতো বেশি শিখবেন, ততো বেশী জায়গায় যাবেন ।" - ডাঃ সেউস (আমেরিকার বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক)

৯. "আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, একটি বই পড়ার সময় অপরাধ করা অসম্ভব ।" - জন ওয়াটার্স (আমেরিকার বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার, লেখক ও শিল্পী)

১০. "শুধুমাত্র পাঠকদের একটি প্রজন্ম লেখকদের একটি প্রজন্মের জন্ম দেবে ।" - স্টিভেন স্পিলবার্গ (আমেরিকার বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার)

১১. "পড়ুন । পড়ুন । পড়ুন । শুধু এক ধরনের বই পড়বেন না । বিভিন্ন লেখকের বিভিন্ন বই পড়ুন, যাতে আপনি বিভিন্ন শৈলীর বিকাশ করেন ।" – আর এল স্টাইন (আমেরিকার বিখ্যাত ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার)

১২. "বই হল সবচেয়ে শান্ত এবং সবচেয়ে ধ্রুবক বন্ধু; তারা পরামর্শ দাতাদের মধ্যে সবচেয়ে সহজলভ্য এবং জ্ঞানী এবং শিক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে ধৈর্যশীল ।" - চার্লস ডব্লিউ এলিয়ট (বিখ্যাত আমেরিকান লেখক)

১৩. "পৃথিবী তাদেরই যারা পড়ে ।" - রিক হল্যান্ড (বিখ্যাত ইংরেজ কবি ও শিল্পী)

১৪. "বই পড়তে যে ভালোবাসে, তার শত্রু কম ।" - চার্লস ল্যাম্ব (অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক)

১৫. "আইনের মৃত্যু হয়, কিন্তু বইয়ের মৃত্যু হয় না ।" - এনড্রিউ ল্যাঙ (স্কটিস কবি, ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য সমালোচক)

১৬. "যে বই পড়ে না, তার মধ্যে মর্যাদাবোধ জন্ম নেয় না ।" - পিয়ারসন স্মিথ (বিখ্যাত আমেরিকান কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ)

১৭. "বইয়ের মত এত বিশ্বস্ত বন্ধু আর নেই ।" - আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (আমেরিকান ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও সাংবাদিক)

১৮. "বই হচ্ছে অতীত আর বর্তমানের মধ্যে বেঁধে দেয়া সাঁকো । - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ভারত তথা বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি-সাহিত্যিক)

১৯. "জীবনে তিনটি জিনিসের প্রয়োজন- বই, বই এবং বই ।" - ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (বিখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, দার্শনিক ও বহুভাষাবিদ)

২০. "পড়তে শেখা মানে আগুন জ্বালানো; বানান করা প্রতিটি শব্দাংশ একটি স্ফুলিঙ্গ ।" - ভিক্টর হুগো (বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এবং মানবাধিকারকর্মী)

21/09/2022

1 থেকে 999 পর্যন্ত বানান লিখতে গিয়ে ইংরেজী "A" বর্ণটিকে কোথাও পাওয়া যায়নি 🤔
"A" বর্ণটিকে প্রথম পাওয়া যায় "Thousand" লিখতে গিয়ে । ইংরেজী বর্ণমালার প্রথম অক্ষর হওয়া সত্বেও তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে "999" পর্যন্ত 🤔

সুতরাং নিজের উপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যেতে হবে । সময় আর সুযোগ "কবে, কখন, কোথায়, কিভাবে" কার জীবনে চলে আসবে, প্রয়োজন শুধু সততা আর ধৈর্যের ✅

21/09/2022

যদি কোনো ভিক্ষুক বা অসহায়কে ১০টা টাকা দিতে ইচ্ছে হয়, তবে পকেটের সবচেয়ে চকচকে ১০ টাকার নোটটিই দেয়া উচিত; কোনো ছেঁড়া বা পুরনো টাকার নোট নয়৷ এভাবেও কাউকে একটু বেশি খুশি করা যায়।

কারো সাথে দেখা যদি করতেই হয় তবে নির্দিষ্ট সময়ের কমপক্ষে ২ মিনিট আগে পৌঁছান, কোনো অবস্থাতেই ২ সেকেন্ড পর নয়। এভাবেও একটা স্ট্রং পার্সোনালিটি দাঁড় করানো যায়।

কত বড় অফিসের কত বড় অফিসার আপনি তা দিয়ে কারোই খুব একটা কিছু যায় আসে না। দিনশেষে আপনি কার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন মানুষ শুধু সেটুকুই মনে রাখবে। আর এটুকু মনে রেখেই মানুষ কাউকে সম্মান করে আর কাউকে ঘৃণা করে।

সবচেয়ে দামী মোবাইল সেট দিয়ে কথা বললেই কথাগুলো দামী হয়ে উঠে না, সবচেয়ে দামী ব্র‍্যান্ডের পোশাক পরলেই কেউ দামী হয়ে উঠে না, দামী ঘড়ি পরলেই কারো সময় দামী হয়ে যায় না। মানুষ বড় হয় তার পার্সোনালিটি দিয়ে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যার খুব নরমাল মোবাইল হাতে নিয়ে কথা বললেও খুব দামী কথাই বলেন। শিল্পী হাশেম খান খুব নরমাল ব্র‍্যান্ডের ঘড়ি পরেও খুব দামী ছবি আঁকতে পারেন।
______________________
Satyajit Chakraborty

04/08/2022

কিছু কিছু মানুষকে দেখবেন এরা সবসময় একা থাকে। কারও সাথে তেমন একটা কথা বলে না। খুব সহজে কারও সাথে মিশে না। আবার যাদের সাথে মিশে তাদের সাথে অনেক বেশি মিশে যায়। নিজের সবকিছু তাদের সাথে অকপটে বলে ফেলে।

বেশির ভাগ ক্ষেএেই তাদের ফোন সাইলেন্ট মোডে থাকে। এই নিয়ে সবার কাছে বেশ কথাও শুনতে হয়। তবুও তারা এই অভ্যাস পরিবর্তন করে না। মোবাইলে কারও সাথে বেশিক্ষণ কথা বলতে তাদের ভালো লাগে না। তবে বিশেষ কিছু মানুষের ক্ষেএে এটা আলাদা। তারা তাদের সাথে কথা বলতে খুব আনন্দবোধ করে এবং তাদের সাথে সবসময় অনেক বেশি কথা বলতে চায়।
অজানা কারণে বেশির ভাগ ক্ষেএেই তাদের মন খারাপ থাকে। তাদের প্লে-লিষ্টে বেশির ভাগই স্যাড সং থাকে। তারা স্যাড সং শুনতে এবং ফেইসবুকের নিউজফিডে স্যাড পোষ্ট করতে বেশি ভালোবাসে। আশে পাশের অনেকেই হয়ত ভেবে নেয় তারা ছ্যাকা খেয়ে ব্যাকা হয়ে গেছে। কিন্তু সত্যিটা হলো তাদের কেউ কেউ কখনো কোন রিলেশনই করেনি।

অন্ধকার তাদের খু্ব পছন্দ। বেলকোনিতে দাঁড়িয়ে একা একা আকাশ দেখা কিংবা নিজের রুমে অন্ধকারে একা একা থাকতে তারা বেশি ভালোবাসে। খু্ব বেশি মানুষ তাদের পছন্দ নাহ। বাসায় বেশি মেহমান আসলে তারা কিছুটা বিরক্তবোধ হয়। তারা তাদের কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে রাখতে চায়। এভাবে থাকতেই তাদের ভালোলাগে।

আসলে এই মানুষগুলোর নিজস্ব একটা জগৎ থাকে। তারা তাদের মতো ভাবতে, তাদের মতো চলতে, তাদের মতো থাকতে বেশি পছন্দ করে। আশে পাশের অনেকেই হয়ত তাদেরকে অহংকারী ভাবে। কিন্তু আসলেই এরা অহংকারী নয়। আপনি যদি একবার তাদের সাথে মিশে যেতে পারেন দেখবেন তারা একটুও অহংকারী নয়। তারা মানুষকে অনেক বেশি ভালোবাসতে জানে, অনেক বেশি সম্মান করতে জানে।কিন্তু তাদের সাথে মিশতে পারাটাই কঠিন। তাদেরকে অহংকারী ভেবে দূরে ঠেলে দেওয়াটাই সহজ। কিন্তু তবুও তারা কোন অভিযোগ করে না। নিজেই ভেতরে ভেতরে কষ্ট পায়। কারণ তারা তো এমনই। অভিযোগ নয় তারা অভিমানী।

30/09/2020

আম্রপালী ছিলেন এমন একজন অনিন্দ্য সুন্দরী ; প্রায় ২,৫০০ বছর আগে রাষ্ট্র যাকে বানিয়েছিল নগরবধূ বা পতিতা-
স্বাদের দিক থেকে অনেকের কাছেই 'আম্রপালী' আম খুবই প্রিয় । আকারে ছোট কিন্তু মিষ্টির দিক থেকে যেন সকল আমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে 'আম্রপালী' । কিন্তু এই আমটার নামকরণ কোথা থেকে হল জানেন ?

আম্রপালী জন্মেছিলেন আজ থেকে ২,৫০০ বছর আগে ভারতে । তিনি ছিলেন সে সময়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী এবং নর্তকী । তার রুপে পাগল ছিল পুরো পৃথিবী আর এই রুপই তার জন্য কাল হয়ে ওঠে । যার কারণে তিনি ছিলেন ইতিহাসের এমন একজন নারী, যাকে রাষ্ট্রীয় আদেশে পতিতা বানানো হয়েছিল !

আম্রপালী বাস করতেন বৈশালী শহরে । বৈশালী ছিল প্রাচীন ভারতের গণতান্ত্রিক একটি শহর, যেটি বর্তমানে ভারতের বিহার রাজ্যের অর্ন্তগত ।
মাহানামন নামে এক ব্যক্তি শিশুকালে আম্রপালীকে আম গাছের নিচে খুঁজে পান । তার আসল বাবা-মা কে ইতিহাস ঘেঁটেও তা জানা যায়নি । যেহেতু তাকে আম গাছের নিচে পাওয়া যায় তাই তার নাম রাখা হয় আম্রপালী । সংস্কৃতে আম্র মানে আম এবং পল্লব হল পাতা । অর্থাৎ, আমগাছের নবীন পাতা ।

কিন্তু শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতেই আম্রপালীকে নিয়ে হইচই পড়ে যায় । তার রুপে চারপাশের সব মানুষ পাগল হয়ে যান । দেশ-বিদেশের রাজপুত্রসহ রাজা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ তার জন্য পাগলপ্রায় হয়ে যান । নানা জায়গায় থেকে তাকে নিয়ে দ্বন্দ, ঝগড়া আর বিবাদের খবরও আসতে থাকে । সবাই তাকে একনজর দেখতে চান, বিয়ে করতে চান । এ নিয়ে আম্রপালীর মা-বাবা খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন । তারা তখন বৈশালীতে সকল গণমান্য ব্যক্তিকে এর একটি সমাধান করার জন্য বলেন । কারণ, সবাই আম্রপালীকে বিয়ে করতে চান । তখন বৈশালীর সকল ক্ষমতাবান ও ধনবান ব্যক্তি মিলে বৈঠকে বসে নানা আলোচনার পর যে সিদ্ধান্ত নেন তা হল, আম্রপালীকে কেউ বিয়ে করতে পারবেন না । কারণ তার রুপ । সে একা কারো হতে পারে না । আম্রপালী হবে সবার । সে হবে একজন নগরবধু, মানে সোজা বাংলায় পতিতা ।

এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত । ইতিহাসে এভাবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে কাউকে পতিতা বানানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত খুবই বিরল ! আম্রপালী সে সভায় পাঁচটি শর্ত রাখেন-

(১) নগরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় তার ঘর হবে ।
(২) তার মুল্য হবে প্রতি রাত্রির জন্য পাঁচশত স্বর্ণমুদ্রা ।
(৩) একবারে মাত্র একজন তার গৃহে প্রবেশ করতে পারবেন ।
(৪ ) শক্র বা কোন অপরাধীর সন্ধানে প্রয়োজনে সপ্তাহে সর্বোচ্চ একবা

03/07/2018

======(❤) আমার পাগলী বউ(❤) =======/
তোমার ফেলে আসা দিনগুলো সুভাসিত ছিল নাকি গন্ধে ভরা ছিলো
আমি জানতে চাইবো না কখনো!
সেগুলো তো শুকিয়ে গেছে ঝরে যাওয়া ফুলের মতো।
আমি ঝরে যাওয়া ফুল খুঁজতে যাবনা।
তোমার কুমারীত্ব যাচাই করার জন্য
কিংবা হাতে কার ছোঁয়া লেগে আছে
শুঁকে দেখতে আমি আগ্রহী নই!
আমি শুধু চাইবো আমার ভাঙা বুকে তোমার বিছানাটুকু পেতে নিও!
যদি কখনো কাঁদতে ইচ্ছে করে, অঝোরে...
তোমার চোখের জলে;
আমার বুকের প্রতিটা লোমকূপ ভিজিয়ে দিও!
আমাকে তোমার ভালবাসতে হবেনা
শুধু তুমি ভালো থেকো
আর, নিজের খেয়াল রেখো!
যদি কখনো অভিমানে চোখ জুড়িয়ে আসে,
তখন নাহয় অভিমান ভুলে ঘুমিয়ে যেও আমারই পাশে!
তবুও তো মাঝরাতে চোখ খুলে দেখতে পাবো তোমার মায়াবী মুখখানা।
আর বেশি কিছু চাইবো না;
এভাবেই শুধু পাশের বালিশে,
শত নালিশে একটু জায়গা দিও!

Address

Dhaka
6310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digital Marketing" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share