10/02/2026
গোমরাহ, কিংবা পথভ্রষ্ট দলকে ভোট দেওয়া যদি হারাম হয়,তাহলে সেক্যুলার তথা কুফুরি আকিদায় বিশ্বাসী যারা তাদেরকে ভোট দেওয়া তো ডাবল হারাম। সে বিষয়ে আলেম সমাজ নিরব কেন ?
ফতোয়া হোক সার্বজনীন,অন্যথায় ফতোয়া তার আবেদন হারিয়ে ফেলবে।
গত ১৬ বছর স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ ক্ষমতার মসনদ ব্যবহার করে ইসলাম বিরোধী এহেন কোন কর্মকাণ্ড নেই যা তারা পরিচালনা করেনি ।
জুলুমের এমন কোন প্রকার নেই যা তারা সমাজে রাষ্ট্র যন্ত্র ব্যবহার করে করেনি ।
গুম, খুন, হত্যা,ধর্ষন, চাঁদাবাজি, রাহাজানি ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।
হাজার হাজার আলেম ওলামাদের বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা,তাদেরকে মসজিদ মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া, বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা, ওয়াজ মাহফিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা, বক্তার সামনে থেকে মাইক কেড়ে নেওয়া, ষ্টেইজ থেকে নামিয়ে নিয়ে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় জেলে ভরে দেওয়া (৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮সালে যেটা আমার সাথে করেছিল)
ইত্যাদি। জুলুম নির্যাতন, ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড এবং খোদা দ্রোহীতার চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার পরেও, সেই সময় যে আলেম সমাজ তাদেরকে ভোট দেওয়া হারাম ফতোয়া দেন নি এবং তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার ঘোষণাও দেননি তারা এখন কারো সাথে আদর্শগত মিল না হলে তাদেরকে ভোট দেওয়া হারাম বলেন কিভাবে?
এটা আমার বোধগম্য নয় ।
ফতোয়া যেন দ্বীন বিজয়ের হাতিয়ার হয়, কোন ফাসিকের ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম না হয়।
আল্লাহ আমাদের ভুল ত্রুটি সংশোধন করে সঠিক পথে পরিচালিত করুন । #কপি