Samrat ICT Institute

Samrat ICT Institute আউটসোসিং সেক্টরে দক্ষ ফ্রিলান্সার সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান
"সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট" It is quite impossible to start freelancing without any prior skill.

─────────────────────────▄▀█▀█▀▄
────────────────────────▀▀▀▀▀▀▀▀▀
─────────█──────────────▄─░░░░░▄
─▄─█────▐▌▌───█──▄─▄───▐▌▌░░░░░▌▌
▐█▐▐▌█▌▌█▌█▌▄█▐▌▐█▐▐▌█▌█▌█░░░░░▌▌
█▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀█
█░█░░░█ █▀▀ █░░ █▀▀ █▀▀█ █▀▄▀█ █▀▀ ░█
█░█▄█▄█ █▀▀ █░░ █░░ █░░█ █░▀░█ █▀▀ ░█
█░░▀░▀░ ▀▀▀ ▀▀▀ ▀▀▀ ▀▀▀▀ ▀░░░▀ ▀▀▀ ░█
▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀▀
TO

▒█▀▀▀█ ░█

▀▀█ ▒█▀▄▀█ ▒█▀▀█ ░█▀▀█ ▀▀█▀▀
░▀▀▀▄▄ ▒█▄▄█ ▒█▒█▒█ ▒█▄▄▀ ▒█▄▄█ ░▒█░░
▒█▄▄▄█ ▒█░▒█ ▒█░░▒█ ▒█░▒█ ▒█░▒█ ░▒█░░

▀█▀ ▒█▀▀█ ▀▀█▀▀
▒█░ ▒█░░░ ░▒█░░
▄█▄ ▒█▄▄█ ░▒█░░

▀█▀ ▒█▄░▒█ ▒█▀▀▀█ ▀▀█▀▀ ▀█▀ ▀▀█▀▀ ▒█░▒█ ▀▀█▀▀ ▒█▀▀▀
▒█░ ▒█▒█▒█ ░▀▀▀▄▄ ░▒█░░ ▒█░ ░▒█░░ ▒█░▒█ ░▒█░░ ▒█▀▀▀
▄█▄ ▒█░░▀█ ▒█▄▄▄█ ░▒█░░ ▄█▄ ░▒█░░ ░▀▄▄▀ ░▒█░░ ▒█▄▄▄

▂ ▄ ▅ ▆ ▇ █ ŐÚŔ ŤŔĂĨŃĨŃĞ ČŐÚŔŚĔŚ █ ▇ ▆ ▅ ▄ ▂


Bangladesh has already achieved 3rd position in Odesk and strong position in all freelance marketplaces. For building up Bangladeshi freelancer IPL have started freelance training service. We provide training to develop professional skill in professional arena in outsource market place. We provide free seminar & free counseling to start freelancing. Train yourself and start freelancing. There is no shortcut way to get success. If you want to work as a freelancer and earn money then you need to get proper training and achieve expertise in a certain category. Samrat ICT Institute is one of the fastest growing outsourcing training centers in Bangladesh. It has mission to explain the latest and innovative outsourcing training for the young generation. In Bangladesh, especially in Dhaka, there are number of outsourcing training center but none of these training centers have effective way of teaching for ou young generation

Samrat ICT Institute is the leading Online Earning Institute in Dhaka, Bangladesh. Its Virtual Class Room (Video Conferencing and Interwise Technology):
To overcome the deficiency of web learning and provide the effectiveness of conventional mode, Video Conferencing Technology was used to create a huge virtual class-room of geographically dispersed students interacting in real time with the faculty, with no constraints of audio and video sharing. This technology complimented with Interwise technology (for desktop sharing) can take care of huge number of people needing training in different areas

At Samrat ICT Institute the customization and delivery of quality ICT Institute & Support Services from industry experts is first priority. Samrat ICT Institute 5 shows unique feature of confidence for student/employee success with our training and support service methodologies.
1. Samrat ICT Institute translates the technology into measurable and achievable objectives for each student
2. We make you to understand why new technology is necessary and how it will affect to your daily Outsourcing jobs
3. Support the students in implementing, designing and developing in their required project
4. Providing job-role and process -oriented training to working professionals and validate acquired knowledge and skill
5. Anytime,Anywhere Our Trainer Can led their Training.

21/01/2022
Lecturer: Zunaid Ahmed Palak (Honorable Minister of Bangladesh)
30/01/2017

Lecturer: Zunaid Ahmed Palak (Honorable Minister of Bangladesh)

10 ICT Opportunities in Bangladesh Zunaid Ahmed Palak, State Minister to ICT Divison. Courtesy: 10 Minute School

আউটসোসিং সেক্টরে ফ্রি ট্রেনিং স্কলারশিপ দিয়ে দক্ষ ফ্রীলাঞ্চার তৈরি করে কাজের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে সাম্রাট আইসিটি । এস.ই.ও...
13/08/2015

আউটসোসিং সেক্টরে ফ্রি ট্রেনিং স্কলারশিপ দিয়ে দক্ষ ফ্রীলাঞ্চার তৈরি করে কাজের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে সাম্রাট আইসিটি ।
এস.ই.ও. ফ্রী প্রশিক্ষণ দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টিম এর সাথে কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে সাম্রাট আইসিটি লিঃ।
আউটসোসিং সেক্টরে দক্ষ ফ্রিলান্সার সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান "সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট" থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সাম্রাট আইসিটি লিঃ এর ফ্রীলাঞ্চার টিম এর সাথে কাজের সুযোগ করে দিয়ে বাংলাদেশে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরির মাধ্যমে বেকার সমস্যা দূর করে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে অবদান রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যারা বাস্তব মুখী শিক্ষা অর্জন করে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চান তাদের জন্য আমাদের এই স্কলারশীপ।

ফ্রী আউটসোর্সিং স্কলারশীপ প্রোগ্রামে আবেদনের যোগ্যতা:
বাংলাদেশে বসবাসরত সর্বনিম্ন এইচ.এস.সি. পাস যে কোন ব্যাক্তি এবং যাদের কম্পিউটারের বেসিক জানা আছে তারাই এই স্কলারশিপ গ্রহনের সুযোগ নিতে পারবেন। তবে গরীব ও মেধাবীদের কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে ।
আসন সংখ্যা: ৫০ জন নারী এবং ৫০জন পুরুষ সহ মোট ১০০ জন
মুল লক্ষ্যঃ সাম্রাট আইসিটির মূল লক্ষ্য হল বেকার মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা ।
অনলাইন আউটসোর্সিং এর প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দক্ষ ফ্রীলাঞ্চার তৈরি করা এক কথা নয়। অনেক প্রতিষ্ঠান শুধু প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কিন্তু প্রশিক্ষণ শেষে কাজের ব্যবস্থা না করে দিলে সেই প্রশিক্ষণ এর কোন মূল্য থাকে না। তাই অনেকেই ফ্রীলাঞ্চার হওয়ার স্বপ্ন দেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসে নিজের শেষ সম্বলটুকো ও হারাচ্ছে। তাই ফ্রীতে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ ফ্রীলাঞ্চারদের সাথে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে আপনাকে একজন সফল ফ্রীলাঞ্চার হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের মুল লক্ষ্য
অ্যাফিলিয়েট হল এমন একটি সেক্টর যেখানে ফ্রীলাঞ্চেরদের কে কাজ খুজতে হয়না। বা বিট করে কাজ নিতে হয় না। আপনি ভাল ভাবে এস ই ও এর প্রশিক্ষণ নিয়ে আনলিমিটেড কাজ করতে পারবেন। তাই যারা এসইও জানেন কিন্ত কোণ কাজ করতে পারছেন না তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনাদেরকে সহযোগিতা করব ইনশাল্লাহ।

রেজিস্ট্রেশন করার শেষ তারিখঃ ২০ আগস্ট
রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ http://www.samratictins.com/registration/

যোগাযোগঃ 01914037014, 01620233516
Samrat ICT Institute: www.samratictins.com
Samrat ICT Ltd.: www.samratict.com

http://www.samratictins.com/graphics-design/
07/08/2015

http://www.samratictins.com/graphics-design/

দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে ঢাকায় প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে “সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট”। ৩ মাসব্যাপি এই কোর্সে কোর গ্রাফিক্স ডিজাইন, টাইপোগ্রাফি, গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার ও টুলের ব্যবহার, মার্কেটট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা ও অনলাইন মার্কেটেপ্লেসে কাজ করার জন্য প…

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কি? কেন? কোথায় চাকরি পাবেন? আঁকা ঝোঁকাতে ঝোক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটার...
05/08/2015

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কি? কেন? কোথায় চাকরি পাবেন?

আঁকা ঝোঁকাতে ঝোক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুঁজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেন ?

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-

→ ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:
কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।

→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে:
সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

→ জার্নাল:
বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।

→ কর্পোরেট রিপোর্টস:
এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।

→ মার্কেটিং ব্রোশিউর:
এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।

→ সংবাদপত্র:
গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।

→ ম্যাগাজিন:
এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।

→ লোগো ডিজাইন:
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

→ ওয়েবসাইট ডিজাইন:
সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।

→ স্মার্টফোন ডিজাইন:
বর্তমান বিশ্বে ডিজাইনিং এর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। সর্বাধুনিক স্মার্টফোন গুলোতে ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনিং ব্যাবহার করার ফলে হঠাৎ’ করে একটি বড় মার্কেট সৃষ্টি হয়েছে ডিজাইনিং এ। কম্পিউটার প্রফেশনাল অনেকেই কোডিং এর চেয়ে ডিজাইনিংকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এর জনপ্রিয়তার জন্য। ডিজাইনিং এর আরেকটি প্রধান সুবিধা হল এর মাধ্যমে গ্রাহকের মনের অনুভুতিকে জাগানো সম্ভব হয় যার মাধ্যমে ডিজাইনার সৃষ্টি র আনন্দ পেতে পারেন। বর্তমানে এডোবি ফটোশপ,ইলাস্ট্রেটর, আরও কিছু সফটওয়্যার দ্বারা ডিজাইনিং শেখা যায়। প্রফেসিওনাল মানের ডিজাইনিং একই সাথে আর্থিক সাফল্য ও মানসিক তৃপ্তি দুটোরই ভাল পদ্ধতি হতে পারে।

আপনি নিজেকে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে চাইলে -
আউটসোসিং সেক্টরে দক্ষ ফ্রিলান্সার সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠান
"সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট"(www.samratictins.com) এ যোগাযোগ করতে পারেন।

সাড়ে ৩ হাজার তরুণের তৈরি করা ৫০০ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে, ডেসকো, ডিপিডিসি ও ওয়াসার বিল চেক, বিএসটিআই’র পণ্য ভে...
26/07/2015

সাড়ে ৩ হাজার তরুণের তৈরি করা ৫০০ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে রয়েছে, ডেসকো, ডিপিডিসি ও ওয়াসার বিল চেক, বিএসটিআই’র পণ্য ভেরিফেকেশন, এনআরবি’র ই-টিআইএন ও ভ্যাট, নন ভ্যাট পণ্য যাচাই, বাংলাদেশ বিমান ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচি চেক, বিনিয়োগ বোর্ড ও জয়েন স্টক কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাটাস চেক।
এছাড়াও বঙ্গভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, হাই-টেক পার্কসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান-সংস্থার অ্যাপস রয়েছে।
উন্নয়নকৃত মোবাইল অ্যাপসগুলো BangladeshICTD apps ও আন্তর্জাতিক গুগল প্লে স্টোরে রাখা হবে। সেখান থেকে ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে ডাউনলোড বা ইনস্টল করে নিতে পারবে।
৫০০ মোবাইল অ্যাপস-এর মধ্যে ৩০০ অ্যাপস সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থাসমূহের তথ্য ও সেবার উপর। বাকি ২০০ অ্যাপস প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে পাওয়া সৃজনশীল ধারণার উপর তৈরি হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে ‘মোবাইল অ্যাপস প্রশিক্ষক ও সৃজনশীল অ্যাপস উন্নয়ন’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ অ্যাপসগুলো উন্নয়ন করে।

আগামী ৩০ জুন কি ভেঙে পড়তে চলেছে গোটা ইন্টারনেট ব্যব্স্থা? মার্কিন গবেষকদের আশঙ্কা এমনটাই। কিন্তু এর কারণটা কি? কারণ, ৩০ ...
24/06/2015

আগামী ৩০ জুন কি ভেঙে পড়তে চলেছে গোটা ইন্টারনেট ব্যব্স্থা? মার্কিন গবেষকদের আশঙ্কা এমনটাই। কিন্তু এর কারণটা কি? কারণ, ৩০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে ওয়ার্ল্ড ক্লকে যুক্ত হবে বাড়তি এক সেকেন্ড। আর্থ টাইম ও অ্যাটমিক টাইমের মধ্যে সময়ের সামান্য গরমিল মেটাতেই হবে এমনটা। কিন্তু গবেষকদের আশঙ্কা, এর ফলে ইন্টারনেট পাওয়ার সিস্টেমে ব্যাপক গোলযোগ ও ত্রুটি দেখা দিতে পারে। যার ফলে কিছু সিস্টেম ভেঙে পড়তে পারে, কিছু সিস্টেম আবার কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে যেতে পারে।

বৈজ্ঞানিকেরা একে বলছেন লিপ সেকেন্ড। কেন এই বাড়তি সেকেন্ড যোগ হচ্ছে ঘড়িতে? কারণ, পৃথিবীর ঘুরপাক খাওয়ার গতি কমছে। প্রতিদিন এক সেকেন্ডের প্রায় দুই হাজার ভাগের দুই ভাগ করে পৃথিবীর গতি কমছে। সেই সময়ের ক্ষতিপূরণের জন্যই ওয়ার্ল্ড ক্লকে ৩০ জুন যোগ হবে বাড়তি লিপ সেকেন্ড। সূক্ষা গাণিতিক হিসেব মেলানোর জন্য আর্থ টাইমকে হতে হবে অ্যাটমিক টাইমের সমান।

বৈজ্ঞানিকেরা বলছেন, পৃথিবীর আহ্নিক গতি নিয়ম করে কমেই চলেছে। ডাইনোসরদের আমলে নাকি পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একপাক ঘুরতে সময় নিত ২৩ ঘণ্টা। ১৮২০ সালে কাঁটায় কাঁটায় ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একপাক ঘুরে নেয়। ফের কমতে শুরু করেছে পৃথিবী আহ্নিক গতি। সেই ১৮২০ সাল থেকে এক একটি সোলার ডে-র লম্বা হয়ে চলেছে। দৈনিক ২.৫ মিলিসেকেন্ড করে বাড়ছে এক একটি দিন। ১৯৭২ সালে শেষবার ওয়ার্ল্ড ক্লকে যুক্ত হয়েছিল এক সেকেন্ড। ফের চলতি বছরের জুন মাসে যোগ হবে বাড়তি সেকেন্ড। এই নিয়ে ২৬তম বার।

এর ফলে কম্পিউটারের ওপর কী প্রভাব পড়বে? কম্পিউটার বিশেষজ্ঞদের দাবি, কয়েকটি সিস্টেমে ৫৯ সেকেন্ড দেখানোর পরে, পরের মিনিটে যাওয়ার বদলে কম্পিউটারে ৬০ সেকেন্ড দেখাতে পারে। বা, ৫৯তম সেকেন্ডটি দুইবার দেখাতে পারে। এখন দেখার বিষয়, সূক্ষ গাণিতিক হিসেব সামলায় যে সমস্ত কম্পিউটার, তারা কী করবে ৩০ জুন? সিস্টেম ক্র্যাশ করবে? নাকি সামলে নেবে? দুনিয়াজুড়ে বৈজ্ঞানিকদের চোখ থাকবে আগামী ৩০ জুন।

"সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট" এর পক্ষ থেকে টাইগারদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন
22/04/2015

"সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট" এর পক্ষ থেকে টাইগারদের জানাই আন্তরিক অভিনন্দন

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন আউটসোসিং।বর্তামানে বাংলাদে...
29/03/2015

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং বা অনলাইন আউটসোসিং।
বর্তামানে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান প্রয়োজন কিন্তু এর অর্ধেক কর্মসংস্থান ও বাংলাদেশে নেই ।বাংলাদেশে শুধু অনলাইন আউটসোসিং করে তার চেয়েও বেশি লোকের কর্মসংস্থান করা সম্ভব!!!
এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আর আমাদের মত দেশগুলো সেই কাজগুলো করে থাকে। সহজ ভাষায় বলা যায় যে, একটি দেশের কাজ অন্য কোন দেশের মাধ্যমে করিয়ে নেওয়াই আউটসোসিং। অনলাইনের মাধ্যমে কাজগুলো করা হয় বলে তাকে অনলাইন আউটসোসিং বা ফ্রিল্যান্সিং বলে। আমরা যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।

এগুলো শুনে নিশ্চয় আপনার ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক টাকা আয় করতে ইচ্ছা করবে। কিন্তু আউটসোসিং এ শর্টকাট কোন উপায় নেই টাকা আয় করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কাজে দক্ষতা ও জ্ঞান সবশের্ষ পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকবে হবে। তবে আউটসোসিং এ কাজ করতে হলে কোন বিষয়ে আপনি কাজ করবেন তা আপনাকে নিধারণ করতে হবে এবং দক্ষ হতে হবে। অনলাইন মার্কেট প্লেসগুলো (Odesk, Elance, Freelancer, Guru, Vworker...) সম্পর্কে জানতে হবে, কিভাবে কাজের জন্য বিড করতে হয় এবং কিভাবে কাজ পাওয়া যায়।
প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে আমাদের এই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি বড় হাতিয়ার হচ্ছে এই আইটি সেক্টর । বাংলাদেশ শুধুমাত্র এই আইটি সেক্টরের মাধ্যমে ভবিষ্যতে একটি ভালো অবস্থানে মাথাঁ উচু করে দাঁড়াবে। আর সেই প্রত্যাশা কে সামনে রেখে “সম্রাট আইসিটি লিঃ দীর্ঘ দিনের নিরলস শ্রমের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেকার সমস্যা দূর করার বাস্তব সম্মত প্রকল্প তৈরি করেছে যার নাম "সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট"। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি আনতে চান তাহলে চলে আসুন "সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট"। যেখানে আপনি প্রশিক্ষণ গ্রহন করে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি নিজেকে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। প্রফেশনালদের নিকট থেকে পরামর্শ গ্রহন করতে আজই চলে আসুন "সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট" এ।
বিস্তারিতঃ www.samratictins.com
skype: samratictins
Mob:01914037014

সম্রাট আইসিটি ইনস্টিটিউট এর “ভার্চুয়াল ট্রেনিং” এর পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম

ডিজিটাল মার্কেটিংআজকাল আমরা একটি শব্দ শুনে থাকি আর তা হচ্ছে “ডিজিটাল মার্কেটিং” প্রথমেই আমদের জানা দরকার এই ডিজিটাল মার্...
24/03/2015

ডিজিটাল মার্কেটিং

আজকাল আমরা একটি শব্দ শুনে থাকি আর তা হচ্ছে “ডিজিটাল মার্কেটিং” প্রথমেই আমদের জানা দরকার এই ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি। সরল ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক বা একাধিক ফর্ম মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচার করার কে বুঝায়। টিভি,রেডিও,মোবাইল এবং ইন্টারনেট - এ সকল মাধ্যমে আমরা “ডিজিটাল মার্কেটিং” করে থাকি।ডিজিটাল মিডিয়া বলতে আমরা প্রথানত ই-মেইল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট ও সামাজিক মিডিয়া (social media) কে বুঝায়। যদিও টিভি ও রেডিও ডিজিটাল মিডিয়া খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ?

ডিজিটাল মিডিয়া বলতে আমরা প্রথানত ই-মেইল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট ও সামাজিক মিডিয়া (social media) কে বুঝায় যা আগেই বলা হয়েছে।

এখন আমরা কিছু তথ্য নেই, যার মাধ্যমে আমরা খুব সহজে বুজতে পারবো, কেন ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যাবহার করে প্রায় ২ বিলিয়ন মানুস,ফেসবুক বেবহার করে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ আর টুইটার ব্যাবহার করে ২৩২ মিলিয়ন মানুষ। অপরদিকে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বিশ্বব্যাপী মোট 1.75 বিলিয়ন যা প্রতিনিয়তও বাড়ছে।

উপরোক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে আমরা খুব সহজে বুজতে পাড়ি ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্ব। কোন পণ্য বা সেবার তথ্য আমরা খুব সহজেই আমাদের নির্ধারিত গ্রেহকে খুব সহতে জানাতে পাড়ি কেবল ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আপর দিকে ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ, কারন আমরা জানি ই-কমার্স খুবই জনপ্রিয় মাধ্যমে পরিণীত হয়েছে। আর এখন আমরা জেনেনাই ই-কমার্স বলতে আমরা কি বুঝি। সাধারণত ই-কমার্স বা ইকমার্স হিসাবে পরিচিত 'ইলেক্ট্রনিক কমার্স, যেমন ইন্টারনেট হিসাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য বা পরিষেবা ট্রেডিং. ইলেকট্রনিক কমার্স যেমন মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনেট বিপণন, অনলাইন লেনদেনের প্রক্রিয়াকরণ, বৈদ্যুতিন তথ্য বিনিময় (EDI), ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্য সংগ্রহ সিস্টেম হিসাবে প্রযুক্তির উপর স্বপক্ষে. এটি যেমন ই-মেইল হিসাবে অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে, যদিও আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত, লেনদেন জীবন চক্র অন্তত এক অংশ জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে।

এ ছাড়া আর একটা মাধমে ইন্টারনেট বিপণন হয়ে থাকে যাকে আমরা সামাজিক কমার্স বলে থাকি । যার মাধ্যমেও পণ্য ও সেবা অনলাইন ক্রয় এবং বিক্রয় কারা হয়ে থাকে।
এতক্ষণ আমরা যা আলোচনা করলাম , তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোনকোন মাধ্যম গুল কি কি ?
Project Management/Collaboration
• Mavenlink
• Basecamp
• Trello
Search Engine Optimization
• Google Search
• Moz
• Bing Search
File Management
• Dropbox
• Google Drive
Social Media Management
• page
• Facebook Like
• Facebbok Ads
• LinkedIn Ads and Social Selling
• HootSuite
• TweetDeck
• TwitterAds
• Google Plus
Visual Content Tools
• Piktochart
• Prezi
Organizational Tools
• Google Alerts
• Google Analytics
• Google Calendar
• Google Apps for Businesses
• Google Insights
• Flexadex
• Passpack
• Evernote
Streaming Services
• TV
• Radio
• YouTube Ads
App Development
উপরোক্ত মাধ্যম ব্যাবহার করে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকি। আশাকরি আমারা উপযুক্ত আলোচনা থাকে আমারা জানতে পারাছি ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কেনই বা ডিজিটাল মার্কেটিং প্রয়োজন।

নতুন সফটওয়্যার নিচ্ছে আইপিও নিয়ন্ত্রণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শিগগিরিই যুক্ত হবে আইপিও নিয়ন্ত্রণে নতুন সফটওয়্যার। ‘নিউ পাব...
24/03/2015

নতুন সফটওয়্যার নিচ্ছে আইপিও নিয়ন্ত্রণে
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শিগগিরিই যুক্ত হবে আইপিও নিয়ন্ত্রণে নতুন সফটওয়্যার। ‘নিউ পাবলিক ইস্যু এপ্লিকেশন প্রসেস সফটওয়্যার’ নামে আধুনকায়নের জন্য ডিএসইতে এটি বসানো হবে। সফটওয়্যারটি দুবাই ভিত্তিক কোম্পানি ইনফোটেক প্রদত্ত বুক বিল্ডিং সফটওয়্যারকে প্রতিস্থাপন করবে। সোমবার ডিএসইর বিশেষ একটি সূত্র এতথ্য জানায়।
সফটওয়্যারটিতে আধুনিকায়নে সব ধরণের সুযোগ রাখা হবে। তবে আইপিও নিয়ে বিনিয়োগকারীদের যে অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণেই এটি বসাবো হবে। আর এপ্রিল মাসেই আসছে সিকিউরিটি হাউসের মাধ্যমে আইপিও আবেদন ব্যবস্থা। এপ্রিল মাসের পরে ব্যাংকের মাধ্যমে আর আইপিও আবেদন করার সুযোগ থাকছে না।

সিকিউরিটি হাইসগুলোর বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে নানামুখী অভিযোগ উঠেছে। হাউসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আইপিও ব্যবস্থাকে আরো গতিশীল করতে এ সফটওয়্যার বসানো হবে বলে জানানো হয়।

ইতোমধ্যে গত ১২ মার্চ এ বিষয়ে ডিএসই আলোচনা সভা করেছে। সভায় ‘নিউ পাবলিক ইস্যু এপ্লিকেশন প্রসেস সফটওয়্যার’ নিয়ে আলোচনা করা হয়। বুক বিল্ডিং সিস্টেমকে আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করা ও আইপিও বিষয়ক সফটওয়্যার নিয়ে কথা হয়েছে। নিউ আইপিও এপ্লিকেশন প্রসেসের উপর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছে। যাতে ব্রোকরেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক থেকে এসংক্রান্ত সব কাজ সহজভাবে করা যায়। সাময়িকভাবে ড্রপবক্সের মত করে একটি অনলাইন ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বর্তমান গাইডলাইনের আলোকে এটিও একটি স্ট্যান্ডার্ড সিস্টেম।

Address

10/3 Arambagh, Motijheel C/A
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Samrat ICT Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Samrat ICT Institute:

Share