Social Panda

Social Panda Social Panda is a premium content network of Bangladesh, which helps social media marketers and social enterprises to reach, grow and flourish.

04/06/2019

বর্তমান যুগ কাস্টমার পাওয়ার এর যুগ, আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন কোন ব্রান্ড বাজারে টিকবে কোনটা না। এর জন্য রাজপথে নামার দরকার নাই, just pick the safe alternatives, simple

আমি এরকম ই কিছু অল্টারনেটিভ এর লিস্ট করছি, আপনি নিজেও চাইলে এ লিস্টে কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন। এটলিস্ট পিউর ও জাস্টিফাইড দামে পন্য পাবেন এখানে

parmeeda.com শাক সবজি ফল মূল আর অনেক গুলো ডেইলি নিডস অপশন (হোম ডেলিভারী এভেইলেবল)

ভালো ফল নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, ফল নিয়ে কাজ, এই ফর্মালিন কার্বাইড বীষ এর ভীরে একটুখানি স্বস্তি এনে দিবে ভালো ফল (হোম ডেলিভারী এভেইলেবল)

Lodi Green Offerings সব মসলা, বাদামী চাল, দেশী আটা, সরিষার তেল, ঘি, এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রি করেন। যা নিজেদের ফার্মেই উৎপাদিত (হোম ডেলিভারি এভেইলেবল)

ALOKA Shirts Bangladesh সার্ট? এটা আবার এমন কি? তবে 2000 টাকার সার্ট কিনে ২ ধোয়েতেই সাদা এমন কিন্তু অনেকেই ফেস করেছেন। দেশের একমাত্র ল্যাব টেস্টেড কোয়ালিটি ভেরিফাইড সার্ট (হোম ডেলিভারী এভেইলেবল)

Tuki Taki Express বাচ্চাদের জামা? অফ¡ একটা বিশাল পেইন, হিউজ দাম কিন্তু মন্দের ভালো পছন্দ করতে হচ্ছে, কারণ কিনতে হবে তো। আর তাই টুকটুকিদের ড্রেস সমস্যার সমাধান এই পেজ (হোম ডেলিভারী এভেইলেবল)

Karigor ভাই ছোট ছোট ক্রাফ্টের রিক্সা কিংবা ঘর সাজানোর জিনিস কোথায় পাবো? সহজ সমাধান কারিগর, সরাসরি ক্রাফশিয়ান দের সাথে ব্রিজ করে দিবে কারিগর (হোম ডেলিভারী এভেইলেবল)

আরো এরকম আছে, এখন যা মনে পড়লো তাই লিস্ট করলাম, আপনারও এতে কন্ট্রিবিউট করুন, পারচেজ করুন। কাউকে বয়কট করতে হবে না, এমনিতেই ওদের বাঁকা লেজ সোজা হয়ে যাবে

05/05/2019

Register here to get early access to Mindo Infinite (Counseling service through unlimited chat)

31/03/2019

Happy Doctor's Day

অনেকের ই এ সমস্যা টা আছে, ঘুমোতে যাবার আগে জেনে নিন¡
14/02/2019

অনেকের ই এ সমস্যা টা আছে, ঘুমোতে যাবার আগে জেনে নিন¡

বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিসঃ

‘বোবায় ধরা’, এই পরিভাষাটির সাথে একদমই পরিচয় নেই, এমন মানুষ বোধ হয় পাওয়াই যাবে না। ঘুমিয়ে আছেন, হঠাৎ করেই আপনার ঘুম ভাঙ্গলো।আপনার মনে হলো কেউ আপনার ওপর চেপে ধরে বসে আছে।পুরো শরীর নিস্তেজ। চোখ দুটিকে কোনরকমে নড়াচড়া করা গেলেও যেন ভারি হয়ে আসছে চোখের পাতা।সাথে আপনার দম বন্ধ হয়ে আসছে।হঠাৎ মনে হল কালো একটি ছায়া চারপাশ ঘিরে রেখেছে। আর কিছুক্ষণ স্থায়ী থাকার পর এ অনুভূতির রেশ যখন কেটে গেল তখন মনে হল এতক্ষণ যা হয়েছে তা কোন স্বপ্ন ছিল না। তাহলে কী হল? তবে কী শয়নকক্ষে স্বয়ং ভূত এসে ঘুরে গেল? মাঝরাতে এমন অনুভূতি অনেকেরই হতে পারে। সাময়িকভাবে একে বোবা ভূতের কর্মকাণ্ড বলা হয়ে থাকলেও আদতে এটি এক ধরনের অসুস্থতারই লক্ষণ। যা ঘুমের মধ্যে হয়ে থাকে। আর বৈজ্ঞানিক ভাষায় এ অসুস্থতাকে বলা হয়ে থাকে স্লিপ প্যারালাইসিস (Sleep/Sleeping Paralysis) বা ঘুমের অচলাবস্থা।

♦️কী হয় যখন বোবায় ধরে?

পেনিসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ব্রায়ান শার্পের মতে, বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে তিন ধরনের দৃষ্টিভ্রম বা হ্যাল্যুসিনেশন তৈরি হতে পারে।

১. প্রথমটি ইনট্রুডো বা ঘরের ভেতর কোনো অতিপ্রাকৃত কিছুর উপস্থিতি টের পাওয়া।

২. দ্বিতীয়টি ইনকিউবিস। আপনার মনে হতে পারে যে, কোনো দৃশ্যমান বা ঈষৎ-অদৃশ্য সত্তা আপনার বুকের ওপর চেপে বসে আছে।ফলে বুকে এক ধরনের চাপ অনুভব করবেন। শ্বাস নিতে না পারার অনুভূতি তৈরি হবে।

৩. তৃতীয় ধরনের অনুভূতিটি খুবই সাধারণ—তা হলো লেভিটেশন। এক্ষেত্রে মানুষ নিজেকে শরীর থেকে আলাদা বলে মনে করে। মানুষের মধ্যে এমন এক ধরনের অনুভূতি হয় যেন সে শয়নকক্ষের ভেতরে উড়ে বেড়াচ্ছে অথবা আপনার মনে হতে পারে, আপনাকে কেউ শোয়া অবস্থাতেই শূন্যে তুলে ফেলেছে এবং কোনো অচেনা গন্তব্যে নিয়ে যাচ্ছে।

♦️বোবায় ধরার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ

➰কেন শরীরকে নড়ানো যায় না?

মানুষ যখন ঘুম আর জাগ্রত অবস্থার মাঝামাঝি পর্যায়ে অবস্থান করে এবং সেসময় স্বপ্ন দেখা থেকে নিজেকে দূরে সরাতে চায় তখনই মানুষের ঘুম ভেঙে যায়। মানুষ তখন শরীরকে নড়াচড়া করার জন্য ছটফট করতে থাকে। যারা স্বাভাবিক থাকেন তারা নড়াচড়া করতে পারেন। কিন্তু যাদের মলিকিউলার ক্লকে বা ঘড়িতে অকার্যকারিতা থাকে তাদের সেসময় স্লিপ প্যারালাইসিস হয়ে থাকে। অর্থাৎ জেগে ওঠার পরও সেসব মানুষ তার ঘুমন্ত অবস্থায় থেকে যায়। আর এ পর্যায়টি কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে ১০- ১৫ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

➰ছায়াটি আসলে কী?

গবেষকদের মতে, মস্তিষ্কে নিজের সঙ্গে কথোপকথনই ওই ছায়ারূপে হাজির হয়। তাদের মতে, মস্তিষ্কের নিউরনগুলো শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে নড়াচড়া করতে বলে। কিন্তু শরীর যখন নিউরনের সে নির্দেশ মানতে পারে না তখন ওই ছায়ার অনুভূতি হয়। আবার কোন কোন গবেষকের মতে, মানুষের মস্তিষ্কে অ্যামিগডালা নামে আতঙ্ক তৈরিকারী যে অংশটি থাকে তার অতিরিক্ত সক্রিয়তার কারণে এ ধরনের ছায়া দেখা যেতে পারে। তাদের মতে ঘুমের মধ্যে মানুষের অ্যামিগডালা যখন অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে তখন মানুষ আতঙ্কিত হয়ে জেগে যায়। মস্তিষ্ক তখন এ আতঙ্কের কারণ নির্ধারণ করার চেষ্টা করে। আর সেসময় ছায়া অনুভূত হতে পারে।

➰উড়ে বেড়ানোর অনুভূতি হয় কেন?

গবেষকদের মতে, ব্রেনস্টেম এবং কর্টিক্যাল ভেস্টিবুলারের সক্রিয়তার কারণে এ ধরনের অনুভূতি হতে পারে।

♦️বোবায় ধরার কারণসমূহঃ

মায়ো ক্লিনিকের গবেষণা অনুযায়ী, ১০-২৫ বছর বয়সীদের ভেতর বেশি দেখা যায় সমস্যাটি। স্লিপ অ্যাপ্নিয়া কিংবা নার্কোলেপসি ধরনের নিদ্রাজনিত রোগে আক্রান্তদের বেলায় বোবায় ধরার হার বেশি বলে নিউ ইয়র্কের মন্টেফিওর হেলথ সিস্টেমের স্লিপ -ওয়েক ডিজঅর্ডার সেন্টারের চিকিৎসক ডা. শেলবি হ্যারিস উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যানিয়েল ডেনিস ৮৬২ জন ভাই-বোনের মধ্যে চালানো গবেষণার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে আসেন যে, বোবায় ধরা বা স্লিপ প্যারালাইসিস বংশগত কারণেও হতে পারে।। ২০১১ সালে পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে চালানো এক গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের ৭.৬ ভাগ মানুষ এ সমস্যায় ভোগেন।আর ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ স্লিপ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। বিষণ্ণতা বা উদ্বিগ্নতার রোগীদের শতকরা প্রায় ৩২ ভাগের ভেতরেই বোবায় ধরার সমস্যাটি দেখা যায়।

এর বাইরে সাধারণভাবে যেসব কারণে বোবা ধরা দেখা যায়, সেগুলো হলো-
• কম ঘুমানো
• ঘুমের সময় পরিবর্তন
• উপুড় হয়ে ঘুমানো
• মাদকাসক্তি
• বাইপোলার ডিজঅর্ডার বা এ জাতীয় মানসিক সমস্যা থাকা
• নার্কোলেপসি বা অতি ঘুমকাতরতা, ঘুমের মধ্যে হাত-পা ছোঁড়া বা হাঁটা সহ অন্যান্য নিদ্রাজনিত রোগ থাকা
• কর্মক্ষমতা বাড়ানোর ঔষধের ব্যবহার।

♦️পরিত্রাণের উপায়ঃ

প্রথমত, আপনি একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে কাছে যাবেন। তিনি আপনার মেডিকেল রেকর্ড ঘেঁটে দেখবেন এবং আপনার অন্য কোনো নিদ্রাজনিত রোগ আছে কিনা দেখবেন। এরপর প্রয়োজন হলে তিনি আপনাকে ঘুম বিশেষজ্ঞের কাছে সুপারিশ করতে পারেন। তবে, যতই বোবায় ধরুক না কেন কিছু নিয়ম মেনে চললে এই বিদঘুটে অবস্থা থেকে রেহাই পেতে পারেন। যা কিছু করনীয়--

➰সঠিক সময় খাবার গ্রহণঃ

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা পূর্বে খাবার গ্রহণ করতে হবে আপনাকে। এ নিয়ম ব্যাহত হলে শারীরবৃত্তীয় সমস্যা হতে পারে যার বিরূপ প্রভাব পড়বে মনের ওপর। এর ফলে স্লিপ প্যারালাইসিস বা বোবায় ধরাতে আক্রান্ত হতে পারেন আপনি।

➰ঘুমের অনিয়ম পরিহারঃ

ঘুমের অনিয়ম হলে কিংবা নিয়মিত ঘুমানোর অভ্যাস না থাকলে স্লিপ প্যারালাইসিসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই অনিদ্রা পরিহার করতে হবে। চিত কিংবা উপুড় হয়ে না শুয়ে কাত হয়ে শোয়া উত্তম।

➰মানসিক চাপ বর্জনঃ

মানসিক চাপজনিত কারণে এই সমস্যা হতে পারে। তাই, অবশ্যই দুশ্চিন্তা পরিহার করতে হবে। এর ফলে, শুধু স্লিপ প্যারালাইসিস নয় আরো অনেক জটিল সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন আপনি।

➰স্লিপিং পিল পরিহারঃ

স্লিপিং পিল বা ঘুমের ওষুধ বোবায় ধরার অন্যতম কারণ। তাই স্লিপিং পিল পরিহার করতে হবে। আর ঘন ঘন বোবায় ধরায় আক্রান্ত হলে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
----------------------------------------------------------------------

মনের কথা গুলো বলার একটা যায়গা চাই? একটু চাপমুক্ত হতে চাই, তাই না?
কাউন্সেলিং সেশান বুক করুন নিচের লিংক থেকে, একদম ফ্রি*

https://fb.me/1KdP5gcxxt6FC6i

✔️ এপোয়েন্টমেন্ট কনফার্ম এর জন্য আপনার মোবাইল নাম্বারটি আমাদের
জানান, যাতে করে আমরা আপনাকে এপোয়েন্টমেন্ট রিমাইন্ডার পাঠাতে পারি

✔️এই লিংক এ গিয়ে আপনি skype ডাউনলোড করে আমাদের সাথে কানেক্টেড হতে পারেন

https://join.skype.com/invite/oSmR4OcEflGF

✔️ অথবা সরাসরি ফোন করতে পারবেন আমাদের কেয়ার লাইন নাম্বার 01633-888777 এ

ধন্যবাদ

*সিডিউল থাকা সাপেক্ষে ও প্রথম দুটি কাউন্সেলিং সেশান

--মনের কথা by মেডিকেয়ার হেলথ।

05/01/2019

বর্ডারলাইন পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার ⚠️

রাত জাগার কুফলপোস্ট কার্টেসি Medicare Health Tips (MHT)
21/12/2018

রাত জাগার কুফল
পোস্ট কার্টেসি Medicare Health Tips (MHT)

রাত জাগার কুফলঃ

জীবনে নানা প্রয়োজনে আমাদের প্রায় সবাইকে কখনও না কখনও রাত জাগতে হয়। ইচ্ছাকৃত আর অনিচ্ছাকৃতভাবেই হোক না কেন, ইদানিং রাত জাগাটা এক ধরনের ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। আমরা অনেকেই এখন রাত জেগে কাজ করতে পছন্দ করি ।বিশাল কর্মব্যস্ততার এই ব্যস্ত নগরীতে আমরা এখন ভুলে যাই নিজেদের যত্ন নিতে। যার পরিণতি অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া সহ নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়া। চলুন জেনে নেওয়া যাক রাতের বেলা না ঘুমালে কিংবা কম ঘুমালে আমরা কী ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হই।

✔️মানসিক সমস্যার আশঙ্কাঃ

যারা রাতে ঠিকমত ঘুমায় না বা রাত জেগে থাকে তাদের মধ্যে বিষণ্নতা (Depression),অস্থিরতা (Anxiety), বিরক্তি (Irritability), হ্যালুসিনেশন (Hallucination) সহ নানাবিধ মানসিক রোগের বা উপসর্গের প্রাদুর্ভাব বেশী দেখা যায়।আর যারা ইতোমধ্যে এসব রোগে ভূগছেন তাদের রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।একারণে মানসিক রোগের চিকিৎসায় ঘুমের ঔষধের প্রয়োগ বেশ দেখা যায়।

✔️চেহারায় মলিনতাঃ

এমনটা কি হয়েছে, নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়ার পরও ব্রণ বা চোখের চারপাশে কালো দাগ হচ্ছে। নিয়মিত রাত জাগা এর একটা কারণ হতে পারে। এই একই কারণে অকালে চেহারায় বয়সের ছাপ ও ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

✔️কর্মোদ্যমতা কমে যাওয়াঃ

ডাক্তাররা বলেন, রাতে মানুষের ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন যেন দিনের বেলা দেহ ও মন কর্মক্ষম থাকতে পারে। ঘুমে অনিয়ম মানুষের কাজের উদ্যম কমিয়ে দিতে পারে। এমনকি রাতে ঘুম কম হলে মানুষের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়।

✔️রোগ প্রতিরোধে সমস্যাঃ

গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত রাত জাগেন তাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, শারীরিক স্থূলতা এমনকি স্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ যতো বেশি রাত জাগে ততই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

✔️দেহ ঘড়িতে বিশৃঙ্খলাঃ

মানবদেহ তার অভ্যন্তরীণ নানা কাজ দেহের নিজস্ব সময় অনুযায়ী চলে। যেমন, রাত ২টায় মানুষের ঘুম সবচেয়ে গভীর অবস্থায় থাকে। রাত জাগার ফলে দেহের নিজস্ব ঘড়িতে বিশৃঙ্খলা ও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সিমন আর্চার জানিয়েছেন, গবেষণায় দেখা গেছে অনিয়মিতভাবে রাত জেগে কাজ করার ফলে দেহ ঘড়ির ছন্দ রক্ষাকারী জিন ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে।
গবেষকেরা এ বিষয়টির ব্যাখায় বলেন, একটি বাড়িতে যদি সব ঘরে ঘড়ি থাকে এবং সব ঘড়িতে উল্টা-পাল্টা সময় দেখায় তবে ঘরের অবস্থা যা হতে পারে এক্ষেত্রে রাত জাগার ফলে দেহ ঘড়ির সেরকম তছনছ অবস্থা হয়।

✔️আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়ঃ

যে সকল মানসিক রোগে মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে তাদের বেশীর ভাগেরই অন্যতম উপসর্গ রাতে ঠিকমত ঘুম না হওয়া।গবেষকরা প্রমাণ পেয়েছেন যেসব কিশোর কিশোরীরা রাতে ৫ ঘন্টার কম ঘুমায় তাদের বিষন্নতায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৭১% বেশী এবং আত্মহত্যার চিন্তা ৪৮% বেশী এমন কিশোর কিশোরীদের তুলনায় যারা রাতে ৮ ঘন্টা ঘুমায়।
রাত ১০টার পরে ঘুমালে আত্মহত্যার সম্ভাবনা প্রায় ২০% বেড়ে যায় এমনকি ৮ ঘন্টা ঘুমালেও।

✔️স্মৃতিশক্তি কমে যায়ঃ

আমরা সারাদিন যা শিখি তা ব্রেনে স্থায়ীভাবে ধরে রাখতে ঘুম অপরিহার্য্য।ঘুমের মধ্যে স্মৃতির Consolidation প্রক্রিয়ায় স্থায়ীরূপ লাভ করা সহজ হয়।রাতে অপর্যাপ্ত ঘুমালে অর্জিত তথ্য স্মৃতিতে স্থায়ীরূপ লাভ নাও করতে পারে।এছাড়া যারা রাতে পর্যাপ্ত ঘুমান না তাদের ভুল স্মৃতি তৈরি হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।অর্থাৎ যে ঘটনা ঘটেনি তার স্মৃতি তৈরি হওয়া।

✔️হার্টের সমস্যাঃ

যারা রাতে ৬ঘন্টার কম ঘুমায় তাদের উচ্চ রক্তচাপে ভোগার বা নিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার সম্ভবনা খুব বেশী।তাছাড়া রাতজাগা রোগীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের প্রাদুর্ভাব বেশী দেখা যায় এবং তা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ গুণ বেশি।সাধারণ মানুষের তুলনায় রাতজাগা মানুষের হৃদপিন্ডের অসুখ-বিসুখের ঝুঁকি প্রায় ৪০% বেশী।
Warwick medical school এর গবেষকরা বলেছেন “যদি আপনি রাতে ৬ঘন্টার কম ঘুমান এবং ঘুম ঠিকমত না হয় তাহলে আপনার হৃদরোগ হওয়ার বা তা থেকে মারা যাওয়ার সম্ভবনা ৪৮% বেশী এবং স্টোকে আক্রান্ত হওয়া বা থেকে মারা যাওয়ার সম্ভবনা ১৫% বেশী।”

✔️দেহের বৃদ্ধি কমে যেতে পারেঃ

ঘুমের মধ্যে দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী Growth Hormone এর নিঃসরণ বেশী হয় এবং এসময় দেহের বৃদ্ধির হারও বেশী থাকে।রাতের বেলা উচ্চতা বৃদ্ধির কারণেই অনেক সময় শিশুদের জয়েন্টে ব্যথা হয়(জয়েন্টের কাছাকাছি হাড়ের অংশে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধির জন্য দায়ী এপিফাইসিয়াল প্লেট থাকে যা বৃদ্ধির সময় ব্যথার অনুভূতি তৈরি করে)।সুতরাং যারা রাতে ঠিকমত ঘুমান না (বিশেষত শিশু ও টিনএজারদের ক্ষেত্রে) তাদের দেহের বৃদ্ধি কমে যেতে পারে।

✔️ব্রেস্ট ও ওভারীর ক্যান্সারঃ

এক গবেষণায় জানা গেছে যেসব কর্মজীবি নারীরা রাত জেগে কাজ করেন তাদের স্তন ও ডিম্বাশয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি যারা শুধু দিনের বেলায় কাজ করেন তাদের তুলনায় যথাক্রমে ৩০% ও ৪৯% বেশী। প্রস্টেট ক্যান্সারের মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে থাকেন রাতজাগা পুরুষরা।

✔️পেটের সমস্যাঃ

যারা রাত জাগেন তাদের মধ্যে বুক জ্বালাপোড়া করা, পেপটিক আলসার, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম(IBS), ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।এ্যাসিডিটির সমস্যা হওয়ার ফলে পরবর্তীতে তা পাকস্থলীর আলসারে রূপ নেয়ার সমূহ সম্ভাবনা তৈরী হয়।

✔️রিপ্রডাকশন ও সেক্সঃ

রাত জাগা মহিলাদের অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা,অকালে সন্তান প্রসব, কম ওজনের সন্তান হওয়া, ব্যাথাযুক্ত মাসিক এবং কোন কোন ক্ষেত্রে সন্তান না হওয়ার মত সমস্যা হতে পারে।গ্যামেট কম তৈরী হওয়ায় রিপ্রোডাকশন সিস্টেমের ফার্টিলিটি কমে যায়।বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুমকে বন্ধ্যাত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসাবে বিবেচনা করছেন।
এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে যেসব নারী- পুরুষ রাতে ঠিকমত ঘুমায় না তাদের যৌনাকাঙ্খাও কমে যেতে পারে।

✔️মাইক্রোস্লিপঃ

মাইক্রোস্লিপ হলো কোনরকম পূর্বাভাস ছাড়াই হঠাৎ করে কয়েক সেকেন্ড থেকে ৩০
সেকেন্ডের জন্য ঘুমিয়ে পড়া এমনকি কাজ করা অবস্থায়ও। যারা রাত জাগেন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান না তাদের মধ্যে মাইক্রোস্লিপের প্রবণতা বেশী দেখা যায়।যারা ড্রাইভিং করেন বা মেশিন চালান তাদের জন্য এ অবস্থা মারাত্মক দূর্ঘটনা ও প্রাণহানির কারণ হতে পারে।

✔️মাথাব্যাথাঃ

যারা রাতে ঠিকমত ঘুমান না তাদের মাথাব্যাথা হওয়ার ও মাইগ্রেনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার
প্রবণতা বেশী দেখা যায়।মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া শুরু হয়।

✔️নৈতিকতার অধঃপতনঃ

যারা রাত জাগেন ও পর্যাপ্ত সময় ঘুমান না তাদের নৈতিকতার বিচারবোধ হ্রাস পেতে পারে।
নৈতিকতার বিচারবোধ হ্রাস পাওয়ায় তার দ্বারা অহেতুক অনৈতিক কাজ সম্পন্ন হতে পারে।

----মেডিকেয়ার হেলথ।

03/12/2018

শীত আসছে, আর অতিরিক্ত ঘামে হাত পা একাকার?
অতিষ্ঠ, বিষন্ন? কি করবেন? কি এর প্রতিকার?

জানতে পড়ুন 👇

💦 ঘাম (দরকারী) বনাম অতিরিক্ত ঘাম (অসুবিধা)

ঘাম আমাদের শরীর এর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘাম এবং এর প্রক্রিয়াকে অনেকটা শরীরের এসি’ও বলা যায়। যা আপনার শরীরের তাপমাত্রাকে ৩৭ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড এ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু অতিরিক্ত ঘাম খুবই বিব্রতকর ও অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক ও বটে।

💦 কেন হয়?
• অতিরিক্ত গরম
• পরিশ্রম
• টেনশন বা বিব্রতকর অবস্থায় পড়া
• পারিবারিক (জেনেটিক)
• গর্ভাবস্থায়, মহিলাদের মেনপেস এর সময়
• স্থূলকায় শরীর
• লো ব্লাড সুগার
• থাইরয়েড গ্ল্যান্ড এর সমস্যা
• অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা, কফি)
• অতিরিক্ত এলকোহল/ ড্রাগস
• কিছু মেডিসিন (যেমনঃ এন্টি ডিপ্রেসেন্ট) ও ফুড সাপ্লিমেন্ট (সবার ক্ষেত্রে সমান নাও হতে পারে)
• শারীরিক অবস্থা (ব্লাড ক্যান্সার, গলগণ্ড বা টিবি এবং আরও না জানা কারনে)

✅ প্রতিকারঃ

✅ জীবনযাত্রার পরিবর্তন

• এমন কিছু খাবার পরিহার করা যাতে আপনার অরিরিক্ত ঘাম হয় (আপনার জানা), যেমন অতিরিক্ত ঝাল যুক্ত খাবার । তৈলাক্ত, অধিক মসলা যুক্ত খাবার কম খেয়ে, শাঁক সবজি বেশী করে খান
• চা/ কফি পরিমিত পান করুন, মদ্যপান অভ্যাস পরিমিত/ ত্যাগ (যদি থাকে)
• আঁটোসাঁটো কাপড়, নাইলন এর কাপড় পরিধান ত্যাগ (সাদা কাপড় এ তাপ শোষণ কম হয়, তাই হাল্কা বা সাদা রঙ এর কাপড় পরিধান করা)
• প্রাকৃতিক তন্তুতে (যেমন- তুলা) বোনা পাতলা মোজা ব্যাবহার (এক মোজা ২ দিন এর বেশী ব্যাবহার না করাই উত্তম), বাতাস চলাচলে সহায়ক জুতা পরিধান করা (ফরমাল জুতোর ক্ষেত্রে চামড়ার জুতো, এ ছাড়া কাপড়ের কনভারস ইত্যাদি)
• বাড়তি লবন কম খাওয়া

✅ প্রসাধনী ও ঘরোয়া পদ্ধতির ব্যাবহার

• গোসল করার সময় এন্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যাবহার করা
• সেন্ট বা ডীওডরেন্ট এর বদলে এন্টী পারস্পিরেন্ট (যেমনঃ এন্টী পারস্পিরেন্ট স্প্রে, রোল অন, ট্যালকম পাউডার ইত্যাদি) এর ব্যাবহার
• পা ঘামার ক্ষেত্রে, পায়ে হাল্কা বরিক পাউডার (সাধারন ওষুধের দোকানে পাবেন) লাগিয়ে মোজা পড়া
• মুখ বা হাত তৈলাক্ত হয় এমন কিছু (লোশান্‌, পমেড, পেট্রলিয়াম জেলি) কম ব্যাবহার করা
• অনেকে হাত - ঠাণ্ডা/ বরফ পানি দিয়ে ধুয়ে , পা হাল্কা কুসুম গরম পানিতে কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রেখে ফলাফল পেতে পারেন
• এপল সিডার ভিনেগার বা লাইম/ লেবুর রস সকালে ও বিকালে হাতের তালুতে লিগিয়ে মুছে ফেলুন

✅ ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যাবস্থা

✅ ওষুধঃ

• এন্টি কলিনারজিক ড্রাগ যেমন- প্রপেন্থেলিন ব্রমাইড এক্ষেত্রে বহুল ব্যাবহহৃত
• সেবন বিধি- ৩ বেলা খাবার আধা ঘণ্টা পর ৭ দিন
• সতর্কতা- ১২ বছর বয়েসের নিচে বয়েস, গর্ভবতী মহিলারা সেবন করতে পারবেন না। অসুধ খাবার পর গলা শুকনো লাগতে পারে, খুব কম কিন্ত কিছু ক্ষেত্রে চোখ ঘোলা লাগতে পারে।
• ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাওয়া শ্রেয়

✅ 💵💵💵 ব্যায়বহুল চিকিৎসাঃ

• লেসার - অবাঞ্ছিত লোম তোলা ও লোম কুপ বন্ধ করে

• আয়নটোফরেসিস - খুব সামান্য পরিমান বিদ্যুৎ আপানার শরীরের অতিরিক্ত ঘাম হয় এমন জায়গায় ভেজানো কাপড় বা পানিতে ভেজানোর মাধ্যমে প্রয়োগ, যদিও হাত ঘামার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়

• বটুলিনাম টক্সিন ইঞ্জেক্সান - ১৫-২০ টি ইঞ্জেক্সান শরীরের বেশী ঘাম হয় এমন জায়গায় দেয়া হয়, প্রতি বার ইঞ্জেক্সান দিতে ৩০-৪৫ মিনিট সময় লাগে, তবে এ চিকিৎসাও দীর্ঘস্থায়ী নয়, ৬-১২ মাস পর পর নিতে হয়, কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে এবং যন্ত্রণাদায়ক

• সার্জারি- লমকুপ গুলো যত বেশী পারা যায় অপারেশন করে তুলে ফেলা। যন্ত্রণাদায়ক, ব্যায়বহুল ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কীয় সমসসার সম্মুখীন হতে পারেন।

ℹ️ তবে জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং প্রসাধনী ও ঘরোয়া পদ্ধতির ব্যাবহার এর মাধ্যমে এর প্রতিকার ই সর্বোত্তম। দয়া করে যেকোন ওষুধ খাবার পূর্বে রেজিস্টার্ড ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।

ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

📣 📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন করুন আমাদের ইনবক্সে আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা উত্তর পান ২৪ ঘন্টার মধ্যে।

📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣📣

ওমেগা-৩ 😮
27/11/2018

ওমেগা-৩ 😮

একই খাবারে যদি হৃদরোগ, বাতের ব্যথা, হাড়ের সমস্যা কমে যায়? আবার যদি দেহের চর্বি কমানো সহজ হয়ে যায়? মন্দ হয় না! এমনই এক সুপারফুড ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।

ওমেগা-৩ কি?

‘ওমেগা-৩’ হল এক ধরনের অসম্পৃক্ত চর্বি। স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ মাত্রই জানেন, সম্পৃক্ত চর্বি হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। তেল-চর্বিযুক্ত খাবার একটা বয়সের পর সে কারণে খেতে মানা। কিন্তু অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খেতে বাঁধা নেই, বরং এটি রক্তে উপকারী চর্বির পরিমাণ বাড়ায় এবং দেহের নানা উপকার করে। প্রকৃতিতে কয়েক ধরনের ‘ওমেগা-৩’ চর্বি আছে। এর মধ্যে ‘আলফা লিনোলেইক’ এসিড পাওয়া যায় কিছু উদ্ভিজ্জ্ব খাবার বা তেলে। অন্যদিকে সামুদ্রিক খাবারে পাওয়া যায় ইকোসা পেন্টানোয়িক অ্যাসিড (Eicosapentaenoic acid) এবং ডোকোসা হেক্সানোয়িক অ্যাসিড(docosahexaenoic acid)।

ওমেগা-৩ এর উপকারিতাঃ

⚕️অস্বাভাবিক হৃদকম্পনঃ

করোনারী আর্টারি বাইপাস সার্জারির কিছু রোগীর উপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড দৈনিক ২ গ্রাম ডোজ-এ শতকরা ৫৪ ভাগ রোগীর অস্বাভাবিক হৃদকম্পন কমিয়ে দিয়েছিলো ।

⚕️শরীরের ফোলা ভাব কমায়ঃ

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ওমেগা থ্রি যুক্ত খাবার খেলে শরীরের বাড়তি ফোলা ভাব কমে যায়। পেট ভার হওয়ার সমস্যাও খুব একটা দেখা যায় না। দেহের ‘ওয়াটার ওয়েট’ নিয়ন্ত্রণে রাখে ওমেগা থ্রি।

⚕️করোনারি আর্টারি ডিজিজঃ

এক স্টাডির ফলাফলে দেখা যায় দৈনিক ১ গ্রাম করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে হঠাৎ করে হৃদরোগে মৃত্যু ঝুঁকি শতকরা ৫৪ ভাগ হ্রাস পায়।

⚕️স্তন ক্যান্সারঃ

৩৫,০০০ মধ্যবয়সী নারীর উপর পরিচালিত গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যারা নিয়মিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড গ্রহণ করেন তাদের স্তন ক্যান্সারের হার শতকরা ৩২ ভাগ কমে যায়।

⚕️মাতৃত্বজনিত হতাশাঃ

গর্ভাবস্থায় যারা পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ গ্রহণ করে থাকেন তাদের মাতৃত্বকালীন হতাশা কম থাকে। গবেষকদের পরামর্শ অনুযায়ী ট্যাবলেটের চেয়ে যদি সাপ্তাহিক ২-৩ বার ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ খাওয়া হয় তবে তা বেশি কার্যকর হয়ে থাকে।

⚕️হার্ট এ্যাটাকঃ

জাপানে ৮০-৬০ বছরের ৪১ হাজার ৪৭৮ জন পুরুষের উপর ১৯৯০ থেকে ২০০১ পর্যন্ত পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় যারা সপ্তাহে অন্তত ১ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খান তাদের হার্ট এ্যাটাক এর হার শতকরা ৫৬ ভাগ কমে যায়। তবে ডোজ বাড়িয়ে দৈনিক ২ গ্রাম করলে হার্ট এ্যাটাক এর হার শতকরা ৬৫ ভাগ কমে যায়।

⚕️স্ট্রোকঃ

যারা নিয়মিত সপ্তাহে ৫ গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খায় তাদের ইসকেমিক স্ট্রোক এর ঝুঁকি শতকরা ৩১ ভাগ কমে যায়।

⚕️বাচ্চাদের মানসিক বিকাশঃ

বাচ্চাদের বেশি করে মাছের তেল খেতে বলা হয়। কারণ, মাছের তেলে ওমেগা থ্রি থাকে। মানসিক বিকাশের জন্য ওমেগা থ্রি খুবই উপকারী। অন্তঃসত্ত্বা মহিলারাও যদি খাবারে ওমেগা থ্রি’য়ের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন, তাহলে তা হবু সন্তানদের জন্য উপকারী।

⚕️ওজন হ্রাস ও ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ানোঃ

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড লেপটিন নামক হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে আমাদের ক্ষুধা ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সেবনে ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ে ফলে অল্প ডোজে ইনসুলিন বেশি কাজ করে।

⚕️আথ্রাইটিসঃ

৫শ’ জন রোগীর উপর ১৩টি গবেষণায় দেখা যায়, রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস-এ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড অত্যন্ত আশাপ্রদ ফলাফল দেয়।

⚕️পিরিয়ডের ব্যাথা কমাতেঃ

অনেক নারীদের menstruation এর সময় শরীরের যে ব্যথা হয়, ওমেগা-৩ এর ফ্যাটি এসিড সেই ব্যথা কমাতে সহায়তা করে। ৪২ জন নারীর উপর পরিচালিত গবেষণার ফলাফলে দেখা যায় যে সব মহিলা প্লাসিবো খেয়েছিলেন তাদের তুলনায় যারা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেয়েছিলেন তাদের পিরিয়ডের পেইন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

⚕️চোখে ছানি পড়াঃ

আরকাইভস অব অফথেলমোলজিতে প্রকাশিত নিবন্ধ থেকে জানা যায়, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বয়সের কারণে বা নির্দিষ্ট বয়সের আগেই চোখে ছানি পড়ার হার কমিয়ে দেয়। উল্লেখ্য ৫০ বছরের অধিক বয়সী মানুষের অন্ধত্বের প্রধান কারণ চোখে ছানি পড়া এবং বিশ্বের প্রায় ৩০ মিলিয়ন লোক এ সমস্যায় আক্রান্ত। আরকাইভস-টি থেকে আরও জানা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে বয়সজনিত ছানি পড়া শতকরা ৭৫ ভাগ কমে যায়।

⚕️নারীদের সঠিক বয়সে মেনোপজঃ

ফিশ অয়েল প্রতিদিন নারীর শরীরের হরমোনের ভারসাম্য উন্নত করতে সহায়তা করে এবং মেনোপজ উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

⚕️মনোযোগহীনতাঃ

১০০ বালকের উপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায় যাদের শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এর পরিমাণ কম তাদের পড়াশোনায়ও মনোযোগ কম, এরা খুব সহজেই ভুলে যায়। অন্যদিকে যাদের শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এর পরিমাণ বেশি তাদের কাজ/পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বেশ তীক্ষ্ণ এবং তাদের স্মরণশক্তিও বেশি।

⚕️রোদের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষাঃ

জার্নাল অব ইনভেস্টিগেশন ডার্মাটোলজি থেকে জানা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ইপিডার্মাল ও ডার্মাল স্কিন সেলকে সূর্যের ক্ষতিকারক অতি বেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

⚕️মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিঃ

আমাদের মস্তিষ্কের শতকরা ৬০ ভাগ ফ্যাটি বস্তু । মস্তিষ্কের কোষের কাজের এর জন্য ইপিএ (ইকোছাপেনটানোইক এসিড) বিশেষভাবে প্রয়োজন। তাই ওমেগা-৩ মস্তিষ্কের কার্য্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

⚕️স্মৃতিভ্রমঃ

আরকাইভস্ অব নিউরোলজিতে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট-এ দেখা যায় যাদের শরীরে উচ্চ মাত্রায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে তাদের স্মৃতিভ্রম হওয়ার সম্ভাবনা যাদের শরীরে নিম্ন মাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে তাদের চাইতে শতকরা ৪৭ ভাগ কম।

⚕️প্রোস্টেট/কোলোরেকটাল ক্যান্সারঃ

সুইডেনের ক্যারোলিনা ইন্সটিটিউট অব স্টকহোম কর্তৃক প্রকাশিত জার্নাল থেকে জানা যায় সপ্তাহে ১-২গ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার এর সম্ভাবনা শতকরা ৪৩ ভাগ কমে যায়। আমেরিকান জার্নাল অব ইপিডেমিওলোজি থেকে জানা যায় যারা নিয়মিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড সেবন করে তাদের কোলোরেকটাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অন্য যারা সেবন করে না তাদের চাইতে শতকরা ৪১ ভাগ কম। ঐ গবেষণাটি ১৪৫৫ জনের উপর পরিচালিত এবং সেবন মাত্রা ছিল সপ্তাহে ৩-৫ গ্রাম।

⚕️শিশুদের এ্যাজমাঃ

ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি অন এ্যালার্জি এন্ড এ্যাজমা ইন চাইল্ডহুড কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে জানা যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বাচ্চা বয়সের এ্যাজমার ঝুঁকি শতকরা ৫০% ভাগ কমায়।

🔈স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন পরামর্শের জন্য আমাদের Medicare পেজে ইনবক্স করুন।মেডিকেয়ারের অভিজ্ঞ ডাক্তার সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর প্রদান করবেন।

---মেডিকেয়ার হেলথ।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Social Panda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share