KARUkaj

KARUkaj An Image Engineering And all kinds of Audio-Visual Solution Center in Bangladesh. Shaping Reality

16/09/2026
ভিক্ষা চাইতে আসিনি, বাপের পাওনা আদায় করতে এসেছি! বিশ্ব মোড়লদের পা*ছায় লা*থি মেরে পাওনা আদায়ের সময় এসেছে ! বড় বড় দেশগ...
05/09/2026

ভিক্ষা চাইতে আসিনি, বাপের পাওনা আদায় করতে এসেছি! বিশ্ব মোড়লদের পা*ছায় লা*থি মেরে পাওনা আদায়ের সময় এসেছে !

বড় বড় দেশগুলো কার্বন ছড়াবে, পৃথিবী গরম করবে—আর সেই জলবায়ু বিপর্যয়ের বিল দেবে ছোট দেশগুলো?
এই হিসাব এবার বদলাতে চাইছে নেপাল।

নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ জলবায়ু বিপর্যয় ও হিমালয় অঞ্চলের বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি, নিখোঁজ ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। অথচ বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে নেপালের অবদান মাত্র ০.০৪%!

অন্যদিকে বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোই (যুক্তরাষ্ট্র , চীন, ভারত এর মত দেশগুলো) সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে। আর এই কারণেই এমন দুর্যোগ ! ফলে নেপালের প্রশ্নটা খুবই সোজা—

“দূষণ করবে যারা, ক্ষতির দায়ও কি তাদের নিতে হবে না?”

এই অবস্থান থেকেই নেপাল এখন ‘এইড’ বা দাতব্য সহায়তার বদলে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কমপেনসেশন’ অর্থাৎ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ এর কথা বলছে।

অর্থাৎ, নেপাল ভিক্ষা চাইছে না।
তারা বলছে—জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, তার ন্যায্য ক্ষতিপূরণ চাই।

নেপালের পুনর্গঠনে কয়েক বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। তাদের দাবি, এই বোঝা জলবায়ু সংকট তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখা দেশগুলোরও বহন করা উচিত।

আর এখানেই বালেন শাহের অবস্থানটা অন্যরকম।
সহায়তার জন্য হাত পেতে নয়—ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কথা বলার বার্তা দিচ্ছেন তিনি।

বড় দেশ দূষণ করবে, আর ছোট দেশ বিল দেবে—এই নিয়ম কি এবার বদলানোর সময় আসেনি?

লীগের হাতে গুম হওয়া প্রথম দেশপ্রেমিক যে ভারত আর লীগের দেশবিরোধী কন্সপারেসির বিরুদ্ধে প্রথম দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল, সে হই...
20/08/2026

লীগের হাতে গুম হওয়া প্রথম দেশপ্রেমিক যে ভারত আর লীগের দেশবিরোধী কন্সপারেসির বিরুদ্ধে প্রথম দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল, সে হইলো জহির রায়হান।

অনেক কথাই ঘুরে বেড়ায় কেন জহির রায়হানকে সরায়ে দেওয়া হয়েছে, কে সরিয়েছে তা নিয়ে। এবং একই সাথে যদি বাকি তিনটি ছবির সূত্র'ও যোগ করি, এবং এই তিনটা কেইসের'ই বেক-ট্রেস করা হয়, সবই গিয়ে ঠেকে ভারত আর লীগে। এবং ঠিক এক্সাক্টলি কেন এদেরকে সরায়ে দেওয়া হয়েছে, কোনো তদন্তেই কোনোদিন বের হবেনা। এবং এই তিনটা কেইসের বিচার কখনোই হবেনা, গ্যারান্টেড।

লীগ বাংলাদেশে ভারতের এজেন্ট সেই স্বাধীনতার পর থেকেই। গোটা লীগ না হইলেও লীগের এলিট মহল সবসময় ভারতের ছিল। এবং এইজন্যই এরা 'দেশের প্রতি কে বেশি লয়াল' এই গেইম সবসময় খেলে এসেছে। মসজিদে জুতা চোরকে ধাওয়া দিলে চোর চেষ্টা করে জনতার সাথে মিশে বেশি জোরে 'ওই ধর ধর' করে সামনে পয়েন্ট আউট করতে। আওয়ামীরাও সব সময় তাই করেছে, নিজেরা আজীবন ভারতের হয়ে কাজ করেছে, আর অন্যদের সবসময় রাজাকার, দালাল বলে লেবেলিং করেছে। ২৪ এর পর লীগের চ্যালা-চেমান্ডা সবাইকে ধরে আশ্রয় দিলো কি ভারত এমনে এমনে?

জহির রায়হান ফিরি।

১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদ সম্মেলনে জহির রায়হান ঘোষণা দেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের পেছনে নীলনকশা সহ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের অনেক গোপন ঘটনার নথিপত্র, প্রামাণ্য দলিল তার কাছে আছে, যা প্রকাশ করলে সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রীসভার অনেক নেতার কুকীর্তি ফাঁস হয়ে পড়বে। ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এই প্রেসক্লাবে সেটা প্রকাশ করা হবে।

এই সাংবাদ সম্মেলনের কয়েকদিন পর ৩০ জানুয়ারি রোববার সকালে টেলিফোন আসে জহির রায়হানের কায়েতটুলির বাসায়। টেলিফোনে জহিরকে বলা হয়েছিল, আপনার বড়দা মিরপুর বারো নম্বরে বন্দী আছেন। যদি বড়দাকে বাঁচাতে চান তাহলে এক্ষুণি মিরপুর চলে যান। একমাত্র আপনি গেলেই তাকে বাঁচাতে পারবেন। টেলিফোন পেয়ে জহির রায়হান দুটো গাড়ী নিয়ে মিরপুরে রওনা দেন।
মিরপুর ২ নং সেকশনে পৌছার পর সেখানে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জহির রায়হানের টয়োটা গাড়ি (ঢাকা-ক-৯৭৭১)সহ থাকতে বলে অন্যদের ফেরত পাঠিয়ে দেন। এরপর থেকে তার আর খোঁজ নাই।

জহির রায়হান নিখোঁজ এই নিয়ে লেখালেখি হলে তার বড় বোন নাফিসা কবিরকে ডেকে নিয়ে শেখ মুজিব কি বলেছিলো জানেন? "জহিরের নিখোঁজ নিয়ে এ রকম চিৎকার করলে তুমিও নিখোঁজ হয়ে যাবে।"

স্টপ জেনোসাইড" ছবিটি নির্মাণের সময় আওয়ামী লীগের নেতারা তাঁকে নানাভাবে বাধা দিয়েছে। বিভিন্ন সেক্টরে শুটিং করতে দেয় নি, এমন কি কোন কোন সেক্টরে তাঁর গমন পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল। আওয়ামী লীগের নেতারা ছবি দেখে ছাড়পত্র না দেয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সেন্সর বোর্ডকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

এই হইলো আওয়ামী দেশপ্রেমের অবস্থা।

স্বাধীনতার পর জুলাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতন সুযোগ পায় ভারতের শ্যাডো প্রদেশ থেকে বের হয়ে আসার যার রক্ষা কর্তা হইলো আওয়ামী লীগ। এই আওয়ামী লীগের সুডো দেশপ্রেমের একটা লেটেস্ট এক্সাম্পল হইলো জয়া আহসান যে এই দেশে মুজিব ভক্তি দেখায়ে রাতে ভারতে গিয়ে রাজনৈতিক মিছিল করে। নায়ক ফেরদৌস ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় অংশ নিয়ে এই দেশে এমপি গিরি করে। এবং এরাই আবার আপনাকে কিভাবে বাংলাদেশকে ভালোবাসতে হবে সেই সবক দিবে। ওদের কথা মতন না হইলে আপনি পাকিস্তানি রাজাকার।

এইসব লেবেলিং গায়ে লাগাবেন না। ওদের কথা মতন জহির রায়হান'ও রাজাকার হয়ে যাইতো বেঁচে থাকলে। অথচ তার দাঁড়ি-টুপি নাই।

🖋️Hasnat Rabi

16/08/2026

" ভাত দে হারামজাদা নইলে মানচিত্র খাবো "

কবি রফিক আজাদ

#বাংলাদেশ #দুর্ভিক্ষ #মৃত্যু #বাংলাদেশেররাজনীতি

সিরাজ সিকদার বরিশালে ঈদের ছুটিতে তার গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়িতে এসে দেখে ঈদের দিন সবাই নতুন জামাকাপড় পড়ে আনন্দ করছে ক...
16/08/2026

সিরাজ সিকদার বরিশালে ঈদের ছুটিতে তার গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়িতে এসে দেখে ঈদের দিন সবাই নতুন জামাকাপড় পড়ে আনন্দ করছে কিন্তু তাদের বাড়ির কাজের মেয়েটা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত একটানা কাজ করে যাচ্ছে।

নিজেরা ঈদ উদযাপন করছে অথচ বাড়ির কাজের মেয়েটা ময়লা কাপড় পড়ে পরিশ্রম করে যাচ্ছে দেখে প্রচন্ড মায়া হয়েছিল সিরাজের। সে তার মাকে বলেছিল মেয়েটাকে ছুটি দিতে কিন্তু দেয়নি।

এজন্যে দয়ালু সিরাজ তখনই কাজী অফিসে গিয়ে নিজের বাড়ির কাজের মেয়েটাকে বিয়ে করেছিল, স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছিল।

সিরাজ সিকদার লোকটা এমনই দয়ালু আর পাগলাটে ছিল। যুদ্ধের আগেও সে মুক্তিবাহিনীতে কাজ করেছিল। কিন্তু যুদ্ধের পর আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় নিজেই দল গঠন করেছিল।

সবার সমান অধিকারে বিশ্বাস করতো বলে দলের নাম দিয়েছিল- 'পূর্ব বাংলা শ্রমিক আন্দোলন।'

স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়তে লাগল, জনগণের ভালোবাসা পেতে লাগল।

কিন্তু এটাই পছন্দ হয়নি শেখ মুজিবের।

এজন্যে ১৯৭৫ সালের এক রাতে শেখ মুজিবের নির্দেশে গ্রেফতার করা হয় তাকে। পরদিন মুজিব তার সাথে দেখা করে পদ পদবির লোভও দেখিয়েছিল কিন্তু কাজ হয়নি।

এজন্যে সেদিনই নির্জন এক জায়গায় নিয়ে পেছন দিকে হাত বেঁধে অসংখ্য গু*লি করে মেরে ফেলা হয়েছিল তাকে। এত বেশি গু*লি করা হয়েছিল যে পুরো পিঠ ঝাঁঝরা করে ফেলা হয়েছিল।

মারার পর শেখ মুজিব সেদিন সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভ নিয়ে বলেছিল- কোথায় আজ সিরাজ সিকদার?

সিরাজ সিকদার এতটাই প্রতিবাদী মানুষ ছিল যে তাকে সম্মান করে সবাই 'লাল ঘোড়া' বলে ডাকতো। অথচ সেই মানুষটা আজও কোন বিচার পায়নি।

শুধু সিরাজ সিকদারই না সিরাজুল আলম খান নামে আরেকজন জনদরদী নেতা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম" এই স্লোগানটা উনিই শেখ মুজিবকে লিখে দিয়েছিলেন।

যুদ্ধে অসংখ্য অবদান রাখার পরও তিনি দেখেছিলেন আওয়ামী লীগ জনগণের কথা রাখছে না তাই নিজে 'জাসদ' নামে আরেকটা দল গঠন করেছিলেন।

কেন সে আরেকটা দল গঠন করল এই ক্ষোভ থেকেই শেখ মুজিব রক্ষী বাহিনীদের দিয়ে জাসদের ত্রিশ হাজার কর্মীকে মেরে ফেলেছিল। আই রিপিট ৩০ হাজার!

মুজিবের পালিত রক্ষীবাহিনীরা তখন ওপেনে অ*স্ত্র হাতে শোডাউন দিয়ে ধ*র্ষণ করতো, লুটপাট করতো।

এই রক্ষীবাহিনীরই একজন গাজীপুরের এক অসহায় নতুন বউকে দিনেদুপুরে ধ*র্ষণ করেছিল। অসহায় বউটা সেদিন শেখ মুজিবের কাছে বিচার চেয়েছিল কিন্তু মুজিব বিচার তো করেই নাই উল্টো কল দিয়ে ধ*র্ষককে থানা থেকে ছুটিয়ে এনেছিল।

মুজিব বিচার করেনি কারণ বিচার করলে তার কর্মীদের মনোকষ্ট হবে, ক্ষমতা কমে যাবে।

যুদ্ধের পর মুজিব ক্ষমতার জন্যে এতটাই পাগল হয়ে গিয়েছিল যে স্বৈরাচারী বাকশাল গঠন করেছিল, ৪ টা পত্রিকা বাদে বাকিসব ব্যান করে দিয়েছিল।

এরপর তাজউদ্দিন আহমেদ থেকে শুরু করে মাওলানা ভাসানী সবাইকে বাদ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের নিজের সাগরেদ বানিয়েছিল।

তাদের লুটপাট আর চোরাচালানের কারণে ১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছিল। দেশের অসহায় মানুষগুলো, ছোট ছোট মাসুম বাচ্চাগুলো না খেয়ে মরছিল।

খাবারের এতটাই সংকট দেখা দিয়েছিল যে মানুষ ভাতের ঝাউ খেতো, গাছের শিকড় খেতো, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা লতাপাতা সিদ্ধ করে খেতো।

মহিলারা একমুঠো চালের জন্যে তাদের পড়নের কাপড়টাও বিক্রি করে দিতো। কাপড় না পেয়ে মাছ ধরার জাল পেচিয়েই দিনের পর দিন কাটিয়েছিল এই হতভাগা নারীরা।

বাচ্চা বাচ্চা শিশুগুলো মায়ের বুকের দুধের জন্যে কান্না করতো, চিৎকার করতো। কিন্তু মা দুধ দিবে কোথা থেকে? সে নিজেও যে দিনের পর দিন না খাওয়া।

সে সময়ের দুর্ভিক্ষের নিউজ করতে অস্ট্রেলিয়ান সাংবাদিক জন পিলজার এদেশে এসেছিল। তিনি এসে বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েদের হাত ধরতে গিয়ে দেখেছিলেন তাদের চামড়া তার হাতের সাথে মোমের মতো লেগে যাচ্ছে।

বাচ্চারা তখন এতটাই রোগা ছিল যে ক্ষুধার্ত কুকুর মায়ের কোল থেকে বাচ্চাদেরকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে খেয়ে ফেলতে চাইতো, কাক এসে ক্ষুধার জ্বালায় বাচ্চাদের মাথার মগজ খেতে ঠুকরাতো।

এই তীব্র ক্ষুধার জ্বালা সইতে না পেরে অসংখ্য মানুষ আত্মহ*ত্যাও করতে চাইতো। সেই দুর্ভিক্ষ এতটাই ভয়ানক ছিল যে ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিল। আই রিপিট ১৫ লক্ষ!

লা*শ দাফন করার মতো কাফনের কাপড়ও পাওয়া যেত না। তাই কলাপাতায় কোনরকম লা*শটা পেচিয়ে গর্তে ফেলে দেয়া হতো।

একদিকে এত এত মানুষ মরছিল অথচ অন্যদিকে মুজিবের রক্ষীবাহিনীরা রিলিফের চাল, গম ,আটা সব লুটপাট করে নিয়ে গিয়েছিল।

মুজিব সবই জানতো কিন্তু কর্মীদেরকে কিচ্ছু বলতো না।কারণ বললে তার দলের লোক কমে যাবে, ক্ষমতা কমে যাবে।

মুজিব কিছু বলতো না আবার কাউকে প্রতিবাদও করতে দিতো না। দুর্ভিক্ষের সময় কবি রফিক আজাদ 'ভাত দে হারামজাদা নয়তো মানচিত্র চিবিয়ে খাব' লাইনটা বলে প্রতিবাদ করায় তাকেও আওয়ামী বাহিনীরা মারধর করতে গিয়েছিল।

এসব করে করে আওয়ামী লীগের নেতারা তখন বেশ ভালোই দিন কাটিয়েছে, ফুর্তি করেছে।

এমনকি মুজিবও এর কিছুদিন পরই তার দুই ছেলেকে সোনার মুকুট পড়িয়ে ধুমধাম করে বিয়ে দিয়েছিল, লাখ লাখ টাকা খরচ করেছিল।

অথচ দেশের লাখ লাখ মানুষ , ছোট ছোট বাচ্চারা তখন অনাহারে, অর্ধাহারে মারা যাচ্ছিল।

মুজিবের সেসব কালো অধ্যায়ের ইতিহাস আমাদের কাউকেই জানতে দেয়া হয়নি। যুদ্ধের আগের মুজিবকেই শুধু আমকদেরকে পড়ানো হয় কিন্তু পরের মুজিবের রূপটাকে আর দেখানো হয় না।

শেখ হাসিনা মুজিবের জন্মদিন আর মৃত্যুবার্ষিকতে কোটি কোটি টাকা খরচ করতো তার যুদ্ধের সময়কার ইতিহাসটা দেখাতে। কিন্তু পরেরগুলো আর দেখাতো না, আমরাও আর জানার চেষ্টাটুকু করিনি।

শেখ হাসিনারও ভয় হতো যদি এসব ইতিহাস জনগণ জেনে যায় তাহলে মুজিবকে মানুষ মন থেকে উঠিয়ে দিবে। এজন্যে সে ফন্দি করে সেসব ইতিহাসই বই থেকে উঠিয়ে দিয়েছিল।

টিস্যু পেপারকে ব্যবহারের পর যেমন নির্মমভাবে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হয় ঠিক তেমনি ৭২-৭৫ সালের সেই বীভৎস ইতিহাসগুলোও আমাদের কাছ থেকে লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল।

শুধুমাত্র যুদ্ধের ইতিহাসটুকু জেনেই আমরা অনেকে হয়তো মুজিবকে আগবাড়িয়ে সম্মান দেখাই, বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই কিন্তু বাকি ইতিহাসটুকু আর মনেই করি না।

মুজিবকে মনে রাখার জন্যে হাসিনা কোটি টাকার মূর্তি বানিয়েছে, জাদুঘর বানিয়েছে, অনুষ্ঠান করেছে এজন্যে তাকে হয়তো অনেকে মনে রাখবে

কিন্তু যেই গরিব মানুষগুলো দুর্ভিক্ষে মারা গেছে, যেই অসহায় মায়ের বুক থেকে ক্ষুধার্ত কুকুর বাচ্চাকে খেয়ে ফেলার জন্যে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে সেই মা'টাকে কেউ আর মনে রাখবে না, কোনদিনও না।

15/07/2026

জীবনের ৯০% সমস্যাই দূর হয়ে যাবে যদি আমরা এই সহজ কথাগুলো মেনে চলতে পারি:

​১. যা আপনার হাতে নেই, তা নিয়ে মাথা ঘামানো ছাড়ুন।

২. কেউ অসম্মান করলে চট করে রেগে না গিয়ে শান্ত থাকতে শিখুন।

৩. যারা আপনাকে পাত্তা দেয় না, তাদের পেছনে সময় নষ্ট করবেন না।

৪. যে আপনাকে ভুল বুঝতে চায়, তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা বৃথা।

৫. আজ আপনি কী করতে পারেন সেটায় ফোকাস করুন, যা বদলাতে পারবেন না তা নিয়ে নয়।

৬. যাকে বারবার বুঝিয়েও লাভ হয় না, তাকে তার মতো ছেড়ে দিন।

৭. সব প্রশ্নের উত্তর বা সবকিছুর শেষ দেখে ছাড়তে হবে এমন নয়, মুভ-অন করলেই শান্তি।

৮. স্ক্রিন টাইম বা অনলাইন জগৎ কমিয়ে বাস্তব জীবনে সময় দিন।

৯. মুড বা মোটিভেশন না থাকলেও নিজের কাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

১০. ঠিকমতো ঘুমান, ভালো খান আর শরীর সচল রাখুন—অর্ধেক কষ্ট এমনিই কমবে।

১১. যারা আপনার এনার্জি নষ্ট করে, তাদের লাইফ থেকে মাইনাস করুন।

১২. একাকীত্ব কোনো দুর্বলতা নয়, এটি আপনাকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে।

১৩. অপর পক্ষ ক্ষমার যোগ্য বলে নয়, নিজের মনের শান্তির জন্য ক্ষমা করে দিন।

১৪. কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই প্রয়োজনে 'না' বলুন, নিজের সীমানা ধরে রাখুন।

১৫. আয়ের চেয়ে কম খরচ করুন; ঋণ বা ধার-দেনা মানসিক দাসত্বের শামিল।

১৬. জীবন সব সময় আপনার মনের মতো হবে না, পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়াতে শিখুন।

১৭. কথা কমিয়ে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করুন, মানুষ চিনতে সুবিধা হবে।

১৮. কী হারিয়েছেন তা না ভেবে, এখন নতুন করে কী তৈরি করতে পারেন সেদিকে তাকান।

১৯. একদিনে সব ওলটপালট না করে, প্রতিদিন অল্প অল্প করে চেষ্টা চালিয়ে যান।

২০. সবাইকে খুশি করার দায়িত্ব আপনার নয়, আসলে কেউই আপনাকে অত নোটিশ করছে না।

15/06/2026

Address

128/ক, বড় মগবাজার
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801712696159

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KARUkaj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share