Outsourcing Tips

Outsourcing Tips So stay with us

We connect you to online earning and freelancing solutions on these pages We want to help all freelancers and trying to give the best solution and earning method.

12/02/2026
31/05/2024





Digital Marketing কি?বর্তমান যুগ হাই স্প্রিট ইন্টারনেটের যুগ।এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায়...
27/01/2021

Digital Marketing কি?
বর্তমান যুগ হাই স্প্রিট ইন্টারনেটের যুগ।এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায় পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয় । এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে যে ব্যবসায়িক মাধ্যম গড়ে উঠেছে তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। এককথায় বলা যায়- ডিজিটাল মার্কেটিং হল ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে পণ্য,প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনাকে বোঝায়। ইন্টারনেট ব্যবস্থা ডিজিটাল মার্কেটিং এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। যেমন- গুগল, ইউটিউব, বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফেসবুক সহ নানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?
এর জবাব হতে পারে এমন- খুব স্বল্প সময়ে সঠিকভাবে আপনি আপনার পন্যকে কাস্টমারের কাছে আকর্ষণীয় ভাবে তুলে ধরতে পারবেন। আপনার পণ্য টি যে সকল কাস্টমারের কাছে ব্যপক চাহিদা রয়েছে তাদের সহজে চিহ্নিত করতে পারবেন। আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী ব্র্যান্ডের সাথে ব্যবসায়িক ঘাটতি সহজে নির্ণয় করতে পারবেন। এক কথায় ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার ব্যবসাকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।

কি ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করবেন?

প্রথমত আপনার পণ্যটি কোন ক্যাটাগরির কাস্টমারের কাছে চাহিদা সম্পূর্ণ তা বিবেচনা করে সে অনুযায়ী সঠিক তথ্য ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পণ্যের ধরণ ও চাহিদানুযায়ী আপনাকে কনটেন্ট সাজাতে হবে। আপনি কোন ডিজিটাল মাধ্যম কে ব্যবহার করে মার্কেটিং শুরু করবেন তা ঠিক করতে হবে এবং সেই ডিজিটাল মাধ্যমটি সম্পর্কে আপনাকে ভাল জ্ঞান রাখতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার?

ডিজিটাল মার্কেটিং সাধারণত অনেক প্রকারের হয়ে থাকে তবে ছয়টি প্রকার অন্যতম। আজকে এই ছয় প্রকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

কনটেন্ট মার্কেটিং
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং
ওয়েব এনালাইটিক্স
কনটেন্ট মার্কেটিংঃ

কনটেন্ট হলো কোন একটি বিষয় বা বস্ত কে কেন্দ্র করে ব্লগ ,ছবি বা ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে তার আকর্ষণীয় বর্ণনা করে তা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশ করা। বিভিন্ন পণ্যের ডিজিটাল বিজ্ঞাপনকেও কনটেন্ট মার্কেটিং বলা যায়। ব্লগিং এর মাধ্যমে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা, অনলাইনে ছবি বা পোষটারিং অথবা ভিডিও মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচারকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান বা এসইও মূলত আপনার ওয়েবসাইটি গুগল, ইয়াহু বিং অথবা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান ফলাফলগুলি পর্যালোচনা করে থাকে। আজকের ডিজিটাল প্রতিযোগিতার বাজারে পণ্যের মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে এসইও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। এসইওর মাধ্যমে আপনার পণ্যকে গুগল সার্চের বা সার্চ ইঞ্জিনের সবচাইতে উপরে নিয়ে আসবে, এতে আপনার পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধি পাবে। কারন বর্তমানে মানুষ কোন পণ্য কেনার আগে গুগল থেকে বা সার্চ ইঞ্জিন থেকে সার্চ দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। গুগল তার তথ্য গুলো নিয়মিত আপডেট করে। আপনার সাইটি টি যদি এসইও করা থাকে তবে গুগল সার্চে প্রথম পেজ এ দেখাবে ফলে আপনার গ্রাহক বৃদ্ধি পাবে।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিংঃ একজন অনলাইন মার্কেটারের অবশই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং(এসইএম) সম্পর্কে সুষ্পষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে। এ জন্য কিছু সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ফ্যাক্টর সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকতে হবে। এতে করে আপনি পাবেন সম্পূর্ণ সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বেনিফিটস । শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনই যেকোন ব্রান্ডের অনলাইনে উপস্থিতি ও উন্নতির সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। কয়েকটি উপাদান লক্ষ রেখে আপনি সহজেই কোন ব্যাক্তি অথবা দলের সমন্বয়ে আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিযোগীদের পিছনো ফেলে আপনার সাইটটিকে রাঙ্কিং করতে পারবেন । আমাদের অবশ্যই মনে রাখা উচিৎ যে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর কাজটি বলা অপেক্ষা করা অনেক বেশি সহজ। সকল অনলাইন মার্কেটিং প্রক্রিয়াই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর আওতাভূক্ত।

সোসাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং আসলে কি? সাধারনভাবে বলতে গেলে আমরা প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে সোসাল কমোনিকেশন এর জন্য যে সাইট গুলো ব্যবহার করে থাকি সেগুলেো হল সোসাল মিডিয়া, আর এ সব মাধ্যমে যদি কোনে প্রোডাক্ট প্রমোট করি তা্হলে তা হবে সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং। যেমন, টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ফেইসবুক, রেডিট, টামবলার, লিংকডিন সহ ইত্যাদি সোসাল মিডিয়া সাইট।

ইমেইল মার্কেটিংঃ ডিজিটাল মাধ্যমে সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত উপায়ে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর কার্যকারি পদ্ধতি হল ইমেইল মার্কেটিং। আপনি কি বিক্রি করছেন সেটা কোন বিষয় নয়। এক ক্লিকেই আপনার সার্ভিসটি সম্ভাব্য হাজার হাজার গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইমেইল কালেকশন করে এক ক্লিকে আপনার পণ্যটির বিজ্ঞাপন পৌঁছে দিতে পারেন মুহূর্তের মাঝে। এতে আপনি প্রচুর গ্রাহক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ওয়েব এনালাইটিক্সঃ ওয়েব এনালিটিক্স হল আপনার ওয়েব সাইট টি কতজন ভিজিট করছে কোন অঞ্চল থেকে কেমন বয়সীরা ভিজিট করছে তা বিভিন্ন সাইট বা সফটয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা। এক কথায় বলা যায় একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এনালাইসিস করাকে ওয়েব এনালাইটিক্স বলে।আমরা অনেকেই গুগুল ওয়েব এনালাইটিক্স, বিং ওয়েব এনালাইটিক্স এবং ইয়াহু এর ওয়েব এনালাইটিক্স এর সাথে পরিচিত। এগুলো দিয়ে কোন একটি ওয়েব সাইটের ভিজিটরের তথ্য সহ অন্যান্য তথ্য গুলো পাওয়া যায়।

নতুন ইউটিউবার দের জন্য সুখবর আবার দুখবর ও ।কারন এখন থেকে ১০০০ সাবস্ক্রাইব সহ ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে তাহলেই মন...
17/01/2018

নতুন ইউটিউবার দের জন্য সুখবর আবার দুখবর ও ।
কারন এখন থেকে ১০০০ সাবস্ক্রাইব সহ ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে তাহলেই মনেটাইজেওন অন হবে তাছারা হবে না

15/01/2018

অনলাইনে আয় করা যাবে যেসব সাইট থেকে
প্রকাশ: ২০১৮

বর্তমান বিশ্বে হাজারো ফ্রিল্যান্সিং সাইট রয়েছে, কিন্তু কাজ করার জন্য সবগুলোই উপযুক্ত নয়। কিছু কিছু সাইট আছে শুধু নির্দিষ্ট টাইপের কাজ পাওয়া যায়। কিছু কিছু সাইট শুধু দক্ষ লোকের জন্য।
আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার কর্মজীবনের শুরু করতে চান তাহলে আপনার প্রয়োজন বিশ্বের সেরা এবং বিশ্বস্ত ফ্রিল্যান্সিং সাইট, যেখানে আপনি কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন এবং নিজের ভালো একটি প্রোফাইল সাজাতে পারবেন।
এ প্রতিবেদনে এমনই ৩১টি ফ্রিল্যান্সিং জব সাইট তুলে ধরা হলো। সবগুলো সাইটই নির্ভরযোগ্য। সাইটগুলো দেখুন আর আপনার জন্য কোন সাইটটি উপযুক্ত তা বেছে নিন।
* upwork.com : বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্স-ওডেস্ক নতুন একটি নাম নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন নাম দেওয়া হয়েছে আপওয়ার্ক। এখানে আপনি সব ধরনের কাজ করতে পারবেন।
* fiverr.com : ফাইভার হচ্ছে, ছোট ছোট কাজের জন্য বিখ্যাত একটি সাইট। ৫ ডলার থেকে এখানে কাজের রেট করা আছে। এখানে আপনি সব ধরনের কাজ পাবেন।
* freelancer.com : এটি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুব বড় একটি কাজের ক্ষেত্র। এটি সেরা সাইটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে ওয়েব ডিজাইনার, কপিরাইটার বা ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামার, এসইও সব ধরনের কাজের জন্য বিড করে কাজ করতে পারবেন।
* peopleperhour.com : পিপল পার আওয়ার মূলত ডুয়াল মার্কেটপ্লেস। এখানে আপনি ফাইভারের মতো আপনার সার্ভিস সেল করতে পারবেন, আবার ফ্রিল্যান্সার এর মতো জবে বিড করতে পারবেন। তবে বিডিং সিস্টেম থেকে সার্ভিস সেল করাটাই এখানে বেশি জনপ্রিয়। এখানে আপনি সব ধরনের কাজ বিক্রি ও কিনতে পারবেন।
* 99designs.com : বর্তমানে ডিজাইনের জন্য সবচেয়ে আলোচিত ফ্রিল্যান্সিং সাইট হচ্ছে ৯৯ডিজাইনস। এখানে ডিজাইনের কাজগুলো সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। আপনি এখানে লোগো, ব্যবসায়িক কার্ড, ওয়েবসাইট, অ্যাপ্লিকেশন, ইনফোগ্রাফিক, টি-শার্ট, কার্ড, আমন্ত্রণ, পণ্য প্যাকেজ, বই, এবং পত্রিকা কভার ইত্যাদি টাইপের অসংখ্য কাজ পাবেন।
* designcrowd.com : এটি একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে ক্রিয়েটিভ ধরনের লোকেরা সহজেই কাজ পায়।
* studio.envato.com : এই সাইটটি খুব নামকরা একটি সাইট, যেখানে আপনি আপনার তৈরি করা ডিজাইনগুলো বিক্রি করতে পারবেন।
* stackoverflow.com/jobs : এই সাইটটি শুধু সমস্যা সমাধানের জন্য নয়, এখানে অনেক কাজ পাওয়া যায়। তবে এখানে কাজ করতে হলে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে স্টাক ক্যারিয়ার-এর থেকে আমন্ত্রণ পেতে হবে।
* toptal.com : আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে একজন ভালো ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে টপটাল আপনার জন্য একটি ভালো কাজের সাইট। অন্যান্য সাইটগুলোতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের কাজ থাকে। কিন্তু এখানে শুধু ডেভেলপারদের ওপর ফোকাস করা হয়।
* dribbble.com : এখানে সাইন আপ করুন এবং প্রোফাইল পেজের ‘হায়ার মি’ বাটনে ক্লিক করে জব বোর্ডে আপনার কাজ খুঁজুন।
* behance.net/joblist : এই সাইটটি যারা সৃজনশীল এবং ইউনিক আইডিয়া নিয়ে কাজ করেন যেমন- গ্রাফিক্স ডিজাইনার, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি তাদের জন্য খুব ভালো একটি সাইট।
* linkedin.com/jobs : এই সাইটটি খুবই প্রফেশনাল মানের সাইট। আপনি এখানে একবার সাইন আপ করুন, তারপর থেকে আপনি তাদের জব বোর্ড থেকে কাজ খুঁজতে পারবেন।
* smashingmagazine.com/jobs : প্রোগ্রামার, ওয়েব ডিজাইনার সহ আরো অন্যান্য অনেক কাজের সুবিধাসহ এটি একটি সুন্দর একটি জব পোর্টাল।
* jobs.wordpress.net : এটি ওয়ার্ডপ্রেসের একটি অফিসিয়াল জব বোর্ড। এখানে আপনি প্লাগিন ডেভেলপমেন্ট, থিম কাস্টমাইজেশন বা ওয়ার্ডপ্রেস সাইট অপ্টিমাইজেশন- এ ধরনের কাজ পাবেন। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসের ভালো কাজ পারেন তাহলে সহজেই এখানে কাজ পাবেন।
* guru.com : গুরু ডটকম একটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট, যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ পাবেন। এই সাইটটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ভারতে। এখানে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন নিয়ে অনেক কাজ পাওয়া যায়।
* weworkremotely.com : নামের মতোই এটি এমন একটি সাইট যেখানে আপনার পছন্দমতো বা যে কাজ আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন সেরকম কাজ এখানে আপনি খুঁজে পাবেন।
* wphired.com : ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের জন্য এই সাইটটি খুব বড় ধরনের ভালো সুযোগ। সাইটটিতে ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কিত প্রজেক্টে একজন ফুলটাইম ফ্রিল্যান্সার বা পার্টটাইম বা ইন্টার্নি হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
* wearehirable.com : এটি একটি সোশ্যাল সাইট, যেখানে ফ্রিল্যান্সার এবং এমপ্লয়াররা যোগাযোগ করতে পারে।
* gun.io : এই সাইটটি খুব সফলভাবে আমজন ডটকম, লোনলি প্লানেট এর মতো কোম্পানিদের ফ্রিল্যান্সার সরবরাহ করে। আপনি এখানে কাজ করতে চাইলে আগে গিথহাব এ আকাউন্ট থাকতে হবে।
* crew.co : এই সাইটটি ওয়েব ডিজাইনার এবং অ্যাপ ডেভেলপারদের ওপর ফোকাস করে।
* localsolo.com : লোকালসোলো সাইটটি হচ্ছে, বিজনেস এবং ফ্রিল্যান্সারদের যোগাযোগের জায়গা। এখানে আপনি বিনামূল্যে একজন ফ্রিল্যান্সার বা এমপ্লয়ার হিসেবে সাইনআপ করতে পারেন।
* crowdsite.com : আপনি যদি ভালো ডিজাইনার এবং ডেভেলপার হয়ে থাকেন এই সাইটে চেষ্টা করতে পারেন।
* onsite.io : ডিজাইনার, কপিরাইটার বা ফ্রিল্যান্স প্রোগ্রামাররা এখান থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য অনেক সুযোগ খুঁজে পাবেন।
* joomlancers.com : এই সাইটটি শুধু যারা জুমলা নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য। জুমলা প্রফেশনালদের জন্য এটি একটি দারুণ সাইট।
* simplyhired.com : এটিও একটি অসাধারণ সাইট। এই অনলাইন জব পোর্টাল থেকে আপনি সব ধরনের কাজ খুঁজে পাবেন।
* yunojuno.com : এটি আরো একটি অসাধারণ ফ্রিল্যান্সিং গিগের জব সাইট। এই সাইট ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে এমপ্লয়ারদের যোগাযোগ করিয়ে দেয়।
* theshelf.com : দ্য সেলফ এমন একটি সাইট, যেখানে ব্লগার এবং ফ্রিল্যান্স লেখক ফ্যাশন, লাইফস্টাইল, খাদ্য এবং ভ্রমণ সম্পর্কিত ব্র্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতা করে একসঙ্গে কাজ করে।
* bark.com/en/gb : এই মারকেটপ্লেসটি প্রায় সব ধরনের কাজের জন্য প্রযোজ্য। পেইন্টার, ফটোগ্রাফার থেকে পার্টি ক্যাটারার পর্যন্ত।
* airpair.com : এটি একটি কমিউনিটি সাইট, যেখানে ডেভেলপাররা একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। এটি ফ্রিল্যান্সিং সাইট নয়, তবে এখানে একটা ভালো নেটওয়ার্ক পাবেন, যেখান থেকে হয়তো আপনি জব পাবেন যা আপনার ক্যারিয়ার তৈরি করতে সাহায্য করবে।
* wayup.com : এটি ছাত্রদের জন্য একটি ভালো সাইট যারা পার্টটাইম জব খুঁজছেন। এখান থেকে একদিকে তারা নিজেদের কাজের অভিজ্ঞতা বাড়াতে পারবেন, অন্যদিকে কিছু টাকাও আয় করতে পারবেন।
* tractionco.com : আপনার যদি একটি জনপ্রিয় ব্লগ থাকে বা সামাজিক ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে এখানে সাইনআপ করতে পারবেন ট্রাকশনকোর একজন মার্কেটিং পার্টনার হিসেবে এবং আয় শুরু করতে পারবেন।

11/01/2018

নতুনরা Freelancing বিষয়ে জানলেও কিভাবে শুরু করবে বা কিভাবে কি করবে তা নিয়ে আসলে দ্বিধায় থাকে । তাই বিভিন্ন এক্সপার্টদেরকে বারবার জিগাইতে থাকে “ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে করব?” যার ফলে তারা বিরক্তবোধ করেন । তাই আজকে মোটামোটি একটা গাইডলাইন দেয়ার চেষ্টা করছি যাতে প্রসেসগুলো অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে । তো, সময় নষ্ট না করে আমরা মূল বিষয়তে চলে যাইঃ

Freelancing কি?
সহজ কথায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোন কাজ করাকে Freelancing বলে । আরো ভালভাবে খাইয়ে দিতে বলতে হয়, আমরা সাধারণত দেখতে পাই বিভিন্ন Computer এর দোকানে Graphics এর কাজ জানে এমন মানুষেরা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্টানে MS Office এর কাজ জানে এমন মানুষেরা কাজ করে । তারা একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে নির্দিষ্ট সময় মেনে দীর্ঘ সময় ধরে একই BOSS এর কাজ করে । একই কাজগুলো Online এ “Contract Basis Short time” করাকেই Freelancing বলা হয় । এই কাজগুলো সাধারণত short time হয় এবং worker এবং buyer এর মধ্যে যৌথ সম্মতিতে হয় ।

Freelancing এবং Outsourcing এর মধ্যে পার্থক্য কি?
এই বিষয়টি নিয়ে সবাই দন্দ্বে থাকে, কিন্তু খুবই সহজ ব্যপার

যে কাজটি করে দিচ্ছে তাকে বলা হয় Freelancer, অর্থাৎ সে Freelancing করছে ;
আর যিনি কাজটি করাচ্ছেন তিনি Outsourcing করছেন, যার মানে হল তিনি বাইরে থেকে কাজটি করিয়ে নিচ্ছেন ।
কিভাবে শুরু করব?
[ খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ]
আমি যে প্রশ্নগুলো বেশিরভাগ করা হয় সেগুলোর উত্তরাকারে বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করবঃ

১) আমার কি কি যোগ্যতা থাকা লাগবে?
যোগাযোগ ক্ষমতা (English Written)
ইন্টারনেট সম্পর্কে ভাল ধারণা
Google এবং Youtube ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বের করে আনার মত দক্ষতা
প্রথমত এই দক্ষতাগুলি থাকলেই আপনি Freelancing এর যোগ্য । এখানে কোনপ্রকার একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূল্যায়ন নেই, মূল্যায়ণ দক্ষতার ।
২) Freelancing এ কি কি কাজ করা যায়?
এক কথায় অনলাইনে যা যা করা সম্ভব তার সব Freelancing এ করা যায় । Computer এর মাধ্যমে যা যা করা possible তা সবই Freelancing করার মত । Data Entry থেকে শুরু করে 3D Animation এর কাজও করা যায় । তবে সবগুলো মনে রাখা সম্ভব না এবং বলাও বেসম্ভব ।

তবে বাংলাদেশে প্রায় যেগুলো করে তা হলঃ

1.SEO (Search Engine Optimization)

2.Marketing

3.Article Writing

4.Graphics Design

5.Web design and development

6.Apps development



ফ্রিল্যান্সিং কি? কিভাবে করব?
Facebook
Twitter
Google+
Blogger
ফ্রিল্যান্সিং ক্যাটাগরি (আপওউয়ার্কের একটি স্ক্রিনশট)

৩) ভাই, কোন কাজটা সহজ? কোন কাজটা করলে ভাল হবে এবং তারাতারি Earn করা যাবে?
এইসব প্রশ্ন করা বোকামী। যাকে এই প্রশ্নটা করবেন সে অবশ্যই নিজে যে কাজটা করে সে কাজটাকেই সহজ বলবে, কারণ সে কাজটা তার কাছে সহজ । কিন্তু, আপনার কাছে সে কাজটা সহজ বা ভাল নাও লাগতে পারে। আপনার কোন কাজে দক্ষতা বা ইন্টারেস্ট লাগবে সেটা অন্য কেউ বলে দিতে পারবেনা । সুতরাং, আগে সব কাজ সম্বন্ধে জানেন এবং নিজেই ঠিক করেন কোনটা নিয়ে কাজ করবেন ।

এজন্য আপনাকে Google এবং Youtube কে কাজে লাগাইতে হবে । এই দুই জায়গায় পাবেননা এমন কিছুই নাই । যদি search করেন “আমার জি-এফের হাত থেকে কিভাবে রক্ষা পাই?”, Google এবং Youtube এ অনেক তথ্য পাই যেতে পারেন ।

এভাবেই খুজেন “What is SEO/ What is Web Design”, হাজার উত্তর পেয়ে যাবেন ।

৪) কাজ কিভাবে শিখব?

কোনটা নিয়ে কাজ করবেন ঠিক করার পর এবার শিখার পালা।

শিখার জন্য আপনাকে কোন প্রশিক্ষকের কাছে যেতে হবে, তবে ভাল প্রশিক্ষক হতে হবে । বর্তমানে অহরহ প্রতিষ্টান গড়ে উঠেছে যেগুলো নামে শেখায় । যারা অনলাইনে ভাল কিছু করতে পারেনি তারাও এখন প্রশিক্ষক, কারণ কিভাবে ইনকাম করতে হয় সেটা শিখিয়ে ইনকাম করাটা অনেক সহজ।

সুতরাং ভাল শিখায় এবং ভাল সাপোর্ট দেয় এমন প্রতিষ্টানে যেতে হবে । কারণ, সফলতা অনেকাংশেই শিখানোর উপরে নিরভর করে । এমন প্রতিষ্টান হাতে গুণা কয়েকটা আছে।

৫) কোথায় কাজ করব?
কাজ শিখার পর এবার কাজ করার পালা । সাধারণত Freelancer রা যেখানে কাজ করে সেগুলো Marketplace হিসেবে পরিচিত । Market বলতে “sell and buy” বুঝায়, তেমনই Marketplace এ বায়াররা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিস্তারিত লিখে “job post” দেয় এবং Freelancer রা ঐ Job এ প্রপোজাল পাঠায় যাকে “Bid” বলা হয়। তারপর বায়ার ইন্টারভিউ নিয়ে যোগ্য ব্যাক্তিকে বাছাই করে নেয় এবং কাজ দেয় । কাজটা করে দেয়ার পর বায়ার পেমেন্ট করে দেয় ।কাজের লেন্থ কয়েক মিনিট থেকে কয়েকমাস বা দীর্ঘমেয়াদীর ক্ষত্রে কয়েকবছরের জন্যও হায়ার করতে পারে ।

Top freelancing marketplaces
Facebook
Twitter
Google+
Blogger
কিছু ভাল ভাল মার্কেটপ্লেইস

৬) টাকা কিভাবে তোলব?
কাজ করার পর $ আপনার Marketplace Account এ জমা থাকবে এবং সেগুলো তোলার কয়েকটা উপায় আছেঃ

PayPal
Payoneer
Bank wire
PayPal বাংলাদেশে সাপোর্ট করেনা, তাই এটার কথা বলে লাভ নেই। তবে এটি সবচাইতে বেশি জনপ্রিয়, কারণ এটি সব জায়গায় সাপোর্ট করে । যদিও অনেকে ব্যবহার করে, কিন্তু অনেক রিস্ক ।

আমরা Marketplace থেকে Payoneer এবং Payoneer থেকে Bank এ বা সরাসরি বুথ থেকে Payoneer Card এর মাধ্যমে টাকা তোলতে পারি ।

পুরো পোস্টটি একটি PowerPoint Slider আকারে রাখা আছে, চাইলে Download করে রাখতে পারেন ।



সর্বশেষে বলতে চাইঃ
উপরে বলেছিলাম সফলতা অনেকাংশে প্রশিক্ষকদের উপর নিরভর করে, এজন্য ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিতে না পারলে এবং সাহায্য না পেলে স্বপ্ন ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

https://www.youtube.com/watch?v=MNSWPNylJqQ
31/12/2017

https://www.youtube.com/watch?v=MNSWPNylJqQ

Hello guys! if you have inactive windows so follow my videos and try.this is Simple Process To Activate Windows 10 or all windows Free. Run the Activator and...

31/12/2017

Address

Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Outsourcing Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share