DG Sheba

DG Sheba Welcome to Digital world

‘দুধ দিয়ে কালসাপ পোষা’—এই বাংলা প্রবাদের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কাউকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে উপকার করে বা আদর-যত্নে...
14/12/2024

‘দুধ দিয়ে কালসাপ পোষা’—এই বাংলা প্রবাদের সঙ্গে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। কাউকে মনেপ্রাণে ভালোবেসে উপকার করে বা আদর-যত্নে বড় করে তোলার পর সেই ব্যক্তিই যখন আপনার ক্ষতি করে বসে, সে পরিস্থিতিকে ‘দুধ দিয়ে কালসাপ পোষা’ হিসেবে বলা হয়। আবার বাংলা সিনেমার নানা দৃশ্যে দেখা যায়, সাপ দুধের পেয়ালা থেকে দুধ পান করছে। গরুর খামারিরাও মাঝেমধ্যে দাবি করেন, সাপ এসে তাঁদের গরুর দুধ খেয়ে গেছে। কিন্তু আদতেই কি সাপ দুধ পান করতে পারে? বিজ্ঞান কী বলে?
তবে সেসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে জেনে নেওয়া যাক, সাপের দৈহিক বৈশিষ্ট্য ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে। পৃথিবীজুড়ে প্রায় চার হাজার প্রজাতির সাপ আছে। তবে এসব সাপের শতভাগই মাংসাশী। এর মানে, এরা কখনোই উদ্ভিদজাতীয় কিছু খায় না। আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা এমন প্রজাতির সাপ খুঁজে পাননি, যা অল্প পরিমাণে হলেও উদ্ভিদজাতীয় কিছু খায়। বরং সাপ খাবারের জন্য জীবন্ত প্রাণী বেছে নেয়; কখনো কখনো পাখি, মাছ এমনকি সাপসহ সরীসৃপ প্রজাতির ডিমও খেয়ে থাকে। সাপের খাদ্যতালিকায় আছে ইঁদুর ও ইঁদুরজাতীয় অন্যান্য প্রাণী, খরগোশ, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, বিভিন্ন অমেরুদণ্ডী প্রাণী যেমন কেঁচো, অন্যান্য প্রজাতির সাপ ইত্যাদি। তবে সাপ দুধ বা দুধজাতীয় খাবার খায়—এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
তা ছাড়া সাপের দৈহিক বৈশিষ্ট্যও দুধ বা দুধজাতীয় খাবার গ্রহণের ধারণা সমর্থন করে না। কারণ, দুধ হজমের জন্য প্রাণীর ক্ষুদ্রান্ত্রে ‘ল্যাকটজ’ নামের এনজাইম বা জারক রস থাকা আবশ্যক। ল্যাকটোজ বা দুধজাতীয় খাবারকে হজমে সাহায্য করে এই ল্যাকটেজ। কিন্তু সাপের পরিপাক প্রক্রিয়ার ল্যাকটেজের কোনো উপস্থিতি পাননি প্রাণিবিজ্ঞানীরা। ফলে কোনো প্রজাতির সাপেরই ল্যাকটোজ বা দুধ ও দুধজাতীয় খাবার গ্রহণের কোনো বাস্তবতা নেই।

মানুষের শরীরে থাকা DNA এত দীর্ঘ যে একে টেনে একটানা করলে এটি সূর্য থেকে প্লুটো পর্যন্ত পৌঁছে আবার ফিরে আসতে পারবে!একটি কো...
14/12/2024

মানুষের শরীরে থাকা DNA এত দীর্ঘ যে একে টেনে একটানা করলে এটি সূর্য থেকে প্লুটো পর্যন্ত পৌঁছে আবার ফিরে আসতে পারবে!
একটি কোষের DNA আনকোইল করলে তার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ ফুট। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে আনুমানিক ৩৭ ট্রিলিয়ন কোষ রয়েছে। সব কোষের DNA একত্র করলে তার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ বিলিয়ন মাইল হবে। তুলনা করতে গেলে, সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব মাত্র ৯৩ মিলিয়ন মাইল, আর প্লুটো পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন মাইল। এটি শুনলে সত্যিই মস্তিষ্ক চমকে উঠতে বাধ্য!

তুমি কি তা জানো..!!🐝 মৌমাছির দুটি পেট আছে,একটিতে তার খাবার এবং অন‍্যটিতে অমৃত সংরক্ষণ করে মধু বানানোর জন্য,যাকে 'বীক'ও ব...
14/12/2024

তুমি কি তা জানো..!!
🐝 মৌমাছির দুটি পেট আছে,একটিতে তার খাবার এবং অন‍্যটিতে অমৃত সংরক্ষণ করে মধু বানানোর জন্য,যাকে 'বীক'ও বলা হয়।

🐝 মৌমাছি গড়ে 40 দিন বাঁচে, কমপক্ষে 1000 ফুলে আহরোণ করতে পারে এবং তার জীবদ্দশায় এক চা চামচ মধু উৎপাদন করে। আমাদের কাছে এক চামচ মধু, কিন্তু তার কাছে তার সারাজীবনের গল্প।।

গুগল এতটাই শক্তিশালী যে, আমাদের কাছ থেকে অন্যান্য সার্চ সিস্টেমকেও "লুকিয়ে" রাখে। এমন কিছু সাইটের একটি তালিকা, পরে হয়তো...
05/10/2022

গুগল এতটাই শক্তিশালী যে, আমাদের কাছ থেকে অন্যান্য সার্চ সিস্টেমকেও "লুকিয়ে" রাখে। এমন কিছু সাইটের একটি তালিকা, পরে হয়তো কাজে দিবে-

www.refseek.com - ক্লাসিক্যাল রিসোর্স খুঁজছি। এক বিলিয়নেরও বেশি উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া, মনোগ্রাফি, ম্যাগাজিন।

www.worldcat.org - বিশ্বব্যাপী ২০,০০০ লাইব্রেরির বিষয়বস্তু অনুসন্ধান করা যায়।

https://link.springer.com - ১০ মিলিয়নেরও বেশি বৈজ্ঞানিক নথিতে প্রবেশ: বই, প্রবন্ধ, গবেষণা প্রোটোকল।

www.bioline.org.br একটি গ্রন্থাগার যা উন্নয়নশীল দেশে প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক জীববিজ্ঞান ম্যাগাজিন।

http://repec.org - ১০২টি দেশের স্বেচ্ছাসেবীরা অর্থনীতি ও সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের উপর প্রায় ৪ মিলিয়ন বিবৃতি সংগ্রহ করেছেন।

www.science.gov হল 2200+ বৈজ্ঞানিক সাইটে একটি আমেরিকান রাষ্ট্রীয় অনুসন্ধান মেশিন। ২০০ মিলিয়নেরও বেশি নিবন্ধ উদ্ধার করা হয়েছে।

পিডিএফ ফরম্যাটে বিনামূল্যে বই ডাউনলোড করার সবচেয়ে বড় ওয়েবসাইট হল www.pdfdrive.com (২২৫ মিলিয়নেরও বেশি নাম দাবি করছি)

www.base-search.net শাস্ত্রীয় কোর্সের উপর সবচেয়ে শক্তিশালী গবেষণাগুলোর একটি। ১০০ মিলিয়নেরও বেশি বৈজ্ঞানিক কাগজপত্র, তাদের ৭০% বিনামূল্যে।

More than 200 mio. scientfic documents from more than 8000 content providers. BASE is one of the world's most voluminous search engines for academic web resources.

12/05/2022
Facebook is Listening to you. JUST NOT YOU"I am just waiting for my leaves to get approved. Once it’s done, I am off to ...
29/03/2022

Facebook is Listening to you. JUST NOT YOU

"I am just waiting for my leaves to get approved. Once it’s done, I am off to Sajek!"

It took only 30 minutes for Facebook to show the "Travel to Sajek at the Lowest Cost!" advertisement on Nobin's Facebook feed after he bragged about it to me.
So, what happened? Is Facebook listening to him? Well, the answer is ‘Yes’ and ‘No’. It's complicated, to say the least, and there are 3 things that you need to know before you can draw your own conclusion.
And I promise to keep them short.
1: How we think
2: Algorithm & Look-alike
3: Legal issue

1: How we think: Nobin did not think about Sajek out of the blue. He might’ve never searched it elsewhere or texted about it, but I did. Me and my friends kept talking about it.
That's where he got the idea. None of our ideas is in a vacuum. Things happening around us, help form our thought.

2: Algorithm & Look-alike: What's a lookalike audience in a Facebook ad? This is basically what I tell Facebook , here are a bunch of people who bought from me, now show ads to people who look like them. How does Facebook know who look-alike them? Here are some things Facebook tracks to know that.
A. Everyone's location
B. Everyone's Posts
C. Everyone's Likes & Comments
D. Everything everyone posts as photos, videos, etc. (elements within those)
E. Everyone's online behavior on the internet or on any app while being connected to the world wide web.
F…G…H… the list goes on
Facebook knows Nobin, I and 20 others are friends (photos, posts, comment data, etc). Four out of whom hang out every day (geographical data). And out of whom, I & Nobin like & comment a lot on common interests and visit a lot of similar websites. This is what you can call as Facebook and other apps’ using behavior data. I have been searching about “Sajek tours cost” for the last 2 days. This is something that you might say to be user behavior data stored in other apps.
So Facebook makes a calculated prediction that if I like it, Nobin likes it.
*My prediction model is based on only 5 data points. Facebook has a couple of million data points.

3: Legal Issue: If Facebook listens to my microphone without my permission, there is a chance someday, some rogue employee might leak that information and will give the very hungry U.S. Congress which is dying to shut down Facebook, a reason to do so. And, if by some miracle Facebook escapes the legal fiasco, the App store & Play store will ban them from doing business.
Let's say Facebook found a legal loophole and managed everything from the Congress to App Store and Play Store, but then there will be thousands of apps listening to people and becoming very precise in ad targeting. For a giant like Facebook, which can target ads with precision without listening, that's just unwanted competition.

SO, LET'S ANSWER IT ONCE MORE.

Is Facebook listening to You?
NO.
They don't have to.
They already know what you’re thinking.

🤐
18/12/2021

🤐

Did you know?
18/12/2021

Did you know?

ক্রাউন্ডফান্ডিংয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ভাল। ক্রাউডফান্ডিং মডেল বুঝে উঠার কিংবা এর কেতাবী নামধাম সম্পর্কে জানার অনেক আগে থ...
09/04/2021

ক্রাউন্ডফান্ডিংয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ভাল। ক্রাউডফান্ডিং মডেল বুঝে উঠার কিংবা এর কেতাবী নামধাম সম্পর্কে জানার অনেক আগে থেকেই আমাদের দেশে প্রায় কাছাকাছি মডেলের বিনিয়োগ প্রথা চালু আছে। সমবায় সমিতিগুলো অনেকটা ক্রাউডফান্ডিংয়ের কাছাকাছি মডেল। তাছাড়া তরুন বয়সে চাঁদা তুলে নানান উদ্যোগ নেয়ার উদাহরণ আমাদের সংস্কৃতিতে অনেক আগে থেকেই আছে। যদিও সেগুলো ব্যবসায়িক কম, সামাজিক উদ্যোগই বেশি ছিল।

ডেস্টিনি জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উত্থান ও ফুলেফেঁপে উঠার বিষয়টাও ক্রাউডফান্ডিংয়ের সম্ভাবনার বিষয়টাকে সাপোর্ট করে। ডেস্টিনির বিজনেস মডেল, এথিক্যাল প্র্যাকটিস ভিন্ন হতে পারে। সেটা এখানে মূখ্য বিষয় নয়। মানুষের টাকা দেয়ার বা বিনিয়োগ করার প্রবণতার বিষয়টা বোঝাতেই উদাহরণটা দেয়া হলো।

এই জেনারেশনের বিনিয়োগকারীরা কিন্তু ক্রাউডফান্ডিংয়ের মডেলগুলো জানে, বোঝে। তারা ইন্টারন্যাশনালি বিভিন্ন উদ্যোগের গল্প পড়ছে, শুনছে। এখন বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে তারা অপাচ্যুনিটি ক্যালকুলেশন করতে পারছে। সঞ্চয়পত্র, বন্ড, মিচ্যুয়াল ফান্ডের মত বিনিয়োগের কিছু অপশন পাচ্ছে। এর বাইরে গিয়ে যারা চিন্তা করতে পারছে তারা হয়তো ক্রাউডফান্ডিংয়ে আগ্রহী। অনেকেই আছে যারা বিভিন্ন স্টার্টআপে বিনিয়োগ করতে চায় কিংবা নিজেই ছোট একটা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চায় কিন্তু পুঁজির সংকুলান না হওয়া কিংবা রেসপন্সিবিলিটি তাকে সাপোর্ট না করায় সেই পথে আর পা বাড়ানো হয় না। তারাই মূলত ক্রাউন্ডফান্ডিংয়ের জন্যে সঠিক উদ্যোগ, প্ল্যাটফর্ম খুঁজে থাকেন বলে আমরা ধারনা। তাছাড়া ব্যাংক এখন যে ইন্টারেস্ট দেয় তার থেকে ক্রাউডফান্ডিংয়ে বিনিয়োগ করে কিছু রিস্ক নেয়া ভাল।

যাইহোক, এই পোস্টের উদ্দেশ্য কয়েকটাঃ

১) বাংলাদেশে ক্রাউডফান্ডিংয়ে শুরু হওয়া কোন প্রজেক্ট সম্পর্কে এই পোস্টের পাঠকদের জানা থাকলে তা জানাবেন কাইন্ডলি।

২) সেই প্রজেক্টের বর্তমান অবস্থা কি?

৩) ক্রাউডফান্ডিং নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত অভিমত কি?

৪) ক্রাউডফান্ডিং করে শুরু করবে এমন কোন প্রজেক্টে আপনি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী কি না। যদি আগ্রহী হত তাহলে যুক্তি কি? আর না হলেই বা কারনগুলো কি?

৫) আমি যদি কোন প্রজেক্টের জন্যে ক্রাউডফান্ড আহবান করি! তো কারা কারা রিস্ক নিতে, সাথে থাকতে রাজী হবেন? ধরুন ৫-১০-২০ হাজার টাকার কন্ট্রিবিউশন এমাউন্ট হবে।

ক্রাউডফান্ডিং কি, জনপ্রিয় ক্রাউডফান্ডিং সাইটগুলো সম্পর্কে জানতে ভিজিট করতে পারেনঃ Kickstarter, Indiegogo, Causes, Patreon, GoFundMe, CircleUp, LendingClub - এই সাইটগুলো।

বিঃ দ্রঃ ৫ নং প্রশ্নটা একটা সার্ভে। ক্রাউডফান্ডিং নিয়ে এখনই কোন প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি বা শুরু করবো! এমন নয়। তবে খুব আগ্রহী লোকজন মিলে গেলে তখন হয়তো বিবেচনা করে দেখা যেতে পারে।

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DG Sheba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share