Media PR Communications

Media PR Communications Editor and Publisher , PR Communications , Event Activation , News Release in Electronic and Print Online News Portal

এই ছবিটি মহাকাশ থেকে তোলা সৌদি আরবের মক্কা নগরীর একটি অসাধারণ দৃশ্য এবং এটি সম্প্রতি নাসা (NASA)-এর মহাকাশচারী ডন পেটিট ...
06/12/2025

এই ছবিটি মহাকাশ থেকে তোলা সৌদি আরবের মক্কা নগরীর একটি অসাধারণ দৃশ্য এবং এটি সম্প্রতি নাসা (NASA)-এর মহাকাশচারী ডন পেটিট (Don Pettit) শেয়ার করার পর বেশ ভাইরাল হয়েছে।

​ছবিটি এবং এর সাথে সম্পর্কিত তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো:

​🌟 মহাকাশ থেকে মক্কার ছবি:
উজ্জ্বল আলোকবিন্দুতে কাবা শরীফ
​মহাকাশ থেকে সৌদি আরবের মক্কা নগরীর একটি শ্বাসরুদ্ধকর ছবি সম্প্রতি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মুগ্ধ করেছে। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) থেকে তোলা এই ছবিতে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান কাবা শরীফকে (Kaaba) একটি উজ্জ্বল আলোকবিন্দু হিসেবে দেখা যাচ্ছে, যা চারপাশের শহরকে ছাড়িয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

​🧑‍🚀 ছবিটির উৎস ও বিস্তারিত
​ফটোগ্রাফার: নাসা-এর মহাকাশচারী ডন পেটিট (Don Pettit)। তিনি তার চতুর্থ আইএসএস (ISS) মিশনের সময় এই ছবিটি তুলেছেন।
​স্থান: ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS) থেকে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার (প্রায় ২৫০ মাইল) উপরে অবস্থিত।

💡​ক্যাপশন: ছবিটি শেয়ার করে ডন পেটিট ক্যাপশনে লেখেন, "সৌদি আরবের মক্কার কক্ষপথের দৃশ্য। কেন্দ্রের উজ্জ্বল বিন্দুটি হলো কাবা, ইসলামের পবিত্রতম স্থান, যা মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান।"

🥽​ক্যামেরা: পেটিট আইএসএস-এর 'কিউপোলা' জানালা (একটি অবজারভেটরি মডিউল) থেকে একটি উচ্চ রেজোলিউশনের নিকন ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবিটি তোলেন।

​💡 কাবা কেন এত উজ্জ্বল?
​মহাকাশ থেকে রাতে তোলা ছবিতে পুরো মক্কা শহরই লক্ষ লক্ষ এলইডি এবং সোডিয়াম আলোর কারণে উজ্জ্বল দেখায় (যা আলো দূষণ বা Light Pollution নামে পরিচিত)। তবে কাবা শরীফ এবং তার সংলগ্ন মসজিদ আল-হারাম (Grand Mosque) এলাকাটি বিশেষভাবে উজ্জ্বল হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে:

​২৪/৭ ঘন্টা আলো: কাবা শরীফ এবং মসজিদ আল-হারাম সবসময় নামাজ ও হজ/ওমরাহ যাত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক উজ্জ্বল আলোতে আলোকিত রাখা হয়।

💡​আলোর প্রতিফলন: কাবা শরীফের কিশোয়াহ (কালো আচ্ছাদন) এবং এর চারপাশের চত্বর ও ভবনের ওপরের শক্তিশালী ফ্লাডলাইট এবং কৃত্রিম আলো মহাকাশের দিকে প্রতিফলিত হয়, যার ফলে এটি একটি উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা বা "ব্রাইট স্পট" হিসাবে দৃশ্যমান হয়।

​এই ছবিটি মহাকাশ থেকে একটি পবিত্র স্থানের দৃশ্যকে বৈজ্ঞানিক ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তুলে ধরেছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক এবং নান্দনিক উভয় ক্ষেত্রেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সূত্র - ইন্টারনেট
​ #মক্কা ​ #কাবা ​ #মহাকাশথেকেমক্কা ​
​ ​

04/12/2025
Good News
03/12/2025

Good News

এক নজরে দেখে নিন আয়করের নতুন নিয়ম
28/07/2025

এক নজরে দেখে নিন আয়করের নতুন নিয়ম

25/07/2025

এক সময়ের ক্ষমতার দম্ভ, এখনকার অবস্থা— এটি ইতিহাসের নিষ্ঠুর বাস্তবতার একটি প্রতিচ্ছবি। সময়ের সঙ্গে গর্ব ধূলায় মিশে যায়, রাজ্য থাকে না। “আফসোস, নশ্বর মানব ভুলে যায় যে তার জন্ম তুচ্ছ এক ফোঁটা তরল থেকে”
Just mind it.

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন ✍️  #বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেমন হবে, তা নির্ভর করছে আজকের শিক্...
24/07/2025

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন ✍️

#বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেমন হবে, তা নির্ভর করছে আজকের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর। শিক্ষা শুধু ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি একটি জাতির চারিত্রিক ভিত্তি, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও মানবিক উৎকর্ষতার মূল চালিকাশক্তি। অথচ আমাদের দেশে এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটি এখনো নানা সংকট, বৈষম্য ও অদূরদর্শিতার জালে আবদ্ধ।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় একদিকে যেমন কারিকুলামের ভারে জর্জরিত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা হাঁসফাঁস করছে, অন্যদিকে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের একটি বড় অংশ। শহর ও গ্রামের মধ্যে শিক্ষার বৈষম্য, প্রযুক্তিগত সুযোগের অপ্রতুলতা, শিক্ষক সংকট ও কোচিং নির্ভরতা — সব মিলিয়ে একটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ কাঠামো গড়ে উঠেছে। ফলস্বরূপ, শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে যাচ্ছে—জ্ঞান অর্জন নয়, বরং যে কোনো উপায়ে পরীক্ষায় পাস করাই হয়ে উঠছে মুখ্য।

বর্তমানে শিক্ষানীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা লক্ষ্য করা গেলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রয়েছে ঘাটতি। “প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ”-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে দক্ষ ও সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় একটি মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। পাঠ্যবইয়ের বাইরে গিয়ে সমস্যা-ভিত্তিক চিন্তাভাবনা, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রয়োজন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আধুনিক ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা। যেখানে প্রতিটি শিশু তার মেধা ও আগ্রহ অনুযায়ী বিকশিত হতে পারবে। যেখানে শিক্ষা হবে আনন্দময়, যুক্তিভিত্তিক এবং সমাজ ও পৃথিবীকে বুঝে গড়ার মতো করে নির্মিত। একই সঙ্গে শিক্ষকের মর্যাদা, প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নের দিকেও নজর দিতে হবে।

শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং একে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে দেখতে হবে। জাতীয় বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমরা যেমন শিক্ষাব্যবস্থা আজ নির্মাণ করব, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ তেমনই হবে। যদি আমরা এখনই উদ্যোগ না নেই, তবে একটি অযোগ্য, ভীত ও অনুপ্রাণিতহীন হতাশাগ্রস্ত প্রজন্ম গড়ে উঠবে — যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

শিক্ষা হোক স্বাধীন চিন্তার চর্চাক্ষেত্র, হোক নৈতিকতা ও প্রযুক্তির সহাবস্থানে এক আধুনিক সভ্য জাতি গঠনের প্রধান হাতিয়ার। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন গর্ব করে বলতে পারে—তাদের শিকড় গাঁথা এক সুদৃঢ় শিক্ষাব্যবস্থায়। এটাই প্রত্যাশা ও কাম্য।

📝
ইকবাল আহমেদ সোহাগ
সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন বিডি

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR)ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৫:বাং...
18/07/2025

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (OHCHR)

ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৫:
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (Office of the High Commissioner for Human Rights - OHCHR)। জেনেভার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় সহায়তার লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এবং বাংলাদেশ সরকার চলতি সপ্তাহে একটি মিশন খোলার জন্য তিন বছরের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

মানবাধিকার রক্ষায় এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের এই অফিসটি মূলত বাংলাদেশের মানবাধিকার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, নীতিমালা এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকার পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়াও, সরকার, সিভিল সোসাইটি, মানবাধিকার রক্ষাকারী সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

বাংলাদেশ সরকার OHCHR-এর উপস্থিতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, "বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং এই অফিসের কার্যক্রম দেশের নীতি ও প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করবে।"

তবে কিছু মহল থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, এই অফিস যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত না হয় এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

OHCHR কীভাবে কাজ করবে?

OHCHR মূলত নিচের দিকগুলোতে কাজ করবে:

মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ।

রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মানবাধিকার সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম।

ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীগুলোর অধিকার রক্ষায় তথ্য ও সহযোগিতা প্রদান।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সঙ্গে সংযোগ রক্ষা।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা:

বিশেষজ্ঞদের মতে, OHCHR-এর বাংলাদেশে উপস্থিতি মানবাধিকার সংক্রান্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইন প্রয়োগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে সহায়ক হবে।

তবে, সফলতা নির্ভর করবে এই কার্যালয়টি কতটা স্বাধীনভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে পারে, এবং সরকার ও অন্যান্য অংশীদাররা সেই কাজকে কতটা সহযোগিতা করে তার ওপর।

বাংলাদেশে OHCHR-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

ক্রেডিট কার্ডের ভয়ংকর ফাঁদআজকের ডিজিটাল যুগে আমরা অনেকে "প্লাস্টিক মানি" তথা ক্রেডিট কার্ডের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। আকর্...
18/07/2025

ক্রেডিট কার্ডের ভয়ংকর ফাঁদ

আজকের ডিজিটাল যুগে আমরা অনেকে "প্লাস্টিক মানি" তথা ক্রেডিট কার্ডের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। আকর্ষণীয় অফার, ডিসকাউন্ট, ক্যাশব্যাক ও ইমার্জেন্সি প্রয়োজনে এই কার্ডটি যেন এক উপকারি বন্ধু। কিন্তু এই বন্ধুই যদি অবহেলায় ব্যবহার করা হয়, তখন সেটি রূপ নিতে পারে এক ভয়ংকর ফাঁদে।

🔻 উচ্চ সুদের হার – নীরব খরচবৃদ্ধি

ক্রেডিট কার্ডের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকটি হলো এর উচ্চ সুদের হার। মাসে ২% থেকে ৩.৫% পর্যন্ত সুদ ধরা হয়, যা বছরে গিয়ে দাঁড়ায় ৩০%-৪০% এর বেশি। সময়মতো পুরো টাকা পরিশোধ না করলে এই সুদ ঋণকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে তোলে।

🔻 “ন্যূনতম পরিশোধ” – ধোঁকাবাজির নাম

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের ন্যূনতম পরিশোধের সুবিধা দেয়। কিন্তু আপনি যদি শুধু ন্যূনতম পরিশোধ করেন, তাহলে মূল দেনা থেকেই যায় এবং তার ওপর প্রতিমাসে আবার সুদ বসে। ফলাফল — দেনা কখনোই শেষ হয় না।

🔻 বাড়তি খরচের প্রবণতা

ক্রেডিট কার্ড হাতে থাকলে খরচ করার সময় "পকেট খালি হচ্ছে না" এমন এক মানসিক স্বস্তি কাজ করে। কিন্তু এই মনস্তত্ত্বই মানুষকে অপ্রয়োজনীয় এবং ইমপালসিভ খরচে প্ররোচিত করে। এই অভ্যাসে অনেকেই মাস শেষে দেনার চাপে পড়ে যান।

🔻 লেট ফি ও জরিমানার বোঝা

সময়মতো বিল না দিলে শুধু সুদই নয়, বাড়তি লেট ফি, পেনাল্টি, ওভারলিমিট ফি ইত্যাদি আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্রমেই গ্রাহক একটি দুষ্টচক্রে বন্দী হয়ে পড়েন।

🔻 ক্রেডিট স্কোরের পতন

যদি আপনি নিয়মিত বিল মিস করেন বা কার্ডের পুরো লিমিট প্রায়ই ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার ক্রেডিট স্কোর নিচে নেমে যাবে। এটি ভবিষ্যতে লোন, হোম ফাইন্যান্স, এমনকি ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা হতে পারে।

🔻 মানসিক চাপ ও পারিবারিক সংকট

অতিরিক্ত দেনা শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, মানসিক চাপেরও কারণ। এটি ধীরে ধীরে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে এবং পরিবারেও অশান্তির সৃষ্টি করে।

✅ করণীয় – ফাঁদ এড়িয়ে সঠিক ব্যবহার

সময়মতো পুরো বিল পরিশোধ করুন।

ন্যূনতম পরিশোধে সন্তুষ্ট হবেন না।

আপনার ক্রেডিট লিমিটের ৩০% এর বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।

অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা বন্ধ করুন।

অফার ও চার্জ সম্পর্কে আগেই ভালোভাবে জেনে নিন।

ডেবিট কার্ড বা নগদ ব্যবহারকে প্রাধান্য দিন।

✍️ উপসংহার

ক্রেডিট কার্ড এক অপরিহার্য আর্থিক যন্ত্র। কিন্তু এটি যেন আপনার আর্থিক স্বাধীনতাকে খেয়ে না ফেলে। যথাযথ সচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই "প্লাস্টিকের ফাঁদ" থেকে নিজেকে মুক্ত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ইকবাল আহমেদ সোহাগ
সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন বিডি

গোপালগঞ্জের রণক্ষেত্র: রাজনীতির কোন বাঁকে বাংলাদেশ? ✍১৬ জুলাই, ২০২৫—বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরও একটি রক্তাক্ত দিন। গ...
17/07/2025

গোপালগঞ্জের রণক্ষেত্র: রাজনীতির কোন বাঁকে বাংলাদেশ? ✍

১৬ জুলাই, ২০২৫—বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরও একটি রক্তাক্ত দিন। গোপালগঞ্জ, যেটি শুধু একটি জেলা নয়, বরং বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমি এবং আওয়ামী লীগের প্রতীকী ঘাঁটি—সেখানেই এবার গর্জে উঠল সহিংসতার আগুন। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন ইন্টেরিম সরকারের আমলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আয়োজিত 'গোপালগঞ্জ জনসভা' ঠেকাতে মাঠে নামে ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মীরা। ফলাফল: সংঘর্ষ, প্রাণহানি, কারফিউ—এবং সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার।

গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকবে, তর্ক থাকবে—কিন্তু অস্ত্র কেন থাকবে? কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা রাজপথের তরুণদের হাতে আগুন? এই প্রশ্ন শুধু আমাদের নয়, গোটা জাতির প্রতিটি নাগরিকের প্রতিদিনের বিবেচনার দাবিদার।

নির্বাচনের বছরে প্রবেশের মুখে এই সহিংসতা নানামুখী ইঙ্গিত দেয়। প্রথমত, রাজনৈতিক বিভাজন এখন এতটাই তীব্র যে ঐতিহাসিক গোপালগঞ্জেও বিরোধীদলের প্রবেশ অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যেহেতু সরকার ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে নির্বাচন করতে চায়, তাই এই ধরণের সহিংসতা নির্বাচন প্রস্তুতির স্বচ্ছতা ও শান্তিচ্ছন্ন পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করছে ।

প্রশ্ন জাগে: এভাবে কি আমরা সামনে এগোতে পারি?

আজ যখন তরুণদের হাতের ব্যানারে “নতুন বাংলাদেশ”-এর স্বপ্ন দেখা যায়, তখন এই সহিংস রাজনীতি তাদের হতাশ করে। একপক্ষের দখলদারিত্বের মানসিকতা, আরেকপক্ষের উগ্র উত্তেজনা—দুই-ই গণতন্ত্রের জন্য বিষফোঁড়া।

গোপালগঞ্জের এই ঘটনা এখন একটি পরীক্ষার ক্ষেত্র। কেবল সরকারের নয়—সমগ্র রাজনৈতিক সমাজের।
এই পরীক্ষা কি আমরা পার করব? নাকি সামনে অপেক্ষা করছে আরও বিভক্তি, আরও রক্তপাত?

গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে আমাদের আগে শিখতে হবে একে অপরের অস্তিত্ব মেনে নিতে। গোপালগঞ্জের রক্তাক্ত রাজপথ যেন একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা। এর পরেও যদি আমরা চোখ না খুলি, তাহলে আগামী নির্বাচন নয়—গণতন্ত্রই অনিশ্চয়তায় পড়বে।

গোপালগঞ্জে ঘটে যাওয়া ‘রাজনৈতিক রণক্ষেত্র’ জাতীয় রাজনীতিতে একটি প্রত্যক্ষ কাঁপুনি সৃষ্টি করল। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ভোটপর্বের প্রস্তুতি-উভয় ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

📝
ইকবাল আহমেদ সোহাগ
সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন বিডি

বাংলাদেশের রাজনীতি যখন পেশা ✍️  #বাংলাদেশে এক সময় রাজনীতি ছিল ত্যাগের প্রতীক, আজ তা হয়ে উঠেছে জীবিকার মাধ্যম। বাংলাদেশের...
16/07/2025

বাংলাদেশের রাজনীতি যখন পেশা ✍️

#বাংলাদেশে এক সময় রাজনীতি ছিল ত্যাগের প্রতীক, আজ তা হয়ে উঠেছে জীবিকার মাধ্যম। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বলছে—রাজনীতি এখন অনেকের জন্য একটি “ফুল-টাইম ক্যারিয়ার”, এমনকি “পারিবারিক ব্যবসা”। একসময় রাজনীতি ছিল আদর্শনিষ্ঠ ও ত্যাগের মাধ্যম। দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জনগণের কল্যাণের চিন্তা থেকে অনেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হতেন। তবে সময়ের পরিবর্তনে এই চিত্র পাল্টেছে। বর্তমানে রাজনীতি অনেকের জন্য একটি আর্থিক নিরাপত্তা, ক্ষমতা ও সামাজিক প্রভাবের সরঞ্জামে পরিণত হয়েছে।

প্রশ্ন হলো, এই ধারা গণতন্ত্রকে কতটা শক্তিশালী করছে? আর কতটা ক্ষতিগ্রস্ত?

রাজনীতিবিদরা যখন একাধিক মেয়াদে এমপি বা চেয়ারম্যান হন, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পান, বড় বড় ব্যবসায় জড়িত হন, তখন তারা আর নিছক জনপ্রতিনিধি থাকেন না—তারা হয়ে ওঠেন ক্ষমতাধর এলিট শ্রেণির প্রতিনিধি। এতে সমস্যা হয় তখন, যখন জনসেবা নয়, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায় নিজের ক্ষমতা ও সম্পদ রক্ষা।

আজ আমরা দেখি, একজন নেতা রাজনীতি শুরু করেন ছাত্র অবস্থায়, এরপর বাকি জীবন কাটিয়ে দেন দলীয় পদ-পদবি ধরে রাখার লড়াইয়ে। ব্যবসা নেই, চাকরি নেই, অথচ বাড়ি-গাড়ির অভাব নেই। তাহলে এই টাকার উৎস কোথায়? এই প্রশ্ন উঠলেই আমাদের চোখ ফিরিয়ে নিতে হয়। কারণ, প্রশ্ন করাও এখন রাজনৈতিক!

সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো—এই 'রাজনীতিকরণ' এখন পরিবারতন্ত্রে রূপ নিচ্ছে। বাবার পর ছেলে, তারপর জামাই—এক এক করে রাজনীতি দখল করছে পরিবার। আদর্শ নয়, রক্তসূত্রই হয়ে উঠছে যোগ্যতার মানদণ্ড।

তবে আশার আলোও আছে। এখনো কিছু তরুণ, কিছু চিন্তাশীল নেতা আছেন যারা রাজনীতিকে নীতির জায়গায় রাখতে চান। প্রয়োজন সুশিক্ষিত, সচেতন নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ—যারা রাজনীতিকে ব্যবসা নয়, জনসেবার মঞ্চে পরিণত করতে পারবেন।

রাজনীতি যদি পেশা হয়, তবে তা হওয়া উচিত “জনসেবার পেশা”—যেখানে ক্ষমতা মানে দায়িত্ব, আর পদ মানে জবাবদিহি। তা না হলে, রাজনীতি হয়ে উঠবে এমন এক প্রতিযোগিতা, যেখানে জনগণ থাকবেন শুধু দর্শক আর ব্যবহৃত হবে শুধু ভোটের সময়।

বাংলাদেশের রাজনীতিকে পেশাদারিত্বের বাইরে এনে আবারও জনসেবামূলক ও আদর্শিক ভিত্তিতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজন।

রাজনৈতিক শিক্ষার বিস্তার ও আদর্শিক চর্চা। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নিশ্চিত করা। রাজনীতিবিদদের সম্পদ বিবরণ ও কার্যকলাপের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। তরুণ ও সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতিকে আরও অংশগ্রহণমূলক করা।

রাজনীতি যদি সত্যিকার অর্থে একটি পেশা হয়ে ওঠে, তাহলে তা হতে হবে একটি “জনসেবামূলক পেশা”, যেখানে নেতৃত্ব মানে হবে দায়িত্ব, এবং ক্ষমতা মানে হবে জনগণের আস্থা। না হলে রাজনীতি পরিণত হবে শুধুই ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষার যন্ত্রে—যার শেষ পরিণতি হয়তো গণতন্ত্রের ক্ষতি ও রাষ্ট্রীয় অবক্ষয়।

📝
ইকবাল আহমেদ সোহাগ
সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন বিডি

আজ পবিত্র হজ। আরাফাতের ময়দানে থাকার দিন। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত ম...
04/06/2025

আজ পবিত্র হজ। আরাফাতের ময়দানে থাকার দিন। সেলাইবিহীন শুভ্র কাপড়ে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সারা বিশ্ব থেকে সমবেত মুসলিমরা আজ সেখানে থাকবেন।

‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।’ অর্থাৎ ‘আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার’-

এ ধ্বনিতে আজ মুখর থাকবে আরাফাতের ময়দান। মিনায় মুসল্লিদের জড়ো হওয়ার মধ্য দিয়ে পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

Address

House : 85 Road : 1 Gulshan 1, Niketon
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01712806023

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Media PR Communications posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Media PR Communications:

Share

MEDIA.PR communications

Online News Portal