Trust Valley It

Trust Valley It "Your success, Our strategy"
We’re a digital marketing agency helping brands grow on social media.

We build digital marketing strategies for growth-stage and market-leading companies around the world, that help you reach your marketing goals .

👉🏻🛑What is a dual currency card, why is it needed, and how to collect this dual currency card ⁉️🅰️ Dual currency card is...
14/07/2024

👉🏻🛑What is a dual currency card, why is it needed, and how to collect this dual currency card ⁉️

🅰️ Dual currency card is a card that allows you to use two different currencies on the same card.
Dual currency cards may be needed for various reasons, especially for those in digital marketing. If you or your client has a page and it is a business page, then advertising is required to promote the product. Dual currency cards are used to pay for this ad on Facebook.
✅The first condition you need to fulfill to get a dual currency card is,
➡️That is you must have a passport.
Otherwise, no bank in Bangladesh will issue the dual currency card you applied for.
If there is a passport, the applicant will get the dual currency card within 1 to 15 days of applying.
🛑What does it take to get a dual currency card?
✅ To get dual currency wood, you have to fulfill the conditions of the bank
⬇️Following are the Dual Currency Card terms and conditions:
➡️Must have an account with a bank that offers dual currency cards.
For example: Sonali Bank, Islami Bank, City Bank, Eastern Bank.
➡️ You must have a valid passport and the passport must have sufficient validity.
➡️. Apply for a dual currency card. KYC form to be filled.
➡️. 2 copies of passport-size color photographs must be recent photographs. The back of the photograph must be signed.
➡️ A copy or copies of the National Identity Card must be provided.
➡️ A statement of current income (payslip of the place of employment or photocopy of your FDR/Savings card if you have it)
👉🏻Which banks provide dual currency cards in Bangladesh?
🅰️ Currently many banks in Bangladesh are providing dual currency card services. Some of the popular banks are listed below:
Islamic Bank
Sonali Bank
City Bank
AB Bank
Eastern Bank
Bank Asia
Dutch Bangla Bank

Jazakillahu Khairan💕


ফেসবুক বুস্টিং এবং এড ক্যাম্পেইন-এর মধ্যে কোনটিতে অধিক সুবিধা রয়েছে? আর সেগুলো কী কী হতে পারে?সাধারণত নির্দিষ্ট কোন পোষ্...
09/07/2024

ফেসবুক বুস্টিং এবং এড ক্যাম্পেইন-এর মধ্যে কোনটিতে অধিক সুবিধা রয়েছে? আর সেগুলো কী কী হতে পারে?
সাধারণত নির্দিষ্ট কোন পোষ্ট কে কেন্দ্র করে বুস্ট করা হয় , আর বুস্ট করার মাধ্যমে সেই নির্দিষ্ট পোষ্ট থেকেই আপনি লাভবান হবেন। আর এড ক্যাম্পেইন করার মাধ্যমে আপনি আবশ্যই বুস্ট এর থেকে অধিক লাভবান হবেন । আপনি যদি আপনার পেজে এডরান করার তাহলে আপনি সব দিক থেকেই লাভবান হবেন। যেমন ঃ আপনার পেজের ফলোয়ার বাড়া থেকে শুরু করে প্রোডাক্ট সেল , আঙ্গেইজমেন্ট, ওয়েব সাইট থাকলে অধিক পরিমানে ওয়েব সাইট ভিজিট ইত্যাদি।

এডর্ভাটাইজিং/ মার্কেটিং সম্পর্কে যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কি? ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কিভাবে কোরবেন ? ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কি?ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে যখন আপনি ...
12/02/2024

ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কি? ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কিভাবে কোরবেন ?

ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কি?

ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে যখন আপনি ঘরে বসেই হাজার লক্ষ মানুষের কাছে আপনার ব্যবসায় বা পণ্যের প্রচার করতে পারবেন তখন সেটাই হবে ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং।আরো বলা যায়, যখন আমরা ইনস্টাগ্রামের একাউন্ট বা প্রোফাইল ব্যবহার করে ফটো, ভিডিও বা স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে কোনো পণ্য বা ব্যবসার প্রচার করে থাকি তখন সেই প্রক্রিয়াটি হবে ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং।
আপনি যেকোনো ব্যবসায় বা পণ্যের প্রচার করতে পারেন আপনার ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে।

আপনি ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কিভাবে কোরবেন?ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং করার বিভিন্ন প্রক্রিয়া রয়েছে। আপনি যখন একটি বিজনেস ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট তৈরী করবেন তখন অবশ্যই কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

যেমনঃ সর্বপ্রথম আপনাকে আপনার প্রডাক্ট বা সার্ভিস অনুযায়ী একটি নাম বাছাই করে নিতে হবে এবং অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে নামটি যেন আপনার কম্পিটিটরদের সাথে মিলে না যায়। ইউনিক এবং ছোট একটি ইউজার নেম দিতে হবে। এরকম আরো অনেক প্রসেস মেনে আপনাকে সামনের দিকে আগাতে হবে।
তাছাড়া Instagram Ad এর মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন advertisement চালু করতে পারবেন।

যেমনঃ
Photo ads

Video ads

Stories ads

Carousel ads

Collection ads

Ads to explore etc.

এগুলোর মাধ্যমে আপনি Instagram কে কিছু টাকা দিয়ে আপনি ইনস্টাগ্রাম পেইড প্রমোশন করে নিতে পারবেন।আমরা সব ধরনের সোসাল মিডিয়া সার্ভিস দিয়ে থাকি। আপনি শুধু পরিকল্পনা কোরবেন যে আপনার বিজনেসটাকে কোথায় দেখতে চান।আপনার পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে যত ধরনের সাহায্যের প্রয়জন সব ধরনের সাহায্য পাবেন আমাদের টিম মেম্বারদের কাছ থেকে Trust Valley IT র পক্ষ থেকে আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে।

বিস্তারিত জানতে এস এম এস বা কল কল করুন এখনি -
WhatsApp: 01785379023




.

কি ভাবে বিজনেসটিকে ডিজিটালাইজ করা যায়??আপনার একটি বিজনেস রয়েছে, আর আপনি ভাবছেন কি ভাবে বিজনেসটিকে ডিজিটালাইজ করা যায়। আর...
12/02/2024

কি ভাবে বিজনেসটিকে ডিজিটালাইজ করা যায়??

আপনার একটি বিজনেস রয়েছে, আর আপনি ভাবছেন কি ভাবে বিজনেসটিকে ডিজিটালাইজ করা যায়। আর এই জন্য আপনি আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

তারা আপনাকে পরামর্শ দিলো ফেসবুকে একটি পেজ খুলতে এবং একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে, আর আপনি তাই করলেন এবং মনে মনে ভাবছেন আপনার ব্যবসাটি ডিজিটালাইজ হয়ে গেল। আসলে কি তাই?

আপনার একটি বিজনেস রয়েছে যা এতোদিন আপনি একটি অফিস অথবা একটি শপ নিয়ে এই বিজনেসটি পরিচালণা করছেন। এখন আপনি ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট তৈরি করে আশা করছেন আপনার বিজনেসটি গ্রো করবে এবং আপনি অনেক বেশী রেভেনিউ গেনারেট করবেন।

আপনি দুই একমাস পর দেখলেন আপনার ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট থেকে খুব একটা সাড়া পাচ্ছেন না অথবা যা পাচ্ছেন তা থেকে আপনার খরচও কাভার করতেছেনা। তাহলে আপনি বুঝবেন আপনার ব্যবসাটি সঠিক ভাবে ডিজিটালাইজ করা হয়নি।

এখন কথা হচ্ছে কিভাবে আপনি আপনার ব্যবসাটিকে সঠিক ভাবে ডিজিটালাইজ করবেন?

আপনি Digital Strategic Plan তৈরি করে এবং তা সঠিক ভাবে এক্সিকিউট করে আপনার ব্যবসাকে ডিজিটালাইজ করে নিতে পারবেন।

এখন আমি আপনাদের সাথে ৪ টি স্টেপ্স শেয়ার করবো যা ফলো করে আপনারা আপনাদের বিজনেসকে ডিজিটালাইজ করে নিতে পারবেন।

Step No. 1: Making Customer Profile
আপনি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করছেন তা কারা ব্যবহার করে তা আপনাকে ভালো ভাবে জানতে হবে। এবং তাদের একটি প্রোফাইল তৈরি করে নিতে হবে। যা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন ডিজিটাল মিডিয়া গুলোতে টার্গেট করে মার্কেটিং করতে সাহায্য করবে। এতে আপনি কম খরছে আপনার পটেনশিয়াল কাস্টমারে কাছে পোঁছে যেতে পারবেন।

Step No. 2: Making a sales driven website
অবশ্যই আপনাকে একটি সেলস অপ্টিমাইজড ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। যেখানে আপনার কাস্টোমার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর হিসেবে ডুকে কাস্টামা হিসেবে বাহির হতে পারবে। সেলস অপ্টিমাইজ সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত একটি ভিডিও রয়েছে যা আমি ডেসক্রিপশনে দিয়ে দিলাম দেখে নেবেন।

Step No. 3: Making your Marketing and Branding Strategies
আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস মার্কেটিং এর জন্য অবশ্যই আপনাকে Marketing and Branding Strategies ঠিক করে নিতে হবে।

আপনার কাস্টোমার প্রোফাইল মাথায় রেখে আপনাকে ব্রান্ডিং গাইডলাইন তৈরি করে নিতে হবে। মার্কেটিং জন্য আপনি যেসব ক্যাম্পেইন করবেন, সেখানে কাস্টোমার দের জন্য কিধরনের ম্যাসেজ থাকবে, বিভিন্ন ধরণের যেসকল কনটেন্ট ক্রিয়েট করবেন তার কালার ফন্ট ইত্যাদি কেমন হবে তা ঠিক করে নিতে হবে।
আপনার একটি বিজনেস রয়েছে, আর আপনি ভাবছেন কি ভাবে বিজনেসটিকে ডিজিটালাইজ করা যায়। আর এই জন্য আপনি আপনার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

তারা আপনাকে পরামর্শ দিলো ফেসবুকে একটি পেজ খুলতে এবং একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে, আর আপনি তাই করলেন এবং মনে মনে ভাবছেন আপনার ব্যবসাটি ডিজিটালাইজ হয়ে গেল। আসলে কি তাই?

আপনার একটি বিজনেস রয়েছে যা এতোদিন আপনি একটি অফিস অথবা একটি শপ নিয়ে এই বিজনেসটি পরিচালণা করছেন। এখন আপনি ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট তৈরি করে আশা করছেন আপনার বিজনেসটি গ্রো করবে এবং আপনি অনেক বেশী রেভেনিউ গেনারেট করবেন।

আপনি দুই একমাস পর দেখলেন আপনার ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট থেকে খুব একটা সাড়া পাচ্ছেন না অথবা যা পাচ্ছেন তা থেকে আপনার খরচও কাভার করতেছেনা। তাহলে আপনি বুঝবেন আপনার ব্যবসাটি সঠিক ভাবে ডিজিটালাইজ করা হয়নি।

এখন কথা হচ্ছে কিভাবে আপনি আপনার ব্যবসাটিকে সঠিক ভাবে ডিজিটালাইজ করবেন?

আপনি Digital Strategic Plan তৈরি করে এবং তা সঠিক ভাবে এক্সিকিউট করে আপনার ব্যবসাকে ডিজিটালাইজ করে নিতে পারবেন।

এখন আমি আপনাদের সাথে ৪ টি স্টেপ্স শেয়ার করবো যা ফলো করে আপনারা আপনাদের বিজনেসকে ডিজিটালাইজ করে নিতে পারবেন।

Step No. 1: Making Customer Profile
আপনি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করছেন তা কারা ব্যবহার করে তা আপনাকে ভালো ভাবে জানতে হবে। এবং তাদের একটি প্রোফাইল তৈরি করে নিতে হবে। যা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন ডিজিটাল মিডিয়া গুলোতে টার্গেট করে মার্কেটিং করতে সাহায্য করবে। এতে আপনি কম খরছে আপনার পটেনশিয়াল কাস্টমারে কাছে পোঁছে যেতে পারবেন।

Step No. 2: Making a sales driven website
অবশ্যই আপনাকে একটি সেলস অপ্টিমাইজড ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। যেখানে আপনার কাস্টোমার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর হিসেবে ডুকে কাস্টামা হিসেবে বাহির হতে পারবে। সেলস অপ্টিমাইজ সম্পর্কে আমাদের বিস্তারিত একটি ভিডিও রয়েছে যা আমি ডেসক্রিপশনে দিয়ে দিলাম দেখে নেবেন।

Step No. 3: Making your Marketing and Branding Strategies
আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস মার্কেটিং এর জন্য অবশ্যই আপনাকে Marketing and Branding Strategies ঠিক করে নিতে হবে।

আপনার কাস্টোমার প্রোফাইল মাথায় রেখে আপনাকে ব্রান্ডিং গাইডলাইন তৈরি করে নিতে হবে। মার্কেটিং জন্য আপনি যেসব ক্যাম্পেইন করবেন, সেখানে কাস্টোমার দের জন্য কিধরনের ম্যাসেজ থাকবে, বিভিন্ন ধরণের যেসকল কনটেন্ট ক্রিয়েট করবেন তার কালার ফন্ট ইত্যাদি কেমন হবে তা ঠিক করে নিতে হবে।



(Search Engine Optimization)












(Pay Per Click)


11/02/2024

আপনি কি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ব্যবসা করতে চান। কিন্তু কি ভাবে শুরু করবেন বুজতে পারছেন না অথবা আপনার ব্যবসাইয় কি দিন দিন বিক্রয় কমে যাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই বিক্রয় বৃদ্ধি করতে পারছেন না।
এসব সমস্যা কেন হয় তা হয়তো আপনি জানেন না। মনে রাখবেন, সেল শুধু প্রোডাক্ট থেকে আসেনা পেইজ দেখেও আসে। এসব সমস্যা কেনো হয় আমরা আপনাকে বলে দিচ্ছি, কারন আপনার ফেসবুক পেজটি প্রপার ভাবে সেট আপ করা নেই।আপনাদের এসব সমস্যা মোকাবেলায় Trust valley IT রয়েছে আপনার পাশে।
Trust valley IT সব সময় ট্রাই করে কাস্টমারদের কে বেষ্টটি দেয়ার জন্য। তবে আমাদের কাজ এর পাশাপাশী দরকার আপনার বেশি বেশি পেজ এ এক্টিভিটি , রেগুলার লাইভ ও মিনিমাম সময় নিয়ে কাজ এর প্ল্যান। ফেসবুক মার্কেটিং এ ভাল রেজাল্ট এর জন্য এখন দরকার দীর্ঘ মেয়াদি প্রফেশনাল মার্কেটিং প্ল্যান।
আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর জন্য আজই আমাদের কাছ থেকে করে নিন প্রফেশনাল পেজ সেটআপ।
ফেসবুক প্ল্যাটফর্মে আপনার বিজনেস কে দাঁড় করানোর জন্য সঠিকভাবে একটি ফেসবুক বিজনেস পেইজ সেটআপ করে সাজিয়ে গুছিয়ে দেয়ার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে। আপনার বিজনেস অথবা পার্সোনাল পেইজকে সম্পূর্ণরূপে প্রোফেশনাল ভাবে সেটআপ করতে চাইলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
বিস্তারিত জানতে এস-এম-এস বা কল করুন।

Whats-app: 01785-279023
আমাদের ফেইসবুক পেইজ সেটআপ সার্ভিসে আপনি যা যা পাচ্ছেনঃ
লোগো
কভার ফটো
পেইজ ক্যাটাগরি সেটআপ
URL কাস্টমাইজেশন
ব্যবসায়ের বিবরণ
About সেকশনের সকল তথ্য পূরণ
Address সেটআপ এন্ড ইন্টিগ্রেশন
মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল আইডি সেটআপ
সোস্যাল মিডিয়া লিংক সেটআপ (যেমন- Instagram, YouTube )
ওয়েবসাইট লিংক সেটআপ
Call to Action বাটন
অটোমেটিক মেসেজ সেটআপ
SEO (Search Engine Optimization)
বিস্তারিত জানতে এস-এম-এস বা কল করুন।

Whats-app: 01785-279023




Alhamdulillah! All praise be to Allah! Our new agency Trust Valley IT successfully completed the first task after many h...
09/02/2024

Alhamdulillah! All praise be to Allah!
Our new agency Trust Valley IT successfully completed the first task after many hurdles. The project was a success and the buyer gave a five-star review. Thanks to all my team members and thanks to our honorable Sir MD Delwar Sarker for helping our project. Keep us in your prayers!

06/02/2024

গুগল এনালাইটিক্স কি? গুগল এনালাইটিক্স এর কাজ কি?গুগল এনালাইটিক্স এর সুবিধা কি?

গুগল এনালাইটিক্স কি?

আমরা ওয়েবসাইট তৈরি করি আমাদের বিজনেস বা প্রতিষ্ঠানকে সর্বসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে। প্রতিটি ওয়েবসাইট ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হয়। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের ভিজিটর সবাই একই দেশ বা বয়সের হয় না। কিন্তু আপনি কীভাবে বুঝবেন যে ওয়েবসাইটটি কীভাবে তৈরি করলে সঠিক দেশ এবং বয়সের মানুষের কাছে পৌঁছাবে?
ধরুন, আপনি একটি নৌকা তৈরি করার যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন। এই ধরনের প্রোডাক্টের প্রতি চাহিদা থাকবে শুধু প্রাপ্তবয়স্ক বা মধ্য বয়সের মানুষের। একজন ২০ বছরের তরুণ কখনোই টাকা খরচ করে নৌকা বানানোর সামগ্রী ক্রয় করতে চাইবে না।
অর্থাৎ আপনাকে জানতে হবে কোন গ্রুপের মানুষের জন্য প্রোডাক্ট তৈরি করলে লাভবান হতে পারবেন। এখন ওয়েবসাইট তৈরি করার পর বিভিন্ন সমস্যা এবং ভিজিটর মনিটর করার জন্য আপনাকে ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে আপনার পণ্য সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছায়।
ওয়েবসাইট এবং ভিজিটর মনিটর করার জন্য গুগল একটি অতি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম চালু করেছে যাকে আমরা গুগল এনালাইটিক্স হিসেবে চিনি। এটি গুগলের ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট শাখার একটি প্রোগ্রাম। সাধারণত এই টুল ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইটের ট্র্যাফিক পর্যালোচনা করে অনেক প্রয়োজনীয় তথ্য বের করা হয়। গুগল এনালাইটিক্স ওয়েবসাইটে কোথায় থেকে ট্র্যাফিক আসে, কতক্ষণ কোন পেজে থাকে, কোন কোন পেজ ভিজিট করে, ভিজিটরের জেন্ডার এবং বয়স ইত্যাদি খুঁজে বের করতে সাহায্য করে।
এই সকল তথ্য মার্কেটিং করার কাজে লাগার সাথে সাথে পুরো ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজ করতে সহায়তা করে। সহজ কথায় বলতে গেলে একটি ওয়েবসাইটের ভেতরে কি কি হয় তা ভিজ্যুয়ালভাবে ওয়েবমাস্টারকে দেখতে এবং পর্যালোচনা করতে গুগল এনালাইটিক্স সাহায্য করে।

গুগল এনালাইটিক্স এর কাজ কি?

গুগল এনালাইটিক্স বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। নিচে পর্যায়ক্রমে এর কাজগুলো বর্ণনা করা হলো।
ডেটা কালেক্টঃ যখন গুগল এনালাইটিক্সে সাইন আপ করা হয় তখন সেখান থেকে একটি ট্র্যাকিং আইডি দেওয়া হয়। এই ট্র্যাকিং আইডি দিয়ে গুগল ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা সংগ্রহ করে। গুগলের ডেটা ট্র্যাকিং স্পিড অনেক বেশি থাকার কারণে দ্রুত লাইভ ডেটা পাওয়া যায়।
মূলত এই ডেটার উপর ভিত্তি করে তারা সকল ধরনের পর্যালোচনা করে। শেষে রিপোর্ট তৈরি করে তা ওয়েবসাইট মালিকের কাছে প্রেরণ করে।
ডেটা পর্যালোচনাঃ ডেটা কালেক্ট করার পর সর্বপ্রথম কাজ হলো ডেটা ফিল্টার করা। গুগল তাদের টুল ইউজ করে ডেটা পর্যালোচনা করে। সাধারণত গুগলের কাছে যখন ডেটা এসে পৌঁছায় তখন তারা কয়েকটি পূর্ব নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে এগুলোকে সুন্দর করে সাজায়।
এই পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ডের মধ্যে বয়স, জেন্ডার, দেশ, ভাষা, ডিভাইস ইত্যাদি থাকে। অর্থাৎ আপনি যখন একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করেন তখন উক্ত ওয়েবসাইটের মালিক গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করে আপনার ডেটা ফিল্টার করে দেখতে পারে।
পারফর্মেন্স পরিমাপঃ গুগল এনালাইটিক্স একটি ওয়েবসাইটের সর্বোপরি পারফর্মেন্স পরীক্ষা করে। এখানে লোড টাইম সহ বাউন্স রেট, ইউজার বিহেভিয়ার, ইম্প্রেশন ইত্যাদি হিসেব করা হয়। এতে ওয়েবসাইটের মালিক তার পুরো ওয়েবসাইট সম্পর্কে ইউজার কি মনে করে এবং সেখানে কীভাবে বিচরণ করে তার একটি ইন-ডেপ্থ ধারণা লাভ করে।
কনটেন্ট ইমপ্রুভমেন্টঃ ইউজার পারফর্মেন্স গুগল এনালাইটিক্স এর অনেক বড় একটি অংশ। কারণ আমাদের ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কেমন এবং তা ভিজিটরদের জন্য দরকারি কিনা তা বোঝার জন্য গুগল এনালাইটিক্স ইউজার ইম্প্রেশন বিবেচনা করে কনটেন্ট ইম্প্রুভ করার ধারণা দিয়ে থাকে।
এতে আপনি যেমন কনটেন্টের মান উন্নত করতে পারবেন তেমনি ভিজিটরের প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। তাছাড়া গুগল সার্চে র‍্যাঙ্কে থাকতে হলে উঁচু মানের কনটেন্টের কোনো বিকল্প নেই।
মার্কেটিং মেথড তৈরিঃ কোন পণ্য বা সার্ভিসের সাফল্য নির্ভর করে মার্কেটিং এর উপর। সঠিক মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজন পরে ইউজার ডেটার। গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার করে আমরা ইউজার সম্পর্কিত সকল ধরনের ডেটা পাই।
এই তথ্য গুলো পর্যালোচনা করে যদি মার্কেটিং ক্যাম্পেইন তৈরি করা যায় তবে সার্ভিস বা পণ্য সঠিক মানুষের কাছে পাঠানো সম্ভব। এতে নেগেটিভ মার্কেটিং বা স্প্যাম মার্কেটিং হওয়ার সম্ভাবনা একদম কমে যায়। অন্যদিকে মার্কেটিং খরচ কমে যায় এবং সেল বেড়ে যায়। মোটকথা, গুগল এনালাইটিক্স ওয়েবসাইট এনালাইজ করে আমাদের সঠিক মার্কেটিং পরিকল্পনা সাজাতে সাহায্য করে।
ভিজিটর সম্পর্কে ধারণাঃ ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভিজিটর আসে। কোন বয়সের কে কোন ডিভাইস দিয়ে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করছে তা একজন ওয়েবমাস্টার হিসেবে জানা অতি জরুরি। এই তথ্য গুলো একাধারে আমাদের মার্কেটিং এ সাহায্য করে অন্যদিকে ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজ করতে কি কি করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা দেয়।
পেজ অপটিমাইজেশনঃ ওয়েবসাইট স্পিড অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাছাড়া একটি পেজে লেখা, ছবি, ভিডিও কীভাবে সাজালে তা ভিজিটরকে বিরক্ত না করে স্বাভাবিক ফিল করাবে সে সম্পর্কে ধারণা পেতে গুগল এনালাইটিক্স অনেক সাহায্য করে।
ওয়েবসাইটের ওভারঅল পারফর্মেন্স নির্ভর করে পেজ অপটিমাইজেশনের উপরে। তাই আমাদের এই বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হয় যেখানে ডেটা দিয়ে পর্যাপ্ত সাহায্য করে গুগল এনালাইটিক্স।
ই-মেইল নির্ভর ডেটাঃ ই-মেইল বা অন্যান্য শেয়ারিং মাধ্যম ওয়েবসাইট কেমন প্রভাব ফেলছে তা জানার জন্য গুগল এনালাইটিক্স টুল অনেক কার্যকরী। কোন ওয়েবসাইট যত বেশি শেয়ার হয় তা তত বেশি ভিজিটর পায়। ভিজিটর যত আসে পণ্য বিক্রি তত বেড়ে যায়।
কোন পেইড মার্কেটিং ব্যতীত প্রচুর ভিজিটর আশা ওয়েবসাইটের মালিকের জন্য সোনায় সোহাগা। কারণ প্রতি বছর মার্কেটিং এর উপরে অনেক বেশি পরিমাণ খরচ করতে হয়। কনটেন্ট অপ্টিমাইজ করে যদি মেইন এবং সোশ্যাল শেয়ারের মাধ্যমে এত ভিজিটর আসে তাহলে তো কোন কথাই নেই।
কাস্টম রিপোর্টঃ গুগল এনালাইটিক্স সাইটে কি পরিমাণ ভিজিটর আসে, কখন আসে, কোন মাধ্যমে আসে, কি ডিভাইস ইউজ করে এবং কোন কোন পেজ ভিজিট করে ইত্যাদি যাবতীয় তথ্য সুন্দরভাবে প্রসেস করে তা একটি কাস্টম রিপোর্টের মাধ্যমে আমাদের শো করে।
এই কাস্টম রিপোর্টে যে যে তথ্য থাকে তা দিয়ে আমরা ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজ থেকে শুরু করে কনটেন্ট, পেজ অপটিমাইজেশন, মার্কেটিং, ইউজার কনভার্সন ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা লাভ করি। সাথে সাথে এগুলো কীভাবে ফিক্স করা যায় সে সম্পর্কে ধারণা পাই।
গুগল এনালাইটিক্স এর সুবিধা কি?
একজন ওয়েবমাস্টার হিসেবে গুগল এনালাইটিক্স এর সুবিধা বলে শেষ করা যাবে না। তবে নিচে কিছু বিশেষ সুবিধা বর্ণনা করা হলো।
এটি একটি ফ্রি এনালাইসিস টুল।
এটি অনেক সহজ এবং একজন বিগিনার হিসেবে কোন ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করা যায়।
পুরো টুল কাস্টমাইজেবল, অর্থাৎ আপনি আপনার পছন্দমতো ডেটা দেখতে পারবেন।
ডেটা ফিল্টার করে দেখার সুবিধা থাকায় আপনি বাছাই করে অহেতুক ডেটা বাদ দিতে পারবেন।
একই সাথে অনেকগুলো পেজ ক্যাপচার করার কারণে অনেকগুলো ডেটা অনুসন্ধান করা যায়।
গুগল এনালাইটিক্স সংগ্রহ করা ডেটার উপর ভিত্তি করে সামনে কী করতে হবে তা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে।
এখানে আপনি আপনার সার্চ কনসোল রিপোর্ট সহ আরও অনেক ডেটা দেখতে পারবেন।
ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আমরা যে এর পরিচর্যা নিয়ে মানুষিক চাপে থাকি তা দূর করার জন্য গুগল এনালাইটিক্স একটি অদ্বিতীয় টুল। এখানে এই টুল সম্পর্কে যাবতীয় বিষয়ে এবং সুবিধাগুলো আলোচনা করা হয়েছে।



















04/02/2024

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ। এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায় পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যবসায় সফলতার জন্য আগে আমাদেরকে জানতে হবে Digital Marketing কি? অল্প কথায় Digital Marketing হল ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়ার হার বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। এর কারণ বিশ্বে ৫৫.০৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষ নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। তাই Social Media ও Digital মাধ্যমগুলো কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পথ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। আজকে আমরা এমন ৮ টি মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করবে। যা ব্যবসার ক্ষেত্রে এনে দিতে পারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

এক নজরে Digital Marketing এর সেরা ৮ টি মাধ্যম
Search engine optimization (SEO)
Search Engine Marketing (SEM)
Content marketing
Social Media Marketing(SMMDigital Display Marketing
Mobile Marketing
Email Marketing
Affiliate Marketing
Digital Display Marketing
Mobile Marketing
Email Marketing
Affiliate Marketin










(Search Engine Marketing)







(Pay-Per-Click)




(Social Media Management)

YouTube কি?ouTube হল একটি ভিডিও শেয়ারিং পরিষেবা যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব ভিডিও দেখতে, লাইক, শেয়ার, মন্তব্য এব...
01/02/2024

YouTube কি?

ouTube হল একটি ভিডিও শেয়ারিং পরিষেবা যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব ভিডিও দেখতে, লাইক, শেয়ার, মন্তব্য এবং আপলোড করতে পারে। ভিডিও পরিষেবাটি পিসি, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যেতে পারে৷

ইউটিউব কেন একটি কার্যকর মার্কেটিং টুল?

যেহেতু YouTube এর প্রতি মাসে 22.8 বিলিয়ন ভিজিট এটিকে Google এর পরে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক পরিদর্শন করা সাইট করে তোলে, তাই এটি আজকাল ব্যবসার জন্য অনেক সুবিধা নিয়ে আসতে সক্ষম। প্ল্যাটফর্মটি কেবল একটি বিখ্যাত বিনোদনমূলক চ্যানেল নয় বরং একটি শক্তিশালী বিপণন সরঞ্জাম এবং কোম্পানিগুলি বিজ্ঞাপনের জন্য YouTube চ্যানেল তৈরি করতে পারে। YouTube চ্যানেলগুলি নতুন ভৌগলিক থেকে আরও ভিউ পেতে, একটি পণ্য বা একটি কোম্পানির প্রচার করতে, একটি বড় গ্রাহক বেস তৈরি করতে এবং একটি ব্র্যান্ডের বিক্রয়ের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে৷

ইউটিউবও একটি বিখ্যাত শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম। কোম্পানি বৃহত্তর এক্সপোজার অর্জন করতে পারে, যা তাদের গ্রাহক বেস প্রসারিত করে। বিস্তারিত টিউটোরিয়াল, লাইভ স্ট্রিম, গাইড এবং পাঠ তৈরি করে, ব্র্যান্ডগুলি Google-এ উচ্চতর স্থান পেতে পারে। বিজ্ঞাপনগুলি চালানোর আরেকটি কারণ হল কোম্পানিগুলি অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কারণ এটি ব্র্যান্ডগুলিকে আরও বৃহত্তর দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে এবং নতুন গ্রাহক পেতে সহায়তা করে৷ তদুপরি, এটি ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে অর্থপ্রদানের বিজ্ঞাপনের চেয়ে অনেক সস্তা।

ইউটিউব মার্কেটিং এর সুবিধা।

ইউটিউবের মূল সুবিধা হল এটি আপনার কোম্পানিকে কার্যকরভাবে প্রচার করার সুযোগ দেয়। একটি ব্যবসা তার চ্যানেলে বিষয়বস্তু তৈরি এবং পোস্ট করে বা প্ল্যাটফর্মে প্রি-রোল বিজ্ঞাপনগুলি চালিয়ে এবং দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এটি করতে পারে।

দর্শকদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে এবং আপনার YouTube চ্যানেলের প্রতি তাদের আনুগত্য অর্জন করতে, আপনাকে আপনার কৌশল তৈরি করতে হবে এবং নীচের পদক্ষেপগুলি আপনাকে এটি করতে সহায়তা করবে৷

কিভাবে একটি YouTube মার্কেটিং কৌশল তৈরি করবেন।

ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরি করুন
আপনার লক্ষ্য দর্শকদের গবেষণা
প্রতিযোগিতামূলক বিশ্লেষণ পরিচালনা করুন
YouTube অ্যালগরিদমের উপর ভিত্তি করে ভিডিও তৈরি করুন
আপনার চ্যানেলে সামগ্রী আপলোড করা শুরু করুন
আপনার চ্যানেলে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন
আপনার ভিডিও প্রচার করুন
প্রভাবশালী বিপণন বিবেচনা করুন
আপনার সাফল্য পরিমাপ
YouTube অগণিত সুযোগের সাথে ব্যবসা প্রদান করে। ব্যবহারকারীদের বিশাল বেস সহ, কোম্পানিগুলি কার্যকরভাবে তাদের পণ্য প্রচার করতে পারে। আসুন জেনে নেই কিভাবে একটি YouTube বিপণন কৌশল তৈরি করবেন এবং আপনার ব্র্যান্ডের জন্য এটি বাস্তবায়ন করবেন।

ইউটিউবে একটি চ্যানেল তৈরি করুন। একটি চ্যানেল তৈরি করতে, আপনি আপনার নিয়মিত Google অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারেন। যাইহোক, আপনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি লগ ইন করতে পারবেন। আপনার যদি এমন একটি অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন হয় যা একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে অ্যাক্সেসকরতে দেয়, তাহলে আপনার একটি ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট শুরু করা উচিত। এর সাহায্যে, আপনি YouTube-এ বেশ কয়েকটি চ্যানেল শুরু করতে পারেন।
লোকেরা যে ভিডিওগুলি সবচেয়ে বেশি দেখতে পছন্দ করে সেগুলি সম্পর্কে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করুন৷ আপনার যদি ইতিমধ্যেই YouTube-এ একটি ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে এর বিশ্লেষণগুলি অন্বেষণ করুন৷ এটি আপনাকে আপনার দর্শকদের পছন্দ সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি দেবে। মন্তব্য বিশ্লেষণ করুন, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন, বা আপনার গ্রাহকদের আগ্রহ এবং ইচ্ছা সম্পর্কে আরও আবিষ্কার করতে একটি পোল তৈরি করুন৷
প্রতিযোগিতামূলক বিশ্লেষণ পরিচালনা করুন। YouTube বিশ্বব্যাপী অনেক ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট সহ একটি বড় প্ল্যাটফর্ম, এবং প্রতিযোগিতা বেশি। আপনার ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিশ্লেষণ করে, আপনার কাছে সুযোগগুলি নির্ধারণ করার সুযোগ রয়েছে।

কীওয়ার্ড টুল

ইউটিউব Google এর মতো একই নীতিতে কাজ করে এবং কীওয়ার্ড, শিরোনাম এবং বর্ণনার উপর ভিত্তি করে ভিডিও র‍্যাঙ্ক করে। এজন্য আপনার একটি উপযুক্ত সরঞ্জাম প্রয়োজন। কীওয়ার্ড টুল ভিডিওগুলিকে অপ্টিমাইজ করতে এবং তাদের উচ্চতর র‌্যাঙ্ক করতে সাহায্য করে। ফলস্বরূপ, আপনার চ্যানেলের ভিউ সংখ্যা এবং জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

ইউটিউব মার্কেটিং টিপস

ব্র্যান্ড এক্সপোজার এবং ব্যস্ততা উন্নত করার এবং দর্শক বাড়াতে আপনার চ্যানেলের প্রচার করার অনেক উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে করবেন।

চোখ ধাঁধানো শিরোনাম নিয়ে আসুন। একটি আকর্ষক শিরোনাম তৈরি করার প্রধান লক্ষ্য হল আপনার চ্যানেলে নতুন গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা। ব্যবহারকারীদের আপনার YouTube ভিডিও খুলতে এবং দেখতে উত্সাহিত করার জন্য একটি মনোমুগ্ধকর শিরোনাম তৈরি করার জন্য চিন্তাভাবনা করার চেষ্টা করুন৷ প্রশ্ন-ভিত্তিক শিরোনাম ব্যবহার করা বা আপনার দর্শনের সংখ্যা বাড়াতে হাইপারবোলগুলি অন্তর্ভুক্ত করা একটি দুর্দান্ত ধারণা। কিছু লোক তাদের টার্গেট শ্রোতাদের কাছাকাছি হওয়ার জন্য কথোপকথনের স্বরে পরিণত হয়। আপনি আপনার শিরোনামের শুরুতে "সেরা-অফ" এবং "কিভাবে" ব্যবহার করতে পারেন। যাইহোক, ক্লিকবেট শিরোনাম একটি ভয়ানক ধারণা কারণ তারা প্রায়শই ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে।
আপনার দর্শকদের চাহিদা এবং চাওয়া নিয়ে গবেষণা করুন। আরও ভিউ পেতে, নিশ্চিত করুন যে আপনার সামগ্রী আপনার দর্শকদের চাহিদা পূরণ করে। মানসম্পন্ন ভিডিও তৈরি করতে এবং সমাধান দিতে আপনার দর্শকদের ভালোভাবে জানা উচিত। আপনি যদি সবেমাত্র আপনার চ্যানেল শুরু করছেন, আপনার প্রতিযোগীদের এবং গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করে এমন ভিডিওগুলি দেখুন। ভিডিওগুলি দেখুন যা সর্বোচ্চ স্তরের ব্যস্ততা, ভিউ, লাইক এবং মন্তব্য লাভ করে। এইভাবে, আপনি লোকেদের দেখতে পছন্দ করেন এমন বিষয় এবং ভিডিওর ধরন খুঁজে পেতে সক্ষম হবেন ৷

ঈদকে সামনে রেখে আপনার Business এর জন্য কি প্ল্যান করলেন!আপনি কি একজন নতুন উদ্যোক্তা?আপনার পেইজের সেল নিয়ে চিন্তিত?বুষ্ট...
01/02/2024

ঈদকে সামনে রেখে আপনার Business এর জন্য কি প্ল্যান করলেন!
আপনি কি একজন নতুন উদ্যোক্তা?
আপনার পেইজের সেল নিয়ে চিন্তিত?
বুষ্টিং তো সবাই করে! কিন্তু বিজনেস এনালাইসিস করে, সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করে এবং এক্সপার্ট টিম দিয়ে কাজ করে কয়জন?
আপনার বিজ্ঞা'পন"টি সঠিক কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের।

Trust Valley It নিয়ে এলো এক্সপার্ট টিম এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস এনালাইসিস করে সঠিক মার্কেট/অডিয়েন্স টার্গেট করে সেই অডিয়েন্স এর কাছে আপনার পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছে দেওয়ার সার্ভিস ।
আমাদের আছেঃ
দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডিজিটাল মার্কেটিং টিম
অরিজিনাল কার্ড
পেইজের রিচ, ইম্প্রেশন ও কোয়ালিটি বৃদ্ধির নিশ্চয়তা
অল্প সময়ে অধিক মানুষের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন পৌঁছানোর
কমপ্লিট পেজ চেকআপ করা।
বিজ্ঞাপন শেষে বিজ্ঞাপন রিপোর্ট দেখার সুবিধা।
ব্যক্তিগত এবং ব্যাবসায়িক যে কোন ধরনের পেইজ এর কাজ করা হয়।
তাই দেরি না করে বিস্তারিত জানতে অথবা সার্ভিসটি পেতে ইনবক্স করুন।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন।
+880 1785-279023

আমাদের সেবা ➕
পেজ সেটআপ।
পোস্ট বুস্টিং।
ভিডিং বুস্টিং।
পেজ প্রোমোশন
ইউটিউব সেটআপ।
পেজ মনিটাইজেশন।
লোগো/কভার ডিজাইন।

Conversion API ট্র্যাকিং হল একটি ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন যা আপনাকে রূপান্তর ট্র্যাক করতে দেয়, বা একটি নির্দিষ্ট প্রচ...
31/01/2024

Conversion API ট্র্যাকিং হল একটি ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন যা আপনাকে রূপান্তর ট্র্যাক করতে দেয়, বা একটি নির্দিষ্ট প্রচার বা বিজ্ঞাপন থেকে উৎপন্ন বিক্রয় বা লিডের সংখ্যা। আপনি আপনার অনলাইন বিপণন প্রচারাভিযানের কার্যকারিতা পরিমাপ করতে এবং ভাল ফলাফলের জন্য তাদের অপ্টিমাইজ করতে রূপান্তর ট্র্যাকিং ব্যবহার করতে পারেন।

Conversion tracking সেট আপ করতে, আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটে কোডের একটি স্নিপেট যোগ করতে হবে। এই কোডটি Google কে আপনার সাইটে হওয়া রূপান্তরগুলি ট্র্যাক করার অনুমতি দেবে৷ একবার আপনি কোডটি যোগ করলে, আপনি আপনার Google Analytics অ্যাকাউন্টে conversion ডেটা দেখতে সক্ষম হবেন।

Conversion tracking অনলাইন এবং অফলাইন উভয় রূপান্তরের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রচার থেকে প্রাপ্ত ফোন কলের সংখ্যা ট্র্যাক করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি ইতিমধ্যে conversion tracking ব্যবহার না করে থাকেন তবে এটি সেট আপ করা একটি ভাল ধারণা। এটি আপনাকে আপনার বিপণন প্রচারাভিযানের কার্যকারিতা সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি দিতে পারে এবং আপনাকে আরও ভাল ফলাফলের জন্য সেগুলিকে অপ্টিমাইজ করতে সাহায্য করতে পারে৷

গুগল অ্যাডস কি? গুগল অ্যাডস কিভাবে কাজ করে?গুগল অ্যাডস কি?গুগল অ্যাডস যা প্রথমে গুগল অ্যাডওয়ার্ডস নামে ছিল তা গুগলের এক...
30/01/2024

গুগল অ্যাডস কি? গুগল অ্যাডস কিভাবে কাজ করে?

গুগল অ্যাডস কি?

গুগল অ্যাডস যা প্রথমে গুগল অ্যাডওয়ার্ডস নামে ছিল তা গুগলের একটি অনলাইন অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্লাটফর্ম। ২৩ অক্টোবর ২০০০ সালে গুগল এই সার্ভিস চালু করে। তখন থেকে এখন পর্যন্ত এই বিশ বছরে গুগল অ্যাডস অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
যাইহোক, গুগল অ্যাডস প্রধানত একটি বিড প্লাটফর্ম। অর্থাৎ এটি অনেকটা পণ্য নিলামে ওঠানোর মত প্লাটফর্ম। এখানে আপনি ইন্টারনেট ইউজারদের জন্য আপনার সার্ভিস বা প্রোডাক্ট প্রোমোশনের জন্য বিড করবেন।
গুগল অ্যাডস, অ্যাড ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতার অ্যাড গুগল সার্চ রেজাল্ট পেজ এবং বিভিন্ন অ্যাডসেন্স এনাবল সাইটে ডিসপ্লে করে। শুরুর দিকে তাদের পেমেন্ট সিস্টেম ছিল মাসিক কিন্তু বর্তমানে তারা ডেইলি এবং বাজেট আকারে পেমেন্ট নেয়।

গুগল অ্যাডস কিভাবে কাজ করে?

গুগল অ্যাডস কাজ করার প্রক্রিয়া আপাত দৃষ্টিতে কঠিন মনে হলেও আসলে সহজ। তাদের পুরো সিস্টেম কাজ করে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা আছে ততক্ষন পর্যন্ত অ্যাড চালু থাকবে। টাকা শেষ হলে বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তারপরেও বিভিন্ন প্রশ্ন থেকেই যায় এর কাজ করার ধরন নিয়ে। চলুন গুগল অ্যাডস নিয়ে বিস্তারিত জেনে নেই।
২০০০ সালে শুরু হওয়ার গুগল অ্যাডওয়ার্ডস একটি মার্কেটিং প্লাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে তারা মাসিক পেমেন্ট নিয়ে অ্যাড সার্ভিস পরিচালনা করতো। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যারা ছোট ব্যবসায়ী ছিল তারা সমস্যায় পড়ে যায়।
কারণ তাদের অ্যাড গুগল ম্যানেজ করার কারনে ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছিলো না। তখন ২০০৫ সালে সেলফ-সার্ভিস পোর্টাল নামে অ্যাডওয়ার্ডস একটি সার্ভিস ঘোষণা করে যেখানে ইচ্ছা মত অ্যাড ম্যানেজ করা যেত। ২০১৬ সালে তারা শোকেস শপিং নামক একটি ফিচার চালু করে। এই ফিচারের মাধ্যমে রিটেল প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের পণ্য শোকেস আকারে সাজিয়ে অ্যাড দিতে পারতো।
২০১৭ সালে গুগল অ্যাডওয়ার্ডস ডেইলি বাজেট ফিচার ঘোষণা করে এবং এর পরের বছর গুগল অ্যাডস নামকরন করে। গুগল অ্যাডস দুইটি জিনিসের উপর নির্ভর করে কাজ করে। ইউজারের ইনটেনশন বোঝার জন্য কুকি এবং অ্যাড দেখানোর জন্য কীওয়ার্ড ইউজ করা হয়। কুকি ইউজ করার কারন হচ্ছে বিজ্ঞাপন দাতার অ্যাড যেন সঠিক এবং পটেনশিয়াল কাস্টমারের কাছে যায় তা নিশ্চিত করা।
অর্থাৎ আপনি যখন গুগলে সার্চ করেন তখন কি কি সার্চ করেন তা গুগল নিজেদের কাছে রেখে দেয়। পরবর্তীতে আপনাকে অ্যাড দেখানোর সময় সেই সার্চ ডাটা থেকে পাওয়া তথ্য যদি কোন অ্যাড ক্যাম্পেইনের সাথে মিলে যায় তখন সেই অ্যাড আপনাকে দেখানো হয়।
অন্যদিকে, গুগল অ্যাডস এ ক্যাম্পেইন চালু করতে হলে কীওয়ার্ড বাছাই করতে হয়। কারন আপনি যে কীওয়ার্ড বাছাই করবেন সে কীওয়ার্ড যখন সার্চ পরবে তখন গুগল আপনার অ্যাড দেখাবে। ধরুন আপনি একটি মোবাইল ফোনের অ্যাড চালু করবেন। এখন আপনি যদি “আইফোন মোবাইল” এই কীওয়ার্ড দিয়ে অ্যাড চালু করেন তাহলে ইউজার “আইফোন মোবাইল” লিখে সার্চ করলে আপনার অ্যাড দেখবে।
কিন্তু এখানে ঝামেলা দেখা দেবে অন্য জায়গায়, বাজারে আইফোনের অনেকগুলো মডেল পাওয়া যায়। এখন এদের মধ্যে কোন মোবাইলের জন্য এই অ্যাড শো করানো উচিৎ হবে তা নিয়ে গুগল ঝামেলায় পরবে। অন্যদিকে, আপনি যদি “আইফোন ১১” এই কীওয়ার্ডে অ্যাড চালু করেন তাহলে কিন্তু আর এই সমস্যায় পড়তে হবে না। কীওয়ার্ড সঠিক ভাবে বের করার পর অ্যাড সেটআপ করতে হবে। এখানে আপনি টেক্সট এবং ইমেজ দুই ভাবেই অ্যাড সেটআপ করতে পারবেন। অ্যাড এর টাইটেল এবং ডেসক্রিপশন কাস্টমভাবে সেট করতে পারবেন। অর্থাৎ গুগল অ্যাডস ইউজ করতে হলে আপনাকে আগে কীওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে। তারপর সঠিক ভাবে বাজেট এবং অ্যাড রানিং রাখার সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে।




(Search Engine Optimization)












(Pay Per Click)



Address

Dhaka
1340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trust Valley It posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share