09/06/2026
প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাস্টার প্ল্যান
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যা অর্জনের নামে আসলে কী হচ্ছে?
ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমিকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে সময় কাটাচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ প্রতিটি শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে।
জনৈক ভার্সিটি শিক্ষার্থীর বক্তব্য:
“আমার এক বন্ধু পড়াশোনার পাশাপাশি একটি আবাসিক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। তার ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম খালি থাকে না। সে বলছে, বেশিরভাগই ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রী। প্রতি রাতে ১৫০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকছে। বেশিরভাগ মেয়েই মুখে হিজাব পরে আসে। অথচ ক্যাম্পাসে দেখা হলে অনেকে মুখ ঢেকে চলে যায়। এটা তো মাত্র একটা হোটেলের তথ্য, অথচ শহরে অসংখ্য হোটেল!”
আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য এটাকে পুরোদস্তুর ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়।
প্রিয় অভিভাবকেরা,
এটাই আপনাদের মেয়েদের বাস্তবতা! যাকে আপনি পুরো রমরমা ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পাঠিয়েছেন, সে যথাযথ “অর্জন” করেই ঘরে ফিরছে।
অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে আসা মেয়েটা দীর্ঘ সময় ছেলেদের সাথে উঠাবসা করে। এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকে না। তারা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে বলে। শুনতে শুনতে মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সবচেয়ে তীব্র চাহিদা, তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়।
ফলে অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।
সবচেয়ে বড় পরিতাপের বিষয় হলো—
এই মেয়েরা তো সারাজীবন এভাবে চলতে পারবে না। ভার্সিটি শেষে একদিন এদেরই কেউ না কেউ আপনার-আমার ঘরে স্ত্রী হয়ে আসবে। আর সেই লজ্জাহীন নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগ দিতে পারবে না। পারবে না সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে।
এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন হলো—
অভিভাবক হিসেবে আপনি কি চান যে, ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক?
বিকল্প অনেক আছে। কিন্তু পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক আর পশ্চিমা সভ্যতার বিষপাশে আচ্ছন্ন হয়ে আমরা সেগুলো দেখতে পাই না।
আসুন, পরিবর্তন হই। ধাবিত হই রবের দিকে।
মৃত্যুকে ভয় করি। আখিরাতের পাথেয় গ্রহণ করি।
আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন। সমাজকে অশ্লীলতামুক্ত করে দিন। 🤲
কপি পেস্ট।