STCHost

STCHost STCHost is the best web design company in Bangladesh. We provide domain registration, web hosting, web design and development service worldwide.

ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে ওয়েবসাইট এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ওয়েবসাইট আপনার কোম্পানির অনলাইন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকে...
09/01/2021

ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে ওয়েবসাইট এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ওয়েবসাইট আপনার কোম্পানির অনলাইন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে থাকে যেখানে একজন গ্রাহক আপনার কোম্পানি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

একটি মানসম্মত ওয়েবসাইট আপনার ব্র্যান্ডেকে ফুটিয়ে তোলে চমৎকারভাবে। ওয়েবসাইট পারে আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে খুব সহজেই পৌছে দিতে, বাড়িয়ে দেয় গ্রাহকের আস্থা আর ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা।আপনার অনলাইন প্রেজেন্স ও ব্র্যান্ডভ্যালুকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে SELLTECH Corporation তৈরী করবে আপনার স্বপ্নের ওয়েবসাইট ; তাও স্বল্প খরচে ।
-----------------------------------------------------------
কেন আমাদের সেবা নিবেনঃ
✅ ডোমেইন + হোস্টিং + এসএসএল
✅ নিজস্ব ডোমেই্ন কন্ট্রোল প্যানেল
✅ অনপেজ অপটিমাইজেশন
✅ প্রফেশনাল ও কাস্টোম ডিজাইন
✅লাইফটাইম সাপোর্ট
তাহলে দেরি কেন? মানসম্মত ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েবপেইজ ডেভেলোপমেন্টের জন্য আজই যোগাযোগ করুনঃ
-----------------------------------------------------------
সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানাঃ
🏠 বাড়ীঃ ৩৪, রোডঃ ০৮, সেক্টরঃ ১১, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
☎ +৮৮-০৯৬১৩৭৫০৭৫০ 📲 +৮৮-০১৩১২০১৬৭৫০
📧[email protected] 🌐 www.stchost.com

ডোমেন এর ইতিহাস।ডোমেইন নাম বলতে সাধারনভাবে কোন একটা ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়। ডোমেইন নাম ক্লাইন কম্পিউটারকে ওয়েব সার্ভা...
12/12/2019

ডোমেন এর ইতিহাস।
ডোমেইন নাম বলতে সাধারনভাবে কোন একটা ওয়েবসাইটের নামকে বোঝায়। ডোমেইন নাম ক্লাইন কম্পিউটারকে ওয়েব সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। একটি ডোমেইন নাম সংক্রান্ত সব কিছু নিয়ন্ত্রন করে ডোমেইন নেম সিস্টেম।
ডোমেইন নেম সিস্টেম (ডিএনএস) ডোমেইন নেমের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য রাখার একটি ব্যবস্থা। এটি মূলত ফোন বুকের মত কাজ করে। এটি সাধারণ মানুষের বোধগম্য কম্পিউটারের হোস্টনেম যেমন example.com কে কম্পিউটারের উপযোগী আইপি এড্রেসে যেমনঃ
208.77.188.166 রুপান্তর করে দেয়, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং যন্ত্রাংশগুলি তথ্য বিনিময় করে থাকে। এছাড়া ডিএনএস অন্যান্য তথ্যও রাখে, যেমন মেইল সার্ভারের তালিকা ইত্যাদি। ডিএনএস কিওয়ার্ড ভিত্তিক পুননির্দেশনা ব্যবস্থা পালন করে। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় ডিএনএস একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ডিএনএস ফলেই কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে নেটওয়ার্কের রাউটিং কি রকম হবে সেটি সম্পর্কে চিন্তা না করেও ডোমেইন নাম দেয়া যায়। নেটওয়ার্কের রাউটিং নির্ভর করে সংখ্যাভিত্তিক আইপি এড্রেসের উপরে। একারণে আইপি এড্রেস কোন কারণে পরিবর্তিত হলেও একই হাইপারলিংক বা ইন্টারনেট এড্রেস দিয়ে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায় বা মেইল পাঠানো যায়।
সুতরাং নেটওয়ার্কের বাহ্যিক আকারের বা গঠনের ওপরে ওয়েবসাইটকে নির্ভর করতে হয় না। এছাড়া আইপি এড্রেসের তুলনায় ডোমেইন নেম অনেক সহজ হয়ে থাকে। যেমন "example.com" মনে রাখা যতটা সোজা এর আইপি এড্রেস 208.77.188.166 মনে রাখাটা ততটা সোজা হবে না। সাধারণ মানুষ ইউআরএল ও ইমেইল এড্রেস মনে রাখে, কম্পিউটার কিভাবে তা খুজে বের করবে তা চিন্তা করে না।
ডোমেইন নেম সিস্টেমে বিভিন্ন ডোমেইন নেম দেয়া ও সেগুলোকে আইপি এড্রেসের সাথে একীভূত করার কাজটি কয়েকটি অথরিটিভ নেম সার্ভারকে ভাগ করে দেয়া হয়। এসব সার্ভার আলাদাভাবে ডোমেইন নেম নিবন্ধন, পরিবর্তন করার কাজটি করে থাকে ফলে একটি কেন্দ্রীভূত সার্ভারের প্রয়োজন পড়ে না।
এছাড়া অন্যান্য সেবা সমূহ যেমন আরএফআইডি ট্যাগ, ইউপিসি কোড ইন্টারনেট হোস্টনেমের স্থলে আন্তর্জাতিক অক্ষর ব্যবহার ইত্যাদি কাজেও ডিএনএস ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার মেশিনের সাংখ্যিক ঠিকানার বদলে মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার করা শুরু হয়েছিল টিসিপি/আইপি'রও আগে। আরপানেট যুগেও মানুষের উপযোগী নাম ব্যবহার হত। তখন অবশ্য অন্য পদ্ধতি ব্যবহৃত হত। ডিএনএস আবিষ্কার হয় ১৯৮৩ সালে, টিসিপি/আইপি চালুর কিছু পরেই। পুরনো ব্যবস্থায় নেটওয়ার্কের প্রতিটি কম্পিউটার এসআরআই বর্তমানে এসআরআই ইন্টারন্যাশনাল) থেকে HOSTS.TXT নামে একটি ফাইল নিয়ে আসত। এই HOSTS.TXT ফাইল থেকেই সাংখ্যিক ঠিকানা থেকে নামের ম্যাপিং দেয়া থাকত। বর্তমানেও অধিকাংশ আধুনিকতম অপারেটিং সিস্টেমেও একটি হোস্ট ফাইল থাকে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীগণ ডিএনএসের সাহায্য ছাড়াই বিভিন্ন নামকে (যেমন www.example.net) আইপি এড্রেসের (যেমন 208.77.188.166) সাথে সংযোগ করতে পারেন। এই হোস্ট ফাইলের ওপর নির্ভরশীল ব্যবস্থার জন্মগত সমস্যা হচ্ছে যখনই কোন এড্রেসের আইপি এড্রেস পরিবর্তিত হবে, তখন এই এড্রেসের সাথে যোগাযোগে ইচ্ছুক সকল কম্পিউটারকে এই ফাইলটি হালনাগাদ করতে হবে।

নেটওয়ার্কিংএর প্রসারের সাথে সাথে এমন ব্যবস্থার প্রয়োজন পড়ল যাতে কোন হোস্টের এড্রেস পরিবর্তিত হলেও যাতে তা কেবল একটি স্থানে রেকর্ড করে রাখলেও চলে। অন্যান্য হোস্ট ডাইনামিক্যালি এই পরিবর্তন জানতে পারবে নোটিফিকেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে। এভাবে সার্বজনীন একটি ব্যবস্থার তৈরি হবে যাতে সকল হোস্টনেমকে তাদের সংযুক্ত আইপি এড্রেস দিয়ে চেনা যায়।

জন পোস্টেলের অনুরোধে ১৯৮৩ সালে পল মকাপেট্রিস ডোমেইন নেম সিস্টেম উদ্ভাবন করেন এবং এর প্রথম বাস্তবায়ন ঘটান। এর মূল স্পেসিফিকেশন পাওয়া যাবে আরএফসি ৮৮২ ও আরএফসি ৮৮৩ তে। ১৯৮৭ সালের নভেম্বর মাসে আরএফসি ১০৩৪ ও ১০৩৫ প্রকাশিত হয় যাতে ডিএনএস এর স্পেসিফিকেশন হালনাগাদ করা হয়। ফলে আরএফসি ৮৮২ ও ৮৮৩ বাতিল হয়ে যায়। একাধিক সাম্প্রতিক আরএফসিতে বর্তমান ডিএনএস কোরের বিভিন্ন এক্সটেনশন প্রস্তাব করা হয়েছে।

১৯৮৪ সালে বার্কলের চারজন ছাত্র - ডগলাস টেরি, মার্ক পেইন্টার, ডেভিড রিগ্‌ল ও সংনিয়ান ঝুও প্রথম ইউনিক্স সংস্করণ লেখেন যেটি পরবর্তীকালে র‌্যালফ ক্যাম্পবেল দেখাশোনা করতেন। ১৯৮৫ সালে ডিইসি'র কেভিন ডানলপ ডিএনএস বাস্তবায়নের পুনসংস্কার করেন এবং নাম রাখেন বাইন্ড (বার্কলে ইন্টারনেট নেম ডোমেইন, যেটি পূর্বে বার্কলে ইন্টারনেট নেম ডেমন) নামে পরিচিত ছিল। এরপর থেকে বাইন্ডের দেখাশোনা করতেন মাইক ক্যারেলস, ফিল আলকুইস্ট ও পল ভিক্সি। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে উইন্ডোজ এনটি সংস্করণে বাইন্ড দেয়া হয়।
বাইন্ডের বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত কারণে বিকল্প অনেক নেমসার্ভার ও রিসলভার প্রোগ্রাম প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থলে ব্যবহৃত হচ্ছে।

প্রথম বাণিজ্যিক ডোমেন নাম TLD .com, ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে ডট কম ডোমেন নাম ক্যাম্ব্রিজের কম্পিউটার ফার্ম সিম্বোলিক্স তাদের ওয়েব সাইট Symbolics.com এ ব্যবহার করে। ডিসেম্বর ২০০৯ সালে তারা ১৯০ মিলিয়ন ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করে।
প্রত্যেক ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস থাকে। কিন্তু আইপি দিয়ে ওয়েবসাইট মনে রাখা কষ্টসাধ্য। তাই মনে রাখার সুবিধার জন্য আইপি অ্যাড্রেসের পরিবর্তে ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এক বা একাধিক কমপিউটার কে ইন্টারনেট এ চেনার জন্যও ডোমেইন নাম ব্যবহার করা হয়।

ইউ আর এল এবং ডোমেইন
নিচের উদাহরণ দ্বারা ইউআরএল এবং ডোমেইন এর পার্থক্য প্রকাশ করা যেতে পারে।
ইউআরএল : http://www.example.com/index.html
নাম (TLD) : com
টপ লেভেল ডোমেইন নাম : example.com
হোস্ট নাম : www.example.com
ডকোমেন্ট : index.html

Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা জরুরী...!!!! আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন? আজ আপনাদের...
10/12/2019

Domain (ডোমেইন) কেনার আগে যে বিষয় গুলো জানা জরুরী...!!!!

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন?
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আপনি যদি কোথাও থেকে ডোমেইন কিনতে চান তাহলে Domain কেনার আগে যে সব বিষয় ভেবে দেখবেন :

প্রতিষ্ঠান,ব্যক্তিগত বা বিজনেসের জন্য ডোমেইন ক্রয় করা হয়। না বুঝে Domain ক্রয় করার ফলে আপনি পরর্বতি সময়ে আপনার প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন না ফলে অর্থও সময় দুই নষ্ট হয়।তাই Domain ক্রয় করার আগে ভালোভাবে জেনে নিবেন ।

১. ডোমেইন হচ্ছে আপনার সাইটের পরিচয় অতএব সবদিক ভেবে চিন্তে সুন্দর একটি নাম সিলেক্ট করুন। এসইও নির্ভর কিছু করতে চাইলে কিওয়ার্ডকে গুরুত্ব দিয়ে নাম বাছাই করুন।

২. আপনি যে প্রতিষ্ঠান থেকে ডোমেইনটি কিনবেন তাদের সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। কেননা ডোমেইন কিনে প্রতারিত হয়েছেন এমন ঘটনা এখন আর বিরল নয়।

৩. ডোমেইন এর দাম একটা চিন্তার বিষয়। খুব কম হলেও যেমন সন্দেহপূর্ন তেমনি অনেক চড়া দামে সাধারন ডোমেইন কেনাটাও এক ধরনের বোকামি। বর্তমানে ডোমেইনের চলমান মূল্য হচ্ছে ১০-১২ ডলার বা বাংলাদেশী ৮০০-১০০০ টাকা।

৪. ভেরিফিকেশন সিষ্টেম থাকলে অবশ্যই ডোমেইন কেনার ১৫ দিনের মধ্যে মেইলের মাধ্যমে ভেরিফাই করে নিন। এরপর যদি সম্ভব হয় ডোমেইন এর প্রাইভেসি প্রোটেকশন এনাবল করে রাখুন।

৫. ডোমেইন সহজে মনে রাখা যায়, এমন হতে হবে

৬. ডোমেইনকে .com প্রাধান্য দেয়া ভালো।

৭.ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৮. কোনো ট্রেডমার্ক ওয়েবসাইটের নামের সাথে মিলে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন ঃ facebookbd, googleinfo, applebd ইত্যাদি ।

৯. সহজে মনে রাখা যায়, সহজে বানান করা যায়, শ্রুতিমধুর হয়, উদ্ভদ কোনো ডোমেইন পছন্দ করে পাঠকে ভড়কে দেবার প্রয়োজন নেই। ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করা।

১০. ডোমেইন রেজিস্ট্রার পছন্দ করবেন যেভাবে: যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল ও ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা নাই, সেহেতু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকেই কিনাটাই ভালো হবে, আবার সাপোর্টও ভালো পাওয়া যাবে।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কেনার পূর্বে বিবেচ্য বিষয়:————————————————————————আপনি ডোমেইন সরাসরি রেজিস্ট্রার থেকে কিনুন বা বাংলা...
22/10/2019

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কেনার পূর্বে বিবেচ্য বিষয়:
————————————————————————
আপনি ডোমেইন সরাসরি রেজিস্ট্রার থেকে কিনুন বা বাংলাদেশী কোন রিসেলারের কাছ থেকে কিনুন, কেনার পূর্বে অবশ্যই আরও কিছু বিষয়ে জেনে নিবেন। আমি সংক্ষেপে পয়েন্ট আকারে লিখছি।
১. ডোমেইনের ফুল কন্ট্রোল প্যানেল আপনাকে দিবে কিনা তা জেনে নিন।
২. যদি কখনও ডোমেইন ট্রান্সফার করতে হয় সেক্ষেত্রে আপনি সরাসরি ট্রান্সফার করতে পারবেন কিনা। নাকি তাদের কাছে আসতে হবে। যদি আপনি সরাসরি ট্রান্সফার করতে না পারেন তাহলে ডোমেইন কেনার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
৩. ডোমেইন ট্রান্সফার আউট করলে তাদের কোন চার্জ দিতে হবে কিনা। এক্ষেত্রে কোন চার্জ লাগে না।
৪. ডোমেইন লক অপশন রয়েছে কিনা তা জেনে নিন।
৫. ডোমেইন ট্রান্সফার অথেনটিকেশন কোড সরাসরি আপনি কন্ট্রোল প্যানেল থেকে নিতে পারবেন কিনা তা জেনে নিন। যদি কোড তাদের কাছে থাকে তাহলে তাদের ইগনোর করুন।
৬. ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকুন ডোমেইনে ব্যবহৃত সকল তথ্য আপনার কিনা।
৭. বিভিন্ন চটকদার অফারে বিভ্রান্ত না হয়ে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে তারপর ডোমেইন নিবন্ধন করুন।

হোস্টিং নির্বাচনের পূর্বে বিবেচ্য বিষয়:
——————————————————————
১। কম দামের হোস্টিং এড়িয়ে চলুন: বাংলায় একটা প্রবাদ আছে- “যত গুড় তত মিষ্টি” সুতরাং কম দামের হোস্টিং এ সাপোর্ট কম পাবেন, বেশি দামেরটায় বেশি সাপোর্ট পাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিছুটাকা বাঁচানোর জন্য এমন মানের হোস্টিং নেওয়া উচিত হবে না যেটা আপনাকে সারা বছর ভুগাবে। ফেসবুকের কল্যানে এখন অনেকেরই স্ট্যাটাস পাওয়া যায় ১০ জিবি হোস্টিং মাত্র ৫০০ টাকায়! দয়া করে এদের এড়িয়ে যাবেন।
২। স্পেস ও বেন্ডউইথ দেখে নিন: যার কাছ থেকে হোস্টিং নিচ্ছেন তার তাছ থেকে ভাল ভাবে আপনার সার্ভারের স্পেস ও ব্যান্ডউইথ বুঝে নিন। সি-পেনেলে ঢুকে চেক করে দেখুন আসলেই কি আপনাকে আপনার কথামতন স্পেস ও ব্যান্ডউইথ দিয়েছে কিনা।
৩। কাস্টমার সাপোর্ট: হোস্টিং কেনার আগে সাপোর্টে ফোন, মেইল বা লাইভে চ্যেট করে দেখুন তারা লাইভ সাপোর্ট কেমন দেয়। আপনার সার্ভার
যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই তাদের সাথে আপনার যোগাযোগের ব্যাপারটা দেখে নিন।
৪। প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা : আপনার ওয়েবসাইট যে প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে রাখবেন তার ব্যবসা সম্পর্কে জেনে নিন। আনলাইনে সার্চ দিলে কোন হোস্টিং কোম্পানী সম্পর্কে অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন ফোরাম পোস্টগুলো দেখতে পারেন। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোস্টিং কেনাটাই বেশি ভাল।
৫। বাধ্যবাধকতা : হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান আর যদি লিনাক্স হোস্টিং বানাতে চান তাহলে তো চলবে না। এজন্য প্রয়োজন হবে উইনডোজ প্লান। তাই জেনে নিন কি কি লিমিটেশন থাকবে আপনার সার্ভারে।
৬। ই-মেইল ফিচার ও ডোমেইন ফিচার : আপনি কতটা ই-মেইল সেটআপ করতে পারবেন এবং কতটা ডোমেইন/সাব-ডোমেইন ব্যবহার করতে পারবেন তা
অবশ্যই জেনে নিবেন। আপনার আজ হয়তো একটি ওয়েব সাইট দরকার হলো কাল আরেকটা লাগতেই পারে তাই যে সব প্ল্যান একটি মাত্র ডোমেইন হোস্ট করতে দেয় সেই প্ল্যান না কেনাই ভাল।
৭। কন্ট্রোল প্যানেল : আপনি যদি এফটিপি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে অভ্যস্ত না হোন তবে সি প্যানেল বা ইউজার ইন্টারফেস কি দিবে তা জেনে নিন। আপনি হোস্টিং রিসেল করতে চাইলে একাধির ইউজার বানানো এবং তাদের জন্য রিসোর্স (স্পেস,ব্যান্ডউইথ) বরাদ্দের বেপারটি জেনে নিন।
৮। আপগ্রেড : একটা সময় আপনার বর্তমান প্লানটাকে একটু বাড়িয়ে নিতে হতে পারে, সেই সময় যদি সয়ংক্রিয়ভাবে তারা আপনার হোস্টিং আপগ্রেড করে দিতে পারে সেটা আপনার জন্য অনেক সুবিধাজনক হবে। সাধারনত ভাল মানের সকল সার্ভার কোম্পানী এরকম পদ্ধতি রেখে থাকে।

আপনি কি জানেন প্রতিদিন ২ লক্ষ এর অধিক ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে, তাই আপনার পছন্দের ডোমেইন নাম টি শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই কি...
07/10/2019

আপনি কি জানেন প্রতিদিন ২ লক্ষ এর অধিক ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে, তাই আপনার পছন্দের ডোমেইন নাম টি শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই কিনে ফেলুন। STCHost দিচ্ছে USA ভিত্তিক সর্বোচ্চ মানের SSD ওয়েব হোস্টিং প্যাকেজের সঙ্গে একটি ডোমেইন .COM .NET .INFO ১ বছরের জন্য ফ্রি।

বিস্তারিত জানতেঃ ০১৭১৮-৪৫১২৪৩
ওয়েবঃ www.stchost.com

06/10/2019

আপনি ঘুমাবেন, কিন্তু আপনার পণ্যের মার্কেটিং ঠিকই চলবে্।এটাও কি সম্ভব ??

হ্যাঁ সম্ভব!!! তো এমন কি আছে, যা আপনার সার্ভিস/ প্রোডাক্ট/ এর জন্য ২৪/৭ ঘণ্টা মাসে ৩৬০ দিন মার্কেটিং করবে? খরচ হবে মার্কেটার রাখার চেয়ে অনেক কম! জী! এটা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনলাইন মার্কেটিং। আপনার ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানকে অনলাইনে পরিচিত করাতে চান?

একটি মানসম্মত ওয়েবসাইট আপনার ব্র্যান্ডেকে ফুটিয়ে তোলে চমৎকারভাবে। ওয়েবসাইট পারে আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে খুব সহজেই পৌছে দিতে, বাড়িয়ে দেয় গ্রাহকের আস্থা আর ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা।আপনার অনলাইন প্রেজেন্স ও ব্র্যান্ডভ্যালুকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে SELLTECH Corporation তৈরী করবে আপনার স্বপ্নের ওয়েবসাইট ; তাও স্বল্প খরচে ।
-----------------------------------------------------------
কেন আমাদের সেবা নিবেনঃ
✅ ডোমেইন + হোস্টিং + এসএসএল
✅ নিজস্ব ডোমেই্ন কন্ট্রোল প্যানেল
✅ অনপেজ অপটিমাইজেশন
✅ প্রফেশনাল ও কাস্টোম ডিজাইন
✅লাইফটাইম সাপোর্ট

তাহলে দেরি কেন? মানসম্মত ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েবপেইজ ডেভেলোপমেন্টের জন্য আজই যোগাযোগ করুনঃ
-----------------------------------------------------------
সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানাঃ
🏠 সুবাস্তু অর্কেড আইটি পার্ক, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।
☎ +৮৮-০৯৬১৩৭৫০৭৫০ 📲 +৮৮-০১৭১৮৪৫১২৪৩
📧[email protected] 🌐 www.stchost.com

স্টার্টআপ এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যঃ ১। আইডিয়াঃ আপনার আইডিয়াই হচ্ছে আপনার ব্যবসার মূলপ্রাণ।২। বিজনেস এন্ড প্রজেক্টর ন...
25/09/2019

স্টার্টআপ এর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্যঃ

১। আইডিয়াঃ আপনার আইডিয়াই হচ্ছে আপনার ব্যবসার মূলপ্রাণ।

২। বিজনেস এন্ড প্রজেক্টর নামঃ একটা ব্যবসার ক্ষেত্রে তার নামই কিন্তু মূল ব্র্যান্ডিং। একটা সুন্দর নাম যদি তার কাজ ও মূল লক্ষ্যের সাথে না মেলে, তাহলে এর মূলেই সেটা ধ্বংস হওয়া শুরু করে। সেজন্যে ব্যবসার নামের দিকে খেয়াল রাখাটাও জরুরী।

৩। লিগ্যাল ডকুমেন্টসঃ ব্যাবসা করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স, টিন, বিন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ইত্যাদি লিগ্যাল ডকুমেন্টস অত্যাব্যশ্যক।

৪। লোগো ক্রিয়েশন এন্ড ব্র্যান্ডিংঃ একটি পারফেক্ট লোগো যেকোন বিজনেসকে ব্রান্ডিং এর ক্ষেত্রে অন্যমাত্রা যুক্ত করতে পারে।

৫। ওয়েবসাইটঃ একটি ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠানের ভার্চুয়াল অফিস হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ফলে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা একান্ত প্রয়োজন।

৬। সোশ্যাল মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি ম্যানেজমেন্টঃ সামাজিক মাধ্যমগুলো বর্তমানে আমাদের যোগাযোগের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠিকই কিন্তু এরই সাহায্যে আমরা চাইলে হাজার হাজার ক্রেতা তৈরি করতে পারি। আর তাই ব্যবসার কাজে সোশ্যাল মিডিয়ার গুরুত্ব অনেক।

ওয়েব সাইট আপনার প্রতিষ্টানের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম । ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান ভেদে বিভিন্ন ভূমিকা পালন ক...
28/08/2019

ওয়েব সাইট আপনার প্রতিষ্টানের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগ মাধ্যম । ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠান ভেদে বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে । আপনার ওয়েব সাইট একটি শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যম , ক্রেতাকে প্রভাবিত করার অন্যতম উপায় , আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন এবং পরিচিতির অন্যতম মাধ্যম , বর্তমান বাজার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের অন্যতম মাধ্যম । আমরা অনেকেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাই নিজ প্রতিষ্টান এর জন্য । এই পোস্ট টি তে বিস্তারিত আলোচনা করতে চাই কিভাবে আমাদের ওয়েবসাইট তৈরির ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত । পোস্টটিতে একটি ওয়েবসাইট প্রস্তুত করনের সময় যে ব্যাপার গুলি মাথায় রাখা প্রয়োজন তা বিস্তারিত আলোচনা করায় পোস্ট টি অনেক লম্বা হবে । আপনি যদি একান্তই আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে সিরিয়াস হয়ে থাকেন তবে আপনার পুরো পোস্ট টি পড়ার ধৈর্য আছে বলে ধরে নিচ্ছি ।

ওয়েব সাইট তৈরির আগে নিজেকে প্রস্তুত করুনঃ ওয়েব সাইট তৈরির জন্য বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক এজেন্সি পাবেন কেউ অনেক কম দামে ওয়েব সাইট বানিয়ে দিবে , কেউবা অনেক দামে । এসকল দামের তারতম্যের অনেক গুলি কারন আছে । আপনার যদি সাম্যক ধারনা থাকে তাহলে আপনার ওয়েব সাইট এর ধরন বা আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য বাজেট করতে আপনার সুবিধা হবে । নিম্নের পয়েন্ট গুলি আপনাকে প্রস্তুত করার জন্য ।

ওয়েবসাইট এর ব্যাপারে আপনাকে সাম্যক ধারনা দিতে হলে আপনাকে আমাদের দেশীয় ভাষায় বোঝানোর চেস্টা - আপনার প্রতিষ্ঠানের অনলাইন রুপই আপনার ওয়েবসাইট । এখানে আপনার প্রতিষ্ঠান যেমন কিছু উপকরন দিয়ে তৈরি তেমনি ওয়েবসাইট ও কিছু উপকরন দ্বারা তৈরি হয়ে থাকে ।

ডোমেইনঃ একটা প্রতিষ্টান বা দোকান বানাবার আগে সবার আগে যেই জিনিস টি মাথায় আসে তা হচ্ছে আপনার দোকানের নাম কি হবে মানে সাইন বোর্ড টি কি হবে , ওয়েব সাইট এর ক্ষেত্রে আপনার সাইন বোর্ড টি হচ্ছে আপনার ডোমেইন । আপনার দোকানের নাম কোন কিছুর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না বিধায় আপনি চাইলেই একই নামে ৫ টি দোকান খুলতে পারেন কিন্তু অনলাইন এর ক্ষেত্রে ডোমেইন একটি সংস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং একই নাম দুই জন ব্যবহার করতে পারেন না । এই ক্ষেত্রে নামের আগে পিছে ১ , ২৪ , বিডি ওমক তকম লাগিয়ে অনেক নাম নির্ধারন করেন । সুতরাং আপনার উপকরন নং ১ হচ্ছে আপনার সাইন বোর্ড বা নাম । ডোমেইন কিনতে আপনার ২০০ থেকে ২৫০০ খরচ হতে পারে । কিন্তু আপনি যদি অন্য কারো কাছ থেকে তার ডোমেইন কিনতে চান তাহলে আপনাদের আলোচনার ভিত্তিতে এর মুল্য যে কোন সংখ্যা হতে পারে ।

হোস্টিংঃ আপনার দোকানের নাম ঠিক করার পর আপনাকে দোকান এর জন্য জায়গা খুজতে হয় । অনুরুপ ভাবে আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ভার্চুয়াল জায়গা প্রয়োজন । এখন আসা যাক প্রকার ভেদ নিয়ে - ধরুন জমির হিসাবের একক শতাংশ এবং ভার্চুয়াল জমির (হোস্টিং) এর একক হচ্ছে জিবি । আপনার প্রতিষ্টানের ধারন ক্ষমতা ও তা পরিচালনার জন্য যেমন ভিন্ন ভিন্ন পরিমান জমির প্রয়োজন , যেমন স্কুলের জন্য একরকম , ছোট দোকানের জন্য একরকম আবার শপিং কমপ্লেক্স এর জন্য আরেক রকম । তেমনই ওয়েব সাইট এর ধরন অনুযায়ী আপনার হোস্টিং এর জায়গা নির্ধারন করতে হয় ।

জায়গা আবার কয়েক প্রকার হয় - যেমন আপনার নিজের জমি ( বাবা কেলে আর কি ) হলে তার ও একটা নির্দিষ্ট পরিমাপ থাকে ধরুন আপনার জমি ৯০ শতাংশ তাহলে এই নব্বই শতাংশ হচ্ছে আপনার নিজের জমি - যা হোস্টিং এর ক্ষেত্রে লোকাল সার্ভার হিসেবে পরিচিত । মান কোন সার্ভার যতি আপনি নিজেই প্রস্তুত করেন তাহলে তা আপনার নিজের সার্ভার । কিন্তু আপনার জমি যদি পুকুরের মাঝে হয় সেখানে যেমন আপনি দোকান দিতে পারবেন না তেমনি বাংলাদেশ থেকে সার্ভার পরিচালনা করা কিছুটা কস্টসাধ্য ও কোয়ালিটির দিক দিয়ে পুকুরের মধ্যে থাকার মত ।

ধরুন আপনি ওমুকের জমি লিজ নিলেন - এটাকে বলে সার্ভার ভাড়া নেওয়া । লিজ নেওয়ার সময় আপনি কয়েক ভাবে লিজ নিতে পারেন যেমন প্লট আকারে - মানে একটা নির্দিষ্ট জমি কয়েকটি প্লটে ভাগ করে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে আপনি তার কোন একটি অংশ ভাড়া নিলেন । এটা ওয়েব সাইট এর ক্ষেত্রে শেয়ার্ড হোস্টিং হিসেবে পরিচিত । ধরুন আপনি পুরো জমিটিই ভাড়া নিলেন তাহলে এটাকে ওয়েব এর ভাষায় প্রাইভেট সার্ভার বলে । পুরো জমিটি আপনি চাইলেই প্লট আকারে ভাগ করতে পারেন আবার পুরো জমিটি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যবহার করতে পারেন ।

জায়গা নেবার ক্ষেত্রে আপনি যেমন কয়েকটি ব্যাপার মাথায় রাখেনঃ একসাথে কত জনের জন্য আপনার প্রতিষ্টান তার সেবা প্রদান করতে চাই । এখন জায়গা ২ শতাংশ নিলেন প্রতিষ্ঠানে একসাথে প্রবেশ করাতে চান ৯০ জন - সেক্ষেত্রে হয় প্রতিষ্টান পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে ঠিক তেমনি হোস্টিং নেবার সময় বান্ডউইথ দেখে নিতে হবে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ এককালীন ব্যবহারকারীর উপর নির্ভর করে ।

এর পরে যেই ব্যাপার টা আসে সেটা হলো আপনার প্রতিষ্টান এবং হাদাভোদার প্রতিষ্টান একই পরিমান জায়গা একই পরিমান লোকের বসার জায়গা নিয়ে তৈরি । আপনাদের পন্য বা সেবাও একই । আপনার দোকানের কর্মী সংখ্যা ২ জন এবং হাদাভোদার দোকানের কর্মী সংখ্যা ৬ জন সেক্ষেত্রে হাদাভোদার দোকানের সেবা বা পন্য দ্রুত বিক্রি করা যাবে এটায় স্বাভাবিক এবং তার প্রতিষ্টানে ভীড় কম হবে এটাও স্বাভাবিক কারন ক্রেতা বা সেবা গ্রহিতারা এসেই তার কাংখিত সেবা পেয়ে যাবে । হোস্টিং নেবার ক্ষেত্রে সার্ভার এর র‍্যাম অনেকটাই এধরনের ভুমিকা রাখে । র‍্যামের আধিক্য ওয়েব কে দ্রুত গতির করে তুলে ও অধিক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে ।

এখন ধরুন আপনার প্রতিষ্টানে আসার রাস্তা নিয়ে - রাস্তা আপনার নিজের এবং সেটা আপনিই ব্যবহার করেন অর্থাৎ ঐ রাস্তায় গেলে আপনার প্রতিষ্ঠান ব্যতিরেকে অন্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া যাবে না । এটাকে প্রাইভেট আই পি বলে । রাস্তাও যদি ভাড়ার হয় এবং একই রাস্তায় যদি কয়েকটি প্রতিষ্টান থাকে তাহলে তা শেয়ার্ড আইপি ।

আপনার প্রতিষ্ঠান টি তৈরির সময় যেমন খুবই বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়ে থাকেন উপরের সাম্যক জ্ঞান থাকলে ওয়েব বানাবার ক্ষেত্রেও তেমন ভুমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করি । এখন আসেন কোয়ালিটি নিয়ে - আপনার ব্যবসা ছোট বা বড় , ব্যবসায়ের ধরন , ক্রেতা বিচার করেই আপনি দোকানের জন্য জায়গা ঠিক করে থাকেন । আপনি এমাজন মহাবনে নাপিতের দোকান দিলে দিতে পারবেন কিন্তু ক্রেতা পাবেন না এটা পনি ট্রেডিশনাল ব্যবসার ক্ষেত্রে ইতিমদ্ধ্যে জানেন । তেমনি ওয়েব সাইট এর ক্ষেত্রে এই সকল দিক গুলি অবশ্যই প্রয়োজন মাফিক নিয়েই ওয়েব সাইট বানাবার দিকে হাত দিবেন ।

প্রতিষ্টানের অপারেশন ম্যাপঃ আপনার প্রতিষ্টান কিভাবে পরিচালিত হয় । কোন কর্মি কি করে , কোন সেবা গ্রহিতার জন্য আপনি কি কি সুবিধা প্রদান করেন এবং করতে চান , আপনার মিশন ভিশন , আপনার প্রতিষ্ঠানের সেবা বা পন্যের তালিকা ইত্যাদি প্রস্তুত করুন । যা ডেভেলপার কে আপনার প্রয়োজন বোঝাতে বা ডেভেলপার থেকে সাজেশন নিতে আপনাকে সাহায্য করবে ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্টঃ ধরুন আপনার নাম ঠিক করা হয়ে গিয়েছে , জায়গা ও প্রয়োজন অনুসারে নির্ধারন করেছেন । এখন যে জিনিস টি দরকার পড়ে তা হলো আপনার প্রতিষ্টান নির্মান । প্রতিষ্ঠান নির্মানের ক্ষেত্রে আপনি যেমন চিন্তা করেন কংক্রিট দিয়ে বানাবেন , নাকি কাঠ , নাকি কাচ ইত্যাদি ইত্যাদি । ওয়েব সাইট বানানোর ক্ষেত্রেও এধরনের বিভিন্ন উপকরন দরকার হয় , আপনার প্রয়োজন অনুসারে বিচক্ষনতার সাথে আপনাকে তা নির্বাচন করতে হয় । এক্ষেত্রে আপনার বাজেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উপ করন নির্ধারন করা উভয় ক্ষেত্রেই বিচক্ষন সিদ্ধান্ত ।

ডেভেলপমেন্ট এর ধরনঃ ধরুন আপনি একটি প্রতিষ্টান ৫ তালার করতে চান মানে বৃহৎ আকারে করতে চান তাহলে আপনি কংক্রিট বা পাথরের ব্যবহার করেন । একটু ছোট হলে ইট আরো ছোট হলে কাঠের ব্যবহার করে থাকেন । তেমনি আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুসারে টেকনোলজি নির্ধারন করুন ।

১. ধরুন আপনি একটি বড় কাঠামো বানাবেন তার অপারেশন ম্যাপ প্রস্তুতের পর আপনি ইট খোয়া সিমেন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি দিয়ে আপনার কাঠামো তৈরি করেন তেমনি আপনার ওয়েবের কাঠামো যদি একেবারে আপনার অপারেশন ম্যাপের সাথে মিলে যাবে এমন ভাবেই তৈরি করেন তাহলে ডেভেলপমেন্ট টি শুরু থেকেই একটি টিম এর কাছে দিয়ে দেয়া হয় তারা ইট বালু মিশিয়ে স্ক্রাচ থেকে কাঠামো বানানো শুরু করেন । ওয়েব এর ক্ষেত্রেও এমন যদি ওয়েব সাইট বা ওয়েব সিস্টেম একান্তই নিজের মত করে তৈরি করতে হয় তাহলে বিভিন্ন ল্যাংগুয়েজ ও টেকনোলজির উপর নির্ভর করে একেবারে শুরু থেকেই ডেভেলপ করতে হয় এটাকে কাস্টম ডেভেলপমেন্ট বলা হয় ।

২. আপনি রেডিমেড বোর্ড কিনে নিয়ে বা গ্লাস কিনে নিয়ে কাঠামো তৈরি করতে পারেন । এক্ষেত্রেও আপনি পছন্দ মত পার্টিশন করতে পারেন , বা বোর্ড এর আকারের উপর নির্ভর করে আপনার অপারেশন এর সাথে কাঠামোর সামঞ্জস্যতা তৈরি করেন । ওয়েব এর ক্ষেত্রে এরকম বিভিন্ন রেডি মেড সিস্টেম পাওয়া যায় যেমন ওয়ার্ডপ্রেস , ওপেন কার্ট , মেজেন্টো , প্রেস্তা শপ ইত্যাদি । যা দিয়ে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী সিস্টেম ডেভেলপ করতে পারবেন । এক্ষেত্রেও আপনাকে কাঠের মিস্ত্রি ( ওয়েব ডিজাইনার ) এর নিকট যেতে হতে পারে । কেননা আপনি নিজেই বোর্ড বা গ্লাস গুলি ব্যবহার করে কাঠামো বানাতে গেলে তা অসুন্দর হতে পারে , টেকশই না হতে পারে ।

৩. আপনি একেবারে রেডিমেড স্টল , টং , বা ওয়ার্ক স্টেশন দিয়েও প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারেন , সেক্ষেত্রে আপনাকে ঐ ওয়ার্ক স্টেশন বা সিস্টেম অনুযায়ী আপনার প্রতিষ্ঠান সাজাতে হবে । অনেক ওয়েব সাইট ডিজাইনিং সাইট আছে যারা রেডিমেড সিস্টেম ইউজ করতে দেয় যেমন উইক্স । একেবারে ছোট প্রতিষ্ঠান গুলি বা যারা ঝামেলা পছন্দ করেন না তাদের জন্য এই সিস্টেম গুলি উপকারী ।

সিকিউরিটিঃ ধরুন আপনার প্রতিষ্ঠান তৈরি শেষ , এর পরেই যে ব্যাপার টা আপনাকে সর্ব প্রথম ভাবাবে তা হচ্ছে আপনার প্রতিষ্টানের সিকিউরিটি - আপনার প্রতিষ্ঠানের সম্পদ , তথ্য , কাস্টমার তথ্য , সেবা পরিচালনার ব্যবস্থা ইত্যাদি সিকিউর রাখা সকল প্রতিষ্টানের জন্য অন্যতম ভাবনার বিষয় । তেমন ওয়েব সাইট এর বিভিন্ন তথ্য সিকিউর করার জন্য বিভিন্ন ( সিকিউরিটি গার্ড ) সেবা পাওয়া যায় , যা অফলাইন এ দারোয়ান এর ক্যাপাসিটির মত করেই তুলনা যোগ্য ।

এখন আসুন দামা দামি নিয়েঃ

১. ১০০০ টাকায় / ২০০০ টাকায় / ৫০০০ টাকায় ওয়েবসাইট এরকম অবশ্যই শুনে থাকবেন । এতক্ষনে বুঝে যাবার কথা তারা কিভাবে এগুলো প্রোভাইড করে - তার পরেও না বুঝলে একটু বলি - একটি রাস্তার পাশের একটি জমি ( ধরি ৫০০০০ টাকা দিয়ে নিয়েছে ) তাকে ৫০০ প্লটে ভাগ করে ( প্রতি প্লট এর দাম পড়লো ১০০ টাকা ) তার একটি প্লট এ একটি টং দোকান ( যা তারা ফ্রিতে বা অতি অল্প মুল্যে সংগ্রহ করেছে ) বসিয়ে আপনাকে দিবে । আপনি মনের অজান্তেই সাত তলা বা করাইল বস্তিতে একটি পানের স্টল কিনে সেখানে আপনার প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কথা চিন্তা করে থাকবেন ।

যেহেতু জায়গা ভেদে জমির দাম ( হোস্টিং এর মুল্য ) নির্ধারিত হয় সেহেতু প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে জমির , উপকরনের ধরন, প্রস্তুতকারীর স্কিল ইত্যাদি ভেদে ওয়েবসাইট তৈরির মুল্য নির্ধারিত হয়ে থাকে ।

আরো ভালো ভাবে ধারনা দিতে গেলেঃ ভাল জমি , বড় কাঠামো বানাতে খরচ হবে বসুন্ধরা সিটি টাইপ এর খরচ হবে ধরুন লক্ষ থেকে কোটি । ভাল জমি মিডিয়াম কাঠামো হলে প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত কম দামে ধরুন হাজার থেকে লাখ এ হতে পারে ।

আপনার প্রজেক্ট এর ব্যাপারে আমাদের সাথে বিনামূল্যে আলোচনা করতে পারেনঃ

পরবর্তি পোস্ট গুলিঃ

১. ওয়েব সাইট এর ধরন
২. ধরন অনুযায়ী ওয়েবসাইট এর স্ট্রাকচার ও ফিচার
৩. ওয়েবসাইট টেকনোলজি গুলি নিয়ে আলোচনা
৪. ওয়েব সাইট বানাবার সময় সীমা
৫. কেন ২, ৩ টি ওয়েবসাইট মিক্স করা উচিত না
৬. ওয়েব সাইট সিকিরিটি নিয়ে ৯ , ৬
৭. ওয়েব প্লাটফর্ম গুলির পোস্ট মোর্টাম
৮. ওয়েব সাইট এর পোস্ট মোর্টাম

ইত্যাদি ইত্যাদি।

সবার ঈদ যাত্রা শুভ হোক!!!
08/08/2019

সবার ঈদ যাত্রা শুভ হোক!!!

Dengue is a mosquito-borne viral infection causing severe flu-like illness and, sometimes causing a potentially lethal c...
01/08/2019

Dengue is a mosquito-borne viral infection causing severe flu-like illness and, sometimes causing a potentially lethal complication called severe dengue. The dengue situation in the country is getting worse this year as the number of infected people has more than doubled since last month, compared with the same period last year.

Dengue infected people are increasing rapidly. In this emergency situation, we must take the following Precautions –
• Keeping Your Surroundings Dry and Clean.
• Use Mosquito Net While Sleeping.
• Use Mosquito Repellents.
• Wear a long-sleeved shirt and full pants and socks.
• If You Feel Sick, Consult With a Doctor Immediately.

If You Have Doubt, Know the Symptoms-
• High Fever or sometimes a low-grade fever.
• Headaches and pain behind eyes
• Stomach Ache.
• Severe Pain in Joint and Muscles.
• Nausea and Vomiting.
• Rashes in Body.
• Diarrhea.
• Bleeding Gums /Nose/eye, stool.

Do the Diagnosis (Lab Test) -
• CBC (Platelet + HcT)
• Dengue NS-1 (Day-1 to Day-5 from the onset of fever)
• Dengue IgM (after 5 days from the onset of fever or infected before)
• Dengue IgE (after 5 days from the onset of fever or infected before)

Follow the steps, if you’re Infected-
• Continuous Rest and Drink Plenty of Fluids/ drinks (fruit juice) and ORS.
• Take Medicine Properly According What Doctor Suggest.
• No antibiotic without a doctor’s prescription.
• Consult a doctor or go to the hospital immediately if a bleeding rash appears.

Safety Of You And Your Loved Ones Is Your Responsibility

Address

Concept Tower, 4th Floor, 68-69, Green Road
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8809613750750

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when STCHost posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to STCHost:

Share

Category