Ovi Growth Agency

Ovi Growth Agency Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ovi Growth Agency, Advertising agency, Dhaka.

"🚀 Ovi Growth Agency
📈 আপনার ব্যবসার ডিজিটাল গ্রোথ পার্টনার!
🎯 স্পেশালিস্ট ইনঃ Facebook Ads | page Setup | TikTok Ads
📊 পিক্সেল সেটআপ, সার্ভার-সাইড ট্র্যাকিং এবং প্রফেশনাল মার্কেটিং সল্যুশন"

আলহামদুলিল্লাহ এই রেজাল্ট এ ৩১ টা অর্ডার ৩৫ হাজার + টাকা বিডি ক্লায়েন্ট
15/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ এই রেজাল্ট এ ৩১ টা অর্ডার
৩৫ হাজার + টাকা বিডি ক্লায়েন্ট

🎯 আপনি যত ভালো মার্কেটার দিয়ে কাজ করান না কেন, যদি কনটেন্ট ভালো না হয়, তাহলে রেজাল্ট কখনোই ভালো আসবে না!💡 কারণ ভালো মা...
02/02/2026

🎯 আপনি যত ভালো মার্কেটার দিয়ে কাজ করান না কেন, যদি কনটেন্ট ভালো না হয়, তাহলে রেজাল্ট কখনোই ভালো আসবে না!

💡 কারণ ভালো মার্কেটিং শুরু হয় ভালো কনটেন্ট দিয়ে — যা আপনার অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করে, বিশ্বাস তৈরি করে এবং বিক্রি বাড়ায়।

📩 বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
📞 WhatsApp: 01822-950527

#ডিজিটালমার্কেটিং

রেজাল্ট আলহামদুলিল্লাহ ভালো ৯৫০০৳ সেল
25/01/2026

রেজাল্ট আলহামদুলিল্লাহ ভালো ৯৫০০৳ সেল

15/01/2026

কন্টেন্ট হিট না করলে, কিছুই হিট করে না !!
সত্যি কথা বলতে, আজকাল শুধু অ্যাড দিলেই আর ব্যবসা চলে না।
আপনি যত টাকাই ঢালেন না কেন, যদি আপনার কনটেন্ট মানুষকে এক সেকেন্ডের জন্যও থামাতে না পারে, তাহলে সেই টাকা শুধু স্ক্রল কিনে দিচ্ছে কাস্টোমার না।
আমরা সবাই ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম খুলি সময় কাটাতে। এই মাইন্ডসেট নিয়ে কেউ বসে থাকে না যে আজকে আমি কিছু কিনব ।
তাই আপনার কাজ হচ্ছে সেই সাধারণ স্ক্রলের মাঝখানে মানুষকে থামানো।
আর মানুষ তখনই থামে, যখন সে নিজের কিছু দেখতে পায় নিজের সমস্যা, নিজের কষ্ট, নিজের চাওয়া।
মানুষ আসলে লজিকে কেনে না মানুষ আগে অনুভব করে, তারপর কেনে। আপনি যখন এমন কিছু পড়েন বা দেখেন যেটা আপনার নিজের জীবনের সাথে মিলে যায়, তখন ভেতরে একটা ক্লিক হয়।
ধরুন,
আপনি আয়নায় তাকিয়ে ভাবছেন, “মুখটা আগের মতো ফ্রেশ লাগছে না।” হঠাৎ যদি একটা কনটেন্ট সেই কথাটাই বলে দেয়, তখন আপনি আর স্ক্রল করেন না আপনি পড়েন, ভাবেন, আগ্রহী হন।
বাংলাদেশের মার্কেটে এই জিনিসটা আরও বেশি সত্য এখানে মানুষ খুব ইমোশনালভাবে সিদ্ধান্ত নেয়।
মায়ের জন্য কিছু, পরিবারের আরামের জন্য কিছু, নিজের আত্মসম্মানের জন্য কিছু, কিংবা শুধু একটু ভালো লাগার জন্য কিছু এই অনুভূতিগুলোই কেনার পেছনে কাজ করে।
তাই কনটেন্ট যদি শুধু প্রোডাক্টের কথা বলে, মানুষ পাত্তা দেয় না কিন্তু যদি সেই প্রোডাক্ট দিয়ে তার জীবনটা একটু ভালো কেমন হতে পারে সেটা দেখাতে পারেন, তখন মানুষ শোনে।
এর সাথে আরেকটা জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রোডাক্টের আলাদা একটা পরিচয় থাকতে হবে।
আপনি কেন আলাদা? আপনার প্রোডাক্টে এমন কী আছে যেটা অন্যরা দিচ্ছে না? সেটা গ্যারান্টি হতে পারে, কোয়ালিটি হতে পারে, বা ব্যবহার করার সুবিধা।
মানুষ আসলে “সবচেয়ে সস্তা” খোঁজে না, মানুষ খোঁজে “সবচেয়ে ভরসার” জিনিস।
আর হ্যাঁ,
সবসময় খুব ভদ্র, খুব সেফ কথা বললে কেউ থামে না মাঝে মাঝে একটু চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে হয়।
এমন কিছু বলতে হয় যেটা মানুষকে ভাবায়, “আচ্ছা, এটা তো আমি আগে এভাবে ভাবিনি।” তবে সেটা করতে হবে বুদ্ধি দিয়ে, যাতে নেগেটিভ বা ঘৃণা ছড়ায় না শুধু কৌতূহল তৈরি হয়।
শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা খুব সিম্পল আপনি শুধু কিছু বিক্রি করছেন না আপনি মানুষের অনুভূতির সাথে কথা বলছেন।
যেদিন আপনার কনটেন্ট মানুষকে অনুভব করাতে পারবে, সেদিনই আপনার ক্লিক আসবে, সেদিনই আপনার অর্ডার আসবে, আর সেদিনই আপনার ব্যবসা সত্যি সত্যি গ্রো করবে।
কারণ মানুষ আগে কনটেন্টে বিশ্বাস করে, তারপর ব্র্যান্ডে।

Send a message to learn more

10/01/2026

ফেসবুকে টার্গেট বুষ্ট আসলে কি জিনিস -
ধরা যাক, বাংলাদেশে ২ কোটি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে। এর মধ্যে ১৩ বছরের বাচ্চা রয়েছে আবার ৬০
বছরের বৃদ্ধও রয়েছে। রিকশাচালক রয়েছে, আবার কোন কোম্পানির সিইও রয়েছে।
এই ২ কোটির মধ্যে আপনার পোস্ট যাবে ধরুন বাজেট অনুযায়ী ১৫০০০ মানুষের কাছে। সবাই কি আপনার
প্রোডাক্ট কিনবে/সবাই কি আপনার কাস্টমার?
নিশ্চয়ই না, একজন রিকশাচালক অথবা ১৩ বছরের বাচ্চা নিশ্চয়ই আপনার প্রোডাক্ট কিনবেনা।সুতরাং,
আপনার পোস্ট কি রিকশাচালক বা ১৩ বছরের বাচ্ছার কাছে পৌঁছিয়ে কোন লাভ আছে?
আবার জিগাই, লাভে লোহা বইছে কিন্তু সেটা আপনার না,যিনি আপনাকে ভুজুং ভাজুং বোঝাচ্ছেন, তার।
আর আপনার?
অবশ্যই লস, কারণ প্রত্যেকটা রিচের জন্য আপনার টাকা খরচ হচ্ছে। আপনি নিশ্চয়ই চান যেন আপনার পোস্ট টা এমন মানুষের কাছে পৌঁছায়, যাদের কেনার জন্য ইচ্ছা ও সামর্থ্য আছে বা যাদের ওই প্রোডাক্ট টা দরকার।
কিভাবে টার্গেট কাস্টমারের কাছে পৌঁছাবো?
এখন আপনার পোস্টটি ২ কোটি মানুষের যে কোন কারও কাছে পৌঁছাতে পারে। এখন আপনি এই ২ কোটি সংখ্যাকে যত ন্যারো করবেন, ততই নির্দিষ্ট হবে আপনার টার্গেট কাস্টমার।আপনি একটি পোস্ট বুস্ট করবেন, আপনি শুরুতে একটা এজ লিমিট দেন, আপনার যারা কাস্টমার, তাদের বয়স কত হবে?
ধরুন, ২৪-৪৫
বয়সের লিমিট দেওয়ার পর সংখ্যাটা ১ কোটি হয়ে গেল। এবার ধরুন, আপনার যারা কাস্টমার, তারা মেয়ে হবে।
এবার জেন্ডার দিন, ফিমেল।তাহলে সংখ্যাটা হয়ে গেল ৫০ লাখ।এবার ধরুন আপনি বেবি আইটেম সেল করেন,সুতরাং আপনি চিন্তা করলেন, যাদের বেবি আছে তাদের কাছে পোস্টটি পৌঁছাতে।
এবার আপনি অডিয়েন্স দিলেন, যাদের ১-২ বছর/৫-৬ বছরের বেবি আছে।তাহলে ওই ৫০ লাখের মধ্যে যাদের বেবি আছে, তাদের কাছেই আপনার পোস্ট পৌঁছাবে।
তাহলে আবার বয়স - ২৩-৩৫ ও দেয়া যাবে।ডিপেন্ড করবে রিসার্সের উপরে।
অথবা আপনি গিফট আইটেম সেল করেন,সুতরাং আপনি এমনভাবে টার্গেট করতে পারেন যাদের ফ্রেন্ড এর আগামী ১ সপ্তাহে বা আগামী এক মাসে জন্মদিন আছে অথবা যাদের আগামী এক মাসে অ্যানিভার্সারী আছে।
তাহলে ওই সংখ্যাটা চলে আসবে ১০ লাখে।এই ১০ লাখ আপনার অডিয়েন্স, ধরেন এদের বেশিরভাগই আপনার কাস্টমার হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
আপনাকে আগে আপনার কাস্টমার চিনতে হবে। আপনার কাস্টমার কারা হবে, তাদের ব্যাবহার কেমন হবে, তারা কি খেতে পছন্দ করে, কেমন গান পছন্দ করে, কেমন মুভি পছন্দ করে, তারা কি ছাত্র নাকি জব হোল্ডার, নাকি ব্যবসায়ী, তারা কি সিঙ্গেল নাকি ইন অ্যা রিলেশন।

Send a message to learn more

Alhamdulillah 💥💥
04/01/2026

Alhamdulillah 💥💥

ইঞ্জিন না থাকলে ফুয়েল কোনো কাজে লাগে না।অনেকেই ভাবেন— “পয়সা ঢাললেই রেজাল্ট হয়ে যাবে।”তাই পেজ খোলার সাথে সাথেই শুরু হয...
05/12/2025

ইঞ্জিন না থাকলে ফুয়েল কোনো কাজে লাগে না।

অনেকেই ভাবেন— “পয়সা ঢাললেই রেজাল্ট হয়ে যাবে।”
তাই পেজ খোলার সাথে সাথেই শুরু হয় ADS/BOOST—বেশি ফলোয়ার আনার আশায়।

এডস চলার সময় রিচ–ফলোয়ার–এনগেজমেন্ট আকাশচুম্বী…
কিন্তু এডস বন্ধ হতেই—
🔻 Reach কমে যায়
🔻 Engagement পড়ে যায়
🔻 নতুন ফলোয়ার আসে না

কারণ 👉 ফুয়েল আছে, কিন্তু ইঞ্জিনই নেই।

🔵 ছোট বিজনেসকে Brand বানাতে Organic Marketing-ই প্রথম কাজ (Ads নয়)
শুরুতেই বিজ্ঞাপন না চালিয়ে কিছু সময় দিন অর্গানিক গ্রোথে।
আপনার লাভই হবে—গ্যারান্টি।

Organic Marketing করলে যেসব ভেনিফিট পাবেন:
1️⃣ Long-term Trust তৈরি হয়
Paid Ads মানুষকে আকর্ষণ করে,
কিন্তু Organic Content মানুষকে বিশ্বাস করায়।
বিশ্বাস ছাড়া মার্কেটিং মানে স্কুলের গ্রুপ প্রজেক্ট—
কেউ কাজ করে না, রেজাল্টও আসে না।
2️⃣ Audience-এর সাথে Real Connection হয়
মানুষ চায় Real কন্টেন্ট।
Organic পোস্ট দেখায়—
আপনি শুধু বিক্রি করতে আসেননি,
আপনি সমস্যার সমাধান দিতে এসেছেন।
এই সংযোগ Paid Ads দিয়ে কেনা যায় না।
3️⃣ Zero Cost Growth
অর্গানিক মানে—পকেট সেফ।
নিয়মিত ভ্যালু দিলে Facebook নিজেই
আপনার কন্টেন্ট মানুষের সামনে ঠেলে দেবে।
4️⃣ Paid Ads-এর রেজাল্ট আরও শক্তিশালী হয়
অর্গানিক Reach ভালো হলে Ads কম খরচে ভালো চলে।
Facebook ভাবে—
“এরা ভ্যালু দিচ্ছে, বিরক্ত করছে না।”
তারপর অ্যালগরিদম একটু দয়া দেখায়। 😉
5️⃣ Brand Positioning শক্ত হয়
Organic Content বলে দেয়—
আপনি কে, কেন মানুষ আপনাকে ফলো করবে,
এবং আপনার ব্র্যান্ড কতটা ভ্যালু দেয়।
Ads শুধু দরজা খুলে দেয়,
কিন্তু Organic Content মানুষকে ঘরে বসতে শেখায়।

📌
নিজের ব্র্যান্ড তৈরি করতে Organic Marketing হলো
দীর্ঘমেয়াদী শক্ত ভিত্তি।
ADS হলো Fuel আর Organic হলো গাড়ির Engine.গাড়ির ইঞ্জিন যদি Strong না হয় তাহলে ফুয়েল দিয়ে কি হবে?

Google Tag Manager কী?Google Tag Manager (GTM) হলো একটি ১০০% ফ্রি ট্যাগ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা কোনো ডেভেলপারের সাহায্য...
01/12/2025

Google Tag Manager কী?

Google Tag Manager (GTM) হলো একটি ১০০% ফ্রি ট্যাগ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা কোনো ডেভেলপারের সাহায্য ছাড়াই ব্যবহারকারী, মার্কেটার বা ডেটা অ্যানালিস্টকে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ট্র্যাকিং ট্যাগ সহজে ম্যানেজ করতে সাহায্য করে।
ওয়েবসাইটের কোড বারবার পরিবর্তন না করেই আপনি যেকোনো ট্র্যাকিং কোড যোগ, রিমুভ বা আপডেট করতে পারবেন—এটাই GTM-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা।

মূলত এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা ওয়েবসাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ করে বিভিন্ন থার্ড-পার্টি মার্কেটিং টুলে পাঠায়—যেমন:
Facebook, Google Ads, Google Analytics 4, TikTok, LinkedIn Ads, Hotjar ইত্যাদি।

ডেটা যত ভালো হবে, এড অপটিমাইজেশন (optimization) এবং বিশ্লেষণ ততই শক্তিশালী হবে—GTM ঠিক সেটাই নিশ্চিত করে।

Google Tag Manager কীভাবে কাজ করে?
GTM মূলত তিনটি কোর উপাদান নিয়ে কাজ করে—Tag, Trigger, এবং Variable।

1️⃣ Tag (ট্যাগ)
ট্যাগ হচ্ছে সেই নির্দেশনা যা বলে আমরা কী ট্র্যাক করতে চাই কোন প্লাটফর্ম এ ডাটা পাঠাতে চাই।
যেমন:
Pageview
View Content
Purchase
Button Click
Form Submission
আপনার ওয়েবসাইটে কোন অ্যাকশন ঘটলেই কোন ডেটা পাঠাতে হবে—এটা ট্যাগ দিয়ে নির্ধারণ করা হয়।

2️⃣ Trigger (ট্রিগার)
ট্রিগার নির্ধারণ করে—কখন ট্যাগটি ফায়ার হবে।
যেমন:
একজন ভিজিটর ওয়েবসাইটে ঢুকলেই Pageview Trigger ট্যাগকে ফায়ার করবে
একজন কাস্টমার কোনো প্রোডাক্ট খুললে View Content Trigger ফায়ার হবে
ইউজার বাটনে ক্লিক করলে Click Trigger চলবে
অর্থাৎ ট্রিগার হলো ট্যাগের ফায়ারিং কন্ডিশন।

3️⃣ Variable (ভ্যারিয়েবল)
ভ্যারিয়েবল অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে, যাতে ট্র্যাকিং আরও নির্ভুল হয়।
যেমন:
কাস্টমার তথ্য:
ইমেইল
ফোন নম্বর
ফার্স্ট নেম
লাস্ট নেম
প্রোডাক্ট তথ্য:
প্রোডাক্ট নাম
প্রোডাক্ট আইডি
ভ্যালু
কারেন্সি
এসব ভ্যারিয়েবল যোগ হলে ডেটা বিশ্লেষণ আরও গভীরে করা যায়।

GTM কেন ব্যবহার করবেন?
- সব ট্র্যাকিং কোড এক প্ল্যাটফর্মে ম্যানেজ করা যায়।
- ডেভেলপারের সাহায্য ছাড়াই ট্যাগ অ্যাড/আপডেট করা যায়।
- ট্র্যাকিং দ্রুত ও সঠিক হয় সময় বাঁচে।
- ডেটা আরও পরিষ্কারভাবে বিভিন্ন মার্কেটিং টুলে পাঠানো যায়।
- বিজ্ঞাপন আরও নির্ভুলভাবে অপটিমাইজ করা যায়।

20/11/2025

দেখুন তো আপনি কোন দলে?

যেকোন প্রকার সেলসের ক্ষেত্রে দুইটা পদ্ধতি দেখা যায় আর তা হলো-

- Traditional Technique.
- Modern Technique.

✅ Traditional Technique-

- আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কে সবার কাছে অফার করুন।

- তাদেরকে বলুন,আমার প্রোডাক্ট সবার সেরা এবং আমরা কোয়ালিটিতে ছাড় দিই না।

- প্রোডাক্টের ফিচার নিয়ে সারাদিন বলতেই থাকুন, যত সময় পর্যন্ত যে ক্রয় না করে।

✅ Modern Technique -

- Market Research করে টার্গেটেড অডিয়েন্সের সমস্যা খুঁজে বের করুন।

- Product / Service নিয়ে প্রচুর পরিমাণে নিয়মিত জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করুন।

- কিভাবে তাদের সমস্যা সমাধান কর যায় এবং কতটা সহজে ও ইউনিক ওয়েতে করা যায় ভাবুন।

- তাদেরকে একটা পারসোনালাইজড প্রোডাক্ট / সার্ভিস ওফার করুন।

- প্রোডাক্ট / সার্ভিসকে এমনভবে ভ্যালু এড করে স্টোরি বেইজ ইমোশনালি এটাচ করুন যেন তারা আগে এটা নিয়েই ভাবে।

- তাদেরকে বেস্ট ডিসিশন নিতে সাহায্য করুন।

যারা ট্রেডিশনাল ওয়েতে বর্তমান যুগে সেল করতে চান আর সেল না পেয়ে হতাশ,তাদেরকে বলার নাই কিছুই।

Meta Andromeda খুবি সিম্পল একটা জিনিস ভাই, কিন্তু বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে এটারে কঠিন থেকে কঠিনতর বানাই ফেলছে ভাই ব্রাদাররা...
18/11/2025

Meta Andromeda খুবি সিম্পল একটা জিনিস ভাই, কিন্তু বিভিন্ন গ্রুপে গ্রুপে এটারে কঠিন থেকে কঠিনতর বানাই ফেলছে ভাই ব্রাদাররা।

আসেন খুব সিম্পল একটা লজিক, এক্সপ্লেনেশান আর উদাহরণের মাধ্যমে সহজ করে ব্যাপারটা আপনাকে বুঝাই বলি, সাথে এইটাও বুঝাবনে Meta Andromeda আপনার উপকার করতেছে নাকি অপকার! 😀

মেটা এন্ড্রোমেডা হইতেছে ভাই জাস্ট একটা টেকনলজি, হ্যা স্রেফ একটা টেকনলজি এর থেকে বেশি কিছু না। আসেন একটু টেকনলজিটা বুঝার চেষ্টা করি।

Meta Andromeda হইতেছে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার আর মেশিন লার্নিং এর সংমিশ্রনে ডিজাইন করা একটি নতুন সিস্টেম, যেখানে ব্যবহার হয়েছে MTIA (Meta Training & Inference Accelerator) এবং NVIDIA Grace Hopper Superchip।

**** শুনেন এই টেকনলজি আমি বুঝি নাই, সো আপনার ও বুঝার দরকার নাই। যা পড়ছেন ভুলে যান বাট নিচের গল্পটা খুউউউব মন দিয়ে পড়েন। ওইটাই হইলো গিয়া আসল খেলা। 😀

শুরুতেই বুঝি আগের নিয়ম আর এখনের নতুন নিয়মের মেডা এডের মধ্যে আসলে পার্থক্যটা কোথায়:

আগে Meta শুধু এইটুকু বুঝতে পারতো আপনি জুতার বিজ্ঞাপন দেখেছেন, জুতার পেজে গেছেন, জুতার অ্যাডে ক্লিক করছেন। এতটুকু দেখে বলত - এই মানুষটা জুতা পছন্দ করে।

কিন্তু এখন Andromeda দেখে, আপনি জুতার কোন রঙ পছন্দ করেন, কোন ডিজাইন দেখলে থামেন, কখন স্ক্রল করেন, কখন থামেন, কোন সময় আপনি কেনাকাটা করতে বেশি আগ্রহ দেখান, আপনি ভিডিও বেশি দেখেন নাকি স্ট্যাটিক? আপনি কোন environment এ কিনেন বাড়িতে? অফিস ব্রেকের সময়? রাত ১০টার পর? নাকি ঘুমাতে যাবার আগে? কোন কনটেন্টে আপনি বেশি engage করেন- emotion? realistic? নাকি humor?

উফফফ লিখতে লিখতে টায়ার্ড হয়ে গেলাম। 😀

আচ্ছা যাক টপিকে ফিরি, এই যে উপরে একটা ফিরিস্তি দিলাম এগুলা সব মিলিয়ে ঝিলিয়ে মেটা আপনার একটা বিহেভিওরাল প্যাটার্ন তৈরি করে। আর এই প্যাটার্ন তৈরিতে মেটাকে কে হেল্প করে যানেন?

ওইযে উপরের টেকনলজিটা যেটা আমরা বুঝি নাই! 😀

আশা রাখি মেটা এন্ড্রোমেডা কি জিনিস, এইটার ফলে মেটা মার্কেটিং এর এক্সাক্ট কোন জায়গাটায় পরিবর্তন আসছে এই ব্যাপারটা আপনি এখন পানির মতন ক্লিয়ার।

এখন ফ্যাক্ট যেটা সেটা হইলো, এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হলে আপনাকে কি কি করতে হবে।

আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে অনেক পরিশ্রম। 🤣

রাইট ঠিকই শুনছেন, আপনাকে মেলা পরিশ্রম করা লাগবে ভাই। কোন উপায় নাই। আর এই পরিশ্রমটা আপনাকে করতে হবে কন্টেন্ট বানানোর পিছে টাইম দিয়ে। লজিক বুঝাই, যেহেতু মেটা এখন একজন অডিয়েন্সকে আরো ডিপলি এনালাইসিস করে সো সে এখন আরো বেটার জানে কোন অডিয়েন্সের কাছে কোন কন্টেন্ট পাঠালে আপনার এড আগের থেকে আরো বেটার পারফর্ম করবে। সো আপনাকে এখন একটা কাজই করা লাগবে আর সেইটা হইলো মেটাকে মাল্টিপল অফ কন্টেন্ট এবং মাল্টিপিল অফ ভেরিয়াশনের কন্টেন্ট প্রোভাইড করতে হবে। মেটা যেটা করবে সে একদিকে অডিয়েন্সের ডেপথ বিহেভিওর দেখবে আরেকদিকে আপনার কন্টেন্টে চোখ বুলাবে। যেই অডিয়েন্সের সাথে যেই কন্টেন্ট ম্যাচ করবে বলে মনে হবে সেই অডিয়েন্সকে সেই কন্টেন্টই পাঠাবে।

লেখা কিন্তু শেষ না, আরো আছে পড়তে থাকেন, কাজে আসবে। 😜

আরেকটা জিনিস এন্ড্রোমেডা আপডেট আসার আগে ও কিন্তু মেটা আগে থেকেই বেটার ক্রিয়েটিভিটি, বেটার কন্টেন্ট, বেটার কমিউনিকেশন এইগুলাকে প্রিফার করতো। সে সব সময়ই বলতো আপনি ভালো কন্টেন্ট বানালে ভালো এনগেজমেন্ট পাবেন। আর ভালো এনগেজমেন্ট পেলে আপনার এড রিলেভেন্সি আরো বাড়বে এন্ড এডে আরো ভালো রেসাল্ট আসবে।

তবে এন্ড্রোমেডা আপডেট আসার পর সে এখন আর এটা বলতেছে না, আপনি ভালো কন্টেন্ট বানান, সে বলতেছে আপনি অনেক কন্টেন্ট বানান, ভিন্ন ভিন্ন এঙ্গেল থেকে বানান যেমন problem/solution, storyline, pain point, testimonial ইত্যাদির উপর বেইস করে বানান।
ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাট ব্যাবহার করেন এডে যেমন shorts video, long video, static, carousel, collection ইত্যাদি। ভিন্ন ভিন্ন buyer persona র উদ্দেশ্যে কন্টেন্ট তৈরি করুন যেমন খেজুর একজন মুরব্বি ও খেতে পারে, বাচ্চা ও খেতে পারে আবার একজন এথলেট ও খেতে পারে। এরপর সে এটা ও বলছে ভিন্ন ভিন্ন কনটেক্সট থেকে ও আপনি কন্টেন্ট বানান যেমন শীতকালে ফ্যামিলির জন্য শিতের কাপড় কিনা একটা ফেস্টিভ্যাল এর মত, আবার এটা একটা নিড, আবার এটা ফ্যামিলির প্রতি রেস্পন্সিবিলিটি ও।

উপরেই বলছি কন্টেন্টের পিছনে আপনাকে ভালো এফোর্ট দেয়া লাগবে মাস্ট। বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে আপনাকে কন্টেন্ট মেইক করে সেটা মেটাকে দিতে হবে এখন। আর মেটা ডিসিশন নিবে কোন এঙ্গেলের কন্টেন্ট কোন অডিয়েন্সের কাছে পাঠালে সেটা সেই অডিয়েন্সকে ট্রিগার করতে পারবে।

এই হলো মোটামুটি এন্ড্রোমেডার মেইন ঘটনা, আপনাকে ফেসবুক খুব ক্লিয়ার একটা ডিরেকশন দিছে ভাই অডিয়েন্স টার্গেট এখন আর এড সেটের মধ্যে নাই, অডিয়েন্স টার্গেট এখন ক্রিয়েটিভের ভিতর বা তোমার এডের ভিতর।

আরেকটা জিনিস, আগে আমরা অনেক এডসেট ব্যাবহার করতাম এডে। এখন মেটা বলে এডসেটের পরিমাণ কমাও। কারণ টার্গেট যেহেতু করবানা সো অনেক এডসেট রেখে আসলে লাভ নাই। বরং এডের পরিমাণ বাড়াও।

N.B. উপরের শর্ত গুলা রিটার্গেটিং এডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না ও হতে পারে। আমার মতে একদম ই প্রযোজ্য না। রিটার্গেটে আপনি সেই রিলেভেন্ট ম্যাসেজই দিবেন যেটা আপনার TOFU লেয়ারের ছিল।

ওহ একটা লাস্ট ডিসকাশন রয়ে গেছে, এন্ড্রোমেডা আপনার উপকার করতেছে নাকি অপকার?

যদি আপনার মাল্টি ভেরিয়েশন কন্টেন্ট বানানোর স্ট্রেন্থ থাকে তাহলে ভাই আপনার উপকার করতেছে আর যদি এই স্ট্রেন্থ না থাকে তাইলে ভাই অপকার করতেছে। সোজা সাপ্টা আন্সার দিলাম। 😀

গেলাম আজকে, আসবোনে আরেকদিন নতুন কোন কন্টেন্ট নিয়ে।

Happy Meta Marketing

আলহামদুলিল্লাহ  Awareness Campaign Result 😍⭐ Awareness Campaign কেন গুরুত্বপূর্ণ?আপনার ব্র্যান্ডকে মানুষের চোখে আনার প্র...
17/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ Awareness Campaign Result 😍

⭐ Awareness Campaign কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আপনার ব্র্যান্ডকে মানুষের চোখে আনার প্রথম ধাপ হলো Awareness।
এটি রিচ বাড়ায়, ব্র্যান্ডকে পরিচিত করে এবং মনে রাখার সুযোগ তৈরি করে।
যত বেশি মানুষ আপনার ব্র্যান্ড দেখবে, ভবিষ্যতে সেল তত সহজ হবে।
Awareness Campaign বিশ্বাস তৈরি করে, ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়ায় এবং মার্কেট পজিশন শক্ত করে।
নতুন ব্র্যান্ড, নতুন প্রোডাক্ট বা লং-টার্ম গ্রোথ—সব কিছুর শুরু হয় এখান থেকেই।





🥰🥰
17/11/2025

🥰🥰

Address

Dhaka
1200

Telephone

+8801822950527

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ovi Growth Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ovi Growth Agency:

Share