Digi Lipon

Digi Lipon Facebook, Instagram Ad || Google, Youtube Ad || Marketing Strategy || Shopify Store Design || Shopify Sales & Marketing

সবার উদ্দেশ্যে ----যে সকল বাড়িতে প্রিপেইড মিটার আছে তারা এটা নিজ আইডিতে শেয়ার করে সঙ্গে রাখতে পারেন....800 : মোট বিদ্যু...
06/05/2024

সবার উদ্দেশ্যে ----যে সকল বাড়িতে প্রিপেইড মিটার আছে তারা এটা নিজ আইডিতে শেয়ার করে সঙ্গে রাখতে পারেন....

800 : মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমান।

801 : বর্তমান ব্যালেন্সের (টাকা) পরিমাণ।

802 : বর্তমান তারিখ দেখা।

803 : বর্তমান সময় দেখা।

804 : মিটারের সিরিয়াল নাম্বার।

806 : রিলে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ

807 : মিটারের অবস্থা দেখা।

808 : বর্তমান সংযুক্ত লোড

809 : ট্যারিপের সূচক দেখা।

810 : ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের পরিমাণ

811: ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সচল (Activate) করতে

812 : সংকেত (Alarm) বন্ধ করা.

813 : কত দিনের বিদ্যুতের ব্যবহার

814 : বর্তমান মাসের বিদ্যুত ব্যবহারের পরিমান

815 : সর্বশেষ রিচার্জের তারিখ

816 : সর্বশেষ রিচার্জের সময়

817 : সর্বশেষ রিচার্জের পরিমাণ

819 : বিদ্যুত বন্ধের সময়

স্ত্রী আর মেয়ের জন্য শ্যামপ্রসাদ বাবু দুটো বোরখা কিনে আনলেন।স্ত্রী বললো " হিন্দু হয়ে আমরা বোরখা পড়বো? "শ্যামপ্রসাদ বাবু ...
06/05/2024

স্ত্রী আর মেয়ের জন্য শ্যামপ্রসাদ বাবু দুটো বোরখা কিনে আনলেন।স্ত্রী বললো " হিন্দু হয়ে আমরা বোরখা পড়বো? "
শ্যামপ্রসাদ বাবু মুখ কাচুমাচু করে বললো " উপায় নেই।বাধ্য হয়ে কিনেছি "
ওনার স্ত্রী বললেন " মানে? "
" বাজারের যা অবস্থা।এক কেজি চাল ৬৫ টাকা থেকে শুরু।লোকলজ্জায় তো হাত পাততেও পারিনা,তাই এই ব্যবস্থা "
" বোরখা এনেছো কেনো?এটা দিয়ে কি হবে? "
" টিসিবির ট্রাকগুলো আসে।কার্ড করে নিয়েছি।ওখানে গিয়ে দাঁড়াবে।ওখানে দশ টাকা কেজিতে চাল পাওয়া যায়।ডাল,তেলের দামও কম "
কথাটা বলতে বলতে শ্যামপ্রসাদ বাবুর চোখ ভিজে উঠলো।চোখের সামনে তার বাবার মুখটা ভেসে উঠলো।এলাকার মান্য গণ্য ব্যক্তি ছিলেন,সবাই চিনতেন।তার ছেলে হয়ে কি পরিণতি!লোকলজ্জায় কিছু বলতেও পারেনা,সইতেও পারেনা।সমাজে মধ্যেবিত্তরা যেন অভিশাপস্বরুপ!
চোখের সামনে শ্বশুরের মুখটাও ভেসে উঠলো।তার মেয়ের যোগ্য স্বামী হয়ে উঠতে পারেনি।ভাবতেই বু"কটা হু হু করে কেঁদে উঠলো।কাল স্ত্রী আর মেয়ে টিসিবি'র ট্রাকের পিছনে লাইনে দাঁড়াবে!
স্ত্রী অভয় দিয়ে বললো " ভেবো না।আমাদেরও সুসময় আসবে "
শ্যামপ্রসাদ বাবু চোখের জল আর আটকাতে পারলেন না।কেঁদে ফেললেন।বললেন " সেই আশাতেই বেঁচে আছে মধ্যবিত্ত শত শত শকুনের দল।মৃ"ত দেহের অভাব,সবাই ক্ষুদা পে!টে আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে "

গল্প: মধ্যবিত্ত
লেখক: জয়ন্ত কুমার জয়

নানার বয়স ১০৭! নানীর বয়স ৯১! এর চেয়ে বড় কথা উনাদের বিয়ের বয়স,একসাথে থাকার বয়স ৮০ পেরিয়েছে!কিন্তু এত বছর পরেও নানা ভাত খা...
05/05/2024

নানার বয়স ১০৭! নানীর বয়স ৯১! এর চেয়ে বড় কথা উনাদের বিয়ের বয়স,একসাথে থাকার বয়স ৮০ পেরিয়েছে!

কিন্তু এত বছর পরেও নানা ভাত খাওয়ার সময় নানীকে পাশে থাকতে হয়,নাহলে নানার খাওয়া হয়না ঠিকমতো!

আজ বাজারে যাওয়ার সময় আমাকে বলে দিয়েছিলো বড় কই মাছ আনার জন্যে, বাজার থেকে আনার পর নানা কে মাছ দেখালাম, মাছ দেখে বলেন ওইটা ফ্রাই করে দিতে দুপুরে খাবে।!

খেতে বসে সেই মাছ অর্ধেক খেয়ে বাকী অংশ দিয়েছে নানী কে খেতে!

এটা আজকে না, এত যুগ ধরে উনি এইটাই করে আসছেন! নানী কে পাশে বসিয়ে বড় কোন মাছ বা মাংসের পিস হলে অর্ধেক উনি খান বাকীটা নানী কে।! এবং প্রতিবারই নানী খুব ভালোবাসে মাছ টা নিয়ে খান।!

আমাদের যুগে হয়ত অনেকের কাছে এই ভালোবাসা আধিখ্যেতা! কিন্তু এই যুগ যুগ ধরে ভালোবাসার টান যারা আমরা কাছে থাকি তারাই দেখি কেবল।

নানা,নানী বেঁচে থাকুক আরও শত বছর,
উনাদের ভালোবাসা থাকুক আরও হাজার বছর ❤

©Copy

এটা মোটেও কোন সহজ পরীক্ষা না। একেতো অসহনীয় গরম, তার উপরে মানুষের কটুক্তি। সুবহা'নাল্লাহ। এই গরমেও যে সকল বোনেরা জাহান্না...
02/05/2024

এটা মোটেও কোন সহজ পরীক্ষা না। একেতো অসহনীয় গরম, তার উপরে মানুষের কটুক্তি। সুবহা'নাল্লাহ।

এই গরমেও যে সকল বোনেরা জাহান্নামের আগুনের কথা স্মরণ করে হিজাব ছেড়ে দেননি, এই উসিলায় আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন যেন সে সকল বোনদের আ'ফওয়া নসীব করেন, তাদের সবর আর ঈমান আরও সুদৃঢ় করে দেন, দুনিয়া এবং আখেরাতে সম্মানিত করেন। আ-মী-ন!

গ্রীষ্মকাল!🤤কার কোনটা ফেভারিট?
29/04/2024

গ্রীষ্মকাল!🤤
কার কোনটা ফেভারিট?

28/04/2024

শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তবতা!

25/04/2024

বাংলাদেশে গরমের আসল রহস্য।

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো!হাত লাগলেই শেষ। সেটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোন পুরুষের। এই হাত লাগা মানে শুধুই শা...
25/04/2024

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো!
হাত লাগলেই শেষ। সেটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোন পুরুষের। এই হাত লাগা মানে শুধুই শারীরিক স্পর্শ না, একজন পুরুষের সঙ্গতায় ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।

যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে, তার লজ্জা তত কমবে। যেমন চিত্র নায়িকারা, ওরা শুধু ব্রা-পেন্টি পরে অর্ধনগ্ন দেহ নিয়েও পুরুষের সামনে ঘুরতে দ্বিধা করে না। কারন- পুরুষের মাঝ থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে তাদের। অথচ কনজারভেটিভ ফ্যামিলির একটা মেয়েকে ওড়না ছাড়া দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।

আর ইদানীং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের বড় মূখ্য ভূমিকা পালন করছে।

উদাহরণঃ
ফেসবুকে বন্ধু বেশি। আর অতি আধুনিক মেয়েরা ছেলে বন্ধুদেরর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে। ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা বলে। আর মাইন্ড করলে বলে ''জাস্ট কিডিং, টেক ইট ইজি"।
এই ইজিলি নিতে নিতে সেসব অশালীন বিষয় আর
অশালীন লাগে না। মানে লজ্জা শেষ!

আবার এখন ফেসবুকে প্রেমিক বেশি! কেউ প্রেমে পড়েছে তো প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
একদম স্বামীর মতো। এরপর ব্রেকআপ হয়। আবারও কারও প্রেমে পড়ে। আর আবারও চুম্মা-চাটি আরও কত কী করে! অতঃপর আবারও ব্রেকাপ! তখন লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়। অশ্লীল প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস
করে, ফলে নির্দিষ্ট একজন পুরুষের প্রতি আকর্ষণটা বিলীন হয়ে যায়। জাগে বহু পুরুষের সানিধ্য পাওয়ার ইচ্ছা।

একজন নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি হচ্ছে ইয়*** মত। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-২৫টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যাস! এক সময় পুরুষের প্রতি তার আর ফিলিংস কাজ করে না। প্রেমিকের ভালোবাসা তার কাছে পানসে লাগে। একটার পর একটা পুরুষ বদল করে। কিন্তু স্থির হতে পারে না কোনোটাতেই। জানা-শোনা শেষ হলেই আর ভালো লাগে না কাউকে। বোরিং লাগে। কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতেই তার ভালোবাসার অনুভূতিই শেষ। তখন বর্তমান হয়ে যায় এক্স। তারপর আবারও খোঁজা শুরু নতুন মুখ, নতুন প্রেমিক।

আগে মুরব্বীরা বলতেন, বিয়ের পরে মেয়েদের লজ্জা
কমে। বাচ্চা হওয়ার পরে আরও কমে যায়। তখন আমি বুঝতাম না। ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
কিন্তু এখন বুঝি। আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিল পুরুষ। তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে। এখন বিয়ে লাগে না, পুরুষের কাছে আসতে ফেসবুক হলেই চলে। এখন ফেসবুক-ই সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
যাইহোক, সবশেষে নারীদের মাথায় রাখা উচিতঃ
এভাবে বাসা বদলের মতো প্রেমিক বদলের খেলাটা
নিজেকে খুবই সহজলভ্য করে দেয়। আর যে জিনিস সহজে পাওয়া যায় তার কদর থাকে না।

লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন। তবুও না বুঝলে মাথা খাটিয়ে একটু ভাবুন, তারপর মন্তব্য করুন।

বিঃদ্রঃ কথালগুলো নারীদের উদ্দেশ্য হলেও, নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই শিক্ষণীয়!!

সন্তানের প্রতি বাবার কিছু অমূল্য উপদেশ ❤️😊
21/04/2024

সন্তানের প্রতি বাবার কিছু অমূল্য উপদেশ ❤️😊

21/04/2024

এসি ছাড়াই যেসকল উপায়ে ঘর ঠান্ডা রাখা যাবে।
১ /পর্যাপ্ত... See more

😊😊
21/04/2024

😊😊

সমাজের ট্যাবুকে কীভাবে ট্যাবু হিসেবেই মুভিতে তুলে আনা যায়, সেটা দেখিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। সমকামিতা, শিশুকামিতা যে একট...
20/04/2024

সমাজের ট্যাবুকে কীভাবে ট্যাবু হিসেবেই মুভিতে তুলে আনা যায়, সেটা দেখিয়েছিলেন হুমায়ূন আহমেদ।
সমকামিতা, শিশুকামিতা যে একটা বিকৃতি, হুমায়ূন সেটা চমৎকারভাবে তুলে এনেছিলেন ঘেটুপুত্র কমলা সিনেমাতে।

তখনও ফেসবুক ছিলো। আজ থেকে এক যুগ আগের কথা। অথচ একটা মানুষও এই মুভি সমন্ধে খারাপ কথা বলেছে? বা বয়কট হুমায়ূন স্লোগান দিয়েছে? রিঅ্যাক্ট করেছে?
করে নাই। কারণ হুমায়ূন সমকামিতাকে তুলে এনেছিলেন ক্যান্সার হিসেবেই। ওটাকে তিনি মানুষকে নর্মাল বলে খাওয়াতে যাননি। বরং উনি দেখিয়েছিলেন, এই যৌন বিকৃতির স্বীকার হয়ে বাংলাদেশে একটা সময় কত শিশু মারা গেছে। জমিদাররা কতটা জুলুম করেছে নিছক খেলার বশে।
মনে আছে, সিনেমাটা দেখার পর যখন শুয়া উড়িল, উড়িল জীবেরও জীবন, শুয়া উড়িল রে...গানটা বেজে উঠলো, আমার চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়তে শুরু করলো।

আমি জানি, সবার অভিজ্ঞতাই কম বেশি সেইম।
অথচ সিনেমাটাই তো ছিলো সামাজিক ট্যাবু নিয়ে, যেই ট্যাবু নিয়ে কথা বলতেও বাংলাদেশের লোকজন এখনও দ্বিধা করে। অথচ সেই ২০১২ সালে এই ট্যাবু নিয়ে মুভি বানাইয়া হুমায়ূন লোকজনরে কান্দাইয়া ছেড়েছেন।
কে বলেছে বাংলাদেশের মানুষ আর্ট নিতে পারে না? কে বলেছে বাংলাদেশের মানুষ ব্যতিক্রম কিছু দেখলেই রিঅ্যাক্ট করে?

হিজড়াকে মেইন ক্যারেক্টার করে হুমায়ূন একটা বইও লিখেছেন। নাম বৃহন্নলা। সেখানে হিজড়া ছেলেটার জন্য এতো মায়া হয়, কই, কেউ তো কোনদিন এই বইয়ের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত একটা বলে নাই !
কারণ, হুমায়ূন কোনদিন আলবাল বুঝাইয়া লোকজনরে বিকৃত কোন ধারণা গেলাইতে চান নাই। যতটুকু সমস্যা এক্সিস্ট করে, অতোটুকুই আনসেন।
আজকেও আপনি হিজড়াদের মানবেতর জীবন নিয়ে কোন সিনেমা বানান, মানুষ ঐটা দেখে চোখের জল ই ফেলবে।

বাট আপনি যখন দেখানোর চেষ্টা করবেন, সেক্স পরিবর্তন করা "স্বাভাবিক", পেনিস থাইকাও মেয়ে হওয়া "নর্মাল", তাহলে মানুষ কেন প্রতিবাদ করবে না?
সমস্যারে সমস্যা হিসেবে দেখান। মানুষ কিচ্ছু বলবে না।
ঘুষ খাওয়া একটা অপরাধ। একটা বিকৃতি। এইটাকে যদি স্বাভাবিক হিসেবে দেখান, মানুষ প্রতিক্রিয়া দেখাবেই। তার জন্য মানুষকে প্রতিক্রিয়াশীল না বলে বরং নিজেদের সমস্যাটা স্বীকার করে নেন।
অস্বাভাবিক বিকৃতিরে আপনি স্বাভাবিক বলে চালাইয়া দিবেন, আর ঐটা নিয়ে হইচই হলে তখন মানুষ খারাপ, মানুষ আর্ট বোঝে না বলে ভিক্টিম সাজলে হবে?
কোনটা আর্ট, আর কোনটা ধান্দাবাজি, সেইটা এই দেশের মানুষ খুব ভালো করেই বোঝে।
বোঝে বলেই হুমায়ূনের ঘেটুপুত্র কমলা দেখে যেই মানুষ চোখের পানি ফেলে, সেই মানুষই আবার এলজিটিভির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে।

এর মধ্যে হিপোক্রেসি নাই। বরং অত্যন্ত সুন্দর একটা সচতনতা আছে বলেই আমার বিশ্বাস।

© Copy

Address

Mohakhali
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Digi Lipon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Digi Lipon:

Share