সত্যের সন্ধানে

সত্যের সন্ধানে আল্লাহু আকবার

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বনাম 'গ্রেট ইসরায়েল': মধ্যপ্রাচ্যে কোন ভয়ংকর খেলা চলছে?​আসসালামু আলাইকুম। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের ...
06/03/2026

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বনাম 'গ্রেট ইসরায়েল': মধ্যপ্রাচ্যে কোন ভয়ংকর খেলা চলছে?
​আসসালামু আলাইকুম। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং ইরানের ওপর হামলা নিয়ে আমাদের অনেকের মনেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জেগেছে। আজ সেই প্রশ্নগুলোর গভীর বিশ্লেষণ আপনাদের সামনে তুলে ধরছি:
​১. ইরান পারমাণবিক সমঝোতায় রাজি হওয়ার পরও কেন হামলা করা হচ্ছে?
ইরান আন্তর্জাতিকভাবে পরমাণু অস্ত্র না বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং চুক্তিতেও সই করেছিল। তবুও কেন আমেরিকা ও ইসরায়েল হামলা থামায়নি? এর উত্তর স্পষ্ট—পারমাণবিক অস্ত্র কেবল একটি বাহানা। তাদের আসল লক্ষ্য হলো ইরানের সামরিক শক্তি এবং তাদের আঞ্চলিক প্রভাবকে ধ্বংস করা। তারা চায় না মধ্যপ্রাচ্যে এমন কোনো দেশ শক্তিশালী থাকুক যা তাদের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
​২. 'গ্রেট ইসরায়েল' গঠনের পথে কি তবে ইরানই বাধা?
জায়নবাদী আদর্শ অনুযায়ী তারা নীল নদ থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত 'বৃহত্তর ইসরায়েল' বা গ্রেট ইসরায়েল বানানোর স্বপ্ন দেখে। আর এই স্বপ্নের পথে সবচেয়ে বড় দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ইরান ও তাদের সমর্থিত প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো। তাই ইরানকে সামরিকভাবে পঙ্গু করে দিতে পারলেই তাদের সীমানা বাড়ানোর রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়। এটি কেবল যুদ্ধ নয়, এটি একটি মানচিত্র বদলের নীলনকশা।
​৩. ভারত ও ইসরায়েলের ক্ষমতা ভাগাভাগির সমজোতা কী?
বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে ভারত ও ইসরায়েলের মিত্রতা কেবল বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক করিডোর (IMEC) এবং I2U2 জোটের মাধ্যমে তারা মধ্যপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রণ ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। একপাশে ভারত তার অর্থনৈতিক ও নৌ-আধিপত্য বিস্তার করবে, আর অন্যপাশে ইসরায়েল রাজনৈতিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ নেবে। অর্থাৎ, ইসলামি বিশ্বের প্রাণকেন্দ্রকে দুই দিক থেকে চেপে ধরার এক গোপন আঁতাত চলছে।
​সারকথা ও ঝুঁকি:
যদি এই নীল নকশা সফল হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র থাকবে না। শিয়া-সুন্নী নির্বিশেষে প্রতিটি ইসলামি শক্তিকে কোণঠাসা করা হবে। এটি কেবল ইরানের জন্য ঝুঁকি নয়, বরং পুরো ইসলামি বিশ্বের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। দাজ্জালি শক্তির এই উত্থান রুখতে হলে আমাদের এখনই ঈমানী সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই চালগুলো বুঝতে হবে।
​আল্লাহ তায়ালা আমাদের ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্ত থেকে হিফাজত করুন। আমীন।

উনি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার হাতপাখার লোক।যতটুকু শুনেছি নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে সক্রিয় ছিল। যুবদলের এক নেতা গুরু চুরি করেছিল...
03/03/2026

উনি পটুয়াখালীর কলাপাড়ার হাতপাখার লোক।

যতটুকু শুনেছি নির্বাচনে হাতপাখার পক্ষে সক্রিয় ছিল।

যুবদলের এক নেতা গুরু চুরি করেছিল। উনি তার প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্টাটাস দিছে।

স্টাটাস দিলো কেন?

তাই উনাকে বিএনপির স্থানীয় অফিসে নিয়ে সাপ পিটানি পিটাইছে।

উনি আজকে মারা গেছে।

দেখেন, বিএনপির পাতি নেতারা গরু চুরি করার মতো একেবারে নিচু কাজ করবে, আপনি বলতেও পারবেন না?

বললে আপনাকে মারবে, পিটাইবে। গালাগালি করবে৷

যেখানে মানুষ এখন প্রযুক্তি চুরি করে, সেখানে বিএনপির নেতারা এখনো গরু চুরি করে।

গরু চোরদের দিয়ে সামনে কি হবে আল্লাহই ভালো জানে!

যুদ্ধের ৪৮ ঘন্টার মজাদার সামারি:ইরান এখন ক্ষুধার্ত সিংহের মতো যারে যেখানে পাচ্ছে মিসাইল দিয়ে আক্রমণ করছে। আল্লাহ ভালো জা...
03/03/2026

যুদ্ধের ৪৮ ঘন্টার মজাদার সামারি:

ইরান এখন ক্ষুধার্ত সিংহের মতো যারে যেখানে পাচ্ছে মিসাইল দিয়ে আক্রমণ করছে। আল্লাহ ভালো জানেন কতদিন টিকতে পারবে এই মিসাইলের ভাণ্ডার দিয়ে?
ইরানের পরে তুরস্কের পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
রজব তৈয়ব এরদোগান শহীদ হয়ে যাবেন (আল্লাহ তার হায়াতে বারাকাহ দান করুন আমিন)।
তবে,
সহসাই এই যুদ্ধের ঝনঝনানি থামবে না।
২৬/২৭ খুবই ক্রিটিকাল টাইম। পুরো দুনিয়ার মানচিত্র পরিবর্তন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

সাইপ্রাসে বৃটেনের নৌঘাটি লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলা চালিয়েছে। কিন্তু নাতান সম্ভবত এখন জার্মানে আছে।

দুবাইয়ের জেবিল আলী সমুদ্র বন্দরে অস্ত্র বোঝাই একটি মার্কিন যুদ্ধ জাহাজে আক্রমণ করে অস্ত্র সহ পুরো জাহাজকেই অকেজো করে দিয়েছে।

ঘাটি ছেড়ে ভয়ে মার্কিন সেনারা হোটেলে আশ্রয় নিলে সেই হোটেল গুলোতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলা করছে।

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাটিতে ধারাবাহিক ব্যালিস্টিক হামলা করছে। হামলা চলমান...

আবুদাবী আল দাফরাহ মার্কিন ঘাটিতে অনবরত হামলা চলছে।

আবুদাবীতে বৃটেন, ফ্রান্স ও আমেরিকান নৌঘাটিতে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে।

আমিরাতের ফুজাইরায় মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্রুজ মিসাইল হামলা চালিয়েছে।

ইরাকের ইরবিলে মার্কিন ঘাটি আর অবশিষ্ট নাই বললেই চলে। পুরা তামাতামা কইরা দিছে।

কাতারের উদেইদে উপুর্যপুরী ব্যালিস্টিক হামলা চলছে।

তিউনিশিয়ায় মার্কিন ঘাটি লক্ষ্য করেও সিজ্জিল মিসাইলের বহর পাঠিয়েছে ইরান।

ওমানে মার্কিন ৫টি যুদ্ধবিমান তেল নেওয়ার জন্য অবতরন করলে ওমানেও হামলা চালিয়েছে ইরান।

সাউদির জেদ্দা, আল কাসসাম, রিয়াদ সহ একাধিক মার্কিন ঘাটিতে হামলা চালাচ্ছে।

ইসরায়েলে তো মাশা আল্লাহ জাহান্নামের মতো তাণ্ডবলীলা চালাচ্ছে ইরানের মিসাইল।
যাত্রীবাহী বিমান পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছেনা। আলহামদুলিল্লাহ। ইরান বলেছে, হিজ্রায়েল কে ছাই বানায়ে ছাড়বে।

সর্বশেষ ইসরায়েলের পরমানু স্থাপনা ডিমোনায় একাধিক হামলা চালিয়েছে। প্রমানু রিএকশন চলে আস্তে পারে।
হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের সবকটি বিমান বন্দরেও।
ইহুদের পানি শোধ্নাগার ভেনিস। পানির সংকটেও পরবে তারা। ইরানি মিসাইল বাংকারগুলারে চুমায়া ধুমা তুলিতেছে। আলহামদুলিল্লাহ।
গাজ্জার অভিশাপ।

আমেরিকা সবচেয়ে বেশী ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও আমিরাতে।

হামলার তান্ডবে বোঝা যাচ্ছে, ৫ শতাধিক মার্কিনী ইতিমধ্যেই খালাস। আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে সম্ভবত জার্মান, ফ্রান্স, লন্ডন হামলায় অংশ নিবে।
আফসোস যদি দুনিয়ার মমধ্যপ্রাচ্যের গাদ্দারদের বুঝটুকু হইতো!!
এক ইরান যদি তামাতামা কইরা দিতে পারে, সবাই মিলে খেললে কোন বেঈমান জমিনে জুলুম করতে পারতো না।


゚followers #সবাই_একটু_সাপোর্ট_করবেন_প্লিজ #আল্লামা_নজরুল_ইসলাম_কাসেমী

আমরিকা বারবার আঘাত করেও ইরানকে নতজানু করাতে পারেনি।ইমাম খামেনীকে শহীদ করে আমরিকা আরো বড় ভুল করে বসলো।আমরিকা ভাবছিল, খামে...
03/03/2026

আমরিকা বারবার আঘাত করেও ইরানকে নতজানু করাতে পারেনি।

ইমাম খামেনীকে শহীদ করে আমরিকা আরো বড় ভুল করে বসলো।

আমরিকা ভাবছিল, খামেনীকে মেরে ফেললে ইরান আলোচনার টেবিলে এসে নাকে খড় দিবে!

কিন্তু ঘটেছে উল্টো!

আমরিকার পুরো প্ল্যানটাই ব্যাক ফায়ার করেছে।

নমনীয় হওয়ার পরিবর্তে ইরান আরো অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়ে উঠেছে।

অলরেডি ইরান হিজরাইলের ঘুম হারাম করে দিয়েছে।

হিজরাইল সর্তক সাইলেন বাজিয়েই যাচ্ছে। ইরানের মিসাইল হিজরাইলের শক্তিশালী আকাশ নিরাপত্তা ভেঙে বারবার আঘাত হানছে।

ইরানের মিসাইল ও ড্রোন হামলা মুকাবিলা করতে মার্কিনিদের প্রায় প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি ডলার খরচ করতে হচ্ছে।

ইরান একেবারে ছেড়ে কথা বলছে না!

সৌদিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসেও অলরেডি ইরান মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।

ইরানের গার্ডস দেখে ইতোমধ্যে লন্ডন তার কথা পরিবর্তন করেছে।

স্পেনও মার্কিনিদের সহযোগিতা করার ওয়াদা থেকে সরে এসেছে।

সবমিলিয়ে মনেহচ্ছে, এখন পর্যন্ত বল ইরানের কোর্টেই আছে।

সুসংবাদ গ্রহণ করুন,, 💫💫আ*ফ*গান বাহিনী নূর খান এয়ারবেস ধ্বং*স করে দিয়েছে, এবং বিপুল সংখ্যক যু*দ্ধবিমানও ধ্বং*স হয়েছে।পাকি...
03/03/2026

সুসংবাদ গ্রহণ করুন,, 💫💫
আ*ফ*গান বাহিনী নূর খান এয়ারবেস ধ্বং*স করে দিয়েছে, এবং বিপুল সংখ্যক যু*দ্ধবিমানও ধ্বং*স হয়েছে।
পাকি*স্তান এই খবর গোপন করছে, কারণ এর আগে ভারত নূর খান এয়ারবেসে হা*ম*লা চালিয়েছিল। তবে এবার আ*ফ*গানি*স্তান সম্পূর্ণভাবে এই ঘাঁটিটি ধ্বং*স করে দিয়েছে,,
এই খবর প্রচার করা থেকে আব্বা বিরত থাকতে বলেছে।
তাই,, নিশ্চুপের ভূমিকা পালন করছে।!!

খিলাফাহ ‘আলা মিনহাজিন নবুয়াহ

ফটো কার্ডটি হয়তো কোন মেইনস্ট্রিম মিডিয়া করেনি।তবে আমি স্যারের সাথে কাজ করার সুবাদে শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি— স্যার অব...
28/02/2026

ফটো কার্ডটি হয়তো কোন মেইনস্ট্রিম মিডিয়া করেনি।

তবে আমি স্যারের সাথে কাজ করার সুবাদে শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি— স্যার অবশ্যই একজন সৎ মানুষ।

স্যারের সহযোগী হিসাবে দীর্ঘ ১৮ মাস কাজ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ!

আমি স্যারকে একজন সৎ মানুষ হিসাবেই পেয়েছি। একেবারে শতভাগ সৎ মানুষ হিসেবে পেয়েছি।

রাষ্ট্রের বরাদ্দ সঠিক ও সুষ্ঠু বন্টনে পেয়েছি।

স্যারের একটা ভালো দিক পেয়েছি— তিনি কোয়ালিটিকে গুরুত্ব দিতেন।

যে চিন্তার লোকই কোয়াকিটিফুল পেতেন, তাকেই মুল্যায়ন করতেন।

দল, মত ও আদর্শের কারণে কখনো তিনি বৈষম্যের পক্ষে ছিলেন না।

স্যার ধর্ম মন্ত্রনালয়ে নতুন প্রাণ দিয়েছেন। হজ্ব ব্যবস্থাপণায় মুন্সিয়ানা দেখিয়ে দেশব্যাপী সুনাম কুড়িয়েছেন।

হাজিদের বাড়তি টাকা ফেরত দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বায়তুল মোকাররম ও ইসলামী ফাউন্ডেশনকে সতেজ করতে অনেক চেষ্টা করেছেন, তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় শেষ পর্যন্ত তা পুরোপুরি সম্ভব হয়নি।

অনেকে আমাকেও মেসেজ দিয়েছেন, বায়তুল মোকাররম সৌন্দর্য বাড়াতে কেন ধর্ম উপদেষ্টা উদ্যাগ নিচ্ছেন না?

হ্যাঁ, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পরই ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরও সে বরাদ্দ শেষ পর্যন্ত ছাড়াতে পারেননি।

তবে স্যারের চেষ্টার কোন ঘাটতি ছিল না।

স্যার বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসাবে একজন জগৎবিখ্যাত মুফতি ও দরবেশকে বসিয়েছে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনেও একজন আলেম বিচারপতিকে ডিজি হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।

স্যার অনেক অচলায়তনে গতি এনেছেন।

আমি স্যারকে আগে থেকেই পন্ডিত হিসাবে জানতাম, তবে স্যার যে এতো বিষয়ে জ্ঞান রাখেন, সত্যি তা আমার জানা ছিল না।

স্যারের সাথে কাজ করার কারণে উনাকে নতুন করে জেনেছি।

উনি বহু বিষয়ে বিশদ জ্ঞান রাখেন। ইসলাম ও সমসাময়িক জ্ঞানের মিশ্রণে স্যার ছিলেন অন্যন্য।

আমি স্যার থেকে অনেক কিছু শিখেছে। সত্যি অনেক কিছু শিখেছে।

স্যারের একটা কথা আমার এখনো কানে বাজে— একবার স্যারের কাছে একজনের আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা করতে গেলাম, স্যার বললেন— "দেখো হারামের মধ্যে শান্তি নাই, দুর্নীতির মধ্যে কোন বড়ত্ব নাই। মানুষ এগুলো কেন করে? মরতে হবে না? আল্লাহকে উনারা কি ভয় পায় না? আমারতো কোথায়ও একটা ফ্লাটও নাই, ভাড়া বাসায় এখনো থাকি। কিন্তু আল্লাহতো আমাকে ইজ্জত দিয়েছেন। আমার মনে শান্তিও আছে।"

আমি স্যারকে সবসময় অনিয়মকে ভয় পেতে দেখেছি।

যখনই স্যারকে কোন বিষয়ে আমরা পরামর্শ দিতাম বা বলতাম স্যার Take necessary action according to law এভাবেই নির্দেশনা দিতেন।

আলহামদুলিল্লাহ। আমি স্যারের সাথে কাজ করে সত্যি গর্বিত ও আনন্দিত।

আমি Afm Khalid Hossain স্যারের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। পরকালের জীবনে স্যার সম্মানিত হোক সে দোয়াও করছি।

Once time Sir, Always Sir! আলহামদুলিল্লাহ।

 #দেখছি তোমরা অনেক লাফাইতেছ....🚫 #আমার সামান্য কয়েকটা ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর চাই..⁉️ #যখন আ/মেরিকা পা/কিস্তানের জমিনে ক...
28/02/2026

#দেখছি তোমরা অনেক লাফাইতেছ....🚫
#আমার সামান্য কয়েকটা ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর চাই..⁉️
#যখন আ/মেরিকা পা/কিস্তানের জমিনে ক্যাম্প তৈরি করে..পা/কিস্তানি সে/নাদের সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে...
আফ/গানিস্তানে শত শত বো/মা নিক্ষেপ করেছিল...
এবং শত শত মুসলিমদের শহীদ করেছিল..
তখন তোমাদের ফতোয়া কোথায় ছিল...??
#যখন এই নাপাক সে/নারা শত শত আফগান
মু/জাহিদদের ডলারের বিনিময়ে আ/মেরিকার কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল ...
তখন তোমাদের ফতোয়া কোথায় ছিল...??
#যখন উম্মাহর বীর সন্তান ও/সামা বিন লা/দেন রহিমাহুল্লাহ কে শহীদ করবার জন্য...
ডলারের বিনিময়ে আ/মেরিকার সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে...
নিজেদের ভূমি ব্যবহার করতে দিয়েছিল...
তখন তোমাদের ফতোয়া কোথায় ছিল..??
#যখন উম্মাহর বোন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে ডলারের বিনিময়ে আ/মেরিকার কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল...
তখন তোমাদের ফতোয়া কোথায় ছিল..??
#যখন ভা/রতের বি/রুদ্ধে উম্মাহর বীর সন্তান ইলিয়াস রহিমাহুল্লাহ কা/শ্মীরের পক্ষ নিয়ে জি/হাদ ঘোষণা করেছিল...
তখন তাকে নাপাক সেনারা শহীদ করেছিল ..
তখন তোমাদের ফতোয়া কোথায় ছিল...??

#এখন যখন মু/জাহিদরা নাপাক সে/নাদের প্রতিবাদ করছে ...
তখন তোমাদের একটাই ফতোয়া মুসলিম
হয়ে মুসলিমের সঙ্গে লড়াই করছি...
এই নাপাক সে/নাদের বারেবারে সতর্ক করা হয়েছে...
বছরের পর বছর সতর্ক করা হয়েছে...
তারপরে এরা দিনের পর দিন আ/মেরিকার গোলামী থেকে বের হতে পারেনি ...××
আর যখন আমরা এদের প্রতিবাদ করছি...
তখন আপনাদের এত ফতোয়া কোথা থেকে আসে..??
#তোমরা কি সেই আয়াতের কথা ভুলে গিয়েছো..??
(তোমরা কা/ফেরদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না..××
তারা একে অপরের বন্ধু ...
অতঃপর তোমাদের মধ্য থেকে ..যে তাদের বন্ধুরূপে স্বীকার করল ...
সে তাদেরই একজন...)
এই আয়াতটি কি আপনাদের একবারও মনে পড়ে না..??

#এখন আপনারা বলছেন...
আমরা দিনের পর দিন ...আলেমদের হ/ত্যা করেছি..
মাদ্রাসার মসজিদে হা/মলা চালিয়েছি...
#আপনারা একটা প্রমাণ দেখাতে পারবেন...???
অথচ আমাদের কাছে একাধিক ভিডিও ফুটেজ রয়েছে.
যেখানে নাপাক সে/নারা হকপন্থী আলেম, মসজিদ এবং মাদ্রাসা, নিরীহ মুসলিম, হকপন্থী মুসলিমদের শ/হীদ
করেছে...
#আর যদি প্রমাণ চান...??
তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন ...
যে বাঙালিরা পা/কিস্তানের করাচি শহরে রয়েছে...
তাদের মুখে শুনুন...
তাদের উপর নাপাক সে/নারা এবং পু/লিশ কেমন ব্যবহার করে....
#আর তার চাইতে আপনাদের জন্য বড় প্রমাণ...
পা/কিস্তানের ইসলামাবাদের লাল মসজিদ এবং জামিয়া হাফসার অতীতের ইতিহাস এবং বর্তমানের পরিচিতি...!!
#প্রমাণ ব্যতীত কথা বলতে আসবেন না ...××
আশা করি আল্লাহর রহমতে বুঝতে পেরেছেন ...
আল্লাহ সবাইকে সঠিক বোঝার এবং সঠিক পথ নির্ধারিত করবার তৌফিক দান করুক....

28/02/2026

আজ থেকে বহু বছর পর আবারও ইসলামপন্থীরা ঐক্যবদ্ধ হবে কিন্তু সেই দিন জামায়াত নামী মুনাফিকদের আর ঠাই হবে না।

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো একটি সুযোগ এসেছিলো ইসলাম কে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহলে নিয়ে যাওয়ার কিন্তু আমাদের সপ্ন ভঙ্গ হলে।

মুজিবের বাকশাল, জিয়ার জুলুম, এরশাদের একতরফা সরকার, বিএনপির দূর্নীতি, এবং হাসিনা ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে সোনার বাংলাদেশটা কে আবারো সাজানোর সুযোগ ছিলো।

সুযোগ ছিলো আম্রিকার গোলামী এবং ভারতের আধিপত্যের হাত থেকে রাষ্ট্র কে উদ্ধার করার, সুযোগ ছিলো ইসলামী শরিয়াহর চাদরে দেশটাকে মোড়ানোর কিন্তু সব কিছু শেষ করে দিলে আন্তর্জাতিক মুনাফিক খ্যাত জামায়াতে মওদুদী।

জুলাই বিপ্লবের পর কোনো একটি ভাষণ থেকে বঙ্গ অবিভাবক পীর সাহেব চরমোনাই এর মুখ থেকে উচ্চারিত হয়েছিলো ইসলামপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বাণী।

পীর সাহেব চরমোনাই এর ডাকে সাড়া দিয়ে একে একে ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করে দেশের প্রতিটি ইসলামীক দল।

শিয়া সুন্নী, সুন্নী ওহাবী, মজহাবী লা"মাজহাবী, যারাই আল্লাহর আইন চায় সবাই কে নিয়ে একটি শরিয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার সপ্ন ছিলে পীর সাহেব চরমোনাই হাফিজাহুল্লাহর।

হঠাৎ আগমন ঘটলো একটি মুনাফিক কাফেলার, পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণে মুনাফিক নামে পরিচিত এই কাফেলাকে একটি বারের জন্য বিশ্বাস করলো দেশের বৃহত্তর ইসলামী দল গুলো।

কিন্তু তাদের মতলব ছিলো খারাপ, আম্রিকান এম্বাসীর প্রেসক্রিপশনে পরিচালিত এই দলটির মূল উদ্দেশ্য ছিলো ভেতর থেকে ইসলামপন্থী শক্তির কে দূর্বল করে দেওয়া।

এবং তারা সফল হয়েছে, আমাদের অন্ধবিশ্বাস কে কাজে লাগিয়ে তারা ইসলামপন্থীদের সব আশাভরসা কে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে দূর্নীতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া বিএনপি কে সরকারে বসিয়ে নিজেরা বিরোধী দলের মুখোশ পড়েছে।

ইসলামপন্থী নামক শব্দটিকে দাফন করে দিয়েছে এই মুনাফিক শক্তি জামায়াত।

তবে আলহামদুলিল্লাহ আমরা থেকে নাই, কাজ চালিয়ে যাচ্ছে Islami Andolan Bangladesh আজ থেকে শতবছর পর হলেও আরেকটা সুযোগ আসবে ইনশাআল্লাহ।

আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে দেশের সকল ইসলামী শক্তি, দেশের ৯০% জনতার সমর্থন নিয়ে এদেশের মাটির গভীর থেকে আসমান পর্যন্ত পৌঁছে দিবে ইসলামী শাসনব্যবস্থা।

কিন্তু সেই দিন আর ঠাই পাবে না মুনাফিক জামায়াত।

লিখেছেন মুসা আন নুসাইর

27/02/2026

আফগানের প্রতি জামায়াতীদের ক্ষোভের মৌলিক কারণটা হল হতাশা। ধরেন, আলোচনা-সমালোচনা সত্ত্বেও দেওবন্দীরা একটা রাষ্ট্রে সরকার গঠন করে ফেলেছে। আর মওদুদী সাহেবের রাষ্ট্রকল্পের স্বপ্নকে এখন পর্যন্ত পরগাছা হয়েই বেঁচে থাকতে হচ্ছে। কখনো নিজ পায়ে কোথাও দাঁড়াতে পারেনি। পাকিস্তানেও কেউ গোনে না, আফগানে তো গোনার কথাও না। বাংলাদেশে এবার সবচেয়ে বড় সুযোগটা পেয়েও কাজে লাগাতে পারল না।

এদেরকে আল্লাহ ময়দানে তীহের মধ্যেই রেখেছেন মনে হয়। একদিকে ইমরান খানকে সেলিব্রেট করবে, আবার ইমরান খানের উপর জুলুমকারী সেনাদের বর্বরতাকেও সেলিব্রেট করবে। এ কেমন জীবন তাদের ভাই? ধর্মীয় কোনো মুরুব্বি নাই তো, তাই কোথাও স্থির কোনো অবস্থান এরা নিতে পারে না। যখন যেটাকে দেখে মজা লাগে, সেটাই গায়ে জড়িয়ে নেয়। এভাবে বারবার ব্যবহৃত হয়ে পরগাছার মত জিল্লতির জীবন-ই তাদের ভাগ্যে জোটে।

27/02/2026

প্রসঙ্গ পাক-আফগান যুদ্ধঃ

★ এই যুদ্ধে নিরপেক্ষ থাকার সুযোগ নেই। এটা জঙ্গে জামাল নয় যে হকের পক্ষের দলে না থাকলেও পার পাওয়া যাবে। এই যুদ্ধে একদল আল্লাহর পক্ষে আরেকদল ত্বগুতের পক্ষে।

★ "পাকিস্তান কা মতলব কেয়া, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এই মোটো নিয়ে জন্ম হওয়া পাকিস্তানের জন্য প্রয়োজন ছিলো শরীয়াহ অনুযায়ী শাসন কাঠামো তৈরি হওয়া। কিন্তু জিন্নাহ সহ অন্যান্য গাদ্দাররা একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রকে সেকিউলার সংবিধান দিয়েছে। ফলে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর পাকিস্তান আর হয়নি।

★ পাক আর্মির অপরাধের ফিরিস্তি অনেক বড়। পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ জনতার উপর ৭১ এ যে নির্মম তান্ডব চালিয়েছিলো তা আমাদের জানা।

★ পূর্ব পাকিস্তানের পর কি পাক আর্মি সাধারণ জনগণের উপর নির্যাতন থামিয়ে দিয়েছে? না বরং দফায় দফায় সীমান্তের স্বাধীনচেতা কাবায়েলি অঞ্চলের ওয়াজিরস্থান, খাইবার পাখতুন সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রমাগত হামলা চালিয়েছে এই নাপাক ফৌজ৷ তাদের হাতে সাধারণ মুসলিমদের রক্ত লেগে আছে।

★ আফগানের সাথে আমেরিকার দীর্ঘ ২০ বছরের যুদ্ধে আমেরিকাকে সব ধরণের সহায়তা পাক আর্মি করেছে। তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে তা*লিবানকে সমূলে উৎখাত করার। এমনকি ইমরান খান ক্ষমতায় আসার পর যখন তা*লিবানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলে তখন আমেরিকার ইশারায় পাক আর্মি ইমরান খানকে সরিয়ে দিয়েছে৷ আমেরিকার পা চাটা কুকুর হলো এই পাক ফৌজ।

★ এই পাক আর্মির বড় ধরণের বিজয়ের কোনো রেকর্ড নেই। তারা যেখানেই গেছে মার খেয়ে পিছু হটেছে। আমেরিকার থেকে নেয়া অস্ত্র-সস্ত্র, গোলা-বারুদ কখনো নির্যাতিত মুসলিমদের পক্ষে কাজ করেনি৷

★ এই নাপাক প্রশাসন ও নাপাক আর্মি উম্মতের ইজ্জত, তাদের মাটির সন্তান, আফিয়া সিদ্দিকীকে আমেরিকার হাতে তুলে দিয়েছে। তা*লিবান ক্ষমতায় আসার পর যখন তারা আমেরিকার সাথে আফিয়ার মুক্তির ব্যাপারে নেগোসিয়েশন করতে চেয়েছে সেখানে নাপাক প্রশাসন বাঁধা দিয়েছে। তারা তাদের মেয়েকে নিজের ঘরে ফিরতে দেয়নি।

★ সম্প্রতি এই নাপাক ফৌজ ফিলি*স্তিনের হা*মাসের বিরুদ্ধে গঠিত হওয়া ঐক্য জোটে নাম লিখিয়েছে।

★ আফগানরা যোদ্ধা জাতি। তারা আল্লাহর উপর ভরসা করে আল্লাহর পথে লড়ে। বিশ্বের তিনটি সুপার পাওয়ারকে তারা নাকানি চুবানি খাইয়েছে। সীমিত অস্ত্র, অসীম সাহস ও নিরঙ্কুশ তাওয়াককুল তাদের বিজয়ের চাবিকাঠি। সুপার পাওয়ারদের তুলনায় পাকিস্তান আর্মি কিছুই না। কিন্তু তারপরও যুদ্ধের জন্য যতটুকু না বললেই নয় ততটুকু ছাড়া আফগান মু-জাহিদ গণ কোনো গর্ব বা এরোগেন্স দেখাচ্ছে না। তারা আল্লাহর উপরই ভরসা করছে।

★ পাকিস্তানের জনগণের বিরুদ্ধে কখনোই আফগানরা না। বরং পাকিস্তানের জনগণের উচিত এই যুদ্ধে আফগানদের সমর্থন দেয়া। বিস্তৃত অঞ্চলে যদি ইসলামি হুকুমত কায়েম হয় তবে পাকিস্তানে যে অস্ত্র ও বো*মা আছে তা মুসলিমদের পক্ষে ব্যবহৃত হবে৷

লিখতে চাইলে আরো অনেক লিখা যায় তবে বুঝদারদের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন আপনার সমর্থন কোন দিকে দিবেন। আপনি কি তার পক্ষে থাকবেন যে আল্লাহকে রব মানে, নাকি তার পক্ষে থাকবেন যে আমেরিকাকে রব মানে। তবে নিশ্চিত জেনে রাখুন আমেরিকার গোলামরা পরাজিত হবে, আল্লাহর গোলামদের বিজয় নিশ্চিত বিইযনিল্লাহ্।
©Shafayet Hossen Limon

27/02/2026

১. আফগান মিডিয়া এবং আরও কিছু হান্ড্রেড পার্সেন্ট অথেনটিক সূত্রে এখন পর্যন্ত এতটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে—আমীরুল মুমিনীন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিজাহুল্লাহ সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। এবং কোনো উল্লেখযোগ্য তালিব নেতাও গতকালের এই পাকি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হননি, আলহামদুলিল্লাহ।

তবে নিরীহ আফগানি শাহাদাত বরণ করেছেন অনেকেই। আল্লাহ তাআলা তাদের শাহাদাত কবুল করুন এবং অভিশপ্ত পাকি বাহিনীর হাত থেকে পাকিস্তান ও আফগানকে রক্ষা করুন।

​বাকি পাকিস্তানের নাপাক বাহিনীর হামলায় আফগানের অভ্যন্তরে তেমন কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হতে পারেনি; কারণ হলো, পাকিদের হামলার বিষয়ে আগেই আফগান গোয়েন্দা সংস্থা তথ্য পেয়েছিল। এজন্য তারা সতর্ক ছিল।

​আল্লাহ তাআলা পাকি সেনাবাহিনীকে বুঝ দান করুন। তাদেরকে মুসলমানের পক্ষের শক্তি হওয়ার তৌফিক দান করুন। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শক্তি ও পারমাণবিক বোমার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও পাকি বাহিনীর এমন গোলামির জিন্দেগি যাপন করার দৃশ্য দেখা অনেক কষ্টের। ​এই কষ্ট দূর করো খোদা। পাকি বাহিনী থেকে মার্কিন সেবাদাসদের সরাও খোদা।

​২. আফগান-পাকিস্তান নিয়ে মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ার খণ্ডিত তথ্য নেবেন না। এটা নেওয়ার একদমই দরকার নাই। যদি এইসব তথ্য যাচাইয়ের সাধ্য না থাকে, তাহলে চুপ থাকবেন; কারণ এসবে প্রচুর বিভ্রান্তি ছড়ায়। আমি যে লিখি, আমার এগুলো অথেনটিক সূত্রে যাচাই করার সুযোগ আছে, আলহামদুলিল্লাহ।

​টিটিপির সাথে তালিব সম্পর্ক, ভারতের সাথে তালিব সম্পর্ক, পাকিদের সাথে মার্কিন সম্পর্ক, তালিবদের সাথে রাশিয়ার সম্পর্ক—এই বিষয়গুলো অনেক জটিল এবং কঠিন। এই জটিলতা বুঝতে হলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পড়তে হবে, প্রচুর পরিমাণে জানতে হবে। শুধু বাংলাদেশি আজাইরা মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচুর ভুলভাল তথ্যের উপর নির্ভর করে কিছু বলা যাবে না। যেমন কয়েকটা বিষয় বলি:

​ক. টিটিপিকে তালিবদের সাথে জড়ানোর কোনো যুক্তি কখনোই নাই; কারণ তালিব-আমেরিকা লড়াইয়ের সময়েও টিটিপি ফুলস্কেলে পাকিস্তানে হামলা করত। এই টিটিপির দায় তালিবদের না। তবে ভারতকে দায় দিতে পারেন। টিটিপি দিয়ে ভারত-আমেরিকা যৌথ প্রযোজনায় আফগান-পাকিস্তান অস্থিরতা বজায় রাখা যায়, যেটা ভারতের লাভ। অথচ টিটিপি কেন তালিবদের সাথে আফগান গঠনে কাজ করে না—এই প্রশ্নের উত্তর আমি জীবনেও পাই না।

​খ. তালিবদের সাথে ভারতের যে সম্পর্ক সেটা ঐতিহাসিক; কারণ তালিবদের মূল লিগ্যাসি ভারতের দেওবন্দে। এই লিগ্যাসিতে এই সম্পর্ক কূটনৈতিকভাবেও কার্যকর হয়েছে অনেকটা। তাছাড়া পাকিস্তানের যে ডিস্টার্বিং বিহেভিয়ার, সেটাও এই সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

​গ. পাকিস্তানের জনগণ তালিবপ্রিয়, কিন্তু পাকি শাসকরা এক ভয়াবহ সেবাদাস—এরা আমেরিকার পা-চাটা শাসক। এই পাকি বাহিনী পারমাণবিক শক্তিধর হওয়ার পর থেকে এক অদ্ভুত গোলামির শেকলে আবদ্ধ হয়েছে। তাদের একমাত্র কাজ যেন আমেরিকার স্বার্থ দেখা। অদ্ভুত এই মনস্তত্ত্ব! এই পাকি শাসকরা এক আফিয়া সিদ্দিকীর উপর যে মহাজুলুম করেছে, সেই পাপের শাস্তিও তারা কোনোদিন পেয়ে শেষ করতে পারবে না।

​ফাইনাল কথা হলো, পাক-আফগান সমস্যার ৯৯% দায় পাকিস্তানি সেনাপ্রধান ও পাকি শাসকদের। আপনাকে তাই এই লড়াইকে জালিম-মাজলুমের লড়াই হিসেবে দেখতে হবে এবং জালিম হিসেবে সামনে থাকা পাকিদের বিরোধিতাই করতে হবে। কারণ পাকি শাসকরা টিটিপিসহ অসংখ্য ভুলভাল ইস্যুতে আফগানে একের পর এক হামলা করেছে। গত দুই বছর একের পর এক ক্ষতি করেছে আফগানের। বর্ডারে ফলের চালান আটকে রেখে আফগানকে অর্থনৈতিক ক্ষতিতেও ফেলেছে। সর্বশেষ গত তিন দিন আগে হামলা করে আফগানের দেড়শর মতো নারী-শিশুকে শহীদ করেছে! আফগানও গতকাল থেকে সেটার কিছু কিছু জবাব দিয়েছে। এরপর পাকি শাসকরা আবারও বৃহৎ পরিসরে সেটাকে যুদ্ধাবস্থায় নিয়ে গেছে, যা আমাদের হৃদয়ে দগদগে ক্ষত তৈরি করছে।

​অথচ কোনো মুসলিম দেশ এসে এখনও এই যুদ্ধটা থামাচ্ছে না। এই হতাশা কই রাখি বলেন? 🥲

27/02/2026

আফগান ইমারতে ইসলামিয়ার প্রধান, আমীরুল মুমিনিন হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিজাহুল্লাহ যদি—আল্লাহ না করুক, আল্লাহ না করুক—অভিশপ্ত পাকিদের নাপাক বাহিনীর হামলায় শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে এই উপমহাদেশে মুনাফিক কিছু মুসলমান ছাড়া সকল মুসলমানের কাছেই পাকি বাহিনী একটি অভিশপ্ত ও নাপাক বাহিনী হয়ে থাকবে। প্রতি নামাজে এই অভিশপ্ত বাহিনীর ধ্বংস কামনা করতে হবে।

​হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা হাফিজাহুল্লাহর কী হয়েছে এখনও না জানা গেলেও কাবুল ও কান্দাহারে পাকি বাহিনী তালিব সদর দফতরে বিমান হামলা করেছে এটা স্পষ্ট এবং শয়তানের প্রেতাত্মা এই নাপাক বাহিনী সেই হামলার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করে উল্লাস করতেছে।

​দুঃখের বিষয় হলো, পাকি প্রেতাত্মা এদেশের কিছু শয়তানরাও আফগানে পাকি হামলাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে। এই পাকি প্রেতাত্মাগুলোর ধ্বংস কামনা করাও জরুরি।

​পৃথিবীর কোনো যুক্তিতে আফগানে এই পাকি হামলার বৈধতা নাই, যেভাবে গাজায় ইসরাইলি হামলার কোনো বৈধতা নেই। ইসরাইলিরা হামাস দেখিয়ে গাজায় হামলা করে আর অভিশপ্ত পাকি বাহিনী টিটিপি দেখিয়ে হামলা করে। অথচ টিটিপি কোনো ফ্যাক্টই না এখানে; কারণ টিটিপির দায় কখনোই তালিবদের না। যখন তালিব-আমেরিকা ফুলস্কেল যুদ্ধ চলে, তখনও টিটিপি পাকিস্তানে হামলা করেছে নিয়মিত। তখন দায় কার ছিল তাহলে?

​ব্রিটিশরা যেমন পাক-ভারত সীমান্ত লাইনে কাশ্মীর ক্যাচাল রেখে গেছে, আমেরিকাও তেমনিভাবে আফগান ছাড়ার আগে টিটিপি, আইসিস জাতীয় তাদের প্রেতাত্মা রেখে গেছে। অভিশপ্ত পাকি বাহিনী এই সরল লাইনটা বুঝেও তাদের প্রভুদের কথায় আফগানে হামলা করে যাচ্ছে!

​একটা সহজ লাইন হলো, এই পৃথিবীতে যে কয়টা সবচেয়ে খারাপ বাহিনী আছে, তার মধ্যে পাকি বাহিনী সবার আগে থাকবে সব সময়! আমেরিকার ইশারায় চলা এই অভিশপ্ত পাকি শয়তান বাহিনীর জন্মই হয়েছে যেন মুসলমানদের হত্যা করার জন্য! এরা একাত্তরে বাঙালি মুসলমানদের হত্যা করেছে। আশির দশক থেকে খাইবার পাখতুনে মুসলমান হত্যা করে এখন আবার আফগানে শুরু করেছে।

​ইতোমধ্যে আফগানে অর্ধহাজারের বেশি মুসলমানের রক্তে এই অভিশপ্ত পাকি বাহিনী গোসল করে ফেলেছে। 🥲

​একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর মুসলিম দেশ পাকিস্তানকে আমেরিকা-ইসরাইল মিলেমিশে ধ্বংস তো করবেই, তার আগে এই অভিশপ্ত গোলামের দল দিয়ে আফগানে মার্কিন পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়ে নেবে।

​বাংলাদেশে এই নাপাক বাহিনীর পক্ষে কারা অবস্থান নেয় একটু খেয়ালে রাইখেন।

আমি একটা দলের নাম ঠিকই বলতে পারি, প্রমাণও আছে—কিন্তু আমার তো অনেক দোষ... তাই আপাতত বললাম না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সত্যের সন্ধানে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share