Lady Life

Lady Life For any query please contact 01670737970
For Instant order, Call or SmS us.

22/05/2021

ফার্নিচার আর ওয়েবসাইট অবশ্যই দুটো এক জিনিস নয়। তাই তো ইন্টারনেটের এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আপনাকে এগিয়ে যেতে শুধু 'দামে কম মানে ভালই নয়' বরং প্রয়োজন মানসম্মত ওয়েবসাইটের। যা আপনার ব্যবসা কিংবা ব্যক্তিগত ব্রান্ডিং-কে করবে আরো মজবুত।

#কাকলি




ফুল কটন স্ক্রিন প্রিন্ট কামিজ+সালোয়ার+ওড়না+হাতা৬৮০ টাকা কামিজ- ২.৫ গজসালোয়ার - ২.৫ গজওড়না- ৫ হাতহাতা আলাদা
30/01/2021

ফুল কটন
স্ক্রিন প্রিন্ট
কামিজ+সালোয়ার+ওড়না+হাতা
৬৮০ টাকা
কামিজ- ২.৫ গজ
সালোয়ার - ২.৫ গজ
ওড়না- ৫ হাত
হাতা আলাদা

05/07/2020

কারো গায়ে পা লাগা ইসলামের দ্রিস্তিতে অপরাধ নয়।

🔺️🚫🔺️🚫🔺️ কারো গায়ে হাত লাগা আর পা লাগা একই রকম স্বাভাবিক ঘটনা।

তাই ইসলামে এমন কোন নিয়ম নেই যে পা লাগ্লে কি করতে হবে। হাদিসে পাওয়া যায় রাসুল স. একবার আলী রাঃ পা দিয়ে ধাক্কা দিয়ে বললেন যেঃ হে আলী উপুড় হয়ে শুয়ো না। অন্নান্য আরব দেসেও পা লাগা কে অসম্মানের মনে করা হয়না। আমাদের সমাজে যেহেতু এমন মনে করা হয় এজন্য নিয়ম হচ্ছে সেই মানুষ টির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয়া। দুখিত অনিচ্ছাক্রিতভাবে আমার পা লেগে গেছে , ক্ষমা করে দিন। . পায়ে বা গায়ে হাত দিয়ে সালাম দেয়া হিন্দুদের প্রথা। একজন মুসলিম এই কাজ করতে পারে না। আর সালাম দিবে দুজন মুসলিম একজন আরেকজনের সাথে দেখা হলে, এবং যখন চলে যাবে তখন। তাই পায়ে লাগ্লে সালাম দিয়ে মাফ চাওাও যাবেনা। কারণ ইসলামে এমনটি নেই। . আল্লাহই ভালো জানেন। প্রশ্ন: ভুলবশত: কারও শরীরে পা লাগলে তার গা ছুয়ে সালাম করা হয়- এটা কি সঠিক? বইপুস্তকে পা লাগলে কি সালাম করা জায়েজ? -------------------- #উত্তর: আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে, কারও শরীরে পা লাগলে তার গায়ে হাত দিয়ে বুকে বা ঠোঁটে লাগানো হয়। ‌এটাকে ‘সালাম’ বলা হলেও এটা প্রকৃতপক্ষে সালাম নয়। এ পরিস্থিতিতে এটি আমাদের সমাজে প্রচলিত ক্ষমা চাওয়ার একটা ধরণ মাত্র। সুতরাং নাম যাই হোক, উক্ত কাজটাকে অবৈধ বলা যাবে না। কারণ, এভাবে না করলে অনেকে এটাকে বেয়াদবী মনে করে। যার কারণে অনেক সময় পারষ্পারকি মন কষাকষি ও ঝগড়া-বিবাদ পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তবে সরি, মাফ করবেন, দু:খিত ইত্যাদি বলাতেই যদি সে ব্যক্তি খুশি হয়ে যায় তাহলে এই ‘সালাম’ এর কোন প্রয়োজন নাই। শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদি বিন আব্দুল জলীল উত্তর দিয়েছেন- মতিউর রাহমান মাদানিঃ অনিচ্ছাকৃত পবিত্র কুরআনে পা লাগলে বা হাত থেকে পরে গেলে , বা হাদিস বিক্তিক বইয়ে, বা কারো গায়ে পা লাগলে "আস্তাগফিরুল্লাহ" বলতে হবে।

#উত্তরঃ সালাম করা জায়েজ নয়। "আস্তাগফিরুল্লাহ" মানে আল্লাহ'র কাছে ক্ষমা চাওয়া- কেননা এটা অনিচ্ছাকৃত হয়েছে। বই পায়ে পড়লে বা মাটিতে পড়লে সালাম করার কোনো বিধান নেই। সালাম করার নির্দিষ্ট ক্ষেত্র আছে, মানুষকেই কেবল সালাম করতে হয়, তাও মৌখিকভাবে। অন্য কোনো পদ্ধতিতে সালাম করা জায়েজ নেই। বইকে সালাম করা যাবে না। এমনকি অসতর্কতাবশতঃ কুরআন মজিদও যদি হাত থেকে পড়ে যায়, তবুও সালাম করা কিংবা সমাজে প্রচলিত কোনো কাজ করার দরকার নেই। বরং এজন্য ইস্তিগফার তথা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে। [সূত্র: ইমদাদুল ফাতাওয়া : ৪ : ৬০; তালিফাতে রশিদিয়া : ২

03/07/2020

[] গীব‌তের প্রকার‌ভেদ :
‌আমা‌দের অনে‌কের সমস্যা হ‌চ্ছে, ঠিক কোন গু‌লো গীবত তা ধর‌তে না পারা । এখা‌নে বেশ ক‌য়েক প্রকা‌রের গীবত নি‌য়ে আলোচনা করা হলো
(১) খাবা‌রের গীবত :
নিকৃষ্টতম গীবত হল খাবা‌রের গীবত করা । একজন মানুষ কষ্ট ক‌রে রান্না ক‌রে, আর সবাই মি‌লে রান্নার বদনাম কর‌তে থা‌কে । খাবা‌রের গীবত বে‌শি হয় বি‌য়ে বা‌ড়ি‌তে ।
‌যেমন বলা, খাবারটা মজা হয় নাই, লবণ কম হই‌ছে, এত লবণ দি‌য়ে‌ছে যে তিতা লাগ‌ছে ইত্যা‌দি ।
নবী(স:) কখনই খাবা‌রের দোষ ধর‌তেন না । ভা‌লো না লাগ‌লে এক পা‌শে স‌রি‌য়ে রাখ‌তেন । কখনই বল‌তেন না, কী খাবার রান্না ক‌র‌েছে মু‌খেই দেয়া যা‌চ্ছে না !
(২) দৈ‌হিক কাঠা‌মোর গীবত :
কা‌রো কা‌ছে কোন ব্য‌ক্তির দৈ‌হিক ত্রু‌টি উল্লেখ করাও গীবত ।
যেমন বলা, অমুক ব্য‌ক্তি খুব মোটা, তার নাক বোঁচা, চোখ খু‌বি ছোট, চো‌খে দে‌খে না, মাথায় তো চুল নাই, পে‌টে ভূ‌ড়ি আছে, সে তো খু‌বি খাট ইত্যা‌দি ।
‌তো কোন ব্য‌ক্তির আড়া‌লে অন্য কা‌রো সা‌থে য‌দি আপ‌নি ঐ ব্য‌ক্তির দৈ‌হিক কাঠা‌মো নি‌য়ে এরকম আলোচনা ক‌রেন তাহ‌লে তা গীবত হ‌য়ে যা‌বে ।
"একবার আয়েশা(রা:) ব‌লেন, হে আল্লাহর রাসূল ! আপ‌নি কী সা‌ফিয়ার বেঁ‌টে হওয়াটা অপছন্দ ক‌রেন না ?
রাসূল(স:) বল‌লেন, হে আয়েশা ! তু‌মি এমন এক‌টি কথা বল‌লে যা নদীর পা‌নির সা‌থে মি‌শি‌য়ে দি‌লে তার উপর প্র‌তি‌ক্রিয়া সৃ‌ষ্টি কর‌বে ।"
(আবু দাউদ )
(৩) পোশা‌কের গীবত :
এভা‌বে বলা, অমু‌কের পোশাক খাট,‌ কেমন কালা‌রের জামা-কাপড় প‌রে দেখ‌তে বি‌শ্রি লা‌গে, ঐ মে‌য়ে এত ফি‌টিং ওয়ালা পোশাক প‌রে, অমুক তো পাতলা ড্রেস প‌রে ইত্যা‌দি ।
" একবার আয়েশা(রা:) বলেন, অমুক স্ত্রীলো‌কের আচল খুব লম্বা । রাসূল(স:) একথা শু‌নে বলল‌েন, হে আয়েশা ! তোমার থুথু ফেলা কর্তব্য । আয়েশা(রা:) ব‌লেন, আমি থুথু ফেল‌লে মুখ থে‌কে গোশ‌তের এক‌টি টুকরা বের হ‌য়ে আসে ।"
(আত তারগীব ওয়াত তারহীব)
(৪) বং‌শের গীবত :
তুচ্ছ করার জন্য কাউ‌কে বলা, অমু‌কের বংশ নিচু, অমু‌কের পূর্ব পুরু‌ষেরা ছিল কূ‌লি মজুর বা চোর ডাকাত ইত্যা‌দি, অমু‌কের তো কোন বংশই নেই ইত্যা‌দি বলা ।
"নবী(স:) ব‌লেন, দীনদ্বার ও সৎকর্ম ব্যতীত কোন ব্য‌ক্তির অপর কোন ব্য‌ক্তির উপর শ্রেষ্ঠত্ব্য নেই ।"
(আব্দুর রহমান আশ-শারানী)
(৪) অভ্যাস বা আচার-আচার‌ণের গীবত :
‌কোন ব্য‌ক্তির আচার ব্যবহার নি‌য়ে সমা‌লোচনা করা । যেমন, সে মানুষ‌কে কষ্ট দি‌য়ে কথা ব‌লে, ব্যবহার খারাপ, অভদ্র, পেটুক, অলস, সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘুমায় ইত্যা‌দি ।
একবার সালমান ফারসী(রা:) আহার ক‌রে শ‌ুয়ে পড়‌লেন । দুই ব্য‌ক্তি তার খাওয়া ও শোয়ার ধরণ নি‌য়ে সমা‌লোচনা কর‌লে নি‌ম্নোক্ত আয়াত না‌যিল হয়,
"‌তোমরা পরস্প‌রের গীবত কর না । "
(সুরা হুজরাত : ১১)
(ইব‌নে জুরাইহ এর সূ‌ত্রে দুররুল মানছু‌রে)
(৫) ইবাদ‌তের গীবত :
ইবাদ‌তের ত্রু‌টি বিচ্যু‌তি নি‌য়ে সমা‌লোচনা করা । যেমন, কাউ‌কে গি‌য়ে বলা অমু‌কতো ঠিকমত নামায পর‌তে পা‌রে না, মাকরুহ ওয়া‌ক্তে নামায প‌রে, রমযা‌নের রোজা রা‌খে না, এত বড় হই‌ছে কিন্তু এখ‌নো নামায প‌ড়ে না, এত বড় মে‌য়ে কুরআন পড়‌তে জা‌নে না ইত্যা‌দি ।
"তাহাজ্জু‌দের ওয়া‌ক্তে কতক লোক ঘু‌মি‌য়ে থাক‌লে শেখ সাদী(রহ:) তা‌দের সমা‌লোচনা ক‌রেন এবং ব‌লেন, এই লোকগু‌লো য‌দি তাহাজ্জুদ পড়‌তো ত‌বে কতই না ভা‌লো হত । সাদীর পিতা একথা শু‌নে ব‌লেন, কতই না ভা‌লো হত য‌দি তু‌মি তাহাজ্জুদ না প‌ড়ে এদের মত ঘু‌মি‌য়ে থাক‌তে । তাহ‌লে এদের গীবত করার পাপ তোমার ঘা‌ড়ে চাপত না ।"
(ইহয়া উলূ‌মিদ-দীন)
(৬) গুনা‌হের গীবত :
যেমন বলা, অমুক যেনা ক‌রে‌ছে, অমুক মানু‌ষের ন‌া‌মে বদনাম ক‌রে, বাবা-মা কে কষ্ট দেয়, মিথ্যা কথা ব‌লে, হিংসুক, অমু‌কের মে‌য়ে প্রেম ক‌রে ছে‌লে নি‌য়ে রাস্তা দি‌য়ে ঘু‌ড়ে বেড়ায় ইত্যা‌দি ।
(৭) অভিনয়/ইশারা-ইং‌গি‌তের মাধ্য‌মে গীবত :
‌কে‌ান ব্য‌ক্তির অসহায় অবস্থা অভিন‌য়ের বা ইশারা-ইং‌গি‌তের মাধ্য‌মে দেখা‌নো । যেমন, অন্ধ, বোবা, খুরা ইত্যা‌দি সে‌জে দেখা‌নো । এমনকি সমা‌লোচনার জন্য কা‌রো চালচলন, কথা, পোশাক ইত্যা‌দি নকল ক‌রে অভিনয় করাটাও গীবত । সরাস‌রি না‌মো‌ল্লেখ না ক‌রে এমন কিছু ইং‌গিতবহ উপমা ব্যবহার করে দোষ বর্ণনা করা যে লো‌কেরা উপমা শু‌নেই বু‌ঝে ফে‌লে কার কথা বলা হ‌চ্ছে । অর্থাৎ গীবত করার সময় নাম না নি‌লেও এমন ভা‌বে কোন ব্যা‌ক্তির দোষ-ত্রু‌টি বলা যে মানু‌ষের আর বুঝ‌তে বা‌কি থা‌কে না কার কথা বলা হ‌চ্ছে, এটাও গীবত পর্যা‌য়ে পড়‌বে ।
"রাসূল(স:) ব‌লেন, আমি পরানুকরণ পছন্দ ক‌রি না, এত এত সম্প‌দের বি‌নিম‌য়েও না ।"
(‌তির‌মি‌যি)
(৭) কা‌নের গীবত :
নি‌জে না বল‌লেও কা‌রো গীবত শোনা এবং শোনার সময় কোনরুপ বাধা না দেয়া কা‌নের গীবত । গীবত দুই ভা‌বে হয় -
(১) মু‌খে ব‌লে
(২) কা‌নে শো‌নে
গীবত বলা ও শোনা সমান পাপ ।
"রাসূল(স:) ব‌লে‌ছেন, গীবত শ্রবণকারীও গীবতকারী‌দের একজন ।"
(তাবরানী)
(৮) অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্য‌মে গীবত :
‌নি‌জের হাত, পা, চোখ ইত্যা‌দির মাধ্য‌মে অন্য লো‌কের নিকট কোন ব্য‌ক্তির দোষ বর্ণনা করা ।
‌যে ব্য‌ক্তি চোখ এবং হা‌তের ইশারার দ্বারা মানুষ‌দের কষ্ট দেয় তা‌দের জন্য র‌য়ে‌ছে ক‌ঠোর শা‌স্তি । এবং হুতামাহ নামক জাহান্নাম‌টি তা‌দের জন্যও প্রস্তুত র‌য়ে‌ছে ।
‌যেমন, কোন ব্য‌ক্তি কোন মজ‌লিস থে‌কে উঠে চ‌লে যাওয়ার পর তার প্র‌তি মানু‌ষের দৃ‌ষ্টি আকর্ষণ করার জন্য চোখ অথবা হা‌তের ব্যবহার করা ।
"খর্বাকৃ‌তি এক ম‌হিলা মহানবী(স:) এর নিকট আগমন কর‌লো । তার চ‌লে যাওয়ার পর আয়েশা(রা:) তা‌কে হেয় প্র‌তিপন্ন করার উদ্দেশ্য হা‌তের দ্বারা তার প্র‌তি ইং‌গিত ক‌রেন । মহানবী(স:) ব‌লেন, হে আয়েশা ! তু‌মি তো তার গীবত কর‌লে ।" (বায়হাকী)
(৯) লেখনীর মাধ্য‌মে গীবত :
কাউকে হেয় করার জন্য ফেসবুক, প‌ত্রিকা ইত্যা‌দি‌তে লিখা । বা অন্য কা‌রো কা‌ছে পত্র লিখার সময় কা‌রো দোষ লিখা ।
এমন‌কি মে‌সেন্জা‌রে একজ‌নের কা‌ছে আরেকজ‌নের দোষ লি‌খে মে‌সেজিং করা, বি‌শেষ ক‌রে দুজন ফ্রেন্ড কথা বলার সময় এ সমস্যাটা বে‌শি হয় ইত্যা‌দি ।
(Collected)♥

"আম্মু এদিকে এসো তো, তোমাকে কে সবচেয়ে বেশি আদর করে? আব্বু না আম্মু? আঙ্কেল আদর করবো? আসো কোলে এসে বসো :)"বিবিসির তথ্য অন...
28/06/2020

"আম্মু এদিকে এসো তো,
তোমাকে কে সবচেয়ে বেশি আদর করে? আব্বু না আম্মু?
আঙ্কেল আদর করবো? আসো কোলে এসে বসো :)"

বিবিসির তথ্য অনুযায়ি বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাসে গড়ে প্রায় ৪০০ জন শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয় এটা কি জানেন? একটু গুণ ভাগের হিসেবটা মিলিয়ে দেখুন, প্রতি মাসে প্রায় ৬০-৭০ জন! প্রতি দিনই ৫-৬ জন পুতুল খেলার বয়সী মেয়ে শিশু নোংরা দুর্গন্ধযুক্ত লোলুপদৃষ্টির মুখে পড়ে।

মনে রাখবেন, যৌনতা শুধু একটা বায়োলজিক্যাল বা শারীরিক বিষয় নয়, এর সাথে সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বিষয়গুলোও জড়িত। শিশু ধর্ষণ বা উৎপীড়ন কোন সমাজেরই প্রচলিত সংস্কৃতি বা নিয়মের সাথে মেলে না৷ এ কারণে সব সমাজেই পেডোফিলিয়া বা শিশুকামিতা হচ্ছে একটা বিকৃত যৌনাচার৷ যারা শিশুদের যৌন উৎপীড়ন করে আনন্দ পায় তাদের বলা হয় পেডোফাইল বা শিশুকামী৷ আর এই শিশুকামিতাকে পৃথিবীর সবচেয়ে হিংস্র এবং জঘন্য অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কিভাবে নিরাপদে রাখবেন বলুন তো?

শহরাঞ্চলে বাসাবাড়িতে চার দেয়ালে বন্দী শিশুরা এ ধরণের উৎপীড়নের শিকার তুলনামূলক কম হয় (হয়না কিন্তু বলিনি)। ঝুঁকিতে থাকে রিক্সাওয়ালার অবুঝ চাহুনির মেয়েটা, ঝুঁকিতে থাকে বাসাবাড়িতে কাজ করতে আসা বুয়ার পরীর মত মেয়েটা। এরা অবাধে ঘুরে বেড়ায়। বাস-ট্রেন দেখে অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে থাকে। "অগো হারাদিন চোহে চোহে রাখব কিডা?"

খেয়াল রাখবেন, আপনার মেয়ে সন্তানটিকে যেন কেউ মিষ্টি মিষ্টি নামে না ডাকে। কেউ যেন অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ হবার সুযোগ না পায়! সবথেকে বড় দায়িত্ব, মেয়ে সন্তানটিকে শেখাবেন, "কেউ যদি শরীরের এসব জায়গায় স্পর্শ করে এটা ভাল কথা নয়।" "কেউ এমনভাবে আদর করলে আম্মুকে বলবে, আব্বুকে বলবে, ভাইয়াকে বলবে।" ব্যাস এতটুকুই। নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে যখনই সুযোগ পাবেন বোঝাবেন এ কথাগুলো। তারাও যাতে তাদের মেয়ে সন্তানকে শিখিয়ে দেয়।

আপনার মেয়েকে যথেষ্ট স্বাধীনতা দিন। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি তাকে আপাদমস্তক নিরাপত্তা দেবার সম্পূর্ণ দায়টিও আপনার।

পরিসংখ্যান তথ্যসূত্র কমেন্ট সেকশনে।
নিচের ছবিটি প্রতীকী (Symbolic)

আজ দুপুরে সূর্য গ্রহণ : ছালাতুল কুসূফ আদায় করুন!কবরের আযাব থেকে মুক্তি প্রার্থনার উত্তম সুযোগ গ্রহণ করুন!আজ ২১ জুন, রবিব...
21/06/2020

আজ দুপুরে সূর্য গ্রহণ :
ছালাতুল কুসূফ আদায় করুন!
কবরের আযাব থেকে মুক্তি প্রার্থনার উত্তম সুযোগ গ্রহণ করুন!

আজ ২১ জুন, রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ২৩ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত সূর্যগ্রহণ হবে। এই গ্রহণ শুরু হ’লে আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও ভীতি সহকারে জামা‘আত সহ দু’রাক‘আত নফল ছালাত দীর্ঘ ক্বিরাআত ও ক্বিয়াম সহকারে আদায় করতে হয় এবং শেষে খুৎবা দিতে হয়।
রাসূল (ছাঃ) বলেন, এর মাধ্যমে আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের ভয় দেখিয়ে থাকেন। যখন তোমরা সূর্য গ্রহণ দেখবে, তখন ভীত হয়ে আল্লাহর যিকর, দো‘আ ও ইস্তেগফারে রত হবে। বুখারী হাদীছ নং ১০৫৯। অন্য বর্ণনায় এসেছে, এসময় রাসূল (ছাঃ) কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন। বুখারী হা/১০৫০।

মসজিদে না যেতে পারলে বাড়িতেই একাকী বা পরিবার-পরিজন সাথে নিয়ে ছালাতটি আদায় করুন। নারীরাও এ সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না। করোনা মহামারীর এই কঠিন সময়ে আসুন তওবা-ইস্তেগফার ও কবরের আযাব থেকে মুক্তি প্রার্থনার এই সুযোগটি গ্রহণ করি। আল্লাহ আমাদের তাওফীক দান করুন- আমীন।

📜 ছালাতুল কুসূফ আদায়ের পদ্ধতি
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ কালে যে নফল ছালাত আদায় করা হয়, তাকে ছালাতুল কুসূফ ও খুসূফ বলা হয়। এই ছালাতের বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। যাতে দু’রাক‘আত ছালাতে (২+২) ৪টি রুকূ হয় এবং এটিই সর্বাধিক বিশুদ্ধ।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সময়ে একবার সূর্য গ্রহণ হ’লে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) ছালাত আদায় করেন ও লোকেরাও তাঁর সাথে ছালাত আদায় করে। প্রথমে তিনি ছালাতে দাঁড়ালেন এবং সূরা বাক্বারাহ্র মত দীর্ঘ ক্বিরাআত করলেন। অতঃপর (১) দীর্ঘ রুকূ করলেন। তারপর মাথা তুলে ক্বিরাআত করতে লাগলেন। তবে প্রথম ক্বিরাআতের চেয়ে কিছুটা কম ক্বিরাআত করে (২) রুকূতে গেলেন। এবারের রুকূ প্রথম রুকূর চেয়ে কিছুটা কম হ’ল। তারপর তিনি রুকূ থেকে মাথা তুলে সিজদা করলেন। অতঃপর সিজদা শেষে তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং লম্বা ক্বিরাআত করলেন। তবে প্রথমের তুলনায় কিছুটা ছোট। এরপর তিনি (৩) রুকূ করলেন, যা আগের রুকূর চেয়ে কম ছিল। রুকূ থেকে মাথা তুলে পুনরায় ক্বিরাআত করলেন। যা প্রথমের তুলনায় ছোট ছিল। অতঃপর তিনি (৪) রুকূ করলেন ও মাথা তুলে সিজদায় গেলেন। পরিশেষে সালাম ফিরালেন।

ইতিমধ্যে সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেল। অতঃপর ছালাত শেষে দাঁড়িয়ে তিনি খুৎবা দিলেন এবং হামদ ও ছানা শেষে বললেন যে, সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন সমূহের মধ্যে দু’টি বিশেষ নিদর্শন। কারু মৃত্যু বা জন্মের কারণে এই গ্রহণ হয় না। যখন তোমরা ঐ গ্রহণ দেখবে, তখন আল্লাহকে ডাকবে, তাকবীর দিবে, ছালাত আদায় করবে ও ছাদাক্বা করবে। ... আল্লাহর কসম! আমি যা জানি, তা যদি তোমরা জানতে, তাহ’লে তোমরা অল্প হাসতে ও অধিক ক্রন্দন করতে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, এর মাধ্যমে আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের ভয় দেখিয়ে থাকেন। অতএব যখন তোমরা সূর্য গ্রহণ দেখবে, তখন ভীত হয়ে আল্লাহর যিকর, দো‘আ ও ইস্তেগফারে রত হবে।
-মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/১৪৮২-৮৪।

20/06/2020

⭕কোনো স্ত্রী যখন তার স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখন ঐ পুরুষের জন্য জান্নাতে নির্ধারিত স্ত্রী (হূর) বলতে থাকে, হে অভাগিনী আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুক, তোমার স্বামী কে কষ্ট দিও না, সে তো তোমার কাছে কিছু দিনের জন্য মেহমান মাত্র, অচীরেই সে জান্নাতে আমার কাছে চলে আসবে।
(তিরমিজিঃ১১৭৪)
⭕রাসূল সাঃ বলেছেন: কোন নারী যেন তার দেখা অন্য নারীর দেহের বর্ণনা নিজ স্বামীর নিকট এমনভাবে না দেয়, যেন সে তাকে (ঐ নারীকে) দেখতে পাচ্ছে।
(বুখারী, হাদিস নং ৫২৪১)
⭕স্বামী যখন তার স্ত্রীকে নিজ বিছানার দিকে (সঙ্গম করতে) আহ্ববান করে তখন যদি স্ত্রী না আসে, তবে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতা তার উপর অভিশাপ করতে থাকেন।
(বুখারী ৩২৩৭)
⭕কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীকে নিজ প্রয়োজন ( সঙ্গম) পূরণের উদ্দেশ্যে ডাকলে সে যেন সাথে সাথে তার নিকট আসে, এমনকি সে চুলার উপর রান্না-বান্নার কাজে ব্যস্ত থাকলেও।
(তিরমিজিঃ১১৬০)

⭕স্ত্রী হলো স্বামীর গৃহের রক্ষক, সে তার রক্ষণাবক্ষণ (দায়িত্ব) সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে(বুখারীঃ৫১৮৮)
⭕আর তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে। কেননা, তাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে পাঁজরার হাড় থেকে এবং সবচেয়ে বাঁকা হচ্ছে পাঁজরার ওপরের হাড়। যদি তা সোজা করতে যাও, তাহলে ভেঙ্গে যাবে। আর যদি তা যেভাবে আছে সেভাবে রেখে দাও তাহলে বাঁকাই থাকবে। অতএব, তোমাদেরকে ওসীয়ত করা হলো নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার জন্য।
(বুখারীঃ৫১৮৬)
⭕পুরুষ হলো নারীর কর্তা, কারণ আল্লাহ তাদের একে অপরের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন"-
( সূরা আন-নিসা: ৩৪ )

✅✅

20/06/2020

হাদিস কি আপনার বাপ দাদার জমির কাগজ,, যে মন চাইল,, শব্দ বসায় একটা বানায় দিলাম,,,,,,নবী বলেছেনঃ জান্নাত মার পায়ের কাছে- -মিশকাত৪৯৩৯।,,, আপনারা বলেন জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে,,,,,কৈ আগর তলা আর কৈ মাচার তলা,,,,read this cearfully 🙏🙏🙏🙏👇👇👇

‘স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত’ এবং ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’ কোনটি সঠিক?
➖➖➖➖➖➖➖➖
প্রশ্ন: মানুষকে বলতে শোনা যায় যে, “মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত”। আবার এটাও শোনা যায় যে, “স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত।” এ দুটি কথার মধ্যে মূলত: কোন হাদিসটি সঠিক দয়া করে জানাবেন।

উত্তর:

💠 “স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত” এ কথাটা কোন হাদিস নয়। বরং বানোয়াট কথা। কিন্তু হাদিস হিসেবে আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছেে!!
তবে স্ত্রীর কাছে স্বামীর সম্মানের কথা হাদিসে এভাবে উল্লিখিত হয়েছে,

لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِغَيْرِ اللهِ لأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا وَالَّذِى
نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لاَ تُؤَدِّى الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا حَتَّى تُؤَدِّىَ حَقَّ زَوْجِهَا وَلَوْ سَأَلَهَا نَفْسَهَا وَهِىَ عَلَى قَتَبٍ لَمْ تَمْنَعْهُ

“যদি আমি কাউকে নির্দেশ দিতাম আল্লাহ ব্যতীত অন্যকে সিজদা করার, তাহ’লে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করার জন্য।” (ইবনে মাজাহ হা/১৮৫৩; সহীহাহ হা/১২০৩।)

💠 ‘মায়ের পায়ের নিকটেই সন্তানের বেহেশত” হুবহু এ শব্দে বর্ণিত হাদিসটি খুব দুর্বল মতান্তরে বানোয়াট। কিন্তু তার অর্থটি সঠিক- যেমনটি বর্ণিত হয়েছে নিম্নোক্ত হাদিসদ্বয়ে:

🔰 মু‘আবিয়া ইবনে জাহিমা হ’তে বর্ণিত। একদা আমার পিতা জাহিমা রাসূল সা. এর নিকট এসে বললেন,

يَا رَسُولَ اللهِ أَرَدْتُ الْغَزْوَ وَجِئْتُكَ أَسْتَشِيْرُكَ فَقَالَ هَلْ لَكَ مِنْ أُمٍّ قَالَ نَعَمْ فَقَالَ الْزَمْهَا فَإِنَّ الْجَنَّةَ عِنْدَ رِجْلِهَا

‘হে আল্লাহর রাসূল সা.! আমি জিহাদে যেতে ইচ্ছুক। আমি আপনার নিকট পরামর্শ নিতে এসেছি। তখন রাসূল সা. জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মা আছে কি? লোকটি বললেন, হ্যাঁ।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তুমি তার জড়িয়ে থাকো (অর্থাৎ তার সেবা করো), কেননা তাঁর পায়ের নিকটেই জান্নাত রয়েছে।” [আহমদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৪৯৩৯; সহীহুল জামে‘ হা/১২৪৯, সহীহু তারগীব ওয়াত তারহীব।]

🔰 অন্য বর্ণনায় এসেছে, আবু উমামা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খিদমতে হাযির হয়ে বললেন,

يَا رَسُولَ اللهِ مَا حَقُّ الْوَالِدَيْنِ عَلَى وَلَدِهِمَا قَالَ هُمَا جَنَّتُكَ وَنَارُكَ

“হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সন্তানের উপর পিতামাতার কি হক? তিনি বললেন, “তারা উভয় তোমার জান্নাত ও জাহান্নাম’। [ইবনে মাজাহ, মিশকাত হা/৪৭২৪।] অর্থাৎ মায়ের সেবা করা জান্নাতে যাওয়ার একটি মাধ্যম।

❌ ‘মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত’ মর্মে নিন্মোক্ত শব্দে বর্ণিত দুটি হাদিস সহিহ নয়। যথা:
((الجنة تحت أقدام الأمهات)). وفي لفظ: ((الجنة تحت أقدام الأمهات، مَنْ شِئن أدخلن، ومَن شِئن أخرجن!))
ক. “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।”
খ. অন্য শব্দে “মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত যাকে খুশি জান্নাতে প্রবেশ করাবে আর যাকে খুশি বের করবে।”
এই শব্দে বর্ণিত হাদিস দুটি মুহাদ্দিসদের মতানুসারে জঈফ (দুর্বল) আর কারো মতে মউযু (বানোয়াট)।
তবে ‘মায়ের পায়ের নিকট জান্নাত’ এর মর্মার্থটি পূর্বোল্লিখিত হাদিস দ্বয়ের আলোক সহিহ।
আল্লাহু আলাম
-----------------
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ সেন্টার , সৌদি আরব
FB/AbdullaahilHadi

জুম'আর দিনে দরূদ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলতঃ🌼🌼🌼 আওস ইবনে আউস রা. থেকে বর্ণিত, একটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাই...
18/06/2020

জুম'আর দিনে দরূদ পাঠের গুরুত্ব ও ফজিলতঃ
🌼🌼🌼
আওস ইবনে আউস রা. থেকে বর্ণিত, একটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন-

ﺇﻥ ﻣﻦ ﺃﻓﻀﻞ ﺃﻳﺎﻣﻜﻢ ﻳﻮﻡ
ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ ... ﻓﺄﻛﺜﺮﻭﺍ ﻋﻠﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﺼﻼﺓ
ﻓﻴﻪ، ﻓﺈﻥ ﺻﻼﺗﻜﻢ ﻣﻌﺮﻭﺿﺔ ﻋﻠﻲ ...

নিশ্চয়ই জুমার দিন শ্রেষ্ঠতম
দিনগুলোর অন্যতম। ...সুতরাং সেদিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পড়। নিশ্চয়
তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।
(সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১০৪৭; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৬১৬২; সহীহইবনে হিববান, হাদীস : ৯১০,হাদীসটি সহীহ)
🌸🌸🌸

অন্য হাদীসে আনাস রা.থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেন-
ﺃﻛﺜﺮﻭﺍ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻋﻠﻲ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ
ﻭﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﺠﻤﻌﺔ، ﻓﻤﻦ ﺻﻠﻰ ﻋﻠﻲ
ﺻﻼﺓً ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻋﺸﺮﺍً .
তোমরা জুমার রাত ও জুমার দিনে আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ কর। যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তাআলা তার উপর দশবার রহমত নাযিল করেন। (আসসুনানুল কুবরা, বায়হাকী ৩/২৪৯; ফাযাইলুল আওকাত, বায়হাকী ২৭৭; আমালুল
ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, ইবনুস সুন্নী ৩৭৯, এর সনদ হাসান পর্যায়ের।)

আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করেন।আমিন।

18/06/2020

আবদুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, দু’জনের ক্ষেত্রে ঈর্ষা করা সিদ্ধ -

১) যাকে আল্লাহ তা‘আলা কুরআন (মুখস্থ করার শক্তি) দান করেছেন এবং তদ্বারা সে তার আলোকে দিবা-রাত্রি পড়ে ও আমল করে

২) যাকে আল্লাহ তা‘আলা ধন-সম্পদ দান করেছেন এবং তদ্বারা সে আল্লাহর পথে দিন রাত ব্যয় করে।

- রিয়াদুস স্বালেহীন ১০০৪
- সহীহুল বুখারী ৫০২৫, ৭৫২৯
- মুসলিম ৮১৫

18/06/2020

আঙ্গুলে থুথু লাগিয়ে বইয়ের পাতা উল্টানো লোকের অভ্যাস, কুরআন মজিদের পাতাও কি ঐভাবে উল্টানো যায়?

কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম, তা মুসলিমদের অত্যন্ত তা’যীমযোগ্য জিনিস। সুতরাং তাতে থুথু লাগানো বৈধ নয়। আমাদের কেউ যদি আঙ্গুলে থুথু লাগিয়ে অন্যের মুখে লাগিয়ে দেয়, তাহলে তাতে ঘৃণা প্রকাশ করতে দেখা যায়। অতএব এমন ঘৃণ্য আচরণ আল্লাহর কালামের সাথে করা আদৌ উচিৎ নয়।

লেখক : আব্দুল হামীদ ফাইযী

Address

Dhaka

Telephone

+8801670737970

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lady Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Lady Life:

Share