Growth Factors

Growth Factors Growth Factors is on a mission to educate and inspire the next generation of leaders.

ব্যবসায় ১৫ টি ভুল যা আমরা করে থাকি - পর্ব ০১ আমরা যখন কোন বিজনেস শুরু করি তখন পুরো উদ্যম পুরো জোস নিয়েই শুরু করি কিন্তু ...
21/11/2022

ব্যবসায় ১৫ টি ভুল যা আমরা করে থাকি - পর্ব ০১

আমরা যখন কোন বিজনেস শুরু করি তখন পুরো উদ্যম পুরো জোস নিয়েই শুরু করি কিন্তু একটা পর্যায়ে যেয়ে দেখা যায় আমরা আমদের উদ্যম আর ধরে রাখতে পারিনা এবং এটাও মনে হয় যে শুরুতেই আসলে আমরা অনেক ভুল করে এসেছি যা এখন না সংশোধন করতে পারছি না আবার বিজনেস অফ করে দিতে পারছি । নানা বিধ শঙ্কায় আমরা হতাশ হয়ে পড়ি ।

এখান থেকে তারাই পরিত্রাণ পায় যারা একটু পিছনে যেয়ে ভুল গুলো শূদ্রে আবার শুরু করে ।
আজকে আমি সেরকম ই কিছু কমন ভুল নিয়ে আপনাদের সাথে কথা বলব যে গুলো শুরু থেকেই আমাদের এড়িয়ে চলতে হবে । যদি শুরু থেকেই আমরা আমাদের ভুল নিয়ে সচেতন হই তাহলে আশা করছি আমরা সফল হব ইনশা আল্লাহ । তো চলুন শুরু করা যাকঃ

০১। বিজনেস মডেল ভেলিডেশন না করেই ইনভেস্ট করে ফেলা ।
হাতে টাকা পয়সা আছে বাঁ কিছু সেভিংস করে টাকা পয়সা জমিয়েছেন মনে মনে চিন্তা করছেন বিজনেস করবেন এর মধ্যে একদিন কোন একটা বিজনেস দেখে আপনার ভালো লেগে গেল অথবা আপনার বন্ধু আপনাকে উস্কানি দিল যে চল এই বিজনেস শুরু করি অনেক লাভ ।

এই জোকের বসে পরে কোন না জেনে না বুঝে আপনি কোন বিজনেস খুলে বসলেন বাঁ ইনভেস্ট করে বসলেন প্রপার বিজনেস মডেল না স্টাডি না করেই ।
দিন শেষ এ লস গুনতে গুনতে গুনতে আপনি হতাশ । কিন্তু আপনার লক্ষ ছিল আপনি বিজনেস করে লাভ করবেন এখন লাভে পৌঁছাতে যে স্টেপ গুলো আমাদের নিতে হবে সেইটাই মূলত বিজনেস মডেল ।

এইটাকে আরো ভেঙ্গে বললে এমন বলা যায় যে বিজনেস মডেল একটি ব্যাবসার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও গবেষণার লিপিবদ্ধ রুপ। যেমন, মালিকানা, মূলধন, মূল-নীতি, বাজার, পণ্য ও সেবা, বাজারজাতকরণ ও বিপণন কৌশল ইত্যাদি।
এখন এই সকল পরিকল্পনা মার্কেট অনুয়ায়ী ঠিক আছে কিনা সেটা যাচাই বাছাই করে তারপর ইনভেস্ট করুন ।

০২। গ্রাহক যা চায় সেটার সাথে এডজাস্ট করতে না পারা ।
মনে করেন আপনি একটা প্রডাক্ট বানিয়েছেন সব কিছু চেক করেছেন শতভাগ কোয়ালিটিও মেইন টেইন করে বাজারে ছেড়েছেন । আপনার কাছে মনে হচ্ছে আসলে আপনি সঠিক জিনিস বানিয়েছেন । কিন্তু তারপর ও কাস্টমার অভিযোগ দিচ্ছে যে এইটা হয় নাই ওইটা হয়না এভাবে না ওভাবে এইটা সেইটা নানান কিছু । কিন্তু আপনি এই অভিযোগ বাঁ সাজেশন কে আমলে না নিয়ে আরো কাস্টমারের কাছে যাচ্ছেন কারণ আপনি জানেন আপনার পণ্য ঠিক আছে ।

এতে দিন শেষে যে সমস্যাটা হয় সেটা হল আপনি অনেক গ্রাহকের কাছে জান কিন্তু বিক্রি আর বাড়ে না । এই প্রবলেম টা সব থেকে বেশি হয় যখন আপনি কোন ম্যানুফ্যাকচারিং বিজনেস করু করছেন অথবা আপনি কোন ডিজিটাল প্রোডাক্ট / এপ এসব কিছু বানিয়েছেন ।

তাই জন্য যখন ই কোন পণ্য বাজারে নিয়ে আসবেন চেষ্টা করবেন সেটাকে প্রথমে ১০ জনের কাছে পৌঁছাতে তারপর তাদের থেকে ফিডব্যাক নিয়ে ইম্প্রোভ করে আবার ২০ জনের কাছে যাবেন তারপর আবার ফিডব্যাক এই সার্কেল চলতেই থাকবে । এতে করে আপনি একটা রিফাইন্ড প্রডাক্ট পাবেন যেটা আসলেই গ্রাহকের জন্য কার্যকরী । এতে করে কিন্তু আপনার রিটার্নিং কাস্টমার ও বাড়বে এবং ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং ও হবে ।

০৩। স্বল্প সময়ের মধ্যে অন্ন বিজনেস শুরু করে দেওয়া ।
আমাদের উদ্যোক্তাদের মধ্যে একটা কমন সমস্যা হচ্ছে ফোকাস ঠিক রাখতে না পারা ।

দেখা যায় যে একটা বিজনেস আমরা অনেক প্যাশন এর সাথে শুরু করি কিন্তু ৬ মাস ১ বছর যাওয়ার পর আমরা সেই বিজনেস এ আর কন্টিনিউ করতে পারিনা কারণ এই সময়ের মধ্যে অনেকেই আমরা প্রফিটের মুখ দেখতে পাইনা । খুব বেশি সেলস ও হয়না যে আগ্রহ থাকবে বিজনেসে যার কারণে অধিকাংশ বিজনেস প্রথম এক বছরেই ঝরে যায় ।

সেই কারণে যখন ই কোন বিজনেস শুরু করবেন চেষ্টা করবেন সেই বিজনেসে মিনিমাম ৩ বছর লেগে থাকা এতে করে আপনি আস্তে আস্তে আপনার ভুল গুলো বুঝতে পারবেন সেই অনুযায়ী স্টেপ নিতে পারবেন এবং নিজেকে রিফাইন করে ক্রিয়েট করতে পারবেন যা আপনাকে সামনে অনেক গতি এনে দিতে সক্ষম ।

০৪। একটা স্বচ্ছ এবং গুছানো ইনভেস্টর পিচ না থাকা ।
আমরা যারা ছাত্র অথবা ছোট চাকরি করি তারা অনেকেই অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে বুটস্ট্রেপিং করে বিজনেস শুরু করে দেই এবং মনে মনে ভাবতে থাকি যে আসলে ২-৪ মাস যাক কিছু রেভিনিউ আসুক সেটা দেখিয়ে ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে আসব বাঁ একটা পাইলটিং করে এইটা ভাবি যে সফল হলে ইনভেস্টর ত পাব ই ।

একজন ইনভেস্টর শুধুই যে রেভিনিউ এর উপর ইনভেস্টমেন্ট করে তা কিন্তু না সে ইনভেস্ট করে আপনার প্লান পরিকল্পনা ভিশন মিশনের উপর আপনার উপর । সেই কারণে একটা স্বচ্ছ ও গুছানো পিচ ডেক প্রেজেন্টেশন আপনার অবশ্যই থাকা লাগবে ।

ইনভেস্টর টাকা দিবে কিন্তু আপনি এই টাকা নিয়ে কি করবেন কিভাবে খরচ তাঁর ক্লিয়ার উত্তর না দিতে পারলেই আপনে বাদ ।

০৫। প্রফিটে ফোকাস না করে রিভিনিউ তে প্রচুর ফোকাস করা এবং ক্লিয়ার রেভিনিউ মডেল না থাকা ।
এইটা ঠিক যে বিজনেসে সেলস অনেক জরুরি কিন্তু যদি সেল দিয়েও লাভ না হয় তাইলে আপনি নিজেই নিজের গলায় ফাঁসি দিয়ে বসতেছেন । যারা ছোট বিজনেস শুরু করেন বুটস্ট্র্যাপ করে তাদের আসলে জমানো টাকা দিয়েই শুরু করতে হয় সে জন্য যদি প্রফিট ছাড়া বিজনেস করেন তাইলে আপনার টাকা দ্রুতই ফুরিয়ে আসবে ।

আপনার হয়ত মনে হচ্ছে যে মেকিং কষ্টেই সেল করছেন সো লস কোথায় কিন্তু প্রোডাক্ট এর শুরু থেকে এন্ড পর্যন্ত হিসেব আপনি রাখেন না অনেক হিসেব ই আপনি তুলেন না সেজন্যই লস হয় যেটা আপনি শুরুতে বুঝতে পারেন না ।
তাই পণ্য বিক্রি এর সাথে প্রফিট অবশ্যই আপনাকে করতে হবে সেটা কম হলেও কেননা মানি বার্ন করার জন্য ইনভেস্টর হয়ত এখনো আপনার নাই ।

যে এখন খরচ করে পরে মার্কেট থেকে তুলে নিবেন । তাই জন্য আপনি আপনার পরিশ্রমের মূল্য না কেন কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিক্রিত পণ্যের পুরো খরচ সহ কিছু হলেও যেন লাভ উঠে আসে সেই খেয়াল রাখবেন ।

এরপর আবার অনেকের ক্ষেত্রে এমন হয় যে আইডিয়া আছে প্রোডাক্ট আছে কিন্তু সেখান থেকে টাকা কিভাবে আসবে সেই মডেল উনি জানেন না । আবার অনেকেই ভেবে বসে থাকেন যে আচ্ছা দেখিনা সোশ্যাল অয়ার্ক এর মত করতে থাকি টাকা ত এক সময় আসবেই ! ভাই আপনে স্বপ্নে বসবাস করছেন । বিজনেস কোন সোশ্যাল ওয়ার্ক না !

হ্যাঁ এখন যদি আপনি সোশ্যাল বিজনেস করেন সেটাও একটা বিজনেস সেটার ও একটা মডেল আছে ।
যদি আপনার সঠিক কোন রেভিনিউ চ্যানেল না থাকে তাহলে শুধু টাকা সময় অপচয় করেই যাবেন কাজের কাজ কিছুই হবেনা ।

08/11/2022

আবারো আসছে শার্ক ট্যাংক ...
সিজন ০২ নিয়ে, যারা উদ্যোক্তা হতে চান ব্যবসা করতে চান বা এই সম্পর্কিত জিনিস পত্র নিয়ে জানতে চান । তাহলে আপনার জন্য মাস্ট ওয়াচ একটি প্রোগ্রাম!

22/09/2022
স্মার্ট ক্যারিয়ার, স্মার্ট ম্যান মানুষ আজীবন তার ক্যারিয়ারের পরিচয়ে পরিচিত থাকে। সুন্দর জীবন যাপনের জন্যও একটা সুন্দর ক্...
19/12/2018

স্মার্ট ক্যারিয়ার, স্মার্ট ম্যান

মানুষ আজীবন তার ক্যারিয়ারের পরিচয়ে পরিচিত থাকে। সুন্দর জীবন যাপনের জন্যও একটা সুন্দর ক্যারিয়ার প্রয়োজন। তাই শুরুতে আগে সিদ্ধান্ত নিন, তারপর রকেট স্পীডে পৌঁছে যান গন্তব্যে। ক্যারিয়ার শুরুর আগে গভীরভাবে নিচের ১০ টি বিষয় মনযোগ দিয়ে পড়ুন। এরপর ইস্পাত কঠিন মনোবলে সিদ্ধান্ত নিন। তারপর অলসতা ভেঙ্গে শুরু করুন দৌঁড়।



১) আজ থেকে ৫ /১০ বছর পর আপনি নিজেকে কোন পজিশানে দেখতে চান সে অনুযায়ী ক্যারিয়ার বাছাই করে প্রস্তুতি নিন। আপনার ইচ্ছে একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির ম্যানেজার হওয়ার অথচ আপনি নিজেকে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অফিসার হিসেবে জয়েন করার প্রস্তুতি না নিয়ে, আপনি যদি বিসিএস এর জন্য পড়াশুনা করতে থাকেন তবে নিশ্চিত আপনি কখনো স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন না। শুধু একটা চাকরি পাবেন মাত্র। আবার আপনার স্বপ্ন যদি হয় ব্যাংক অফিসার কিংবা বিসিএস ক্যাডার হওয়ার, তবে আপনি যদি নিজেকে সে অনুযায়ী প্রস্তুত না করে বড় কোনো কোম্পানির অফার পেয়ে সিভি তৈরি করা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান, সেক্ষেত্রেও আপনি পিছিয়ে থাকবেন।



২) কিছু চাকরি আছে যেখানে প্রচুর ক্ষমতা নিয়ে জীবন ধারণ করা যায় কিন্তু অনেক বেশি বৈধ পথে আয় সম্ভব না। আবার কিছু চাকরি আছে যেখানে আপনি ক্ষমতা দেখাতে পারবেন না কিন্তু প্রচুর আয় করে দামি স্ট্যাটাস ম্যাইনটেইন করতে পারবেন। যেমন – বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বড় পোস্টগুলোতে। আবার কিছু চাকরি আছে যেখানে আপনি সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবেন। যেমন ঃ যেকোনো ফার্স্ট ক্লাস সরকারি চাকরি। আপনাকে প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে আপনি কেমন জীবন চান। কিছু কিছু মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি আছে যার বেতন লক্ষাধিক টাকা। কিন্তু জীবন উপভোগের সুযোগ এখানে কম থাকে। এসব বিবেচনায় নিয়েই ক্যারিয়ার সিলেক্ট করুন।



৩) শেষ পর্যন্ত লেগে ছিল অথচ সফলতা পায়নি, এমন কাউকে আমি দেখিনি।



৪) প্রতিটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যতজন নিয়োগ নেয়ার কথা, ঠিক ততজনই নেয়া হবে। আপনি শুধু ততটুকুতে থাকার মত যোগ্যতা অর্জন করুন। পরিশ্রম না করে ভাগ্যকে দোষারোপ করলে কারো কিছুই যাবে আসবে না। আল্টিমেটলি আপনি যেখানে ছিলেন সেখানেই পড়ে থাকবেন।



৫) হাজার হাজার প্রার্থীর মাঝে কেন আপনাকেই চাকরিতে নেয়া হবে, সেই কেন’র কারণগুলো খুঁজে বের করুন। কারণ গুলো তৈরি করুন।



৬) আপনার একাডেমিক রেজাল্ট নিয়ে অতি গর্ব করার কিছুই নেই। আপনি ভালো রেজাল্ট করেছেন এটা অনেক খুশির সংবাদ। এটা জীবনের চমৎকার একটা অর্জন। কিন্তু শুধু ভালো রেজাল্ট করেছেন বলেই আপনি ভালো চাকরিটা পাবেন – এমন আশা করবেন না। আপনি কত বড় পোস্টে জয়েন করবেন সেটা নির্ভর করবে আপনি কত বেশি স্মার্টলি তার জন্য পরিশ্রম করেছেন সেটার উপর।



৭) প্রাইভেট জবে সিভিটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য কল পেলেই কেবল নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন। আর ইন্টারভিউয়ের জন্য কল পাওয়ার উপায় স্মার্ট সিভি। Smart Candidate, Smart CV শিরোনামে একটা লেখা আছে আমার টাইমলাইনে ( প্রোফাইল নেইম Satyajit Chakraborty)। এছাড়া আমার লেখা মোটিভেশনাল বই “রোড টু সাকসেস ” এ বিষয়ে একটা অধ্যায় আছে। একটা ধারণা নিতে পারেন সেখান থেকে। তবে আমার কথাগুলোই শেষ কথা নয়। আপনি নিজের চিন্তা দিয়েই সব বিবেচনা করবেন।



৮) ভাগ্য মানুষকে চাকরি কিংবা সফলতা দেয় না। তবে পরিশ্রমের মাধ্যমে মানুষ নিজের ভাগ্যকে নিজেই পাল্টে দিতে পারে। সবসময় আমাদের স্মরণ রাখা দরকার সকল ক্ষমতার মালিক স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা। তিনি না চাইলে আমাদের হাজার চেষ্টায়ও কিছুই হবে না। তাই প্রতিদিন নিজ ধর্মমতে অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার প্রার্থনা করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।



৯) ক্যারিয়ার কখনো মানুষকে বিখ্যাত করেনা বরং মানুষই তার মেধার প্রয়োগ ঘটিয়ে ক্যারিয়ারকে বিখ্যাত করে তুলে। আপনি ক্রিয়েটিভি ও জিনিয়াস হলে আপনার পদটিকেই সবাই আকর্ষণীয় মনে করবে। আবার আপনি আঁতেল হলে, আপনার পদের চাকরিটা কেউ করতে চাইবেনা। সবাই ভাববে এটা আঁতেলরা করে। কাজেই আপনিই মুখ্য, ক্যারিয়ার নয়।



১০) সবশেষে, একটা হ্যান্ডসাম লাইফ স্টাইল ও সুখি জীবনের জন্য একটা চমৎকার ক্যারিয়ার গড়া অত্যন্ত জরুরি। বেকার জীবন অন্যদের কাছে যেমন বোঝা, তেমনি একজন বেকার নিজের কাছেই নিজে এক বড় বিরক্তিকর।

লেখক
Satyajit Chakraborty

মাত্র ১০ মিনিটে এম বি এ !আমরা অনেকেই ব্যবসা শুরু করতে চাই, উদ্যোক্তা হতে চাই কিন্ত ব্যবসা সম্পর্কে আমাদের প্রপার নলেজ না...
22/11/2018

মাত্র ১০ মিনিটে এম বি এ !

আমরা অনেকেই ব্যবসা শুরু করতে চাই, উদ্যোক্তা হতে চাই কিন্ত ব্যবসা সম্পর্কে আমাদের প্রপার নলেজ না থাকায় আমরা অনেকেই ব্যবসা শুরু করতে পারিনা বা শুরু করলেও হয়ত বিজনেসের ফান্ডামেন্টাল জিনিস গুলো না জানার কারনে আমাদের শুরু করা বিজনেস ফেল হয় বা আমরা ব্যর্থ হয়ে যাই ।

পথ না চিনলে পথে হাটা যেমন বুদ্ধিমানের কাজ নয় তেমনি একটা বিজনেসের ফান্ডামেন্টাল না জেনে বিজনেস শুরু করাও বোকামি ।
তো আজকে আমি আপনাদের কে শিখাবো একটি বিজনেসের কোর ভ্যলু কি ? কি কি জিনিস একটি বিজনেসে থাকতে হয় আরো ইত্যাদি ইত্যাদি ।

প্রতিটি বিজনেসে ৫ টি ধাপের মেইন ফ্রেম থাকে যা একটি বিজনেস এ সফল করে ।
তো চলুন জেনে নেই সেই ৫ টি মেইন ফ্রেম সম্পর্কেঃ

১। ভ্যালু তৈরি করা
২। মার্কেটিং
৩। সেলস
৪। ভ্যালু ডেলিভারী
৫। ফাইনান্স

এই ৫টি মেইন ফ্রেমের একটিও যদি আপনার বিজনেসে না থাকে তাহলে সেটা কে বিজনেস বলা যাবে না । কেননা যেই বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েশন হয়না সেটিকে হবি বলা হয়, যেই বিজনেসের মার্কেটিং করা হবেনা সেটি ফ্লপ হবে, যে বিজনেসে ভ্যালু ক্রিয়েশনের পর সেল হবেনা সেটি নন প্রফিট হবে , বিজনেসে প্রমিজ অনুযায়ী গ্রাহকের কাছে পন্য ডেলিভারি না হলে সেটি স্ক্যাম হবে এবং যেই বিজনেসে কোন লাভ ই না হয় সেটা ক্লোজ হবে ।

এখন আমরা এই ৫টি মেইনফ্রেম সম্পর্কে বিস্তারিত জানব ।

১। ভ্যালু ক্রিয়েশন

এখন আপনাকে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করতে হবে আপনি যে পন্য বানাচ্ছেন বা সেবা দিচ্ছেন সেটার গ্রাহকের জীবনে কোন ভ্যালু ক্রিয়েট করছে কিনা । কেননা যে কোন বিজনেস কে সফল করার জন্য সব থেকে সিম্পল ফর্মুলা এটাই বলে যে আপনি যত পরিমান মানুষ কে আপনার পন্য বা সার্ভিস দিয়ে ভ্যালু ক্রিয়েট করতে পারবেন ঠিক তত পরিমান মানুষই আপনাকে টাকা দিবে । আপনি যত বেশি ভ্যালু ডেলিভারি করতে পারবেন ঠিক তত টাই আপনি টাকা কামাতে পারবেন ।

উদাহারনঃ আপনি ছোট একটা চায়ের দোকান দিয়ে সেই পরিমান টাকা কামাতে পারবেন না যেটা বিল গেটস কামায় কেননা আপনি চা বিক্রি করে হয়ত ২-৪শ মানুষের লাইফে ভ্যালু ক্রিয়েশন করতে পারবেন কিন্তু অন্য দিকে বিল গেটস এমন একটি পন্য তৈরি করেছেন যেটা সারা দুনিয়ার মানুষ ব্যবহার করছে ।
সো আপনি যত পরিমান ভ্যালু ক্রিয়েট করবেন ঠিক তত টাই আপনি সফল হবেন ।

২। মার্কেটিং

আপনি যত ভাল পন্য বা সার্ভিস দেন না কেন সেটা যদি লুকিয়ে রাখেন বা মানুষ কে না জানান তাহলে মানুষ সেটা কিনবে কিভাবে ?
এজন্য একটি বিজনেসে মার্কেটিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ । আপনি আপনার পন্য বা সেবা কে এমন ভাবে মানুষ এর সামনে নিয়ে আসুন যেন মানুষ সেটি কিনতে বা ব্যবহার করতে আগ্রহী হয় ।

উদাহরণঃ মনে করুন আপনি একটি রাস্তার পাশ দিয়ে জাচ্ছেন যেখানে অনেক গুলো ব্রাউন কালার গরু রাস্তার পাশে বাধা আছে কিন্ত এটা আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেনা কারন এটা কমন যে গরু ব্রাউন কালারের ই হয় । যদি এমন হতো যে রাস্তার পাশে একটি পিংক কালারের গ্রু থাকত তাহলে অবশ্যই সেটি আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করত কারন আমরা সাধারনত পিংক কালারের গুরু দেখিনা তাই । সো আপনার পন্য বা সেবাকে এমন ভাবে গ্রাহকের সামনে আনুন যেন সেটা তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে ।

৩। সেলস

সেলস করতে গেলে আপনাকে প্রথমে যে জিনিসটি মাথায় রাখতে হবে তা হলো মানুষ ততক্ষন পর্যন্ত আপনার কাছ থেকে কিছু কিনবে না যতক্ষণ না সে আপনাকে বিস্বাশ করবে ।

উদাহারনঃ ধরুন আপনি কোন একটি দেশে ঘুরতে গেলেন এবং অনেক ঘুরাফেরা শেষে আপনার ক্ষুদা লাগল তো আপনি যখনি খাওয়ার জন্য গেলেন খেয়াল করলেন যে সেখানে দুইটি রেস্টুরেন্ট একটির সাইন বোরডে চাইনিজ ভাষায় কিছু লিখা আছে আর আরেকটির সাইন বোর্ডে কে এফ সি লিখা আছে । এখন আপনি কোনটাতে যাবেন ? অবশ্যই কে এফ সি তে কেননা আমরা কে এফ সি কে চিনি এবং বিশ্বাস করি । অন্য দিকে যদি ওই রেস্টুরেন্টের খাবার কে এফ স্যার থেকেও ভাল ও হয় তবুও আমরা সেখানে জাব না কেননা তাকে আমরা বিস্বাশ করিনা ।

৪। ভ্যালু ডেলিভারি

আপনাকে নিজের কাছে প্রশ্ন করতে হবে যে আপনার কাছে আপনার গ্রাহকের যা আশা আছে তার থেকে বেশি কিছু আপনি গ্রাহক কে দিতে পারবেন কিনা ।

উদাহারনঃ মনে করুন আপনি একটা অনলাইন শপে অর্ডার করলেন এবং ডেলিভারি টাইম হিসেবে তারা আপনার কাছে ৭ দিন সময় চাইলো এবং আপনি দেখলেন যে ২ দিনের মধ্যেই তারা আপনার পন্য ডেলিভারি করে দিল তাতে আপনি এক রকম অবাক ই হবেন কেননা তারা যেখানে ৭ দিন সময় চেয়েছিল সেখানে আপনি ২ দিনে পেয়েছেন এবং আপনি সেই জিনিসটি আজীবন মনে রাখবেন । ঠিক এই পলিসি যদি আপনার ব্যবসায় করতে পারেন তাহলে আপনার গ্রাহক আপনাকে মনে রাখবে, তারা তাদের বন্ধু পরিবার সবাইকে বলবে ।

৫। ফাইন্যান্স

আপনাকে প্রথমে দেখতে হবে আপনি যেই পরিমান টাকা খরচ করেছেন সেটার বেশি আপনি রিটার্ন পাচ্ছেন কিনা । যদি দিন শেষে আপনার প্রফিট না হয় তাহলে একটা সময় আপনার বিজনেস বন্ধ করে দিতে হবে তাই ব্যবসায় ফাইন্যন্স অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।
আবার অনেকেই বলতে পারেন যে আমি এখন প্রফিট আশা করছিনা ৬ মাস পর প্রফিট করব সো আপনি যদি ৬ মাসে পরেও প্রফিট করতে চান তাহলে এই ৬ মাসের খরচ হিসেব করতে হবে, প্রতিমাসে আপনি কত টাকা প্রফিট আশা করেন সেটাও হিসেব করতে হবে ।

আপনি আরো দুটি জিনিএস করতে পারেন আপনার ফাইনান্স ঠিক রাখার জন্য

১। খরচ কমিয়ে ফেলতে পারেন
২। আরো বেশি পরিমান ভ্যালু যুক্ত করুন যেন গ্রাহক আপনার পন্য বা সেবা একটু বেশি টাকা দিয়ে নিতেও আগ্রহী হয় ।

একটি সফল বিজনেসের জন্য আপনাকে সব কিছুর উত্তর না জানলেও হবে কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজের কাছে নিজে সঠিক প্রশ্ন করতে পারছেন কিনা । সঠিক বিজনেস মডেল দাড় করাতে পারছেন কিনা ?

এই ৫ টি ফ্রেমওয়ার্ক আপনার বিজনেসে একটি মডেল দাড় করাতে এবং আপনাকে সফল করতে সাহায্য করবে বলে আমি আশাবাদী ।

সময় নিয়ে কস্ট করে লিখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । লিখাটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না ।

21/11/2018

জীবনে ৪ টি জিনিস কখনো ফিরে আসেনা ।

সময়ের বহমান নদীতে আমাদের জীবন একটি ভেলার মত, শত অনুকুল এবং প্রতিকুলতার মধ্য দিয়েই আমাদের জীবন কে অতিবাহিত করতে হয় । কখনো কখনো নিজের ফেলে আসা সময় কে বর্তমানের কাছে হার মানাতে হয় ।

আমাদের জীবনের চারটি জিনিস আমরা কখনো ফিরে পাইনা ।
১। একটা পাথর কোন দিকে ছুড়ে মারলে ।
২। যে কথা আমরা কাউকে বলে ফেলি ।
৩। যে সুযোগ আমরা হারিয়ে ফেলি ।
৪। যে সময় টা চলে যায়

মানুষ এর গড় আয়ু হিসেব করলে বলা যায় একজন মানুষ গড়ে ৭০ বছর এই পৃথিবীতে বেচে থাকেন এবং এই ৭০ বছর কে যদি আমরা ১২ দিয়ে ভাগ করি তাহলে দেখা যায় ৮৪০ মাস আমরা পৃথিবীতে বেচে থাকি । আমাদের জীবন কে একটি বয়াম এর সাথে আর ৮৪০ মাস কে একেকটি মারবেলের সাথে তুলনা করলে দেখা যাবে একটি বয়ামে ৮৪০ টি মার্বেল আছে । প্রতি বছর এই মার্বেল গুলি থেকে ১২ টি মার্বেল বাইরে ফেলে দেওয়া হয় এবং গত বছর ও আমরা তাই করেছি ।

এখন হিসেব করুন নিজের পদচিনহ আকতে, নিজেকে আলাদা করে উপস্থাপন করতে আপনার কয়টি মার্বেল বাকি আছে । সময় কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করুন সময় আপনাকে এর সঠিক মুল্য দেওয়ার মাধ্যমে আপনাকে ভাল রাখতে সাহায্য করবে ।
আমরা উসাইন বোল্ড কে সবাই চিনি তিনি মোট ৩ টি অলিম্পিক জিতেছেন এবং উনার বর্তমান মুল্য ৬০ মিলিয়ন ডলারের মত । আপনি কি জানেন তিনি অলিম্পিকের ওই ট্রাক গুলিতে কত সময় দৌড়িয়েছেন ? সব মিলিয়ে ২ মিনিটের ও কম সময় । এই ২ মিনিট তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে এবং তাকে আজ এই জায়গায় নিয়ে এসেছে । কিন্তু এই ২ মিনিট কে মুল্যবান করতে উসাইন ২০ বছরের ও বেশি সময় তার অনুশীলনে ব্যয় করেছেন ।

নিজের শরীরে যত্ন নিন, নিজের সম্পর্ক কে যত্ন করে লালন পালনের জন্য সময় ব্যয় করুন । নিজের উদ্দ্যেশ্য , নিজের প্যাশন , নিজের পেশা আবিস্কার করতে সময় ব্যয় করুন যেন আপনার পেশাগত উন্নতি হয় । নিজের স্কীল তৈরিতে সময় দিন এবং এমন কিছু করুন যাতে আপনাকে মানুষ অনুপ্রেরনা হিসেবে দেখে ।

সফল প্রোডাক্ট তৈরির ৭টি ফর্মুলাহোয়াটসঅ্যাপ, উবার, ওলা, বিগ বাস্কেট, ফ্লিপকার্ট কিংবা আমাজোন আমাদের জীবন সরল করে দিয়েছে। ...
16/11/2018

সফল প্রোডাক্ট তৈরির ৭টি ফর্মুলা

হোয়াটসঅ্যাপ, উবার, ওলা, বিগ বাস্কেট, ফ্লিপকার্ট কিংবা আমাজোন আমাদের জীবন সরল করে দিয়েছে। কিন্তু আমরা কেউ কি জানতে চাই এর পিছনে কী টেকনোলজি রয়েছে! কিংবা ব্যাক-এন্ড-এ কীভাবে কাজ হচ্ছে! জানি না আপনি জানতে চান কিনা, কিন্তু অধিকাংশ ব্যবহারকারীই এসব জানতে চান না। কিন্তু ব্যবহার করতে গিয়ে কোথাও অসুবিধে হলে প্রযুক্তিকে দুষতেও ছাড়েন না।
ফলে প্রোডাক্টটাই মোদ্দা কথা।

প্রথম| ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে তৈরি ডিজ়াইনের দর্শন। যাকে জাজু বলছেন ইউজ়ার সেন্ট্রিক ডিজ়াইন ফিলজ়ফির কথা। প্রোডাক্টের এমন ডিজ়াইন তিনি চাইছেন যা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন এবং চাহিদার কথা মাথায় রেখে তৈরি হবে। ব্যবহারকারীকে আরও আরাম আরও সহজ একটি সেবা উপহার দেওয়াটাই হবে প্রথম এবং প্রাথমিক শর্ত। যেমন বিগ বাস্কেটে ওরা দেখেছেন অধিকাংশ সময় গ্রাহক একই জিনিস বারংবার অর্ডার করছেন। সেক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর আচরণের প্যাটার্নটাই ফলো করে আরও সহজ এবং আরও দ্রুত পরিষেবা দেওয়াটাই কাম্য।

দ্বিতীয়| সারল্যই সুন্দর। ডিজাইনের মতই আইকন, ফন্ট, নাম সবটাই সহজ সরল হওয়া উচিত। ব্যবহারকারীর কাছে কখনওই সেগুলো দুর্বোধ্য বা কষ্টকর যেন না হয় সেটা প্রোডাক্টের মৌলিক শর্তগুলির একটি। ফলে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাও সহজ রাখাটা খুব জরুরি। ব্যবহারকারীর যেন মনে না হয় বিষয়টা জটিল। যেমন ধরুন হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারী যা চান সেই কাজটা সহজ ভাবে করতে পারার জন্যে যা প্রয়োজন সেটা আছে ওই অ্যাপে। কোনও পাসওয়ার্ডের হার্ডল নেই। ডিজাইন থেকে শুরু করে অপারেশন সবটাই সরলীকৃত।

তৃতীয়| দারুণ প্রোডাক্ট তৈরির জন্যে প্রয়োজন তথ্যের। তথ্যের ভিত্তিতেই দুর্দান্ত প্রোডাক্ট তৈরি হতে পারে। সেই সব তথ্যই একটি প্রোডাক্টের গুণগত মান বাড়িয়ে দিতে পারে যেগুলির ওপর ভিত্তি করে কাজ করা সম্ভব, যে তথ্যগুলি কোনও প্রোডাক্টের ব্যবহারকারী সম্পর্কে ধারনা দেয়। কিংবা কোনও নির্দিষ্ট প্যাটার্নকে কার্যকর করে। তথ্য এবং তার বিশ্লেষণের ভিতর দিয়েই সেরা প্রোডাক্টের রূপরেখা তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট প্রোমোটর স্কোরস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সংগৃহীত তথ্যের সঠিক কোহর্ট অ্যানালাইসিস।

চতুর্থ| শুধু হ্যাপি ফ্লোর কথা ভাবলে চলবে না। পাশাপাশি তৈরি থাকতে হবে হোঁচট খাওয়ার জন্যেও। কেননা সার্ভার ডাউন হওয়া বা নেটওয়ার্কের সমস্যা সামাল দেওয়ার শিল্পটাও শিখে রাখা দরকার। গুগলের উদাহরণ দিয়ে জাজু বলেন, একটা সার্চ পেজ খুলতে যদি ০.৫ সেকেন্ড দেরি হয় তাহলে গুগলের মতো সংস্থার ক্ষেত্রে ট্র্যাফিক পড়ে যায় ২০ শতাংশ। ফলে প্রোডাক্ট ব্যবহার যিনি করছেন তার ইচ্ছে তার মর্জিকে গুরুত্ব দিতে হবে বৈকি! তাকে ব্যস্ত রাখতেও জানতে হবে।

পঞ্চম| এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আপনার প্রোডাক্টকে শুধু শহরাঞ্চলের ইংরেজি কপচানো বাবুদের জন্যে বানালে চলবে না। মনে রাখতে হবে ভারতের অধিকাংশই বাস করে গ্রামে এবং মফঃস্বলে। ফলে সেই প্রান্তিক একশ কোটি মানুষের কথা না ভাবলে আপনার চলবে না। মোবাইল ফার্স্ট গ্রাম বাংলার কথা ভেবে অ্যাপ ঠিকই আছে। কিন্তু শুধু অ্যাপে জল গরম হবে না। চাই ওয়েব অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড কিংবা অ্যাপেলের জন্যে যা পারফেক্ট প্রান্তিক একশ কোটির কাছে তার কোনও মূল্য নাও থাকতে পারে। মজবুত প্রোডাক্টের জন্যে চাই বিভিন্ন সাইজের স্ক্রিনে খাপ খায় এমন প্রোডাক্ট। চাই এমন প্রোডাক্ট যা যেকোনও ধরনের নেটওয়ার্কে দারুণ চলতে পারে। খারাপ নেটওয়ার্কেও। কিংবা ধরুন এমন ডিভাইসে যেখানে পুশ নোটিফিকেশনে সমস্যা হতে পারে আর ব্যাটারির সমস্যার কথা ভুললে চলবে না। মাথায় রাখতে হবে সিস্টেম ফোনের অপশনটাও।

ষষ্ঠ| আপনার প্রোডাক্টকে হতে হবে সস্তা। না সস্তার তিন অবস্থা এই পুরনো প্রবাদে কাজ হবে না। আপনাকে যদি টিকে থাকতে হয় তবে ভবিষ্যতের যে ক্রেতারা বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করবে তারা হবেন আরও মূল্য-সতর্ক গ্রাহক। ফলে আপনাকেও তৈরি থাকতে হবে। দাম কমালেই হবে না। আপনি কী পরিষেবা কত মূল্যে দিচ্ছেন তার নেপথ্যের যুক্তিটাও স্পষ্ট রাখতে হবে। তবে দাম কমাবেন বলে জিনিসের মান খারাপ করে দেবেন, তাহলে তো চলবেই না। প্রোডাক্টের মান ভালো রাখতে হবে পাশাপাশি দাম নিয়েও সচেতন হতে হবে তবেই হুড়মুড়িয়ে প্রান্তিক মানুষ আপনার প্রোডাক্ট কিংবা পরিষেবা গ্রহণ করবেন।

এবং সপ্তম| পাশাপাশি আপনার প্রোডাক্টকে ক্রেতার হৃদয় জয় করতে হবে। আবেগ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি এলিমেন্ট যা চিরকাল প্রোডাক্টের সঙ্গে জুড়ে ছিল। কিন্তু আগামী দিনে এই জোড় আরও মজবুত হতে চলেছে। ফলে যেকোনও প্রোডাক্ট ডেভেলপ করার সময় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে এর মনস্তাত্ত্বিক দিকটাও। আর এই দার্শনিক বোঝাপড়াটা হয়ে গেলে এবং সেই মত প্রোডাক্টটাকে তৈরি করতে পারলে আপনার প্রোডাক্টের সাফল্য রোখে কে!

**লিখাটি অনুবাদিত এবং পরিমার্জিত !

দেখুন কিছু অসাধারন মার্কেটিং আইডিয়া । যা হয়ত দেখেননি আগে !
26/10/2018

দেখুন কিছু অসাধারন মার্কেটিং আইডিয়া ।
যা হয়ত দেখেননি আগে !

উদ্যোক্তা হিসেবে হাতেখড়ি ? কিছু সমস্যা এবং সমাধান । কর্পোরেট অফিসের মোটা বেতনের চাকরি নাকি স্টার্টআপ-এর ঝুঁকি ? আমার পছ...
24/10/2018

উদ্যোক্তা হিসেবে হাতেখড়ি ? কিছু সমস্যা এবং সমাধান ।

কর্পোরেট অফিসের মোটা বেতনের চাকরি নাকি স্টার্টআপ-এর ঝুঁকি ? আমার পছন্দ জিজ্ঞাসা করা হলে কিন্তু আমি দ্বিতীয় পেশাকেই বেছে নেব। কারণ নিজের উদ্যোগে কিছু করার মধ্যে অদ্ভুত শান্তি আছে, যেটা চাকরি করে কখনওই পাওয়া যায় না। কিন্তু স্টার্টআপ হওয়া ‌যতটা রোমাঞ্চের, ততটাই চ্যালেঞ্জিংও।

আমার বন্ধুবান্ধবদের অনেকেই সার্টআপ ব্যবসায় জড়িত। তাঁদের যে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে তা মোটের ওপর একই। এক বছরের কম বয়সী যে কোনও স্টার্টআপই এটা উপলব্ধি করতে পারবেন।

১. আপনার সঙ্গী

নিজের বন্ধুদের সঙ্গে ভাবনা ভাগ করে নেওয়ার সময় যদি তাঁদের মধ্য থেকে সঙ্গী পেয়ে যান তবে আপনার থেকে ভাগ্যবান আর কেউ নন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সকলেই এমন ভাগ্যবান নন। এই পরিস্থিতিতে একজনের কী করা উচিত ?

বাইরে বেরোন। বন্ধুবান্ধব, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ভাবনা শেয়ার করুন, এমন সব প্ল্যাটফর্ম থেকে স্টার্টআপের জন্য সঙ্গী পেয়ে যাবেন যা কখনও ভাবতেও পারেননি।

২. আপনার টিম

প্রথম ৫ জন কর্মী নিয়োগের কাজটা কিন্তু বেশ শক্ত। সেই প্রক্রিয়া ধাক্কা খেলে হতাশ হবেন না। আপনি একা নন, প্রায় সমস্ত স্টার্টআপ-ই একই সমস্যায় ভোগেন।

যোগ্য প্রার্থীদের নিজের ভাবনার কথা বলুন। আপনার মিশনে সামিল হতে উদ্বুদ্ধ করুন। হতে পারে আপনি প্রথমেই ঝকঝকে অফিস, লোভনীয় পে প্যাকেজ তাঁদের দিতে পারবেন না, কিন্তু কাজ করার উপযুক্ত পরিবেশ ও সাহায্যের আশ্বাস তো দিতেই পারেন। কিন্তু কোনও পরিস্থিতিতেই কর্মীদের যোগ্যতার সঙ্গে আপোষ করা যাবে না। মনে রাখবেন ওঁরাই সংস্থার ভিত, ভবিষ্যত নির্মাণ করবেন (ভাল হোক বা খারাপ)।

৩. প্রাথমিক গ্রাহক

কী ধরনের ব্যবসা করছেন তার ওপর গ্রাহকের সংখ্যা নির্ভর করে। বিনামূল্যের মোবাইল অ্যাপ হলে রাতারাতি কয়েক হাজার গ্রাহক পাওয়া অসম্ভব নয়। অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রেও গ্রাহক পেতে পেতে কয়েকদিন তো লেগেই যায়। কিন্তু বিটুবি ব্যবসায় গ্রাহক পেতে কয়েক মাস কেটে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

ব্যবসায় নেমেই টাকার পিছনে দৌঁড়াবেন না। বরং সন্ধান করবেন একনিষ্ঠ গ্রাহকদের-- আপনার প্রোডাক্ট নিখুঁত না হলেও যারা আপনাকে ছেড়ে যাবে না।

এর অর্থ অবশ্যই এটা নয় যে লাভের অঙ্ক রাখাটা অন্যায়। কিছু লাভ নিশ্চয়ই রাখবেন কিন্তু অর্থ উপার্জন আপনার প্রাথমিক লক্ষ্য না হওয়াই ভাল।

৪. ‘গ্রোথ চ্যানেল’ চিহ্নিত করা

আগে বিনিয়োগকারীদের তুষ্ট করতে স্টার্টআপ-দের আকর্ষণীয় আইডিয়া দিতে হত। কিন্তু এখন বৃদ্ধির রোডম্যাপ জানতেই বেশি আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা।

স্টার্টআপ বিশেষ করে অনলাইন ব্যবসার ক্ষেত্রে গ্রাহক পাওয়া তত কঠিন নয়। কিন্তু একনিষ্ঠ গ্রাহক পাওয়াই বেশিরভাগ শুরুয়াতির কাছে চ্যালেঞ্জ।

অন্তত একটা গ্রোথ চ্যানেল চিহ্নিত করতে হবে যেখান থেকে ভবিষ্যতে ‘পেড কাস্টমার ‘ পাওয়া যেতে পারে।

৫. পথপ্রদর্শক

আমার প্রথম স্টার্টআপে মেন্টর পাইনি। দ্বিতীয় স্টার্টআপে একজনকে পেয়েছিলাম। তাই স্টার্টআপে আর ব্যক্তিগত জীবনে মেন্টরদের কতটা প্রভাব পড়ে সেটা আমার চেয়ে ভাল কেই বা জানে। আপনার মানসিকতার বিকাশ ঘটান মেন্টররা। উপদেষ্টা বা কনসালট্যান্ট-এর থেকে সমস্যার গভীরে গিয়ে কাজ করেন এঁরা। শুধু স্টার্টআপের সমস্যা নয়, আপনার লক্ষ্য সম্পর্কেও তাঁরা পুরোপুরি ওয়াকিবহাল।

এমন একজন মেন্টরকে পাশে নিন যিনি অতীতে আপনার মতোই সমস্যায় পড়েছেন এবং তার মোকাবিলা করেছেন। এমন মেন্টরদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন যাঁরা কোনওদিন নিজের সংস্থা খোলেননি। কিংবা স্টার্টআপের সমস্যার শিকড়ে পৌঁছাননি।

৬. ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিতি থাকা বাড়তি অ্যাডভান্টেজ

দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে রয়েছেন তাঁদের পক্ষে পরিচিতি বাড়ানো অনেক সহজ। কিন্তু শুরুয়াতিদের তেমন যোগাযোগ না থাকাটাই স্বাভাবিক।

ব্যবসায় নামার সঙ্গে সঙ্গেই পরিচিতি বাড়ানোর কাজটা আপনাকে শুরু করে দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনই জরুরি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের স্টার্টআপ-এর খবর ছড়িয়ে দেওয়া। এ ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে শক্তিশালী হাতিয়ার আর কিছু হতে পারে না। টুইটার, লিঙ্কডিন, ফেসবুক আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

৭. লগ্নি

প্রথমেই লগ্নির চিন্তা মাথায় আনবেন না। কোর টিম তৈরি করে বাজারলোভ্য পণ্য আনার পরই ভাববেন লগ্নি পাওয়ার কথা ।

আপনার ভাল টিম আর আকর্ষণীয় পণ্য থাকলে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ পাওয়া কঠিন নয়। কিন্তু লগ্নিকারীদের পিছনে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকলে পণ্যের মানোন্নয়ন কীভাবে করবেন ?

পরিকল্পনা স্তরে লগ্নি পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য, যদি না

• আপনার স্টার্টআপ সাফল্যের অতীত রেকর্ড থাকে

• নিজ ক্ষেত্রে দুর্দান্ত কাজ করার স্বীকৃতি থাকে

তাই সার্টআপে প্রথম এক মাস ব্যয় করবেন বাজারের সমীক্ষায়। পরের তিন মাস পণ্যের উন্নয়ন এবং দুমাস সেলস আর মার্কেটিংয়ে। ৬ মাসেই আপনি বুঝে যাবেন আপনার স্টার্টআপ সফল না ব্যর্থ ।

সঠিক বিনিয়োগই আপনাকে পৌঁছে দিতে পারে সাফল্যের শীর্ষেঠিক কতোটা বিনিয়োগ প্রয়োজন আপনার ব্যাবসার জন্য?প্রশ্নের উত্তরটা খুব স...
23/10/2018

সঠিক বিনিয়োগই আপনাকে পৌঁছে দিতে পারে সাফল্যের শীর্ষে

ঠিক কতোটা বিনিয়োগ প্রয়োজন আপনার ব্যাবসার জন্য?

প্রশ্নের উত্তরটা খুব সহজ এবং সাধারণ - ‘এটা নির্ভর করে’।

আর সবথেকে বেশি যে উত্তরটা এই ক্ষেত্রে শোনা যায় তা হল ‘যত বেশি সম্ভব’ – কিন্তু এটা ঠিক উত্তর না বলেই মনে করেন লেখক কে. শ্রীকৃষ্ণা। আর এই মনে না হওয়ার পেছনে খুব যুক্তিসঙ্গত কিছু ব্যাখ্যা আছে। কারণ আপনি যদি দরকারের তুলনায় অনেক বেশি টাকা ঢেলে ফেলেন, তার মানে আপনার কোম্পানী সঠিকভাবে চলছেনা। সেখানে লাভের গুড় হয়তো আপনার চোখের আড়ালে পিঁপড়েই খেয়ে যাচ্ছে। আসলে আপনি যতোটা বিনিয়োগ করতে পরবেন বলে মনে করছেন, হয়তো ততোটা দারকার নেই, আর তার ফলে কিছু বাজে খরচ বেড়ে যাচ্ছে আপনার বিনিয়গের বাড়তি টাকায়। আর অনেক সময়ে দেখা যায় যে একটা সফল ভাবে চলতে থাকা ব্যাবসাও এই বিনিয়োগের ভুল-ত্রুটির কারণে অনেক বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে যায়।

ইদানিং কালের অনেক বাণিজ্যিক পত্রিকার বিভিন্ন রিপোর্টে এটা দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত বিনিয়োগ অনেকসময়ে ব্যাবসায় ব্যর্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, ঠিক যেমন পূঁজির অভাব একটা ব্যাবসাকে সাফল্যের মুখ দ্যাখাতে পারেনা। যদিও এই পত্রিকাগুলো তে এটাও লেখা থাকে যে মূলধনের অভাবই স্টার্ট-আপস গুলোর উন্নতির পথে সবথেকে বড় অন্তরায় বা বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরাও মোটামুটিভাবে আমার সাথে একমত হবেন নিশ্চই, হতে পারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটু ফারাক থাকতে পারে বা তারা অন্য কোন অ্যাঙ্গেল থেকে ভাবতে চাইবেন, কারণ এরা বেশিরভাগই ভাবনা চিন্তা টা করেন মার্কিন মুলুকের সাথে তাল মিলিয়ে কিন্তু সমস্যাটা খুব প্রাথমিক এবং এটা দেশ, কাল, নির্বিশেষে একিরকম। কিন্তু মার্কিন পুঁজিপতির সেদেশে ব্যাবসা করা আর এদেশে ব্যাবসা করার মধ্যে একটা ফারাক থাকাটাই তো খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।

বিনিয়োগের সময় ঠিক কতোটা কোথায় বিনিয়োগ করবেন সেটাই সাফল্যের চাবিকাঠি

ব্যাবসার প্রকারভেদঃ

ওয়েব ডিজাইনিং, আই.টি সার্ভিস অথবা বেশিরভাগ কন্সালটিং ব্যাবসাতে কিন্তু বিনিয়োগের ওপর একটা নিয়ন্ত্রণ থাকা খুব জরুরী। অনেক মূলধন অথবা ব্যাবসাকে ভালো করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য খুব বেশি কিছু বিনিয়োগের প্রয়োজন খুব একটা নেই বলেই মনে করেন লেখক। আবার যেমন ক্যুরিয়ার সার্ভিস, রেস্টুরেন্ট, নির্মাণ শিল্প বা উচ্চ প্রযুক্তির মতো কিছু কিছু ব্যাবসাতে এস্তাব্লিশমেন্ত খরচ টা একটা বড় ব্যাপার, তাই এই ধরণের ব্যাবসাতে প্রথমে মূলধন এবং পরবর্তীতে ব্যাবসার প্রসারের জন্য বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরী একটা বিষয়। আসলে ব্যাবসার ধরনটাই নিশ্চিত করে বিনিয়োগের পরিমাপ। অবশ্যই এই দুধরনের মাঝেও অনেক রকম ব্যাবসার সম্ভাবনা আছে কিন্তু সেই সবগুলোতেই সঠিক বিনিয়োগের জায়গা খুঁজে বের করার ফর্মুলাটা মোটামুটি একইরকম।

মূলধনঃ

ব্যাবসা শুরু করার আগে সর্বপ্রথম যে বিষয় টা নিয়ে ভাবা উচিত তা হল মূলধনের যোগানের হদিশ পাওয়া। বর্তমান প্রেক্ষিতে ভারতে যেটা হয় তা হল বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের লোকজন বা কিছু ইনভেস্তরের থেকে প্রাথমিকভাবে টাকা নিয়ে কাজ শুরু হয়। বাড়ির ছেলে ব্যাবসা করবে, ভেবে পরিবারের লোকজন টাকা ঢেলে দেয় কিন্তু আমার মতে ব্যাবসার মূলধন জোগাড় করার সবথেকে সহজ এবং ভালো উপায় হল ব্যাঙ্কঋণের দ্বারস্থ হওয়া যদিও ভারতীয় সিনারিওতে এখনও ব্যাঙ্কঋণ নেওয়ার মানসিকতাটা এখনও সেভাবে তৈরি হয়নি। খুব ভালো সুযোগ থাকলেও এখাণকার ব্যাবসায়ীরা এখনও এই অপশন টা বেছে নিতে চায়না সহজে। এছারাও আরো কিছু সুযোগ আছে ব্যাবসার মূলধন জোগাড় করার মতো। আঙ্গেল ক্যাপিটালের মতো আরও অনেক সংস্থা আছে যেখান থেকে ইকুইটি ক্যাপিটালও জোগাড় করা যায়।

ধরেনেওয়া যাক যে আপনার একটা ভালো লাভজনক ব্যাবসা আছে, তাহলে নিচের প্রশ্নগুলোই কিন্তু ঠিক করে দিতে পারে আপনার ব্যাবসার ভবিষ্যৎ। ঠিক করে দিতে পারে আপনি ঠিক কতোটা বিনিয়োগ করলে আপনি খুব ভালো লাভের মুখ দেখতে পাবেন। আসলে একটা গাছকে বড় করে ফুল-ফলে সমৃদ্ধ করতে গেলে যেমন সবার আগে তাকে ভালো করে লালন পালন করা দরকার, ভালো করে জল দেওয়া দরকার, তেমনি ব্যাবসার ক্ষেত্রে মূলধন এবং বিনিয়োগের একটা সঠিক ব্যালেন্স খুব জরুরী তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

• আপনি ঠিক করে সিদ্ধান্ত নিন যে আগামি ১৮ মাসে ঠিক কতোটা বিনিয়োগ আপনি করবেন আপনার ব্যাবসার জন্য।

• আপনি কি এই সময়ের মধ্যে আরও কিছুটা বিনিয়োগ করতে চাইছেন? যদি চান তাহলে কতবার, কত করে বিনিয়োগ করতে চাইছেন?

• প্রথম বারে বা তার পরে বিভিন্ন সময়ে আপনি ঠিক কতোটা টাকা ঢালছেন এবং কি কি খাতে সেগুলো ব্যাবহার করছেন।

মার্কিন শুরুয়াতি ব্যাবসায়ীদের উদ্দেশ্যে এই বিষয়ে ফ্রেড উইলসনের বক্তব্য খুব প্রাসঙ্গিক, যেগুলো বাংলাদেশেও প্রযোজ্য। কিছু কিছু বাঁধার সম্মুখীন হলেও বেসিক টা প্রায় সব জায়গাতেই এক রকম।

তিনি বলেন,

• শুরুর দিকে আগামী ১২-১৮ মাসের জন্যই বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

• ১০-২০% এর বেশি কখনই ডাইরেক্ট ইনভেস্ত করা উচিত না। (ভারতে এটা সর্বাধিক ২৫% হতে পারে)

দুটো কথা মাথায় রাখলে খুব কম বিনিয়োগেও বেশ ভালো আয় করা সম্ভব।

১। আপনার প্রোডাক্ট কি, আপনার প্রথম ক্রেতা কে বা কারা এবং আপনার ঘরে টাকা আসা শুরু হতে ঠিক কতোটা সময় লাগতে পারে – এই বিষয় গুলো আগেথেকে চিন্তা করে তবে ব্যাবসার কাজ শুরু করা দরকার।

২। আপনি যেদিন বিনিয়োগ করলেন সেদিন থেকে ঠিক কতদিন বাদে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আপনার আয়ের টাকা ঢুকতে শুরু করছে, এটাও একটা হিসাব করে বুঝে নেওয়ার বিষয়।

লিখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন ।

Address

H#28, R#03, Sat Moshjid Housing, Mohammadpur
Dhaka
1205

Telephone

+8801932626364

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Growth Factors posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category