Reekhiyoo ঋক্ষ

Reekhiyoo ঋক্ষ ‘ঋক্ষ’ অর্থ বাংলা ভাষায় ‘নক্ষত্র’ আ?

একটা সময় ছিল যখন আমরা একটা বড় পরিবারে অনেক মানুষ একসাথে থাকতাম। একজন মামা বা খালা হয়তো আমাদের সাথেই থাকতেন; চাচাদের কোলে...
07/11/2019

একটা সময় ছিল যখন আমরা একটা বড় পরিবারে অনেক মানুষ একসাথে থাকতাম। একজন মামা বা খালা হয়তো আমাদের সাথেই থাকতেন; চাচাদের কোলে পিঠে চড়ে আমরা হয়তো বহুবার বাজারে গেছি। কিংবা হয়তো ফুফুরা বাইরে থেকে ফিরলে আমাদের জন্য মনে করে চকলেট-চুইংগাম নিয়ে আসাই ছিল নিয়ম।

সে সব দিন মোটামুটি আমাদের সমাজ পার করে এসেছে।

কিছু ভিন্নতা থাকলেও এখন বেশির ভাগ পরিবারই নিউক্লিয়ার স্টাইলে গড়ে ওঠে। ছোট ছোট পরিবার ছোট ছোট এরিয়ার মধ্যে ঘর তৈরি করে। যেখানে স্পেস যাই হোক না কেন, বাড়তি একজন মানুষও মোটামুটি “অতিরিক্ত”। পরিবার বলতে নিজের ইমেডিয়েট ফ্যামেলী কেই বুঝি এখন আমরা। অথচ আমাদের আগের জেনারেশনেই পরিবার বলতে এক্সটেন্ডেড পরিবারকেও বুঝাত অনায়াসে।

এর সবচে বেশি প্রভাব পড়ে পরিবারের শিশুদের উপর। আগে পরিবারের ছোটদের সবসময় কারো না কারো সাথে সময় কাটানোর অপশন ছিল। খালা, মামা, ফুপু, চাচাদের সাথে কোনো না কোনো ভাবে তারা এনগেইজড থাকত। সাথে আরো ছিল কাজিনদের দল। তার উপর নানান সময়ে নানান আত্নীয় স্বজনেরা বেড়াতে আসলে তাদের সাথেও তৈরি হোত বন্ডিং। আর সবার উপরে দাদা-দাদীরাতো গুরুত্বপূর্ণ নজরদারীতে থাকতেনই। যার ফলে সামাজিক, মানসিক এবং শারিরীক ভাবে ছোটরা অনেক হেলদি একটা পরিবেশে বড় হোত। বাচ্চারা সব সময়ই দুরন্ত, কৌতূহলী। তারা এক একটা জলজ্যান্ত লার্ণিং মেশিন। তাদের কৌতূহল মেটানোর ক্ষমতা এখনকার নিউক্লিয়ার পরিবার গুলোর থাকেনা। অত সময় এবং শ্রম দেয়ার ক্ষমতা সবার নাই। তাই ছোট বেলা থেকে শিশুরা স্ক্রিণের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। পরিবারের সাথে যোগাযোগ তৈরি হয় না; খেলার সঙ্গী সাথী তেরি হয় না। সামাজিকতায় পিছিয়ে পড়ে তারা। যত দিন যায় তত বেশি প্রকট হয় এই সমস্যা।

পরিবারের সদস্যদের সাথে, মামা-চাচা-খালা-ফুফুদের সাথে, কাজিনদের দলের সাথে যোগাযোগ তৈরি না হলে শিশুরা গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হারায়। যার প্রভাব পরবর্তী লাইফে পড়ে। ছোটরা চিরকাল ছোট থাকে না। বড় হলে তাদের সাথে তখন দেখা দেয় জেনারেশন গ্যাপ। দেখা দেয় পরিবারের সাথে দূরত্ব, বাবা-মা’র সাথে কমিউনিকেশন গ্যাপ, ডিপ্রেশন, ড্রাগস সহ নানান সমস্যা।

আমাদের সম্পর্কগুলা নদীর মতন। যতদিন পানি থাকে ততদিন বোঝা যায়না কত ভাবে এর থেকে উপকার পেয়ে এসেছি আমরা। তখন শুধু ঝামেলা গুলোই চোখে পড়ে। কিন্তু নদীটা মরে গেলে যখন জীবন অসম্ভব হয়ে পড়ে, তখন আমরা বুঝি কতটা জরুরী ছিল নদীটার বেঁচে থাকা। মানুষও একা একা বাঁচতে পারে না। সুন্দর ভাবে বাঁচার জন্য তারো দরকার সব সম্পর্কের নদী।

আমাদের শহরে যে পরিমাণ রাস্তা আছে গাড়ির সংখ্যা সে অনুযায়ী অনেক বেশি। এই বেশি সংখ্যক গাড়িও আবার শহরের সাধারন মানুষের প্রতি...
24/10/2019

আমাদের শহরে যে পরিমাণ রাস্তা আছে গাড়ির সংখ্যা সে অনুযায়ী অনেক বেশি। এই বেশি সংখ্যক গাড়িও আবার শহরের সাধারন মানুষের প্রতিদিনকার যাতায়াতের চাহিদা মেটাতে পারছে না। প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে যাতায়াত করেন পিক আওয়ারে। কারণ, গাড়ি পাওয়া যায় না।

আবার সাধারণ মানুষের হাঁটাচলার জন্য যে রাস্তা থাকার কথা তারো কমতি রয়েছে এখানে। নেই সাইকেল এবং বাইকের জন্য আলাদা কোনো লেন। তার উপর জ্যামের কথা তো বাদই দিলাম। জ্যামের কারণে প্রতিদিন নষ্ট হয় হাজার হাজার কর্মঘন্টা। মানুষ বসে থাকে জ্যামে; কিন্তু সময় তো আর বসে থাকে না। জ্যামে বসে থাকার সময়টা আসলে আমদের বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিবারের সাথে কাটানোর সময়।

একই সাথে ড্রাইভারদের অপর্যাপ্ত ট্রেনিং, বেপরোয়া গতি আর ফিটনেস বিহীন গাড়িতে ভরপুর আমাদের রাস্তাগুলো। তাই প্রায় প্রতিদিনই দেশের মানুষ মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। অনেকে হাত পা হারিয়ে পঙ্গু হয়ে যায়। এতো সব কিছুর পরো আমাদের রাস্তায় গাড়ি চলছে, আমরাও চলছি।

ট্রাফিক আইন মেনে চলার মধ্যে দিয়ে এতো এতো সমস্যার অন্তত কিছু সমাধান করা সম্ভব।

তাই আসুন ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন হই। তা মেনে চলার মধ্যে দিয়ে নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলি।

সামনে আসছে শীত... আর শীত আসলেই চালু হয়ে যায় ঢাকার চারপাশ ঘিরে গড়ে ওঠা ১০০০ এরও বেশি ইট ভাটা। যারা প্রতিদিন বাতাসে যুক্ত ...
17/10/2019

সামনে আসছে শীত...

আর শীত আসলেই চালু হয়ে যায় ঢাকার চারপাশ ঘিরে গড়ে ওঠা ১০০০ এরও বেশি ইট ভাটা। যারা প্রতিদিন বাতাসে যুক্ত করে ক্ষতিকর সব কণা। আর পুরা বাংলাদেশ জুড়ে এই রকম আরো কত শত ইট ভাটা যে চালু হয় গ্রামে গঞ্জে তার হিসাব কে রাখে? তার সাথে আছে শহর জুড়ে চলতে থাকা গাড়ি গুলোর জ্বালানী।

এর সাথে কলকারখানা থেকে বাতাসে মেশা ক্ষতিকর সীসা, কার্বণ সহ অন্যান্য কণার কথাতো বাদই দিলাম। একই সাথে বাদ দিলাম নির্মাণাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের কারণে বাতাসে মেশা ধুলা বালির পরিমাণ।

কিন্তু বাদ দিলেই কি বাদ দেয়া যায় আসলে??

এই বাতাসে শ্বাস নেই আমি, একই বাতাসে শ্বাস নেন আপনিও। কিন্তু দিন দিন খারাপ থেকে খারাপতরো হচ্ছে এই বাতাসের মান। একিউআই সূচকে ৩০০ পয়েন্ট মানেই বাতাস বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করেছে, সেখানে ঢাকার বাতাস সম্প্রতি ৬০০ পয়েন্টও পার করেছে৷ সূচকে ঢাকা ৩০০ থেকে ৫০০ পয়েন্টের মধ্যে সবসময়ই থাকে! যার মানে আমরা আমাদের ফুসফুসে প্রতিদিন ঢালছি তার সহ্য ক্ষমতার চেও বহুগুণ বেশি পরিমাণ “অদৃশ্য বিষ”।

আপনি আমি না হয় তরুণ। আমাদের ফুসফুস এই বাতাস এখনো হজম করতে পারে। কিন্তু নবজাতক শিশু আর ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়া আমাদের বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা-নানা যারা এই শহরে থাকেন তাদের অবস্থা কতটা শোচনীয় তা একবার ভাবুন। সম্প্রতি ডাভোসে প্রকাশিত ইনডেক্সে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের ১৮০ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শেষ থেকে দ্বিতীয়।

আর ঢাকার বাতাস এখন এতো দূষিত যে রাজধানী হিসাবে ঢাকাকে সবচে দূষিত শহরের তালিকায় শুধুমাত্র একটি শহর পিছে ফেলতে পেরেছে। সেটি হোল নয়া দিল্লী। সেখানে প্রায়ই স্কুল কলেজ বন্ধ করে দিতে হয় বাতাসের দূষণের কারনে। আমরা কি বাতাসের অবস্থা দিল্লীর মতো খারাপ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব?? নাকি এখনি পদক্ষেপ নিব যেনো আমাদের স্বজনেরা শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসের ক্যান্সারে না ভুগে; যেনো তারা সতেজ বাতাসে শ্বাস নিয়ে জীবনে আরো কটা দিন ভালোভাবে বাঁচতে পারে?

সিদ্ধান্ত আপনার হাতে...

ঋক্ষ’র পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা
07/10/2019

ঋক্ষ’র পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা

আমাদের দেশে আছে নানান ধর্মের, নানান বর্ণের মানুষের বসবাস। তাদের চাল চলন আলাদা, আলাদা তাদের সবার উৎসবের ধরণ। তবুও আমরা এক...
03/10/2019

আমাদের দেশে আছে নানান ধর্মের, নানান বর্ণের মানুষের বসবাস। তাদের চাল চলন আলাদা, আলাদা তাদের সবার উৎসবের ধরণ। তবুও আমরা একই রাষ্ট্রে বসবাস করি। আর একটা রাষ্ট্রে একসাথে বসবাস করতে গেলে জীবনের নানান ধাপে সবার সাথে সবার লেনদেন হয়। মদীনা সনদ কিংবা ম্যাগনা কার্টা সব জায়গাতেই যারা পাওয়ারফুল এবং সংখ্যায় বেশি তাদের উপর দায়িত্ব দিয়েছে রাষ্ট্রের পরিসরে যারা সংখ্যায় কম তাদের অধিকার রক্ষার।

বাংলাদেশে এখন চলছে উৎসবের মৌসুম। শরতের আকাশে তুলা তুলা মেঘ আর জমিনে কাশফুলের সমারোহ। এই উৎসবের সময়ে আসুন সবাই সবার পাশে দাঁড়াই। হাতে হাত রেখে নিরাপদ করি সকলের উপাসনালয়- মসজিদ, মন্দির,প্যাগোডা, গীর্জা আর মানুষের অন্তর।

বিশ্ব জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। গরমের সময় হাঁসফাঁস গরম আর শীতের সময় শীত না থাকার মতন অস্ব...
21/09/2019

বিশ্ব জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। গরমের সময় হাঁসফাঁস গরম আর শীতের সময় শীত না থাকার মতন অস্বাভাবিক অবস্থা ইতিমধ্যেই আমরা দেখতে শুরু করেছি।

কিন্তু এখানেই সব শেষ নয়। পৃথিবী প্রতিদিন একটু একটু করে উত্তপ্ত হচ্ছে। আর আস্তে আস্তে মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে। এভাবে চলতে থাকলে চট্টগ্রাম সহ আমাদের বাংলাদেশের একটা বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে একসময়। জাতিসংঘের হিসাব মতে পৃথিবীতে ক্লাইমেট রেফুজি’র সংখ্যা যুদ্ধের কারণে রেফুজি হওয়া মানুষের তুলনায় প্রায় ৩ গুণ বেশি। এবং এখনি পদক্ষেপ না নিলে সামনে এই সংখ্যা আরো বাড়বে। মানুষজনের দেশ ডুবে গেলে তারা তো উজানে যাবেই। এতে খাদ্য নিরাপত্তা ভেঙ্গে যাবে, বিশ্বজুড়ে যে স্থিতিশীলতা আছে তাতে ভাঙ্গন ধরবে।

২০১৫ সালে পৃথিবী জুড়ে সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ মোট ১৭ টি বিষয়কে সিলেক্ট করে। এই লক্ষ্য আর্জিত হলে পৃথিবী জুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে বিশ্বাস করে জাতিসংঘ। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য দূর করার মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে বিশ্ব শান্তির দিনের থিম হচ্ছে “জলবায়ু রক্ষায় কার্যক্রম গ্রহণ”।

জাতিসংঘ মনে করে জলবায়ু রক্ষায় এখনি কার্যক্রম গ্রহণ করা বিশ্ব শান্তির জন্য খুবই দরকারি একটা স্টেপ। গ্রীন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো থেকে শুরু করে গ্রীন এনার্জীর ব্যবহার বাড়ানো এবং ফসিল ফুয়েল যেমন: তেল, কয়লার ব্যবহার কমানোর মধ্যে দিয়ে পৃথিবী এই চ্যালেঞ্জ কে মোকাবিলা করতে পারে। তা না হলে আমরা এখন জলবায়ুর পরিবর্তনে যতটুকু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তা আরো বেড়ে যাবে।

বিশ্বের সকল মানুষের জন্য সুষম অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা না গেলে এবং পৃথিবীর সর্বত্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে কখনোই লং টার্মে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। আর তাই জাতিসংঘের সদস্য দেশ গুলো প্রতিবছর ২১ সেপ্টেম্বরকে “আন্তর্জাতিক শান্তির দিন” হিসাবে পালন করে এবং এই বোধ থেকেই এবার “জলবায়ু রক্ষায় কার্যক্রম গ্রহণ” কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবছর ১৫ই সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কিন্তু গণতন্ত্র ...
15/09/2019

জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০৭ সাল থেকে প্রতিবছর ১৫ই সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস হিসাবে পালন করা হয়।

কিন্তু গণতন্ত্র আসলে কি??

যেই শাসন ব্যবস্থায় জনগনের সম্মতিতে সরকার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে এবং চলে, সহজ হিসাবে তাকেই গণতন্ত্র বলা যায়। সরকার গঠন এবং আইন প্রণয়ণে জনগণের ইচ্ছাকে যেখানে মূল হিসাবে ধরা হয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় যেখানে তার নাগরিকরা অংশগ্রহণ করতে পারে এবং বিরোধী মতবাদের লোকেরাও যেখানে নিরাপদে নিজের মনোভাব প্রকাশ করতে পারে সেটাই গণতন্ত্র।

মানুষের অধিকার রক্ষা করাই গণতান্ত্রিক শাসনের মূল কাজ। একে রক্ষার মধ্যে দিয়েই তৈরি হয় একটা গণতান্ত্রিক সমাজ। এর বাইপ্রোডাক্ট হিসাবে আসে দীর্ঘমেয়াদী সুষম উন্নয়ন ও শান্তি। দেশের মানুষের সম্মতিতে মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করাই একটা গণতান্ত্রিক সরকারের কাজ।

ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, লিঙ্গ কিংবা অন্য যে কোনো কারনেই যেনো কোনো মানুষ বৈষম্যের শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাজ।

সকলের অংশ্রগহণ, সমঅধিকার এবং নানান পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও সবাইকে ধারণ করার মধ্যে দিয়েই গড়ে ওঠে একটা গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ্ট্র।

জাতিসংঘ বিশ্বাস করে একটি রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক প্র্যাকটিস জারি থাকলে তা মানুষের জন্য অবশ্যই সুফল বয়ে আনবে। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় ক্রমে বাড়তে থাকা বৈষম্য, ফেক নিউজের ছড়াছড়ি আর অর্থনৈতিক ধ্বসের ধারাবাহিকতায় পৃথিবীতে কি এই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব?

এইটাই এখনকার সময়ের সবচে বড় প্রশ্ন...

সংখ্যাটা ভয়ংকর...প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন মানুষ আত্নহত্যা করে। তারমানে এই লেখাটা যখন আপনি পড়া শুরু করেছিলেন আর যখন আপনি এই...
10/09/2019

সংখ্যাটা ভয়ংকর...
প্রতি ৪০ সেকেন্ডে ১ জন মানুষ আত্নহত্যা করে।
তারমানে এই লেখাটা যখন আপনি পড়া শুরু করেছিলেন আর যখন আপনি এই লেখাটার শেষ শব্দে গিয়ে পৌছাবেন ততক্ষণে পৃথিবী থেকে কয়েকজন মানুষ স্বেচ্ছায় বিদায় নিয়েছে; যাকে আর কোনোদিন পাওয়া যাবে না কোনো আড্ডায় কিংবা কোনো আয়োজনে।

পৃথিবীতে যত কারণে মানুষের মৃত্যু হয় সুইসাইড তার মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে। আমাদের চারপাশে আমাদেরই পরিচিত ভাই-ব্রাদার, বন্ধু- বান্ধবী,আত্নীয় স্বজন অনেকের মধ্যেই আছে এই প্রবণতা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আমাদের সাথে হয়তো শেয়ারও করে বিষয়টা। আবার কেউ কেউ কখনোই কিছু বলেনা এই সব বিষয়ে। এমনকি সবচে কাছের মানুষেরাও ঘটনাটা ঘটে যাবার আগে কোনো ভাবেই টের পায়না কি ঘটে চলেছে তাদের ভিতরে। অথচ আমাদের সাথে একই সাথে চলতে ফিরতে থাকা মানুষগুলো ভিতরে ভিতরে সব সময় এই ভাবনাগুলো বয়ে নিয়ে বেড়িয়েছে দিনের পর দিন।

অনেকে মনে করে হাসিখুশী মানুষের মাঝে এই ধরনের প্রবণতা দেখা যায় না। কিন্তু ঘটনা আসলে এমন নয়; হাসিখুশী মুখের মুখোশের ভিতরে খুব সহজেই লুকিয়ে রাখা যায় এই চিন্তা গুলোকে। তাই আমাদের আরো বেশি যত্নবান হওয়া দরকার চারপাশের মানুষগুলোর ব্যাপারে, আরো একটু বেশি মনোযোগি হওয়া দরকার। কারণ একবার সুতা ছিড়ে গেলে আর তা জোড়া লাগানোর উপায় নেই। যারা যায় তারা আর কখনোই ফিরে আসে না...

তাই যাবার আগেই সচেতন হতে হবে আমাদের।

প্রতিটা হারানো জীবন আসলে কারো না কারো সন্তান, কারো বাবা-মা, কারো বোন বা ভাই, অথবা কারো বন্ধু; এরা যেনো হারিয়ে না যায় তার জন্য আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, গড়ে তুলতে হবে মায়া আর যত্নে ভরা সেইফ একটা পরিবেশ। যেখানে আমাদের প্রিয় মানুষগুলো, যারা এই প্রবণতা নিজেদের ভিতরে একা একা বয়ে বেড়ায় তাদের একটা স্পেস তৈরি হয়। আমরা যেনো তাদের খুব প্রয়োজনের সময় বাড়িয়ে দিতে পারি আমাদের মনোযোগি কান কিংবা মায়াবতী হাত।

আমাদের যত্ন আর সচেতনতা থাকলে সম্ভব এই প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও একজন মানুষকে সঙ্গ দেয়া। আজ ইন্টারন্যাশনাল সুইসাইড প্রিভেনশন ডে'তে ঋক্ষ'র পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই প্রিয়জনদের প্রতি আরেকটু মনোযোগি হবার আহ্বান-

27/08/2019

এ্যামাজন শুধু মাত্র একটা অনলাইন মার্কেট প্লেসই না। এ্যামাজন নামে একটা বনও আছে। যাকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। এবং তা এখন, এই মুহূর্তে জ্বলছে।

ব্রাজিল, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, গায়েনা আর সুরিনাম এই সব গুলো দেশ জুড়ে ছড়ায় আছে এ্যামাজন বন। প্রায় ৫৫ লক্ষ বর্গ কি.মি. এলাকা নিয়ে এই বনের সীমানা। আর আমাদের বাংলাদেশের সীমা হোল ১ লক্ষ ৪৭ হাজার বর্গ কি.মি.। মানে প্রায় ৩৮ টা বাংলাদেশের সমান এলাকা জুড়ে ছড়ানো যে বন তা এখন পুড়ে যাচ্ছে গত ২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে।

পুড়লে আমাদের কি??

আমরা তো বাংলাদেশে বসে কিছু টের পাবো না… হয়তো এইরকম কিছু মনে হতে পারে আমাদের কিন্তু আসলে ঘটনা তা না। এই বনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়; এইটা শুধু কথার কথা না। পুরা পৃথিবীর থেকে আমরা ৮০ ভাগ অক্সিজেন পাই আর এই ৫৫ লক্ষ বর্গ কি.মি. এর বন থেকে পাই বাকি ২০ ভাগ। তার মানে পৃথিবীতে যত অক্সিজেন লাগে তার ২০% জোগান দেয় এই বন। এবং পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় এই বন খুব ইম্পরটেন্ট ভূমিকা রাখে। তাই এই বনের ক্ষতি হলে শুধু ব্রাজিল বা ভেনেজুয়েলা বা আর্জেন্টিনা নয় আমাদেরো ক্ষতি হবে প্রচুর। বাংলাদেশ এমনিতেই পরিবেশ গত ভাবে ঝুঁকির মুখে আছে। এই ঘটনার পর আরো বেশি নাজুক অবস্থায় পড়ে যাব আমরা।

আগুন লাগার আগেও এই বনকে আমরা উজাড় করে গেছি প্রতিদিন। প্রতি মিনিটে প্রায় ৩ টা ফুটবল মাঠের সমান বন উজাড় করে আমরা সেখানে চাষ করেছি গম আর ভুট্টা। যেনো পৃথিবীতে গম আর ভুট্টা চাষের জন্য আর কোথাও জমি ছিল না। আমাদের সবার জন্য দরকারি এমন ইম্পর্টেন্ট একটা রিসোর্সকে বড় বড় কোম্পানী আর রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকরা যেভাবে ব্যবহার করেছেন তা খুবই হতাশাজনক।

এই আগুনের ঘটনার পরে সমস্ত পৃথিবীর নেতারা নড়েচড়ে বসেছেন। এখন একই সাথে সচেতন হতে হবে আমাদেরো। পৃথিবীর মানুষ হিসেবে আমাদেরো দাঁড়াতে হবে নিজেদের অধিকারের পক্ষে।

21/08/2019

পজিশন: গ্রাফিক্স ডিজাইনার

প্রয়োজন: ০১ জন

চাকরীর কন্টেক্সট:
গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এ আগ্রহ এবং অভিজ্ঞতা আছে এমন ব্যক্তিকে আমরা খুঁজছি।

দায়িত্বাবলী:
আবেদনকারীর দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে যা যা অবশ্যই পড়ে, কিন্তু এর মধ্যেই শুধু যা সীমাবদ্ধ নয় তা হোল:

-ডিজাইন তৈরিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা থাকতে হবে।
-ফ্লায়ার্স, ব্রোশিওর এবং পোষ্টার ডিজাইনে দক্ষতা থাকতে হবে।
-কভার ফটো, ব্যানার ডিজাইন, ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন তৈরিতে দক্ষতা থাকতে হবে।
-সোস্যাল মিডিয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্রাফিক ডিজাইন তৈরি করার ব্যাপারে দক্ষতা থাকতে হবে।
-ডিজাইনের জন্য প্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যারের পারদর্শী হতে হবে।
-নির্দিষ্ট ডেডলাইনের মধ্যে অবশ্যই কাজ শেষ করতে হবে।
-ক্লায়েন্টের সাথে দরকারে বিভিন্ন সময়ে মিটিং করতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
-গ্রাফিক্স ডিজাইনে সর্বনিম্ন ০১ বছরের ডিপ্লোমা।
-ফটোগ্রাফি’র জ্ঞান থাকলে তা আলাদা ভাবে বিবেচনা করা হবে।

অভিজ্ঞতা:
-সর্বনিম্ন ০১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-ফ্রেশারদেরো আবেদন করতে উৎসাহিত করা হোল।

চাকরীর ধরণ:
ফুল টাইম (১১ টা থেকে ৭ টা) শুক্রবার বন্ধ

বেতন:
আলোচনা সাপেক্ষ

চাকরীর লোকেশন:
উত্তরা, ঢাকা

আপনার CV এবং এক্সপেক্টেড স্যালারী এক সাথে পাঠিয়ে দিন [email protected] এ আগামী ২৫’শে আগস্টের মধ্যে। ই-মেইলের সাবজেক্ট হিসেবে পজিশনটাকে লিখে দিবেন। ধন্যবাদ।


এপ্লিকেশন ডেডলাইন: ২৫'শে আগস্ট ২০১৯

Address

Sector 10, Road 10, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 11:00 - 19:00
Tuesday 11:00 - 19:00
Wednesday 11:00 - 19:00
Thursday 11:00 - 19:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 11:00 - 19:00

Telephone

+8801976131313

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reekhiyoo ঋক্ষ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Reekhiyoo ঋক্ষ:

Share