দেশ বিদেশের বিজ্ঞাপন

Directions Contact the business

দেশ বিদেশের বিজ্ঞাপন Ad Stories | Marketing Insights
Learn the strategy behind every campaign.

বিজ্ঞাপন আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিজ্ঞাপন ব্যতীত কোন পণ্য অথবা সেবার প্রচার ও প্রসার প্রায় অসম্ভব। ইন্টারনেট, টেলিভিশন, পত্রিকা, রাস্তা-ঘাট সবখানেই বিজ্ঞাপন আমাদের সঙ্গে ছায়ার মত লেগে থাকে। বিজ্ঞাপন এখন শুধু পণ্যর প্রচারেই ব্যবহৃত হয়না বরং আমাদের বিনোদনেরও একটি বড় উৎস। এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে বিজ্ঞাপনের ব্যবহার নেই। আমাদের দেশেও অনেক মানুষ বিজ্ঞাপন শিল্পর সঙ্গে জড়িত হয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অ্যাডকম, গ্রে অ্যাডভার্টাইজিং, অগিলভি, মিডিয়াকম, সান কমিউনিকেশন ইত্যাদি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞাপনী সংস্থা। এছাড়া পল্টন, আরামবাগ এলাকায় অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অনেক তরুণ-তরুণী/যুবক-যুবতী রয়েছেনে যারা পড়াশোনার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন এর বিভিন্ন শাখায় কাজ করে অর্থ উপার্জন করছেন। আমাদের দেশে বর্তমানে বিজ্ঞাপন সেক্টরটি বেশ সফলতার সাথেই এগিয়ে চলেছে। গত কয়েক বছরে বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট মানুষদের হাত ধরে বিজ্ঞাপন ও বিজ্ঞাপনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ধরনের কর্মকান্ডেই একটা পরিবর্তনের ছোয়া লেগেছে। বর্তমানে খুবই সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে এটি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতেও সক্ষম হয়েছে।

বিজ্ঞাপনে আগ্রহী মানুষকে দেশ এবং দেশের বাইরের কিছু সুন্দর এবং বিখ্যাত বিজ্ঞাপন এর সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেয়ায় দেশ বিদেশের বিজ্ঞাপনের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও এখানে বিজ্ঞাপন, ব্রান্ডিং, মার্কেটিং ও ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়।

বিজ্ঞাপনকে ভালবাসুন, বিজ্ঞাপনের সাথে থাকুন। বিজ্ঞাপনে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন থেকে বিরত থাকুন।

14/09/2026

তখন পেইজের লাইক ৫-১০ হাজার হবে হয়ত। ২০১৩ সালের দিকে সম্ভবত। এক ভদ্রলোক আমেরিকা থাকেন। পেইজের লেখার খুব ভক্ত। ইনবক্সে প্রায় কথা হতো। আমাকে ট্যাব উপহার দিতে চাইতেন। আমি বরাবরই বলতাম, লেখা ভালোবাসে, এটাই প্রাপ্তি, কিছু উপহার দিতে হবেনা। দিতে চেয়েছেন তাতেই খুশি। ভদ্রলোক ছিলেন নাছোড়বান্দা। প্রায় ১.৫ বছর আমার পেছনে ঘুরে আমাকে স্যামস্যাং এর একটি ট্যাব উপহার দিয়েছিলেন। পেইজের ইনবক্স থেকে, এরপর স্কাইপেতে অ্যাড করে, মাঝে মধ্যে কথা হতো।

এরপর ভদ্রলোকের সাথে কথায় বেশ বিরতী। হঠাৎ একদিন আমার স্কাইপেতে না ম্যাসেঞ্জারে, ঠিক মনে নেই, একটি ম্যাসেজ আসে। আপনি কি এই ভদ্রলোককে চেনেন? বললাম, ব্যাক্তিগতভাবে পরিচয় নেই তেমন, তবে ইনবক্সে বেশ কথা হয়। এরপর বলে, উনি মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

ভদ্রলোকের সাথে কথা হতো। প্রায় ডিপ্রেশনের কথা বলতেন। মাঝে মাঝে মনে হতো, ইশ যদি, নিয়মিত কথা বলে বাঁচাতে পারতাম।

অনেক পুরোনো জিনিস আমি ফেলে দিই। ওই ট্যাবটা কেন জানি এখনও ফেলতে পারিনি।

এক মেয়ের সাথে পেইজের ইনবক্সে পরিচয়। হঠাৎ হঠাৎ কথা হতো। মেয়েটার অদ্ভুত একটা স্টাইল ছিলো। সব সময় ইংরেজি O অক্ষরকে 0 দিয়ে লিখতো। মেয়েটা একদিন বিয়ের দাওয়াত দিলো। সম্ভবত প্রেমের বিয়ে ছিলো। বললাম বিয়েতে যেতে টেতে পছন্দ করিনা। দাওয়াত দিয়েছেন, ধন্যবাদ। বিয়ের পরে কখনও তার সাথে কথা হয়েছে কিনা মনে করতে পারিনা। আমিও মেয়েটাকে ভুলে গেলাম।

অনেক বছর পর, মেয়েটার বোন নক করে বলেছিল, আত্মহত্যা করেছে। মাঝে মাঝে মনে হতো, ইশ যদি একবার নক করতো। যদি দুঃখের কথা বলতো, একটু বাঁচানোর চেষ্টা করতাম।

এক ছেলের সাথে প্রায় কথা হতো। কোন এক পত্রিকায় ছিলেন। হাজবেন্ড ওয়াইফ দুজনেই পেইজে ছিলেন। ইনবক্সে, কমেন্টে প্রায় কথা হতো। আমাকে একবার নিহারী খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছিলেন। হঠাৎ একদিন দেখি, ছেলেটা হার্ট অ্যাটাকে মারা গিয়েছেন।

মাঝে মাঝে মনে হয়, কোন মানুষের সাথে এত এত কথা হলো, অথচ তাদের সাথে আমাদের শেষ কথা হয়ে গেছে। আবার কতজন বেঁচে থাকলেও, অভিমানে আর কথা হয়না।

১৪ই আগস্ট, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান এসোসিয়েশন অব হংকং লিমিটেড, ২০১৬ সালে একটি ব্যানার তৈরি করে। ব্যা...
14/09/2026

১৪ই আগস্ট, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পাকিস্তান এসোসিয়েশন অব হংকং লিমিটেড, ২০১৬ সালে একটি ব্যানার তৈরি করে। ব্যানারে পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর একটি ‍উক্তি দেখা যায়। কিন্তু মুল উক্তিটি মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর। তারা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ আর মুহাম্মদ আলীকে উলটপালট করে ফেলে।

12/09/2026

সম্ভবত ২০০৫-০৬ সাল হবে। বন্যার্তদের সহায়তা উপলক্ষে, বনানীর একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে টেসকো তাদের হাল্কা ডিফেক্টিভ বা স্যাম্পল পণ্যগুলো বিক্রির মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের আয়োজন করেছিল। ওখানে মুল্য ছিল, যা নিবেন ১০০ টাকা। বিশাল বিছানার চাদরও ১০০ টাকা, জ্যাকেটও ১০০ টাকা।

গেইট ওপেনিং ছিল সম্ভবত সকাল ৬টা কি ৭টা। আমরা ভাই-বোনরা সেখানে গিয়েছিলাম, ১০০ টাকাতে টেসকোর পণ্য কিনতে। সে আয়োজনে বাঙালি ক্রেতা খুবই কম ছিলো, বেশিরভাগই ছিলো ফরেনার। হয়ত আমাদের মত আর ৩-৪ বাঙালি গ্রুপ এসেছিল।

যাই হোক, গেইট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে ফরেনারগুলো হুটোহুটি করে পণ্য নেয়া শুরু করেছে। তাদের হুটোহুটি দেখে, আমরা সব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। পণ্য কেনা বাদ দিয়ে তাদের দেখছিলাম। তখন ভাই বলে উঠলো, ওদের দেখতে গেলে আর পণ্য পাবিনা। যে অবস্থা ছিলো, বাছাই করে কোন পণ্য নেয়ার পরিস্থিতি ছিলো না। বাছাই করতে গেলে, পণ্য শেষ হয়ে যাবে। তাই হাতের কাছে যা পেয়েছিলাম, তুলে নিয়েছিলাম। পুরো আয়োজন সম্ভবত ১০ মিনিটে শেষ হয়ে গিয়েছিল।

২০০৮ সালে নিউইয়র্কের ওয়ালমার্টে, ব্লাক ফ্রাইডে উপলক্ষে প্রায় ২০০০ মানুষ ভোর থেকে অপেক্ষা করছিল। গেইট ওপেন হওয়ার সাথে সাথে, হুরোহুরিতে, একজন কর্মী পদদলিত হয়ে মারা যান। বেশ কয়েকজন আহত হন, যার মধ্যে অন্তসত্তা নারীও ছিলেন। ব্ল্যাক ফ্রাইডে বা ডিসকাউন্ট উপলক্ষে হুরোহুরি বা আহত হওয়ার ঘটনা বেশ অনেকগুলো আছে।

২০০৮ সালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মৃত কর্মীর পরিবার ওয়ালমার্টের বিরুদ্ধে মামলা পর্যন্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন, ওয়ালমার্টের বিজ্ঞাপন, উন্মাদনা ও বিশৃংখলার পরিবেশ সৃষ্টি করে।

ডিসকাউন্ট বা অফারের ক্ষেত্রে দাম কম, পণ্য সীমিত ও অধিক ক্রেতা। মনস্তাত্ত্বিক ভাবে মানুষ প্রভাবিত হয়ে, দ্রুত পণ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে, বিশৃংখলার সৃষ্টি করে। এখানে অন্যতম একটি বিষয় হলো, অন্যরা পাচ্ছে, আমি কেন পাবো না? আমাকেও পেতে হবে। ওই পণ্যটা আমার সত্যিই দরকারের জায়গাতে এটা না পেলে আমি বঞ্চিত হবো, আমাকে পেতেই হবে, ইজ্জত রক্ষা করতে হবে।

ডিসকাউন্ট উপলক্ষে আমরা অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনে ফেলি। না কিনলে আমার ওই টাকাটা সেভ হতো। কিন্তু মানুষ ওটা ভাবে না। সে ভাবে আমি বঞ্চিত হচ্ছি, তাই হুরোহুরো করে কেনা শুরু করে।

মানুষ যখন পণ্যটি হাতে পায়, তখন মনে করে সে কোন পণ্য না, সে কোন ট্রফি হাতে পেয়েছে।

বাংলাদেশেও ডিম মেলা উপলক্ষে আমরা এক ভয়ংকর পরিস্থিতি দেখেছি।

গত কাল পল্লবিতে, লাইভ আউটলেটের শপিং-এ যেটা হয়েছে সেগুলো উপরোক্ত কথারই প্রতিফলন। আর আমরা বাঙালিরা তো এমনিই একটু বিশৃংখল প্রিয় জাতি। লাইভ শপিং নিজেও হয়ত বুঝতে পারেনি, এতটা হই হুল্লোড় হবে। আমার হিসেবে গতকাল তাদের ক্ষতি যতটা হয়েছে, তার চেয়ে লাভ বেশি হয়েছে। মানুষ লাইভ শপিং নিয়ে চর্চা করেছে, বেশ ভালো মার্কেটিং হয়েছে।

ফ্রিজের বিজ্ঞাপন।প্রকৃতিতে সবজি যেমন সতেজ অবস্থায় থাকে, ঠিক তেমনি এই ফ্রিজে প্রকৃতির মতই সতেজ অবস্থায় থাকে।ব্রকলির মাধ্য...
12/09/2026

ফ্রিজের বিজ্ঞাপন।

প্রকৃতিতে সবজি যেমন সতেজ অবস্থায় থাকে, ঠিক তেমনি এই ফ্রিজে প্রকৃতির মতই সতেজ অবস্থায় থাকে।

ব্রকলির মাধ্যমে বন তৈরি করে সেই বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।

11/09/2026

পেইজ এবং আমার লেখা সম্প‌র্কে দু‌টো কথা ব‌লে যান। কোন প্রশ্ন থাক‌লে করুন।

11/09/2026

রিলসে একটি মোটিভেশনাল ভিডিও আসলো।

তুমি যদি, একশোটা মেয়েকে নক করো, একটা না একটা প্রেম হয়ে যাবে। তেমনি তুমি যদি একশোটা বিজনেস চালু করো, তাহলে একটা না একটা বিজনেস দাঁড়িয়ে যাবে। ওই যে, এক বার না পারিলে দেখো শতবার আর কি।

একশটা মেয়েকে নক করা প্রেম না। ওটা লুচ্চামি। আর তোর কোন বাপ তোরে ১০০টা বিজনেস করার টাকা দিবে? দুনিয়াতে মাঝে মাঝে থামতে জানতে হয়। নিজেকে বোঝাতে হয়, ওটা আমার দ্বারা হবেনা। ১টা বিজনেসেতো কমপক্ষে ২ বছর চেষ্টা করতে হয়। ৯৯টা বিজনেসে ব্যর্থ হলে তো ১৯৮ বছর লাগার কথা। তুই বাঁচবি ১৯৮ বছর?

এদের কানের উপর বনচটকনা মারলে একটু আরাম পেতাম।

আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।পৃথিবীর কোনো মানুষের জীবনই পরিপূর্ণ সুখে ভরা নয়। জীবনের এক পাশে যদি সুখ থাকে, অন্য পাশে...
10/09/2026

আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।

পৃথিবীর কোনো মানুষের জীবনই পরিপূর্ণ সুখে ভরা নয়। জীবনের এক পাশে যদি সুখ থাকে, অন্য পাশে থাকে দুঃখ। কখনো এমন কোনো দিন আসে, যখন মন আনন্দে ভরে থাকে; অথচ ঠিক তার পরের দিনটিই হয়ে ওঠে বিষাদময়। এটাই জীবন। আলো আর অন্ধকারের পাশাপাশি হাঁটার নামই জীবন।

সবার জীবনেই সমস্যা আছে। উত্থান-পতন আছে। পারিবারিক সমস্যা, বেকারত্ব, ভালোবাসার সমস্যা, সম্পর্কের টানাপোড়েন, পেশাগত জীবনের ব্যর্থতা, হাজার রকম সমস্যায় জর্জরিত মানুষ। আর আমাদের মতো নানা সংকটে ভরা একটি দেশে সমস্যারও তো অভাব নেই।

কিন্তু মন খারাপ লাগা, বিষণ্ণ লাগা, একাকিত্বে ভোগা, এ এক বিষয়। আর নিজের জীবন শেষ করে দিতে ইচ্ছে করা, সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

কাছের কোনো মানুষ মন খারাপ করে থাকলে তার পাশে বসা যায়। তার কথা শোনা যায়। তাকে একটু সাহস দেওয়া যায়, একটু সময় দেওয়া যায়। কিন্তু কেউ যখন আত্মহত্যার কথা ভাবছে বা নিজের জীবন শেষ করার পরিকল্পনা করছে, তখন শুধু কিছু উপদেশ দিয়ে বিষয়টি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা ঠিক নয়। বরং তাকে একা না রেখে দ্রুত একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।

দুঃখজনক ব্যাপার হলো, আমাদের সমাজে এখনো মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মানুষ হাসাহাসি করে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়াকে অনেক সময় দুর্বলতা, পাগলামি কিংবা লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখা হয়।

অথচ শরীর অসুস্থ হলে আমরা যেমন ডাক্তারের কাছে যাই, মন অসুস্থ হলেও চিকিৎসা প্রয়োজন। মনের চিকিৎসা নেওয়া লজ্জার নয়; বরং নিজের জীবনকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রমাণ।

গত দুই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখলাম, দুজন মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তাদের নিয়ে করা পোস্টগুলোর মন্তব্যের ঘরে দেখলাম নেতিবাচক মন্তব্য, বিদ্রূপ আর হাসির রিঅ্যাকশনের বন্যা।

একজন মানুষ মৃত্যুর পথ বেছে নেওয়ার মতো অসহায় অবস্থায় পৌঁছে গেছে, সেই মুহূর্তে তাকে নিয়ে হাসাহাসি করার কী আছে?

হয়তো আমরা জানি না, সেই মানুষটি কত রাত একা কেঁদেছে। কত কথা কাউকে বলতে পারেনি। কতটা যন্ত্রণা বুকে নিয়ে স্বাভাবিক থাকার অভিনয় করেছে। অনেক সময় আমরা দেখি যে, মানুষ বলে, কালকেও এত হাসিখুশি দেখলাম, আর আজ সুইসাইড করলো? যার মাঝে সুইসাইড করার প্রবণতা আছে, সেটি যখন তখন করতে পারে। এই সময় মানসিক চিকিৎসা করা বুদ্ধিমানের কাজ।

মানুষের জীবনে খারাপ সময় আসে। খুব খারাপ সময়ও আসে। কিন্তু খারাপ সময় চিরস্থায়ী নয়।

আজ যে সমস্যার জন্য চোখের জল ফেলছেন, কয়েক বছর পর হয়তো সেই সমস্যাটির কথাই আপনার মনে থাকবে না। যে মানুষটিকে ছাড়া আজ পৃথিবীটাকে অসম্ভব মনে হচ্ছে, একদিন হয়তো তাকেই আপনার জীবনের একটি পুরোনো অধ্যায় বলে মনে হবে। বা মনেও হবেনা। চাইলেও তার স্মৃতি মাথাতে আনতে পারবেন না। মনেই পড়বেনা এক সময়।

সময় সব সমস্যার সমাধান করে, এ কথা সবসময় আক্ষরিক অর্থে সত্য না হলেও, সময় আমাদের সমস্যাকে দেখার চোখটা বদলে দিতে পারে। আজ যে কষ্ট অসহনীয় মনে হচ্ছে, কাল সেটাই হয়তো সহনীয় হয়ে উঠবে।

জীবনে সমস্যা থাকলেও জীবন সুন্দর। কারণ সমস্যা জীবনেরই একটি অংশ; জীবন নিজে সমস্যা নয়।

আমি এমন একটি দম্পতিকে চিনতাম, যাদের কয়েক বছরের প্রেমের পর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের কয়েক বছর পর সম্পর্কের মধ্যে নানা জটিলতা তৈরি হয়। স্ত্রী ক্রমে অত্যন্ত কর্তৃত্বপরায়ণ হয়ে ওঠেন। স্বামীকে বন্ধু, পরিবার, অনেকের কাছ থেকেই দূরে সরিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্কের যন্ত্রণা আর মানসিক চাপ তিনি আর সহ্য করতে পারেননি। একসময় আত্মহত্যা করেন।

এই গল্পের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিক হলো, একজন মানুষ চলে গেলেন, কিন্তু পৃথিবী থেমে থাকল না। অন্য মানুষগুলো তাদের মতো করে জীবন চালিয়ে গেল। কয়েক বছরের মাথায় তার স্ত্রীও ঠিকই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন।

এটাই আত্মহত্যার সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতাগুলোর একটি। একজন মানুষ চলে গেলে তার কষ্টের অবসান হতে পারে, কিন্তু তার চলে যাওয়ার শূন্যতা থেকে যায় অন্য অনেক মানুষের জীবনে। বাবা-মা, ভাই-বোন, সন্তান, বন্ধু। অনেক মানুষ সারাজীবন সেই প্রশ্নের সঙ্গে বেঁচে থাকে, “আর একটু যদি পাশে থাকতে পারতাম!”

তাই জীবনের কোনো একটি মানুষ, কোনো একটি সম্পর্ক, কোনো একটি ব্যর্থতা কিংবা কোনো একটি ভুলকে আপনার পুরো জীবনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে উঠতে দেবেন না।

জীবনে সমস্যা এলে মোকাবিলা করুন।

মন খারাপ হলে কাঁদুন। নারী হোন কিংবা পুরুষ, মন খুলে কাঁদুন। কান্না দুর্বলতার চিহ্ন নয়। কখনো কখনো কান্না বুকের ভেতরের ভারটুকু একটু হালকা করে।

কেউ আপনাকে প্রতারণা করলে, সম্পর্কটি শেষ করে চলে আসুন। যে মানুষ আপনাকে মূল্য দেয় না, তার হাতে আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেবেন না। নিজের জীবনের চাবিকাঠি নিজের হাতেই রাখুন।

সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজের কাছে সৎ থাকুন। সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হয় না। কিছু সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাও কখনো কখনো বেঁচে থাকার অংশ।

আর একটা কথা মনে রাখবেন, কোনো মানুষের জীবনই শতভাগ নিখুঁত নয়।

ভুল করেছেন? তাতে কী হয়েছে?

অঙ্কের খাতায় কি মানুষ ভুল করে না?

জীবনের খাতাতেও আমরা ভুল করি। কখনো ভুল মানুষকে ভালোবাসি, কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নিই, কখনো ভুল জায়গায় বিশ্বাস করি। সুযোগ থাকলে ভুল শুধরে নিন। সুযোগ না থাকলে সেই ভুলটাকে জীবনের একটি অধ্যায় হিসেবে রেখে সামনে এগিয়ে যান।

একটি-দুটি ভুলের জন্য একটি সুন্দর জীবনকে শেষ করে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

কারণ একটি ভুল আপনার পুরো জীবন নয়।

একটি ব্যর্থতা আপনার পরিচয় নয়।

একটি বিচ্ছেদ আপনার ভবিষ্যৎ নয়।

একটি খারাপ দিন আপনার পুরো জীবন নয়।

বেঁচে থাকুন।

সুখকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচুন, দুঃখকেও সঙ্গে নিয়ে বাঁচুন। কখনো খুব আনন্দে হাসুন, কখনো খুব কষ্টে কাঁদুন। প্রয়োজন হলে সাহায্য চান। কথা বলুন। কাউকে আপনার কষ্টের কথা বলুন।

আর আপনার আশেপাশে কেউ যদি বলে, “আমি আর বাঁচতে চাই না”, তাকে উপদেশ দেওয়ার আগে তার পাশে বসুন। তার কথা শুনুন। তাকে একা ছেড়ে যাবেন না। প্রয়োজন হলে পরিবারের মানুষকে জানান এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

হয়তো আপনার কাছে সেটি মাত্র কয়েক ঘণ্টার সময় দেওয়া।

কিন্তু সেই কয়েক ঘণ্টাই হয়তো কারও পুরো জীবনটাকে বদলে দিতে পারে।

মনে রাখবেন, কালো মেঘ যত ঘনই হোক, তার ওপাশে সূর্য থাকে।

আজকের রাতটা যত দীর্ঘই মনে হোক, সকাল আসবেই।

জীবন শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, জীবনটাকে আরেকবার সুযোগ দিন।

বেঁচে থাকুন।
কারণ জীবন, সমস্ত দুঃখ-কষ্ট-ভুল-ব্যর্থতা নিয়েও, সুন্দর।

(পার্টনার চিট করলে প্রয়োজনে মুখের উপর একদলা থুতু মেরে আসুন। কিন্তু কখনো আত্মহত্যার চিন্তা করবেন না।)

বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে, একটি জিনিস পড়ার সাথে সাথে বাকীগুলোও পড়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞাপনে এটাই বোঝাচ্ছে, আপনি আত্মহত্যা করলে, আপনার জীবনের সাথে যুক্ত মানুষগুলোও ভেঙে পড়ে। তাই আত্মহত্যা থেকে দুরে থাকুন।

10/09/2026
10/09/2026

৮০’র দশকে জমির দাম কম ছিলো, তাই জমি কিনতে ৮০’র দশকে গেছিলাম। গিয়ে দেখি, জমির নাম করে, নদী, খাল, বিল বিক্রি করছে। না কিনে ফিরে এসেছি।

খালি হাতে ফিরে এসেছি বলে, ছেলে মেয়ে রাগারাগি করছে। বলছে, এত নীতি নৈতিকতা দিয়ে কি হবে? কিনলে, আজ আমরা বসুন্ধরাতে থাকতে পারতাম।

The Ordinary-এর বিপণন কৌশল খুব সুন্দর একটি উদাহরণ।কীভাবে বিশাল সেলিব্রিটি বাজেট ছাড়াই একটি স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড বিশ্বজু...
10/09/2026

The Ordinary-এর বিপণন কৌশল খুব সুন্দর একটি উদাহরণ।

কীভাবে বিশাল সেলিব্রিটি বাজেট ছাড়াই একটি স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি তৈরি করতে পারে।

তাদের স্ট্র্যাটেজি হলো, সেলিব্রিটি না, প্রোডাক্টকেই সেলিব্রিটি বানানো।

বিউটি ব্র্যান্ডগুলোর ক্ষেত্রে কি হয়? নামী দামি তারকাকে বিজ্ঞাপনে উপস্থাপন করে। ভোক্তা প্রথমে তারকাকে দেখে, তারপর দেখে পণ্য।

আর The Ordinary এর কথা হলো, “আমাদের পণ্য কেনার জন্য আপনাকে কোনো তারকাকে বিশ্বাস করতে হবে না; পণ্যর ইনগ্রেডিয়েন্টস দেখুন এবং ফর্মুলেশন দেখুন।”

তারকা নিয়ে একটি ক্যাম্পেইন করতে গেলে ধরা যাক ১০ কোটি খরচ হলো। দিন শেষে সেই টাকা পণ্যর দামের উপর প্রভাব পড়বে, যা ভোক্তাকে বহন করতে হবে।

The Ordinary-এর দর্শন হলো : “আমরা যদি এই খরচ না করি, তাহলে সেই টাকা পণ্যের দাম কম রাখার কাজে ব্যবহার করা যায়।”

The Ordinary নামটি শুনলেই তাদের আরেকটি জিনিস মনে পড়ে :

Niacinamide, Retinol, Hyaluronic Acid, Salicylic Acid, Vitamin C ইত্যাদি।

তারা পণ্যর চটকদার নামের চেয়ে ইনগ্রিডিয়েন্ট সামনে নিয়ে আসে।

উদাহরণ: The Ordinary Niacinamide 10% + Zinc 1%

এখানে পণ্যর নামই প্রায় বলে দিচ্ছে, কী উপাদান, কত কনসেনট্রেশন, কি ধরণের পণ্য।

অন্যান্য বিউটি ব্র্যান্ড বলে, আপনার সৌন্দর্যে ব্যবহার করুন। আর অর্ডিনারি বলে, আমাদের পণ্যে কি আছে দেখুন। ফলে ভোক্তার মনে স্বচ্ছতা তৈরি হয়।

আরেকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো তাদের প্যাকেজিং।

তারা কোন চিত্তাকর্ষক প্যাকেট তৈরি করেনা। খুব সাদামাটা মিনিমাল ডিজাইনের প্যাকেট তৈরি করে। এখানেও তাদের মুল দর্শনের সাথে মিলে যায় যে, প্যাকেটে অতিরিক্ত খরচ না করে, সেটি পণ্যের গুণাগুণে ব্যবহার করো, দাম কম রাখো।

অন্যান্য বিউটি ব্র্যান্ডের মত, তারা লাক্সারি বিষয়টি দেখায় না। তারা বরং ক্লিনিকাল শব্দ ব্যবহার করে।

The Ordinary শুধু পণ্য বিক্রি করতে চায় না; তারা ভোক্তাকে স্কিন কেয়ার উপাদান সম্পর্কে শেখাতেও আগ্রহী।

Address

Middle Badda, Dhaka
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশ বিদেশের বিজ্ঞাপন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to দেশ বিদেশের বিজ্ঞাপন:

Shortcuts

Share