Horizon of Thoughts

Horizon of Thoughts You can not swim for new Horizons until you have courage to Lose slight of the Shore.. - William Faulkner.

13/09/2025

গল্প: অতীতের ছায়া

রাইমা সবসময়ই প্রাণবন্ত মেয়ে ছিল। কলেজে থাকতেই তার দু’জনের সঙ্গে সম্পর্ক হয়েছিল—ভালোবাসা, স্বপ্ন, আবার বিচ্ছেদও। সময়ের সাথে সাথে সবকিছু ফিকে হয়ে যায়, আরেকজনের সাথে বিয়েও হয় তার। স্বামী অর্ণব তাকে খুব ভালোবাসত, যত্ন করত। শুরুতে সবকিছু সুন্দরই চলছিল।
কিন্তু আজকের যুগে “অতীত”কে কখনো পুরোপুরি বাদ দেওয়া যায় না। রাইমা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে এখনো তার পুরোনো দু’জন প্রেমিকের সাথে অ্যাড ছিল। সরাসরি কথা হতো না, কিন্তু যখনই নিউজফিডে তাদের ছবি আসত—বিদেশ ভ্রমণ, নতুন গাড়ি, দামি লাইফস্টাইল—রাইমার মনে এক ধরনের অদ্ভুত চাপা তুলনা তৈরি হতে থাকত।
সে নিজের অজান্তেই অর্ণবকে ওই তুলনার কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে শুরু করল।
– “ওরা এত ভালো করছে, তুমি কেন পারছো না?”
– “ওদের লাইফ এত কালারফুল, আমাদের এত সাদামাটা কেন?”

অর্ণব প্রথমে হেসে উড়িয়ে দিত, কিন্তু ধীরে ধীরে এই অভিযোগ, তুলনা, অকারণ রাগ তাদের সংসারে অস্থিরতা আনতে শুরু করল। একসময় তাদের ছোট ছোট ভালোবাসার মুহূর্তগুলো হারিয়ে গেল, জায়গা নিলো ঝগড়াঝাটি, অবিশ্বাস আর মানসিক দূরত্ব।

রাইমা বুঝতেই পারল না যে সে আসলে নিজের অতীতকেই বর্তমানের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। যে মানুষগুলো তার জীবনে আর নেই, তাদের ভার্চুয়াল উপস্থিতি তার সুখী সংসারকে ধীরে ধীরে ভয়ানক পরিণতির দিকে নিয়ে গেল।
শেষে যখন সম্পর্কটা প্রায় ভেঙে যাওয়ার মুখে, তখনই সে বুঝল—অতীতের ছায়া যদি হৃদয় থেকে না মুছে ফেলা যায়, তবে সবচেয়ে সুন্দর বর্তমানও অন্ধকারে ঢেকে যেতে বাধ্য।
অবশেষে একদিন অর্ণব ক্লান্ত হয়ে পড়ল। প্রতিদিনের অকারণ তুলনা, রাগ আর তিক্ত কথায় সে আর টিকতে পারল না। সে শান্ত গলায় রাইমাকে বলল—
– “তুমি হয়তো আমাকে ভালোবাসো, কিন্তু তোমার মনের এক অংশ এখনো অতীতেই আটকে আছে। আমি সেই লড়াই আর করতে পারছি না।”

রাইমা প্রথমে ভেবেছিল এটা সাময়িক রাগ। কিন্তু অর্ণব আর ফিরে এল না। সংসার ভেঙে গেল—যেটা সে নিজ হাতে গড়েছিল, সেটা আবার ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।
তখনই রাইমা বুঝল, সে আসলে কখনোই তার পুরোনো সম্পর্কগুলোকে ছাড়েনি। সে শুধু ভেবেছিল ছেড়েছে, কিন্তু তাদের ছবির মতো ছোট্ট জিনিসও তার মনের ভেতরে ঈর্ষা, হীনমন্যতা আর ক্ষোভ বুনে চলেছিল।

শেষে সব হারিয়ে একাই বসে থাকল সে—হাতে ফোন, সামনে সোশ্যাল মিডিয়া, আর বুকের ভেতরে এক অমোচনীয় শূন্যতা।

অতীতের ছায়া তার বর্তমানটাকে গ্রাস করে নিলো, আর ভবিষ্যতটা অন্ধকার করে দিলো।

09/08/2025

নিঃশব্দ শহর, আলোও যেন ক্লান্ত
ঘড়ির কাঁটা থেমে গেছে, সময়ও হয়েছে ধীর
জানালার বাইরে চাঁদও যেন তাকিয়ে আছে একা
আমার মতো, যার নেই কোনো গন্তব্যের দিক

একা এই দীর্ঘ রাত
মনে হয় যেন থামবে না কখনো
একাকিত্ব গিলে ফেলে সব শব্দ
শুধু হৃদয়ের ধুকপুক আর নিঃশ্বাসের ধ্বনি শোনা যায়
একা এই দীর্ঘ রাত…

চেনা স্মৃতিরা এসে বসে পাশে
তাদের স্পর্শ নেই, শুধু ফাঁকা কণ্ঠস্বর
চায়ের কাপ ঠাণ্ডা হয়ে যায় হাতে
মনে হয় সকাল আর কোনোদিন আসবে না হয়তো

যদি কেউ দরজায় কড়া নাড়ত এই মুহূর্তে
অথবা ফোনের স্ক্রিন হঠাৎ জ্বলে উঠত
তবুও কি ভাঙত এই নিস্তব্ধতার দেয়াল?
না কি রাত আবার গিলে নিত আলোটুকুও?

একা এই দীর্ঘ রাত
প্রতিটা মিনিট যেন বছরের সমান
নিঃসঙ্গতা জমে বরফ হয় মনে
ভোর হয়তো আসবে, কিন্তু আমি জানি
এই রাতের মতো দীর্ঘ হবে আরেকটা দিনও…

08/08/2025

সূর্যের তপ্ত তাপে ভস্মীভূত এক মরুভূমি। চারপাশে যতদূর চোখ যায়—শুধু বালি আর মরীচিকা।

সেই মরুভূমিতে রাফি নামের এক পথিক পানি খুঁজছিল। তার হাতে ছিল শুধু একটি ছোট্ট বালতি আর একটি পুরনো কোদাল।
অনেকে তাকে বলেছিল—“ওই মরুভূমিতে পানি নেই, ওখানে খোঁজার মানে নেই।”
কিন্তু রাফি কারও কথা শুনল না। সে এক জায়গা বেছে নিয়ে কোদাল চালাতে লাগল।

দিন যায়, সপ্তাহ যায়, মাস কেটে যায়—রাফি এক ফোঁটা পানিও পায় না। শুধু শুষ্ক বালি, ভাঙা পাথর আর তার ক্লান্ত শরীর।
কিন্তু সে নিজের মনকে বোঝাতে থাকে—“আরেকটু খুঁড়লেই হয়তো পানি পাবো।”

ধীরে ধীরে তার হাত ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। অথচ পাশের দিকেই ছিল একটি সবুজ ওএসিস, যেখানে স্বচ্ছ পানি ঝরছিল—কিন্তু রাফি কখনও সেদিকে যায়নি।
সে ভুল জায়গায় নিজের সমস্ত শক্তি, সময় আর আশা ঢেলে দিয়েছিল।

শেষমেষ, একদিন রাফি মাটিতে বসে পড়ে বুঝল—
“ভুল জায়গায় খোঁজার চেয়ে, সঠিক জায়গা খুঁজে নেওয়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

কিন্তু তখন তার হাতে ছিল না শক্তি, না সময়—শুধু শুকনো ঠোঁট আর বালুর উপর ছায়াহীন এক দীর্ঘশ্বাস।

08/08/2025

অনেক বছর আগে, রিদয় নামের এক তরুণ কৃষক নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণের জন্য একটি জমি পেল। জমিটা উর্বর, আলো-বাতাসে ভরা, আর সেখানে জন্ম নিতে পারত সেরা ফসল।

একদিন বাজারে গিয়ে সে দু’ধরনের বীজ দেখতে পেল। একদিকে ছিল সোনালি রঙের, সুগন্ধি ধানের বীজ—যা সবাই জানত দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, ফলপ্রসূ। অন্যদিকে ছিল চকচকে লালচে রঙের এক অচেনা বীজ—দেখতে আকর্ষণীয়, কিন্তু যার ইতিহাস কেউ ভালো করে জানত না।

আবেগে পড়ে, রিদয় সেই লালচে বীজটাই কিনে নিল। ভেবেছিল, “এটাই হয়তো আলাদা কিছু এনে দেবে, সবার থেকে ভিন্ন।”

প্রথমদিকে, সেই গাছগুলো খুব দ্রুত বড় হতে লাগল। পাতা ছিল উজ্জ্বল, ফুলগুলো ছিল রঙিন। দূর থেকে দেখতে অপূর্ব লাগত। রিদয় নিজেকে বোঝাত, “দেখো, আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সত্যি ধরা দিতে লাগল—
পাতার উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেল, ফুলগুলো শুকিয়ে ঝরে পড়ল, আর গাছের শিকড় ধীরে ধীরে মাটির গভীর থেকে পুষ্টি শুষে নিচ্ছিল, কিন্তু কোনো ফল দিচ্ছিল না। বরং জমিটাই অনুর্বর হয়ে পড়ছিল।

তবুও রিদয় চেষ্টা করত নিজের মনকে সান্ত্বনা দিতে, “হয়তো পরের মৌসুমে ফল আসবে।”
কিন্তু প্রতিটি মৌসুম শেষে শুধু হতাশার ফাঁকা খেতই চোখে পড়ত।

একদিন সে জমিতে দাঁড়িয়ে বুঝল—
প্রথম যে সোনালি বীজ সে ফেলে দিয়েছিল, সেটাই আসলে তার জমির জন্য সঠিক ছিল। আর আজ, সেই ভুল বীজের জন্য জমি ক্লান্ত, রিদয়ের মনও শূন্য।

আকাশের দিকে তাকিয়ে সে শুধু বলল—
“ভুল বীজ শুধু ফসল নষ্ট করে না, মাটির প্রাণও কেড়ে নেয়।”

16/07/2025

"অনুভূতির মলিন বিকেল"

একসময় যার একটা মেসেজেই হৃদয় কেঁপে উঠত,
আজ তার টেক্সট এলেও হাতটা আর ওঠে না।

যার চোখে একদিন পুরো আকাশটা দেখতাম,
আজ সেখানে কেমন যেন ধোঁয়াশা...
চেনা মুখ, অচেনা ভাষা।

একসময় যার ছোট্ট অভিমান ভেঙে দিতে ব্যাকুল হতাম,
আজ তার অভিমানে আর আগের মতো ব্যথা লাগে না।
লাগলেও—চুপচাপ থাকি।

ভালোবাসা যে শুধু ভালোলাগা নয়,
তা বুঝেছিলাম যখন বারবার বোঝানোটা একপাক্ষিক হয়ে গেল।
আমার অনুভব, আমার অপেক্ষা—সবই একলা হাঁটছিলো।

কখন যে ভালোবাসাটা ক্লান্ত হয়ে পড়ল,
কে জানে!
হয়তো তখনই, যখন আর "তুমি" বললেও ভেতরে কিছু বাজত না।

ভালোবাসা হারায় না একদিনে,
ওটা ফুরিয়ে যায়...
ধীরে ধীরে, নীরবে,
একটা সময় নিজেই খেয়াল করো—
তুমি আর আগের মতো কিছুই অনুভব করো না।

22/06/2025

ঈদের ছুটি শেষ, বাড়ি থেকে ক‍্যাম্পাসে ফেরার পালা এবার।
রাত ১২ টায় বাস, সন্ধ‍্যায় বসলাম ব‍্যাগ গুছাতে।

অনেক লম্বা দিনের ছুটি কাটালাম তাই বার বার চেক করছি কোনো কিছু রয়ে গেলো কিনা। মনে কেমন খুত খুত লাগছে মনে হচ্ছে কিছু একটা রয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ব‍্যাগ খুলে দেখি মোটামুটি সব দরকারি জিনিসই নেয়া হয়েছে। তারপর বসলাম কিছুক্ষণ চিন্তা করতে , কি বাদ গেল!

তারপর বুঝলাম আরাম-আয়েশ ও সুখের দিন গুলোই এখানে ফেলে যাচ্ছি বাকি সব নেওয়া হয়েছে। 😅

27/04/2025

এই পৃথিবীতে কেউই কারোর জন‍্য নিঃস্বার্থ ভাবে কিছু করে নাহ। আপনি কোনো মানুষের যেকোনো প্রকার উপকার করে তার থেকে কোনো বিনিময় নিলেন না তবে সামান‍্য কৃতজ্ঞতা তো আশা করতেই পারেন তার থেকে,
তাহলে আর নিঃস্বার্থ ভাবে করলেন কই!😆

জীবনের আসল বাস্তবতা তখনই বুঝতে পারবেন যখন দেখবেন যার জন‍্য আপনি প্রতিনিয়ত ঝড় সহ‍্য করে যান সে আপনার জন‍্য সামান‍্য বৃষ্টিতে ভিজতে অসম্মতি জানায়। 😊

07/12/2024

প্রতারণা!
আমরা কি কখনো প্রতারনার শিকার হতে পছন্দ করি?
অবশ‍্যই না।
কিন্তু এখন যদি বলি যে আমদের সাথে সবচেয়ে বেশি প্রতারনা আমরা নিজেরাই করছি , তাহলে বিষয় টা কিভাবে দেখবেন আপনি?
শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত‍্য। আমাদের Day by day life এ আমরা সবচেয়ে বেশি প্রতারনা নিজের সাথেই করছি।

প্রশ্ন অবশ‍্যই আসে কিভাবে??
চলুন দেখি কিভাবে..

মৃত‍্যু এমন এক সত‍্য যেটা পৃথিবীর মানসিক ভাবে সুস্থ যেকোনো মানুষই স্বীকার করে। আমরাও করি , কিন্তু মৌখিক ভাবে। কারন as a Muslim আমরা সবাই জানি মৃত‍্যুর পর আমরা কোথায় যাবো , কি হবে আমাদের।
আমাদের যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সকল রিজিকের ব‍্যবস্থা করে বিবেক বুদ্ধি দিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন মহান আল্লাহ তায়ালার সামনে আমাদের দাঁড়াতে হবে, দিতে হবে আমাদের করা প্রতিটা কাজের হিসাব। এসব কথা আমরা সবাই জানি কিন্তু আমরা কি তা মানি?
আমাদের মনে কি কখনোই এইসব চিন্তা আসে না? অবশ‍্যই আসে। হয়তো ফেসবুক রিলসে কোনো হুজুরের ওয়াজের শট ক্লিপ দেখলে আসে অথবা হঠাৎ কোনো পরিচিত মানুষের মৃত‍্যুর খবর শুনলে আসে।
কিন্তু এসব কথার সাথে প্রতারনার কি সম্পর্ক আছে?
প্রতারনার সম্পর্কটা এখন আমাদের সামনে আনার চেষ্টা করি।
যখনই ওপরে উল্লেখিত কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে আমাদের মনে সেই চীরসত‍্য কথা গুলোর চিন্তা আসে তখন আমরা কি করি?
আমরা কি তখন থেকে সব খারাপ কাজ ছেড়ে দিয়ে যে উদ্দেশ‍্যে আমাদের এই পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছে সে উদ্দেশ‍্য হাসিলের জন‍্য নেমে পড়ি? আমার মত হয়তো অনেকেই সেটা পারি না। আমরা তখন যেকোনো উপায়ে নিজের মন কে Divert করে শান্ত করার চেষ্টা করি। হয়তো সেটা ফেসবুকে funny reels দেখে বা কোনো গেমস খেলে বা অন‍্য যে কোনো উপায়ে নিজেকে এই দুনিয়ার কাজে ব‍্যস্ত করে ফেলি। তবুও হয়তো মনের মধ‍্যে কিছুটা খুঁত রয়ে যায় আমাদের আর তখনি আমরা করি নিজের সাথে সবচেয়ে বড় প্রতারনা। আমরা তখন মনে মনে ঠিক করি কালকে থেকে একদম ভালো হয়ে যাবো , কালকে থেকে এগুলা সব ছেড়ে দিবো , কালকে থেকে ঠিক মত নামাজ পড়বো আর ওসব করবো না , ঐখানে যাবো না। কিন্তু কালকে যখন আবারো সেই একই কাজ করতে যাই তখন যদি মনে পড়ে আরেহ ,, গতকালই তো ঠিক করছিলাম যে আর এসব করবো না বা নামাজ মিস দিবো না ! আচ্ছা আজকে যেহেতু করে ফেলছি তাহলে আজকের জন‍্য থাক, আমি কালকে থেকে ভালো হয়ে যাবো এবং তার পরের দিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। এভাবেই কিছু দিনের মধ‍্যে আমরা নিজেকে দেওয়া কথা ভুলে যাই।
আসুন একবার ভাবি এভাবে কালকে কালকে করতে করতে যদি আমাদের সেই চীরন্তন সত‍্যের দিনটা চলে আসে তখন আমরা কি করবো? সেইদিন কি বাহানা দিবো নিজেকে?
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুক যদি সেদিন অপ্রস্তুত অবস্থায়ই মৃত‍্যু বরণ করি , নিজেকে আখিরাতের জন‍্য তৈরী না করেই তাহলে সেই দিনের সেই অবস্থার জন‍্য আমরা কাকে দ্বায়ী করবো? সেইদিন হয়তো দেখবো আজ আমার এই অবস্থা তো আমার নিজের সাথে নিজের করা প্রতারণা গুলোর জন‍্যই। কিন্তু করার কি কিছু থাকবে সেই দিন?
জানি না আমার এই কথা গুলো কে মন থেকে সরাতে আবার কোন প্রতারণা করে ফেলি আমরা।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুক।
আমিন।

06/12/2024

২০২০ সাল ,

করনা নামের কোনো একটা ভাইরাস পৃথিবীর অনেক দেশে তান্ডব চালাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে তখনো সব স্বাভাবিক।
এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ঢাকা বেড়াতে যাই। যাওয়ার ১ সপ্তাহ পরে শুনলাম আমাদের দেশেও নাকি এই ভাইরাস ধরা পড়ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে সারা দেশে লকডাউন শুরু হবে। সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন সরকার।
তারপর আর কি,, জীবনের সবচেয়ে বড় ছুটি সবচেয়ে কম দিন উপভোগ করে সবাই মিলে চট্টগ্রামের উদ্দশ‍্যে রওনা হলাম। যাওয়ার দুই এক দিন পর থেকেই শুরু হলো লকডাউন। স্টে হোম স্টে সেফ 😂।

ব‍্যাস জীবনের পরিধী সেখান থেকেই ছোট হওয়া শুরু হলো।
সেই ছিল ২০২০ এর মার্চ মাস আর এখন ২০২৪ এর ডিসেম্বর। আর কিছুদিন পরেই ২০২৫।

৫ বছর!!!

এই ৫ বছর যেন ৫ সপ্তাহের গতিতে চলে গেল। কি কি হলো এই ৫ বছরে ? কি পেলাম ? কি হারালাম?
কোনো কিছুর হিসাবটা পর্যন্ত করার মত সময় হলো না।
আমি নিশ্চিত আমার মত আপনাদেরও এই ৫ বছরের হিসাব করতে গেলে অনেক গরমিল হবে।
এই ৫ বছরে অগণিত পরিচিত মুখ হারিয়েছি শুধু।
মনে হয় যেন আরে গত কালই তো দেখলাম ঐ আংকেল কে সাইকেল করে যাচ্ছে/ মসজিদ থেকে বের হচ্ছে/ বাজার থেকে আসতেছে , কিন্তু আজকে উনি মারা যাওয়ার ৩/৪ বরছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু কিভাবে?

তখনো মাসে ৩০ দিন , দিনে ২৪ ঘণ্টা ছিল আজকেও তো তা ই আছে। তবুও কেন এখনকার সময় গুলা এত তাড়াতাড়ি চলে যাচ্ছে ? কোথায় যাচ্ছে ? কিসে আমাদের জীবনের মূল‍্যবান সময় গুলা আমাদের অনুভব করারই সুযোগ দিচ্ছে না?

ভেবে দেখুন ,,, হয়ত তার উত্তর আপনার হাতেই।

27/09/2024

Follow Click Crafter for making your digital marketing journey more exciting.❤️


Creating compelling marketing campaigns that deliver results and elevate brands to new levels�

Address

Dhaka

Telephone

+8801889004022

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Horizon of Thoughts posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Horizon of Thoughts:

Share