Prp ads

Prp ads Prpads is a market research, advertising & marketing agency, often referred to as a creative agency or an ad agency.

Prp ads

Prpads is an advertising & marketing agency, often referred to as a creative agency or an ad agency, is a business dedicated to creating, planning, and handling advertising and sometimes other forms of promotion and marketing for its clients. Prpads works are the result of the combination of creative minds, brilliant ideas, and total commitment; we are the success of each of our clients.

Prpads will take your product to the next level. As the best creative agency we will make the best branding strategy to improve your digital strategy, we’ll create your graphic pieces for social media,> and work with sentiment analysis based on social media analytics and we’ll create reports to guarantee your company’s success. Prpads that guaranteed the success of each of our clients. Our work is the result of the combination of creative minds, brilliant ideas, and total commitment. Many people needed to develop their digital strategy or their branding strategy. Some were looking to improve their social media marketing campaigns or needed a web design agency to redesign their presence on the Internet. We accompany them in the process, and today we are the creators of their success. We are a multidisciplinary professional team focused on a single objective: being a part of your company’s success.

11/01/2026

ব্যবসা করতে গিয়ে যা শিখেছিঃ--------*----------**----------১। সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন, মানুষকে নয়, সে যেই হোক। ২। অযোগ্য ম...
02/11/2025

ব্যবসা করতে গিয়ে যা শিখেছিঃ
--------*----------**----------
১। সিস্টেমকে বিশ্বাস করুন, মানুষকে নয়, সে যেই হোক।
২। অযোগ্য মানুষকে হেল্প করার নিয়তে ব্যবসার দায়িত্ব দেবেন না।
বাঁশ খাবেন ঝাড় সহ।
৩। নেগেটিভ মানুষদের (যারা ভাইরাস ছড়ায়) কোনো চিন্তা না করেই ফায়ার করুন। এরা বিষাক্ত ও ছোঁয়াচে।
৪। আপনার স্বপ্নকে যে কর্মী বিশ্বাস করেনা, লালন করেনা , ফায়ার করুন।
৫। যে এমপ্লয়ী নিজেকে আপডেইট করেনা, NOKIA হয়ে আছে বছরের পর বছর, ফায়ার করুন।
৬। একজন এমপ্লয়ীকে যত বেতন দিচ্ছেন তার কমপক্ষে ১২ গুণ মুনাফা তার কাছ থেকে না পেলে ঐ কর্মী প্রতিষ্ঠানের বোঝা।
৭। নতুন এমপ্লয়ী নিয়োগ দিলে যদি পুরাতন কেউ আপনার ও প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করে, তাকে সাথে সাথে ফায়ার করুন।
৮। প্রতিষ্ঠানের একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলুন। মানতে বাধ্য করুন।
৯। একবার কেউ চুরি করলে মাফ করবেন না। সুযোগ পেলে আবারো করবে। নিশ্চিত থাকুন।
১০। যতটা সম্ভব ক্যাশ লেনদেন থেকে বের হয়ে আসুন। কাউকে বিশ্বাস করবেন না। মরা মানুষও নাকি টাকা দেখলে হা করে।
১১। শর্টটার্মের জন্য এমপ্লয়ী নেবেন না।
১২। যে এমপ্লয়ী চাকরি করার মনোভাব রাখে, প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করে না তাকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়।
১৩। যে এমপ্লয়ী প্রতিষ্ঠানের অপচয় রোধে সচেতন নয় (বিদ্যুত/গ্যাস/পানি/খাবার/গ্যাস/স্পেইস/কাগজ/কলম ইত্যাদি) তাকে কিক আউট করুন।
১৪। যে এমপ্লয়ীরা গীবত করে তাদের কিক আউট করুন।
১৫। যে এমপ্লয়ীরা ভুল করার পর অযুহাত দাড় করায় বা অন্যের উপর দোষ চাপায়, কিক আউট করুন।
১৬। আত্মীয় হলেই বিশ্বাস করে টাকাপয়সা হ্যান্ডল করতে দেবেন না। তদারকির মধ্যে রাখবেন।
১৭। যাদের যে কোনো ধরনের নেশা আছে, তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে যুক্ত না রাখাই ভালো। বেশ ভালো।

22/02/2025

পড়তে পারেন ইচ্ছে হলে-

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়া। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করেছে।
লেখক অজানা (Collected)

22/02/2025

নিজের ক্লদিং ব্র্যান্ড শুরু করবেন যেভাবে

অনলাইন ব্যবসার প্রসারের কারণে যে কেউই এখন ঘরে বসে নিজের উদ্যোগ শুরু করতে পারেন। এক্ষেত্রে অনেকেরই আগ্রহ পোশাক নিয়ে কিছু করার ব্যাপারে। সেটা হতে পারে নিজের ডিজাইনের পোশাক বিক্রি, বা দেশীয় কাপড় মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যবসা শুরুর আগে কিছু প্রস্তুতি সারতে হবে।

ধরা যাক, ডিজাইন করা পোশাক নিয়েই শুরু হবে আপনার উদ্যোগ, কিন্তু আপনি ফেব্রিকের ব্যাপারে এখনও ভাল জানেন না। সেক্ষেত্রে ব্যবসা শুরু করার পর যদি ফেব্রিক বিষয়ে ধীরে ধীরে শিখতে চান, আপনার ব্যবসার উন্নতিতে দেরি হতে পারে। তারচেয়ে শুরুর আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে যদি এই ধাপটি শেষ করেন, ব্যবসা শুরুর পর আপনাকে আর থামতে হবে না।

এরককম কিছু দরকারি টিপস থাকছে এই লেখায়। নিজস্ব ক্লদিং ব্র্যান্ড শুরু করতে চাইলে এক ঝলকে দেখে নিন কোন কোন বিষয় ব্যবসা শুরুর আগেই আপনাকে দেখতে হবে।

১. ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে রিসার্চ

ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি একটি ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্র, যেখানে প্রতিনিয়ত নানারকম পরিবর্তন আসছে। তাই আপনার পণ্য কীভাবে বাজারের অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে আলাদা হয়ে উঠবে এ বিষয়ে ধারণা স্পষ্ট করুন।

আপনি কি এমন পোশাক বানাবেন যা আপনার ক্রেতারা অনেকদিন পরতে পারবেন? আপনি কি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাস্টমাইজ টি-শার্ট বানিয়ে ডেলিভার করবেন?

বাজারে ইতোমধ্যে বিদ্যমান সেবা ও সুবিধা সম্পর্কে জানা নতুন ব্র্যান্ড শুরুর জন্য অত্যন্ত দরকারি। তাহলে আপনি যে পণ্য বিক্রি করতে চান, তার চাহিদা কতটুকু তা জানতে পারবেন।

২. ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার ব্যবসা কী ভূমিকা রাখবে

ফ্যাশনের প্রতি আগ্রহ ও ভালবাসা থেকে আমরা অনেকেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখতে চাই। তবে টিকে থাকতে চাইলে বিজনেসের সব দিক সম্পর্কে জানতে হবে। বিজনেস পার্ট টাইম বা ফুল টাইম যাই হোক রিটেইল, লজিস্টিকস, ম্যানুফ্যাকচারিং, মার্কেটিং ও অ্যাকাউন্টিং এর মত নানারকম বিষয়ে ধারণা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাছাড়া সমস্যা চিহ্নিত করতে পারলে ও সাহায্য নেওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকলে বিজনেসে দ্রুত উন্নতি করা সম্ভব হবে।

৩. কাস্টমার ও টার্গেট মার্কেট চিহ্নিত করা

অনেকেই পোশাকের ব্র্যান্ড শুরু করেন এই ভাবনা থেকে যে তারা যা পরতে চান, তা ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে নেই বা কেউ বানাচ্ছে না। ব্র্যান্ড বা লেবেল শুরুর আগে ভাবতে হবে আপনার ডিজাইন করা বা বানানো পোশাকগুলি কে পরবে।

টার্গেট মার্কেট যদি আপনি নিজেই হন, তাহলে কাস্টমারদের নিয়ে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে পারবেন। এই প্রশ্নগুলির উত্তর থেকে পোশাকের দাম থেকে শুরু করে মার্কেটিংয়ের কৌশল সম্পর্কে নানারকম ধারণা পাবেন।

• কাস্টমাররা কোথায় থাকেন?
• তাদের বয়স কত?
• তাদের লিঙ্গ পরিচয় কী?
• তাদের আয় কেমন?
• কাস্টমাররা কোন কিছু কেনার সিদ্ধান্ত কীভাবে নেন?
• তারা কী কেনেন?
• তারা কখন পোশাক কেনেন?
• তাদের জীবনে কার/কোন বিষয়ের প্রভাব বেশি?

৪. নিজের অনন্য ব্র্যান্ড গড়ে তুলুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার বানানো পোশাকের চাহিদা ব্র্যান্ডের নাম ও তার প্রচার প্রচারণার ওপর নির্ভর করে। ব্র্যান্ড তৈরির প্রথম ধাপ হল নিজস্ব মূল্যবোধকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। ব্র্যান্ডের মূল্যবোধ সামাজিক হতে পারে, আবার সমাজে পরিবর্তন আনতে আগ্রহী এমন মূল্যবোধও থাকতে পারে আপনার ব্র্যান্ডের। যেমন, সবার অন্তর্ভুক্তি, পণ্যের গুণগত মান ধরে রাখা, বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘদিন পরিধানযোগ্য পোশাক বানানো ইত্যাদি যেকোনো কিছুই আপনার ব্র্যান্ডের বার্তা ও মূল্যবোধের অংশ হতে পারে।

সফল ফ্যাশন কোম্পানিগুলির ডিজাইনের দর্শন বা মূল্যবোধ থাকে, যা তাদের ব্র্যান্ডের পরিচয় ও পোশাকের ডিজাইনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

ব্র্যান্ডের পরিচয় বেশ কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি হয়। যেমন:

• নাম

কাস্টমারদের মনে গেঁথে যাবে এমন নাম ঠিক করুন। এই নাম অন্য কেউ ব্যবহার করছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নিন। আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন খালি আছে কিনা সেটা চেক করে নিন। প্রাথমিকভাবে অনলাইনে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা থাকলে নামটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে কেমন পারফর্ম করে তা দেখে নিন।

• লোগো

ব্র্যান্ডের মূল্যবোধ প্রকাশে কোন চিহ্নগুলি ব্যবহার করা যায়? এই চিহ্নগুলি স্বতন্ত্র তবে সাধারণ হতে হবে, ছোট বা বড় যেকোনো আকারেই যেন স্পষ্ট বোঝা যায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

• রঙ

ওয়েবসাইট ও মার্কেটিং এর জন্য কোন রঙ ব্যবহার করবেন তা ঠিক করুন। সাধারণত ‘আস্থাশীল’ বা ‘নির্ভরযোগ্য’ হওয়ার বার্তা দিতে গাঢ় নীল রঙ ব্যবহার করা হয়।

• কথা বলার ধরন

কাস্টমারদের সাথে কথা বলার জন্য যথার্থ কীওয়ার্ড ও স্টাইল খুঁজে বের করুন, যার মাধ্যমে সহজেই নিজের ব্র্যান্ডের গল্প বলতে পারবেন।

৫. পোশাক ডিজাইন করুন

পোশাকের ডিজাইনের মাধ্যমেও ব্র্যান্ডের পরিচয় প্রকাশ পাবে। পোশাক ডিজাইন করার ক্ষেত্রে আকার, রঙ, ও টেক্সচারসহ সব কিছুর দিকেই খেয়াল করুন।

স্ট্যান্ডার্ড আকারের ওপর ভিত্তি করে ডিজাইন করতে পারেন, অথবা নিজের পছন্দমত আকারের পোশাকও ডিজাইন করতে পারেন। পর্যাপ্ত ফেব্রিক ও ম্যানেকিন থাকলে নানারকম ডিজাইন নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। ডেনিমসহ নানারকম ফেব্রিক দিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন, এতে আপনার ডিজাইনের পরিসর বাড়বে।

৬. বিজনেসের কার্যক্রম শুরু করুন

পোশাক তৈরি ও বিক্রির নানারকম মডেল আছে। কাটা-ও-সেলাই করা পোশাক ডিজাইন বা ব্র্যান্ড তৈরির সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল। এই মডেলে নিজের ডিজাইন ও অন্যান্য বিবরণ অনুযায়ী অন্য কেউ পোশাক বানিয়ে দেবে।

এই মডেলের জন্য একজন কারিগর খুঁজে বের করতে হবে ও ডিজাইনের নানারকম প্রক্রিয়া (কাটিং ও ফিটিংসহ) বুঝতে হবে। এছাড়া পোশাক সংরক্ষণ ও অর্ডার পূরণ করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গার দরকার হবে। আরেকটি জনপ্রিয় মডেল হল ‘প্রিন্ট-অন-ডিমান্ড’—এই মডেলে অর্ডার আসার পর সে অনুযায়ী পোশাক বানিয়ে কাস্টমারদের কাছে পাঠানো হয়।

৭. নিজস্ব উৎপাদন ও নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করুন

উৎপাদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালভাবে রিসার্চ করে নিন, সম্ভাব্য সাপ্লায়ার ও কর্মীদের কী প্রশ্ন করবেন তা ঠিক করে নিন।

বিজনেস শুরুর জন্য আগে থেকেই উৎপাদনের শিডিউল বানাতে হবে। পণ্য কখন পেতে চান তার প্রায় ৬ মাস আগে উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। এছাড়া মৌসুমি ক্যালেন্ডার ও পণ্য বাজারে আনার প্ল্যান ইত্যাদি বিবেচনায় নিতে হবে। পুরোদমে উৎপাদন শুরুর আগে যদি আপনি স্যাম্পল দেখতে চান, তাহলে হাতে আরও বেশি সময় নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

৮. একটি সেলস চ্যানেল কৌশল চালু করুন

আপনি কখন পণ্য বিক্রির কথা ভাবছেন? অনলাইন স্টোরের ক্ষেত্রে, ও ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে, আপনার ওয়্যারহাউজ ও শিপিং এর সামর্থ্য থাকতে হবে। পর্যাপ্ত জায়গা ও সময় থাকলে আপনি নিজেই কাজটি করতে পারেন, অথবা থার্ড পার্টি নিয়োগ দিতে পারেন, যারা সাপ্লায়ারের কাছ থেকে পণ্য এনে তা প্যাকেজিং করে কাস্টমারদের পাঠাবে। যদি কোথাও দোকান দিতে চান, তাহলে লোকেশন ও আর্থিক বিভিন্ন দিকের খোঁজ নিতে থাকুন।

৯. অর্থের যোগানের পরিকল্পনা বানান

কী ধরনের পোশাক বানাতে চান তা ঠিক করার পর এটি বানাতে কত খরচ পড়বে, বিজনেস শুরুর মত পর্যাপ্ত টাকা আছে কিনা তা বুঝতে পারবেন। অর্থ যোগানের ক্ষেত্রে এই চারটি বিষয় অত্যন্ত দরকারি।

• পণ্য তৈরির খরচ

পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কাঁচামাল, যেমন ফেব্রিক, ফিনিশিং ও প্যাকেজিং ইত্যাদি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। অনেক বেশি পণ্য কেনার সময় সাপ্লায়ারকে দাম কম রাখতে অনুরোধ করুন। পণ্য উৎপাদনের সময় খরচ যত কমানো যায়, ততই ভাল।

• আবশ্যিক খরচ নির্ধারণ করুন

বিজনেস পরিচালনায় কত টাকা খরচ হবে? নিয়মিত যেসব খরচ হবে, যেমন ওয়েবসাইট ফী, দোকানভাড়া ও ওয়্যারহাউজিং ইত্যাদি খরচ এর মধ্যে পড়বে।

• পণ্যের দাম

পণ্যের দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বানানোর খরচ, প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলির পণ্যের দামের কথা বিবেচনা করুন, তাছাড়া এই পণ্যের জন্য কাস্টমাররা কত টাকা খরচ করতে আগ্রহী হবেন তাও মাথায় রাখতে হবে। পণ্যের দাম নির্ধারণের মডেল আপনার মার্জিন ও বিজনেসের সম্ভাব্য মুনাফার ব্যাপারে ইঙ্গিত দেবে।

• সোর্স ফান্ডিং

স্টার্ট-আপ ও বিজনেস চালানোর খরচ নিশ্চিত হওয়া ও মার্জিনের পরিকল্পনা বানানোর পর, সঞ্চয়ের কত টাকা খরচ করতে হবে তা বুঝতে পারবেন। যদি ফান্ডিং এর কোনো সমস্যা থাকে, ও আপনার একটি শক্তিশালী বিজনেস প্ল্যান থাকে, তাহলে ইনভেস্টর বা বিনিয়োগকারী খুঁজতে পারেন। শুরু করতে পারেন পরিবার ও বন্ধুদের দিয়ে, অথবা ব্যাংক লোন, অথবা ইকুইটি ইনভেস্টিং (যেখানে বিনিয়োগকারীরা বিজনেসে আংশিক মালিকানা চাইতে পারে)।

ইনভেস্টমেন্ট গ্রহণের আগে যদি সাফল্যের শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড বানাতে পারেন, তাহলে ইনভেস্টর বা বিনিয়োগকারীরা বিজনেসের টিকে থাকার সম্ভাবনা কতটা তা বুঝতে পারবেন।

১০. মার্কেটিং এর কৌশল তৈরি করুন

নিজের পোশাকের ব্র্যান্ডের কার্যকর প্রচার চাইলে, এই ধাপগুলির সাহায্য মার্কেটিং কৌশল তৈরি করতে পারেন:

• লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
• টার্গেট মার্কেট চিহ্নিত করুন
• বাজারে প্রতিযোগিতা কেমন তা নির্ধারণ করুন
• ইউএসপি (ইউনিক সেলিং প্রপোজিশন) স্পষ্ট করুন
• মূল্য নির্ধারণের কৌশল ঠিক করুন
• মার্কেটিং এর চ্যানেল নির্ধারণ করুন
• মার্কেটিং এর বাজেট তৈরি করুন

১১. বিক্রয়ের প্রস্তুতি নিন

কখন ও কোথায় নিজের পোশাক বিক্রি করবেন তা নিশ্চিত হওয়ার পর, পেমেন্ট গ্রহণের সব দিক ঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

নিজস্ব পোশাক ব্র্যান্ড শুরু করা একদম সহজ কাজ না। তবে নিজের ডিজাইনগুলি কাস্টমারদের সামনে তুলে ধরার মত সুন্দর অনুভূতি খুব কমই আছে। বিজনেস শুরুর পর তা চালিয়ে যাওয়া ও এর প্রচারের জন্য নিয়মিত কাজ করতে হবে।

#বিজনেস #ব্র্যান্ড #টিপস

22/02/2025

‘বোরড’ হলে যা করতে পারেন

আমরা প্রতিদিন একইরকম প্রডাক্টিভ থাকি না। মাঝে মাঝে অন্যান্য দিনের চেয়ে ধীরগতিতে কাজ আগায়, কখনও কখনও একদমই কিছু করতে ভাল লাগে না। তখন নিজেকে জোর করে কাজে বসালেও ফলাফল থাকে শূন্য।

এরকম সময়গুলিতে কী করবেন? বার বার নিয়মিত কাজগুলি করারই চেষ্টা চালিয়ে যাবেন নাকি অভিনব কিছু করার চেষ্টা করে দেখবেন? আর বোরড হওয়া কি আমাদের জন্য নেতিবাচক?

উত্তরটা হচ্ছে, একদমই না। বরং বোরড হওয়া কখনও কখনও সুফল বয়ে আনতে পারে আমাদের জন্য। এরকম সময়গুলিতেই সৃজনশীল আইডিয়া তৈরি হতে পারে।

ইতালিতে একটি প্রবাদ আছে, যার অর্থ হল “কোনো কিছু না করার আনন্দ”। এখানে বিশ্রামকে প্রাধান্য দেওয়া মূল বিষয়। কোনো কিছু না করার মাধ্যমেও শান্তি পাওয়া যেতে পারে। যখন আপনি উপলব্ধি করবেন, কিছু না করা আর সময় অপচয় করা এক নয়। কখনও কখনও কিছু না করেও সময় কাটানো প্রয়োজন আমাদের, মানসিক বিশ্রামের জন্য।

আমরা অবিরত চলাফেরা করে অভ্যস্ত, একঘেঁয়েমি আমাদের একটু স্থির হতে সাহায্য করে। তবে, একঘেয়েমি কেউ কেউ একেবারেই চান না। তাদের জন্য এই লেখায় থাকছে বিশেষ কিছু টিপস।
একঘেঁয়ে সময়ে এই কাজগুলি করে জীবনে আনন্দ ফিরিয়ে আনতে পারেন।

১. ঘর গোছান

ঘর গোছানো, অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে রাখা বা ফেলে দেওয়া অর্থাৎ ডিক্লাটার করার মাধ্যমে ঘরে নতুন লুক ও নান্দনিকতা নিয়ে আসতে পারেন। আমাদের ভেতরের পৃথিবীটা দেখতে কেমন, তার প্রতিফলন ঘরের নান্দনিকতায় দেখা যায়।

এক্ষেত্রে উল্টাটাও ঠিক। আমাদের ভেতরের বিশৃঙ্খলাকে একঘেঁয়েমি বলে মনে হতে পারে, তবে বাইরের পরিবেশ অগোছালো ও বিশৃঙ্খল হলে আমাদের ফলপ্রসূতা কমে যেতে পারে, ফলে একঘেঁয়েমি অনুভূত হতে পারে।

ফলপ্রসূতা বাড়ানোর জন্য আমরা ‘বাইরের পৃথিবী’কে একটু গুছিয়ে রাখতে পারি। নিজের থাকার জায়গাটুকুতে নতুনত্ব আনছেন, সতেজ করে তুলছেন, আপনাকে আনন্দ দেয় এমন বিভিন্ন জিনিস নিয়ে আসছেন, ফার্নিচার সরিয়ে নতুন জায়গায় নিচ্ছেন। এতে ফলপ্রসূ অনুভব করবেন।

২. বই পড়ুন

বইপড়া যেমন আনন্দ দেয়, তেমনি এর সুবিধাও আছে। এটি আমাদের স্মৃতিশক্তি, সহানুভূতি বাড়াতে পারে এবং আমাদের আশাবাদী হতে সাহায্য করে।

আমাদের মস্তিষ্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও বইপড়া অত্যন্ত উপকারি। বই পড়লে আমাদের স্নায়ু শক্তিশালী হয়, মস্তিষ্ক স্থিতিস্থাপক ও সক্রিয় থাকে। এছাড়া এর ফলে মানসিক চাপ কমে, তাই বইপড়া স্বাস্থ্যের জন্যও ভাল।

গল্প উপন্যাসই পড়তে হবে এমন কোনো কথা নেই। কমিকও পড়তে পারেন চাইলে, একাডেমিক আর্টিকেল অথবা ভাল কোনো ব্লগ পোস্ট পড়ুন।

৩. কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের পরিকল্পনা করুন

আগে থেকেই নানারকম কাজের পরিকল্পনা করা একঘেঁয়েমি কমাতে পারে। অফিসে কঠিন সময় আসার আগে সব কিছু গুছিয়ে ফেলা ভাল। আগে থেকে কাজের পরিকল্পনা করা খুব একটা রোমাঞ্চকর কাজ না, তবে একঘেঁয়ে সময় কাটানোর দারুণ একটি উপায় এটি।

৪. নতুন কোনো স্কিল শিখুন

আপনার পেশা যাই হোক, ব্যক্তিগত ও পেশাদার বিকাশের সুযোগ সবসময় থাকে। হার্ড স্কিল, সফট স্কিল, লাইফ হ্যাক, সবসময়ই কিছু না কিছু শেখার সুযোগ থাকে।

বর্তমানে ডিজিটাল স্কিলের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এই স্কিলগুলি আপনার জীবনকেই শুধু সহজ করবে না, অফিসেও কাজে লাগবে। আপনি উদ্যোক্তা হন বা ডাক্তার, বিজনেসের প্রচার ও নিজস্ব চিন্তাভাবনা প্রকাশে একটি ওয়েবসাইট থাকা অত্যন্ত দরকার। কীভাবে ওয়েবসাইট বানাতে হয় ও তা পরিচালনা করতে হয় তা জানা থাকলে অনেক টাকা বাঁচাতে পারবেন।

এছাড়াও সফট স্কিল শিখলে জীবনে অনেকখানি এগিয়ে যেতে পারবেন। দরকারি সফট স্কিলের মধ্যে আছে কমিউনিকেশন, টাইম ম্যানেজমেন্ট, সমস্যা সমাধান, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও নেতৃত্বের গুণাবলি।

৫. সিভি আপডেট করুন

কখন সিভি আপডেট করেন? নিয়মিত নাকি কয়েক মাস বা বছর পর? নাকি যখন কোথাও পাঠাতে হয় তখন? ধরে নিচ্ছি, শেষ অপশনটিই আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

একটা বিষয়ে আমরা সবাই একমত হব, সিভি লেখা অত্যন্ত বোরিং কাজ। আপনি যদি ইতোমধ্যে বোরড বা একঘেঁয়ে অনুভব করে থাকেন, তাহলে সিভিটা নিয়ে বসুন। ছবি পরিবর্তন করুন, নতুন দক্ষতা যোগ করুন, প্রয়োজন নেই এমন অভিজ্ঞতা ডিলিট করুন।

৬. এক্সারসাইজ করুন

একঘেঁয়ে অনুভূত হওয়ার পেছনে নানারকম কারণ থাকতে পারে। অ্যাংজাইটি, ভয়, কিংবা করার মত কোনো কাজ না থাকা। একঘেঁয়েমির পেছনে কারণ যাই হোক, ইয়োগা বা অন্যান্য এক্সারসাইজের মাধ্যমে আপনি মনকে সতেজ করতে পারবেন ও নিজের প্রতি আরও মনোযোগী হতে পারবেন।

এক্সারসাইজের নানারকম সুবিধা আছে। নানারকম পোজের চর্চা আপনার শরীরকে শক্তিশালী করবে, স্ট্রেচিং এ সাহায্য করবে। এর ফলে একঘেঁয়েমি কমবে, মানসিক চাপ কমবে ও আপনিও শেইপে থাকবেন।

৭. মস্তিষ্কের ব্যায়াম করুন

ছোটবেলায় নতুন কোনো স্কিল শেখা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল মনে আছে? হিসাব করা, জ্যামিতি, ব্যাকরণ, নামতা, ধাঁধা ইত্যাদি সবকিছু আমাদের মস্তিষ্কের জন্য ব্যায়াম ছিল। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক তাড়াতাড়ি কাজ করতে শিখত।

তবে আমরা যত বড় হই, এসব কাজের বেশিরভাগই আর করি না। বরং অন্যান্য পরিচিত কাজ সম্পর্কিত বিষয়ে বেশি মনোযোগ দেই। হাতে অবসর সময় থাকলে, মস্তিষ্ককে একটু ব্যায়াম করিয়ে নিতে পারেন।

কগনিটিভ বিশেষজ্ঞরা কিছু বিষয়ে একমত হয়েছেন: এই ব্যায়ামগুলির কোনো ক্ষতিকর প্রভাব নেই, এতে আমাদের মস্তিষ্ক প্রসারিত হয়, এগুলি করে আনন্দ পাওয়া যায় ও এগুলি নতুন স্নায়বিক পথ তৈরিতে সাহায্য করে। এগুলি কি আপনাকে সুপার-হিউম্যান হয়ে উঠতে সাহায্য করবে? সম্ভবত না, তবে স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করবে।

মস্তিষ্কের ব্যায়ামের ক্ষেত্রে এই কাজগুলি করতে পারেন:

• আপনার শহর বা পাড়ার একটি মানচিত্র আঁকুন। এক্ষেত্রে একটি পাখির দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো এলাকার মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করুন।

• নন-ডমিন্যান্ট বা উল্টো হাত ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। মাউজ ব্যবহার করা, খাওয়া কিংবা লেখার মত সহজ কাজগুলি উল্টো হাতে করতে গেলে বেশ কঠিন মনে হয়। তবে এতে স্নায়বিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হয় ও নতুন স্নায়ু তৈরিতে সাহায্য করে।

• মস্তিষ্কের খেলা: এ ধরনের খেলাগুলি আপনার স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ, যৌক্তিক দক্ষতা ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা বাড়াবে। সুডোকু খেলুন, কাগজে বা অনলাইনে। এছাড়া লুমোসিটি, ক্রসওয়ার্ড ও হ্যাপি নিউরন গেমসও খেলতে পারেন।

৮. নিজের যত্ন নিন

অনেকের ক্ষেত্রেই নিজের যত্ন নেওয়া অনেক কম অগ্রাধিকার পায়। এমনকি অনেক সময় নিজের যত্ন নিয়ে সময় কাটালে আমাদের অনুতাপ বোধ হয়। এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হলে নিজেকে ও নিজের সুস্থতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

নিজের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে ফলপ্রসূতা বাড়ে। আমরা যখন একঘেঁয়ে অনুভব করি, তখন নিজের নানারকম ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করার প্রবণতা বাড়ে। আমরা কেন আরও ফলপ্রসূ ভাবে সময় কাটাচ্ছি না তা নিয়ে নিজেদের জাজ করি। এ রকম সময়ে, সেলফ-কেয়ার এ ধরনের মনোভাব পরিবর্তন করতে পারে।

কিন্তু নিজের যত্ন কীভাবে নিতে হবে? কী করতে হবে? এই প্রশ্নগুলির উত্তরে এই টিপসগুলি দেখে নিতে পারেন:
• একটি গ্র্যাটিটিউড জার্নাল বানান: জীবনের কোন বিষয়গুলি নিয়ে আপনি কৃতজ্ঞ তাই এখানে লিখবেন

• আপনাকে আনন্দ দেবে এমন কোনো কাজ করুন

• ভাল ও স্বাস্থ্যকর কোনো খাবার বানান

• পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান

৯. কাউকে সাহায্য করুন

নিজের চারদিকের মানুষদের দিকে তাকান। অফিসের সহকর্মী, ভাল বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এমন কাউকে পাবেন, যার এই মুহূর্তে সাহায্যের দরকার। তাদের পাশে দাঁড়ান, সাথে থাকুন।

১০. পছন্দের পণ্যের রিভিউ লিখুন

সম্প্রতি কিনেছেন এমন অসাধারণ পণ্যের বা ভাল কাস্টমার সার্ভিসের ইতিবাচক রিভিউ লেখার মাধ্যমে আপনি কোম্পানির কর্মী ও সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে পারেন।

হতে পারে নতুন কোনো উদ্যোক্তার কাছ থেকে একটি দারুণ টি-শার্ট কিনেছেন, অথবা এমন কোনো টুল কিনেছেন যা আপনার জীবন অনেকটা সহজ করে দিয়েছে। যদি এমন কিছু হয়, তাহলে একটি ইতিবাচক রিভিউ লিখে ফেলুন, আরও ভাল করার কোনো পরামর্শ থাকলে তাও লিখে ফেলুন। এতে উদ্যোক্তারা ও তাদের কর্মীরা নতুন উদ্যমে কাজ করার উৎসাহ পাবেন।

১১. গাছের যত্ন নিন

ঘরে গাছ থাকলে দেখতে সুন্দর দেখায়। পাশাপাশি আমাদের সুস্থ রাখার ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইনডোর প্ল্যান্ট আমাদের স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়ায়, আর ফুল আনন্দ বাড়ায়।

তবে গাছের যত্ন নেওয়া মানে শুধু মাটিতে বীজ পুতে সময় মত পানি দেয়া না। গাছের যত্নে অনেক কিছুর দিকে মনোযোগ দিতে হয়। সঠিক টব ও মাটি নির্বাচন করতে হবে, ভাল সার খুঁজে বের করতে হবে, এমন ভাবে গাছ রাখতে হবে যাতে তা পর্যাপ্ত আলো ও পানি পায়, দরকার পড়লে মাঝেমধ্যে পাতা ও ডাল কেটে দিতে হবে, অথবা চারদিকে বেড়া দিতে হবে, গাছের বেড়ে ওঠার দিক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

বুঝতেই পারছেন, ইনডোর প্ল্যান্টের অনেক যত্ন দরকার হয়। তাই একঘেঁয়ে অনুভব করলে কিছু ইনডোর প্ল্যান্ট নিয়ে আসুন ও সেগুলির যত্ন নিন।

১২. পারিবারিক স্মৃতি সংরক্ষণ করুন

দাদা-দাদি বা নানা-নানি কি তাদের ছোটবেলা নিয়ে কোনো গল্প শুনিয়েছেন? আপনার বাবা-মার কাছ থেকেও হয়ত তাদের জীবন নিয়ে নানারকম গল্প শুনেছেন। ছোটবেলায় শুনে থাকা এসব গল্প ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অনেক সময় আমরা এসব বিষয়কে তেমন একটা গুরুত্ব দিই না, ভাবি অন্য কেউ হয়ত আবার গল্পগুলি বলবে।

তবে আমাদের বয়স যত বাড়ে, আমাদের পারিবারিক অভিজ্ঞতাও বদলাতে শুরু করে। আমাদের স্মৃতি বলতে থাকে কিছু গল্প ও পারিবারিক ছবি। তাই এগুলিকে সংরক্ষণ করে রাখা দরকার।

কিন্তু পারিবারিক স্মৃতি কীভাবে সংরক্ষণ করবেন?

• ফ্যামিলি ট্রি বানান
• পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে গল্প শুনুন
• পারিবারিক ছবি সংরক্ষণ করুন

‘বোরড’ হওয়াকে যত খারাপ আমরা ভাবি, আসলে তত খারাপ না। বরং এর কিছু অপ্রত্যাশিত উপকারিতাও আছে। অতিরিক্ত একঘেয়েমি অবশ্যই ভাল না, এজন্য সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখাই হল মূল কথা। পরেরবার যখন বোরড হবেন কিছু করে সময় কাটানোর জন্য অস্থির হয়ে পড়বেন না। খালি সময়টিকে গ্রহণ করুন এবং দেখুন তা আপনার মনকে কোথায় নিয়ে যায়। হয়ত আশ্চর্য হওয়ার মত কিছু আবিষ্কার করতে পারবেন।

#সময় #কাজ #একঘেয়েমি

একটু চ্যালেঞ্জ নিতে চাই ১০০ উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই! এমন একটা ফুড কার্ট থেকে মাসে, ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা প্রফিট করা সম্ভ...
22/02/2025

একটু চ্যালেঞ্জ নিতে চাই ১০০ উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই!

এমন একটা ফুড কার্ট থেকে মাসে, ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা প্রফিট করা সম্ভব,

একজন কারিগর ২০ হাজার,
একজন এসিস্ট্যান্ট ১০ হাজার,
দোকান ভাড়া ১০ হাজার,
একটা কিচেন রুম ৫ হাজার,
দুজনের খাবার ৫ হাজার,

কাচা বাজার ৬০ হাজার,
কমপ্লিট খরচ ৫০ হাজার,
৪ বোতল গ্যাস ৬ হাজার,

মোট খরচ, ১লাখ ১৬ হাজার,
এই খরচে সেইল আসবে ১৮০ হাজার,

এমন অনেক স্ট্রিট ফুড আছে যারা গড়ে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা সেইল করে,

এটা একটা বেসিক হিসাব খরচ একটু কমবেশি হতে পারে, প্রফিট ও জায়গা ভেদে বাড়তে পারে ভালো সেইল হলে প্রফিট লক্ষ টাকা হতে পারে,

এরকম অনেকেই এরকম ২ টা ৩ টা করে দোকান চালাচ্ছেন,

তবে খাবার গুলো যদি নিজে বানাতে পারেন কারিগর কে সেলারী দিতে নাহয় তাহলে আপনার ইনকাম হবে লক্ষ টাকা,

স্ট্রিট ফুড কোর্স ৫০% ডিসকাউন্ট, অনলাইনে কোর্স হবে।

২০ টা আইটেম শিখানো হবে।
কোর্সের সাথে বিজনেস প্ল্যান দেয়া হবে।

কোর্সের পাশাপাশি বিজনেস আইডিয়ে, ও সাজেশন দিবো যেনো ব্যবসায় উন্নতি করতে পারেন৷

স্মল বিজনেস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণানতুন একটি বিজনেস শুরু করে তা চালিয়ে যাওয়া আমাদের অনেকেরই স্বপ্ন, তবে এই স্বপ্ন পূ...
22/02/2025

স্মল বিজনেস নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা

নতুন একটি বিজনেস শুরু করে তা চালিয়ে যাওয়া আমাদের অনেকেরই স্বপ্ন, তবে এই স্বপ্ন পূরণের পথে আছে নানারকম চ্যালেঞ্জ ও ভুল ধারণা। এই ভুল ধারণাগুলি থেকে ভুল সিদ্ধান্ত, অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ ও অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হয়। স্মল বিজনেস বা ক্ষুদ্র ব্যবসার ব্যাপারে এই প্রচলিত ভুল ধারণাগুলি দেখে নিন।

১. বিজনেস শুরুর জন্য দরকার অনেক টাকা

ভুল ধারণা: অনেকেই মনে করেন বিজনেস শুরুর জন্য দরকার অনেক টাকা। এই ধারণার কারণে যাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ সঞ্চয় নেই, কিংবা ঋণ নেয়ার সামর্থ্য বা সুযোগ থাকে না, তারা ব্যবসা শুরু করেন না।

বাস্তবতা: কিছু বিজনেস শুরুর জন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন হয় তা ঠিক, তবে সামান্য পুঁজি দিয়েও অনেক বিজনেস শুরু করতে পারেন। সেবা-ভিত্তিক বিজনেস, অনলাইন বিজনেস, ও কনসাল্টিং ফার্ম শুরু করতে খুব একটা খরচের দরকার হয় না।

২. স্মল বিজনেসে ঝুঁকি অনেক

ভুল ধারণা: আমাদের সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিতে কাজ করার চেয়ে ছোট বিজনেস শুরু করায় ঝুঁকি বেশি।

বাস্তবতা: ছোট বিজনেসে ঝুঁকি থাকে, তবে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা, রিসার্চ ও ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে এই ঝুঁকিগুলি কমিয়ে আনা যায়। আয়ের নানারকম উৎস, ভাল বিজনেস প্ল্যান ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য ব্যর্থতার ঝুঁকি কমায়।

তাছাড়া, আপনি যদি চাকরির কথা ভাবেন, তা কিন্তু ঝুঁকিমুক্ত নয়। কোনো কোম্পানির জন্য কাজ করাও ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ যেকোনো সময় কর্মী ছাটাইয়ের ঝুঁকি থাকে, অনেক ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারে অগ্রগতির সুযোগও কম থাকে।

৩. সবকিছু একা করতে হয়

ভুল ধারণা: অনেক উদ্যোক্তাই মনে করেন সব কাজ তাদের একারই করতে হবে। ম্যানেজার, প্রচারক, হিসাবরক্ষক সব তারা একাই হবেন।

বাস্তবতা: উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে হলে অন্যদের দায়িত্ব দেওয়া ও আউটসোর্সিং করা অত্যন্ত দরকার। ফ্রিল্যান্সার অথবা খণ্ডকালীন কর্মী নিয়োগ দিয়ে কাজের ধকল সামাল দিন। যাতে বিজনেসের মূল বিষয়গুলি সঠিকভাবে পরিকল্পনা ও পরিচালনা করতে পারেন। তাছাড়া কোন কাজগুলি আপনার সামর্থ্যের বাইরে, কী করতে দক্ষ কর্মী দরকার তা বুঝতে হবে ও সে অনুযায়ী কর্মী নিয়োগ করতে হবে।

৪. তাৎক্ষণিক মুনাফা পাওয়া যায়

ভুল ধারণা: অনেকেই মনে করেন স্মল বিজনেস খুব কম সময়ের মধ্যে সফল হয়, তাৎক্ষণিকভাবে মুনাফা পাওয়া যায়।

বাস্তবতা: লাভজনক বিজনেস তৈরিতে সময় লাগে, ব্যবসা সফল করতে অনেক সময় কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।

শুরুর দিকে কোনোরকম ফলাফল ছাড়াই প্রচুর সময় ও টাকা ব্যয় করতে হয়। ধৈর্য্য, অধ্যবসায় ও সতর্কভাবে আর্থিক পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। বিজনেসের শুরুর দিকটায় মূলত ব্র্যান্ড তৈরি ও কাস্টমারদের চাহিদা বোঝার পেছনে সময় দিতে হয়, এ সময় অনেক মুনাফার আশা না করাই ভাল।

৫. বেশি কাস্টমার মানে বেশি সাফল্য

ভুল ধারণা: অনেকেই মনে করেন বেশি সংখ্যক কাস্টমার থাকাই সাফল্যের চাবিকাঠি।

বাস্তবতা: সব কাস্টমারদের থেকে বিজনেসে লাভ হয় না। উদ্যোক্তা হিসাবে আপনার লক্ষ্য হবে বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য ও ভাল মানের কাস্টমারদের ধরে রাখা, যারা আপনার পণ্যের প্রশংসা করবে ও গুণগত মান অনুযায়ী দাম দিতে রাজি থাকবে। ছোট, তবে নির্ভরযোগ্য কাস্টমার বেইজ একবার কেনাকাটা করে এমন প্রচুর সংখ্যক কাস্টমারের চেয়ে ভাল।

৬. ভাল পণ্য বা সেবার প্রচার দরকার হয় না

ভুল ধারণা: অনেকেই মনে করেন, ভাল মানের পণ্য বা সেবা থাকলে কাস্টমাররা নিজে থেকেই আসবে।

বাস্তবতা: কাস্টমারদের আকর্ষণে মার্কেটিং ও সেলসের ভূমিকা অত্যন্ত দরকারি। ভাল মানের পণ্যেরও যথার্থ প্রচারণার দরকার হয়। শক্তিশালী মার্কেটিং কৌশল, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার, নেটওয়ার্কিং ও ভাল কাস্টমার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্যের বিক্রি বাড়ানো যায়, ফলে বিজনেসের প্রসার ঘটে।

৭. পরিবর্তিত বিজনেস প্ল্যান অনুযায়ী কাজ করতে হবে

ভুল ধারণা: একটি প্রচলিত ধারণা হল, একবার বিজনেসের প্ল্যান বানিয়ে ফেললে সেই অনুযায়ীই চলতে হবে।

বাস্তবতা: নমনীয়তা ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য এনে দিতে পারে। মার্কেটের অবস্থা, কাস্টমারদের পছন্দ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রতিনিয়তই পরিবর্তিত হতে থাকে। যেকোনো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া, কৌশল পরিবর্তন বা সমন্বয় করা ও প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্ভাবনে আগ্রহী হওয়া, এসবই বিজনেসকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

৮. বড় বড় কর্পোরেশনের সাথে স্মল বিজনেস পাল্লা দিতে পারবে না

ভুল ধারণা: অনেকের ধারণা স্মল বিজনেস বড় কর্পোরেশনের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবে না।

বাস্তবতা: ছোট বিজনেসের নানারকম সুবিধা আছে, যেমন দ্রুততা, কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী কাস্টমার সার্ভিস ও মার্কেটের পরিবর্তনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া।

এই বিজনেসগুলি খুব সহজেই নানারকম নিশের সাথে মানিয়ে নিতে পারে, যা বড় মাপের কর্পোরেশনগুলি এড়িয়ে যেতে পারে। শক্তিগুলিকে কাজে লাগিয়ে ছোট বিজনেসগুলি যেকারো সাথেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

৯. নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে অফলাইনে দোকান থাকতে হবে

ভুল ধারণা: অনেকেই মনে করেন বিজনেসের নির্ভরযোগ্যতা বাড়াতে, কাস্টমারদের আস্থা অর্জনে অফলাইন দোকান থাকতে হবে।

বাস্তবতা: অনেক সফল বিজনেসই অনলাইনে বা হোম অফিস থেকে পরিচালিত হয়। আজকের ডিজিটাল যুগে, নির্ভরযোগ্যতার জন্য অনলাইন প্রেজেন্স অত্যন্ত দরকারি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অফলাইনের দোকানের চেয়েও অনলাইন উপস্থিতি বেশি দরকার। ভার্চুয়াল অফিস, কো-ওয়ার্কিং স্পেস, ও প্রফেশনাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।

১০. একবার সাফল্য এলে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না

ভুল ধারণা: বিজনেস সম্পর্কে বহুল প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হল, একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সাফল্য পাওয়ার পর কোনো প্রচেষ্টা ছাড়াই বিজনেসের বিকাশ ঘটবে।

বাস্তবতা: বিজনেসের সাফল্যের জন্য অবিরত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয় ও পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে হবে। সময়ের সাথে মার্কেটে নানারকম পরিবর্তন আসে, নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী আসে, ও কাস্টমারদের পছন্দ বদলায়। মার্কেটিং এর কৌশলে নতুনত্ব, কাস্টমারদের অ্যানগেজমেন্ট, পণ্য তৈরি ও সবসময় নতুনত্ব আনতে হবে, পর্যাপ্ত পরিকল্পনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নিশ্চিত করা সম্ভব। কোনো প্রচেষ্টা ছাড়া সাফল্য বেশিদিন টেকে না।

প্রচলিত এই ভুল ধারণাগুলি বুঝতে পারা ও এড়িয়ে যাওয়া ছোট পরিসরের বিজনেসের সাফল্যের জন্য অত্যন্ত দরকারি। বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা ও কৌশলী মনমানসিকতা নিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করতে হবে, তাহলে নানারকম চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি সফল ও দীর্ঘস্থায়ী বিজনেস গড়ে তুলতে পারবেন। মনে রাখবেন, সব বিজনেসই ছোট থেকে শুরু হয়েছে, সবাইকে নানারকম প্রতিকূল পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আপনি কীভাবে প্রতিকূলতার মোকাবিলা করছেন তার ওপর নির্ভর করবে বিজনেসের সাফল্য।

#স্মলবিজনেস #ভুল #ধারণা

client tele   Designinterior
21/02/2025

client tele Designinterior

Address

Lane 4 . DOHS BARIDHARA
Dhaka
1216

Website

http://www.btpcorps.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prp ads posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share