Afrina Media Corporation

Afrina Media Corporation সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন, হজ্ব ও ওমরা, ট্যুর ও জব ভিসা প্রসেস ও ম্যারেজ মিডিয়া

24/02/2024

ভবিষ্যতে কোন কাজ করার প্রসঙ্গে "ইনশা-আল্লাহ" বলা মহান আল্লাহর নির্দেশ। মহান আল্লাহর এই নির্দেশনাকে অবজ্ঞা করা, অস্বীকার করা, কটাক্ষ করা স্পষ্টতই আল্লাহর নির্দেশনা'র বিরুদ্ধাচরণ যা একজন মুসলমানের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ের অবাধ্যতা।
(রেফারেন্সঃ সূরা কাহফ, আয়াত ২৩-২৪

আফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ খেয়াল করি আমাদের অফিসের একজন স্টাফ খালিদ হাতে একটা গোলাপ নিয়ে রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আ...
12/08/2023

আফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ খেয়াল করি আমাদের অফিসের একজন স্টাফ খালিদ হাতে একটা গোলাপ নিয়ে রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমি গাড়ির কাঁচটা নিচে নামিয়ে বললাম,
-- আরে খালিদ, এইখানে কি করছো?
খালিদ গোলাপটা পিছন দিকে আড়াল করে বললো,
-বাসায় যাবো স্যার, তাই রিকশার জন্য দাঁড়িয়ে আছি
আমি বললাম,
--তোমার বাসা কোথায়?
খালিদ মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললো,
- উত্তরাতে স্যার
আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- আরে আমার বাসাও তো উত্তরাতে। আসো তোমার বাসায় নামিয়ে দিবো নে

খালিদ আমার কথা মত গাড়িতে উঠলো। ফুলটা যখন আমার চোখের সামনে থেকে আড়াল করতে চাইছিলো আমি তখন বললাম,
-- ফুল কার জন্য?
খালিদ লাজুক হাসি হেসে বললো,
- আমার স্ত্রী অর্পিতার জন্য?
-- আজ কোন স্পেশাল দিন নাকি?
-- জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতার প্রেমে পড়েছিলাম...

পরদিন অফিস থেকে যখন বাসায় ফিরবো তখন খালিদকে ডেকে বললাম, চলো একসাথে যাই।
গাড়ি দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ খালিদ আমায় বললো,
-স্যার, সামনে ফুলের দোকানটাতে এক মিনিটের জন্য গাড়িটা একটু দাঁড় করাবেন?

আমি গাড়িটা দাঁড় করাতেই খালিদ তড়িঘড়ি করে গাড়ি থেকে নেমে ফুলের দোকানটাতে ঢুকলো আর কিছুক্ষণ পর একটা লাল গোলাপ নিয়ে আসলো। আমি বললাম,
-- আজকেও স্পেশাল দিন নাকি?
খালিদ আগের মতই লাজুক হাসি হেসে বললো,
-জ্বি স্যার, আজকের দিনে আমি অর্পিতাকে দেখে প্রেমে পড়েছিলাম।
আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- তুমি না কালকে বলেছো কালকের দিনে তুমি তোমার স্ত্রীকে দেখে প্রেমে পড়েছিলে? আবার আজকে একই কথা বলছো?
খালিদ মাথা নিচু করে বললো,
-স্যার, আমি যতবার আমার স্ত্রীকে দেখি ততবার আমি প্রথম থেকে ওর প্রেমে পরি। তাই আমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল

ভালবাসার এমন সস্তা লজিক শুনে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো। নিজের রাগটা কোন রকম কন্ট্রোল করে খালিদকে বললাম,
-- নতুন নতুন বিয়ে করেছো হয়তো তাই তোমার কাছে প্রতিটা দিন স্পেশাল মনে হচ্ছে। আমার মত দুই বছর সংসার করো তখন দেখবে সংসারটাকে জা/হা/ন্নাম মনে হবে
খালিদ আর কিছু বললো না। আমি রেগে গেছি হয়তো সেটা বুঝতে পেরেছে। শুধু গাড়ি থেকে নামার সময় বললো,
- স্যার, আমি বিয়ে করেছি ৫ বছর ৯ মাস হতে চললো। বিশ্বাস করেন আমাদের ভালোবাসাটা এখনো প্রথম দিনের মতই আছে...
|
|

বাসায় ঢুকার পর দেখি শ্রাবণী টিভি দেখছে। আমার আসার শব্দ শুনে শ্রাবণী কাজের মেয়ে শেফালিকে বললো,
- শেফালি তোর স্যার এসেছে। টেবিলে খাবার দে

খাওয়া দাওয়ার পর বিছানায় যখন শুয়ে আছি তখন শ্রাবণী এসে বললো,
- কাল আমার ৫০ হাজার টাকা লাগবে। একটা নেকলেস পছন্দ হয়েছে কাল সেটা কিনবো।
আমি রেগে গিয়ে বললাম,
-- তোমার দুইদিন পরপর এত গহনা লাগে কেন? টাকা তো নিজে ইনকাম করো না তাই টাকার মূল্য বুঝো না।
আমার কথা শুনে শ্রাবণী রেগে গিয়ে বললো,
- নিজের বউয়ের শখ আহ্লাদ পূরণ করতে পারো না কেমন পুরুষ তুমি?
আমি ওর কথার কোনো উত্তর দিলাম না।
শ্রাবণী বালিশ নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলো আর আমি শুয়ে শুয়ে খালিদের কথা ভাবতে লাগলাম, হা'দা'রা'ম বলে কি না স্ত্রীকে যখনি দেখে তখনি প্রেমে পরে। আরে আমারতো স্ত্রীর চেহারাটা দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায় প্রেমে পরবো দূরের কথা...

---
------

অফিসে আসার পর খালিদকে আমার রুমে ডেকে এনে বললাম,
--তুমি খুব ভাগ্যবান পুরুষ। আমি আমার স্ত্রীর পিছনে লাখ লাখ টাকা খরচ করেও ভালোবাসার রঙ ধরে রাখতে পারি নি আর তুমি মাত্র ১৫টাকা দামের গোলাপ দিয়ে এত বছর ধরে ভালোবাসার রঙ ঠিক রেখেছো

খালিদ মুচকি হেসে বললো,
- স্যার, ভালবাসার রঙ কখনোই বদলায় না শুধু বদলে যায় আমরা আর আমাদের পাশে থাকা মানুষটি
আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললাম,
-- আমি বদলায় নি কিন্তু আমার স্ত্রী বদলে গেছে
খালিদ তখন বললো,
- বদলে যাওয়ার জন্য হয়তো আপনি নিজেই দায়ী
-- মানে?
খালিদ আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বললো,
- স্যার, স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি। আপনি দুইটা একসাথে মিশিয়ে আপনার ইচ্ছে মত আকৃতি দিতে পারবেন। আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লাখ টাকা দামের জিনিস চাইবে না যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০টাকার ফুচকা খান। আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবে না আমার দামী গাড়ি কিনে দাও যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান। পুরো সংসারের কাজ কারার পরেও আপনার স্ত্রীর বলবে না কষ্ট হচ্ছে ন যদি আপনি আপনার স্ত্রীর কপালে ভালোবেসে একটা চুমু খান।
একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনি বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে তার দূরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এইসবের মাঝে নিজের ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়।

আমার চুপ করা দেখে খালিদ উঠে দাঁড়ালো। দরজার কাছে গিয়ে আবার আমার কাছে ফিরে এসে বললো,
-স্যার, ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না। মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাঁচের চুরির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে। একটাবার ভাবীকে বলে দেখেন ভালোবাসি দেখবেন আপনার চেয়েও হাজার গুণ ভালোবাসা ভাবী আপনাকে ফিরিয়ে দিবে


বাসায় এসে দেখি শ্রাবণী ওর কিনে নতুন গহনা পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে শেফালিকে বললো,
- টেবিলে খাবার দে
পিছনে লুকিয়ে রাখা গোলাপটা বের করে শ্রাবণীকে দিয়ে বললাম,
-- তোমায় খুব ভালোবাসি আমি

শ্রাবণী অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
- তোমার ঐ হাতে কি?
আমি বললাম,
-- তেমন কিছু না। এক ডজন কাঁচের চুড়ি এনেছিলাম তোমার জন্য। ভেবেছিলাম নিজ হাতে তোমায় পরিয়ে দিবো কিন্তু তোমার এই এত দামী সোনার গহনার সাথে এই কাঁচের চুড়ি মানাবে না।

আমার কথা শুনে শ্রাবণী গহনা খুলে ফেলে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
-- কাঁচের চুড়িগুলো পরিয়ে দাও বলছি...

একটা ১৫টাকা দামের গোলাপ আর ১ ডজন কাঁচের চুড়ির মাঝে কি আছে আমার জানা নেই। আমি শুধু অবাক হয়ে শ্রাবণীকে দেখছি। হুট করেই দুই বছরের চেনা মানুষটা অচেনা হয়ে গেছে। আজ সে নিজ হাতে আমার পছন্দের খাবার রান্না করছে অথচ কদিন আগেও আমার খাবারটা কাজের মেয়ে বেড়ে দিতো

ভালোবাসার_রঙ
আবুল_বাশার_পিয়াস

বাসায় প্রবেশ করে টেবিলে বসতেই ছাত্রি বলে উঠলো স্যার আপনার আন্ডার পেন্টটা কি খুব দামি? ক্লাস টেনে পড়ুয়া মেয়ের মুখে হটাৎ এ...
12/08/2023

বাসায় প্রবেশ করে টেবিলে বসতেই ছাত্রি বলে উঠলো স্যার আপনার আন্ডার পেন্টটা কি খুব দামি? ক্লাস টেনে পড়ুয়া মেয়ের মুখে হটাৎ এমন কথা সুনে অবাক না হয়ে পারলাম না। হা করে তাকিয়ে আছি উত্তর খোজার চেস্টায়, কেনো হটাৎ এই প্রশ্ন?
----বলুন না স্যার কোন মার্কেট থেকে কিনলেন?
----দেখো নিলাম্বরি, ফাজলামির সাথে তোমার বেয়াদবিটাও দিন দিন বাড়ছে।
--- কেনো স্যার, আমি শুনছি দামি কিছু কিনলে মানুষ সবাইকে দেখায়। জদি দামি পেন্ট না হতো তাহলে কি আর গেট খোলা রেখে সবাইকে দেখাতেন? হি হি হি....
নিচের দিকে তাকাতেই জিভে কামর দিয়ে অন্যদিকে ঘুরে গেলাম। লজ্জায় আর কিছু বলার থাকলো না আমার। ছাত্রি বলে কথা। মাথাটা নিচু করে ওকে পড়াতে লাগলাম আমি। ওর মুখের দিকে তাকাতেই কেমন লজ্জা বোধ করছি। ও বার বার টেবিলের নিচে পা দিয়ে আমায় খোচাচ্ছে, আর মিঠি মিঠি হাসছে। বিষয়টা কিছুটা বুঝলেও না বুঝার ভান করলাম। কারণ এটা তার বয়সের দোষ।
কিছুক্ষন পড়ানোর পরই বেড়িয়ে গেলাম। মনে মনে ভাবছি ওর ফাজলামির মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে। ওকে আর পড়াতে যাবো না।
খুবই গরিব পরিবারের সন্তান আমি, পড়া লেখা চলছে বলে কোনো চাকরি বাকরি করতে পারছিনা। যার কারনে টিউশনি করেই নিজেকে চলতে হয়, সাথে বাবার ঔষধের খরচ।
বাসায় গিয়ে দেখি বাবার ঔষধ শেষ। পকেটে হাত দিয়ে দেখি মাত্র ৫০০ টাকা আছে। মাসের এখনো ৩-৪ দিন বাকি এই টাকা দিয়েই এই ৩-৪ দিন চলতে হবে। আপাতত বাবার ঔষধগুলো নিয়ে আসি বাকিটা পরে বুঝা যাবে।
,
দুই দিন যেতেই আন্টি ফোন দিলো, কি হলো বাবা তুমি নিলাম্বরিকে পড়াতে আসোনা কেনো?
কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারছিনা।
আর কি করার আন্টির জোড়াজুড়িতে আবার পড়াতে শুরু করলাম নিলাম্বরিকে।
একদিন নিলাম্বরি হটাৎ আমার হাতটা ধরে ফেললো, বললো স্যার আপনাকে একটা কথা বলার আছে। আমি তার কথা না শুনলেও কিছুটা অনুমান করতে পারছি। তাই কিছু বলার সুযুগ না দিয়েই তাকে ধমকের সুরে পড়তে বললাম। আর আন্টিকে সোজা বলে দিলাম আমি আর নিলাম্বরিকে পড়াতে পারবোনা।
বিকেলে হটাৎ একটা অচেনা নাম্বার থেকে ফোন এলো, রিসিভ করতেই বুঝলাম নিলাম্বরি, কেটে দিতে চাইলে সে বললো, স্যার স্যার আমার কথাটাতো একবার শুনুন।
--- ওকি কি বলবে বলো।
--- স্যার আজকের রাতটাকি আমি আপনার বাসায় থাকতে পারি?
--- এই মেয়ে কিসব বেয়াদ্দপের মতো কথা বলছো, তোমার সাহস হয় কি করে এভাবে কথা বলার, আর কক্ষনো এই নাম্বারে ফোন দিবানা।
তার পর থেকে নিলাম্বরি আর ফোন করেনি।
,
,
এইদিকে বাবার শরীলটাও দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে তাই একটা প্রাইবেট হসপিটালে নিয়ে গেলাম, কারণ ওখানে চিকিৎসা ভালো হয়।
ডাক্তার বললো, আমি নাকি একটু দেরি করে ফেলেছি। এখন বাবার অপারেশন করাতে হবে, তাই ২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। টিউশনি করে এতো টাকা যোগার করা আমার পক্ষ পসিবল না।
ভাইয়াকে ফোন দিলাম। আসলে ভাইয়া আমাদের সাথে থাকেনা। ভাইয়া আগেও এমন ছিলো তা না, বিয়ে আগে আমাদের সাথেই থাকতো। চাকরি করে যা পেতো তা দিয়ে আমাদের সংসার ভালোই যেতো। কিন্তু ভাইয়ার বিয়ের পর থেকে অন্য রক্তের গ্রান পেয়ে নিজের রক্তকেই অবহেলা করতে শুরু করলো।
ভাইয়াকে বাবার কথা জনাতেই বললো, আমার কাছেতো এখন তেমন টাকা পয়সা নেই। আর যা আছে তা হয়তো কয়দিন পর তোর ভাবির ডেলিভারিতে লেগে যাবে। আর বাবাতো আর আমার একার না, তোরও .... তখনি আমি ফোনটা কেটে দিলাম কারণ যা বুঝার আমি বুঝে গেছি।
এর কাছ ওর কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করে করে অনেক কষ্টে এক লক্ষ টাকা যোগার করলাম।
---- ধুর মিয়া আপনার অভাবের কথা চিন্তা করে আমরা ২ লক্ষ টাকা চেয়েছি। অন্য কারো থেকে হলে ৩ লক্ষ টাকার কম নিতাম না।
---- প্লিজ ডাক্তার এর থেকে বেশি জোগার করা আমার পক্ষে সম্ভব না।
---- তাহলে এখানে এলেন কেনো? কোনো সরকারি হসপিটালে নিয়ে যান। সেখানে অনেক কম দামে করাতে পারবেন।
উপায়ান্তর না পেয়ে বাবাকে নিয়ে গেলাম নিকটস্থ সরকারি হসপিটালে। আল্লার উপর ভরসা করলাম বাচা মরা তো তিনিই নির্ধারন করেন।
,
,
,
বাবা এখন মোটামুটি সুস্থ। সেই দিনের পর থেকে ভাইয়ার সাথেও আর যোগাযোগ হয়নি।
আজ শুক্র বার। সকালে বসে বসে ফোনে গেম খেলছি এমন সময় আন্টির ফোন এলো,
ফোন রিসিভ করতেই দেখি আন্টি কাঁদছে।
--- কি হলো আন্টি কাঁদছেন কেনো?
---- বাবা নিলাম্বরি..... আবার কেঁদে দিলো।
---- কি হয়েছে আন্টি?
---- বাবা তুমি একটু আমাদের বাসায় এসো।
বলেই ফোনটা কেটে দিলো।
তারাহুরা করে নিলাম্বরির আইডি চেক করতেই একটা মেসেজ সামনে আসলো।
--জদি আমার কিছু হয়ে যায় তাহলে আমার ঘরে এসে ডায়রিটা নিবেন আশা করি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
,
,
,
নিলাম্বরির নিথর দেহটা ফ্লোরে পরে আছে পাশে আঙ্কেল আন্টি বসে কাঁদছে। আমাকে দেখেই আন্টি এসে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে।
বিকেলের মধ্যেই দাফন কাফন সব শেষ। ঘরে আঙ্কেল আন্টিকে সান্তনা দিচ্ছি। হটাৎই নিলাম্নরির দেওয়া শেষ মেসেজটার কথা মনে পড়লো।
ওর রুমে গিয়ে ওর ডাইরিটা খুললাম,
স্যার,
আমি যানি এই ডায়রিটা যখন আপনার হাতে যাবে তখন আমি আর থাকবোনা। আপনি অনেক সময় আমাকে বলতেন, আমি ফাজিল মাঝে মাঝে বেয়াদবিও করি। কিন্তু যানেন স্যার আমার ফাজলামি টুকু সুধু আপনি আসার পর থেকে যাওয়ার আগ পর্যন্ততেই সিমাবদ্ধ ছিলো। আপনি সবসময় যাদেরকে আমার মা বাবা বলে জানতেন তারা আসলে আমার মা বাবা নয়। আমার মা তাদের বাসায় কাজ করতো। মা যখন মারা
আরো এমন গল্প পেতে আমার আইডিতে ফ'লো দিয়েন কতো কষ্ট করে গল্প লেখি এটার কি কোন দাম নাই আপনাদের কাছে
যায় তখন আমার বয়স ১০ বছর। তাদের কোনো সন্তান না থাকায় মা মারা যাওয়ার পর ওরা আমাকে তাদের সাথে রেখে দেয়। আসলে স্যার একটা কথা আছে, পর কখনো আপন হয়না। যখন আমি তাদের বাসায় থাকা শুরু করি তখন থেকেই আঙ্কেল মানে বাবা আমায় খুব আদর করতো। তখন ভাবতাম আঙ্কেল হয়তো আমাকে খুব ভালো বাসে। কিন্তু যখন আমার বারো তেরো বছর তখন থেকে বুঝতাম আঙ্কেলের আদরটাতেও এক ধরনের শয়তানি লুকিয়ে থাকতো। যখন খেয়াল করতাম সে আমাকে আদর করার নামে আমার স্পর্স কাতর অঙ্গ গুলোতে হাত দিতো, তখন থেকে তার কাছ থেকে দুরে দুরে থাকতাম। যৌন মিলনের প্রথম ছোয়া পেলাম যখন ক্লাস টেনে উঠি। তাও আবার নিজের বাবা ডাকা লোকটার কাছ থেকে।
সেদিন আন্টি মানে মা বাড়িতে ছিলোনা। তখন আমাকে ভয় দেখানোর কারনে কাওকে কিছু বলিনি।
কিন্তু সেই দিন যখন শুনলাম মা একদিনের জন্য তার বান্ধবির বাসায় যাচ্ছে, তখন আমি আপনাকে এই বিষয়ে বলতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু আপনি আমায় ভুল বুঝলেন। ফোনোও আপনার কাছে একটি রাত হেল্প চেয়েছিলাম কিন্তু আপনি পুরুটা না শুনেই ফোনটা কেটে দিলেন। আমার আর কিচ্ছু করার ছিলো না। আচ্ছা স্যার, তার একটা মেয়ে থাকলে আমার মতো কি সেও তাকে বাবা ডাকতো না? তখন কি তার সাথেও সে এমন করতো?
সেদিনও বিষয়টা কাওকে বলিনি। সুধু মাঝরাতে ছাদে দাড়িয়ে আকাশটার সাথে কথা বলতাম। আমার সকল দুঃখ কষ্ট ওই তারা ভরা নীল আকাশটাই ভাগ করে নিতো।
কিন্তু কিছুদিন আগে যখন আমি বুঝতে পারলাম যে আমি প্রেগনেট, তখন ভাবলাম আমার মতো পাপির এই পবিত্র পৃথিবীতে বেঁচে থাকার কোনো অধিকারই নেই। ভালো থাকবেন স্যার। কখনো কোনো বেয়াদবি করে থাকলে মাফ করি দিবেন।
হটাৎ খেয়াল করলাম ডায়রির পাতাগুলো ভিজে গেছে। হয়তো হতভাগিটার জন একটুখানি চোখের জলে।
আসার সময় আঙ্কেলকে কানে কানে বললাম, মানুষের কৃত কর্মের ফল ভোগ করতেই হবে। যদি আপনি যৌনতা কন্ট্রোল রাখতেন তাহলে নিলাম্বরি এখনো বেঁচে থাকতো।
নিরিবিলি রাস্তায় হেটে চলছি আর বারবার চোখের পানি মুচছি। চাইলে হয়তো আমি মেয়েটাকে উপকার করতে পারতাম। নিজেকে কখনো ক্ষমা করতে পারবো কিনা জানিনা।
গল্পঃ না বলা কথা।

বিঃদ্রঃ ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
#সংগৃহীত

পদ্মা সেতু ভ্রমণ করবে বিশ্বকাপ ট্রফিগত ১৪ জুলাই থেকে বিশ্ব ভ্রমণ করছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি। এরই অংশ হিসেবে আগামী ৭ আগ...
06/08/2023

পদ্মা সেতু ভ্রমণ করবে বিশ্বকাপ ট্রফি

গত ১৪ জুলাই থেকে বিশ্ব ভ্রমণ করছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি। এরই অংশ হিসেবে আগামী ৭ আগস্ট বাংলাদেশে আসছে বিশ্বকাপের ট্রফি, যেটা এখন আছে পাকিস্তানে। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কায়। তারপর বাংলাদেশে আসবে সোনালি রঙের এই ট্রফিটি।
আকর্ষণীয় এই ট্রফিটি বাংলাদেশে তিন দিন রাখা হবে। প্রথম দিন এই ট্রফির ফটোসেশন হবে গর্বের পদ্মা সেতুতে। এছাড়া ক্রিকেটারদের ফটোসেশনের জন্য মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম এবং সাধারণ দর্শকদের জন্য বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে নেওয়া হবে। বাংলাদেশ থেকে এই ট্রফি যাবে কুয়েতে। ৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় শেষ হবে ট্রফির বিশ্ব ভ্রমণ। সবশেষ তার গন্তব্য ভারতে।
সংগ্রহ,

06/08/2023
দাম বেড়েছে ডিম, মুরগী ও মোটা চালের।দেশে উৎপাদন ও সরবরাহের বড় কোনো সংকট না থাকলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে বেড়েছে মোটা চালের...
06/08/2023

দাম বেড়েছে ডিম, মুরগী ও মোটা চালের।

দেশে উৎপাদন ও সরবরাহের বড় কোনো সংকট না থাকলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে বেড়েছে মোটা চালের দাম। পাইকারিতে দাম বাড়ায় বেড়েছে খুচরায়ও। পাইকারি ব্যবসায়ীরা অবশ্য এই দাবি নাকচ করেছেন।

অন্যান্য চালের দামে অবশ্য পরিবর্তন নেই। বাজারে মুরগি ও ডিমের দামও বেড়েছে। ডাল, সয়াবিন তেল, চিনি, আটা ও ময়দার মতো পণ্যের দাম উচ্চ মূল্যে স্থিতিশীল।

আজ রবিবার রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, রামপুরা ও কাওরান বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে বাজারে মোটা চাল (গুটি স্বর্ণা) কেজিতে ২ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহের ৫০ থেকে ৫১ টাকা কেজি দরের গুটি স্বর্ণা গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।

মগবাজারের চাল বিক্রেতাদের সাথে বলে জানা যায় , গত কয়েক দিনে বস্তা প্রতি মোটা চালের দাম পাইকারিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। খুচরা বাজারে তাই দাম বেশি। অন্যান্য চালের দাম আগের মতোই আছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ীও ঢাকার বাজারে মোটা চালের দাম বাড়তি। টিসিবি বলছে, এক মাসে মোটা চালের দাম বেড়েছে ২ শতাংশের ওপরে।

বাজারে অন্যান্য চালের মধ্যে মাঝারি মানের বিআর ২৮ চাল খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি। মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। আর নানা পদের নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি।

বাজারে বেড়েছে ডিম ও মুরগির দামও। ব্রয়লার ও সোনালি উভয় মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। তাতে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা কেজি। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা।

ডিমের দাম ডজনে বেড়েছে ৫ টাকা। বাদামি রঙের ফার্মের মুরগির দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪৫ টাকা ডজন। সাদা ডিমের ডজন ১৩৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪০ টাকা।

বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম পড়ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। করলার কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচের কেজি মানভেদে ২০০-৩০০ টাকা। মাছের দাম আগের মতোই আছে।
সাংবাদিক খাঁন মোহাম্মাদ আইউব
বিশেষ প্রতিবেদক
The Daily Evening News

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা দিতি।।
26/03/2023

বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা দিতি।।

21/02/2023

সংঘর্ষের কারণে শহীদ বেদিতে ফুল দিতে আসা মানুষেরা আতঙ্কে ওই এলাকা ত্যাগ করেন। বিস্তারিত— https://pulse.ly/u5lplorpm9

21/02/2023

Address

281 Ambagan Nayatola Moghbazar (Hatirzil)
Dhaka
1217

Telephone

+8801850096778

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Afrina Media Corporation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Afrina Media Corporation:

Shortcuts

Share