SAHA Medical Hall

SAHA Medical Hall Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SAHA Medical Hall, Advertising/Marketing, Dhaka.

এই ১০ টি ঔষধ আপনারা সবাই  বাসায় রাখবেন-১.Sergel 20mg. গ্রস্টিকের সমস্যা হলে খালি পেটে খাবেন।২.viset 50mgবা Algin50mg যে ...
24/02/2026

এই ১০ টি ঔষধ আপনারা সবাই বাসায় রাখবেন-
১.Sergel 20mg. গ্রস্টিকের সমস্যা হলে খালি পেটে খাবেন।
২.viset 50mgবা Algin50mg যে কোন পেট ব্যথ্যা বা মহিলাদের পিরিয়ডের সময় ব্যথ্যা হলে খাবেন।
৩.Napa Extra বা Napa Extrend জ্বর বা ব্যথ্যা হলে খাবেন।৪।৫.Flazyl400mg বা Filmet400mg.পাতলা পায়খানা হলে খাবেন।
৬.Tufnil 200mgপ্রচন্ড মাথা ব্যথ্যা হলে খাবে।
৭.Rolac10mg বা Tory 90mg দাঁত ব্যথ্যা হলে খাবেন।
৮.Rupa10 mgবা Fexo 120 mg স্বদি ঠান্ডা, কাশি বা এলার্জি হলে খাবেন।
৯. Emistat 8mg বমি হলে খাবেন।
১০. Tenoloc 50mgবা Amdocal 5mg হঠাৎ প্রেশার বেড়ে গেলে খাবেন। প্রাথমিক চিকিৎসা হিসাবে ঔষধ গুলো হাতের কাছে রেখে দিবেন,(প্রয়োজনে ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হবেন।)
সাহা মেডিকেল হল ইমামবাড়ী কেরানীগঞ্জ ঢাকা
প্রয়োজনে ডাক্তার দেখানোর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন
New People's Diagnostic Diagnostic 1n mitpot rodd bcds bubon
Dhaka 01767815162

25/05/2025

ব্যবসাকে যদি এক কথায় রূপান্তর করতে বলা হয় তাহলে আমি সাতপাঁচ না ভেবেই বলে দেবো যে ব্যবসা হলো ধনী হওয়ার হাতিয়ার। যাকে পুঁজি করে পৃথিবীর বুকে দাপট দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন সফল ব্যক্তিত্বরা। চড়ে বসে আছেন সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায়। আর সেই আসন গ্রহণের প্রবল ইচ্ছা প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায় প্রত্যেকটি মানুষকেই। বুকের বাম পাশটায় সেই স্বপ্নকে পুষে রাখে সযত্নে। আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে অনেকেই ব্যবসাকে বেছে নেয়।
কিন্তু ব্যবসা করলেই যে আপনি ধনী হয়ে যাবেন ব্যাপারটা মোটেও সেরকম না। বলে রাখা ভালো যে- ব্যবসা যেমন আপনাকে ধনের পাহাড়ে চড়িয়ে দেবে ঠিক তেমনি করে দিতে পারে সর্বশান্তও। কেননা ব্যবসায় উন্নতি করতে হলে ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে হবে। সাফল্যের বিশাল সিঁড়ি পার হতে গেলে হোচট খেতেই হবে, আসবে নানা বাধা-বিপত্তি আর সেসব বাধা কাটিয়ে সাফল্যের করিডোরে পৌঁছানোর জন্য রপ্ত করা চাই কিছু কৌশল। যে কৌশল আপনার ব্যবসাকে সমৃদ্ধ করে সাফল্যের চরম শিখরে পৌঁছে দেবে। নিচের ১০ টি কৌশল অবলম্বন করে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন সফল ব্যবসায়ী।

১. গোছানো থাকুন : ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি যে একটি অগোছালো মানুষ কখনোই জীবনে উন্নতি সাধন করতে পারে না। তাই একজন ব্যবসায়ী যদি অগোছালো হয় তাহলে তার ব্যবসায় সাফল্য কখনোই আসবে না কেননা ব্যবসা এমন একটি বিষয় যেখানে ফাঁকিবাজির কোনো স্থান নেই।
অপর দিকে আপনি যদি গোছানো এবং একজন পরিপাটি মানুষ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে এই অভ্যাসটি আপনাকে সফলতার বিশাল সিঁড়ির একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাছাড়া গোছানো থাকলে সময়ের অপচয় কম হয় আর সেই সময়টুকু কাজে ব্যবহার করলে কাজের উন্নতি সাধন হবে।

২. প্রতিটি জিনিসের বিস্তারিত বিবরণ রাখুন : প্রতিটি সফল ব্যবসায়ীরাই তাদের প্রতিটি জিনিসের বিস্তারিত বিবরণ সংরক্ষণ করে। কেননা ব্যবসা করতে হলে বেহিসাবি হলে একদমই চলবে না। তাহলে ব্যবসায় ধস নামতে পারে। ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি জিনিসের হিসেব না মেলাতে পারলেই বিরাট সমস্যা দেখা দেয়। এবং এভাবে চলতে থাকলে লাভের থেকে ক্ষতির মুখই বেশি দেখতে হবে। তাই প্রতিটি জিনিসের বিস্তারিত বিবরণ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। এতে করে প্রত্যেকটি মালামালের যেমন হিসেব আপনার কাছে থাকবে ঠিক তেমনি আপনি আপনার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা এবং সামনে কি কি চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা জানতে পারবেন। এটা জানার মাধ্যমে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন আপনাকে কি ধরনের পরিকল্পনা করতে হবে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে কি কি বাধা আছে এবং তা রোধ করার জন্যে আপনাকে কি ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. প্রতিযোগিতাকে চিহ্নিত করুন : প্রতিযোগিতা আপনার মস্তিষ্ককে বিপুল পরিমাণে সক্রিয় করে তোলে। যার ফলে কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়। ব্যবসায় সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে এবং এর সাথে সাথে আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীদের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। তবে প্রতিযোগিতা হতে হবে ভালোর। পণ্যের কোয়ালিটি ভালো করার প্রতিযোগিতা, ক্রেতার সাথে সুন্দর আচরণ করার প্রতিযোগিতা।

৪. রিস্ক বা ঝুঁকি এবং ফলাফল হিসেব করুন : একটি ব্যবসার সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে, ক্যালকুলেটেড রিস্ক বা হিসেব করে ঝুঁকি নেওয়ার উপর। কেননা ব্যবসা এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে প্রতিনিয়ত আপনাকে রিস্ক নিতে হয়। প্রতিটি পদক্ষেপেই আপনাকে রিস্ক অথবা রিস্কি ডিসিশনের সম্মুখীন হতে হবে এবং এটাই বাস্তব। প্রতিটি ব্যবসায়ীরাই রিস্ক নিয়ে থাকেন, কিন্তু সফল ব্যবসায়ীরা রিস্ক নেয়ার সাথে সাথে তার ভবিষ্যৎ ফলাফল ও কষে ফেলে আর সে কারণেই তারা আজ সফল ব্যবসায়ী। তাই ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে হলে আপনাকেও এই কৌশল অবলম্বন করতে হবে। তাই আপনার পরিকল্পনার ‘বাজে দিক কি?’ আপনি যদি এই প্রশ্নটি করেন তবে আপনি আপনার পরিকল্পনার সবচেয়ে খারাপ অবস্থা জানতে পারবেন এবং সেটা পরিমাপ করে সে অনুসারে হিসেবি ঝুঁকি বা ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে পারেন, যেটা আপনাকে চমৎকার ফলাফল এনে দিবে।

৫. সৃজনশীল হোন : যুগের সাথে সাথে মানুষের চাহিদা, চিন্তাভাবনার ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। তাই ব্যবসাও আর সেকেলে নেই। প্রতিনিয়তই বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আসছে নানা ধরনের নতুন নতুন আইডিয়া আর তৈরী হচ্ছে নানান সৃষ্টিশীলতা। তাই নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে ব্যবসায় সফল হতে হলে আপনাকেও সৃজনশীল হতে হবে। তা নাহলে হোচট খেয়ে আপনাকেও ব্যর্থতা বরণ করে নিতে হবে। তাই প্রতিনিয়ত নতুন পন্থা অবলম্বন করুন যাতে করে আপনার এই পন্থা অন্য সবার প্রতিযোগিতার বাহিরে থাকে। সবকিছুই আপনি জানেন না সেটা মেনে নিন এবং নিত্যনতুন আইডিয়া বা পরিকল্পনা করুন। নতুন পন্থাকে গ্রহণ করার জন্যে প্রস্তুত থাকুন।

৬. ফোকাস বা একনিষ্ঠ থাকুন : একটি প্রাচীন প্রবাদ আছে, ‘রোম একদিনে হয়নি’ এই প্রবাদটি এই ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। আপনি একটি ব্যবসা আরম্ভ করেছেন এর মানে এই নয় যে আপনি রাতারাতি টাকা উপার্জন শুরু করে দিবেন। আপনি কে, আপনার ব্যবসা কেমন, তা জানতে লোকজনের সময় লাগে। তাই আপনি আপনার ব্যবসার স্বল্পমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে একনিষ্ঠ থাকুন এবং বাকিটা ব্যবসার নিজস্ব গতির উপর ছেড়ে দিন।

৭. ত্যাগের জন্যে প্রস্তুত থাকুন : একটি ব্যবসা দাঁড় করানো সহজ কথা নয় কিন্তু একবার আরম্ভ করলে আপনার কাজ শুরু হয়ে গেল। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনাকে এর পিছনে অনেক সময় এবং অর্থ ব্যয় করতে হবে। আপনাকে অনেক ত্যাগ যেমন, পরিবার বা বন্ধুবান্ধবদের সাথে কম সময় ব্যয় করতে হবে। আর এটা করতে পারলে আপনি আপনার ব্যবসায় অবশ্যই সফল হবেন।

৮. বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা অর্জন : জীবনে সফলতার জন্য বহু ধরনের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। আপনার অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার যত বড় হবে সাফল্যের সম্ভাবনাও তত বেশি হবে। এজন্য আপনাকে চেষ্টা করতে হবে নিত্য-নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ ও নতুন বিষয় শিখতে হবে।

৯. উন্নত মানের সেবা প্রদান করুন : উন্নত মানের সেবা যেমন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে আনবে ঠিক তেমনি আপনাকে সাফল্যের করিডোরে পৌঁছানোর জন্যে সাহায্য করবে। এটি একটি পরীক্ষিত কৌশল। অনেক সফল ব্যবসায়ী আছেন যারা ভুলে যান যে, কাস্টমারকে উন্নত মানের সেবা প্রদান অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি কাস্টমারদের উন্নত সেবা প্রদান করেন তবে তারা পরেরবার আপনার কাছে আসবে যেটা আপনার পন্যকে ক্রেতাদের মাঝে জনপ্রিয় করবে। কিন্তু আপনি যদি নিম্নমানের সেবা প্রদান করেন তাহলে কাষ্টমারদের আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিরূপ ধারনা জন্মাবে,এটা আপনার ব্যবসার জন্য ক্ষতিকর।

১০. ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন : ব্যবসায় সফলতা দীর্ঘায়ু করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার বিকল্প আর কিছু হতে পারে না। ধারাবাহিকভাবে আপনাকে আপনার কর্মপরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়ন করে যেতে হবে। যেটা আপনাকে ক্রেতাদের মাঝে বিশ্বস্ত করে তুলবে এবং আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাবে।

একটি ব্যবসা দাঁড় করানো এবং খুব দ্রুত সাফল্য বয়ে আনা একটি বিরাট চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। ধৈর্য, একনিষ্ঠতা এবং নিয়মানুবর্তিতা সাফল্যের পূর্ব শর্ত। সাফল্য একদিনে আসবে না। এর জন্যে আপনাকে অনবরত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। আশা করছি উপরের ১০ কৌশল আপনাকে সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সহায়তা করবে।
_____________________

বিশ্ব থেলাসেমিয়া দিবস ২০২৫📅 ৮ মে | 📌 আন্তর্জাতিক থেলাসেমিয়া সচেতনতা দিবস🩸 থেলাসেমিয়া: একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তরোগজন...
08/05/2025

বিশ্ব থেলাসেমিয়া দিবস ২০২৫
📅 ৮ মে | 📌 আন্তর্জাতিক থেলাসেমিয়া সচেতনতা দিবস

🩸 থেলাসেমিয়া: একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তরোগ
জন্মের আগেই থামিয়ে দেওয়া সম্ভব—শুধু প্রয়োজন সচেতনতা ও সময়মতো পদক্ষেপ।

🔬 থেলাসেমিয়া কোনো অভিশাপ নয়।
বিয়ের আগে মাত্র একটি রক্ত পরীক্ষা পারে একটি পরিবারকে আজীবনের দুঃখ থেকে রক্ষা করতে।

📌 আপনি জানেন কি?
➡️ প্রতি বছর হাজার হাজার শিশু থেলাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নেয়
➡️ সঠিক সচেতনতা থাকলে ৯০% রোগ এড়ানো সম্ভব
➡️ থেলাসেমিয়া আক্রান্ত একজন রোগীকে প্রতিমাসে রক্ত নিতে হয়

"বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবসে প্রতিজ্ঞা হোক—সচেতনতায় বদল আসুক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনে।

নিউ পিপলস অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার পাশে আছে প্রতিটি জীবনের জন্য।"

"থ্যালাসেমিয়া রুখতে হলে চাই সচেতনতা, পরীক্ষাই পারে বাঁচাতে একটি জীবন।"

"আগাম রক্ত পরীক্ষা হোক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার অঙ্গীকার।"

"একটি পরীক্ষা, একটিই সিদ্ধান্ত—থ্যালাসেমিয়ামুক্ত আগামী গড়ে তুলুন।"

"জন্মের আগে জানুন, জীবন বাঁচান—থ্যালাসেমিয়া রোধে সচেতন হোন।"

"থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ সম্ভব, শুধু চাই সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ।"

"ভালো থাকুক আগামী, এখনই হোক সচেতনতার শুরু।"

#থ্যালাসেমিয়া_দিবস

#সচেতনতা_জীবন_বাঁচায়

#রক্তপরীক্ষা_অবশ্যক

#থ্যালাসেমিয়া_মুক্ত_ভবিষ্যৎ

#নিউ_পিপলস_ডায়াগনস্টিক

#স্বাস্থ্য_সেবায়_অঙ্গীকার













🍏 সুস্থ থাকুন, স্মার্ট খান: শরীরের চাহিদা মেনে পুষ্টির সমাধান! 🌱শরীরকে সুস্থ-সবল রাখতে খাদ্যাভ্যাসই হলো মূল চাবিকাঠি। জে...
05/05/2025

🍏 সুস্থ থাকুন, স্মার্ট খান: শরীরের চাহিদা মেনে পুষ্টির সমাধান! 🌱

শরীরকে সুস্থ-সবল রাখতে খাদ্যাভ্যাসই হলো মূল চাবিকাঠি। জেনে নিন সহজ কিছু নিয়ম:

📌 কীভাবে খাবেন?
✅ শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খান:
প্রতিদিনের ক্যালোরি চাহিদা বুঝে খান। বয়স, ওজন ও শারীরিক পরিশ্রম অনুযায়ী খাবার পরিমাণ ঠিক করুন।

✅ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন:
ওটস, লাল চাল, শাকসবজি, ডাল ও ফলমূলে ফাইবার বেশি। এটি হজমশক্তি বাড়ায় ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

✅ অতিপুষ্টিকর খাবার খান:
ডিম, মাছ, বাদাম, দুধ ও সবুজ শাকের মতো প্রোটিন-ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্লেটে।

🌈 রঙিন শাকসবজি ও তাজা ফল:

লাল টমেটো, গাজর, পালং শাক: অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।

আপেল, কলা, পেয়ারা, আম: ভিটামিন সি ও পটাশিয়ামের উৎস।

প্রতিদিন ১-২ কাপ রঙিন সবজি ও ২-৩টি ফল খান।

💧 দিনে কমপক্ষে ১০ গ্লাস পানি পান করুন:
পানি শরীরের টক্সিন দূর করে, ত্বক ও কিডনি সুস্থ রাখে। পানির বোতল সব সময় হাতের কাছে রাখুন!

🛑 যা এড়াবেন:

অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার।

প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস ও কোমল পানীয়।

✌️ বাড়তি টিপস:

সকালের নাশতায় রাখুন ওটস বা পোহা।

খাবারে যোগ করুন আখরোট বা চিয়া সিডের মতো সুপারফুড।

শেয়ার করুন এই পোস্ট—প্রিয়জনদের জানান সুস্থতার সহজ উপায়! 💚

"খাবার হোক পুষ্টির উৎস, জীবন হোক প্রাণবন্ত!" 🥗🚰

#সুস্থ_খাদ্যাভ্যাস #পুষ্টির_সমাধান #ফাইবার_সমৃদ্ধ #রঙিন_খাবার

পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥স্ক্যা-বিস (Scabies) একটি ছোঁ-য়া-চে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes ...
03/05/2025

পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে ছোঁ'য়া'চে রো'গ ‘স্ক্যা'বি'স’ 😥

স্ক্যা-বিস (Scabies) একটি ছোঁ-য়া-চে ত্বকের রোগ। এটি Sarcoptes scabiei নামক ক্ষুদ্র মাকড়সার (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই মাকড়সা ত্বকের উপরিভাগে গর্ত তৈরি করে এবং ডিম পাড়ে, যার ফলে ত্বকে তীব্র চুলকানি এবং ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
স্ক্যাবিসের প্রধান লক্ষণগুলো হলো:
* তীব্র চুলকানি: বিশেষ করে রাতে চুলকানি বাড়ে।
* ফুসকুড়ি: ছোট ছোট লালচে দানা বা ফোস্কার মতো দেখা যায়।
* গর্তের চিহ্ন: ত্বকের উপর ছোট, আঁকাবাঁকা, ধূসর বা সাদা রঙের সরু রেখা দেখা যেতে পারে, যা মাকড়সার তৈরি করা গর্ত।
স্ক্যাবিস সাধারণত নিম্নলিখিত স্থানগুলোতে বেশি দেখা যায়:
* আঙুল ও পায়ের আঙুলের মাঝে
* কবজি
* কনুই ও হাঁটুর ভাঁজে
* বগ*লের নিচে
* কোমর
* নিত-ম্ব

স্ক্যাবিস অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং সরাসরি চামড়ার সংস্পর্শে আসা, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা কাপড়, বিছানা ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
যদি আপনার মনে হয় আপনার স্ক্যাবিস হয়েছে, তাহলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাক্তার সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনে ত্বকের নমুনা নিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারেন। স্ক্যাবিসের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ধরনের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় যা মাকড়সা এবং তাদের ডিম ধ্বং-স করে। পরিবারের সকল সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও একই সময়ে চিকিৎসা করানো উচিত, এমনকি তাদের লক্ষণ না থাকলেও। এছাড়া, ব্যবহৃত কাপড় ও বিছানা গরম পানিতে ধুয়ে বা ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।

সবজি ওজন করার সময় যদি মাপার কাঁটায় একটি মাছি বসে, তাহলে ওজনে তেমন পার্থক্য হয় না। কিন্তু সেই একই মাছি যদি স্বর্ণ ওজন ...
01/05/2025

সবজি ওজন করার সময় যদি মাপার কাঁটায় একটি মাছি বসে, তাহলে ওজনে তেমন পার্থক্য হয় না।

কিন্তু সেই একই মাছি যদি স্বর্ণ ওজন করার সময় মাপার কাঁটায় বসে, তাহলে তার ওজনে দশ-বিশ হাজার টাকার পার্থক্য করে দিতে পারে।

এখানে ওজন বড় কথা নয়, আপনি কোন যায়গায় অবস্থান করছেন—সেটাই আসল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তাই চেষ্টা করুন ভালো মানুষদের সংস্পর্শে থাকতে। নিজেকে উত্তম পরিবেশে রাখুন এবং নিজের সম্মান ও মর্যাদা বজায় রাখুন।

30/03/2025

ঈদ মোবারক
সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা...

২০ থেকে ৩৫ বছর। এই ১৫ টা বছর জীবনের সবচেয়ে সেনসেটিভ স্টেজ! জীবনের এই সময়টায় তার রঙ বারবার বদলাতে থাকে। জীবনের এই সময়টায় ...
16/03/2025

২০ থেকে ৩৫ বছর। এই ১৫ টা বছর জীবনের সবচেয়ে সেনসেটিভ স্টেজ! জীবনের এই সময়টায় তার রঙ বারবার বদলাতে থাকে।

জীবনের এই সময়টায় এসে মানুষ সবচেয়ে বেশি ডিপ্রেশনে ভোগে। তবুও টিকে থাকার চেষ্টা কমায় না। টিকে থাকার যুদ্ধে যে প্রখর তেজি যোদ্ধা হতে হয়। অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত!

জীবনের এই সময়টায় এসে আপনি সব কিছু উপলদ্ধি করতে পারবেন। না চাইতেও চারপাশের অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হবে। কারো কারো ক্ষেত্রে এই পরির্তনের মাত্রা এতই দীর্ঘ হয় যে, তখন তারা নির্বাক দর্শক ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না।

জীবনের এই সময়টায় এসে বেশির ভাগ মানুষই তার মাথা নত করে। যেমন ধরুন, আপনি এই বয়সটায় এসে আপনার বাবা অথবা মায়ের কাছে টাকা চাইতে লজ্জাবোধ করবেন। নিজেকে সংকোচিত করতে থাকবেন। আবার ধরুন, আপনার চাকুরি হচ্ছে না। তখন পরিবারের কোনো বিষয়ে মাথা উঁচু করে কথা বলা কিংবা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না। প্রিয় জনকে হারিয়ে ফেলবেন। অনেক কিছু অনিচ্ছায় মেনে নিতেও শিখে যাবেন।

এই সময়টায় আপনি চাইলেই হুট করে ট্যুরে যেতে পারবেন না। আপনার পছন্দের ক্যামেরাটা দোকানের গ্লাসের ভিতর থেকে দেখেই তৃপ্ত হতে চাইবেন। চাইলেই পরিবারের সাথে বসে আড্ডা জমাতে পারবে না। চাইলেই প্রিয় মানুষটাকে ধরে রাখতে পারবে না। কারণ আপনার পকেটে টাকা নেই। ভালো চাকুরি নেই। ভবিষ্যৎ জীবন অনিশ্চিত!

কিন্তু যখন আপনার বসয় ৩৫ পার হবে, তখন আপনার কাছে সবকিছুই থাকবে। টাকা, পরিবার, সম্মান, প্রায় সঅঅব। মানুষ তো আর সারাজীবন বেকার থাকে না। কোনো না কোনো একটা পথ ঠিকই বের করে নেয়। অথচ তখন সময়ের বড্ড অভাব। আপনি ব্যস্ত হবেন সংসার ধর্মে, নানাবিধ ব্যস্ত কাজকর্মে। তখন ভুলেও যাবেন আপনার কিছু ইচ্ছা ছিল, ছিল কিছু স্বপ্ন।

সময়কে আকড়ে ধরা মহা ব্যস্ত আপনিটা একটা সময় বুড়ো হবেন। তখন অনেক টাকার মালিকও হবেন। পাবেন বিশাল অবসর। অথচ তখন আর শক্তি বা ইচ্ছা থাকবে না কিছু করার। তখন অনেকটা ঘরকুনো হয়ে থাকতেই বেশি পছন্দ করবেন।

আমাদের জীবনটাই এমন! যখন আপনি ২৫ বছরের, তখন আপনার জীবনটাকে নিজ ইচ্ছায় চাইলেও সাজাতে পারবেন না। কারণ টাকার অভাব। টাকা হাতে আসার পরে হবে সময়ের অভাব। আর যখন টাকা অফুরক্ত, সময় থাকবে অনেক তখন আপনার ইচ্ছাগুলো ঘুণপোকার দখলে!

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং...
16/03/2025

১. জীবনে সফল হতে চাইলে দুটি জিনিস প্রয়োজন: জেদ আর আত্মবিশ্বাস।

২. সাফল্য মাপার মানদন্ড আপনি কি অর্জন করেছেন সেটা নয়, বরং আপনি পড়ে যাবার পর কতবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেটা।

৩. পরাজয়ের ভয়, পরাজয়ের চেয়েও মারাত্মক।

৪. সাফল্য হলো ৯৫% কঠোর পরিশ্রম, ৪% অনুপ্রেরণা আর ১% ভাগ্যের যোগফল।

৫. পরাজিতরা যা যা পারে তার উপর গুরুত্ব দেয়। অন্যদিকে, বিজয়ীরা জয়ী হতে গেলে কি কি করতে হবে সেটার উপর গুরুত্ব দেয়।

৬. "End" মানে সবকিছু শেষ নয়, "End" শব্দের অর্থ হচ্ছে "Efforts never die" অর্থাৎ প্রচেষ্টার মৃত্যু নেই।

৭. একটা পরাজয় আরো পরাজয়ের জন্ম দেয়। প্রত্যেকটি পরাজয়ের পর মানুষ তার আত্মমূল্য হারিয়ে ফেলে যেটা তার পরবর্তী হারের কারণ।

৮. পরাজিতরা কোনো কিছু ঘটার অপেক্ষায় থাকে, তারা কখনই কোনো কিছু ঘটাতে পারে না।

৯. যে সবকিছু তৈরি অবস্থায় পেতে চায়, সে জীবনে কিছু করতে পারে না।

১০. "NO" শব্দের অর্থ "না" নয়। "NO" মানে হলো "Next Opportunity" বা পরবর্তী সুযোগ।

১১. আজ থেকে ৫ বছর পর আপনি কোথায় যাবেন তা নির্ভর করবে এখন আপনি কতটুকু পরিশ্রম করছেন এবং কোন ধরনের মানুষের সাথে মিশছেন তার উপর।

১২. ফার্স্ট ইমপ্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজনের সাথে সাক্ষাৎ হওয়ার ৩ থেকে ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই তার সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায়।

১৩. সম্পর্ক তৈরি করা একটি প্রক্রিয়া বা প্রচেষ্টার ফলাফল, কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।

১৪. মানুষের ইচ্ছাশক্তি তার ভাগ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।

১৫. গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবার সময় যে আবেগকে কম মস্তিষ্ককে বেশি প্রাধান্য দেয় সে জীবনে সফল হয়।

❣️💕 একদল বানর এক কৃষকের ক্ষেত থেকে প্রতিদিন ভুট্টা চুরি করত। এজন্য বানরদের দেখলেই লাঠি নিয়ে তাড়া করত ক্ষেতের মালিক। ফল...
01/03/2025

❣️💕 একদল বানর এক কৃষকের ক্ষেত থেকে প্রতিদিন ভুট্টা চুরি করত। এজন্য বানরদের দেখলেই লাঠি নিয়ে তাড়া করত ক্ষেতের মালিক। ফলে বানররা মনের সাধ মিটিয়ে ভুট্টা খেতে পারত না।

একদিন হঠাৎ করেই ওই মালিক অর্থাৎ কৃষক মারা গেলেন। বানররা যখন শুনল যে কৃষক মারা গেছে, তখন তারা আনন্দে খুব নাচানাচি করল।

কিন্তু কৃষক না থাকায় পরের বছর একেবারেই ভুট্টা হলো না। ক্ষুধার্ত বানরের পাল অচিরেই বুঝতে পারল, যাকে তারা শত্রু বলে মনে করেছিল, বাস্তবে সেই কৃষকই তাদের খাদ্য উৎপাদন করছিল।

শিক্ষা: আপনি আজ মূল্য বুঝতে না পেরে যাকে অবহেলা করছেন, একদিন সে যখন আপনার জীবন থেকে হারিয়ে যাবে, তখন তার গুরুত্ব ঠিকই বুঝতে পারবেন। ❣️💕💞

"ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল"পোস্টটি দেখে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল বলেই শেয়ার করলাম।আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা ...
29/01/2025

"ইচ্ছেমাফিক নাপা খাওয়ার কুফল"
পোস্টটি দেখে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হল বলেই শেয়ার করলাম।আমাদের মাঝে যারা ব্যথা বা হালকা জ্বর হলে নাপা অথবা নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খায় তাদের জন্য। পোষ্টটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি শেয়ার করলাম সবাই শেষ পর্যন্ত পড়বে।
চেম্বারে রুগী এসেছে ,
আমিঃ জিজ্ঞাসা করলাম, কি সমস্যা??
রুগীঃ স্যার কিডনি ডেমেজ, সেরাম ক্রিয়েটিনিন ১৪
হিমোগ্লোবিন ৮.৪
আমিঃ কবে থেকে সমস্যা??
রুগীঃ স্যার ১ মাস হলো ধরা পরছে।
আমিঃ ধরেই ১৪ হয়ে গেলো কি করে? আগে টের পান নি??
রুগীঃ না স্যার,বুমী ভাব, পা গুলা ফুলা লাগায় ডাক্তার এর কাছে গেলে ডাক্তার সেরাম ক্রিয়েটিনিন লেভেল পরীক্ষা করে দেখে ১৪। এটা দেখে ডাক্তার সাহেব বলছে ডায়লাইসিস করার জন্য।
আমিঃ আচ্ছা আপনি কি কখনো নাপা, নাপা এক্সটা,পেরাসিট্যামল,ব্যাথার ঔষধ অনেক দিন খেয়েছেন??
রুগীঃ জি স্যার, নাপা খাইতাম একটু শরীর খারাপ লাগলেই।
আমিঃ আহ, কি ক্ষতিটাই না করলেন। কে বলছে আপনাকে কথায় কথায় নাপা, নাপা এক্ট্রা খাইতে??
রুগীঃ স্যার, এগুলাতো অনেকেই খায় তাই আমিও খাইতাম।
আমিঃ আমি আমার এইটুকু বয়সে যতো রুগী দেখেছি তার মধ্যে ৭০% কিডনী ডেমেজ এর রুগী, এবং এই সকল কিডনি রুগী গনের মধ্যে ৭০-৮০% হয় কিছু দিন ব্যাথার ঔষধ খেয়েছে, না হয় নাপা, নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল খেয়েছে না হয় এলার্জির ঔষধ দীর্ঘ দিন খেয়েছে।
রুগীঃ আগে জানলে কি আর খাইতাম ?? স্যার এই কথা বলার মানুষ পাই নাই, তাই জানতাম ও না।

"সময় থাকতে বুঝলে ভালো, না হয় যখন বুঝবেন অনেক দেরি হয়ে যাবে"
সংগৃহীত - Dr. Syed Golam Gous Ashrafi

Address

Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SAHA Medical Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share