Dhali Production

Dhali Production Dhali Production is a reputed high quality unique video making company.This is the official page of Dhali Production. 'LIKE' this page now.

28/10/2020

Teri Kamyabi Ka Tu Hi Hai Jimmadar :)

♦ মামার চা-এর দোকানে,স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি কেম্পাসে,পার্কে, বন্ধু-বান্ধুবিদের সাথে আড্ডা কিংবা ঘোরাঘুরি করাটাই আপনার কাছে ...
21/04/2018

♦ মামার চা-এর দোকানে,স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি কেম্পাসে,পার্কে, বন্ধু-বান্ধুবিদের সাথে আড্ডা কিংবা ঘোরাঘুরি করাটাই আপনার কাছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে হয়েছে।

♦ সবার জীবনে পরিচিত একটি প্রবাদ “Time and Tide Wait For None“ - “সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না”।কিন্তু নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি কাজে লাগাতে পারেননি।

♦ আপনি নিজের জীবনটাকে ভেবেছেন খুব ছোট্ট করে।ভাবেননি, ৫-১৫ বছর পরের জীবনের ব্যাপারে।

♦ আজ হয়তোবা বাবার টাকা দিয়ে কিংবা ভাইয়ের টাকা দিয়ে ভালোই চলছেন কিন্তু
সারাজীবন এই চলাটা সম্ভব হবে না, সেই চিন্তাটা আপনার মাথায় একবারের জন্যও আসেনি।

♦ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে ঘুমটাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, যা আপনার ভবিষ্যতের সুন্দর স্বপ্নকেও ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে।

♦ স্কুল,কলেজ,ভার্সিটিতে পরীক্ষা থাকলেও বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিনে গিয়ে মজার খাবার খাওয়াটাকে কিংবা মজার মূহুর্ত কাটানোকে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর সেজন্য বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিনের ক্ষেত্রে পরীক্ষা কিংবা ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট কোন ধরনের বাধা সৃষ্টি না করলেও নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কিছু শিখতে সময় ব্যয় করাটার ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো অনেক বড় বাধা ছিল।

♦ যুবক বয়সের এত অ্যানার্জির মধ্যেও পরিশ্রম করাটাকে আপনার কাছে অনেক কষ্ট সাধ্যের বিষয়।কিন্তু ১০ বছর পর যখন শরীর অনেক দুর্বল থাকবে, তখনও আপনি শুয়ে থাকতে পারবেননা। আজকের সময়টাকে অপচয় করার কারণেই তখনকার ফলাফলটা কি হতে পারে সে চিন্তা আপনার মাথায় নেই।

♦ বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিন কিংবা বিয়ে উপলক্ষে ৫০০০ টাকা খরচ করেও অনেক কম খরচ করেছেন ভেবে মনে কষ্ট পান। অথচ একটু খরচ করে কিছু শিখে নিজেকে দক্ষ করার ক্ষেত্রে এ টাকাটাই আপনার কাছে অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

♦ টিভি নায়ক-নায়িকাদের সুন্দর চেহারা দেখে তাদের নিয়ে বন্ধু-বান্ধুবিদের সাথে আড্ডাটে আফসোস করছেন, নিজেরও এরকম নায়ক/নায়িকার মত সুন্দর একটি গার্ল ফ্রেন্ডের/বয় ফ্রেন্ডের ব্যাপারে। কিন্তু গার্ল ফ্রেন্ড এরকম পাওয়া গেলেও, এতসুন্দর বর/বউ পেতে হলে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হয়।

(বিদ্র: সম্পূর্ন লিখাটুকো আমার নিজের সম্পর্কেই ছিলো :(

"নারীদের সম্মান করতে শিখুন"Short Story :(
12/07/2017

"নারীদের সম্মান করতে শিখুন"
Short Story :(

গভীর রাত,মুয়াজ্জিন মাইকে ঘোষনা দিলো,সেহরীর সময় হয়েছে,সবাই সেহরী খেতে উঠুন।বিছানা থেকে উঠতে যাবো,তখনই খেলাম বড় ধরনের একটা...
05/07/2017

গভীর রাত,মুয়াজ্জিন মাইকে ঘোষনা দিলো,সেহরীর সময় হয়েছে,সবাই সেহরী খেতে উঠুন।বিছানা থেকে উঠতে যাবো,
তখনই খেলাম বড় ধরনের একটা ধাক্কা।
আবছা আলোতে দেখলাম আমার মত দেখতে পাশে একজন শুয়ে আছে। এইটা আবার কে??

ভয়ে ভয়ে তাকে নাড়া দিলাম,দেখলাম অচেতন কোন কথা বলছেনা,শরীর ঠান্ডা। কিছুক্ষণ পরেই মনে হলো ভদ্রলোক মারা গেছেন।
চিন্তা করলাম এই লাশটা এখানে কেন???
আবার দেখতে পুরোপুরি আমার মত?? স্বপ্ন দেখছিনাতো?
না সত্যিইতো।
অনেকক্ষণ চিল্লাইয়া লোক জড়ো করার চেষ্টা করলাম,কিন্তু একি কেউ আসছেনা।
একটু পর দেখলাম রুমের লাইট জালালো,পাশের রুমের একজন। ওই লাশটার কাছে এসে আমার নাম
নিয়ে বললো ভাই সেহরি খাইবেন না??
সময় হইছে উঠেন। আমিতো পুরো অবাক,এইসব হচ্ছেটা কি??
তার কাছে গিয়ে বললাম ওই মিয়া তোমার মাথা খারাপ হইছে??
এই লাশ আমার রুমে আসলো কেমতে???
এইটা কার লাশ??
দেখি সে আমার কথায় কোন কর্ণপাত করলো না।
সেও লাশটা ধরে অবাক হলো,এবং চিল্লাইয়া উঠলো,মুহুর্তেই আশপাশের সবাই জড়ো,হলো।
লাশটা একটু দেখে সবাই ইন্নালিল্লাহ পড়তে লাগলো।
আরতো আশেপাশে কান্নার রোল পইরা গেছে।
মুয়াজ্জিন বেচারা সেহরীর জন্য ডাকতে ডাকতে এমনিতেই হয়রান হইয়া গেছে,এখন আবার নতুন এলান করতে হবে।
মুয়াজ্জিন যখন আমার বাবার নাম নিয়ে বললো অমুকের ছেলে অমুক ইন্তেকাল করছে,তখন মনে হইলো বিরাট ধরনের হাই বোল্ডেজের শক খাইছি।
সবাই আমাকে বাদ দিয়ে লাশটা নিয়েই ব্যস্ত হইয়া পরলো।
কাউকেই বুঝাতে পারলাম না,আমি বেঁচে আছি।
মনে হইলো সবাই বুঝি পাগল হইয়া গেছে।
একজনরে জিদ্দে একটা ধাক্কাও মারছিলাম,সে দেখলাম বিন্দু পরিমাণ প্রতিবাদ করেনি,ভাবখানা এমন সে উষ্টা খাইয়া পরছে।
তারপর লাশটা গোসল দেয়ার জন্য মসজিদে নিয়ে যাওয়া হলো। মুয়াজ্জিন সাব আরেকজনকে নিয়ে
আসলেন,গোসল দিতে। দুইজন বলাবলি করতে লাগলেন,আরে মৃত্যু কার কখন আসে বলা যায়না
এইরকম তাগরা মানুষ মারা যাইবো কে ভাবছে,কাল বিকালেইতো আমাদের সাথে হাসিখুশী ভাবে কত কথা বললো। আমি লাশটার পাশাপাশি ছিলাম দাঁড়িয়ে
ওদের কথা শুনছিলাম। গোসল দেয়ার পর দেখলাম মসজিদের কাছে একটা এম্বুলেন্সও আসলো। তারপর লাশটা এম্বুলেন্সে উঠানো।
হঠাৎ বাবাকে দেখলাম,কয়েকজন তাকে ধরে আনছেন,বুঝাই যাচ্ছে,ভদ্রলোক কি পরিমাণ কান্না করছেন। উনি ড্রাইভারের সাথে গিয়ে বসলেন। আমিও এক চান্সে উইঠা বসলাম লাশটার পাশেই বসলাম,চিন্তা করলাম দেখি কি হয়।
গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে সেখানেই দাফন করা হবে। এখনো আমার কাছে সবকিছু ক্লীয়ার না,কিছুই বুঝতাছিনা।
বাসার কাছাকাছি এম্বুলেন্সটা আসতেই দেখলাম বাসার আশেপাশে প্রচুর মানুষ।
কত পরিচিত মানুষ কান্নাকাটি করছে। গাড়ী থেকে নেমেই আম্মার রুমে গেলাম,দেখা করতে,দেখি আম্মা
ঘুমাচ্ছে,আর পাশে পরশী কয়েকজন মহিলা বসা।
তাদের কথা দ্বারা বুঝলাম আম্মা কাঁদতে কাঁদতে দুইবার বেহুশ হইয়া গেছেন,এখন উনাকে ইঞ্জেকশন দিয়ে
ঘুম পাড়িয়ে রাখা হইছে।
লাশ দেখার সুযোগ করে দেয়া হলো সবাইকে।
বড় আপু মেজো আপু ছোট আপুকে যখন লাশ দেখানো হলো,আহা লাশ ধরে সেকি কান্না,এক হৃদয়স্পর্ষী দৃশ্য।
কিন্তু কাউরেই বুঝাইতে পারলাম না,আমি মরিনি আমি বেঁচে আছি,এটা অন্য কারো লাশ।
কেউ আমার কথা শুনতে পারছেনা। অবাক ব্যাপার একদিন আগেও ঠান্ডা সর্দী লাইগা ছিলো,দুই তিন যাবৎ
ঠিকমত তারাবীও পড়াতে পারছিলাম না,কিন্তু আজ কিছুই নাই,আমি পুরোপুরি সুস্থ,আর শরীরটাও তুলার
মত হালকা মনে হলো।
কবরস্থানে গিয়ে দেখলাম চাচা এবং বড় আপুর কবরের পাশেই একটা কবর খনন করা হইছে।
তারপর আম্মাকে লাশ না দেখাইয়াই স্কুল মাঠে জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো,আসরের পর জানাজা।
স্কুল মাঠ লোকে লোকারণ্য,একটুও জায়গা ফাকা ছিলোনা। বাবা হালকা একটু কথা বলার পর ইমাম
সাব একটু বয়ান করে জানাজা পড়ালেন। লাশ গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
তারপর লাশ দাফন করে সবাই কবর পাড়াতে লাগলো।
তখন আমার মনে হলো আসলেই আমি আর এই জগতে নাই।
আহ জাইনা শুইনা কত গুনাহ করলাম। আহ যদি আরেকটা সুযোগ পাইতাম,তাহলে কত যে আমল করতাম,সব সময় মসজিদ মাদ্রাসাতেই পরে থাকতাম,কিন্তু তাতো হবার নয়। ইফতারের ১০-১৫মিনিট আগে দাফন শেষ হইলো।
সবাই যার যার মত চলে গেলো,কিন্তু বাবা বসে থাকলো,তাকেও জোর করে নিয়ে যাওয়া হলো।
একটু পর দেখি আমি ওই বডিটার মধ্যে যাচ্ছি।
আমি পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পেলাম।
এই দেখি চারদিকে অন্ধকার আর অন্ধকার।
অনেক ভয়ে আছি হয়তো একটু পরই মুনকিরনাকির আসবো,বিভিন্ন প্রশ্ন জিগাইবো,না পারলেই বাইরানি শুরু।
লাইট অফ করে অন্ধকার ঘরে পুরো হিস্টোরিটা চিন্তা করলাম,ভাবলাম এগুলা হচ্ছেই,একদিনতো হবেই।
হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসলাম,শরীরের প্রতিটা লোম খাড়াইয়া গেছে। প্রতিটা মানুষের এভাবেই প্রতিদিন মৃত্যুকে স্মরণ করা উচিৎ,তাহলে আশা করা যায়, গুনাহের দিকে মন যাবেনা। কবরের প্রস্তুতিও নিতে পারব।
(collected)

বাস্তব পৃথিবীর নায়ক "অনন্ত জলিল".........গার্মেন্টস বাচানোর জন্য শ্রমিকরাইউল্টা পাহাড়া দেয়! কি অদ্ভুত! সেইমালিকঅনন্ত জলি...
04/07/2017

বাস্তব পৃথিবীর নায়ক "অনন্ত জলিল".........
গার্মেন্টস বাচানোর জন্য শ্রমিকরাই
উল্টা পাহাড়া দেয়! কি অদ্ভুত! সেই
মালিক
অনন্ত জলিল--
এত শোষক মনঃবৃত্তির মালিকদের
ভীড়েও
একজন মালিক পাওয়া গিয়েছে যার
গার্মেন্টস
বাচানোর জন্য শ্রমিকরাই
উল্টা পাহাড়া দেয়।
অন্য গার্মেন্টেসের শ্রমিকরা যাতে এই
মালিকের
গার্মেন্টসে ভাংচুর
করতে না পারে সেজন্য
তারা গার্মেন্টসের
সামনে লাঠি হাতে হেলমেট
মাথায় দিয়ে পাহাড়া দেয়। কি অদ্ভুত!
এমন
মালিকও আছে বাংলাদেশে!এই
মালিক
কিনা আবার
বাংলা সিনেমার একজন নায়ক, তার
নাম অনন্ত
জলিল।
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের
ওয়ালে ওয়ালে ঘুরেও
যখন ক্যন্সার আক্রান্ত রোগী আহনাফের
জন্য
প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান হচ্ছিল
না তখন
এই নায়কই সাহায্যের হাত
বাড়িয়ে দেন। নিজের
খরচে এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম চালান
মানুষটা।
সীমাহীন মমতায় প্রবীন
অভিনেতা আনোয়ার
হোসেনের পাশে দাড়ান।
‘অনন্ত জলিল তার প্রতিষ্ঠানের
গর্ভবতী মহিলাদের
বিনা পরিশ্রমে দৈনিক
অতিরিক্ত তিন কর্মঘন্টার অর্থ দেন।
এছাড়াও
মাসে ২ হাজার টাকা বিশেষ ভাতা।
৪ মাসের
মাতৃত্বকালীন ছুটির ২ মাসের বেতন
দেয়া হয়
অগ্রীম। আর ঢাকায়
থাকলে হাসপাতালের খরচ
বহন করে কোম্পানী। ‘ অনন্ত জলীলের এসব
কর্মকান্ড মনে করিয়ে দেয়, “মানুষ
মানুষেরই
জন্য।”
পচানোর জন্য তার ছবি তো অনেক বার
শেয়ার
করি, আজ কি পারি না তার
ভালো কাজ
গুলো সবাই কে জানিয়ে দিতে?

04/07/2017

শেষ হয়ে যাওয়া টুথপেষ্টের গলা টিপে টিপে যারা টুথপেষ্ট বের করতে পারে, তারা জীবন সংগ্রামে বাধার পাহাড় দেখে উল্টা পথে দৌড় দিতে জানে না। যে বাবা পেনশনের টাকা 'অপু দশ বিশ' দিয়ে, চল্লিশটা খরচের খাত থেকে একটা খাত বাছাই করে খরচ করে, সে বাবার সন্তানেরা নেশার গলিতে হারিয়ে যায় না। যে মা মাসের পর মাস ক্ষিধা নাই বলে, নিজের পেট খালি রেখে সন্তানদের খাওয়ায়, সেই মায়ের ফ্যামিলিতে ভাঙ্গন ধরে না। যে ছেলেটা টিউশনির বেতন পেয়ে, অসুস্থ বাবার জন্য ঔষধ কিনে বাড়ি ফিরে, সে ছেলে রাতভর ভিডিও গেমস খেলে সময় নষ্ট করে না। যে মেয়েটা টাকা বাচাতে লুকিয়ে লুকিয়ে দুই গ্লাস পানি খেয়ে, দুপুরের লাঞ্চ সেরে ফেলে, সেই মেয়েটা বাবা মায়ের অসহায়ত্বের দিকে আঙ্গুল তুলে কথা বলে না। যেই ফ্যামিলিতে অর্থের যত অভাব, সেই ফ্যামিলির বন্ধন তত অটুট।
একটা মিডেল ক্লাস ফ্যামিলির ভিত্তিই হলো- স্ট্রাগল আর সেক্রিফাইস। যেখানে বাবা হচ্ছে স্ট্রাগলের কিং আর মা হচ্ছে সেক্রিফাইসের কুইন। মায়ের বিয়ের দিন থেকেই শুরু হয় সেক্রিফাইসের শোভাযাত্রা। নিজের চাওয়া পাওয়াকে আলমারিতে লুকিয়ে রেখেই শুরু করে দেয় ফ্যামিলি গড়ায় অবিরাম সেক্রিফাইসে। পরিবারে সন্তান আসলেই সেই সেক্রিফাইসের হার দশগুণ বেড়ে যায়। সেক্রিফাইসের আটভাগ চলে যায় সন্তানের পিছনে, এক ভাগ স্বামীর পিছনে আর একবার ফ্যামিলির পিছনে। বোকা মহিলা নিজের আশা-আকাঙ্ক্ষার জন্য একভাগ সময়ও রাখে না। একজন মা- শিক্ষক হয়ে সন্তানকে পড়ায়, বাবুর্চি হয়ে রান্না করে, পার্সোনাল এসিস্টান্ট হয়ে সবকিছু ঠিকঠাক করে, বডিগার্ড হয়ে নিরাপত্তার বেষ্টনীতে আগলে রাখে, ভালবাসা দিয়ে দুঃখ-কষ্ট দূর করে।
অন্যদিকে বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাবার স্ট্রাগলের পরিমাণ বাড়তে থাকে। রিটায়ার করা একজন বাবার পক্ষে সংসারের খরচ মিটানো, ছেলেমেয়েকে মানুষ করানো যে কত বড় সংগ্রাম সেটা বাবারাই শুধু বলতে পারে। মা হচ্ছেন বাবার এই স্ট্রাগলের নির্ভরযোগ্য সাথী। মিডেল ক্লাসের মেয়েরা অর্ধেক জীবন সেক্রিফাইস করে বাপের ফ্যামিলিতে, বাকী অর্ধেক সেক্রিফাইস করে স্বামীর ফ্যামিলিতে। আর মিডেল ক্লাসের ছেলেরা ক্লাসমেট প্রেমিকার হাত ছেড়ে দিয়ে, এক বুক কষ্ট চেপে ধরে, নিজেকে স্টাবলিস্ট করার নেভার এন্ডিং যুদ্ধে নেমে পড়ে।
Collected From ( Jhankar Mahbub ভাই )

" আমাদের মত মধ্যবিত্তশ্রেণীর মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা "❏ এদের ফ্রি তে কিছু দিলে ভাববে এইটা একটা ফাঁদ।❏ ছোট কোন ইনভেস্টমে...
04/07/2017

" আমাদের মত মধ্যবিত্তশ্রেণীর মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা "
❏ এদের ফ্রি তে কিছু দিলে ভাববে এইটা একটা ফাঁদ।
❏ ছোট কোন ইনভেস্টমেন্ট করতে বললে বলবে- এ থেকে বেশী আয় হবেনা।
❏ বড় কোন ইনভেস্টমেন্ট করতে বললে বলবে টাকা নাই।
❏ নতুন কিছু করতে বললে বলবে অভিজ্ঞতা নাই।
❏ যদি বলেন ট্র্যাডিশনাল বিজনেস করতে- তারা বলবে এইটা কঠিন।
❏ যদি কোন নতুন বিজনেস মডেলের কথা বলেন- তারা বলবে ডেসটিনি (এমএলএম)।
❏ তাদের একটা দোকান চালাইতে বলেন- তারা বলবে স্বাধীনতা নাই।
❏ নতুন একটা বিজনেস শুরু করতে বলেন- তারা বলবে দক্ষতা নাই।
❏ তারা গুগলে সার্চ করতে পছন্দ করে আর এমন কিছু বন্ধুর পরামর্শ নেয় যারা তাদের মতোই হোপলেস।
❏ তারা ইউনিভার্সিটি প্রফেসরের চাইতেও বেশী চিন্তা করে, কাজ করে একজন অন্ধ লোকের চেয়েও কম।
❏ তাদের জিজ্ঞেস করুন ঠিক কোন কাজটা তারা করতে পারবে, দেখবেন কোন উত্তর দিতে পারবে না।

বিদ্রঃ আমিও এই মধ্যবিত্তশ্রেণীর দলে আর পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।

এরা সেই লোক যাদের কাছে আপনারা দামী মোবাইল চান।* আর এরা এক কালার ডিসপ্লে মোবাইল দিয়ে কাটিয়ে দেয় বছরের পর বছর।এরা সেই লোক ...
04/07/2017

এরা সেই লোক যাদের কাছে আপনারা দামী মোবাইল চান।
* আর এরা এক কালার ডিসপ্লে মোবাইল দিয়ে কাটিয়ে দেয় বছরের পর বছর।

এরা সেই লোক যারা সকাল ৫ টায় কাজের জন্য বের হয়।
* আর আপনারা ঠিকই নাক ঢাকিয়ে সকাল
দশটা পর্যন্ত ঘুমান।

এরা সেই লোক যারা সকালের নাস্তা ভুলে গিয়ে পলিথিনের ব্যাগে করে খাবার নিয়ে যায়।
* আর আপনারা সাহেবের মতন নাস্তা করে ঠিকই খাবার টেবিলে বসে ভাত খান।

এরা সেই লোক যারা ৫০+ ডিগ্রি রোদের মধ্যে কাজ করে বাহিরে,বিশ্রামের জন্য যাদের ঠাই হয় খেজুর গাছের নিচে বালুর মধ্যে।
* আর আপনারা ঠিকই এসি ফ্যান চালিয়ে আরামে বিশ্রাম করেন।

এরা সেই লোক যারা বিকেলে রুমে আসতে ৩শ গজ লম্বা লাইন ধরে গাড়িতে উঠার জন্য।
* আর আপনারা গাড়ি বাড়া করে বাড়িতে আসেন।

এরা সেই লোক যারা সন্ধ্যায় কাজ শেষে রুমে গিয়ে হাত মুখ না ধুয়েও প্রথমে রান্নার কাজে ব্যাস্ত থাকে ৫০ ডিগ্রি গরমের মধ্য রান্নায় ঘরের মধ্যে আগুনের তাপে আরও ১০ ডিগ্রি বেড়ে যাওয়া গরমে মধ্যে ঘামে গোসল করে।
* আর আপনারা ঠিকই রাতে টেবিলে গোছনো খাবার খেতে পছন্দ করেন।

এরা সেই লোক যারা মৃতব্যয়ী হয়ে কষ্ট করে বাড়িতে টাকা পাটায়।
* আর আপনারা বাবুগিরি করে টাকা উড়ান।

এরা সেই লোক যারা সময় বেধে বাড়িতে কল দেয়,টাকা যাতে ব্যয় না হয়।
* আর আপনারা ঠিকই দিন রাত বেহুলা সুরে যে কারও সাথে মোবাইলে কথা বলে যান।

এরা সেই লোক, যারা একবার অসুস্থ হলে ডাক্তারের ভিজিট যাবে বাংলার ২ হাজার টাকা সাথে আরও কত টাকার ঔষধের চিন্তা করে আল্লাহর উপর ভরসা করে বসে থাকে।
* আর আপনার পেটে ব্যাথা হলে ঠিকই ভালো ডাক্তারের কাছে যান।

এরা সেই লোক যারা অতি কষ্টে দিন কাটালেও বাড়িতে কাউকে বুঝতে দেয়না,যে এরা কষ্টে আছে,মুখে মুচকি হাসি আর অন্তরে ব্যাথা নিয়ে থাকে সব সময়।
*আর আপনারা একবার ও কি বুঝার চেষ্টা করেন ? এদের মধ্যে হয়ত,কারও বাবা,চাচা,মামা,ভাই,বন্ধু থাকতে পারে,বুঝতে চেষ্টা করেন ? এরা কত সুখে আছে।তবু এরা আপনাদের সুখি রাখতে চায়।।

উৎসর্গঃ চোখের জল মুছে হাঁসতে থাকা প্রতিটা প্রবাসীর ভাইদেরকে।

04/07/2017

♦ মামার চা-এর দোকানে,স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি কেম্পাসে,পার্কে, বন্ধু-বান্ধুবিদের সাথে আড্ডা কিংবা ঘোরাঘুরি করাটাই আপনার কাছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে হয়েছে।

♦ সবার জীবনে পরিচিত একটি প্রবাদ “Time and Tide Wait For None“ - “সময় এবং স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না”।কিন্তু নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এই প্রবাদটি কাজে লাগাতে পারেননি।

♦ আপনি নিজের জীবনটাকে ভেবেছেন খুব ছোট্ট করে।ভাবেননি, ৫-১৫ বছর পরের জীবনের ব্যাপারে।

♦ আজ হয়তোবা বাবার টাকা দিয়ে কিংবা ভাইয়ের টাকা দিয়ে ভালোই চলছেন কিন্তু
সারাজীবন এই চলাটা সম্ভব হবে না, সেই চিন্তাটা আপনার মাথায় একবারের জন্যও আসেনি।

♦ সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে ঘুমটাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, যা আপনার ভবিষ্যতের সুন্দর স্বপ্নকেও ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে।

♦ স্কুল,কলেজ,ভার্সিটিতে পরীক্ষা থাকলেও বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিনে গিয়ে মজার খাবার খাওয়াটাকে কিংবা মজার মূহুর্ত কাটানোকে জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আর সেজন্য বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিনের ক্ষেত্রে পরীক্ষা কিংবা ক্লাস অ্যাসাইনমেন্ট কোন ধরনের বাধা সৃষ্টি না করলেও নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কিছু শিখতে সময় ব্যয় করাটার ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো অনেক বড় বাধা ছিল।

♦ যুবক বয়সের এত অ্যানার্জির মধ্যেও পরিশ্রম করাটাকে আপনার কাছে অনেক কষ্ট সাধ্যের বিষয়।কিন্তু ১০ বছর পর যখন শরীর অনেক দুর্বল থাকবে, তখনও আপনি শুয়ে থাকতে পারবেননা। আজকের সময়টাকে অপচয় করার কারণেই তখনকার ফলাফলটা কি হতে পারে সে চিন্তা আপনার মাথায় নেই।

♦ বন্ধু-বান্ধুবিদের জন্মদিন কিংবা বিয়ে উপলক্ষে ৫০০০ টাকা খরচ করেও অনেক কম খরচ করেছেন ভেবে মনে কষ্ট পান। অথচ একটু খরচ করে কিছু শিখে নিজেকে দক্ষ করার ক্ষেত্রে এ টাকাটাই আপনার কাছে অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

♦ টিভি নায়ক-নায়িকাদের সুন্দর চেহারা দেখে তাদের নিয়ে বন্ধু-বান্ধুবিদের সাথে আড্ডাটে আফসোস করছেন, নিজেরও এরকম নায়ক/নায়িকার মত সুন্দর একটি গার্ল ফ্রেন্ডের/বয় ফ্রেন্ডের ব্যাপারে। কিন্তু গার্ল ফ্রেন্ড এরকম পাওয়া গেলেও, এতসুন্দর বর/বউ পেতে হলে নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হয়।

(বিদ্র: সম্পূর্ন লিখাটুকো আমার নিজের সম্পর্কেই ছিলো :( )

Address

Dhaka
1344

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhali Production posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhali Production:

Share

Category