Youtube Marketing Agency BD

Youtube Marketing Agency BD Join the Largest Youtube Network Agency in Bangladesh with Outstanding Results.

We are carrying an experience of managing 300+ Bangladeshi Top most famous YouTube Channel.

ইউটিউব হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। বর্তমানে ইউটিউব শব্দটার সাথে পরিচিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।...
19/07/2020

ইউটিউব হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং সাইট। বর্তমানে ইউটিউব শব্দটার সাথে পরিচিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পড়াশোনা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রায় সকল প্রকার কাজে ইউটিউব এর ব্যবহার অতুলনীয়।

ধরো, কাল তোমার এক্সাম। পড়তে ভালো লাগছে না? ইউটিউব অন করে দেখে ফেলতে পারো সেই বিষয় সম্পর্কিত টিউটোরিয়ালগুলো।

অথবা স্কুলের কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। টিচাররা বলে দিয়েছেন, শাড়ি পরা বাধ্যতামূলক। কিন্তু শাড়ি কিভাবে পরতে হয়? চিন্তা নেই! আছে ইউটিউব।

রোজকার এরকম আরো অসংখ্য ছোটবড় প্রয়োজনে আলাদীনের দৈত্যের মতোন আমাদের পাশে থেকে সাহায্য করে যাচ্ছে ইউটিউব।
সফল ইউটিউবার দেখতে চাইলে আজকাল আর বহিঃবিশ্বে তাকাতে হয়না। আমাদের দেশেই আছেন কয়েকজন বাঘা বাঘা ইউটিউবার যারা তোমার আমার মতোই বাংলা ভাষায় কথা বলেন, গান করেন কিংবা বাংলায় মেতে উঠেন উল্লাসে।

সফল ইউটিউবারের উদাহরণ টানতে গেলে প্রথমেই আসেন আয়মান সাদিক। তিনি একজন বাংলাদেশি ব্যক্তিত্ব, বক্তা, এবং অনলাইন শিক্ষক। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে তাঁর হাত ধরে উঠে আসে “১০ মিনিট স্কুল” নামক একটি অনলাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা অনলাইনে শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য এবং সহযোগীতা বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।

তারপর আছেন সালমান মুক্তাদির। SalmoN The BrownFish নামক একটি চ্যানেলের মাধ্যমে হাস্যরসাত্মক ভিডিও আপ্লোড করে যিনি মানুষকে প্রতিনিয়ত বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়াও সোলায়মান সুখন, রাবা খান, শামীম হাসান সরকার, আসিফ বিন আজাদ, রিদি শেখসহ অনেক নামকরা ইউটিউবার তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইউটিউব জগৎ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।

আচ্ছা কখনও কি মাথায় আসেনি ইউটিউবে যারা ভিডিও আপ্লোড করে তাদের লাভটা কোথায়? হ্যাঁ! লাভ অবশ্যই আছে। ইংরেজিতে একটি বিখ্যাত প্রবাদ আছে “If you’re good at something, never do it for free”. সুতরাং তোমরা বুঝতেই পারছো যে কেউ ফ্রিতে ইউটিউবে ভিডিও আপ্লোড করেন না। অবশ্যই এর পেছনে মুনাফার ব্যাপারস্যাপার রয়েছে। ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী, শুধুমাত্র ইউটিউবে খেলনার রিভিউ দেখিয়ে ২২ মিলিয়ন ইউএস ডলারের মালিক হয়েছে রায়ান নামের এক শিশু, যার বয়স মাত্র ৭ বছর! দ্বিতীয় স্থানে আছেন জেক পল নামের এক তরুণ যার আয় ২১.৫ মিলিয়ন।

তোমাদের কারো কি এমন মনে হয়েছে যে আমিও হতে চাই একজন ইউটিউবার? অথবা ইউটিউব থেকে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়?

নিশ্চয়ই এসেছে!

কিন্তু ইউটিউব থেকে আয় করার উপায়টা হয়তো জানা নেই। শুনতে জটিল মনে হলেও বিষয়টা কিন্তু ততোটা জটিল নয়। আজ আমরা শিখবো কিভাবে খুব সহজে ইউটিউব থেকে আয় করা যায়।

১. জানতে হবে ইউটিউব :

প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান কিছু নিজস্ব রুলস এন্ড রেগুলেশন মেনে চলে। ইউটিউব ও এর ব্যতিক্রম নয়। ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করতে হলে অবশ্যই ইউটিউবের নিয়ম-নীতি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেকোনো ধরনের বিতর্কিত ভিডিও যেমন ধর্মীয়, রাজনৈতিক কিংবা ব্যক্তিস্বার্থে আঘাত হানবে এমন,অথবা আপত্তিকর ও অশ্লীল বিষয়বস্তু, গ্রন্থস্বত্ব ভঙ্গ করে ইত্যাদি ধরনের ভিডিও ইউটিউব গ্রহণ করবে না। তাই ইউটিউবে চ্যানেল খোলার আগে ইউটিউব সম্পর্কে জানা এবং তাদের পলিসি মেনে চলা একান্ত কাম্য।

২. ইউটিউব চ্যানেল খোলা :

প্রশ্ন থাকতে পারে” কী করে ইউটিউবে অ্যাকাউন্ট খুলবো?

খুব সহজ! প্রথমে একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করো। নিজের সঠিক নাম, বয়স এবং ফোন নম্বর দিয়ে। এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগইন করো। সেখানে ‘Create Channel’ পাবে। তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরি করো। এবার একটি ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করো । এবং তোমার নিজের ক্যামেরায় তৈরি যে কোনো ফুটেজ আপলোড করো। ব্যস, ৫০ শতাংশ কাজ তৈরি হয়ে গেলো নিমেষেই।

৩. ক্ষেত্র নির্ধারণ :

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এটি নির্ভর করছে কোনো ব্যক্তির দক্ষতা,শখ অথবা আগ্রহের উপর। একজন মানুষ কী ধরনের ভিডিও বানাতে পছন্দ করেন বা ভবিষ্যতে এই ধরনের ভিডিও বানানোর ক্ষেত্রে তার নতুন নতুন আইডিয়ার অভাব হবে কিনা , এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে বিষয় নির্ধারণ করা উচিত।

তুমি হয়তো ভালো নাচ জানো অথচ এটি তোমার পরিবারের সদস্যগণ বাদে কেউ জানে না? দেরি না করে এক্ষুণি জানিয়ে দাও বিশ্বকে!

আবার দেখা গেলো কেউ একজন রোজ সন্ধ্যায় তার ছোট ভাই বোন অথবা পাড়ার বাচ্চাকাচ্চাদের পড়ায় এবং তারা খুব মজা করে তার কাছে পড়তে আসে। সেখানে তাদের নানা ধরনের আলাপ আলোচনা, খুনসুটি আর মজা হয়। এই সুন্দর সুন্দর মুহূর্তগুলো সে তুলে ধরতে পারে ইউটিউব এর মাধ্যমে।

বই পড়তে অথবা সিনেমা দেখতে ভালোবাসো? চমৎকার! এগুলো নিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারো মজার মজার রিভিউ।

খুব ভালো মেকআপ করতে জানো ? পাড়ায় কোনো অনুষ্ঠান হলেই সবাই দলবেঁধে সাজতে আসে তোমার কাছে? ব্যস হয়ে গেল! ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারো টিউটোরিয়াল ভিডিও। কিংবা দিতে পারো মেকআপ প্রোডাক্ট এর রিভিউ।

তোমার একটা পোষা কুকুর বা বিড়াল আছে এবং তুমি তাকে খুব ভালোবাসো? দেখিয়ে দাও মানুষকে, কিভাবে প্রাণীদের ভালোবাসতে হয়।

৪. মনিটাইজেশন :

ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জন করতে হলে অবশ্যই তোমার চ্যানেলটিকে মনিটাইজেশন করতে হবে।

মনিটাইজেশন শব্দটি এসেছে মনিটাইজ থেকে যার অর্থ কোনো সম্পদ বা ব্যবসায় থেকে আয় করা। ইউটিউব মনিটাইজেশন বলতে বোঝাচ্ছে আমরা যে পরিশ্রম ও মেধা খাটিয়ে ভিডিও আপ্লোড করে অর্থ উপার্জন করছি, সেটাকে। অর্থাৎ ইউটিউবে ভিডিওতে অ্যাড বসানো, এবং এর দ্বারা আয় করাকে বলা হচ্ছে ইউটিউব মনিটাইজেশন।

পূর্বে ইউটিউব মনিটাইজেশন খুবই সহজ ছিলো। চ্যানেল খোলার পরই এটি করা যেতো। কিন্তু কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনা এড়াতে গিয়ে ২০১৮ সাথে ইউটিউব কিছু নতুন নীতিমালা দেয়।

৫: আয়ের প্রধান প্রধান পদ্ধতি :

এবার চট করে জেনে নিই কী কী উপায়ে আমরা ইউটিউব থেকে আয় করতে পারবো।

*গুগল ইউটিউব অ্যাডসেন্স:

অ্যাডসেন্স চালু করতে প্রথমেই তোমাকে আবেদন করতে হবে অ্যাডসেন্সের জন্য। এক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। তবে অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্যে ২০১৮ সালের নিয়ম অনুযায়ী চ্যানেলকে কিছু যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। যেমন: ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার ও ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ ভিউ এবং সেটা হতে হবে শেষ ১ বছরের ভিতরে। অথাৎ তোমার ইউটিউব চ্যানেলে ন্যূনতম ১ হাজার সাবস্ত্রাইবার থাকতে হবে এবং চ্যানেলের ওয়াচ ভিউ কমপক্ষে ৪ হাজার ঘণ্টা হতে হবে। তুমি যে জি-মেইল দিয়ে
অ্যাডসেন্স এ এপ্লাই করবে সেই জি-মেইলে অবশ্যই তোমার বয়স ১৮ হতে হবে এবং তোমার চ্যানেলের চ্যানেল আইকন থাকতে হবে।

* এফিলিয়েট মার্কেটিং:

বর্তমানে অনলাইনে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে।

যেমন: Daraz, Pickaboo সহ আরো এমন অনেক সাইট আছে সেখানে গিয়ে তুমি রেজিস্টেশন করতে পারো। তারপর তারা একটি লিংক পাঠাবে সেই লিংকটি তুমি তোমার ইউটিউব ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে দিয়ে ‍দিবে। এরপর তোমার চ্যানেলের এই লিংকে গিয়ে যারা পণ্য কিনবে সেই পণ্যের মূল্য থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ তুমি কমিশন হিসেবে পাবে।

* বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ:

বর্তমানে এমন অনেক কোম্পানি আছে যারা এই সুবিধাটি দিয়ে থাকে। ধরো তুমি তোমার কোনো একটি ভিডিওতে তাদের পণ্য সম্পর্কে কয়েক সেকেন্ডের একটা ব্রিফ দিলে। এক্ষেত্রে তাদের পণ্যের প্রচারণা হয়ে যাবে, আর তারা তোমাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে। তবে এই ধরনের অফার শুধুমাত্র মানসম্মত এবং অধিক ভিউ সম্পন্ন ভিডিও মালিকগণ পেয়ে থাকেন।

* স্পন্সরড ভিডিও :

ইউটিউব অ্যাড অথবা অ্যাফিলিয়েট লিংক হতে যে পরিমাণ আয় করা সম্ভব তার থেকেও বেশি আয় করা সম্ভব শুধু স্পন্সরড ভিডিও পাবলিশ করে।এক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট বা সেবার বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য তোমার চ্যানেলে প্রোডাক্ট বা সেবাটির স্পন্সরড ভিডিও করার জন্য যোগাযোগ করবে এবং তোমাকে ঐ প্রোডাক্ট বা সেবার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবে পাবলিশ করতে হবে। এক্ষেত্রে তোমার ফ্যান ফলোয়ার যারা আছেন তারা ওই প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হবে। এর বিনিময়ে কোম্পানি প্রতি মাসে তোমাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।

তবে সাধারণত অধিক জনপ্রিয় চ্যানেলগুলোই এই ধরনের সুবিধা বেশি পায়।

আয় বৃদ্ধির কৌশল :

এতোক্ষণ আমরা ইউটিউবের মাধ্যমে আয় করার উপায়গুলো জানলাম। এবার জেনে নিই কিছু কৌশল যা ব্যবহার করে আমরা পেতে পারি অধিক আয়।

নিয়মিত নিত্য নতুন ভালো মানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে চ্যানেলের ভিউয়ার বাড়তে থাকবে।
নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দিতে হবে। তাহলে ইউটিউব সহজেই সেই ভিডিওটি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবে।
ভিডিও পাবলিশ করার পর সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি সাইটগুলোতে ভিডিওটি শেয়ার করা যেতে পারে।
তুমি যে বিষয়ে ভিডিও তৈরি করেছো এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলোতে তোমার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারো । এতে করে সেখান থেকেও তোমার ভিডিওতে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবে।
আরেকটি উপায় হচ্ছে SEO টেকনিক ব্যবহার করা। SEO মানে হচ্ছে Search Engine Optimization. সহজ ভাষায় বলতে গেলে, Google সহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি ওয়েবসাইট প্রোমোট করার টেকনিক হচ্ছে SEO। কোনো লেখা বা ভিডিও সার্চ দেওয়ার পর সেগুলো প্রথম দশটি রেজাল্টের মধ্যে আসাটাকে ধরা হয় সফল SEO। আর এজন্য ছোটখাটো কিছু উপায় ফলো করলেই চলে। যেমন কিছু সুনির্দিষ্ট শব্দ বারবার ব্যবহার করা, কিছু হ্যাশট্যাগ ব্যবহার অথবা এমন কিছু কমন শব্দ ব্যবহার করা যা সকল শ্রেণীর মানুষ সার্চ করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে।
সবশেষে আমি তোমাদের অনেক জরুরি একটি কথা বলতে চাই। চ্যানেল বানানোর পরপরই কিন্তু হাতে টাকা চলে আসে না। খুব ধৈর্য ধরে এবং আপনভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আর ভুলেও ইউটিউব পলিসিকে আঘাত করে এরকম কোনো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।

তো বন্ধুরা! যাদের ইউটিউবে অর্থ উপার্জন নিয়ে আগ্রহের সীমা নেই তারা দেরি না করে এখনই শুরু করে দাও। আর মাথায় রাখতে হবে যে, যেকোনো প্রকার বাধা বিপত্তিতে হাল ছাড়া যাবে না।

সফল ইউটিউবার হতে চাইলে...এ সময়ে ভিডিও মানেই যেন ইউটিউব। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন, যিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অ...
19/07/2020

সফল ইউটিউবার হতে চাইলে...

এ সময়ে ভিডিও মানেই যেন ইউটিউব। এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন, যিনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ ইউটিউব ব্যবহার করেন না। শিক্ষা, বিনোদন, খেলা, সংবাদ, প্রযুক্তি, সাজসজ্জা, রান্না ও ভ্রমণ থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ভিডিও রয়েছে ইউটিউবে। ইউটিউব যেমনি শিক্ষা-বিনোদনের এক অনন্য মাধ্যমে পরিণত হয়েছে, তেমনি ইউটিউব বর্তমান সময়ে অর্থ উপার্জনেরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করে আপনি যেমন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তেমনই আয় করতে পারেন।

সফল ইউটিউবার হতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ও সততার পরিচয় দিতে হবে। আপনার ভিডিওর বিষয়বস্তু হতে হবে স্বতন্ত্র । চ্যানেল তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার হাজার ভিউ ও সাবস্ক্রাইবার হয়ে যাবে অথবা হাজার হাজার টাকা আয় হবে—এটা ভাবা ঠিক নয়। সফলতার জন্য সময় ও শ্রম দিতে হবে।

চ্যানেলের বিষয়

প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনি কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন। যেমন শিক্ষা, বিনোদন, প্রযুক্তি, রান্না, ফ্যাশন, ভ্রমণ, মজার ভিডিওসহ নানা বিষয় নিয়ে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। তবে যেকোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চ্যানেল তৈরি করলে দর্শকের কাছে তা বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এখন ভিডিও ব্লগ বা ব্লগিংও বেশ জনপ্রিয়।

চ্যানেলের নাম

আপনার ভিডিওর বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চ্যানেলের একটি স্বতন্ত্র নাম দিতে পারেন। চ্যানেল ট্যাগ ব্যবহার করুন; যা আপনার চ্যানেলটি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।

আয়

ইউটিউবের আয় মূলত পরোক্ষ আয় (প্যাসিভ ইনকাম)। ইউটিউবের ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যে আয় হয় তার একটি অংশ ভিডিও নির্মাতা বা ক্রিয়েটরকে দেওয়া হয়। এখানে এমন কোনো সমীকরণ নেই যে এক হাজার ভিউ হলে এত ডলার আয় হবে। ইউটিউবে চ্যানেল খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও মনিটাইজেশন করতে পারবেন না। ইউটিউব থেকে আয় করতে আপনাকে ইউটিউবের পার্টনার প্রোগ্রামে অংশ নিতে হবে। আপনার চ্যানেলটিতে ১২ মাসে কমপক্ষে এক হাজার সাবস্ক্রাইবার ও চার হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম থাকলে, তা মনিটাইজেশনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার বেশি থাকলে এবং ভিডিও ভিউ অনেক বেশি হলে ইউটিউবের আয়ের বাইরে আপনি স্পন্সরও জোগাড়ের চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ বা পর্যালোচনা করেও আয় করা যায়।

কীভাবে ভিউ বাড়াবেন

আপনার ভিডিওতে যথাযথ ও আকর্ষণীয় শিরোনাম ও থাম্বনেইল যুক্ত করুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে ভিডিওর দর্শকের সংখ্যা (ভিউ) বাড়াতে পারেন। ইউটিউবে ভিডিও প্রকাশের (আপলোড) সময় এন্ড স্ক্রিনে অন্য ভিডিও বা প্লে লিস্ট যুক্ত করুন। সঠিক ভিডিও ডেসক্রিপশন যোগ করুন। বিভাগ অনুসারে ভিডিওগুলো প্লে লিস্টে সাজান। প্রাসঙ্গিক ভিডিও ট্যাগ ব্যবহার করুন। ট্যাগ রিসার্চে TubeBuddy আথবা VidIQ–এর মতো টুলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। তা ছাড়া আপনি পেইড বুস্টও (বিজ্ঞাপন) করতে পারেন।

সতর্কতা

আপনাকে অবশ্যই কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইন মানতে হবে। এ নির্দেশনাগুলো না মানলে আপনার মনিটাইজেশন (আয়) বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমনকি আপনার চ্যানেলটি বন্ধও হতে পারে। কপিরাইট ও কমিউনিটি গাইডলাইনের তিনটি স্ট্রাইক থাকে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একেকটি স্ট্রাইকের জন্য ভিডিও মুছে যাওয়া, লাইভ স্ট্রিমিং বন্ধ হওয়া, ভিডিও আপলোড করতে না পারার মতো ঘটনা ঘটে। আর তৃতীয় স্ট্রাইকে চ্যানেল বন্ধ করা হয়। তবে আপনি যদি মনে করেন, আপনার কপিরাইট স্ট্রাইকটি ভুল করে দেওয়া হয়েছে—তাহলে কাউন্টার নোটিফিকেশন দিতে পারেন।

কীভাবে ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করবেন ও সাজাবেন

১. youtube.com–এ যান। ওপরে ডান পাশে Sign In–এ ক্লিক করে gmail দিয়ে Sign In করুন।

২. ওপরে ডান পাশের গোল চ্যানেল আইকনে ক্লিক করে My Channel–এ ক্লিক করুন। Use YouTube as... বক্স আসবে। দুই শব্দের চ্যানেল নাম হলে তা দুটি ঘরে লিখে ফেলুন। আর দুই শব্দের চ্যানেল নাম না হলে নিচের Use a business or other name–এ ক্লিক করে পছন্দমতো চ্যানেল নাম লিখে Create Channel–এ ক্লিক করে চ্যানেল তৈরি করুন।

৩. সবার ওপরে ডান পাশে Create a video or post–এ (ক্যামেরার ওপর যোগ চিহ্ন দেওয়া আইকন) ক্লিক করলে Upload video এবং Go live অপশন পাবেন। এখান থেকে ভিডিও আপলোড করুন। শিডিউল পোস্টও করতে পারেন। ভিডিও টাইটেল, ভিডিও ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, থাম্বনেইল ও প্লে লিস্ট যুক্ত করে Publish–এ ক্লিক করে ভিডিও পাবলিশ করুন।

৪. My Channel থেকে Customize Channel–এ ক্লিক করে Channel Icon এবং Channel Art যোগ করুন। Channel Trailer যোগ করুন। হোম পেজ সাজান। প্লে লিস্ট তৈরি করুন।

৫. About–এ ক্লিক করে চ্যানেল ডেসক্রিপশন, ই–মেইল, লোকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের লিংক যোগ করুন।

📢📢 হট ইউটিউব বুস্টিং সার্ভিস📣📣★★আমরা একেবারে নতুন শুরু করেছি। বিশ্বাস করে ঠকবেন না। আমরা কাউকে ঠকানোর জন্যে শুরু করিনি। ...
24/06/2020

📢📢 হট ইউটিউব বুস্টিং সার্ভিস📣📣

★★আমরা একেবারে নতুন শুরু করেছি। বিশ্বাস করে ঠকবেন না। আমরা কাউকে ঠকানোর জন্যে শুরু করিনি। সার্ভিস নিয়ে দেখুন। ইনশাআল্লাহ বিশ্বাস এর মর্যাদা রাখবো★★

নতুনদের জন্য সতর্কবার্তা:

✅ আমরা সফটওয়্যার দিয়ে কোনো সাবস্ক্রাইবার বা ভিউজ দেই না, লিগ্যাল ভাবে ভিডিও বুস্ট করি এতে ভিউজের সাথে ফ্রিতে অথেনটিক সাবস্ক্রাইবার পাবেন।

✅ সফটওয়্যার দিয়ে কোনো সাবস্ক্রাইবার বা ভিউজ নিলে ইউটিউব রিভিউতে আপনি মনিটাইজেসন পাবেন না।

📣📣ইউটিউবারদের জন্য সুখবর

আপনারা সল্প ব্যয়ে শুরু করতে পারেন ইউটিব ক্যারিয়ার📣📣

💎💎Best Service💎💎

✅১০০০ ভিউজ মাত্র ৪০০ টাকা, সাথে পাবেন আনুমানিক ৫০% ওয়াচ টাইম।

✅ ১০০০ ভিউজ মাত্র ৪৫০ টাকা, এই প্যাকেজে পাবেন বাংলাদেশের আপনার ইচ্ছা মত যেকোনো চ্যানেল থেকে ভিউয়ারস।

ভিডিও ভাল মানের হলে এবং রিলেটেড চ্যানেল থেকে এই সার্ভিসটিতে আরো বেশি ওয়াচ টাইম পেতে পারেন।

✅ ১ হাজার ভিউজ ৫০০ টাকা। এই প্যাকেজে পাবেন ইন্টারন্যাশনাল ভিউজ সাথে পাবেন আপনার ইচ্ছা মত যেকোনো চ্যানেল থেকে ভিউয়ারস।

ভিডিও ভাল মানের হলে এবং রিলেটেড চ্যানেল থেকে এই সার্ভিসটিতে আরো বেশি ওয়াচ টাইম পেতে পারেন।

💎💎ওয়াচ টাইম সেবা 💎💎

✅ আপনার ভিডিও ভালো মানের হলে আর রিলেটেড বা কম্পেটিটর চ্যানেল থেকে ভিউজ নিলে ভালো ওয়াচ টাইম পাবেন।

✅লং ডিউরেসন ভিডিও থেকে ওয়াচ টাইম বেশি পাবেন।

💎💎 সাবস্ক্রাইব সেবা 💎💎

✅ আমরা সফটওয়্যার দিয়ে কোনো সাবস্ক্রাইবার বা ভিউজ দেই না, লিগ্যাল ভাবে ভিডিও বুস্ট করে অথেনটিক সাবস্ক্রাইবার পাবেন।

✅ সফটওয়্যার দিয়ে কোনো সাবস্ক্রাইবার বা ভিউজ নিলে ইউটিউব রিভিউতে আপনি মনিটাইজেসন পাবেন না।

📣এছাড়াও ইউটিউবের বিভিন্ন সেবা গুলো নিতে যোগাযোগ করুন📣

Mk Sarwar
📲 01813611205

📱সার্ভিস পেমেন্টের টাকা বিকাশ ও রকেট এর মাধ্যমে নেওয়া হয়।📱

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিং এর শিকার হয়েছেন প্রচুর ছোট বড়, নামি বেনামি চ্যানেল। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন পর্যন...
27/02/2020

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিং এর শিকার হয়েছেন প্রচুর ছোট বড়, নামি বেনামি চ্যানেল। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন পর্যন্ত প্রায় ডজন খানেক ইউটিউব চ্যানেল সফল ভাবে ব্যাক / রিকভার করতে পেরেছি। সাকসেস রেট ১০০%। আমি একটি ইউটিউব নেটওয়ার্ক বা MCN এ কর্মরত আছি, ইউটিউবের সাথে ডিরেক্ট যোগাযোগের মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেল রিকভারি করে থাকি। আপনি বা আপনার পরিচিত কারো যদি YouTube Channel Hack হয়ে থাকে তাহলে নিচের দেয়া নাম্বারে ফোন করুন অথবা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। এখনই কল করুন: +8801813611205

In recent times, a huge number of YouTuber has been the victim of hacking YouTube channels. Alhamdulillah, I have been able to successfully back / recover about a dozen YouTube channels so far. The success rate is 100%. I work on a YouTube network or MCN, recovering a YouTube channel through direct contact with YouTube. If you or someone you know is a victim of YouTube Channel Hack, please call the number below or contact Inbox.

Call Now: +8801813611205

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিং এর শিকার হয়েছেন প্রচুর ছোট বড়, নামি বেনামি চ্যানেল। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন পর্যন...
26/02/2020

সাম্প্রতিক সময়ে ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিং এর শিকার হয়েছেন প্রচুর ছোট বড়, নামি বেনামি চ্যানেল। আলহামদুলিল্লাহ, আমি এখন পর্যন্ত প্রায় ডজন খানেক ইউটিউব চ্যানেল সফল ভাবে ব্যাক / রিকভার করতে পেরেছি। সাকসেস রেট ১০০%। আমি একটি ইউটিউব নেটওয়ার্ক বা MCN এ কর্মরত আছি, ইউটিউবের সাথে ডিরেক্ট যোগাযোগের মাধ্যমে ইউটিউব চ্যানেল রিকভারি করে থাকি। আপনি বা আপনার পরিচিত কারো যদি YouTube Channel Hack হয়ে থাকে তাহলে নিচের দেয়া নাম্বারে ফোন করুন অথবা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
এখনই কল করুন: +8801813611205

In recent times, a huge number of YouTuber has been the victim of hacking YouTube channels. Alhamdulillah, I have been able to successfully back / recover about a dozen YouTube channels so far. The success rate is 100%. I work on a YouTube network or MCN, recovering a YouTube channel through direct contact with YouTube. If you or someone you know is a victim of YouTube Channel Hack, please call the number below or contact Inbox.

Call Now: +8801813611205

ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিংয়ের কিছু অভিনব কৌশল দেখে বিষয় টা সবার সাথে সেয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি। আগে কোনো মেইল বা চ্যানেল হ...
18/10/2019

ইউটিউব চ্যানেল হ্যাকিংয়ের কিছু অভিনব কৌশল দেখে বিষয় টা সবার সাথে সেয়ার করার প্রয়োজন মনে করছি। আগে কোনো মেইল বা চ্যানেল হ্যাকিংয়ের শিকার হলে আমরা মেইলে লগইন করতে পারতাম না, হ্যাকার রা পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ফেলতো। আমরা ঠিক তখনই বুঝতে পারতাম সামথিং ইজ গোয়িং রং।

কিন্তু আমি খুব রিসেন্টলি এমন ৩টা কেইস দেখলাম যারা নিজেরাই বুঝতে পারছে না যে আসলে কি হইসে তাদের সাথে। আর যখন বুঝতে পারছে তখন হয়তোবা তাদের খুব বেশি কিছু করার থাকছে না।

৩টা ঘটনাই প্রায় সেইম। আমি ডিটেইলস বললে হয়তো অনেকেই হ্যাকিংয়ের সম্ভাবনা থেকে সেইফ থাকতে পারবেন।

হ্যাকার রা প্রথমত যেটা করছে তা হলো রেভিনিউ জেনারেটিং চ্যানেল গুলো টার্গেট করে, তারপর সেই চ্যানেল গুলোর দুর্বল পোয়েন্ট গুলো আইডেন্টিফাই করে। হেলদি সিকিউরিটি সেটিংস আর পাসওয়ার্ড প্যাটার্ন নিয়ে সবার শেষে কিছু গুড প্র‍্যাক্টিস উল্লেখ করে দিব। মেইল হ্যাকড হওয়ার পর হ্যাকার রা আপনাকে কোনো ভাবে বুঝতে দিবে না যে এটা অলরেডি হ্যাকড। তারা প্রথমেই মেইল সেটিংস এ গিয়ে ইউটিউবের মেইল গুলো প্রাইমারি ইনবক্সে ব্লক করে স্প্যাম ফোল্ডারে সেট করে। তাহলে ইউটিউব থেকে যে মেইল গুলো আসবে তা আপনি ইনবক্সে দেখতে পাবেন না। এই সুযোগে হ্যাকার রা আপনার চ্যানেল তাদের কাছে সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রথমে ১টা ব্র‍্যান্ড একাউন্ট ক্রিয়েট করবে তারপর আপনার চ্যানেল ব্র‍্যান্ড একাউন্টে ট্রান্সফার করে নিবে। এবং তারপর আপনাকে ওই ব্র‍্যান্ড একাউন্টের ওনার থেকে রিমুভ করে দিবে। আর সবশেষে আপনার সাথে যে খেলাটি খেলবে এতে আপনি নিজেই কনফিউজড হয়ে যাবেন। আপনার জিমেইল দিয়ে ১টা চ্যানেল ক্রিয়েট করে ওই চ্যানেলে কিছু এডাল্ট ভিডিও আপলোড করে দিবে, এর ফলে আপনি সাথে সাথেই একটি কমিউনিটি গাইডলাইন স্ট্রাইক খাবেন, তারপর সেভিয়ার ভায়োলেসন এর জন্য আপনার চ্যানেল এবং জিমেইল পরযন্ত সাসপেন্ড হয়ে যাবে। আপনি তখন কি হইসে কিছুই আচ করতে পারবেন না। কারন আপনি তোহ চ্যানেল সাসপেন্ড হওয়ার মতো কিছুই করেননি। অনেকে মেনেই নিতে পারেন যে ইউটিউব হয়তো কোনো কারণে সাসপেন্ড করে দিছে। আপিল করবেন, আপিল রিজেক্টেড হবে। যখনই দেখবেন আপনার চ্যানেল অলরেডি ইউটিউবে এক্সিট করছে, ঠিক তখনই প্রথম ধাক্কা টা লাগবে। তারপর ধীরে ধীরে সব হিসেব কসতে থাকবেন। তাই আমি আপনাদের পরের হিসেব টা এখনই কসে দিলাম। সবাই অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেন, যেন এত সহজে প্রিয় চ্যানেলটা হাতছাড়া না হয়ে যায়।

হেলদি সিকিউরিটি সেটিংস মেইনটেইন করতে এই প্র‍্যাকটিস গুলো করতে পারেন ঃ

১) মেইলের সিকিউরিটি সেটিংসে সব গুলো ফ্যাক্টর অন রাখার চেষ্টা করুন।
২) থার্ড পারটি কোনো এপস বা সফটওয়্যার কে এক্সেস দেওয়া থাকলে রিমুভ করে দিন।
৩) কারো সাথে পাসওয়ার্ড সেয়ার করবেন না।
৪) আনইউজুয়াল কোনো এক্টিভিটি দেখলে সাথে সাথে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ফেলতে হবে।
৫) লগআউট ফ্রম অল ডিভাইস দিন।
৬) লগইন ডিটেইলসে কোনো অপরিচিত ডিভাইস দেখলে রিমুভ করে দিন।
৭) ইউনিক এবং স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
৮) নিয়মিত চ্যানেল সিকিউরিটি চেক করুন।
9) যাচাই না করে যেকোনো লিংকে ক্লিক না করা।
১০) ডেট অফ বার্থ গোপন রাখা।
১১) সিকিউরিটি পিন সেট করে রাখা।
১২) সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন সেট করা।
১৩) সেকেন্ডারি মেইল সেট করা।
১৪) ট্রাস্টেড সাইট না হলে মেইল লগইন না করা।

Assalamu Alaikum, hope everyone is doing good. Today, I am going to share some knowledge about audio content ID and reve...
17/10/2019

Assalamu Alaikum, hope everyone is doing good. Today, I am going to share some knowledge about audio content ID and revenue share of cover song. As many of you may know, How Audio Content ID works. For those of you who don't know, audio content ID tools are more stringent. Audio content ID tools are provided only to those who have exclusive copyright. This audio content has some complicated calculations on revenue share based on rights.
For example, in an audio song there is a part for lyrics, a part for music and compositions, and a part for an artist or label. So the revenue is shared among them. That's why audio content IDs are so sensitive. An audio claim can go to anyone who reads a copyrighted lyric. Again copying or remixing music can also get claim, and due to melody, humming can also be claimed. For this, parody songs, cover songs, mashups, remixes all get claim. However, if you follow the fair use policy carefully, you can also get claim due to this automated content id system, can release this claim if the content owner wants. And one more thing, the audio content ID tools are so powerful that you can capture even 5 seconds of audio usage. So if you want to work with fair use, make a few thoughtful decisions.

Cover song:
Many people have a lot of curiosity about the cover song, many of the above have been wondered what the policy might be for the cover song. This is not to be disappointed, YouTube has launched a beautiful policy here. That is the cover revenue share. The name is unknown to many. I myself got acquainted with this a while back. If you are interested in doing cover songs, you can cover songs with a whole new composition or without composition.
In it, you will get an option for revenue share. You will see the monetization icon in gray color if you are eligible, and you can see the text Eligible for Revenue Share in the video. Then you can turn on the revenue share by clicking on it.

I hope I can share some new information with you. If you have any queries on this topic, please comment. Thanks.

আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন। অডিও কন্টেন্ট আইডি ও কাভার সং নিয়ে আজ একটু নলেজ সেয়ার করবো। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন অডিও কন্টেন্ট আইডি কিভাবে কাজ করে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি, অডিও কন্টেন্ট আইডি টুলস অপেক্ষাকৃত বেশি স্ট্রিক্ট। অডিও কন্টেন্ট আইডি টুলস দেওয়া হয় শুধু তাদেরকেই যাদের এক্সক্লুসিভ কপিরাইট আছে। এই অডিও কন্টেন্ট গুলো তে রাইটস নিয়ে কিছু জটিল ক্যালকুলেসন আছে। যেমন একটি অডিও গানে লিরিকের জন্য একটা অংশ থাকে, শুর ও কম্পজিসনের জন্য একটা অংশ থাকে আবার আরটিস্ট বা পারফর্মারের একটা অংশ রাইটস থাকতে পারে। তাই এদের মধ্যে রেভিনিউ শেয়ার হয়ে থাকে। ঠিক এই কারনেই অডিও কন্টেন্ট আইডি অনেক বেশি সেন্সিটিভ। কপিরাইটেড কোনো লিরিক যদি কেও পড়ে সেটাতেও অডিও ক্লেইম যেতে পারে। আবার কম্পজিসন কেও কপি বা রিমিক্স করলে তাতেও ক্লেইম যেতে পারে, আর মেলোডির কারনে কেও গুন গুন করলেও ক্লেইম যেতে পারে। এই জন্য প্যারোডি গান, কাভার গান, ম্যাসআপ, রিমিক্স সবাই ক্লেইম খায়। তবে আপনি ফেয়ার ইউজ করে থাকলে ক্লেইম খাওয়ার পর ডিস্পিউট করলে কন্টেন্ট ওনার যদি চায় তাহলে ক্লেইম রিলিজ করে দিতে পারেন। আর একটি বিষয়, অডিও কন্টেন্ট আইডি টুলস এতটাই পাওয়ারফুল যে আপনি ৫ সেকেন্ডের অডিও ইউজ করলেও ধরে ফেলবে। তাই ফেয়ার ইউজ নিয়ে কাজ করতে চাইলে একটু ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

কাভার গানঃ
কাভার গান নিয়ে অনেকের অনেক রকম কৌতুহল কাজ করে, উপরের লেখা পড়ে অনেকেই আচ করে ফেলেছেন কাভার গানের জন্য পলিসি কি হতে পারে। এতো টাও হতাশ হওয়ার কিছু নেই, এখানে ইউটিউব সুন্দর একটা পলিসি স্টারট করেছেন। সেটা হলো কাভার রেভিনিউ শেয়ার। নাম টা অনেকের কাছে অজানা। আমি নিজেও কিছুদিন আগে এটার সাথে পরিচিত হয়েছি। আপনি যদি কাভার গান করতে আগ্রহী থাকেন তাহলে, সম্পুর্ন নতুন কম্পজিসন বা কম্পজিসন ছাড়া গান কাভার করতে পারেন। এতে আপনি রেভিনিউ শেয়ারের একটি অপসন পাবেন। আপনি ইলিজিবল হলে মনিটাইজেসন আইকন টা গ্রে কালার দেখতে পাবেন এবং ভিডিওতে ইলিজিবল ফর রেভিনিউ শেয়ার লেখা দেখতে পারবেন। এরপরে অই লেখাতে ক্লিক করে রেভিনিউ শেয়ার অন করতে পারবেন।

আশা করি নতুন কিছু তথ্য আপনাদের সাথে সেয়ার করতে পেরেছি। আপনাদের কোনো স্পেসিফিক বিষয়ে জানার আগ্রহ থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ।

 #মনিটাইজেশন_ছাড়াও_ইউটিউবে_আয়ের_কয়েকটি_উপায়আপনি হয়ত ইউটিউবে মনিটাইজেশনর জন্য অনেক চেস্টা করেছেন কিন্তু পাচ্ছেন না, আবার ...
28/08/2019

#মনিটাইজেশন_ছাড়াও_ইউটিউবে_আয়ের_কয়েকটি_উপায়

আপনি হয়ত ইউটিউবে মনিটাইজেশনর জন্য অনেক চেস্টা করেছেন কিন্তু পাচ্ছেন না, আবার হয়ত আপনার চ্যানেলে প্রচুর ভিউ আছে কিন্তু মনিটাইজেশন নেই। তাই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে এডসেন্স ছাড়াও ইউটিউব থেকে আয় করা যায়। বাহিরের দেশগুলোতে এডসেন্সকে তাদের প্রধান ইনকাম সোর্স হিসেবে রাখে না কিন্তু আমাদের দেশে ইউটিউবে যারা কাজ করে তারা তাদের একমাত্র আয়ের সম্বল মনে করে এডসেন্সকে। ইউটিউবকে ব্যাবহার করে এডসেন্স থেকেও ১০ গুণ বেশী অর্থ আয় করা যায়, চলুন তাহলে জেনে নিই এডসেন্স ছাড়াও ইউটিউব থেকে আয় করার কয়েকটি পদ্ধতি সম্পর্কে

: যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে তাদের আয় সম্পর্কে আপনাদের যদি ধারনা থেকে থাকে তবে আপনি নিশ্চই জানেন তারা কত আয় করে, আর যদি না জেনে থাকেন তবে আপনাদের জানিয়ে রাখি একজন মিড লেভেল এফিলিয়েট মার্কেটার প্রতি মাসে সিক্স ডিজিট ফিগার আয় করে থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ট্রাফিকের অন্যতম সোর্স হচ্ছে ইউটিউব? এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের বিষয়টা যদি বুঝে না থাকেন তবে সংক্ষেপে বুঝিয়ে বলছিঃ

ধরুন আপনি একটি কোম্পানীর কোন পণ্য অনলাইনে আপনার কোন ওয়েবসাইটে বা ব্লগে প্রমোট করলেন এবং কোন একজন ভিজিটর সেই পণ্যটি কিনলো বিনিময়ে কোম্পানিটি আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন প্রদান করলো এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।
প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কিভাবে ইউটিউবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন? বিষয়টা খুব কঠিন না, একটি ভালো এফিলিয়েট কোম্পানী সিলেক্ট করুন তারপর সেখানে একটি একাউন্ট খুলুন, এরপর তাদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট থেকে নিশ সিলেক্ট করুন যে কি ধরনের প্রোডাক্ট আপনি প্রমোট করতে চান, এবার আপনার এফিলিয়েট প্রোডাক্ট অনুযায়ী ভিডিও বানাতে শুরু করুন, ভিডিও বানাতে পারেন প্রোডাক্টের রিভিউ, প্রোডাক্টের তথ্য ইত্যাদি নিয়ে। এবার ভিডিগুলি আপনার চ্যানেলে আপলোড করতে শুরু করুন এবং ডেসক্রিপশনে আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক দিয়ে দিন। এইভাবে আপনি ইউটিউবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

আবার ধরুন আপনার চ্যানেলে প্রচুর ভিউয়ার আছে কিন্তু আপনার মনিটাইজেশন নেই তো আপনি কিভাবে আপনার এই চ্যানেলটাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজে লাগাতে পারেন চলুন সেটা জেনে নেই। ধরুন আপনার চ্যানেলটি ফিশ বা মাছ রিলেটেড এবং আপনার ভিডিওতে প্রচুর ভিউ আছে, আপনি অ্যামাজন এফিলিয়েট থেকে মাছ ধরার হুইল, ফিশিং টুল, ফিশিং নেট, ফিশিং রড, ফিশিং গিয়ারের এফিলিয়েট লিঙ্ক ভিডিওর ডেসক্রিপশনে দিয়ে দিতে পারেন। যদি কোন ভিউয়ার আপনার এফিলিয়েট লিঙ্কে ক্লিক করে অ্যামাজন থেকে কোন প্রোডাক্ট কিনে তবে আপনি সেলের একটি কমিশন আপনার অ্যামাজন এফিলিয়েট একাউন্টে পেয়ে যাবেন। এই ভাবে আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলকে কাজে লাগিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

কয়েকটি ভালো এফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট হচ্ছেঃ অ্যামাজন এফিলিয়েট, ইবে পার্টনারস, ক্লিক ব্যাংক, কমিশন জাংশন ইত্যাদি।

: আমার একটা নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করি, ইউডেমীতে আমার কিছু কোর্স আছে, শুরুর দিকে কোর্সের সেল খুব কম ছিল, আমার ইউটিউবে একটা টেক চ্যানেল আছে টিউটোরিয়াল রিলেটেড যে ভিডিওগুলি আছে তার ডেসক্রিপশনে আমি আমার ইউডেমীর কয়েকটা কোর্সের লিঙ্ক দিলাম, খেয়াল করলাম ধীরে ধীরে ইউডেমীতে কোর্সের সেল বাড়ছে।

আপনার যদি কোন ডিজিটাল প্রোডাক্ট থাকে তাহলে আপনিও আমার মত আপনার চ্যানেলকে ব্যাবহার করে আপনার ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন।

আমার এক বন্ধু আছে সে একজন ওয়েব ডিজাইনার সে তার ইউটিউব চ্যানেলে ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তর দিয়ে কিছু ভিডিও আপলোড দিয়েছিল এবং ভিডিওর শেষে তার কন্টাক্ট ইমেইল দিয়ে দিয়েছিল। সপ্তাহ শেষে তার কাছে ওয়েব ডিজাইনের ২টি কাজ এসেছিল।

আপনি যদি কোন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বা ওয়েব ডিজাইনার বা এস ই ও এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তবে আপনিও আমার সেই বন্ধুর মত ভিডিও আপলোড করে আপনার কন্টাক্ট ইমেইল দিয়ে দিতে পারেন এর ফলে আপনাকে কাজের জন্য বায়ার খুঁজতে হবে না, বায়ার আপনাকে খুঁজে নেবে।

: আমার এক আপু আছে এবং তার একটি ইউটিউব চ্যানেল আছে বাংলা ভাষায়, তার চ্যানেলটি মূলত মেকাপ-বিউটি রিলেটেড তার চ্যানেলে বেশ ভালোই সাবস্ক্রাইবার আছে এবং তার বেশিরভাগ সাবস্ক্রাইবারই বাংলাদেশের। গত ঈদের সময় আপু বেশ কিছু থ্রিপিস আনালো এবং তার চ্যানেলে একটি থ্রিপিস রিলেটেড ভিডিও পাবলিশ করলো এবং ভিডিওর শেষে একটি বিজ্ঞাপন দিলো যদি কেউ থ্রিপিস কিনতে চায় তবে যেন তার সাথে যোগাযোগ করে। গত ঈদে আপু ৮০টি থ্রিপিস সেল করেছিল। আপনিও চাইলে এমন উপায়ে আপনার কোন প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন আপনার ইউটিউব চ্যানেলকে ব্যাবহার করে।

এছাড়াও আপনি স্পন্সরশীপ, ক্রাঊডফান্ডিং, এন্ড স্ক্রিন ভিউ থেকেও ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারেন।

 #ইউটিউব_চ্যানেলের_জন্য_কয়েকটি_কার্যকরী_টুলসআমরা যারা ইউটিউবে কাজ করি তাদের অনেকেই জানি না যে ইউটিউব চ্যানেলকে গ্রো করার...
28/08/2019

#ইউটিউব_চ্যানেলের_জন্য_কয়েকটি_কার্যকরী_টুলস

আমরা যারা ইউটিউবে কাজ করি তাদের অনেকেই জানি না যে ইউটিউব চ্যানেলকে গ্রো করার জন্য অনেক কার্যকরী টুলস আছে, এইসব টুলস ব্যাবহার করে আপনি আপনার ভিডিও এস ই ও, ভিডিও র‍্যাংক, ভিডিও মার্কেটিং করতে পারবেন। এর ফলে আপনি আপনার ভিডিওতে আগের চেয়ে অনেক বেশী ভিউ পেতে পারেন। তাহলে চলুন দেখে নেই সেই সব টুলের ব্যবহার:

#চ্যানেল_ম্যানেজমেন্ট

VidIQ: এটি একটি ব্রাউজার এক্সটেনশন। এই এক্সটেনশনটি ব্যবহার করা হয় ভিডিও এস ই ও, কিওয়ার্ড রিসার্চ, ট্যাগ ম্যানেজমেন্ট, এস ই ও স্কোর, এনলাইটিকের কাজে। ভিডিও অপটিমাইজেশন করার জন্য খুব হেল্পফুল একটি টুল কারন এই এক্সটেনশন ব্যবহার করে আপনি যে কিওয়ার্ড নিয়ে ভিডিও আপলোড করছেন তার পজিশন আপনাকে জানাবে, পাশাপাশি বিভিন্ন কিওয়ার্ড আপনাকে সাজেস্ট করবে। VidIQ এর আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে আপনার ভিডিও স্কোর দেখাবে, আপনি যদি আপনার ভিডিওগুলি ১০০ স্কোর করে আপলোড করতে পারেন তাহলে আপনার ভিডিওর এস ই ও করার কাজ অনেকটাই হয়ে যায়। VidIQ এর ফ্রি এবং পেইড ভার্সন আছে, পেইড ভার্সনে সব ফিচার গুলি পাওয়া যায়।

TubeBuddy নামেও আরেকটি চ্যানেল ম্যানেজমেন্ট টুল আছে তবে ব্যক্তিগত ভাবে আমার কাছে VidIQ এর পেইড ভার্সনটি ভালো লেগেছে।

#এনালাইটিক

Social Blade: এটি একটি কম্পেটিটর এনালাইসিস টুলস। এই টুল ব্যবহার করে আপনি যে কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করেন সেই কিওয়ার্ডের অন্য কম্পেটিটরদের কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই টুলসের আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন চ্যানেলের আয় সম্পর্কে জানতে পারবেন ও আপনার কম্পেটিটররা কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যাবহার করছে সেটা জানতে পারবেন।

এনালাইটিকের জন্য গুগল এনালাইটিক খুব ভালো একটি টুলস আর ইউটিউবে যে এনালাইটিক আছে তা থেকে আপনি আপনার চ্যানেলের ডাটা, রিপোর্ট, ট্রাফিক সোর্স সহ অন্যান ডেমোগ্রাফিক রিপোর্টও পাবেন।

ং_কিওয়ার্ড

আমি এস ই ও কিওয়ার্ডের এর জন্য বেশ কয়েকটি সাইট ব্যাবহার করি

Keyword Planner: এটি গুগলের একটি সার্ভিস, আমি এই সার্ভিসটি মূলত ব্যাবহার করি কারন এই সাইট থেকে একটি কিওয়ার্ডের প্রতি মাসের সার্চ এভারেজ, কিওয়ার্ডের কম্পিটিশন, কিওয়ার্ডের আইডিয়া, কিওয়ার্ডের সম্ভাব্য সিপিসি রেট সহ আরো অনেক কিছু জানা যায়।

Google Trends: এটিও গুগলের একটি সার্ভিস এবং ইউটিউবের জন্য খুব কাজের একটি সাইট, আপনি এই সাইটের মাধ্যমে বর্তমান সময়ের বিভিন্ন ট্রেন্ডিং কিওয়ার্ড সম্পর্কে জানতে পারবেন, পাশাপাশি কোন দেশের প্রতিদিনের সবচেয়ে বেশী সার্চ কিওয়ার্ড এবং তার ভলিউম সম্পর্কে জানতে পারবেন। যারা নিউজ নিয়ে কাজ করেন তারা যদি এই সাইট এনালাইসিস করে কাজ করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত আপনার চ্যানেল গ্রো করাতে পারবেন।

এছাড়াও আমি Google Search Console, Keywords Everywhere, Keywordtool.io এই সাইটগুলো ব্যাবহার করি কারন এই সাইটগুলো থেকে অনেক কিওয়ার্ড সাজেশন, ও বিভিন্ন কিওয়ার্ডের ডাটা, ট্যাগ সাজেশন পাওয়া যায়।

#সোশ্যাল_মিডিয়া_ম্যানেজমেন্ট

HOOTSUITE: হুটসুট সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং-এ খুব জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট। এর সাহায্যে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার ভিডিওর মার্কেটিং করতে পারবেন।এটি আপনার অডিয়েন্সকে আপনার নির্বাচিত সোশ্যাল মিডিয়ায় এনগেজ হতে সাহায্য করবে। আপনি এর মাধ্যমে একাধিক সোশ্যাল নেটওয়ার্কের সবগুলোতেই একযোগে পোস্টিং করতে পারবেন। আপনি এখানে একবার স্ট্যাটাস আপডেট করলেই সেটি ব্যবহারকারীর টুইটার অ্যাকাউন্টে চলে যাবে একই সঙ্গে লিংকড্ইন ও ফেসবুকের স্ট্যাটাস আপডেট হিসেবেও কাজ করবে। তিনটি সাইটে আলাদা আলাদাভাবে পোস্টিং করার দরকার হবে না। আপনি আপনার পোস্টকে এই সাইটের সাহায্যে শিডিউল করে রাখেতে পারবেন। ধরুন আপনি চাচ্ছেন আগামী ১২ ঘন্টা পর আপনার ফলোয়ারদেরকে একটি স্ট্যটাস দিতে Hootsuite এর মাধ্যমে আপনি আপনার স্ট্যাটাসকে শিডিউল করে রাখবেন এবং আপনার নির্ধারিত সময়ে পাবলিশ হবে এবং সবগুলো মিডিয়ায় তা যথাসময়ে চলে যাবে।

#থাম্বনেল_ও_চ্যানেল_আর্ট

Canva: এটি একটি ওয়েব ভিত্তিক গ্রাফিক ডিজাইনের সাইট। আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য চ্যানেল আর্টের ছবি, ভিডিওর জন্য থাম্বনেল আপনি এই সাইট থেকে বানাতে পারেন। এখানে কাজ করার জন্য আপনাকে প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে না, এখানে প্রচুর ছবি, ডিজাইন এবং লেখার বিভিন্ন ফ্রন্ট আছে ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য আগে থেকে তাদের সাইজ অনুযায়ী কিছু টেমপ্লেট রাখা আছে আপনি চাইলে এর টুলগুলো ব্যবহার করে প্রোফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মত ছবি তৈরি করতে পারবেন।

থাম্বনেল ইউটিউবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিষ সুতরাং কখনো অন্যের থাম্বনেল কপি করতে যাবেন না বা গুগল থেকে ছবি ডাউনলোড করে থাম্বনেল হিসেবে ব্যাবহার করবেন না, এতে কপিরাইট স্ট্রাইক পেতে পারেন তাই সবসময় চেস্টা করবেন নিজে থাম্বনেল বানানোর, যদি ক্যামেরা কন্টেন্ট হয় তাহলে চেস্টা করবেন আপনার কন্টেন্ট থেকে কোন একটা অংশকে থাম্বনেল হিসেবে ব্যাবহার করতে।

ইউটিউব নিয়ে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে কমেন্টে জানাবেন, যথাসাধ্য চেষ্টা করবো উত্তর দেয়ার জন্য। পরবর্তীতে কোন বিষয়ের উপর পোস্ট চান সেটাও কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ

Address

Baridhara J Block, Road:2E
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Youtube Marketing Agency BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Youtube Marketing Agency BD:

Share