OVI MIM HOST BD

OVI MIM HOST BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from OVI MIM HOST BD, Web designer, Magbazar, Dhaka.

31/07/2026
24/06/2026

এর সাথে Sheikh Salim – আমাকে এইমাত্র তার একজন অন্যতম সেরা ফ্যান হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে!

🟥 ক্ষমতার লাইসেন্সধারীরা।এই দেশে ক্ষমতা আর দায়িত্ব এক জিনিস না।ক্ষমতা এখানে লাইসেন্স—যে লাইসেন্স পায়, সে যা খুশি করতে পা...
27/12/2025

🟥 ক্ষমতার লাইসেন্সধারীরা।
এই দেশে ক্ষমতা আর দায়িত্ব এক জিনিস না।
ক্ষমতা এখানে লাইসেন্স—
যে লাইসেন্স পায়, সে যা খুশি করতে পারে।
এই লাইসেন্সে
টাকা তোলা যায়,
আইন বাঁকানো যায়,
মানুষ পিষে ফেলা যায়।
কাগজে লেখা থাকে—নিয়ম,
বাস্তবে চলে—দরকষাকষি।
কে কত নেবে,
কোথা থেকে নেবে,
কোন ফাইলে ভাগ বসবে—
সব ঠিক করা থাকে আগেই।
এই দেশে প্রকল্প আসে মানুষের জন্য না,
প্রকল্প আসে কমিশনের জন্য।
মানুষ থাকে তালিকার নিচে,
টাকা থাকে টেবিলের ওপরে।
যে মুখে উন্নয়নের ভাষণ,
সেই হাতেই হিসাবের গরম টাকা।
যে গলায় নৈতিকতার বুলি,
সেই গলায় আটকে আছে অসংখ্য জীবনের আর্তনাদ।
এখানে অপরাধ ঢেকে রাখা হয় পদে-পদে,
সুরক্ষা দেওয়া হয় পদমর্যাদায়,
আর লুটপাট চলে জাতীয় স্বার্থের নামে।
এই ব্যবস্থায় কেউ ভুল করে না—
সবাই ঠিকঠাক কাজই করে।
কারণ এই রাষ্ট্রে ভুল হলো
মানুষের পক্ষে থাকা।
✊ দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই—
কারণ লাইসেন্সধারী লুটেরাদের দেশে
মানুষ নিরাপদ থাকে না।

⊕দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই ⊕পর্ব: ঊনত্রিশ।কলমে ✑ তানভীর সেলিম।__________ জবাবদিহি ছাড়া রাষ্ট্র, হিসাব ছাড়া ক্ষমতা।পরিস...
26/12/2025

⊕দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই ⊕
পর্ব: ঊনত্রিশ।
কলমে ✑ তানভীর সেলিম।
__________ জবাবদিহি ছাড়া রাষ্ট্র, হিসাব ছাড়া ক্ষমতা।
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে আজ একটি বিষয় ভয়ংকরভাবে স্পষ্ট—
এই দেশ এখন দুর্নীতিতে ডুবে নেই,
এই দেশকে দুর্নীতির ওপর দাঁড় করানো হয়েছে।
কারণ যেখানে অনিয়ম ধরা পড়ে,
সেখানে শাস্তি হয় না।
যেখানে দুর্নীতি প্রমাণিত হয়,
সেখানে তদন্ত ঝুলে থাকে।
আর যেখানে টাকা লুট হয়,
সেখানে দায়ভার পড়ে—জনগণের ঘাড়ে।
আজ বাংলাদেশে সবচেয়ে নিরাপদ মানুষ কারা জানেন?
যারা টাকা লুট করেছে।
যারা কমিশন নিয়েছে।
যারা প্রকল্পের নামে ভবিষ্যৎ বিক্রি করেছে।
আর সবচেয়ে অনিরাপদ?
যে প্রশ্ন করে।
যে তথ্য চায়।
যে হিসাব জানতে চায়।
এটাই আজকের বাস্তবতা।
আজ দেখুন—
দুর্নীতির খবর বের হয়,
কিন্তু দুর্নীতিবাজের বিচার হয় না।
তদন্ত কমিটি হয়,
কিন্তু রিপোর্ট আসে না।
রিপোর্ট এলেও,
ফাইল আটকে যায় “উপর মহলে”।
এই ‘উপর মহল’টাই আসলে সমস্যার কেন্দ্র।
কারণ এখানে রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভ—
প্রশাসন, রাজনীতি, ব্যবসা—
একই সুতোয় বাঁধা।
একজন অনুমোদন দেয়,
আরেকজন কাজ পায়,
তৃতীয়জন বিল ছাড়ে।
সবাই লাভবান—
শুধু রাষ্ট্র বাদে।
আজ বিদ্যুৎ নেই,
গ্যাস নেই,
ডলার নেই,
কিন্তু লুটের টাকা থামে না।
আজ ব্যাংক দুর্বল,
রিজার্ভ চাপের মুখে,
কিন্তু ঋণখেলাপিরা নির্বিঘ্নে বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত।
আজ সাধারণ মানুষ শুনছে—
“কষ্ট সহ্য করুন।”
কিন্তু কষ্টের বোঝা কেবল তারই কাঁধে।
এটা কি কেবল অর্থনৈতিক সংকট?
না।
এটা নৈতিক দেউলিয়াত্ব।
রাষ্ট্র যখন চোরকে শাস্তি দেয় না,
তখন চুরি সংস্কৃতি হয়ে যায়।
আর সংস্কৃতি হয়ে গেলে,
তা আর অপরাধ থাকে না—
তা হয়ে যায় ‘সিস্টেম’।
এই সিস্টেমেই আজ বাংলাদেশ বন্দী।
কিন্তু একটা বিষয় ক্ষমতা ভুলে যাচ্ছে—
মানুষ চুপ আছে মানে ভুলে গেছে, এমন না।
মানুষ হিসাব রাখছে।
নাম মনে রাখছে।
তারিখ মনে রাখছে।
কারা কথা বলেছিল,
কারা চুপ ছিল—সব।
এই স্মৃতিই একদিন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে।
এই প্রশ্নই একদিন রায় হবে।
কারণ ইতিহাস সাক্ষী—
যে রাষ্ট্র জবাবদিহি এড়িয়ে যায়,
সে রাষ্ট্র একদিন জনতার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হয়।
দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই—
কারণ দেশ চালানো মানে ক্ষমতা ভোগ না,
দেশ চালানো মানে দায়িত্ব নেওয়া।
আর দায়িত্বহীন ক্ষমতার আয়ু বেশি দিন হয় না।
— চলবে ✊🇧🇩🔥
#দুর্নীতি_মুক্ত_বাংলাদেশ_চাই



#জনতার_হিসাব
#প্রশ্ন_থামবে_না

✪ দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই ✪পর্ব: আটাশ।কলমে ✑ তানভীর সেলিম।__________ কাগজে উন্নয়ন, বাস্তবে লুট।আজও পত্রিকার পাতা খুল...
26/12/2025

✪ দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই ✪
পর্ব: আটাশ।
কলমে ✑ তানভীর সেলিম।
__________ কাগজে উন্নয়ন, বাস্তবে লুট।
আজও পত্রিকার পাতা খুললে
উন্নয়নের গল্প।
ফিতা কাটা ছবি।
মুচকি হাসি।
কিন্তু লাইনের ভেতরে ঢুকলেই
অন্য এক বাংলাদেশ।
এক কলামে লেখা—
“ব্যয় বেড়েছে।”
আরেক কলামে—
“সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।”
কোথাও লেখা নেই—
কার পকেটে গেল অতিরিক্ত হাজার কোটি।
একটি সেতু,
যার খরচ তিনবার বাড়ে।
একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র,
যা চালু হওয়ার আগেই লোকসান।
একটি হাসপাতাল,
যেখানে যন্ত্র আছে—চালু নেই।
ডাক্তার আছে—রোগী বাঁচে না।
এই কি কাকতাল?
না।
এটা পরিকল্পনা।
পত্রিকা বলে—
“প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম।”
রাষ্ট্র জানে—
এই অনিয়ম মানেই কমিশন,
এই বিলম্ব মানেই ভাগ-বাটোয়ারা।
আজ পড়ি—
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক আবারও বিপাকে।
ঋণ খেলাপির তালিকা বড় হচ্ছে,
কিন্তু নামগুলো ছোট হয়ে আসছে—
কারণ বড় নাম ছাপা যায় না।
যে টাকা ফেরত আসার কথা,
তা আসে না।
যে টাকা আসার কথা না,
তা আগেই বিদেশে পৌঁছে যায়।
আর সাধারণ মানুষ?
সে শুধু শোনে—
“ধৈর্য ধরুন।”
“অর্থনৈতিক চাপ আছে।”
“বিশ্ব পরিস্থিতি খারাপ।”
কিন্তু প্রশ্নটা কেউ করে না—
এই চাপ কার জন্য?
এই সংকট কার সৃষ্টি?
Listen carefully.
This is not mismanagement.
This is organized theft.
ফাইলের পাতায় পাতায়
একই স্বাক্ষর।
একই ঠিকাদার।
একই উপদেষ্টা।
একই নীরবতা।
যে বলেছে—
“সব নিয়ম মেনেই হয়েছে”
সে জানে—
কোন নিয়ম কার জন্য।
এই দেশে সমস্যা দুর্নীতির অস্তিত্ব না,
সমস্যা হলো—
দুর্নীতি এখন রুটিন।
আর রুটিনকে প্রশ্ন করাই
সবচেয়ে বড় অপরাধ।
তবুও মানুষ প্রশ্ন করছে।
চায়ের দোকানে।
বাসে।
ফেসবুকে।
নীরবে, কিন্তু ধারাবাহিকভাবে।
বাংলাদেশ এখন আর শুধু খবর পড়ে না—
খবর মিলিয়ে দেখে।
কে কী বলেছিল,
কে কী করেছিল,
কে কী চুপ ছিল।
এটা প্রতিশোধ না।
এটা স্মৃতি।
দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ চাই—
কারণ উন্নয়ন মানে বিলবোর্ড না,
উন্নয়ন মানে জবাবদিহি।
আর এই প্রশ্ন থামবে না।
কারণ,
রাষ্ট্র কাগজে নয়,
রাষ্ট্র মানুষের স্মৃতিতে টিকে থাকে।
— চলবে ✊🇧🇩🔥
#দুর্নীতি_মুক্ত_বাংলাদেশ_চাই






#রাষ্ট্রীয়_লুট
#প্রশ্ন_থাকবেই

🟥 নীরব থাকাই কি এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ?আজ যারা চুপ—তারা কি নিরপেক্ষ?নাকি সুবিধাভোগী?দেশ যখন প্রতিদিন গুলির শব্দে কাঁপে,আইন ...
26/12/2025

🟥 নীরব থাকাই কি এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ?
আজ যারা চুপ—
তারা কি নিরপেক্ষ?
নাকি সুবিধাভোগী?
দেশ যখন প্রতিদিন গুলির শব্দে কাঁপে,
আইন যখন কাগজে বন্দি,
আর অপরাধীরা যখন প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে হাঁটে—
তখন “আমি রাজনীতি বুঝি না” বলা
আর নির্দোষ অজুহাত থাকে না।
🩸 প্রতিটি খুনের পর
একটা পরিচিত দৃশ্য দেখি—
দুই মিনিট নীরবতা,
দশ মিনিট বক্তব্য,
আর তারপর আবার সব স্বাভাবিক!
কিন্তু প্রশ্ন একটাই—
👉 এই স্বাভাবিকটাই কি সবচেয়ে ভয়ংকর না?
রাষ্ট্র যদি দুর্বল হয়,
নাগরিককে শক্ত হতে হয়।
কিন্তু নাগরিক যদি ভয়ে চুপ থাকে,
তাহলে রাষ্ট্রকে বাঁচাবে কে?
আমি চুপ থাকি না।
কারণ
🔴 সত্য বলা যদি অপরাধ হয়—
🔴 তবে অপরাধী হয়েই থাকবো।
এই লেখা হুমকি না,
এটা ঘোষণা।
আজ কলমে,
কাল কণ্ঠে,
পরশু রাস্তায়—
ন্যায়ের প্রশ্ন থামবে না।
✊ চুপ থাকা আর অপশন না।
#সত্যবলাঅপরাধনা
#নীরবতাইঅপরাধ
#রাষ্ট্রজবাবদাও

🔥 রাষ্ট্র যখন প্রশ্নকে ভয় পায়, তখন সে নাগরিকের শত্রু হয়ে ওঠে-বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় মিথ্যেটা হলো—“সব ঠিক আছে।”না।সব ঠিক...
20/12/2025

🔥 রাষ্ট্র যখন প্রশ্নকে ভয় পায়, তখন সে নাগরিকের শত্রু হয়ে ওঠে-
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় মিথ্যেটা হলো—
“সব ঠিক আছে।”
না।
সব ঠিক নেই।
এবং এটা সবাই জানে।
এই দেশে আজ-
❌ সত্য বলা ঝুঁকি!
❌ প্রশ্ন করা অপরাধ!
❌ সাংবাদিকতা সন্দেহভাজন কাজ!
আর সবচেয়ে নিরাপদ কাজ কী জানো?
👉 চুপ থাকা!
👉 মাথা নত করা!
👉 সুবিধার পক্ষে থাকা!
রাষ্ট্র কি প্রশ্নহীন হলেই শক্তিশালী হয়?
না।
রাষ্ট্র প্রশ্নহীন হলেই হিংস্র হয়।
কারণ প্রশ্ন না থাকলে
ক্ষমতার কোনো সীমা থাকে না।
আজ অপরাধীর তালিকায় কারা?
✔ সাংবাদিক,
✔ শিক্ষক,
✔ সচেতন নাগরিক,
অপরাধ কী তাদের?
👉 তারা প্রশ্ন করে,
👉 তারা হিসাব চায়,
👉 তারা ভয় পায় না,
সাংবাদিকতা আজ কেন টার্গেট?
কারণ সাংবাদিকতা আয়না।
আর আয়নায় তাকালে ক্ষমতা নিজের আসল চেহারা দেখে।
সে চেহারা সুন্দর না।
তাই আয়না ভাঙা হয়।
আজ যদি সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়,
কাল যদি ক্যামেরা বন্ধ হয়,
পরশু যদি কলম থামে—
তখন কি তুমি নিরাপদ থাকবে?
ভুল করো না।
ক্ষমতা একবার প্রশ্নহীন হলে
সে কাউকেই নিরাপদ রাখে না।
এই লেখা কোনো ষড়যন্ত্র নয়।
এই লেখা কোনো উসকানি নয়।
এই লেখা একটা প্রশ্ন—
রাষ্ট্র কি নাগরিকের জবাব দিতে ভয় পাচ্ছে?
যে রাষ্ট্র প্রশ্নের জবাব দিতে পারে না,
সে রাষ্ট্র শক্তিশালী নয়—
সে রাষ্ট্র বিপজ্জনক।
✍️ কলমে ✑ তানভীর সেলিম
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।
🔥__________________
#রাষ্ট্র_কি_ভয়_পাচ্ছে
#প্রশ্নকরো
#সাংবাদিকতা_অপরাধ_নয়




আজকের বাংলাদেশে ‘স্বাধীনতা’ শব্দটি যতটা উচ্চারণ করা হয়, বাস্তবে তার ব্যবহার ততটাই সংকীর্ণ হয়ে এসেছে। রাষ্ট্রের ভাষায় আমর...
19/12/2025

আজকের বাংলাদেশে ‘স্বাধীনতা’ শব্দটি যতটা উচ্চারণ করা হয়, বাস্তবে তার ব্যবহার ততটাই সংকীর্ণ হয়ে এসেছে। রাষ্ট্রের ভাষায় আমরা স্বাধীন, কিন্তু নাগরিক জীবনে সেই স্বাধীনতার সীমারেখা প্রতিদিন নতুন করে আঁকা হচ্ছে। কী বলা যাবে, কোথায় বলা যাবে, কাকে প্রশ্ন করা যাবে—এই অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণই বুঝিয়ে দেয়, স্বাধীনতা আর স্বতঃসিদ্ধ অধিকার নেই, বরং শর্তসাপেক্ষ বাস্তবতা।

ফেসবুক খুললেই বোঝা যায়, মানুষ এখন নিজের মত প্রকাশের আগে দু’বার নয়—দশবার ভাবে। সাংবাদিক, লেখক, শিক্ষক, এমনকি সাধারণ নাগরিকও জানে—একটি পোস্ট, একটি মন্তব্য, একটি প্রশ্নই হয়ে উঠতে পারে বিপদের কারণ। আইন এখানে ন্যায়বিচারের রক্ষক না হয়ে অনেক সময় হয়ে ওঠে ভয় তৈরি করার হাতিয়ার। সংবাদপত্রের পাতায় প্রায়ই চোখে পড়ে—গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ, মামলা, নিঃশব্দ করে দেওয়া কণ্ঠ।

এই জায়গাতেই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে: রাষ্ট্র কি নাগরিকের স্বাধীনতার নিরাপত্তা দিচ্ছে, নাকি নিজের ক্ষমতার পরিসর রক্ষা করতেই স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখছে? যখন রাষ্ট্র নিজেই স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, তখন সেই স্বাধীনতা আর নাগরিকের থাকে না—তা রয়ে যায় ক্ষমতার কাঠামোর ভেতর।

আমরা এমন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছি, যেখানে স্বাধীনতা আর মানুষের সঙ্গে জন্মায় না—তা প্রয়োগ করতে হলে অনুমতির ছায়া খুঁজতে হয়। রাষ্ট্র যত শক্তিশালী হয়, নাগরিকের কণ্ঠ তত নীরব হয়—এই অদ্ভুত সমীকরণই আজ আমাদের রাজনৈতিক বাস্তবতা।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই নিয়ন্ত্রণকে ধীরে ধীরে ‘স্বাভাবিক’ বলে মেনে নেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নহীনতা হয়ে উঠছে নিরাপত্তা, আর নীরবতা হয়ে উঠছে বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। অথচ ইতিহাস বারবার বলেছে—যে রাষ্ট্র নাগরিকের স্বাধীনতাকে সন্দেহের চোখে দেখে, সে রাষ্ট্র একদিন নাগরিকের আস্থাও হারায়।

শেষ পর্যন্ত ফিরে আসতেই হয় সেই তিক্ত সত্যের দিকে—এই দেশে স্বাধীনতা অনেক সময় নাগরিকের অধিকারে নয়, বরং রাষ্ট্রের ক্ষমতার পরিধির মধ্যেই আটকে থাকে। যতদিন তা বদলাবে না, ততদিন স্বাধীনতার কথা বললেও বাস্তবে আমরা সবাই এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত নীরবতার ভেতরেই বেঁচে থাকব।

📰 সংবাদ শিরোনাম যা বলছে, রাষ্ট্র যা শুনছে না।ঢাকা -১৯ ডিসেম্বর-২০২৫ আজকের পত্রিকার প্রথম পাতাগুলো যেন একে অন্যের সঙ্গে ক...
19/12/2025

📰 সংবাদ শিরোনাম যা বলছে, রাষ্ট্র যা শুনছে না।
ঢাকা -১৯ ডিসেম্বর-২০২৫

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতাগুলো যেন একে অন্যের সঙ্গে কথা বলছে—কিন্তু রাষ্ট্রের কানে সে কথা পৌঁছাচ্ছে না। কোথাও সাংবাদিকের রক্ত, কোথাও মিডিয়া অফিসে হামলা, কোথাও মব সন্ত্রাস, আবার কোথাও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আর প্রশাসনিক নীরবতা। শিরোনামগুলো আলাদা হলেও সংকেত একটাই—বাংলাদেশ এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে হাঁটছে।

আজকের খবরগুলো পড়লে বোঝা যায়,
👉 সংবাদকর্মী এখন টার্গেট,
👉 মত প্রকাশ এখন ঝুঁকি,
👉 প্রতিবাদ মানেই মামলা বা হামলা,
👉 আর ন্যায়বিচার শব্দটা ক্রমশ শিরোনাম থেকে উধাও।

একটি পত্রিকা বলছে সাংবাদিক হত্যা,
আরেকটি বলছে মিডিয়ার ওপর হামলা,
আরেকটি বলছে রাজনৈতিক উত্তেজনা,
অন্যটি বলছে আইনশৃঙ্খলার অবনতি।

সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই—
❓ এই দেশটা কি ধীরে ধীরে ভয় শাসনের দিকে যাচ্ছে?

---

✍️ সংবাদ নয়, এগুলো রাষ্ট্রের রিপোর্ট কার্ড!

আজকের শিরোনামগুলো কেবল “খবর” না—এগুলো রাষ্ট্রের রিপোর্ট কার্ড।
আর সেই কার্ডে লেখা আছে:

❌ গণতন্ত্র দুর্বল!

❌ মতপ্রকাশ অনিরাপদ!

❌ সাংবাদিকতা ঝুঁকিপূর্ণ!

❌ নাগরিক নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ!

পত্রিকার ভাষা যতই সংযত হোক, বাস্তবতা ভয়ংকর। কারণ যে দেশে সাংবাদিক নিরাপদ না, সে দেশে সাধারণ মানুষ আরও অনিরাপদ।

আজ যারা কলম ভাঙছে,
কাল তারা কণ্ঠ রোধ করবে,
পরশু তারা ইতিহাসও বদলে দেবে।

---

🔥 শিরোনামগুলো সতর্ক করছে—আমরা কি শুনছি?

আজকের সব শিরোনাম একসাথে পড়ে মনে হয়,
এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না—
এটা একটি ধারাবাহিক পতনের গল্প।

যদি আজও আমরা বলি,
“এটা আমার বিষয় না”
তাহলে কাল শিরোনাম হবে—
আমরাই খবর।

---

📌 শেষ কথা

সংবাদপত্র আজও দায়িত্ব পালন করছে—
প্রশ্ন করছে, দেখাচ্ছে, সতর্ক করছে।

এখন প্রশ্ন একটাই—
👉 রাষ্ট্র কি তার দায়িত্ব পালন করবে?
👉 নাকি আগামীকালের শিরোনাম আরও রক্তাক্ত হবে?

কারণ ইতিহাস সাক্ষী—
যে রাষ্ট্র কলমকে ভয় পায়, সে রাষ্ট্র সত্যকে ভয় পায়।

Address

Magbazar
Dhaka
1000

Telephone

+8801710008482

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OVI MIM HOST BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to OVI MIM HOST BD:

Shortcuts

Share

Category