21/05/2026
বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের কিছু স্কুলে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অনুশাসন মানার ক্ষেত্রে নতুন ধরণের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে যে, স্কুল চলাকালীন মুসলিম ছাত্রছাত্রীদের জন্য নামাজের বিশেষ অনুমতি প্রদান করা হয়েছে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। এমনকি কোনো শিক্ষার্থী ধর্মীয় বিধান পালনে অবহেলা করলে তার ভর্তি বাতিলের মতো কঠোর সতর্কবার্তার কথাও বলা হচ্ছে।
স্কুল পর্যায়ে ধর্মীয় চর্চার সুযোগ করে দেওয়া মানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুশৃঙ্খল জীবনবোধ গড়ে তোলা।
বড়ই আফসোস! বিশ্বের অনেক জায়গায় যখন ধর্মীয় পোশাক বা প্রার্থনায় বাধা দেওয়া হয়, তখন চীনের মতো দেশ থেকে এমন খবর আসা সত্ত্বেও মিডিয়া কেন নীরব? আমরা কি কেবল নেতিবাচক খবর শেয়ার করতেই পছন্দ করি?
নামাজ কেবল একটি ইবাদত নয়, এটি একটি চরম শৃঙ্খলা। শিক্ষার্থীদের এই শৃঙ্খলায় অভ্যস্ত করার পরিকল্পনাটি অনেক অভিভাবকের কাছেই ইতিবাচক হিসেবে ধরা দিচ্ছে।
ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সকল সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনই একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ার চাবিকাঠি। যদি চীনা সরকার সত্যিই এমন কোনো অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি গ্রহণ করে থাকে, তবে তা অবশ্যই অসাম্প্রদায়িক বিশ্বে এক বড় উদাহরণ হিসেবে কাজ করবে। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ম-কানুন ভিন্ন হতে পারে, তাই আমাদের এই সত্যের গভীরে নজর রাখা জরুরি।
স্কুলে ধর্মীয় চর্চার সুযোগ থাকা কি শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানান।
হাফেজা আলেমা ক্বারীয়া সিদরাতুল মুনতাহা