09/06/2026
পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ!!
কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব।
পরে তদন্তে যা বের হলো, সেটা ছিল ভয়ংকর। Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়।
পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো।
যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন।
তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।
তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে। চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি।
একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে।
প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখি, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে। মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো
অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ এটি স্পষ্ট হারাম।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি।
তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে।
মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না।
সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে, এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।
সচেতন মূলক পোস্ট, সবাই শেয়ার করবেন।