TECH BOOST

TECH BOOST Tech Boost is a digital marketing company that is dedicated to providing 360°digital solutions

02/12/2024

𝟐𝟏 𝐏𝐫𝐨𝐯𝐞𝐧 𝐒𝐄𝐎 𝐓𝐢𝐩𝐬 𝐭𝐨 𝐁𝐨𝐨𝐬𝐭 𝐘𝐨𝐮𝐫 𝐖𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 𝐑𝐚𝐧𝐤𝐢𝐧𝐠𝐬 💫

Feeling lost in the sea of SEO advice?

Here’s a no-fluff checklist to get your website ranking higher on Google:

⿡ Choose the Right Website Structure – Foundation matters.

⿢ Use SEO-Friendly URLs – Clean, simple, and keyword-focused.

⿣ Do Keyword Research – Know what your audience searches for.

⿤ Optimize Meta Titles & Descriptions – These are your click-worthy invitations.

⿥ Focus on User Intent – Answer questions, solve problems, and deliver value.

⿦ Optimize Tags (h1, h2) – Keywords belong here too!

⿧ Use Keywords in Alt Tags – Don’t forget your images.

⿨ Write Long-Form, Quality Content – In-depth always wins.

⿩ Avoid Keyword Spamming – Stay natural.

⿩ Use Multimedia – Images, videos, infographics, and podcasts keep users engaged.

⿡⿡ Make Your Website Mobile-Friendly – A must-have in 2024.

⿡⿢ Add Your Website to Google Search Console – Know how Google sees your site.

⿡⿣ Create & Submit an XML Sitemap – Help search engines index your pages.

⿡⿤ Build Social Media Profiles – Your online presence extends beyond your site.

⿡⿥ Share Brand Info on Social Media – More visibility = more traffic.

⿡⿦ Start Link Building – Quality > quantity.

⿡⿧ Use Schema Markup – Aim for those featured snippets.

⿡⿨ Monitor Analytics – Tools like Google Analytics are your best friends.

⿡⿩ Deliver High-Quality Content – Seriously, it’s that important!

⿢⿠ Test Website Speed – Slow sites lose visitors.

⿢⿡ Focus on User Experience – A seamless experience keeps them coming back.

SEO isn’t a sprint; it’s a marathon. Pick a few points to tackle each week, and watch your rankings grow.

𝐖𝐡𝐢𝐜𝐡 𝐨𝐟 𝐭𝐡𝐞𝐬𝐞 𝐭𝐢𝐩𝐬 𝐡𝐚𝐯𝐞 𝐲𝐨𝐮 𝐚𝐥𝐫𝐞𝐚𝐝𝐲 𝐢𝐦𝐩𝐥𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭𝐞𝐝? 𝐋𝐞𝐭’𝐬 𝐝𝐢𝐬𝐜𝐮𝐬𝐬! 👇

(𝐨𝐧-𝐩𝐚𝐠𝐞 𝐒𝐄𝐎), (𝐨𝐟𝐟-𝐩𝐚𝐠𝐞 𝐒𝐄𝐎), (𝐤𝐞𝐲𝐰𝐨𝐫𝐝 𝐫𝐞𝐬𝐞𝐚𝐫𝐜𝐡), (𝐛𝐚𝐜𝐤𝐥𝐢𝐧𝐤𝐬), (𝐜𝐨𝐧𝐭𝐞𝐧𝐭 𝐨𝐩𝐭𝐢𝐦𝐢𝐳𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧), (𝐒𝐄𝐎 𝐚𝐮𝐝𝐢𝐭), (𝐬𝐢𝐭𝐞 𝐬𝐩𝐞𝐞𝐝), (𝐭𝐞𝐜𝐡𝐧𝐢𝐜𝐚𝐥 𝐒𝐄𝐎), (𝐬𝐞𝐚𝐫𝐜𝐡 𝐞𝐧𝐠𝐢𝐧𝐞 𝐫𝐚𝐧𝐤𝐢𝐧𝐠), (𝐥𝐨𝐜𝐚𝐥 𝐒𝐄𝐎).

𝐏.𝐬.𝐈𝐟 𝐲𝐨𝐮 𝐚𝐫𝐞 𝐚 𝐛𝐮𝐬𝐢𝐧𝐞𝐬𝐬 𝐨𝐰𝐧𝐞𝐫 𝐥𝐨𝐨𝐤𝐢𝐧𝐠 𝐟𝐨𝐫𝐰𝐚𝐫𝐝 𝐭𝐨 𝐠𝐫𝐨𝐰 𝐲𝐨𝐮𝐫 𝐰𝐞𝐛𝐬𝐢𝐭𝐞 𝐬𝐚𝐥𝐞𝐬: 𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 https://www.facebook.com/TECHBOOST24

Tech Boost is a digital marketing company that is dedicated to providing 360°digital solutions

দাম্পত্য জীবনে বরকত বৃদ্ধির উপায়আপনি ধরে নিবেন না যে, আপনার স্বামীর আপনার মনের কথা অক্ষরে অক্ষরে বুঝতে পারা উচিত। সাধার...
17/09/2024

দাম্পত্য জীবনে বরকত বৃদ্ধির উপায়

আপনি ধরে নিবেন না যে, আপনার স্বামীর আপনার মনের কথা অক্ষরে অক্ষরে বুঝতে পারা উচিত। সাধারণত মেয়েদের সাইকোলজি এমন হয় যে, তারা ছোট ছোট ডিটেলস গুলো পর্যবেক্ষণ করে ভালো, কিন্তু ছেলেরা এত ছোট ছোট বিষয় খেয়াল করে‌ স্ত্রীর মনের ভেতরে কি চলছে সেগুলো সব সময়ে বুঝে বুঝে রেসপন্স করবে—সাধারণত এটা তাদের সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্য নয়।

যেমন: একটা বোনের গল্পের উদাহরণ দেই। তারা হাজব্যান্ড ওয়াইফ একসাথে মার্কেটে গিয়েছে। হঠাৎ আপুর চোখ গেল এক গোলাপ বিক্রেতার হাতের দিকে। গোলাপ বিক্রেতা খুবই করুণ স্বরে সবার সামনে গিয়ে গোলাপ ধরছে আর বলছে, "একটা গোলাপ মাত্র ১০ টাকা. একটু নিয়ে নেন।" মানুষ তাকে তেমন পাত্তা দিচ্ছে না।

আপুকে দেখে যেন বিক্রেতা বুঝলো যে, আপু‌ গোলাপ চাচ্ছে। তখন সে সরাসরি আপুর হাজবেন্ডের সামনে গিয়ে গোলাপ গুলো মেলে ধরল। আপুর হাজবেন্ড অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে যে দোকানে যাওয়ার কথা, সেই দোকানের দিকেই যাচ্ছিলেন। মাঝপথে গোলাপ বিক্রেতা পথ ধরে দাঁড়ালে, তিনি কিছুটা বিরক্ত হলেন এবং হাত দিয়ে তাকে সরিয়ে দিলেন।

এই দৃশ্য দেখে আপুর ভুরু কুঁচকে গেল, মাথায় সাথে সাথে চিন্তা চলে আসলো, "দশ টাকা দিয়ে একটা গোলাপ আমাকে কিনে দিল না? তার কাছে আমার দাম ১০ টাকাও না?"

কিছুক্ষণ হাঁটার পর আপু বলে বসলো, "আপনি কেন আমাকে গোলাপ টা কিনে দিলেন না?"

আপুর হাজবেন্ড খুবই অবাক হয়ে বলল, "ওও তুমি কি আসলেই ওই গোলাপ চাও? আমি তো জানি না যে, তুমি গোলাপ চাচ্ছ এখন। তুমি চাইলে আমি এখনই তোমাকে কিনে দেই। পিছনে গিয়ে ডাক দিব ছেলেটাকে?
আর তুমি গোলাপ গুলোর দিকে ভালোভাবে তাকিয়ে দেখোনি? অনেক পুরান হয়ে গেছে, কালচে দাগ ধরে গেছে, গন্ধ নেই তেমন। আমি তোমাকে গোলাপ দিলে এমন পুরাতন ফুল কেন দেব? আমি তোমাকে আরো দাম দিয়ে সুন্দর একটা বড় তোড়া কিনে দিবো ইন শা আল্লাহ!"

এই কথা শুনে আপুর মন ঠান্ডা হল। এবং একটু আগে তার মাথায় কেমন কেমন নেগেটিভ চিন্তা আসছিল হাজবেন্ডকে নিয়ে, সেটা ভেবে বিব্রত বোধ করল।

এই ঘটনা থেকে একটা বড় শিক্ষা হচ্ছে: শুরুতে এই বোনের মনে কেন এত কষ্ট লাগল? তার নিজের ধরে নেওয়া নেগেটিভ চিন্তার জন্যই সে কষ্ট পাচ্ছিল। নিজের মনের ভুল ধারণা যে, "হাজব্যান্ড আমাকে একটা ফুল পর্যন্ত কিনে দিতে চায় না!"—এই চিন্তা করার জন্যই সে কষ্ট পাচ্ছিল। এখানে তার হাজবেন্ডের মাথায় এমন কোন চিন্তা কখনোই ছিল না বরং সে তার স্ত্রী কে আরো ভালো কিছু সব সময় দিতে চায়।

এবং ছোট ছোট বিষয় খেয়াল করার মত সময়, এনার্জি, মোটিভেশন ছেলেদের একটু কম থাকে। কারণ স্বভাবগত ভাবেই একজন দায়িত্বশীল স্বামীকে আরো অনেক বড় বড় ক্রাইসিস দেখতে হয়, সংসারের হাল ধরতে হয়, অর্থনৈতিক বিষয়গুলো দেখতে হয়—তাই এটা সবসময় দোষ না যে, তারা ওয়াইফের চেহারা দেখেই কেন মনের কথা পড়তে পারছে না? মাঝে মাঝে ভেঙ্গে তাদের খুলে বলায় ক্ষতি নেই।

তাই এক্ষেত্রে সবাই যদি সহানুভূতিশীল হয় এবং বুঝতে চেষ্টা করে, "আমার চেহারা দেখেই হাসবেন্ড সব বুঝে ফেলবে এভাবে তাদের সৃষ্টি করা হয়নি। Mind-reading করতে না পারলেও সে আমাকে ভালবাসে। তাই মনে রাগ পুষে না রেখে, আমাদের বরং খোলাখুলি কমিউনিকেশন করা উচিত ছিল।" খোলাখুলি আলাপ করলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়ে যায় ইন শা আল্লাহ।

তাই দাম্পত্য জীবনকে সুস্থ ও বরকতপূর্ণ রাখতে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

(১) কখনো অযাচিত ধারণা করবেন না যে, আপনার হাজব্যান্ডের উচিত ছিল আপনার মনের কথা পড়ে ফেলার।

(২) এরকম ভাববেন না, যে একজন দায়িত্বশীল পুরুষ ইচ্ছা করে আপনাকে কষ্ট দিতে চাচ্ছে

(৩) কুরআনে আল্লাহ বলেছেন অতি-ধারনা কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাপ (সূরা হুজুরাত)। সেজন্য ওভার থিংকিং থেকে বিরত থেকে খোলাখুলি স্বামীর সাথে আলোচনা করুন। ভুল বোঝাবুঝি গুলো ক্লিয়ার করে নিন।

(৪) কথা/রাগ চাপিয়ে না রেখে খোলাখুলি ভদ্র ভাষায়, মাথা ঠান্ডা রেখে আলোচনা করার অভ্যাস করুন, আলাপ করার অভ্যাস করুন।

৫) প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে নিজের সীমাবদ্ধতা বোঝার চেষ্টা করুন এবং আল্লাহর কাছে দাম্পত্য জীবনে বরকত বৃদ্ধির জন্য সব সময় দুয়া করুন।

(৬) এই প্রত্যেকটা পদক্ষেপ আল্লাহর খুশির জন্য নিবেন, এমন নিয়ত শক্ত রাখুন অন্তরে। না হলে এগুলো করতে মেন্টালি ক্লান্ত লাগবে। আপনার বিয়ের পরিচর্যা করা আপনার ইবাদতের অংশ।💜🥀

#সংগৃহীত

🔳 কারো সাথে ধাক্কা লাগলে সরি (Sorry)টা আপনি আগে বলে দিয়েছেন, মানে আপনি জিতে গেছেন। 🔳 কোথাও কোনো ভুল করেছেন? কোনো অহংকার ...
06/05/2023

🔳 কারো সাথে ধাক্কা লাগলে সরি (Sorry)টা আপনি আগে বলে দিয়েছেন, মানে আপনি জিতে গেছেন।

🔳 কোথাও কোনো ভুল করেছেন? কোনো অহংকার না রেখে দ্রুত ক্ষমা চেয়ে নিতে পেরেছেন, মানে আপনি জিতে গেছেন।

🔳 'আমি এখন ব্যস্ত আছি' বলে ফোনটা রেখে না দিয়ে বরং যদি বলতে পারেন 'ফ্রি হয়ে আমি কল ব্যাক করছি' তার মানে আপনি ভদ্রতা দেখিয়েছেন। একই কাজ একটু ভিন্নভাবে করলেই সেটা সুন্দর হয়ে যায়, পরিস্থিতিও বদলে যায়।

🔳 'দেখা করার সময় নেই' বলে কাউকে বিদায় না দিয়ে বরং যদি বলতে পারতেন, 'একদিন সময় করে আপনার সাথে দেখা করব' তবে ব্যাপারটা শুনতে কত ভালোই না লাগত! কাজ কিন্তু একই অর্থাৎ এই মুহূর্তে দেখা করতে পারছেন না। কিন্তু বলার ভিন্নতার কারণে ব্যাপারটা কত সুন্দর হয়ে গেল।

🔳 ধরেন কেউ আপনার কাছে এমন কিছু একটা সাহায্য চাইল যেটা দেয়ার সামর্থ্য আপনার নেই। কী বলবেন তাকে? 'আমি সাহায্য করতে পারব না' - ডাইরেক্ট বলে দিবেন? এভাবে বললে তিনি কষ্ট পাবেন। ব্যাপারটা এভাবেও বলা যায় -'আপনাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করতে পারলে আমার ভালো লাগত।' তার মানে তিনি বুঝে নিবেন আপনি সাহায্য করতে পারছেন না এবং তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছেন। একই বিষয় শুধু বলার ভিন্নতার কারণে কত সুন্দর হয়ে উঠে।

🔳 ধার নেয়া জিনিস সময়মত ফেরত দেয়াটা ব্যক্তিত্ব। যদি ফেরত সময়মত দেয়া না যায়, তবে অন্তত ঐদিন ফোন দিয়ে সরি বলাটা ভদ্রতা। তিনি আপনাকে একবার ধার দিয়ে যেন এই সিদ্ধান্ত না নেন, তিনি আর কখনোই আপনাকে কিছু ধার দিবেন না। এমনকি জরুরি প্রয়োজনেও না।

আমাদের সম্পর্ক হোক বিনয়, ভদ্রতা ও ভালোবাসা প্রতিষ্ঠায়।

যতদিন এই 'মহানগর' থাকবে, যতদিন এই 'মহানগরে' আমরা বাস করব, ততদিন সিস্টেমের ভুতদের ধরতে একজন 'ওসি হারুন' থাকবে।দুই কথায় দু...
21/04/2023

যতদিন এই 'মহানগর' থাকবে, যতদিন এই 'মহানগরে' আমরা বাস করব, ততদিন সিস্টেমের ভুতদের ধরতে একজন 'ওসি হারুন' থাকবে।

দুই কথায় দুনিয়া

সিজন ১

জীবনে দুইটা জিনিসের দরকার:
১ বিশ্বাস
২ সঠিক মানুষের প্রতি বিশ্বাস

দুইটা জিনিস মনে রাখবেন:
১ ক্রিমিনাল
২ টাকা
যদি থাকে নসিবে এমনি এমনি আসিবে

পুলিশে উন্নতি করতে হলে দুইটা জিনিস মনে রাখতে হবে:
১ কাগজপত্র ঠিকঠাক চেক করতে হবে
২ মানুষের চোখ,মানুষের চোখ হলো সবচেয়ে বড় কাগজপত্র

জীবনে দুই ধরনের মানুষের সাথে কখনো মিথ্যা বলবেন না:
১ মা
২ পুলিশ

জীবনে উন্নতি করতে হলে দুইটা জিনিস মনে রাখা দরকার:
১ অর্থই সকল অনর্থের মূল
২ ক্রিমিনাল আর টাকা, যদি থাকে নসিবে আপনি আপনি আসিবে

দুইটা জিনিস কারও জন্য অপেক্ষা করেনা:
১ সময়
২ টাকা

দুইটা সময় চোখ সবকিছু ক্লিয়ারলি বলে দেয়:
১ কার্ড খেলার সময়
২ মার্ডার করার সময়

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ ভক্তি খুব ভাল জিনিস
২ অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ

পৃথিবীতে দুইটা জিনিসের গন্ধের কোন তুলনা হয়না:
১ নতুন বই
২ নতুন টাকা

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা
২ পুলিশে ছুঁলে মলমও পাবেন না।

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ সকল ক্ষারই ক্ষারক, সকল ক্ষারক ক্ষার নহে
২ সকল সত্যই সত্য, সকল মিথ্যা মিথ্যা নহে

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ সাধারণ মানুষের চোখ থাকে দুইটা
২ পুলিশের চোখ থাকতে হয় চারটা, দুইটা শকুনের।

দুইটা জিনিস মনে রাখবেন:
জীবনে দুইটা জিনিসই সত্য
১ কর্ম
২ কর্মফল

সিজন ২
দুইটা কথা ভুলে যাবেন:
১ বাংলাদেশের সব মানুষ সহজ সরল
২ তারা পুলিশকে বন্ধু মনে করে

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ বিসমিল্লায় গলদ রাখতে নাই।
২ শেষ ভালো যার সব ভাল তার

কাম এবং ইন্টারোগেশন এই দুটি ক্ষেত্রে দুটি বিষয় ভুলে যাবেন:
১ অতি উউত্তেজনা
২ অতি শিথিলতা
এগুলোতে কোন রেজাল্ট আসেনা।

বিপদের সময় দুইটা জিনিস ভুলে যেতে হয়:
১ বিপদ বলে কয়ে আসেনা।
২ বিপদে বন্ধুর পরিচয়।

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ সকল মিথ্যাই মিথ্যা
২ সকল সত্যই সত্য নহে

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ চাওয়া-পাওয়ার কোন শেষ নাই
২ চাওয়া অনুযায়ী পাওয়াটা পাইতে হলে কিছু ছাড় দিতে হবে।

ধরা পড়লে দুইটা কথা ভুলে যাবেন:
১ মিথ্যা বলা মহাপাপ
২ পাপ বাপকেও ছাড়ে না।

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব
২ আবার সেই মানুষই পশুর চেয়ে অধম হতে পারে৷

দুইটা কথা মনে রাখবেন:
১ নামটা হচ্ছে হারুন
২ হারুন কখনো হারেনা।

ফুলটাইম চাকরি শুরু করি ১৯৯৯ ইং সন থেকে। বেতন ৬ হাজার টাকা; ছয় মাস পর ৮ হাজার হয়। ১ বছরের দিকে আরেকটা চাকরি হয়। বেতন এ...
19/04/2023

ফুলটাইম চাকরি শুরু করি ১৯৯৯ ইং সন থেকে। বেতন ৬ হাজার টাকা; ছয় মাস পর ৮ হাজার হয়। ১ বছরের দিকে আরেকটা চাকরি হয়। বেতন এক ধাক্কায় সোজা ২২ হাজার টাকা।
কিন্তু একটা অদ্ভুত অনুভূতি আল্লাহ্ দিলেন আমার ভেতর। তখন আমি মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ, তার উপর এমন প্রোফেশনে ছিলাম যা তখন বাংলাদেশেই একদম নতুন। তাতেই ৮ হতে সোজা ২২ হাজার হবার প্রশ্নই আসে না! আমার চিন্তায় আসে যে, ঠিক যেই মাসে আমি এই চাকরি পাই, তার আগের মাসেই আব্বুর চাকরি চলে যায়।
আমার অনুভূতি হয় যে, নতুন একটা লাইনে মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞ হওয়া স্বত্বেও ৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকার বেতন পাবার যোগ্যতা আসলে আমার নেই। বরং পরিবারের একটা ইনকাম সোর্স আপাতত
বন্ধ হয়েছে বলেই আল্লাহ্ আমার মাধ্যমে সেই কমতি কিছুটা পূরণ করাবার জন্যই হঠাৎ এমন বেতনে বৃদ্ধি করলেন। আর এই অনুভূতি আসার সাথে সাথে প্রথম মাস থেকেই সামান্য কিছু হাতখরচ রেখে বাকি টাকা আম্মিকে দিয়ে দিতাম।
এভাবে প্রায় ১৪ মাস পরে আব্বু আবার চাকরি পান। আম্মিও আমার কাছ থেকে টাকা নেয়া বন্ধ করে দিলেন। বলেছিলেন, "সঞ্চয় করো।"
সঞ্চয় করতে করতে বিয়ের সময় হয়ে যায়। সম্পূর্ণ নিজ খরচে বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো। ইচ্ছেটা এতোটাই স্পষ্ট করে আল্লাহ্ পূরণ করবেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। বলতে গেলে সমস্ত সঞ্চয় শেষ হয় আমার বিয়েতে। কি অবাক! ঠিক পরের মাসেই ছিলো performance increment-এর সময়। বেশ ভালো একটা রেইজ পেলাম।
আবার আল্লাহ্ অনুভূতি দিলেন যে, যেহেতু বিয়ে করেছি নিজের হালাল উপার্জন দিয়ে, আমার বউয়ের রিজিকটা আমার ইনকামে যুক্ত হয়ে বেড়ে গেলো। শুধু তাই নয়, কিছু মাস পরে আবার নতুন একটা চাকরী পেলাম, মানে বেতন আরো একটু বাড়লো! আলহামদুলিল্লাহ।
নতুন এই কোম্পানিতে থাকা অবস্থায় আল্লাহ্ আমাদেরকে যমজ দুটি মেয়ে উপহার দিলেন। চারজনের সংসার শুরু হয়ে যায়। ওদের দুজনের ওজন কম ছিলো, নানা রকমের অসুস্থতা লেগেই থাকতো। সম্ভবত গড়ে প্রতি ২ সপ্তাহে ডক্টর ভিজিট করতেই হতো দু'জনকে নিয়েই। ডবল ডক্টর ভিজিট, ডবল ঔষধ, ডবল ডায়পার, ডবল কৌটার দুধ (বুকের দুধ পায়নি) ছিলো নিয়মিত খরচ। কিন্তু বিন্দুমাত্র বিচলিত ছিলাম না।
কি অদ্ভুত যে, এবার চাকরি খুঁজিনি। বরং চাকরিই খুঁজে নেয় আমাদের চারজনকে, আলহামদুলিল্লাহ । খুব মনে আছে, সকাল সকাল বাচ্চা-দুটোকে নিয়ে হাসপাতালের টিকেট কেটে অপেক্ষা করছিলাম। একজন মেয়ে আমার কোলে, আরেকজন বউয়ের
কোলে। ফোন আসে, আমার এক্স-কলিগ চাকরীর খবর দেন। বেতনটাও আনুমানিক জানালেন।
কি আশ্চর্য, মেডিকেল বেনিফিটও আছে! তাও আবার শুধু আমার একার জন্য নয়, পুরো পরিবারের জন্য
মেডিকেল বেনিফিট! আমিতো মহা খুশী,
আলহামদুলিল্লাহ। বাচ্চা জন্মের সপ্তম
মাসেই নতুন চাকরিতে জয়েন করি।
আবার অনুভূতি পাই, নতুন চাকরি, মেডিকেল বেনিফিট আমার যোগ্যতায় নয়। বরং আমার মেয়ে দুটোর রিযিক আল্লাহ্ আমার বেতনে যুক্ত করেছেন।
আমি আজও মনে করি আল্লাহ্ আমাকে যেই কর্ম দক্ষতা দিয়েছেন তার বাজার মূল্য ৬ থেকে ৮ হাজার টাকাই মাত্র। বাকি একটি অংশ আমার মা-বাবার জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা অংশ আমার স্ত্রীর জন্য বরাদ্ধ, আরেকটা বড় অংশ আমার মেয়ে-দুটোর জন্য।
হিসাব করে দেখলাম, আমার ইনকামের বড় একটা অংশ আসে আমার মেয়ে-দুটোর রিজিক হতে।
ওদিকে আল্লাহ্ ওয়াদা করে রেখেছেন:....
“তোমাদের সন্তানদের দারিদ্র্যের আশংকায় হত্যা করো না। আমিই তাদেরকে রিযিক দেই এবং তোমাদেরকেও। (১৭:৩১)”
আমার এই লেখাটা সেই সকল বাবাদের অন্তরে ও চিন্তায় আঘাত করার জন্য,
যারা মনে করছেন তার বৃদ্ধা মা, অবসর নেয়া বাবা আর স্ত্রী-সন্তানরা শুধু বসে বসে তার কামাই খায় আর তিনি একাই সম্পূর্ন নিজ যোগ্যতায় সকলের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করে উপার্জন করছি।

#সংগৃহীত

" সব মেয়েদের পড়ার  এবং সতর্ক থাকার অনুরোধ "১।   সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন।এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না, মরে...
11/04/2023

" সব মেয়েদের পড়ার এবং সতর্ক থাকার অনুরোধ "

১। সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন।
এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না, মরে গেলেও না।

২। আত্মসম্মান, আত্মমর্যাদা কক্ষনো বিসর্জন দিবেন না। তাতে মরে যেতে হলে, যাবেন।

৩। চোখ বন্ধ করে পুরুষকে বিশ্বাস করবেন না। (গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে) পুরা ফেরেশতা মার্কা স্যার, বাবার বন্ধু, মামার ফ্রেন্ড, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পার্সন, এরকম-এমন কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না।
Be careful who you trust, the devil was once an angel.

৪। বান্ধবীর বাড়ীতে যেতে হলে পরিবারকে জানান। ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই, বোন কে দিয়ে যান। সবসময় নিরাপদে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ীতে ফিরবেন। রাতে চেষ্টা করবেন না থাকার। থাকলেও বাড়ির পরিবেশ দেখে নিয়েন।

৫। নিজের gut feelings -কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন। দেখে কিছুই মনে হয় না, খুব ভাল মানুষ, কিন্তু মন কেন যেন ব্যাক্তিটাকে পছন্দ করে না। এমন হলে সেই ব্যাক্তি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকেন।
trusting your 'Gut Feeling' is often the best strategy to save yourself.

৬। নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। মেয়েরা আবেগের কারনে ভিক্টীম হয়।

৭। ফ্যামিলিকে সব সময় পাশে রাখবেন। ফ্যামিলিকে, বিশেষ করে মাকে বন্ধু বানান। তার সাথে সব যেন শেয়ার করা যায় এমন ভাবে সম্পর্ক করবেন বাবা মার গোপনে কিছু কইরেন না। victim হলে আপনি হবেন। তখন বাবা মা এটাই ভাববে "মেয়েটা আমাদের বলল না কেন!!"

৮।৷ কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাববেন।
You read it right. ১০০ বার।

৯। নিজেকে ভালবাসেন। এটা খুব দরকার। আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রন --বিলিভ মি এগুলা কিচ্ছু না। ঈশ্বর আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা, ব্যাক্তিত্ব দেখে যেন একটা ছেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে ঐভাবে তৈরি করেন।

১০। সব সময় সত্যকে পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ। অন্যায় অনেক আনন্দ দেয়। কিন্তু তা সব সময় ক্ষণিকের জন্য। সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কষ্টের হোক।

১১। জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর। হতাশা, unexpected crisis, unexpected incident এগুলা লাইফের পার্ট।
ও আচ্ছা, এমন হইল। ঠিকাছে। এরপর কি?-- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেবার আগে ভাবে এরে পেইন দিয়া লাভ নাই।

১২। মাটি এখন পায়ের নিচে। একদিন এটা আমি, আপনী মাটির উপরে শায়িত থাকবো। আমাদের জন্য একসময় অন্যরা প্রার্থনা করবে, তার আগেই নিজের প্রার্থনা নিজেই অন্তত যেন করি।

১৩। গাড়ির ড্রাইভার, এপার্টমেন্টের দারোয়ান এই দুই দলের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। এই দুই দলের মানুষ বিপদে চরম সাহায্য করে।

(বুদ্ধিমানরা এইখানে কি বলি নাই তাও বুঝবে।)

১৪। অতীত নিয়ে একদম ভাব্বেন না। তবে অতীত থেকে শিক্ষা নিবেন। সুন্দর একটা স্মৃতি কি দ্বিতীয় বার একইভাবে আনন্দিত করবে আপনাকে? nope, never. প্রথমবারের থেকে কম আনন্দের অনুভূতি দিবে। তাহলে অতীতের দুঃখ কেন বারবার কাঁদাবে? সময় নাই, অতীত নিয়ে ভাবার- এভাবে ভাবেন। ইউ উইল বি হ্যাপিয়া।
(সমাজের সমসাময়িক বাস্তবতা থেকে নেওয়া)
পৃথিবীর সকল নারী সুরক্ষিত থাকুক।
(সংগৃহীত)

 : আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য ...
08/04/2023

:

আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর ভিতর ৫ বছর বেশী গুরুত্বপূর্ণ!

ফলে এই সময়ে সবচেয়ে careful থাকা উচিৎ! এই গঠন বলতে বুঝায় - ব্রেইনের connection তৈরী হওয়া।

যার যত connection তৈরী হবে, সে তত ব্রিলিয়ান্ট হবে!

এই connection তৈরীতে রঙিন খেলনা, পুষ্টিকর খাবার, বাচ্চার সাথে খেলা করা, গল্প বলা - এমনই অনেক কিছু নির্ভরশীল!

কিন্তু আমাদের দেশে - বাচ্চা কথা বলা শেখার আগেই - সবাই লাঠি নিয়ে বসে - ঠিকমত পড়ালেখা শিখছে তো?

#খাবারঃ

একসময় এদেশে মায়েদের বাচ্চার খাবারই ছিল - বার্লি আর সাগু!

তখন বার্লি Face বলে, একটা অপুষ্টির লক্ষ্মণ দেখা যেত। বাচ্চা হতো মোটাতাজা, মা মনে করতো - বেশ ভাল স্বাস্থ্য হয়েছে!

আজ সেই জায়গাটা নিয়েছে, সুজি! সুজি হয় চালের গুড়া, নাহলে গমের।

আবার এর সাথে কোন না কোন দুধ মিশ্রিত করে, সাথে থাকে চিনি। অথচ এর সবগুলোই অপুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

কারণ গরীব হলে, গরুর দুধ মিশ্রিত করে - আর টাকা থাকলে infant formula. অথচ দুটোই বাচ্চার জন্য ক্ষতিকারক!

Infant formula'তে কোন কিছু মিশানো নিষেধ। আবার কোন চিকিৎসক লিখে দিলে - শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমরা জানি সবসময়ই সুষম খাবার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে খিচুড়ি হলো, বাচ্চার সুষম খাবার।

অথচ মা'দের বুঝানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাথে যোগ হয়েছে - দাদা/দাদি, নানা/নানি।

মুরুব্বিদের ধারণা - তারাও তো বাচ্চা মানুষ করেছে, কখনো তো সমস্যা হয় নাই!

এর উত্তরে অনেক সময় বলি, দেশ যে ব্রিলিয়ান্ট জনসংখ্যার সংকটে ভুগছে, তা আপনাদের দান!

জাপানে প্রাইমারি স্কুলে কোন পরীক্ষা নেয় না! ওরা এই early childhood development এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

আর তাই সেরা ব্রিলিয়ান্ট ঐদেশে তৈরী হয়। আমাদের মত লাঠি হাতে নিয়ে শিক্ষা দেয় না।

#কেন_খিচুড়ি_সেরা?

আমরা সবাই বা অনেকেই জানি essential amino acid বলে, একটা শব্দ আছে। যা শরীর তৈরী করতে পারে না। ফলে বাহিরের খাবার খেয়ে সেই অভাব পূরণ করতে হয়।

একমাত্র খিচুড়িতেই সবগুলো পাওয়া সম্ভব (চালে আটটি আর বাকিগুলো ডালে থাকে)। ফলে চাল-ডাল একসাথে থাকলেই শুধু সবগুলো essential amino acid পাওয়া সম্ভব!

এছাড়াও ডিমে এইসবগুলো essential amino acid থাকে।

#ফলে_বাচ্চার_খাবার_হওয়া_উচিৎঃ

১) মায়ের বুকের দুধ ২ বছর পর্যন্ত, এর বাহিরে আর কোন দুধ নয়।

২) খিচুড়ি (চাল+ডাল+সয়াবিন/অলিভ ওয়েল+সবজি)

৩) ডিম

৪) মা যখন যা খাবেন - সেখান থেকে মাছ/মাংস/সবজি বাচ্চাকে দিবেন। (ফ্রেশ হতে হবে)

৫) সারাদিনে একবার ফল খাবে। #আঙ্গুর বাদে। বাচ্চা সকাল/দুপুর/রাত, প্রচুর ফল খায় - এটাও ভাল লক্ষ্মণ নয়। কারণ পেট ভরা থাকায়, অন্য প্রয়োজনীয় খাবার খাবে না।

সবশেষে মা'দের বলি - আপনার সন্তান যদি পড়ালেখা নাও করে - Early Childhood Development ঠিক থাকলে, রিক্সা চালক হলে - সেরা রিক্সা চালক হবে। বা চোর হলেও সেরা চোর হবে!

তাই সবাই Early Childhood Development এর উপর সময় দিন। সঠিক খাবার নিশ্চিত করুন! সুজি/গরু/ছাগলের (২ বছর বয়স পর্যন্ত) দূধ খাওয়ানো বন্ধ করুন।

বি.দ্র. ছাগলের দূধে অতিরিক্ত অসুবিধা, এক ধরনের রক্তশূন্যতা রোগ হয়।
অধ্যাপক ডাক্তার নিয়ামত হোসেন রিপন
সহকারী অধ্যাপক (নিওনেটোলজী)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ, ফরিদপুর।

#লেখাটা একজন সিনিয়র স্যারের ।নাম মেনশন করা আছে ।স্যারের অনুমতি সাপেক্ষে পোষ্ট করেছি।

থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে ছিচোড়ে মুভিটা আমার কাছে বেশি প্রিয়।কারণ, থ্রি ইডিয়টস আপনাকে বলবে, তুমিও জিতবে।বাট ছিচোড়ে  মুভিটা আ...
07/04/2023

থ্রি ইডিয়টসের চেয়ে ছিচোড়ে মুভিটা আমার কাছে বেশি প্রিয়।কারণ, থ্রি ইডিয়টস আপনাকে বলবে, তুমিও জিতবে।বাট ছিচোড়ে মুভিটা আপনাকে বলবে, তুমি হারবে, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকবে।

"জীবনের কাছে হেরে গেলাম" লিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহাগ ছেলেটা মরে গেল। হয়তো তাকে কেউ কখনও বলেনি, জিতে যাওয়া মানেই জীবন না, হেরে যাওয়ার মধ্যেও থাকে বেঁচে থাকার আনন্দ।

শিব খেরা, ডেল কার্নেগি থেকে আমাদের বাবা মা, বারবার আমাদের একটা কথাই বলে, তুমিও জিতবে। শক্ত হও। উঠে দাঁড়াও। দৌড়াও। জিততে তোমাকে হবেই।
কিন্তু কেউ কখনও বলে না, তুমিও হারবে। তুমিও তো রক্ত মাংসেরই মানুষ, তোমারও ক্লান্ত লাগবে। একটু বসো। সবসময়ই উঠে দাঁড়ানোর দরকার নাই। সবসময়ই দৌড়ানোর দরকার নাই।একটু বিশ্রাম করো। অনেকক্ষণ তো শক্ত থেকেছো, এবার একটু নরম হও।কেউ বলে না।

বলে না বলেই, সোহাগের মতো ছেলেমেয়েগুলো ঝুলে পড়ে। কেউ রিলেশনশিপের জন্য, কেউ টাকার জন্য, কেউ ক্যারিয়ারের জন্য, কেউ রেজাল্ট বা সিজির জন্য, কেউ বা একটুখানি ভালোবাসার জন্য।

হেলাল হাফিজ এক বুক কষ্ট নিয়ে লিখেছিলেন,

কেউ বলেনি,
ক্লান্ত পথিক,
দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও...

ওদিকে হুমায়ূন আজাদ লিখেছিলেন আরো ভয়ঙ্কর কথা।

আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্যে মারা যাবো
খুব ছোট একটি স্বপ্নের জন্যে
খুব ছোট দুঃখের জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো কারো ঘুমের ভেতরে
একটি ছোট দীর্ঘশ্বাসের জন্যে
একফোঁটা সৌন্দর্যের জন্যে।

মা বাবা, শিক্ষক, গার্জিয়ান, বন্ধু, সমাজ, পৃথিবী, আপনাদের সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ,জিতে যাওয়ার মোটিভেশন দেন, সমস্যা নাই।কিন্তু হেরে যাওয়াদের কথাও একটু বলেন। পৃথিবীতে সবাই জিততে আসে নাই। সবার জেতার দরকারও নাই। কিন্তু এই পৃথিবীতে সবাই বাঁচতে আসছে।

এই পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ ছোট্ট একটা স্বপ্ন ডিজার্ভ করে, একটুখানি সিমপ্যাথি ডিজার্ভ করে, এক ফোঁটা রোদ্র ডিজার্ভ করে, ছোট্ট একটা ঘাসফুল ডিজার্ভ করে।
এই পৃথিবীর আলো বাতাস, জল বা জোছনায় সবার সমান অধিকার আছে। জিতে যাওয়া মানুষটার যেমন দোয়েলের শিষ শোনার অধিকার আছে, হেরে যাওয়া মানুষটারও তেমন এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পাওয়ার অধিকার আছে।

জয়ের মালা বিজয়ীরই থাকুক, ওটার ভাগ কেউ চায় নাই। তাই বলে হেরে যাওয়া মানুষের উপর থেকে এক টুকরো মেঘের ছায়া কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারো নাই।
কারো না।

From the wall of Dada❣🥀

সরিষা ফুলের মধু বিক্রি করা হবে ২৫ টন এর মত আছে I সর্বনিম্ন অর্ডার ১টনIমধুতে ঝোল নাই কোনো, মানে বাড়তি নাই যেটা সেটাই। তব...
26/02/2023

সরিষা ফুলের মধু বিক্রি করা হবে ২৫ টন এর মত আছে I সর্বনিম্ন অর্ডার ১টনI

মধুতে ঝোল নাই কোনো, মানে বাড়তি নাই যেটা সেটাই। তবে সরিষা ফুলেরটা জমে যায়। এখানে ময়েশ্চারাইজার রেট থাকবে ১৯ থেকে ২১%। এ গ্ৰেডের মধু, ট্রান্সপোর্ট ড্রামে হবে। ঢাকায় ডেলিভারি ফ্রী।

লাগলে আরো দেওয়া যাবেI

Address

Panthapath, Green Road
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 11:00 - 12:00
Tuesday 11:00 - 12:00
Wednesday 11:00 - 12:00
Thursday 11:00 - 12:00
Friday 11:15 - 12:00
Saturday 11:00 - 12:00
Sunday 11:00 - 12:00

Telephone

+8801619659981

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TECH BOOST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TECH BOOST:

Share