EEE Project & Equipment

EEE Project & Equipment B.Sc any kinds of project we delivers with short time....So contact with us....
phone number: 01779

B.Sc any kinds of project we delivers with short time....So contact with us....
phone number: 01779479313..... [email protected]

12/07/2018

oneke onek somoy eee project ceyecen dite pari nai to akon amra active aci lagle phone korben .......

24/05/2017

আমাদের কাছে কিছু দিন আগে রেডি করা একটি eee project a আছে।।।। নাম.... efficient use of electricity by using sensoring and monitoring microcontrolar base...কার ও লাগলে পেজ এর নাম্বার টাতে যোগাযোগ করতে পারেন।।।

18/05/2017

assalamualaiku sobai kemon asen....what about all my friends.....stay with me....

01/12/2016

ক্যাপাসিটর (Capacitor)
ক্যপাসিটর অর্থ ধারক। একে কনডেনসারও বলা হয়। সার্কিটে ক্যাপাসিটর সোর্স থেকে বৈদ্যুতিক এনার্জি বা চার্জ সঞ্চয় করে থাকে। ক্যপাসিটরের বৈদ্যুতিক এনার্জি বা চার্জ সঞ্চয় করার ধর্মকে ক্যাপাসিট্যান্স বলে।

ক্যাপাসিটর তৈরি হয় দুটি ইলেকট্রোড বা কন্ডাকটরের সমন্বয়ে যা ইনসুলেটর বা ডাই ইলেকট্রিক দিয়ে আলাদা করা থাকে। প্রয়োজন মত পেপার, প্লাস্টিক, মাইকা, সিরামিক, গ্লাস, ভ্যাকুয়াম বা এই রকম বৈশিষ্টের অন্যকিছু দিয়ে ডাই ইলেকট্রিক তৈরি করা হয়।

ক্যাপাসিটরের ক্ষমতাকে ফ্যারাড এ প্রকাশ করা হয়। এক ফ্যারাড অনেক বড়, প্রায় 6,280,000,000,000,000,000 ইলেকট্রনের সমান। তাই ব্যাবহারীক ক্ষেত্রে মাইক্রো ফ্যারাড (uF) এবং পিকো ফ্যারাড (pF) ব্যাবহার করা হয়। এক মাইক্রো ফ্যারাড সমান 0.000,001 ফ্যারাড এবং এক পিকো ফ্যারাড সমান 0.000,000,000,001 ফ্যারাড।

ক্যাপাসিটরের প্লেট গুলোর মাঝে যখন পটেনশিয়াল পার্থক্য থাকে তখন ক্যাপাসিটরটি চার্জড এবং যখন পটেনশিয়াল পার্থক্য থাকে না তখন ডিসচার্জড।

ক্যাপাসিট্যান্স = C
চার্জ = Q
পটেনশিয়াল ডিফারেন্স বা ভোল্টেজ = V

হলে, C = Q / V



ক্যাপাসিটরের প্রকারভেদঃ
১. ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Fixed Capacitor)
১.১ পেপার ক্যাপাসিটর (Paper Capacitor)
১.২ প্লাস্টিক ফিল্ম ক্যাপাসিটর (Plastic Film Capacitor)
১.৩ পলি কার্বনেট ক্যাপাসিটর (Poly Carbonate Capacitor)
১.৪ মাইকা ক্যাপাসিটর (Mica Capacitor)
১.৫ সিরামিক ক্যাপাসিটর (Ceramic Capacitor)
১.৬ পলিয়েস্টার ক্যাপাসিটর (Polyester Capacitor)
১.৭ স্ট্রিলোফ্লেক্স ক্যাপাসিটর (Striloflex Capacitor)
১.৮ ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর (Electrolytic Capacitor)
১.৯ ট্যানটেলাম ক্যাপাসিটর (Tantalum Capacitor)
২. ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Variable Capacitor)
২.১ ট্রিমার ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Trimmer Variable Capacitor)
২.২ প্যাডার ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Padder Variable Capacitor)
২.৩ গ্যাং ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Gang Variable Capacitor)
পোলারিটি অনুসারেঃ

১. পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Polarized Capacitor)
২. নন-পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Non-Polarized Capacitor)




নন পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Non Polarized Fixed Capacitor):
নন পোলারাইজড ক্যাপাসিটরের কোন পোলারিটি নেই, তাই সার্কিটে এটি পজেটিভ বা নেগেটিভ যেকোন ডিরেকশনে কানেক্ট করা যায়।



পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Polarized Fixed Capacitor):
পোলারাইজড ক্যাপাসিটর সার্কিটে নেগেটিভ এবং পজেটিভ ডিরেকশন অনুসারে সংযোগ করতে হয়।



ভরিয়েবল ক্যাপাসিটর (Variable Capacitor):
ভরিয়েবল ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিট‍্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এগুলো সাধারণত এক বা একাধিক মুভিং প্লেটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন করে ক্যাপাসিট‍্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এই ক্যাপাসিটর রেডিও টিউনে ব্যাবহার করা হয়।




সাধারণ ক্যাপাসিটর পোলারাইজড ক্যাপাসিটর

ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর প্রিসেট ক্যাপাসিটর ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর

ক্যাপাসিটর (Capacitor)ক্যপাসিটর অর্থ ধারক। একে কনডেনসারও বলা হয়। সার্কিটে ক্যাপাসিটর সোর্স থেকে বৈদ্যুতিক এনার্জি বা চা...
01/12/2016

ক্যাপাসিটর (Capacitor)
ক্যপাসিটর অর্থ ধারক। একে কনডেনসারও বলা হয়। সার্কিটে ক্যাপাসিটর সোর্স থেকে বৈদ্যুতিক এনার্জি বা চার্জ সঞ্চয় করে থাকে। ক্যপাসিটরের বৈদ্যুতিক এনার্জি বা চার্জ সঞ্চয় করার ধর্মকে ক্যাপাসিট্যান্স বলে।

ক্যাপাসিটর তৈরি হয় দুটি ইলেকট্রোড বা কন্ডাকটরের সমন্বয়ে যা ইনসুলেটর বা ডাই ইলেকট্রিক দিয়ে আলাদা করা থাকে। প্রয়োজন মত পেপার, প্লাস্টিক, মাইকা, সিরামিক, গ্লাস, ভ্যাকুয়াম বা এই রকম বৈশিষ্টের অন্যকিছু দিয়ে ডাই ইলেকট্রিক তৈরি করা হয়।

ক্যাপাসিটরের ক্ষমতাকে ফ্যারাড এ প্রকাশ করা হয়। এক ফ্যারাড অনেক বড়, প্রায় 6,280,000,000,000,000,000 ইলেকট্রনের সমান। তাই ব্যাবহারীক ক্ষেত্রে মাইক্রো ফ্যারাড (uF) এবং পিকো ফ্যারাড (pF) ব্যাবহার করা হয়। এক মাইক্রো ফ্যারাড সমান 0.000,001 ফ্যারাড এবং এক পিকো ফ্যারাড সমান 0.000,000,000,001 ফ্যারাড।

ক্যাপাসিটরের প্লেট গুলোর মাঝে যখন পটেনশিয়াল পার্থক্য থাকে তখন ক্যাপাসিটরটি চার্জড এবং যখন পটেনশিয়াল পার্থক্য থাকে না তখন ডিসচার্জড।

ক্যাপাসিট্যান্স = C
চার্জ = Q
পটেনশিয়াল ডিফারেন্স বা ভোল্টেজ = V

হলে, C = Q / V



ক্যাপাসিটরের প্রকারভেদঃ
১. ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Fixed Capacitor)
১.১ পেপার ক্যাপাসিটর (Paper Capacitor)
১.২ প্লাস্টিক ফিল্ম ক্যাপাসিটর (Plastic Film Capacitor)
১.৩ পলি কার্বনেট ক্যাপাসিটর (Poly Carbonate Capacitor)
১.৪ মাইকা ক্যাপাসিটর (Mica Capacitor)
১.৫ সিরামিক ক্যাপাসিটর (Ceramic Capacitor)
১.৬ পলিয়েস্টার ক্যাপাসিটর (Polyester Capacitor)
১.৭ স্ট্রিলোফ্লেক্স ক্যাপাসিটর (Striloflex Capacitor)
১.৮ ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর (Electrolytic Capacitor)
১.৯ ট্যানটেলাম ক্যাপাসিটর (Tantalum Capacitor)
২. ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Variable Capacitor)
২.১ ট্রিমার ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Trimmer Variable Capacitor)
২.২ প্যাডার ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Padder Variable Capacitor)
২.৩ গ্যাং ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর (Gang Variable Capacitor)
পোলারিটি অনুসারেঃ

১. পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Polarized Capacitor)
২. নন-পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Non-Polarized Capacitor)




নন পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Non Polarized Fixed Capacitor):
নন পোলারাইজড ক্যাপাসিটরের কোন পোলারিটি নেই, তাই সার্কিটে এটি পজেটিভ বা নেগেটিভ যেকোন ডিরেকশনে কানেক্ট করা যায়।



পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর (Polarized Fixed Capacitor):
পোলারাইজড ক্যাপাসিটর সার্কিটে নেগেটিভ এবং পজেটিভ ডিরেকশন অনুসারে সংযোগ করতে হয়।



ভরিয়েবল ক্যাপাসিটর (Variable Capacitor):
ভরিয়েবল ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিট‍্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এগুলো সাধারণত এক বা একাধিক মুভিং প্লেটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন করে ক্যাপাসিট‍্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এই ক্যাপাসিটর রেডিও টিউনে ব্যাবহার করা হয়।




সাধারণ ক্যাপাসিটর পোলারাইজড ক্যাপাসিটর

ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর প্রিসেট ক্যাপাসিটর ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটর

27/11/2016

তারহীন বিদ্যুৎ প্রবাহের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা। ১৮৯১ সালে তাঁর আবিষ্কৃত টেসলা কয়েল হলো বিশ্বের প্রথম তারহীন বিদ্যুৎ প্রবাহের যন্ত্র।তবে অদ্ভুত সব পরীক্ষায় টেসলা কয়েল ব্যবহার শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে বেতার প্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের কিছু যন্ত্রপাতির অতি প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ টেসলা কয়েল।এ যন্ত্র বিদ্যুৎ শক্তিকে অতি উচ্চ বৈদ্যুতিক চার্জে রূপান্তর করে। এই চার্জ শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে, যা বৈদ্যুতিক বজ্র তৈরি করে।
টেসলা কয়েলে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি নামে দুটি কয়েল আছে, যেখানে প্রতিটিতে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটর (বৈদ্যুতিক বিভব যন্ত্র) থাকে। দুটি কয়েলের মধ্যে এক ‘স্পার্ক গ্যাপ’ পরিমাণ ফাঁকা থাকে। ‘স্পার্ক গ্যাপ’ হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র দূরত্ব। পুরো ব্যবস্থার মধ্যে উচ্চশক্তির উৎস ও ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ করা হয়। মূলত দুটি সার্কিট স্পার্ক গ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত হয়।
৫ টপ লোড
৪ সেকেন্ডারি কয়েল
২ প্রাইমারি কয়েল
৩ ক্যাপাসিটর
১ ট্রান্সফরমার
স্পার্ক গ্যাপ
কীভাবে কাজ করে
১ ট্রান্সফরমারের মধ্য দিয়ে উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ শক্তি যন্ত্রের মধ্যে প্রবেশ করে।
২ প্রাইমারি কয়েলের সঙ্গে শক্তির উৎসের সংযোগ থাকে। এর ক্যাপাসিটর পানি শোষক স্পঞ্জের মতো কাজ করে বৈদ্যুতিক চার্জ শুষে নেয়।
৩ একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত বিদ্যুৎ শক্তি ক্যাপাসিটরের মধ্যে জমা হয়। এর পরে বিদ্যুৎ শক্তি ক্যাপাসিটর থেকে কয়েলে চলে যায়। প্রথম ক্যাপাসিটরটি পুরো খালি হওয়ার পর কোনো শক্তি সেখানে থাকে না। ওই সময় কয়েলটি বিদ্যুৎশক্তি নেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছায় এবং তা স্পার্ক গ্যাপের মধ্যে পাঠায়।
৪ বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহ স্পার্ক গ্যাপের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি কয়েলের মধ্যে যায়। দুই কয়েলের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি আগপিছ করতে থাকে।
৫ সেকেন্ডারি কয়েলের ওপরে থাকে টপ লোড ক্যাপাসিটর নামক একটি অংশ, যা সব বিদ্যুৎ শক্তিকে একত্র kore electric borzo pat ghotay.

তারহীন বিদ্যুৎ প্রবাহের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা। ১৮৯১ সালে তাঁর আবিষ্কৃত টেসলা কয়েল হলো বিশ্বের প্রথম ত...
27/11/2016

তারহীন বিদ্যুৎ প্রবাহের স্বপ্ন দেখেছিলেন বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা। ১৮৯১ সালে তাঁর আবিষ্কৃত টেসলা কয়েল হলো বিশ্বের প্রথম তারহীন বিদ্যুৎ প্রবাহের যন্ত্র।তবে অদ্ভুত সব পরীক্ষায় টেসলা কয়েল ব্যবহার শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে বেতার প্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের কিছু যন্ত্রপাতির অতি প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ টেসলা কয়েল।এ যন্ত্র বিদ্যুৎ শক্তিকে অতি উচ্চ বৈদ্যুতিক চার্জে রূপান্তর করে। এই চার্জ শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে, যা বৈদ্যুতিক বজ্র তৈরি করে।
টেসলা কয়েলে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি নামে দুটি কয়েল আছে, যেখানে প্রতিটিতে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটর (বৈদ্যুতিক বিভব যন্ত্র) থাকে। দুটি কয়েলের মধ্যে এক ‘স্পার্ক গ্যাপ’ পরিমাণ ফাঁকা থাকে। ‘স্পার্ক গ্যাপ’ হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র দূরত্ব। পুরো ব্যবস্থার মধ্যে উচ্চশক্তির উৎস ও ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ করা হয়। মূলত দুটি সার্কিট স্পার্ক গ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত হয়।
৫ টপ লোড
৪ সেকেন্ডারি কয়েল
২ প্রাইমারি কয়েল
৩ ক্যাপাসিটর
১ ট্রান্সফরমার
স্পার্ক গ্যাপ
কীভাবে কাজ করে
১ ট্রান্সফরমারের মধ্য দিয়ে উচ্চমাত্রার বিদ্যুৎ শক্তি যন্ত্রের মধ্যে প্রবেশ করে।
২ প্রাইমারি কয়েলের সঙ্গে শক্তির উৎসের সংযোগ থাকে। এর ক্যাপাসিটর পানি শোষক স্পঞ্জের মতো কাজ করে বৈদ্যুতিক চার্জ শুষে নেয়।
৩ একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত বিদ্যুৎ শক্তি ক্যাপাসিটরের মধ্যে জমা হয়। এর পরে বিদ্যুৎ শক্তি ক্যাপাসিটর থেকে কয়েলে চলে যায়। প্রথম ক্যাপাসিটরটি পুরো খালি হওয়ার পর কোনো শক্তি সেখানে থাকে না। ওই সময় কয়েলটি বিদ্যুৎশক্তি নেওয়ার পর্যায়ে পৌঁছায় এবং তা স্পার্ক গ্যাপের মধ্যে পাঠায়।
৪ বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহ স্পার্ক গ্যাপের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি কয়েলের মধ্যে যায়। দুই কয়েলের মধ্যে এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি আগপিছ করতে থাকে।
৫ সেকেন্ডারি কয়েলের ওপরে থাকে টপ লোড ক্যাপাসিটর নামক একটি অংশ, যা সব বিদ্যুৎ শক্তিকে একত্র kore electric borzo pat ghotay.

know easily about power factor..
27/11/2016

know easily about power factor..

27/11/2016

ফ্যারাডের সূত্র লিখ।
প্রথম সুত্রঃ একটি তার বা কয়েলে ই. এম. এফ আবিষ্ট হয় তখন, যখন উক্ত তার বা কয়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তন ঘটে।
দ্বিতীয় সুত্রঃ আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বল এর পরিমান চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
উপরোক্ত সূত্র একত্রে এভাবে লেখা দুটি যায়ঃ একটি পরিবাহী এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রে আপেক্ষিক গতি যখন এরুপভাবে বিদ্যমান থাকে যে, পরিবাহীটি চৌম্বক ক্ষেত্রটিকে কর্তন করে, তখন পরিবাহিতে আবেশিত একটি বিদ্যুচ্চালক বল সংঘটিত কর্তনের হারের সাথে সমানুপাতিক।
পরিবহী: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজেই এক স্হানহতে অন্য স্হানে বিদুৎ প্রবহিত হতেপারে অর্থাৎ-বিদুৎ প্রবাহে কোন বাধাঁ পায়না তাকে পরিবহী বলে। ইহা তিন প্রকার
1. Good Conductor(সু-পরিবাহী): যে পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজেই বিদুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে Good conductor বলে।পরমাণুর শেষ কক্ষপথে ইলেকট্রন সংখ্যা ১,২,৩ টি থাকে। যেমন:-তামা, সোনা, রূপা, এলমোনিয়াম, দস্তা, পিতল, নিকেল, সীসা, রাং, প্লাটিনাম, ফসফর ব্রোঞ্জ, পারদ ইত্যাদি।
2. Semi Conductor(অর্ধ-পরিবহী): যে পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় আংশিক ভাবে বাধাঁ প্রাপ্ত হয় Semi conductor বলে।পরমাণুর শেষ কক্ষপথে ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ টি থাকে। যেমন:-কার্বন, সিলিকন, মাইকা, কয়লা, জার্মেনিয়াম, বিজা মাটি, বিজা বাঁশ ইত্যাদি।
3. Insulator(কু-পরিবহী)যে পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদুৎ প্রবাহিত হতে পারেনা তাকে Insulator বলে। পরমাণুর শেষ কক্ষপথে ইলেকট্রন সংখ্যা ৫,৬,৭ টি থাকে।য়েমন:- ব্যকেলাইট, এসবেসটস, মার্বেল, পাথর, রাবার, চিনামাটি, তুলা, শুকনো কাগজ, শুকনো বাঁশ ইত্যাদি।
ওয়াট আওয়ার: কোন Load এ এক ঘন্টা যাবৎ এক Watt কারেন্ট প্রবাহিত হইলে তাকে ওয়াট আওয়ার বলে।
কিলো ওয়াট অশ্বক্ষমতা(Horse power)এর সম্পর্ক:
১ অশ্বশক্তি = ৫৫০ফুট পাউন্ড/সেকেন্ড
= ৫৫০*২.৫৪*১৫৩.৬ গ্রাম সে.মি./সেকেন্ড
১ পাউন্ড = ১৩৫.৬ গ্রাম ও ১ ফুট ১২*২.৫৪ সে.মি.
অতএব,
১ অশ্বশক্তি = ৫৫০*৩০.৪৮*৪৫৩.৬ গ্রাম সে.মি./সেকেন্ড
= ৫৫০*৩০.৪৮*৪৫৩.৬*৯৮১ ডাইন সে.মি./সেকেন্ড
= ৭৪৬ জুলস/সেকেন্ড
১ জুলস/সেকেন্ড = ১ ওয়াট
১ ওয়াট = ১ কিলোওয়াট
ইলেকট্রিক পাওয়ার: যে হারে ইলেকট্রন প্রবাহিত হয়ে কাজ সম্পন্ন হয় তাকে ইলেকট্রিক পাওয়ার বলে। বলে।একে p দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক জুল/সেকেন্ড বা ওয়াট।এক volt কাজের পার্থক্যে এক অ্যামপিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হইবে যে পরিমান অপচয় হয় তাকে ওয়াট বলে। অন্যথায় বলা যায় যে ক্ষমতা প্রতি সেকেন্ডে এক জুল পরিমান কাজ সম্পন্ন করে তাকে watt বলে।
1. Magnetizing/চুম্বকিয় প্রভাব: পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন ঐ পরিবাহীর চারিদিকে চুম্বকীয় ফ্লাক্স উৎপন্ন হয় একে পরিবাহীর Magnetizing/চুম্বকিয় প্রভাব।
2. তাপীয় ক্রিয়া: পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যখন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন ঐ পরিবাহীতে তাপের সৃষ্টি হয় তাকে তাপীয় ক্রিয়া বলে।
3. রাসায়নিক ক্রিয়া: রাসায়নিক প্রদার্থের মধ্যে কারেন্ট প্রবাহিত হলে এর রাসায়নিক প্রদার্থের ক্রিয়া নষ্ট হয়ে যায়।
4. দৈহিক ক্রিয়া: মানুষ কিংম্বা জিবজন্তুর দেহ দিয়ে কারেন্ট হলে মারাত্নক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত হইবে।
5. এক্স-রে ক্রিয়া: ইলেকট্রিক কারেন্ট রেয়ার ফিড গ্যাস ,বাষ্প এবং বয়ুর মথ্যে দিয়ে যখন প্রবাহিত হয় উহাদের মথ্যে বিশেষ ধরণের রে(Ray) উৎপন্ন হয়।
6. ইলেকট্রোস্ট্যাটিক্যক ক্রিয়া: যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন ঐ পরিবাহীর পদার্থ ইলেকট্রোস্ট্যাটিক্যলী চার্জ যুক্ত হয়।
7. করণা ক্রিয়া: খোলা আকাশের নিচে দিয়ে পরিবাহী তার টানা হয় এবং ঐ পরিবাহীর মথ্যে দিয়ে যখন উচ্চ voltage পাঠানো হয় তখন ঐ পরিবাহীর তারের নিকট বাতাসের মধ্যে চার্জযুক্ত পরমাণু উৎপন্ন হয়।এই ক্রিয়া-ই করণা ক্রিয়া বলে। এর ক্রিয়ার ফলে ইলেকট্রিসিটি ডিসচার্জ হয়।এই ডিসচার্জ কে করণা ডিসচার্জ বলে।
কারেন্ট : ইলেকট্রন প্রবহের হারকে কারেন্ট বলে।কারেন্ট দুই প্রকার Alternating Current(AC)এবং Direct Current(D)। একে I দ্বারা প্রকাশিত করা হয়।এর একক Ampere(A)।
ভোল্টেজ: ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচূত করার জন্য যে বলের প্রয়োজন হয় তাকে ভোল্টেজ বলে।একে V দ্বারা প্রকাশিত করা হয়।এর একক Volt(V)।

Address

Khilkhet, Dhaka
Dhaka
1229

Telephone

01779479313

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EEE Project & Equipment posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to EEE Project & Equipment:

Share