Anik Rahman

Anik Rahman Hello Friends, This is Anik Rahman Choudhuri From Dinajpur. MY SEO Specialist responsibilities inclu Results first and invoice then simply!

✍I have today helped over 20 companies to develop their digital presence online through, among other things, search engine optimization (SEO) and Google advertising (Adwords).

☞Unlike many other agencies, I only work with Advanced SEO, E-Commerce SEO & SEM, but I consider myself more of a Local SEO specialist. I therefore have 100% focus on delivering visibility on Google to our customers. I lea

ve the construction of websites, Facebook advertising and other types of marketing to other companies as experts in just this.

☞When I enter a customer project, I put on the "customer hat" and become the customer's Google Marketer. Whether it's about increasing sales, getting more contacts or strengthening the company's brand through Google, I deliver results.

🌟 i develop the skills that develop the business community. My mission is to offer people and companies business training and collaborations that are useful now and in the future. I shape and let ourselves be shaped by the outside world in the midst of an international business life that is constantly changing.

✌️I am one of the few players who dare to work entirely on a commission basis where you as a customer only need to pay for the days you appear on Google's front page. Besides, I’ve worked as a SEO Expert with few centers at SEO Training in Bangladesh, like CV-LINKED group, BITM and New Horizon-International.

র‍্যানসমওয়্যার কি?র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকা...
26/07/2021

র‍্যানসমওয়্যার কি?
র‍্যানসমওয়্যার হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি কিনা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।
কিছু র‍্যানসমওয়্যার আছে যা সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব। এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে প্রলুব্ধ করে থাকে।
র‍্যানসমওয়্যার হল ক্রিপ্টোভাইরাল এক্সটরশন এর মত। এটি একটি থ্রেড যা কিনা অ্যাডাম ইয়ং এবং মোটি ইয়ুং অনেক আগে কল্পনা করেছিলেন। র‍্যানসমওয়্যারগুলো সাধারণত ট্রোজান হিসেবে বংশবিস্তার করে যেটার পেলোড দেখতে একটি বৈধ ফাইলের মত হয়।
যদিও র‍্যানসমওয়্যার কেলেঙ্কারি প্রথমে রাশিয়াতে জনপ্রিয় হয়, সম্প্রতি এটি আন্তর্জাতিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের জুন মাসে নিরাপত্তা সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক ম্যাকাফি তাদের একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছিল। এতে দেখানো হয়েছিল যে, তারা ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম চতুর্থাংশে প্রায় ২.৫ লক্ষেরও বেশি অনন্য নমুনা সংগ্রহ করেছিল যা কিনা ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দের প্রথম চতুর্থাংশে সংগ্রহীত নমুনার প্রায় দ্বিগুণের বেশি।
বিভিন্ন রকম ট্রোজান (যেমন - ক্রিপ্টোলকার) এর মাধ্যমে এনক্রিপশন-ভিত্তিক র‍্যানসমওয়্যারের আক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকে যা কিনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নামিয়ে ফেলার আগে বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আনুমানিক ৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার নিয়েছিল।[৫] অন্যদিকে, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের জুনে এক সমীক্ষায় ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই জানায় যে, ক্রিপ্টোওয়াল আনুমানিক ১৮ মিলিয়ন ডলারের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছিল।
Details: Wikipedia (https://bn.wikipedia.org/.../%E0%A6%B0%E2%80%8D%E0%A7%8D...)

02/06/2021

✍আমি ক্রিয়েটিভ নিলয় ,একজন প্রফেশনাল এসইও এক্সপার্ট। ৬ বছর ধরে ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস এ কাজ করছি। এছাড়া লোকাল মার্কেটেও কাজ করছি এসইও এবং সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট হিসেবে। বর্তমানে পিপল এন্ড টেক আইটি ইনস্টিটিউট এ সিনিয়র ফ্যাকাল্টি হিসেবে কার্যরত আছি। ২০০+ ব্যাচ সম্পন্ন করেছি এবং ১০০০+ Student সফল ভাবে আমার কোর্স শেষ করেছে। তারা এখন অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় ভাল পজিশন এ কাজ করছে।

⭐এই লকডাউন চলাকালীন আমি অনেক রিকুয়েস্ট পেয়েছি আমার কোর্স গুলো অনলাইন এ পুনরায় শুরু করার জন্য। বিশেষ করে আমার খুবই কাছের বন্ধু Anik Rahman যিনি দিনাজপুরের একজন সফল লোকাল এসইও এক্সপার্ট তিনি আমার এই পোস্ট টি তার পেজে শেয়ার করেছেন এবং গোটাকয়েক টিম মিটিং এরপর সিদ্ধ্বান্তে আসলাম যে আমার কোর্স গুলোর ডিসকাউন্ট অফারটি একেবারে আপনাদের সাধ্যের মধ্যে!

আমি কে এবং আমার কাছে কোর্সগুলো কেন করবেন:🔰
✅ আমি বর্তমানে গুগল এ থাকা TOP SEO EXPERT দের মধ্যে একজন ।
✅ SEO Expert in bangladesh, Local SEO Expert in Bangladsh এবং আরো অনেক কীওয়ার্ড দিয়ে আমাকে গুগল এ খুঁজে পাবেন ।
✅ LEDP, LICT, SKIT, Scoopa সহ অসংখ প্রজেক্ট এর ব্যাচ সম্পন্ন করেছি ।
✅কোর্স চলাকালীন সময়ে সমস্ত পেইড টুলস এর সাপোর্ট পাবেন যেটা অন্যকারো কাছ থেকে পাবেন না।
〠আমাকে ভাল ভাবে জানতে হলে আপনি যদি গুগলে “SEO Expert in Bangladesh” টাইপ করেন তাহলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন প্রথম পেজে আমার এই পোর্টফোলিওর লিংকটি
💯☞https://creativeniloy.com/

⭐⭐⭐কোর্সগুলোর বিশেষত্ব⭐⭐⭐
♣ ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন এই কোর্সগুলোতে থাকছে তার বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ আলোচনা এবং দিক-নির্দেশনা।
♣ আমাদের কোর্স গুলো করার জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না। ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদের লাইভ ক্লাসে যোগ দিয়ে আপনি কোর্সটি করতে পারবেন।
♣ লাইভ ক্লাস চলাকালীন সময়ে আপনি কোর্স ইন্সট্রাক্টরকে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারেন, কথা বলতে পারবেন এবং আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন।
♣ লাইভ ক্লাস মিস করলে পরের দিন কোর্সের ভেতর ক্লাসের ভিডিও রেকর্ডিং ও আলোচিত ফাইল সমুহ পাবেন। যা আপনি চাইলে ডাউনলোড করে রাখতে পারবেন।
♣ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে, আরও থাকছে আমাদের ফোরাম সেকশন এবং ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে লাইফ টাইম সাপোর্ট………।

✔বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় কাজ হল এসইওএবং ডিজিটাল মার্কেটিং, তাই ভালভাবে শিখলে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে আর কোন চিন্তা করতে হবেনা।
আপনাদের ভালো ভাবে বোঝার জন্য কিছু লিংক শেয়ার করছি যেগুলো দেখলে আপনারা আমার অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে জানতে পারবেন
https://creativeniloy.com/portfolio/
https://creativeniloy.com/blog/
https://blog.creativeniloy.com/

✌️আমি আপনাদের জন্য আমার এই কোর্সগুলোর উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি:-
✔️📌1.Local SEO
✔️📌2.Advanced SEO
✔️📌3.Technical SEO
✔️📌4.Digital Marketing
✔️📌5.Content Writing
✔️📌6.On page SEO
✔️📌7.Off page SEO

✑অনলাইন কোর্স মডিউল গুলো দেখতে চাইলে আপনি এই লিংক টিতে ভিসিট করতে পারেন
https://creativeniloy.com/seo-training-in-bangladesh/

♣ আসন সংখ্যা সীমিত। কোটা পূরণ সাপেক্ষে ভর্তি চলবে।
✑তাই আর দেরি না করে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন এই লিংক টিতে
https://creativeniloyregis.wixsite.com/studentregistration .
✑আপনি যদি আরো বিস্তারিত জানতে চান তাহলে যোগাযোগ করুন এই নম্বর গুলোতে ✆০১৭৭৪৩৪৩২৮২,০১৭০৩৫৪২৭৯৪অথবা ০১৬৪৪৪৫০৯৫৮
🙏ধণ্যবাদ এই করোনা মহামারীতে সবাই ভালো থাকবেন,আপনি নিজে মাস্ক পড়ুন এবং অন্যদেরকে পড়তে সহায়তা করুন।

কে এই 🎯ডিজিটাল মার্কেটার নেইল প্যাটেল ?✍️✎বারংবার ব্যর্থতা যাকে দমাতে পারেনি ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করেন অথচ নেইল ...
31/05/2021

কে এই 🎯ডিজিটাল মার্কেটার নেইল প্যাটেল ?
✍️✎বারংবার ব্যর্থতা যাকে দমাতে পারেনি ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করেন অথচ নেইল প্যাটেলের নাম শুনেন নাই এমন মানুষ এ যুগে পাওয়া খুবই দুষ্কর । ডিজিটাল বিপণন বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারনেট বিপণনকারীদের মধ্যে তার নামটি খুব পরিচিত । যদি আমরা এই মুহূর্তে সেরা কয়েকজন ডিজিটাল মার্কেটার বা ব্লগারের কথা চিন্তা করি প্রথমেই যে নামটি আমাদের সবার মনে আসবে তা হল , . তিনি এমন একজন ব্যক্তি যে সন্তুষ্টিতে বিশ্বাসী না , পরিপূর্ণতায় বিশ্বাসী । যেকোনাে কাজকে নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে তিনি প্রতিটি ব্যবসায়ের কৌশল ভালােভাবে রপ্ত করে তা যথাসময়ে প্রয়ােগ করেন । আর এর জন্যই হয়ত আজ তিনি সফল । নানা চরাই – উতরাই পেরিয়ে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছেছেন ।
✑১৯৮৫ সালের ২৪ শে এপ্রিল ইংল্যান্ডের লন্ডনে নেইল প্যাটেল জন্মগ্রহণ করেন । পরবর্তীতে তিনি বাবা , মা এবং বােনকে নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে আসেন । বাবার সীমিত আয়ে তাদের পুরাে পরিবারের ভরণ – পােষণ চলতাে , ফলে সংসারে অভাব না থাকলেও একটা সচ্ছলতা ছিল না । জীবন যুদ্ধের লড়াই সংগ্রামের মধ্যদিয়েই যেতে হয়েছে তার পুরাে পরিবারকে । তার মামার বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা ছিল । ব্যস্ততার কারণে তিনি সেগুলাে ঠিকঠাক দেখাশুনা করতে পারতেন না । নেইলের মা তার ভাইয়ের ডে – কেয়ার ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব নেন । এ ব্যবসা থেকে তার মায়ের বেশ ভালাে উপার্জিল শুরু হয় । নেইলের বাবা – মায়ের দুজনের মাসিক আয় তখন পরিবারের জন্য যথেষ্ট হলেও তারা সন্তুষ্ট ছিলেন না । তারা ছিলেন অনেক বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী । নেইল প্যাটেল সর্বদা একটি সমৃদ্ধ জীবনযাপনে বাস করতে চেয়েছিলেন যার জন্য তিনি শৈশবকাল থেকেই বিভিন্ন কাজ করা শুরু করেন ।
☛অর্থ আয়ের জনা তিনি শিক্ষার্থীদের কাছে মিউজিক সিড়ি বিক্রি করতেন । বেশি অর্থোপার্জনের জন্য তিনি ব্ল্যাক বক্স বিক্রি করা শুরু করেন । এই ব্যবসায় তার বেশ লভি আসতে থাকে কিন্তু যখন তিনি বুঝতে পারেন যে এটি দীর্ঘমেয়াদী চলবে না তখন তিনি পুনরায় মােটরগাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রি শুরু করেন । এরপর তিনি ফার্ম ব্যবসা শুরু করেন কিন্তু কিছুদিন পর এই ব্যবসাও গুটিয়ে নেন । কোয়ালিটি সিস্টেমে কাজ শুরু করার পর কিছুদিন পর দেখলেন এ কাজটাও বেশ বিরক্তিকর , কারণ দ্বারে দ্বারে গিয়ে মানুষের পরিষেবা দিতে হয় । তার বােন তাকে ওরাকল কনসাল্টিং এ জব দেয় । কিন্তু কিছুদিন পর তিনি সেখান থেকেও বিদায় নেন এবং মনস্টার ডট কমে জয়েন করেন । নেইল এখান থেকে জীবনের অর্থ খুঁজে পান । খুঁজে পান সফল হওয়ার মূলমন্ত্র । এই জনা তিনি পুনরায় চাকরি খোঁজার পরিবর্তে মনস্টার ডট কম থেকে দুর্থ উপার্জনের নানা কৌশল ভালােভাবে রপ্ত করতে থাকেন । একপর্যায়ে অনলাইন মার্কেটিং – এর প্রতি তার ঝোঁক বাড়ে । তিনি তার বােনের স্বামীর সাথে ভিশন ওয়েব হােস্টিং নামে একটি হােস্টিং সংস্থায় প্রায় মিলিয়ন ডলার বিনিয়ােগ করেন ।
☟কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস এখানেও তিনি ব্যর্থ হন । হােস্টিং ব্যবসায় ক্ষতির শিকার হয়ে তিনি আবার ‘ ক্রেজি এগ ‘ নামে একটি সংস্থা গড়ে তুলেন । সংস্থাটি নিয়ে প্রচুর গুঞ্জন তৈরি হওয়ায় কেউই এতে বিনিয়ােগ করতে সাহস দেখায় না । তারপরে তিনি আবার ইন্টারনেট বিপণন সংস্থা শুরু করলেন । এবং এটিই ছিল প্যাটেলের জীবনে নেয়া অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত । ব্যর্থতাকে জয় করে দৃঢ় প্রচেষ্টায় নেইল প্যাটেল এখন সফলদের একজন । মাত্র ১৬ বছর বয়সে প্রতি মাসে ৩৫০০ ডলার উপার্জন করেছেন , এই বয়সী অনেকের কাছে যা নিহক স্বপ্ন মলে হবে । নেইল প্যাটেল ‘ Kissmetrics ” , ‘ Hello Bar এবং ‘ Crazy Egg এর সহ – প্রতিষ্ঠাতা । তিনি নিউইয়র্ক টাইমসের বেস্ট সেলার লেখক এবং উদ্যোক্তা । ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাকে শীর্ষ প্রভাবশালী অনলাইন মার্কেটার বলে অভিহিত করেছে । ফোর্বস – এর মতে , তিনি বিশ্বের সেরা শীর্ষ ১০ বিপণনকারীদের একজন ।মনে করে তার হাতে বিশ্বের ১০০ টি ব্যবসা সফল প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে ।
♛সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ৩০ বছরের কম বয়সী ১০০ সফল উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্যাটেলকে শীর্ষ সফল অক্লাইন মার্কেটার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন । বারংবার ব্যর্থতা স্বপ্নবাজ এই তরুণকে দমিয়ে রাখতে পারেনি । মাত্র ৩৬ বছর বয়সী এই তরুণ এখন আনুমানিক ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক । দৃঢ় প্রত্যয় ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কোন কাজ শুরু করলে একসময় যে সফলতা আসে নেইল প্যাটেল যেন তারই প্রমাণ । ✔️এই মুহূর্তে প্যাটেলের পক্ষে সবচেয়ে বড় অর্জন তঁার স্মার্ট কাজ । তঁার অত্মিপ্রত্যয় ও শ্রম আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস ।

22/05/2021

কেমন জব পেতে পারেন একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ?

আপনি কি ডিজাইনার? তাহলে এই আইডিয়া গুলো আপনার জন্য। চলুন দেখে নেই কত ভাবে কোথায় থেকে আপনি উপার্জন করতে পারবেন।
আপনি লোকাল জব করতে পারেন। এখন বিভিন্ন এজেন্সি বেশ ভালো সেলারি দিয়ে ডিজাইনার হওয়ার করে। আপনাকে চোখ খোলা রাখতে হবে।
ডিজাইন কমুনিটিগুলোতে একটিভ থাকতে পারেন। এখন থেকে লোকাল অনেক ক্লাইন্ট পাবেন। আপনাকে লোকাল ক্লাইন্ট অনেক স্মার্টলি হ্যান্ডেল করতে জানতে হবে।
আপনি বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স প্লাটফর্মে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।
1. Fiverr
2. Upwork
3. Freelancer
4. PPH
5. Envato Studio
ইন্টারন্যাশলান বিভিন্ন কোম্পানিগুলোতে রিমোট জব করার অপশন আছে। এর জন্য ভালো ইংলিশ আর পোর্টফোলিও থাকা জরুরি।
1. Flexjobs
2. Justremote
3. Linkedin Job
4. Remotive
5. We work remotely
আপনার টার্গেটেড নিস অনুযায়ী সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে একটিভ থাকতে পারেন। বিভিন্ন কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ লোকদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করুন। এইটা অনেক সময় সাপেক্ষ কাজ তবে দীর্ঘ সময়ে অনেক বেশী রিটার্ন পাবেন।
আপনি মাইক্রোস্টক সাইটে আপনার বিভিন্ন ডিজাইন বিক্রয় করতে পারেন। পণ্যের অনুমোদন এখানে অনেক সহজ।
1. Creative Fabrica
2. Shutterstock
3. Adobe stock
4. Istock
5. Envato Elements
5. Freepik
6. Uplabs
আপনার প্রোডাক্ট অনেক , চাচ্ছেন ব্যান্ডেল আকারে সেল করতে ?
1. Creative Market
২. Design bundle
4. Etsy
আপনি কি প্রিমিয়াম কোয়ালিটি লোগো / ব্র্যান্ড মার্ক তৈরী করতে পারেন। তাহলে আপনি নিচের কোম্পানি গুলোর সাথে কাজ করতে পারেন।
1. Brandcrowd
2. Logoground
3. Logomood
আপনি কি ভালো আইকন বানাতে পারেন ? এই সাইট গুলো আপনার জন্য।
1. Iconfinder
2. Flaticon
3. Thenounproject
ফন্ট বানানো যদি আপনার নেশা হয় তবে নিচের সাইট গুলো থেকে আপনি ভালো ইনকাম জেনারেট করতে পারেন।
1. My font
2. Dafont
3. Fontdaily
আপনি যদি প্রিন্ট ও ডিমান্ড নিয়ে কাজ করতে চান তবে নিচের সাইট গুলো আপনার জন্য হতে পারে আদর্শ।
1. Amazon Kdp
2. Redbubble
3. Socity6
4. Teepublic
আপনি যদি ডিজাইন কন্টেস্ট করতে ভালোবাসেন তবে এই কোম্পানি গুলোর সাথে কাজ করতে পারেন।
1. 99designs
2. Freelancer
3. Designcrowd
4. Designhill
এই সময়টা আপনার পোর্ট ফোলিও বিল্ডআপ করার দারুন সুজোগ। আজকেই শুরু করে দিন পোর্টফোলিও সাজানো। গুনগত মানের পোর্টফোলিও তৈরী করতে পারলে দেখবেন ক্লাইন্ট আপনাকে খুঁজে নিবে।
1. Own Site
2. Dribbble
3. Behance
আপনি যদি অভিজ্ঞ আর দক্ষ হয়ে থাকেন তবে মানুষকে শেখানোর মাধ্যমেও ভালো উপার্জন করতে পারেন।
1. Youtube
2. Udemy
3. Skillshare
4. Instructory
সাথে Graphicriver, Ui8 এর মত কত সাইট আছে যেখানে আপনি আপনার প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন।
প্রোডাক্ট সেলিং কিংবা সার্ভিস যেকোন একটা ধরে সামনে যেতে হবে। একসাথে দুইটা করতে গেলে অনেক সমস্যায় পড়বেন। যেকোন একটা ইন্ডাস্ট্রি ধরে সে অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করুন।
আপনি যদি সার্ভিসবেজ কাজ করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার এই স্কিলগুলি ডেভলপ করা জরুরি :
1. Marketing
2. Communication
3. Pricing
4. Deal closing
5. Relationship
আপনি যদি প্রোডাক্টৰেজ কাজ করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার এই স্কিলগুলি ডেভলপ করা জরুরি :
1. Market Research
2. Trend
3. Basic seo
4. SMM
5. Innovation
এত অপশন থাকতেও যদি আপনি কাজ না করতে পারেন তবে এর ব্যর্থতা নিতান্তই আপনার।

15/05/2021

কন্টেন্ট রাইটিং এর সবচাইতে সহজ কিন্তু গুরুত্ববহ বিষয়
এ পর্যন্ত যত জন রাইটারের সাথে কাজ কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে করেছি তাদের ভেতর নতুন রাইটার ছিলেন অনেকেই।তো নতুন-পুরাতন রাইটারদের ক্ষেত্রে একটা বিষয় লক্ষ্য করেছি।আর তা হল, জটিল আর যৌগিক বাক্যের ব্যবহার।ইংরেজিতে যাকে বলে কমপ্লেক্স আর কম্পাউন্ড সেন্টেন্সের ব্যবহার।কমপ্লেক্স সেন্টেন্স ব্যবহার করলেই আপনার লেখা সুন্দর হয়ে যাবে এ ধারণা ভুল।এখানে ২ টা বিষয়ঃ

১) গঠন বা স্ট্রাকচারঃ
ওইযে বললাম, সিম্পল সেন্টেন্স বা সরল বাক্যের চাইতে জটিল আর যৌগিক বাক্যের ব্যবহার বেশি।এই বিষয়টাকেও আবার ২ টা কারণে এভয়েড করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।ক) গুগোলের nlp বলেন বা বিং বা ডাকডাকগো- কেউই এখনো এতটা উন্নত হয়ে উঠতে পারে নি যে আপনার একের পর এক কমপ্লেক্স সেন্টেন্স বুঝে ফেলবে।এখানে সিম্পল সেন্টেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম। আমি বলছি না এরা কমপ্লেক্স সেন্টেন্স বুঝে না। তবে একটা সিম্পল সেন্টেন্সের এন্টিটি, সেন্টিমেন্ট, ক্যাটাগরি এগুলি যত সহজে বুঝবে কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের ক্ষেত্রে এতটা সহজে বুঝবে না।খ) আপনাকে ধরেই নিতে হবে, যারা আপনার লিখা পড়ছে এরা এলিমেন্টারি লেভেলের লিখা বুঝতে পারে।কারণ আপনি শুধুমাত্র যারা জটিল বাক্য পড়ে বুঝতে পারে তাদের জন্য লিখছেন না। আপনার কাজ সাহিত্য বা কোন রকেট সায়েন্সের থিসিস লিখা না। আপনার কাজ হল, সহজভাবে কত সুন্দর করে কত বেশি ইনফরমেশন সুন্দর কন্টেন্ট স্ট্রাকচারে পাঠককে দেয়া যায়।

২) শব্দচয়নঃ
অনেকেই ভাবেন, আপনার লেখায় ভারি ভারি শব্দ যোগ করলেই লিখাও অনেক ভাল দামি হয়ে যাবে। বিষয়টা এরকম না।সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে হলে যদিও এই বিষয়টাকে ২ ভাবেই দেখে ২ দল মানুষ। কেউ বলে, ভারিক্কী কথা দিয়েও/দিয়েই সাহিত্য হয়। আবার কেউ বলে মীনক্ষোভাকুল কুবলয় না বলে মাছের তাড়নে যে পদ্ম কাঁপিতেছে, বলাই শ্রেয়।*কিন্তু কনটেন্ট রাইটিং এর ক্ষেত্রে আমার এই ৭ বছরের অভিজ্ঞতায় যা দেখেছি, সহজবোধ্য কিন্তু উপযুক্ত আর সুন্দর শব্দ ব্যবহারের চাইতে ভাল আর কিছু হতে পারে না।অর্থাৎ, শব্দচয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখবেন, তা

উপযুক্ত কি না
সহজবোধ্য কি না
সুন্দর কি না
এসবের ব্যতিক্রমও দেখেছি, তবে তা খুবই কম। অর্থাৎ একেরপর এক কমপ্লেক্স সেন্টেন্স দিয়েও শুধুমাত্র অসাধারণ লেখনী শক্তি দ্বারা পাঠককে আকৃষ্ট করে রেখেছে এরকম কন্টেন্ট ও দেখেছি।কিন্তু ধরেই নিতে পারেন, আপনি সহ বাকি ৯৯ ভাগ মানুষই তাদের কাতারে পড়ি না। কাজেই তাদের ফলো না করার পক্ষপাতী আমি।আমার মন্তব্যও ফলো করার দরকার নেই, বড় বড় সব মার্কেটারই আপনাকে একই কথা বলবে।সহজবোধ্য বাক্যের মাধ্যমে ইনফরমেশন দিন আপনার পাঠককে।সহজ সহজ বাক্য দিয়ে অত্যন্ত চমৎকার লিখা লিখা যায়।

11/05/2021

What Is Affiliate Marketing? A To Z Guide In 2021
What Is Marketing?
First of all, don’t compare marketing to online. Think about it offline and think for yourself what is marketing and how is the product marketed? Marketing is usually about buying or selling goods. Marketing is the process of marketing or selling the products that you have in different ways.

What Is Affiliate Marketing?
Affiliate marketing is a process of marketing products based online. But you don’t have to go that deep. In order to make it easier for everyone to understand, affiliate marketing is about getting a percentage (%) commission from the product sold by delivering or selling various products of the company or organization related to buying and selling products online.

This means that the company will give you different products and you will sell those products to the customers through link sharing. Finally the company will pay you 10% – 15% commission on the total price of the product you sell. In fact, this is what affiliate marketing is all about for you and me.

Now the question may arise in your mind, how do I get the products of different companies? You will not be given any product here. You will register on the website of a company. After registration, you will be given a completely unique Url.

Then you can click on all the products that you want to promote and take a different URL for each product. Then you will continue to reach those links to the buyers. When a buyer buys a product by clicking on your link, he will pay a percentage commission from the price of that product. Basically, this process is called affiliate marketing.
Reasons To Start Affiliate Marketing
Today we will share with you reasons here. Once you know the reasons, you will definitely understand better about affiliate marketing. After knowing these. You will understand very well whether you need to start affiliate marketing. Let’s find out then: –

General Business Model –
This is a very common business. That’s why you don’t need to plan for a long time to start your business. A 10 minute plan may be enough to start this business. But to get quick success in business you need to do a lot of research and planning. Once you start the business you can gradually plan and implement it. The image below is the business model of affiliate marketing –
How do I get started with affiliate marketing?
There are three sectors you need to manage. Success in affiliate marketing is guaranteed if you manage these three sectors well. So you can start this convenient business from today. The more time you take, the more you will lag behind others.
Affiliate Marketing Doesn’t Need Your Own Product –
The biggest advantage of this business is being. You do not have to worry about the product to do this business. Here you can make a profit by selling millions of products as you wish without any investment. If you want to start this business through Amazon, you can add millions of products to your shop. Now you have to start a business with millions of products?
I said if you want, you can start a business with millions of Amazon products. However, this does not mean that you have to start a business with all the products. There are several strategies for success in affiliate marketing: One is to start a business by targeting certain products or niche ideas. I will personally advise you. Start this business with some popular and low competition products. Affiliates with what products

How To Make More Income?
First of all, in order to earn money, you must be patient and work hard for a long time. Then gradually success will be in your hands. However, there are some techniques that need to be adopted to increase income through affiliate marketing. Generally, people can easily increase their income by working on the products that people buy more online.

If you prefer things that are in demand offline but have low demand online then you cannot be successful or profitable by affiliate marketing. For this reason, if you review the products that have a lot of demand online and share the link, you can easily earn more money.

However, I would like to clarify another point that if the content of your blog or website is in English, there is a possibility of increasing the income. Because the people of Bangladesh do not buy any product to be online till now. So if you do affiliate marketing by blogging in Bengali, the chances of success are very low. In this case, if you can do affiliate marketing with the product that is in demand by sharing the article in English, you will be able to earn more money in a very short time.

Advice On Affiliate Marketing
Create your own blog or website before you start working. If you want to create a blog for free, you can create a blog with Google Blogger. However, after the design and sorting of the blog is completed, you will set a top level dot com or dot net domain.

Then you will continue to create reviews of the product that you know about. When 15/20 posts of the blog are done, start working on the SEO of the blog. Because without SEO, it will not be possible to get a lot of traffic to the blog. And to get your product to the buyers, the blog will definitely need visitors. The more visitors to your blog, the more sales your product will have.

Moreover, if you are very popular on pages, Facebook groups, Facebook Messenger groups, Twitter, YouTube channels, WhatsApp chat messengers, and other social media, then you can also promote your product by sharing your blog link and direct product link. But whatever you do, you have to work hard to increase success and income. Otherwise, it will not be possible to earn income through affiliate marketing in any way without hard work.

Conclusion
What is affiliate marketing or affiliate marketing and how to start affiliate marketing and what are the affiliate marketing sites, you have got a rough idea? If you follow affiliate marketing by following all the tips shown to us, you will one day be able to earn good quality smart income through affiliate marketing.

09/05/2021

এক ফেসবুকে এতো নির্ভরশিলতা কেন? কি করা উচিৎ
ফেসবুক বাংলাদেশে আসার পর থেকেই অনেক জনপ্রিয়, শুধু বাংলাদেশে না সারা পৃথিবীতে ই ফেসবুক অনেক জনপ্রিয়, কিন্তু কথা অন্য যায়গায়, ফেসবুক সারা পৃথিবীতে সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে জনপ্রিয়, বিজনেস করার জন্যও জনপ্রিয় কিন্তু বিজনেস করার জন্য আমরা ফেসবুকের উপর যেভাবে নির্ভরশিল সেভাবে কি ফেসবুক অন্যরাও এতো বেশি নির্ভরশিল। দ্বিমত থাকতে পারে তবে আমি মনে আমরা অনেক বেশি মাত্রায় ফেসবুকের উপর নির্ভরশিল।
কেন আমরা এতো বেশি ফেসবুক মার্কেটিং এ নির্ভরশীল।
১। ফেসবুকে প্রচুর মানুষ, তাই এটাই সব থেকে ভালো প্লাটফর্ম
২। গুগল অ্যাড, এস ই ও ইত্যাদি সম্পর্কে আমরা খুব ভালো জানি না, বিশেষ করে লোকাল ভাবে যারা বিজনেস করছে অথবা যারা জানি তারা অনেকেই রিস্ক নিতে চাই না, কারন অন্যরা তো ফেসবুকেই করছে আমিও তাই করবো।
৩। ফেসবুকেই মার্কেটিং একমাত্র পথ হিসেবে মনে করা, অনেকটা সাব কন্সাস মাইন্ডে ঢুকে গেছে যে ফেসবুকেই মার্কেটিং করা লাগবে।
ফেসবুক ছাড়া অন্য কিভাবে প্রোডাক্ট অথবা বিজনেস মার্কেটিং করা যায়
আমি এখানে ফেসবুক বয়কট করেন, বাদ দেন ইত্যাদি এগুলা লিখতে আসি নাই, শুধু এটাই জানাতে চাই যে শুধু মাত্র ফেসবুক নির্ভর মার্কেটিং আমাদের জন্য শুভ ফলাফল বয়ে আনছে না সব সময়। তাহলে ফেসবুকের সাথে সাথে অন্য মিডিয়াগুলাতে আমরা যদি শুরু করি হয়তো রাতারাতি হবে না তবে একদিন হবেই এটা বলাই যায়।
অন্য কোন প্ল্যাটফর্মে কাজ করা যেতে পারে
১। ওয়েবসাইট বানিয়ে সেটার এস ই ও করা, আমরা হয়তো মনে করতে পারি যে গুগল থেকে সেল আসে না ইত্যাদি ইত্যাদি কথাটা সঠিক না, সঠিক ভাবে করতে পারলে গুগল হতে পারে চমৎকার একটা মার্কেটিং প্লেস, অনেকেই করছে, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপনি যখন ভিজিট করেন নিজেই দেখতে পাবেন সেখানে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন, অথবা আপনি যখন ইউটিউবে ভিডিও দেখার সময় অ্যাড দেখেন সেটাও।
গুগলে সার্চ করে যারা প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস খুঁজে তাদের কিন্তু একটা লক্ষ্য থাকে, ফেসবুকে আমরা স্ক্রল করে বেড়াই এবং যদি চোখের সামনে আমাদের প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস আসে আমরা সেটা গ্রহন করি, কিন্তু গুগলে যারা সার্চ দেয় তারা কিন্তু একটা প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস কিনবে এটা আগে থেকে চিন্তা করেই সার্চ দেয় এবং সেটা যদি হয় তাহলে এখানে কনভার্সন রেট কিন্তু ভালো থাকে।
আর বিভিন্ন ওয়েব সাইটে আমরা যে অ্যাড দেখি, আমরা গুগলে অ্যাড দেয়ার সময় নির্বাচন করতে পারি যে কোন কোণ ধরনের ওয়েবসাইটে আমার অ্যাড গুগল শো করবে।
২। ফেসবুক ছাড়াও অন্য সোশ্যাল সাইটে মার্কেটিং করা
পিন্টারেস্ট, টুইটার, লিঙ্কডিন, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি আরো বহু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আছে, তাদের পেইড অ্যাড সার্ভিসও আছে, তাহলে সেগুলা নিচ্ছি না কেন আমরা?
একটাই কারন এগুলা আমাদের দেশে ফেসবুকের মত জনপ্রিয় না, ভিজিটর কম? কিন্তু আপনি জানেন কি পাশের দেশ ভারতে এখন পিন্টারেস্ট প্রোডাক্ট মার্কেটিং এ অনেক বেশি জনপ্রিয়? আসলেই তাই।
এটা আসলে প্র্যাকটিসের ব্যাপার, একদিন দুইদিন, অথবা একমাস দুইমাসে হবে না, সময় লাগবে তবে আমাদের অন্য যে সোশ্যাল সাইটগুলা আছে সেগুলাতে সময় দেয়া লাগবে, নিয়মিত আসা লাগবে, পোস্ট করতে হবে, কমিউনিটি বিল্ডাপ করতে হবে, অন্যদেরকে ইনভাইট করতে হবে। ঠিক যেভাবে আমরা ফেসবুক কে জনপ্রিয় করেছি সেরকম ভাবে আমাদের কাজ করতে হবে। আপনি শুরু করেন, আরো ১০ জনকে বলেন, তারা আরো ১০০ জনকে বলবে, এভাবে শুরু হবে।
আমি বলছি না টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, পিন্টারেস্ট, লিঙ্কডিন ইত্যাদি সব কিছুতে একসাথে কাজ করেন, যে কোন একটা মিডিয়া নির্বাচন করেন, বিশ্বাস করেন, মার্কেটিং কোথায় করছেন সেটা জরুরি না, সেটা ফেসবুকে না হলে কোন কিছুই ম্যাটার করে না, ম্যাটার করে মার্কেটিং যেখানে করছেন সেখানে ভিজিটর আছে কিনা, ভিজিটররা সেখানে নিয়মিত কিনা। যখন ভিজিটর থাকবে, তারা নিয়মিত ভাবে সময় কাটাবে তখন ব্যবসায়ীরা অটোমেটিক্যালি সেখানে অ্যাড দিবে।
উদ্যোক্তাদের কথা চিন্তা করে, ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর বিভিন্ন গাইডলাইন, সাজেশন, টিপসমূলক আমার লেখা একটা বই আছে বাজারে, যারা নিতে আগ্রহী আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।
নিজেদের একটা প্ল্যাটফরম এর কথা চিন্তা করা
না, আমি সোশ্যাল মিডিয়ার কথা বলছি না, তবে আমরা এখানে একটা প্লাটফর্ম করতে পারি যেখানে মানুষ বিজ্ঞাপন দিবে, হ্যা বিক্রয় ডট করছে তাহলে সেখানে আমরা নিয়মিত হতে পারি বায়ার এবং সেলার অথবা নতু ফরম্যাটে, নতুন আইডিয়াতে নতুন কিছু তৈরি হতে পারে, যেখানে ভিজিটর আসবে, এসে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসের অ্যাড দেখবে এরপর সেখান থেকে কেনা বেচা হবে। যতটা সহজ ভাবে লিখলাম একদমই সহজ না কাজটা করা তবে আমি মনে করি অসম্ভবও না, আর নিজেদের প্লাটফর্ম থাকলে কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে যেমনঃ
১। অলগারিদম আমরা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট চিন্তা করে বানাতে পারবো
২। টার্গেটিং এ অনেক ধরনের অপশন থাকবে যেটা আমরা ফেসবুকে পাই না, যেমন যাদের গাড়ি আছে, যাদের বাড়ি আছে, যাদের বাইক আছে, প্রতিটা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটির ডাটাবেজ থাকতে পারে এখানে, প্রতটা কোম্পানির ইমপ্লোয়ারের ও। তাহলে অ্যাড দিতেও সুবিধা হবে, কেউ হয়তো চায় গাড়ি সম্পর্কিত কোন সার্ভিস দিতে তাহলে সে খুব সহজেই যাদের গাড়ি আছে তাদের নির্বাচন করতে পারবে, কেউ চায় প্রাইভেট ভার্সিটির স্টুডেন্টদের টার্গেট করতে সে খুব সহজেই পারবে, ফেসবুকে আছে ভার্সিটির স্টুডেন্ট, ইমপ্লোয়ার কিন্তু সেটা কতটুকু আছে এবং কত ভালো ভাবে আছে এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই, এ ছাড়া আরো অনেক কিছু টার্গেট এ নিয়ে আসা যাবে আমাদের বিভিন্ন ধরনের ডেমোগ্রফিক তৈরি করার মাধ্যমে।
আজকে এতোটুকুই, এটা লেখার উদেশ্য একটাই ছিলো যে ফেসবুক থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে হবে, অন্য উপায় সামনে আছে সেগুলাতে কমিউনিটি বিল্ডাপ করতে হবে না হলে যখন ফেসবুকে প্রবলেম হয় তখন একজন ব্যবসায়ীকে কিরকম বিপদে পড়তে হয় সেটা বুঝার এখনই মনে হয় সেরা সময়।

06/05/2021

নতুন দের জন্য ফাইভার, কিভাবে কাজ করবেন ফাইভারে?
ফ্রীলান্সিং এর কাজ করার জন্য ফাইভার বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস। বায়ার ও সেলার উভয়ের কাছে জনপ্রিয়। দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের চেয়ে তুলনামূলক সহজ ও চাহিদা বেশি থাকায় নতুন অনেকে কাজ শিখার পর ফাইভারের মাধ্যমে টাকা আয় করতে আগ্রহী হচ্ছেন। দেখা যাচ্ছে কেউ অনেক কাজ পাচ্ছে আবার কেউ কাজই পাচ্ছে না। তাহলে সমস্যা কোন জায়গায়? প্রধান যে সমস্যা দেখা যায় নতুনরা অ্যাকাউন্ট খোলার পরই কোনমতে একটা গিগ তৈরি করে আর বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে গিগ শেয়ার করতে থাকে!
গিগ শেয়ার দোষের কিছু না। ফাইভার নিজেই বলে আপনার গিগ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য (যদিও লাভ বেশি হয় ফাইভারের 😛 । ব্যাপারটা পরে বুঝিয়ে বলছি। ) । ধরুন, আপনার একটা কাপরের দোকান আছে। দোকানের অর্ধেকের বেশি জায়াগা খালি আর সাজসজ্জা তেমন ভালো নয়। আপনি এইদিকে খেয়াল না দিয়ে আপনার দোকানের প্রচারণা শুরু করে দিলেন! কিছু গ্রাহক আসবে ঠিকই। এসে দেখবে আপনার দোকান প্রায় খালি। কিছু নাই। অই গ্রাহকদের জায়গায় আপনি নিজেকে কল্পনা করুন। আপনি কি দোকানে থাকবেন না বের হয়ে যাবেন? সিদ্ধান্ত আপনার হাতেই ছেড়ে দিলাম 🙂
এখন চিন্তা করুন আপনি ফাইভার গিগ তৈরি করলেন কিন্তু তেমন কিছু লিখলেন না। আপনি কি কাজ পারেন বা কাজের স্যাম্পল বা বায়ার কেনও আপনাকে বেঁছে নিবে কিছুই লেখা নেই। তাহলে বায়ার আপনাকে কেনও অর্ডার দিবে? আপনি যে সার্ভিস দিবেন, এর মত এর হাজার হাজার গিগ আছে। বায়ারেরতো আরও বিকল্প আছে। যখন আপনি দোকানে দেখবেন কাপর নেই। তখন নিশ্চয়ই পাশের দোকানে চলে যাবেন না? এটা নিশ্চয়ই হওয়ার কথা!
আপনি যতই মার্কেটিং করুন বা গিগ শেয়ার করুন। কোনকিছু লাভ হবে না, যতক্ষণ না আপনি আপনার গিগ প্রফেশনাল ভাবে সাজাবেন। তাহলে কি প্রফেশনাল কাউকে হায়ার করতে হবে? না ভাই, আপনি নিজেই পারবেন। শুদু আপনাকে সময় নিয়ে গবেষণা করতে হবে। আপনি ধাপে ধাপে দেখানো চেষ্টা করবো কিভাবে আপনি প্রফেশনাল মানের গিগ সাজাতে পারেন।
এই পোস্টে এক্সাম্পল হিসেবে ‘ওয়ার্ডপ্রেস ল্যান্ডিং পেজ’ এর গিগ কিভাবে তৈরি করা যায় তাই দেখাবো। মোটামটি সব গিগের একই রকম অপশন থাকে। একটা গিগ তৈরি করা দেখলে আশা করি বাকী গিগ কিভাবে তৈরি করতে পারেন তা বুঝতে পারবেন।
তাড়াহুড়া করার কিছু নেই। ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করুন। বায়ার কি লিখে সার্চ দিবে তাই নিয়ে চিন্তা করুন। বায়ারের জায়গায় আপনাকে চিন্তা করুন। ‘ল্যান্ডিং পেজ’ লিখে সার্চ দেওয়ার সুযোগ বেশি। আপনিও লিখে সার্চ দিন। নিশ্চয়ই অনেক গুলা গিগ আপনার সামনে। দেখুন এই নামে সার্চ দিলে কয়েক হাজার গিগ আছে। কিন্তু আপনার সামনে কয়টা আছে? ৪৮ টা! এগুলা কেনও আলাদা? নিশ্চয়ই কোন কারন আছে? আমরা এই কারন বের করার চেষ্টা করি। খেয়াল করবেন যাদের গিগ প্রথম পেজ এ আছে, তাদের কাজ পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি। এর মধ্যে যাদের রিভিউ ৭০-৮০ টি এর উপরে আছে তার মধ্য থেকে ৮-১০ টা গিগ নতুন ট্যাবে ওপেন করে রাখুন। এখন খেলা শুরু 🙂
গিগ টাইটেল: গিগ তৈরি করার সময় প্রথমে দিতে হয় গিগ টাইটেল। সর্বোচ্চ ৮০ অক্ষর ব্যাবহার করতে পারবেন টাইটেলে। যে গিগ গুলো আপনি নতুন ট্যাবে ওপেন করেছেন। সেগুলার প্রতিটা টাইটেল আপনি কোন একটা এডিটর বা ওয়ার্ড ফাইলে রাখুন। তারপর দেখুন কোন ওয়ার্ডগুলা কমন এবং অনেকেই ব্যাবহার করেছে। ওয়ার্ডগুলা আলাদ করে রাখুন। এর ফলে আপনি অনেক গুলা ওয়ার্ড পেয়ে গেলেন। এখন আপনি এই ওয়ার্ডগুলোকে সুন্দর করে সাজিয়ে নিজের মত একটি টাইটেল তৈরি করুন। ভুলেও কপি করবেন না।
ক্যাটাগরি, সার্ভিস টাইপ আর মেটাডাটা: এগুলা আপনি অই গিগ দেখে আইডিয়া নিতে পারেন এবং পাশাপাশি নিজে যা দিতে পারবেন সেগুলা সিলেক্ট করবেন।
সার্চ ট্যাগস: এইতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বায়ার কি লিখে সার্চ দিতে পারে, সেগুলা লিখবেন। টাইটেলের মতই সব গিগ থেকে ট্যাগস নিয়ে আলাদা করে রাখবেন। তারপর যেগুলা জনপ্রিয় ও বেশি ব্যাবহার করা হয়েছে সেগুলা যোগ করবেন।
প্রাইস প্যাকেজ: এখানে সাধারণত একটি বা ৩ টি প্যাকেজ রাখা যায়। সবচেয়ে ভালো হয় ৩ টি প্যাকেজ ব্যাবহার করলে। অন্যান্য গিগ দেখে ধারনা নিতে পারেন। আপনি নতুন হলে নরমাল প্রাইসের চেয়ে সামান্য কম রাখতে পারেন। তবে খুব কম রাখবেন না। এতে মার্কেট নষ্ট হয়। আর যাদের কাজ দেওয়ার ইচ্ছা তারা প্রাইসের চেয়ে কোয়ালিটির দিকে বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে। প্রাইস করার সময় এক প্যাকেজের সাথে অন্য প্যাকেজের যাতে একটা ব্যবধান থাকে। ধরুন, একটি শার্ট কিনলে ৫০ টাকা, ২ টা কিনলে ৮০ টাকা আর ৩ টা কিনলে ১০০ টাকা। যাতে বড় প্যাকেজ অর্ডার করতে বায়ার আগ্রহী হয়।
এক্সট্রা সার্ভিস: এখানে নিয়মিত সার্ভিসের পাশাপাশি এক্সট্রা কিছু যোগ করতে পারেন। যেমন ১২ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি বা অন্য কোন সুবিদা। এগুলা আপনার গিগকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
ডেসক্রিপশন: গিগের অন্যতম প্রধান জায়গা এটি। এখানে ১২০০ অক্ষরের মধ্যে আপনার গিগের বর্ণনা দিতে পারবেন। কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমে হাই/হ্যালো বলে শুরু করতে পারেন। ২/১ লাইনে আপনার কিছু বর্ণনা দিতে পারেন। বেশি লিখার দরকার নাই। নিজের সম্পর্কে বেশি লিখলে জিনিসটা বিরক্তিকর হয়ে যায়। তার চেয়ে আপনি ফুকাস করবেন, বায়ারের কি লাভ হবে এই গিগ অর্ডার করলে। আপনি তাকে কি কি সুবিদা দিবেন, কি লাভ ইত্যাদি লিস্ট আকারে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি নিজের পোর্টফলিও থাকলে এখানে লিঙ্ক শেয়ার করে দিতে পারেন। ডেসক্রিপশন এর লেখা গুলা সাজিয়ে লিখতে হবে, আকর্ষণীয় ভাবে। এবং বায়ারের যতরকম কমন প্রশ্ন আছে সব আপনার ডেসক্রিপশন এ রাখ্রা চেষ্টা করবেন। যে গিগ গুলা ওপেন করে রেখেছেন অইখান থেকে ধারনা নিতে পারেন। যাই করেন, ভুলেও কপি করবেন না।
ফ্রিকুএন্টলি আস্কড কুএসচন (FAQ): এখানে আপনি কিছু কমন প্রশ্ন আর উত্তর রাখতে পারেন। যেমন যারা ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করেন তাদের লগিন ইনফো দরকার হয়। যারা লোগো নিয়ে কাজ করেন তার কোন কোন ফরম্যাটে কাজ করেন ইত্যাদি। চেষ্টা করবেন যাতে বায়ার এখান থেকে কমন প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যায়।
গিগ গ্যালারী: এখানে আপনি ৩ ধরনের ফাইল দিতে পারেন। আমরা একটা একটা করে বোঝার চেষ্টা করি
গিগ ফটোস: এখানে আপনি গিগ রিলেটেড ফতো দিতে পারেন। আপনি জেপিজি/পিএনজি ফরম্যাটে ফতো দিতে পারেন। সাইজ হবে ৫৫০X৩৭০ পিক্সেল। এখানে সর্বোচ্চ ৩টি ফটো রাখতে পারবেন। চেষ্টা করবেন ফটো গুলা নিজে বানানোর জন্য আর যত আকর্ষণীয় করা যায়। ফটোশপ না জানলে অনলাইনে অনেক সাইট আছে যেখান থেকে ফটো বানিয়ে নিতে পারেন।
গিগ ভিডিও: চাইলে আপনি ভিডিও বানিয়ে দিতে পারেন। নিজে সেলফ ভিডিও করলেন। আপনার বর্ণনা, কাজের বর্ণনা ইত্যাদি সুন্দর করে বানিয়ে দিতে পারেন। ভিডিও সর্বোচ্চ ৭৫ সেকেন্ডস আর ৫০ এমবি এর বেশি যাতে না হয়।
গিগ পিডিএফ: আপনি আপনার কাজের বর্ণনা, কাজের স্যাম্পল, এর অনেক কিছু পিডিএফ বানিয়ে রাখতে পারেন।
বলা যায়, এই হচ্ছে একটি ভালো প্রফেশনাল মানের গিগ তৈরি করার উপায়। প্রতিটা ধাপ সময় নিয়ে তৈরি করুন। তাড়াহুড়া করবেন না। ভালো একটা গিগ আপনাকে অনেক কাজ পেতে সাহায্য করবে। আপনার মার্কেটিং করার তেমন প্রয়োজনই পরবে না। এই পোস্টে সামনে আরও অনেক কিছু যোগ করা হবে।
ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না 🙂

Address

Paharpur
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anik Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category