Ad-Dawah TV

Call Directions Contact the business

Ad-Dawah TV Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ad-Dawah TV, Social Media Agency, Dinajpur.

শিয়া আকিদা: বিভ্রান্তির অন্তরালে মুসলিম ষড়যন্ত্র -------------------------------❌ ১. শিয়া সম্প্রদায়ের একটি অন্যতম ও ...
26/03/2026

শিয়া আকিদা: বিভ্রান্তির অন্তরালে মুসলিম ষড়যন্ত্র
-------------------------------

❌ ১. শিয়া সম্প্রদায়ের একটি অন্যতম ও মূল আক্বীদা এই যে, আল্লাহ তায়ালা জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) কে ওহি দিয়ে আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর নিকট পাঠিয়ে ছিলেন। কিন্তু তিনি ভুল করে মুহাম্মদ (সাল্লালাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) এর নিকট তা অবতীর্ণ করেছেন। (আল মুনিয়াহ ওয়াল আমাল ফি শারহিল মিলাল ওয়াননিহাল,পৃ. ৩০)।
এজন্য তারা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কেও অপছন্দ করে।

❌ 02. শিয়াদের দাবি যে কালিমা ‘লা ইলাহা ইল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’ এর সাথে এটিও বলতে হবে যে ‘ওয়া আলিউন ওয়ালিউল্লাহ’ অর্থাৎ আলি আল্লাহ তায়ালার ওলী। আজানে তারা এই বাক্যটি ব্যবহার করে এমনকি মৃত ব্যক্তিকে এই কালিমা বলে তালকীন করে। (ফুরুউল কাফী-খ.৩ পৃ.৮২)।

❌ 03. শিয়াদের শায়খদের অভিমত হচ্ছে যে ব্যক্তি আবুবকর, ওমর, উছমান, মুআবিয়া , আয়েশা এবং হাফসা রাযয়াল্লাহু আনহুমদের প্রতি ফরজ নামাজের পর অভিশাপ দিবে, তারা আল্লাহ তায়ালার অতি নৈকট্যশীল বান্দা হতে পারবে। (ফরুউল কাফী: খ.৩ পৃ. ২২৪)।=
মহান আল্লাহ এসকল সাহাবাকে জান্নাতের সুসংবাধ দিয়েছে অতচ তাদেরকে তারা কাফের বলে—- এর পরও তাদের মুসলিম বলবেন?

❌ 04. শিয়া শায়খদের অভিমত হচ্ছে যে, ইমামদের কবরের দিকে হজ করা কাবায় হজ করার থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং ছাওয়াবের কাজ। (ছাওয়াবুল আমাল ওয়া ইকাবুল আমাল: পৃ.১২১-১২২)। এজন্য তারা কাবা ঘরকে অপছন্দ করে

❌ 05. শিয়াদের একটি আক্বীদা হচ্ছে, যে ব্যক্তি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর কবর যেয়ারত করলো সে যেন আরশে আল্লাহ তায়ালার যেয়ারত করলো। (আলমাযার আল মুফীদ: পৃ.৫১)।

❌ 06. মুতা বিবাহ (সাময়ীক সময়ের জন্য চুক্তিভিত্তিক বিবাহ) যা ইসলামে নিষিদ্ধ বা হারাম সেই নিষিদ্ধ বিষয়টিকে তারা হালাল ঘোষণা করে। তারা বলে একজন ব্যক্তি পরিপূর্ণ মুমিন হতে পারবেনা যতক্ষননা সে অবিভাবক ও সাক্ষি ব্যতিত মুতা বিবাহ করে। এমনকি তারা বলে, একজন মুমিন নারীর সাথে মুতা করা 70 বার কাবা যিয়ারতের থেকেও উত্তম। (মিসবাহুত তাহাজ্জুদ: পৃ.২৫২)।

❌ 07.খোমেনী বলে, যেকোন ধরণের যৌন লালসা পুরণ করায় কোন গোনাহ নেই এমনকি তা যদি দুগ্ধপায়ী শিশুর সাথেও হয়। (তাহরীরুর ওয়াসিলাহ: খ.২ পৃ.২২১)।

08. খোমেনী তার ইসলামী হুকুমত কিতাবের মধ্যে লিখেছে যে, আমাদের ইমামদের এমন মর্যাদা রয়েছে যেখানে কোন নিকটস্থ ফেরেস্তা বা কোন প্রেরিত নবীও পৌঁছাতে পারবে না।

❌ 09. মাজলিসী তার লিখিত হাক্কুল ইয়াকীন গ্রন্থে বলে যে, আবুবকর ও ওমর তারা দুজন কাফের। আর যারা তাদেরকে ভালবাসবে তারাও কাফের। (পৃ.৫২২)।

❌ 10. শিয়াদের ধারণা, আলী (রাযিয়াল্লাহ আনহু) অদৃশ্যের খবর জানেন। তারা বলে, তিনি বলেছেন, ‘আমি জমিনের প্রতিপালক। আমার মাধ্যমেই জমীন স্থীর রয়েছে। দেখুন: মিরআতুল আনওয়ার: ৫৯)। তারা এটিও বিশ্বাস করে যে, তিনি দুনিয়া ও আখেরাতে যেভাবে ইচ্ছা পরিচালনা করতে পারেন। দেখুন: উসুলুল কাফি: খ.১ পৃ.৩০৮)।
আল্লাহ যেখানে বলেন = সূরা আন-নামল (২৭:৬৫): "قُلْ لاَ يَعْلَمُ مَنْ فِيْ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ الْغَيْبَ إِلاَّ اللهُ" - (হে নবী) আপনি বলে দিন: আকাশ ও পৃথিবীতে আল্লাহ ব্যতীত কেউ গায়েব জানে না।

❌ 11. আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন সময়ে প্রথম আসমানে নেমে আসেন, এটি আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের একটি মূল আক্বিদা। অথচ শিয়ারা এটি বিশ্বাস করেনা। বরং তাদের মতে যারা এই বিশ্বাস করে তারা সকলেই কাফের। (উসূলুল কাফী- খ.১ পৃ.৯০-৯১)।

❌12. শিয়াদের একটি উপদল ইমামিয়্যাহ, তারা তাদের ইমামদেরকে আল্লাহ তায়ালার গুণে গুণান্নিত মনে করে। এমনকি তারা তাদেরকে আল্লহর নামেও ডাকে। (উসূলুল কাফী-খ.১ পৃ.৩১০)।

❌13. শিয়াদের শায়খ ও কর্তাব্যক্তিরা এই বিশ্বাস রাখে যে, কোরআনে অনেক ত্রুটি রয়েছে। মূলত সঠিক কোরআন যখন ছাহাবাদেও মাঝে ধর্ম ত্যাগ দেখা দিয়েছে (তাদের মতে) তখন তা আসামানে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। (আত তানবীহ ওয়ার রাদ্দ পৃ.২৫)।

❌14. তাদের ধারণা যে, তাদের ইমামরাই আল্লাহ তায়ালা ও মানুষের মাঝে মধ্যস্থতাকরী। যেকোন সমস্যার সমাধানে তারা এগিয়ে আসতে পারবে। (বিহারুল আনওয়ার: খ.২৩ পৃ.৯৯)।

❌ 15. শিয়া শায়খদের ধারনা এবং দাবি যে, তারা সাধারণ শিয়াদের জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবে। (রিজালুল কাশি: খ.৫ পৃ.৪৯০-৪৯১)।

❌16 তাদের মতে হুসাইন (রাযিল্লাহু আনহু) এর কবরের মাটি সকল রোগের জন্য শিফা বা আরোগ্যের মাধ্যম। (আমালী: ৩১৮)।

❌17. আল্লাহ তায়ালা এবং তাদের ইমামদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই। (মাছাবীহুল আনওয়ার ফি হাল্লি মুশকিলাতিল আখবার: খ.২ পৃ.৩৯৭)।

❌ 18. শিয়াদের একটি বিশ্বাস হচ্ছে, আল্লাহ তায়ালা ফেরেস্তাদেরকে তাদের ইমামদের নূর থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর এই ফেরেস্তাদের দায়িত্ব হচ্ছে, তারা হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর কবরের পাশে কাঁদবে। এধরনের চার হাজার ফেরেস্তা কেয়ামত পর্যন্ত হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর কবরের পাশে কাঁদতে থাকবে। এছাড়া অন্যান্য সকল ফেরেস্তারা আল্লাহর নিকট অনুমতি চাইবে যেন তাদেরকে হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর কবর যেয়ারত করার সুযোগ দেয়া হয়। অতএব কিছু ফেরেস্তা যিয়ারত শেষে আকাশে উঠে যাবে আর অন্যরা অবতরণ করবে। (কানযু জামেউল ফাওয়ায়েদ: পৃ.৩৩৪)।

❌ 19. শিয়াদের শায়খ আলবা ইবনে দিরা মর্যাদার দিক থেকে আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ) এর চেয়ে বেশী প্রধান্য দেয়। একথাও বলে যে মুহাম্মদকে আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ই পাঠিয়েছেন। তাদের ধারণা এটিও যে আল্লাহ তায়ালা মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম) কে পাঠিয়েছেন যেন তিনি মানুষকে আলী (রাযিয়াল্লাহ আনহু) এর দিকে ডাকেন। কিন্তু তা না করে তিনি মানুষকে নিজের দিকে ডাকতে শুরু করেছেন। (বিহারুল আনওয়ার: খ.২৫ পৃ.৩০৫)।

❌20. শিয়াদের শায়খরা বলে, তাদের ইমামরা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ওহী ব্যতীত কথা বলে না। এব্যাপারে সকলকে ঈমান রাখতে হবে। (বিহারুল আনওয়ারা: খ.১৭ পৃ,১৫৫)।

❌ 21. শিয়াদের শায়খ কুলাইনী তার কিতাবে উল্লেখ করেছে যে, ভাগ্য খারাপ ও ভাল হওয়া এবং জান্নাত জাহান্নামে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু তারকা ও নক্ষত্রের প্রভাব রয়েছে। (আর রওজা মিনাল কাফী খ.৮ পৃ.২১০৩)।

❌ 22. শিয়াদের একটি আক্বীদা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তিকে সর্বপ্রথম আলে বাইতের ভালবাসা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। (বিহারুল আনওয়ার: খ.২৭ পৃ.৭৯)।
= যা ইসলাম ধর্মের সাথে কোন মিল নেই,,, এর পরও তাদের তুমি কি বলবে?

❌ 23. শিয়ারা এই ধারণা পোষণ করে যে, আবুবকর ও ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কে প্রতি হজের মৌসুমে জামারাতে রাখা হয় যেন পাথর নিক্ষেপের সময় তাদেরকেও পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

❌ 24. শিয়া শায়খদের অভিমত, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) মৃত ব্যক্তিকে জিবিত করতে সক্ষম। (উসূলুল কাফি: খ.১ পৃ.৩৪৭)।

❌ 25. তাদের আক্বীদা যে, উসমান বিন আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু) রাসুলের সময়ে প্রকাশ্যে ঈমানদার ছিলেন, তবে ভিতরে ভিতরে তিনি ছিলেন মুনাফিক। (আনওয়ারে নোমানী: খ.১ পৃ.৮১)। সাথে সাথে তারা এ বিশ্বাস করে যে, যে ব্যক্তি উসমান (রা.) এর ক্ষেত্রে মনের মধ্যে শত্রুতা না রাখবে এবং তাকে কাফের মনে না করবে সে আল্লাহ ও তার রাসুলের শত্রু। এবং সে কাফের। (নাফহাতুল উহুত ফী লানিল জিবতি ওয়াততাগুত, কায়েদা নং ৫৭)।

❌26. শিয়ারা আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) ও হাফসা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) কে কাফের মনে করে। (তাফসীর কুম্মি পৃ.৫৯৭ সুরায়ে গাফের)। তাদের বিশ্বাস, জাহান্নামের সাতটি দরজাই আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর জন্য। এবং আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) ব্যভিচারিনী। (এটি একটি বিরাট অপবাদ)। তাদের প্রতিক্ষিত ইমাম মাহদি তাকে জিবিত করবেন এবং তার উপর হদ কায়েম করবেন বা তার বিচার করবেন। (ইলালুশ শারায়ে খ.২ পৃ.৫৬৫)।

❌ 27. শিয়াদের ইমাম ও ওলীদের কবর বা মাজার যেয়ারত করা অন্যান্য ফরজের মত একটি ফরজ। যে ব্যক্তি এটি পরিত্যাগ করবে সে কাফের। (কামেলুয যিয়ারাত পৃ. ১৮৩)।

❌ 28. শিয়াদের প্রধান ও অন্যতম আক্বীদা হচ্ছে তাকিয়া। অর্থাৎ বাস্তবতাকে গোপন করা এবং নিজের অন্তরের বিশ্বাসটি প্রকাশ না করা। অন্যভাবে বলা যায় তাকিয়া অর্থ ধোকবাজী ও মুনাফেকীর একটি সমন্বিত রূপ বা পদ্ধতি। এই তাকিয়া যে বিশ্বাস করবেনা তার ঈমান থাকবে না। অর্থাৎ যে ধোকাবাজী করবেনা সে শিয়া হতে পারবেনা। (উসূলুল কাফী: খ.২ পৃ.৫৭৩)। এই তাকিয়া বর্জন করা নামাজ বর্জন করার মত অপরাধ।

❌ 29. তাদের বিশ্বাস, কেয়ামতের পুনরুত্থানের পূর্বেই অনেক মানুষ মৃত্যুর পর আবার দুনিয়াতে সেই চেহারা ছুরত বা আকৃতি নিয়ে আবার আসবে। এটি একটি কুফুরি মতবাদ বা হিন্দুয়ানী মতবাদ। (আওয়াইলুল মাকালাত পৃ.৪৬)।

❌ 30. তারা মনে করে প্রতিক্ষিত মাহদী আসার পূর্ব পর্যন্ত তাদের উপর জুমার নামাজ ওয়াজিব নয়। তার যখন আবির্ভাব হবে তখন তিনি তাদের নিয়ে জুমা আদায় করবেন। (মিফতাহুল কারামাহ: খ.২ পৃ৬৯)।

❌ 31. শিয়ারা প্রতিক্ষিত মাহদী আসার পূর্ব পর্যন্ত জিহাদকে হারাম মনে করে। তাদের মতে এটি রক্ত, শুকরের গোশ্ত ও মৃতের মত হারাম।

❌ 32. শিয়াদের বিশ্বাস, তাদের ইমাম প্রতিক্ষিত মাহদী এসে আবুবকর ও ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কে জিবিত করে শুলিতে চড়াবেন। এবং প্রতিদিন তাদেরকে হাজারবার হত্যা করবেন। (বাসায়েরুদ দারাজাত: পৃ.১৮৭-১৮৮)।

❌ 33✅. তাদের বিশ্বাস, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকেরা জাহান্নমী। তারা অপবিত্র, কাফের, তাই তাদে জানাযা নামাজ পড়া জায়েয হবে না। তাদের কোরবানী হালাল হবে না। এবং তারা সকলেই জারজ সন্তান। তাদেরকে হত্যা করা, তাদের সম্পদ চুরি করা, তাদের সাথে মতবিরোধ করা বৈধ। এমনকি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের লোকদের অভিসাপ দেয়া উত্তম ইবাদত। (বিহারুল আনওয়ার: খ.৮ পৃ ৩৬৮-৩৭০)। দেখুন তারা আমাদের কাফের ভাবে আর আপনি এই জালেমদের মুসলমান ভাবেন!!!

❌ 34. শিয়ারা বলে, আলী(রাযিয়াল্লাহু আনহু) এর কবর যিয়ারত করলে প্রতিটি পদে পদে তার জন্য একটি কবূল হজ, একটি মাবরুর ওমরা এবং একশত শহীদের ছওয়াব লেখা হবে। তার পূর্বের ও পরের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। তার হিসাব সহজ করা হবে। ফেরেশ্তাগণ তাকে স্বাগত জানাবে। (তাহজীবুল আহকাম: খ.৬ পৃ.১৩০৬)।
❌ 35. শিয়াদের একটি বিশ্বাস যে কেয়ামতের দিন হিসাব আল্লাহ তায়ালার নিকট নয় বরং তাদের ইমামদের নিকট দিতে হবে। (উসূলুল আইম্মাহ: খ.১ পৃ.৪৪৬)। =আস্তাগফিরুল্লাহ
সংক্ষিপ্তাকারে উপরোল্লেখিত আক্বীদাগুলোই তাদের কুফুরীর প্রমানের জন্য যথেষ্ট। এছাড়াও শিয়াদের আরও অনেক ভ্রান্ত ও কুফুরী মতবাদ রয়েছে।

ইরানের রাফেদ্বী শিয়া নিকৃষ্ট কাফির। যে রাফেদ্বীম শিয়াদের কাফির হওয়ার উপর সন্দেহ পোষণ করে সে নিজেই কাফির।Loud and Clear.অ...
26/03/2026

ইরানের রাফেদ্বী শিয়া নিকৃষ্ট কাফির। যে রাফেদ্বীম শিয়াদের কাফির হওয়ার উপর সন্দেহ পোষণ করে সে নিজেই কাফির।

Loud and Clear.

অতিরিক্ত সুশীল মুসলিম যারা তারা বলে শিয়া সুন্নি বলতে ইসলামে কিছু নাই আমরা সকলে মুসলিম। তাদের জন্য এই পোস্ট আপনি শিয়াদের এই আক্বীদার সাথে কি ভাবে মেনে চলবেন.....

📝 শিয়াদের ১১০ টি বিশ্বাস ও আক্বীদাহ সমূহ!!

__________________________________

আমাদের দেশের অনেক মুসলিমের মনেই ভুল ধারণা যে, শিয়া সম্প্রদায় অন্য আর দশটা উপদলের মতই ইসলামের একটি শাখামাত্র। অনেকেই আবার ইরানকে আদর্শ মুসলিম দেশ হিসেবে কল্পনা করেন। শিয়া সুন্নি বিভক্তির নাম শুনলেই তারা হা হা করে তেড়ে আসেন। তারা বলেন, আমরা নাকি মুসলিমদের ঐক্য নষ্ট করছি। তারা প্রশ্ন করে কুর’আন হাদিসের কোথায় শিয়া সুন্নির. উল্লেখ আছে?
মানলাম কুর’আন হাদিসের কোথাও শিয়াদের উল্লেখ নেই। কিন্তু হিন্দুধর্ম, জৈনধর্ম বা পরবর্তীতে যদি আরো নতুন কোন ধর্মেরও উৎপত্তি হয়ে থাকে, কুর’আন হাদিসে না থাকার ফলে কি সেগুলো সত্য হয়ে যাবে? কিংবা সেগুলো কি ভ্রান্ত নয়? ‘উলামারা কি শিয়াদের ব্যাপারে নিশ্চুপ?
আরবি শিয়া শব্দের অর্থই হলো গোষ্ঠী। শিয়ারাই হলো রাজনৈতিক কারণে মুসলিমদের মূল জামা’আত থেকে স্বেচ্ছায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া প্রথম গোষ্ঠী, যারা পরবর্তীতে নিজেদের মনগড়া ভ্রান্ত আক্বীদা গড়ে নিয়েছে। শিয়াদের মধ্যেও ভাগ আছে। ইমামিয়্যাহ, ইসনে আশারিয়্যাহ, ইসমাইলি, নুসাইরিয়্যাহ প্রভৃতি। এদেরকেই রাফেদ্বী বলা হয়। শুধুমাত্র যায়িদিয়া সম্প্রদায় ছাড়া বাকি শাখাগুলোর আক্বীদা কুফরে পরিপূর্ণ।
নিচে আমরা শিয়াদের আক্বীদা থেকে ১১০ টি কারণ বেছে নিয়েছি, যা থেকে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হবো যে, শিয়ারা মুসলিম নয় বরং কাফির।
আলোচনার সুবিধার্থে ১১০ টি কারণকে আমরা ৫ টি বিভাগে ভাগ করেছি –
_______________________________
ক) সাধারণ বিষয়সমূহ
খ) আল্লাহ
গ) কুর’আন
ঘ) নাবী এবং সাহাবিগণ
ঙ) ইমামাত
__________________________________
ক) সাধারণ বিষয়সমূহ
১। শিয়া কালিমা মুসলিমদের শাহাদাহ থেকে ভিন্ন। তাদের কালিমা হলো – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহি ‘আলিউন ওয়ালিউল্লাহি ওয়াসিয়্যু রাসুলুল্লাহি ওয়া খালিফাতুহু বিলা ফাসলিন।
২। শিয়ারা তাদের আযানে “আশহাদু আন্না ‘আলিউন ওয়ালিউল্লাহ” ও “হুজ্জাতুল্লাহ” এবং “হাইয়্যা আলা খাইরিল আমাল” যুক্ত করেছে।
৩। শিয়াদের মতে দ্বীনের পাঁচটি খুঁটি হলো – ওয়ালিয়াত/ইমামাত, সালাত, সাওম, যাকাত এবং হাজ্জ।
৪। প্রত্যেক সালাতের পর সবাইকে বলতে হয় – হে আল্লাহ! আবু বাকর, উমার, উসমান, মুয়াবিয়া, আইশাহ, হাফসাহ, হিন্দ এবং উম্মুল হাকামের উপর লানত বর্ষণ করুন।
৫। মিথ্যা বলা খুবই ভাল এবং সাওয়াবের কাজ।
৬। নিজের বিশ্বাসকে গোপন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৭। প্রতারণা এবং প্রবঞ্চনা একটি মহৎ কাজ।
৮। তাকিয়া (একজন মনেপ্রাণে যা বিশ্বাস করে, তার ঠিক বিপরীত বলা বা করার ভান করা) বৈধ।.

৯। সম্পূর্ণ ধর্মের দশ ভাগের নয় ভাগ হলো তাকিয়া।
১০। একটি পশুর মতই একজন অমুসলিমের গোপন অঙ্গের দিকে তাকানোও বৈধ।
১১। শুধুমাত্র চামড়ার রঙকেই ঢেকে রাখতে হবে (চামড়া রঙ করা হলে কোন ব্যক্তি কাপড় ছাড়াই ঘুরে বেড়াতে পারবে) ইমাম বাকির কোন ধরনের পোশাক ছাড়াই সম্মুখে এসেছিলেন এবং তার মতে এরূপ করা বৈধ কারণ তিনি তার গুপ্তাঙ্গে চুন মেখে নিয়েছিলেন।
১২। গুহ্যদ্বার দিয়ে সহবাস করা বৈধ।
১৩। কোন সাক্ষী ছাড়াই বিয়ে পড়ানো বৈধ।
১৪। কোন ব্যক্তি যদি মলমূত্রে পতিত কোন খাবার ধুয়ে এক গ্রাস পরিমাণ খায়, তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
১৫। মুতা বিয়ে বৈধ (সাময়িক বিয়ে/নির্দিষ্ট কোন সময়ের জন্য নারীদেহ ভাড়া দেয়া)।
১৬। মুতা’র সাওয়াব সালাত এবং সাওমের চেয়েও বেশি।
১৭। কোন ব্যক্তি একবার মুতায় অংশ নিলে সে হুসাইনের সমান মর্যাদা লাভ করে। এভাবে দুইবার হলে হাসান, তিনবার হলে ‘আলি এবং চারবার হলে রাসুলুল্লাহর সমান মর্যাদা লাভ করে।
১৮। যে কেউই তিনবার মুতায় অংশ নেয়, সে জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেকে মুক্ত করে নেয়।
১৯। কোন ব্যক্তি চাইলে অন্য আরেকজনকে নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাসের বৈধতা দিতে পারে।
২০। সুন্নিরা কুকুরের চেয়েও অধম।
২১। সুন্নিরা জারজ সন্তানের চেয়েও নিকৃষ্ট।
২২। ইরানে কোন সুন্নিকে তাদের সন্তানের নাম আবু বাকর, উমার বা আয়িশাহ রাখতে দেয়া হয় না।
২৩। শিয়া মতবাদ অনুসারে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে ৭০ ফুট লম্বা একটি পাণ্ডুলিপি হস্তান্তর করেছেন। যাতে প্রত্যেকটি হালাল, হারাম এমনকি আঁচড় দেয়ার শাস্তির কথাও বর্ণিত আছে। একে আলির সাহিফা বলা হয়।
২৪। জাফ্র হলো চামড়ার তৈরি একটি পাত্র যাতে বনি ইসরাইলের সকল নাবী, ওয়াসি এবং উলামার জ্ঞান সংরক্ষিত আছে।
২৫। ইমাম জাফর সাদিক এবং আবু বাশিরের মধ্যবর্তী এক আলোচনায় ফাতিমার মুসহাফ সম্পর্কে বলেন, এটি এমন একটি মুসহাফ যা তোমাদের কুর’আনের তিনগুণ। আল্লাহর কসম, এর একটি শব্দও তোমাদের কুর’আনে নেই।
২৬। হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাতের সময় ফিরিশতারা ভুল করেছিল এবং তাদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল।
২৭। অযুর সময় পা ধৌত করার পরিবর্তে শুধুমাত্র মাসাহ করতে হয়।
২৮। তিলাওয়াতে সাজদা এবং জানাযার সালাত অযু কিংবা গোসল ছাড়াই আদায় করা যায়।
২৯। শিয়া ইমামদের কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় বৈধ।
৩০। সাওম ভাঙ্গা হয় সূর্যাস্তের ১০-১৫ মিনিট পর।
৩১। রামাদানে তারাবিহর সালাত পড়া হয় না।
৩২। মুতা দাওরিয়্যাহ বৈধ (দশ বা বিশজন পুরুষ এক রাতে একজন মহিলার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা)।
৩৩। কারবালার মাটি কাবার চেয়েও পবিত্র।
৩৪। আলির কাছে “ইয়া আলি, মাদাদ” বলে সাহায্য চাওয়া শির্ক নয়।
__________________________________
খ) আল্লাহ
৩৫। আল্লাহ ভুল করেন এবং আল্লাহ ভুলে যান।
৩৬। রাগান্বিত হলে, আল্লাহ বন্ধু এবং শত্রুর মাঝে পার্থক্য করতে পারেন না।
৩৭। আল্লাহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিদের ভয় পেতেন।
৩৮। মানুষের বিবেক মানুষের জন্য যা ভাল মনে করে সে অনুসারেই আল্লাহকে বিচার করতে হয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।
৩৯। আল্লাহ সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা নন।
__________________________________
গ) কুর’আন
৪০। কুর’আন অসম্পূর্ণ এবং একে বিকৃত করা হয়েছে।
৪১। শিয়া কুর’আন চূড়ান্ত ইমামের কাছে সংরক্ষিত আছে যিনি গত ১২০০ বছর ধরে ইরাকের কোন একটি গুহায় লুকায়িত আছেন।
৪২। বর্তমান কুর’আন শিয়া কুর’আন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
৪৩। প্রচলিত কুর’আনের আয়াত সংখ্যা ৬০০০ এর বেশি কিন্তু শিয়া কুর’আনের আয়াত সংখ্যা ১৭,০০০ এরও বেশি।
__________________________________
ঘ) নাবী/সাহাবিগণ
৪৪। আদম আলাইহিস সালাম শাইত্বানের চেয়েও খারাপ।
৪৫। আদম আলাইহিস সালাম বিদ্রোহী, ঈর্ষান্বিত এবং হিংসুক ছিলেন।
৪৬। নাবীরাও ভুল করেন যা তাদের নবুয়্যত বিনষ্ট করে দেয় যেমন ইউসুফ আলাইহিস সালাম।
৪৭। ইসমাইলি শিয়ারা নবুয়্যতের ক্রমধারায় বিশ্বাস করে।
৪৮। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর সৃষ্টিকূলের ব্যাপারে ভীত ছিলেন এবং সঠিক ভাবে দ্বীন প্রচার করেননি।
৪৯। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর দেয়া একটি উপহার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
৫০। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীন শিক্ষা দেয়ার বিনিময়ে ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন।
৫১। আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর ইচ্ছা এবং ক্ষমতা ছিল রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের তালাক দেয়ার।
৫২। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ নাবী পরিবারের সদস্য নন।
৫৩। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর অধিকাংশ সাহাবাই মুরতাদ হয়ে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছেন।
৫৪। প্রত্যেককেই ৪ জন পুরুষ আবু বাকর, উমার, উসমান, মুয়াবিয়া এবং ৪ জন নারী আইশাহ, হাফসাহ, হিন্দ, উম্মুল হাকাম থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন ঘোষণা করতে হবে।
৫৫। উপরোক্ত সাহাবাদের প্রত্যেক সালাতের পর অভিশাপ দিতে হবে।
৫৬। আইশাহ এবং হাফসাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষ প্রয়োগ করেছে।
৫৭। আইশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা বিশ্বাসঘাতক ও মুনাফিক ছিলেন এবং তাঁকে জঘন্যতম উপাধিগুলোতে সম্বোধন করা হয়।
৫৮। আইশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা ব্যভিচার করেছিলেন।

৫৯। রাসুলের মৃত্যুর পর দশজনেরও কম সাহাবা ইসলামের উপর স্থির ছিলেন।
__________________________________
ঙ) ইমামাত
৬০। শিয়ারা ১২ জন ইমামের ধারণায় বিশ্বাসী।
৬১। ইমামগণ নাবীদের মতই আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত।
৬২। ১২ জন ইমাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমমর্যাদার অধিকারী।
৬৩। প্রথম ইমাম হলেন আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং সর্বশেষ ইমাম ইরাকের একটি গুহায় লুকায়িত আছেন।
৬৪। ইমামগণ তাদের মায়ের উরু থেকে জন্মলাভ করেন কারণ জননাঙ্গ অপবিত্র।
৬৫। ইমামগণ সর্বত্র বিরাজমান।
৬৬। ইমামগণ নাবীদের মতই নিষ্পাপ।
৬৭। ইমামগণের উপর ঈমান আনা ফারদ। কোন ইমামকে অস্বীকার করা একজন নাবীকে অস্বীকার করার মতই কুফর।
৬৮। ইমামগণের শর্তহীন আনুগত্য ফারদ।
৬৯। ইমামগণের কাছে ওয়াহি আসে।
৭০। নাবী রাসূলগণের কাছে আসা মু’জিযা যেমন তাদের নবুয়্যতের প্রমাণ, ইমামগণের মু’জিযাও তাদের ইমামাতের প্রমাণ।
৭১। ইমামগণ শারিয়াহর যে কোন বিধান রদ করার ক্ষমতা রাখেন। তারা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল ঘোষণা করতে পারেন।
৭২। আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং অন্যান্য ইমামদের মর্যাদা নাবীদের চেয়েও বেশি।
৭৩। ইমামগণের জ্ঞান নাবীদের চেয়ে বেশি।
৭৪। সম্পূর্ণ সৃষ্টি এমনকি নাবীদেরও সৃষ্টি করা হয়েছে শুধুমাত্র ইমামগণের খাতিরে।
৭৫। ইমামগণের ইমামাতের ব্যাপারে নাবীরাও বাইয়াত দিয়েছেন।
৭৬। ইমামগণের ইমামাত মেনে নেয়ার কারণেই নাবীদের নবুয়্যত দেয়া হয়েছে।
৭৭। আল্লাহ নাবী এবং সমগ্র সৃষ্টিজগতের উপর ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় ইমামগণের ওয়ালিয়াত মেনে নেয়া বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন।
৭৮। নাবীগণ ইমামগণের নূর থেকে নূর লাভ করেছেন।
৭৯। কিয়ামাতের দিন আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু সকল নাবীদের সম্মুখে থাকবেন।
৮০। কিয়ামাতের দিন আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বসবেন আল্লাহর আরশের ডান পাশে এবং নাবীগণ বসবেন বাম পাশে।
৮১। নাবীদের দু’আ ইমামগণের মধ্যস্থতায় কবুল করা হয়।
৮২। আদম আলাইহিস সালাম ইমামগণের মর্যাদায় ঈর্ষান্বিত হয়েছিলেন, একারণে তিনি ‘উলুল আযম আম্বিয়াদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নন।
৮৩। ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে সর্বপ্রথম নবুয়্যত, অতঃপর খুল্লাত (তাঁকে আল্লাহর খালিল বা বন্ধু বানানো হয়েছিল) এবং শুধুমাত্র এরপরই তাঁকে ইমামাত দেয়া হয়েছিল।
৮৪। আইয়ুব আলাইহিস সালাম ‘আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর ইমামাত নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছিলেন, একারণেই তিনি কঠিন পীড়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।
৮৫। মুসা আলাইহিস সালাম যদি জীবিত থাকতেন, তাঁকেও ইমামগণের আনুগত্য মেনে নিত হতো।
৮৬। ইউনুস আলাইহিস সালাম ‘আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর ওয়ালিয়াত অস্বীকার করেছিলেন, একারণেই তাঁকে মাছ গিলে ফেলেছিল।
৮৭। সম্পূর্ণ পৃথিবী ইমামগণের অধিকারভুক্ত।
৮৮। শিয়ারা এই কথাটি আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর বলে প্রচার করে যে, “আমি জীবন এবং মৃত্যু প্রদান করি। আমি চিরঞ্জীব এবং আমি মৃত্যুবরণ করি না”।
৮৯। ইমামগণ সকলের মনের কথা জানেন।
৯০। শিয়ারা বলে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আলিকে বলেছেন, হে আলি! তুমি এই উম্মাতের দাইয়ান (যিনি পুরষ্কৃত করেন) এবং তুমিই তাদের জন্য দায়ী থাকবে। তুমি কিয়ামাতের দিন আল্লাহর ‘রুকন ই আযম’ হবে। শুন! লোকেরা তোমার দিকে আসবে এবং তুমিই তাদের হিসাব গ্রহণ করবে। পুলসিরাত তোমার, মীযান তোমার এবং মউকাফ তোমার।
৯১। অনেক শিয়াই আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে “জান্নাত ও জাহান্নামের বণ্টনকারী” নামে ডেকে থাকে। বিখ্যাত শিয়া আলিম বাকির মাজলিসি তার বই বিহার উল আনোয়ারে একটি অধ্যায়ের নাম রেখেছেন “নিঃসন্দেহে তিনিই (আলি) জান্নাত ও জাহান্নামের বণ্টনকারী”।
৯২। বাকির মাজলিসি তার বই হায়াতুল কুলুব বইতে লিখেছেন, “ইমামাতের মর্যাদা নবুয়্যতের চেয়ে বেশি”।
৯৩। ইমামগণের নিকট অতীত ও ভবিষ্যতের সকল জ্ঞান বিদ্যমান এবং আকাশ ও পৃথিবীর কোন কিছুই তাদের কাছে গোপন নেই।
৯৪। ইমামগণ জানেন, কখন তাদের মৃত্যু ঘটবে।
৯৫। ইমামগণ এই পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের ঈমান এবং নিফাকের অবস্থা সম্পর্কে অবগত। তাদের কাছে কারা জান্নাতে যাবে আর কারা জাহান্নামে যাবে তার একটি তালিকা আছে।
৯৬। ইমামগণ বিশ্বের সব ভাষা জানেন এবং সেসব ভাষায় কথা বলেন।
৯৭। ইমামগণ পশু পাখিদের ভাষা জানেন।
৯৮। ইমামগণ প্রতি জুমার সন্ধ্যায় মিরাজে যান। এসময় তারা আল্লাহর আরশ পর্যন্ত পৌঁছে যান এবং সেখানে তাদের গভীর জ্ঞান দান করা হয়।
৯৯। প্রতি লাইলাতুল কাদরে ইমামগণের নিকট আর-রুহ এবং ফিরিশতারা একটি বিশেষ বই নিয়ে আসেন।
১০০। ইমামগণ জন্মের সাথে সাথেই সকল ঐশী কিতাব পড়ে ফেলেন।
১০১। ইমামগণ সকল নাবীদের মু’জিযা প্রদর্শনে সক্ষম।
১০২। ইমামগণের সঙ্গীদের মধ্যকার সংগঠিত তর্ক নিয়ে শিয়ারা কোন সমালোচনা করে না।
১০৩। ইমামগণের সঙ্গীরা সত্যবাদী, বিশ্বাসভাজন এবং অনুগত ছিলেন না।
১০৪। ইমামগণের সঙ্গীরা দ্বীনের উসুল এবং ফুরু অর্জন করেননি।
১০৫। চূড়ান্ত ইমাম গত ১২০০ বছর ধরে ইরাকের একটি গুহায় লুকায়িত আছেন। তিনি যখন আত্মপ্রকাশ করবেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বাইয়াত (আনুগত্যের শপথ) দিবেন।
১০৬। চূড়ান্ত ইমাম আবু বাকর এবং উমারের শরীর কাবর থেকে উত্তোলন করবেন এবং তাঁদের নগ্ন শরীর ঝুলিয়ে রাখবেন। তিনি তাঁদের চাবুক মারবেন এবং এক দিন ও রাতের মাঝে ১০০০ বার তাঁদের মৃত্যু ঘটাবেন।
১০৭। আইশাহকে জীবন দেয়া হবে এবং তাঁকেও চূড়ান্ত ইমাম চাবুক মারবেন।
১০৮। চূড়ান্ত ইমাম সকল সুন্নিকে জবাই করবেন এবং তিনি আলিমদের দিয়ে শুরু করবেন।
১০৯। কেউ যদি শিয়া ইমামদের ধারণা বিশ্বাস না করে, সে কাফির এবং অমুসলিম।
১১০। যখন ৩১৩ জন বিশ্বস্ত শিয়া একত্রিত হবে, চূড়ান্ত ইমাম আত্নপ্রকাশ করবেন।
__________________________________
এবার আসুন, ক্লাসিক্যাল আলিমগণ শিয়াদের সম্পর্কে কী বলে গিয়েছেন তা দেখা যাক –
শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল লাতিফ আল আশ-শাইখ তার সময়কার রাফেদ্বীদের সম্পর্কে বলেছেন, “আর বর্তমান সময়ে তাদের অবস্থা আরো নিকৃষ্ট এবং করুণ। কারণ তারা তাদের আক্বীদায় আউলিয়া, আহলুল বাইত এবং অন্যান্যদের ব্যাপারে সম্মানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত রকমের বাড়াবাড়ি করছে এবং বিশ্বাস করে যে বিপদ কিংবা সুখের সময় তারা ভাল বা খারাপের ক্ষমতা রাখে। এবং তারা একে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম মনে করে। এবং তারা একে ধর্মের অংশ বিবেচনা করে। একারণেই যারা তাদের এই অবস্থার কারণে তাদের কুফর সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে, তাহলে সে নাবীগণ কী নিয়ে এসেছেন এবং কিতাবগুলোতে কী নাযিল করা হয়েছে সে সম্পর্কে অজ্ঞ। তার উচিত মৃত্যুর পূর্বে নিজের ঈমানকে পরীক্ষা করে দেখা”।
ইমাম মালিক রাহিমাহুল্লাহ সূরা ফাতহের ২৯ নং আয়াতটি রাফেদ্বীদের উপর কুফরির দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কেননা তারা সাহাবিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। আর যারাই সাহাবিদের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে, তারা কাফির। এই মাসয়ালায় উলামাদের একটি দলও ইমামের সাথে একমত পোষণ করেছেন। [তাফসির ইবন কাসির]
ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আমি একজন ইহুদি, একজন খ্রিস্টান কিংবা একজন রাফেদ্বীর পিছনে স্বলাত আদায়ের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখি না। তাদের জবাই করা পশু খাওয়া যাবে না, তাদের সালাম দেয়া যাবে না, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না, তাদের সাথে বিয়ে দেয়া হবে না এবং তাদের দেখতে যাওয়া যাবে না”। [খালক আফ’আলুল ইবাদ]
ইমাম সামা’নি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “উম্মাহর মাঝে ব্যাপারে ইজমা রয়েছে যে, শিয়ারা হলো কাফির। কারণ তারা বিশ্বাস করে, রাসুলের সাহাবিরা পথভ্রষ্ট, তারা তাঁদের ইজমাকে অস্বীকার করে এবং তাঁদের ব্যাপারে এমন সব কথা বলে তাঁদের সাথে মানানসই নয়”। [আল-আনসাব]
ইবন কাসির রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আর তারা সাহাবিদের সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করে, তাঁদের বিরুদ্ধে অসৎ হওয়ার এবং রাসুলের বিরুদ্ধে আঁতাত করার অভিযোগ আনে এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিচার ও আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে। যারাই এই পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান নিয়েছে, তারা নিজেদের ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে নিয়েছে এবং ইমামদের ইজমা অনুযায়ী তারা কুফরি করেছে। আর মদ্যপান ছেড়ে দেয়ার থেকেও তাদের রক্ত ঝরানো বেশি হালাল”। [আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া]
ইমাম আব্দুর রহমান ইবন মাহদি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, জাহমিয়্যাহ এবং রাফিদ্বীয়্যাহ ভিন্ন দুটি ধর্ম। [খালক আফ’আলুল ইবাদাহ]
এছাড়াও ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল, মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবি, আহমদ ইবন ইউনুস, ইবন কুতাইবা আদ-দিনাউরি, আব্দুল কাদির আল-বাগদাদি, আল কাজি আবু ইয়ালা, ইবন হাযম আয-যাহিরি, আবু হামিদ আল-গাজ্জালি, ইবন তাইমিয়্যাহ, ইবন আবিদিন, আবু হামিদ মুহাম্মাদ আল-মাকদিসি, আব্দুল মাহাসিন আল-ওয়াসিতি রাহিমাহুমুল্লাহ আজমাঈন থেকে রাফেদ্বীদের কাফির হওয়ার ব্যাপারে যুক্তি ও বর্ণনা পাওয়া যায়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় যা এখানে উল্লেখ করা হলো না।
_____________________________________________
গ্রন্থ সহায়িকা
১। শিয়া বিলিফ, শাইখ খালিদ মাহমুদ, পিএইচডি, ইসলামিক একাডেমি অফ ম্যানচেস্টার
২। হিদায়াতুস শিয়া, শাইখ খালিল আহমেদ শাহারানপুরি
৩। তুহফাহ ইতনা ‘আশারিয়্যাহ, শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভি
৪। শিয়া কায় হাজার সাওলন কা জাওয়াব, শাইখ হাফিয মুহাম্মাদ মিইয়ানওয়ালউয়ি
৫। আকাইদুস শিয়া, মুহাম্মাদ ফারুক
৬। আয়াত বাইয়্যিনাত, শাইখ সাইয়্যিদ মুহাম্মাদ মাহদি আলি খান
৭। মাসালা তাহ্রিফায় কুর’আন পুর বিনরি টাউন কা তাহকিকি ফাতওয়া, মুফতি মুহাম্মাদ ইনামুল্লাহ
৮। ইরশাদুস শিয়া, শাইখ মুহাম্মাদ সরফরাজ খান, মাকতাবাহ সাফদারিয়্যাহ
৯। খোমাইনিজম অর ইসলাম, শাইখ জিয়াউর রাহমান ফারুকি
১০। শিয়াইজম এক্সপোজড, মাজালিসুল উলামা, সাউথ আফ্রিকা
১১। সুন্নি স্ট্যান্ড পয়েন্ট অন শিয়াস, আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত, ফর সুপ্রিম কোর্ট অফ পাকিস্থান
১২। দ্য ট্রুথ এবাউট শিয়াইজম, মাজালিসুল উলামা, সাউথ আফ্রিকা
১৩। শিয়া মাযহাব কায় চালিস বুনিয়াদি আকিদা, শাইখ আব্দুস সাকুর লখনৌভি
১৪। সুন্নি শিয়া মুত্তাফাকাহ তারজামাহ কুর’আন কা আযিম ফিতনা, শাইখ কাজি মাযহার হুসাইন
১৫। শিয়া ইতনা আশারিয়্যাহ অর আকিদাহ তাহ্রিফি কুর’আন, শাইখ মাঞ্জুর নোমানি
১৬। শিয়া মাযহাব, শাইখ আশিক ইলাহি বুলন্দশহরি
১৭। তাইদ মাযহাব আহলুস সুন্নাহ তারজামাহ রাদ রাওাফিদ, ইমাম মুজাদ্দিদে আলফে সানি
১৮। আসসাওয়াইকুল মুহ্রিকাহ, শাইখ ইবন হাজার আল-হাইতামি
১৯। দ্য ডিফারেন্স বিটুইন দ্য শিয়া এন্ড দ্য মেজরিটি অফ মুসলিম স্কলারস, সাইদ ইসমাইল।

[তথ্য সংগ্রহ এবং প্রথম অংশের মূল ইংরেজি লেখা – মুহাম্মাদ আতাউর রহমান]
___________________________________________
প্রচারেঃ- সৌদি আরব-The Land Of Tawheed🇸🇦💚
ফুল পোষ্টটি নিজে পড়ে দেখেন ও জানেন এবং শেয়ার করে অন্যকে পড়ে দেখার ও জানার সুযোগ দিন।
মেসেঞ্জারে সেন্ড করতে পারেন।
জাযাক আল্লাহ খাইর ...

ইরানের মূল উদ্দেশ্য ✓
26/03/2026

ইরানের মূল উদ্দেশ্য ✓

শিয়ারা কাফের! #শিয়া  #ইরান
26/03/2026

শিয়ারা কাফের!

#শিয়া #ইরান

(বিদআতীর মুখে সত্য কথা।)❝সারা পৃথিবীতে একটি মাত্র রাষ্ট্র 🇸🇦 আছে যার সংবিধান হলো:- আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর সুন্ন...
26/03/2026

(বিদআতীর মুখে সত্য কথা।)

❝সারা পৃথিবীতে একটি মাত্র রাষ্ট্র 🇸🇦 আছে যার সংবিধান হলো:- আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহ│

একটি মাত্র রাষ্ট্র আছে যাকে তাওহীদের রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করা হয়│

আর একটি মাত্র রাষ্ট্র আছে যেখানে কোনো গির্জা নেই, মাজার নেই বা ইহুদি উপাসনালয় নেই│আর সেটি হলো সৌদি 🇸🇦 আরবের রাজত্ব│

হে আল্লাহ! আপনি এই দেশকে ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য নিরাপদ রাখুন, এবং সকল মুসলিম দেশকে শত্রুদের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন, হে বিশ্বজগতের প্রতিপালক❞│

في العالم كله دولة وحيدة دستورها كتاب الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم، ودولة وحيدة تعرف بدولة التوحيد، ودولة وحيدة التي لا توجد فيها كنيسة أو أضرحة أو معبد يهـ ودي.
وهي المملكة العربية السعودية،
اللهم احفظها للإسلام والمسلمين وسائر بلدان المسلمين من كيد الأعداء ومكرهم، ورد عليهم يا رب العالمين.

ইরানীদের তথ্য বিকৃতি—আসল নাম “খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ প্রণালী”, “হরমুজ প্রণালী” নয়খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ...
26/03/2026

ইরানীদের তথ্য বিকৃতি—
আসল নাম “খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ প্রণালী”, “হরমুজ প্রণালী” নয়

খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও হরমুজের ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বযুদ্ধ

ইরাক বিজয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে পারস্য বাহিনীর মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় “যাতুস-সালাসিল” (শৃঙ্খল যুদ্ধ)-এ, হিজরি ১২ সালে (৬৩৩ খ্রিস্টাব্দ)। সে সময়ের যুদ্ধ প্রথা অনুযায়ী, দুই পক্ষের প্রধান সেনাপতিরা প্রথমে একক দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হতেন।

মুসলিম বাহিনীর পক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহু), আর পারস্য বাহিনীর পক্ষ থেকে এগিয়ে আসে তাদের সেনাপতি হরমুজ।

দুই সেনাপতি একে অপরের নিকটে আসেন, এমনকি তারা মুসলিম সারির তুলনায় পারস্য বাহিনীর কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছে যান। এরপর হরমুজ তার ঘোড়া থেকে নেমে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-কে ইশারা করে বলে—যদি তুমি প্রকৃত বীর হও, তবে নেমে মাটিতে যুদ্ধ করো।

চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-ও ঘোড়া থেকে নেমে পড়েন। উভয়েই নিজেদের ঘোড়া নিজ নিজ বাহিনীর দিকে ফিরিয়ে দেন।

দুই বাহিনী তখন উত্তেজনায় দৃশ্যটি পর্যবেক্ষণ করছিল:
দুই পক্ষের সর্বোচ্চ সেনাপতির সরাসরি দ্বন্দ্ব—যা ইতিহাসে খুবই বিরল ঘটনা। যুদ্ধটি হচ্ছিল পায়ে হেঁটে, যার মানে ছিল—বেঁচে ফেরা কঠিন এবং একজনের মৃত্যু প্রায় নিশ্চিত।

কিন্তু হরমুজ আগে থেকেই একটি প্রতারণার পরিকল্পনা করে রেখেছিল। সে তার পাঁচজন শক্তিশালী অশ্বারোহীকে প্রস্তুত রেখেছিল, যাতে দ্বন্দ্ব শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তারা খালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

যুদ্ধ শুরু হতেই, হরমুজ সংকেত দেয়—আর পাঁচজন অশ্বারোহী দ্রুত খালিদের দিকে ধেয়ে আসে, উদ্দেশ্য ছিল প্রতারণার মাধ্যমে তাকে হত্যা করা।

সেই মুহূর্তে খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পারেন; মুসলিম সৈন্যরা তার থেকে দূরে, আর এই অশ্বারোহীরা দ্রুত পৌঁছে যাবে।

কিন্তু আল্লাহর সাহায্য নিকটেই ছিল।
আল-কা’কা’ ইবন উমার আত-তামীমী দূর থেকে ঘটনাটি লক্ষ্য করেন এবং সাথে সাথে বুঝতে পারেন এটি একটি বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি তীরের মতো ছুটে যান যুদ্ধক্ষেত্রে। সঠিক সময়ে পৌঁছে তিনি প্রথম অশ্বারোহীকে হত্যা করেন, এরপর দ্রুত দ্বিতীয়জনকেও পরাস্ত করেন। এদিকে মুসলিম বাহিনীর আরও কয়েকজন যোদ্ধা এসে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি একাধিক দ্বন্দ্বযুদ্ধে রূপ নেয়।
অন্যদিকে, খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আবার হরমুজের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হন। অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করে অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি হরমুজকে হত্যা করেন।
তাদের সেনাপতির মৃত্যুতে পারস্য বাহিনী ভেঙে পড়ে; তারা আরবদেরকে তুচ্ছ ভাবত, কিন্তু এই ঘটনায় তারা ভীত ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। খালিদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাদের পুনরুদ্ধারের সুযোগ না দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ আক্রমণের নির্দেশ দেন।
সেনাপতির মৃত্যু ও শৃঙ্খলার ভাঙনের কারণে পারস্য বাহিনী বেশি সময় টিকতে পারেনি। মুসলিম বাহিনী তাদের সারি ভেঙে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে।
এই যুদ্ধের বিজয়ী ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি:
“সাইফুল্লাহ আল-মাসলুল” — খালিদ ইবনুল ওয়ালিদ (রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু)
সূত্র:
•ইমাম ত্বাবারী,তারিখুল উমাম ওয়াল মুলুক
•ইবনুল আসীর— আল-কামিল ফিত তারিখ
•ইবন কাসীর, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া

আর নিয়ম অনুযায়ী বিজয়ীর নামেই কোনো কিছুর নামকরণ করা হয়। কিন্তু ইরানীরা,
* বিশ্বাসঘাতক
* আর্য রক্তের পূজারী
* কাফিরদের নিয়ে গর্বকারী
* মাজুসী জাতীয়তাবাদী -
* সাহাবী বিদ্বেষী।
* আরবদের প্রতি শত্রুতা পোষণকারী

তাই তারা খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের নাম না দিয়ে প্রণালীর নামকরণ করে হরমুজ প্রণালী। এরা নির্লজ্জ, বেহায়া, বজ্জাত।
সুতরাং আসুন, আমরা আমাদের ইতিহাস স্মরণ করি, আমরা এ প্রণালীকে “খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ প্রণালী” হিসাবে আখ্যায়িত করি।

✒️ প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ

‎আহলে হাদিস আলেমদের FB page ও ID‎‎১.শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ 1.6M‎https://www.facebook.com/share/1AvFzfNo6S/ফলো করু...
08/03/2026

‎আহলে হাদিস আলেমদের FB page ও ID
‎
‎১.শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ 1.6M
‎https://www.facebook.com/share/1AvFzfNo6S/

ফলো করুন -
https://www.facebook.com/share/1GEfQi9nSC/
‎
‎২.ব্রাদার রাহুল হোসাইন 748k
‎https://www.facebook.com/BrRahulHossainRuhul?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৩.শাইখ মাহমুদ বিন কাসেম 462k
‎https://www.facebook.com/MahmudQuasimOfficial?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৪.উস্তায আব্দুল্লাহ বিন এরশাদ 460k
‎https://www.facebook.com/abdullahbinarshad?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৫.উস্তায জামশেদ মজুমদার 452k
‎https://www.facebook.com/share/178cpSBJx8/
‎
‎৬.শাইখ মতিউর রহমান মাদানি 400k
‎https://www.facebook.com/Sheikh.Motiur.Rahman.Madani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৭.শাইখ ড. মঞ্জুরে ইলাইহি 394k
‎https://www.facebook.com/drmonzureelahiofficial
‎
‎৮.আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক 378k
‎https://www.facebook.com/abdullahbinabdurrajjaque?mibextid=ZbWKwL
‎
‎page 88k
‎https://www.facebook.com/nibrasresearchfoundation?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৯.শায়খ মুযাফফর বিন মহসিন 367k
‎https://www.facebook.com/DrMuzaffarOfficial?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১০.উস্তায রফিকুল ইসলাম বিন সাঈদ 365k
‎https://www.facebook.com/rofiqulislambinssayed?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১১.শায়খ আবু বকর জাকারিয়া 321K https://www.facebook.com/AbubakarMdZakaria?mibextid=ZbWKwL
‎
‎fb: 98k
‎https://www.facebook.com/abubakar.m.zakaria?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১২.শাইখ কাজী ইউসুফ জাহান 219k
‎https://www.facebook.com/share/1DKPaYFeMb/
‎
‎১৩.শাইখ আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম 118k
‎https://www.facebook.com/ShaikhAkramuzzaman?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১৪.শাইখ শহীদুল্লাহ্ খান মাদানি 114k
‎https://www.facebook.com/share/1CLWvkq6EB/
‎
‎fb: 48k
‎
‎https://www.facebook.com/share/1CH6TXr4ia/
‎
‎১৫.আখতার মাদানি 112k
‎https://www.facebook.com/Hafej.Muhammed.Akhtar.Madani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১৬.উস্তায সাবিকুল ইসলাম 107k
‎https://www.facebook.com/Sabik23?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১৭.শাইখ সাইফুল্লাহ মাদানী 91k
‎https://www.facebook.com/drmuhammadsaifullahofficial
‎
‎fb:32k
‎https://www.facebook.com/almadani.saifullah.1?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১৮.উস্তায আব্দুর রহমান বিন আব্দুর রাজ্জাক 63k
‎https://www.facebook.com/abrahmanyousuf?mibextid=ZbWKwL
‎
‎১৯.উস্তায সাইফুল্লাহ আল ফাহাদ 61k
‎https://www.facebook.com/share/1BQb7GmJSa/
‎
‎২০.শাইখ ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব 55k (এডমিন পরিচালিত)
‎
‎https://www.facebook.com/share/16pjfHowJ9/
‎
‎২১. ড. জয়নাল আবেদীন বিন নুমান 55k
‎https://www.facebook.com/share/1CjajgmZwz/
‎
‎২২.শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী মাদানি 53k
‎https://www.facebook.com/AbdullaahilHadi?mibextid=ZbWKwL
‎
‎২৩.শাইখ আব্দুল হামিদ ফাইযী মাদানি 52k
‎https://www.facebook.com/share/1BWj6kC7MR/
‎
‎২৪.ড. হেদায়েতুল্লাহ 51k
‎https://www.facebook.com/share/1CVSdxZti5/
‎
‎২৫.উস্তায আব্দুল্লাহ রাসেল 50k
‎https://www.facebook.com/AbdullahRasel.849?mibextid=ZbWKwL
‎
‎২৬.উস্তায রাফিউল ফাহাদ বিন মাহমুদ 46k
‎https://www.facebook.com/share/1BL1492kfV/
‎
‎২৭.উস্তায আকবর বিন আবেদ 40k
‎https://www.facebook.com/Islamicpapertv0
‎
‎২৮.শাইখ মীর মোয়াজ্জেম সাঈফী 39k
‎https://www.facebook.com/mufty.saifee.1?mibextid=ZbWKw
‎
‎FB: 36k
‎https://www.facebook.com/share/1FdX6mU8EH/
‎
‎২৯.শাইখ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল মাদানি 38k (এডমিন পরিচালিত)
‎
‎https://www.facebook.com/shaikhamanullahmadani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৩০.উস্তায নাজমুছ সাদাত 37k
‎https://www.facebook.com/share/1D6evHmjwk/
‎
‎৩১.শাইখ ইমামুদ্দীন বিন আব্দুল বাসির 35k
‎
‎https://www.facebook.com/share/19ma5WnX7E/
‎
‎৩২.শাইখ মোস্তাফিজুর রহমান মাদানি 34k
‎https://www.facebook.com/share/1TmF3JELue/
‎
‎৩৩.শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ মাদানি 31k
‎https://www.facebook.com/abdullahshahed.almadani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৩৪.উস্তায আব্দুর রহিম বিন আব্দুর রাজ্জাক 30k
‎https://www.facebook.com/profile.php?id=100093649254201&mibextid=ZbWKwL
‎
‎৩৫.শাইখ মুখলেস বিন আরশাদ মাদানি 28k
‎
‎https://www.facebook.com/share/18CLVKXwtK/

‎৩৬.উস্তায ওয়াসিউজ্জামান 28k
‎https://www.facebook.com/wasiuzzamanofficial?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৩৭.উস্তায আব্দুস ছবুর 26k
‎
‎https://www.facebook.com/share/1AqvxYFCeB/
‎
‎
‎৩৮.শাইখ আহমেদ আব্দুল্লাহ সাকিব 25k
‎
‎https://www.facebook.com/DrAASaqib?mibextid=ZbWKwL
‎
‎fb:16k
‎
‎https://www.facebook.com/ahmad.fisabeelillah?mibextid=ZbWKwL
‎
‎
‎৩৯.শাইখ মাহবুবুর রহমান মাদানি 25k
‎https://www.facebook.com/share/19ieeFM64M/
‎
‎৪০.শাইখ আব্দুল মালেক মাদানি 23K
‎
‎https://www.facebook.com/abdulmalikmadani2?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৪১.শাইখ বজলুর রহমান 22k
‎https://www.facebook.com/muhammadbozlurraman?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৪২. ড. আব্দুল্লাহিল কাফী 21k
‎https://www.facebook.com/share/19Kx7J7evb/
‎
‎৪৩.ড. রেজাউল করিম মাদানি 20k
‎https://www.facebook.com/share/1BCPckQRye/
‎
‎
‎৪৪.শাইখ আব্দুল আলিম ইবনে কাওসার মাদানি 19k
‎
‎https://www.facebook.com/share/1YaKRncTYe/
‎
‎৪৫.উস্তায আহমাদুল্লাহ সৈয়দপুরী 19k
‎https://www.facebook.com/share/14NkpXpegs5/
‎
‎৪৬.শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ 19k
‎
‎https://www.facebook.com/abdullah.mahmud.58367?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৪৭. শাইখ আব্দইন নূর মাদানি 18k
‎https://www.facebook.com/share/1BPzXgo3p3/
‎
‎৪৮. শাইখ ড. আব্দুল্লাহ ফারুক 17k
‎https://www.facebook.com/Dr.AbdullahFarooque?mibextid=ZbWKwL
‎
‎
‎৪৯.শাইখ আহমাদুল্লাহ ত্রিশালী 17k
‎https://www.facebook.com/share/19jLN777Zz/
‎
‎৫০.শাইখ ড. ইমাম হোছাইন 15k
‎(এডমিন পরিচালিত)
‎
‎https://www.facebook.com/share/16qefQWHbF/
‎
‎৫১.শাইখ সাইফুল ইসলাম মাদানি 15k
‎https://www.facebook.com/share/1KUo6hXuoP/
‎
‎৫২. ড. আব্দুল বাসির মাদানি 14k
‎https://www.facebook.com/share/17699zidm5/
‎
‎৫৩.শাইখ শরীফুল ইসলাম মাদানি 13k (যুবসংঘ সভাপতি)
‎
‎https://www.facebook.com/Shaikh.Md.Shariful.Islam.Madani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৫৪.শাইখ নাজমুল হক মাদানি কক্সবাজার 12k
‎
‎https://www.facebook.com/ShaikhNazmulHQmadani?mibextid=ZbWKwL
‎
‎৫৫.শাইখ হারুন হুসাইন 12k
‎https://www.facebook.com/share/17HTkWQp4f/
‎
‎৫৬. উস্তাদ তানজিল আহমদ 9k (শুব্বান সেক্রেটারি)
‎https://www.facebook.com/share/14JS1uzuXi8/
‎
‎৫৭. উস্তায আবুল কালাম 8k (যুবসংঘ সহ-সভাপতি)
‎https://www.facebook.com/share/19S3M692Q9/
‎
‎৫৮.মুহাম্মদ আসাদুল আলম - সেক্রেটারি - জমঈয়ত- 6k
‎
‎https://www.facebook.com/share/1CZNycZf6z/
‎
‎৫৯. উস্তায নুরুল ইসলাম 5k (আন্দোলন সেক্রেটারি) (এডমিন পরিচালিত)
‎https://www.facebook.com/share/16nse5PDkf/
‎
‎৬০. উস্তাদ আব্দুল্লাহিল হাদী 5k (শুব্বান সভাপতি)
‎https://www.facebook.com/share/1Jm3ppDEyq/
‎
‎
‎update: 07.03.2026
‎

Address

Dinajpur

Telephone

+8801729019579

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ad-Dawah TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ad-Dawah TV:

Shortcuts

Share