Go N Dine

Go N Dine Travel Blogger

11/03/2025
আমি চা খেতে খুব পছন্দ করি তা নয়। কিন্তু যখন চা পান করি সেটা খুব ভালোবেসে। এক আন্টির বাসায় গিয়েছিলাম। তিনি এই চা বানিয়ে খ...
12/01/2025

আমি চা খেতে খুব পছন্দ করি তা নয়। কিন্তু যখন চা পান করি সেটা খুব ভালোবেসে। এক আন্টির বাসায় গিয়েছিলাম। তিনি এই চা বানিয়ে খাইয়েছেন। চায়ের কাপটি আমার ভিশন ভালো লেগেছে। অনেক পুরনো.... তাই ক্যামেরাবন্দী করে রাখলাম.. 😊

মানুষ কয়েক শতাব্দী ধরে গড়েছিলো। হয়তো পৃথিবীর টপ ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ ছিলো।  কিন্তু কয়েক ঘন্টায় সব কিছু ছাই হয়ে গেলো।  তা...
10/01/2025

মানুষ কয়েক শতাব্দী ধরে গড়েছিলো। হয়তো পৃথিবীর টপ ধনী ব্যক্তিদের সম্পদ ছিলো।
কিন্তু কয়েক ঘন্টায় সব কিছু ছাই হয়ে গেলো। তাই তো এই ঠুনকো পৃথিবীতে সম্পদের পাহাড় গড়ে পরকাল ভুলে গেলে নিজের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকবেনা। আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার নিকট আত্নসমর্পণ ছাড়া বিজয়ী হওয়া অসম্ভব।

"যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন, তখন সেটিকে একথাই বলেন, ‘হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। [সূরা বাকারাহ্: 117]"

09/01/2025

আমার স্বামী আমাকে দুই তালাক দেওয়ার তিনদিন পর আমার মা মারা যান। মেয়েদের বাহ্যিক যে সৌন্দর্য থাকে, আমার সেটা নেই। আমি অত লম্বা নই, দেখতে অতও সুন্দর না। চেহারার গড়নও ভালো না। টানা টানা চোখ নেই। এককথায় দেখতে কোনো অংশে মায়াবী নই আমি। তবু ভাবতাম, হয়তো মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যের থেকে মনের সৌন্দর্য্যই আসল। কিন্তু আমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল ছিল। আমার স্বামী আমাকে টাকার লোভেই বিয়ে করেছিল। এইজন্য কয়েকদিন সহ্য করেছে। তারপর দুটো বাচ্চা হলে আর আমাকে সহ্য করতে পারে না। আমাকে নিয়ে সে কোথাও যেতে পারে না। আমার জন্য তার সবার কাছে ছোট হতে হয়। দেখতে বাজে আমি, হেনতেন নানা রকম অভিযোগ তার আমাকে নিয়ে। বকা, মার লেগেই থাকত ঠুনকো ঠুনকো কারণে।

একসাথে দুই তালাক দিয়ে দিয়েছে, যখন তখন বাকি এক তালাক দিতেও তার সময় যাবে না। যেদিন দুই তালাক দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিল, সেদিন ভাবলাম এত অত্যাচার আর সহ্য করব না। এবার না হয় নিজের মতে করে একটু বাঁচি। এই ভেবেই বাড়ি চলে আসি। কিন্তু মা হঠাৎ করে মারা গেলে আকাশ ভেঙে পড়ল আমার মাথায়। বাবার কাছে যে খুব একটা আহ্লাদী আমি, এমনটাও নয়। বাবা তেমন ভালোবাসেন না হয়তো। আর বাসলেও জানি না। ছোট থেকেই বাবার তেমন কোনো আদর-স্নেহ পাইনি, তার কারণ একটাই— আমরা চার বোন। কোনো ভাই নেই। বাবার ছেলের শখ ছিল খুব। ছেলের আশায় এতজন বোন আল্লাহ দিয়েছেন। তার ওপর কোনো বোন দেখতে আহামরি সুন্দর নয়। সবাই কালো। কী আর করব। এতে আমাদের করারই বা কী আছে! আল্লাহ যেমন ইচ্ছে করেছেন, উনি তেমন করে আমাদের বানিয়েছেন।

বাবার অবস্থা মোটামুটি ভালো। উনি স্কুল টিচার। তাই মা আমাদের জন্য টাকা-পয়সা সঞ্চয় করে রেখেছেন, শুধু বিয়ে-শাদির জন্য। বাবা ও আমাদের প্রতি তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন।

আমার ইচ্ছে ছিল লেখাপড়া করে চাকরি করব। কিন্তু যখন অনার্স কমপ্লিট করি, তখনই ভালো ছেলে পেয়ে আর হাতছাড়া করেননি। আমি অমত করলে মা বুঝিয়েছিলেন, এত পড়ে কী হবে! বিয়েটা করে নে মা। ভালো ছেলে পাওয়া যায় না সচরাচর। উনাদের হয়তো মনে ছিল, অসুন্দর মেয়ে, যত আগে বিয়ে দিয়ে দেওয়া যাবে ততই ভালো। ছেলেটাও সুন্দর দেখতে। মেয়েকে যাতে সাদরে গ্রহণ করে, তার জন্য বাইকসহ ঘরের সব জিনিসপত্র তাকে দিলেন। একবারও এটা ভাবলেন না, ছেলেটা মেয়েটাকে সাদরে গ্রহণ করবে কি না!

তারপরেও যত কুৎসিত হই না কেন দেখতে, মায়ের কাছে আমরা চার বোন ছিলাম রাজকন্যার মতো। কোনো কিছুর দিক দিয়ে কমতি রাখেননি মা। মা ছিলেন, আমাদের একমাত্র আপনজন। এখন মা নেই, আমি অর্ধেক ডিভোর্সি, কোলে আমার দুটো মেয়ে— একটার দুই বছর, আরেকটা আট মাসের বাচ্চা। নিজের দুই মেয়ে আর ছোট তিন বোনকে নিয়ে সামনে আমার কী অবস্থা হবে, কে জানে। মা থাকলে একটা বিশ্বস্ত আশ্রয় ছিল। এখন পুরোপুরি দিশাহীন আমি।

মা মারা যাওয়ার দুমাসের মধ্যেই বাবা আবার বিয়ে করলেন। এই দুমাসের মধ্যে একদিনও আমার স্বামী খোঁজ নেয়নি আমার বা আমার মেয়েদের। সে নেবে কেন! আপদ বিদায় হয়েছে, এতে সে বেঁচে গেছে।

বাবার এত তাড়াতাড়ি বিয়ে করাতে ভেতর থেকে ভেঙে পড়লাম খুব। বাবার নতুন স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা। উনি বিধবা ছিলেন। রোড এক্সিডেন্টে উনার আগের স্বামী মারা যান। আগের পক্ষের কোন সন্তানাদি নেই। দেখতে ভালোই। বয়স আমার মায়ের থেকে একটুখানি কম হবে। উনি মানুষ হিসাবে কেমন তা এখনও জানিনা।

একদিকে বাবার সাথে আমাদের কারও ঘনিষ্ঠ বা বন্ধুসুলভ সম্পর্ক নেই, অন্যদিকে সৎমা। পাড়ায় কানাঘুষা শুরু হয়ে গেল। আমাকে, বোনদেরকে সবাই দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতে লাগল, তোদের কপালটা এবার পুড়ল রে। এইসব নানা চিন্তায় রাতে ঘুম হয় না আমার। খেতেও পারি না ঠিকমতো। গলা দিয়ে ভাত নামে না। ভীষণ মায়া লাগে বোনদের আর দুটো মেয়ের দিকে তাকালে।

সৎমায়ের সাথে কথা হয় ঠুকঠাক। বোনদের বলেছি, উনার সাথে ভালোভাবে কথা বলতে, সব কাজে সর্বোচ্চ সাহায্য করতে। উনাকে ভালোবাসতে। বোনেরা আমার কথামত তাই করে।

রাতে এসব পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি, ঠিক পাইনি। শেষ রাতের দিকে ঘুম ভাঙলে পাশে চেয়ে দেখি আমার ছোট মেয়ে পাশে নেই। বুক কেঁপে উঠে আমার। ভয় পেয়ে ধড়ফড়িয়ে উঠি বিছানা থেকে। এক আশ্চর্য দৃশ্য তখন দেখতে পাই— বাবার বিয়ে করা সদ্য স্ত্রী, আমার সৎমা আমার মেয়েকে বুকে জড়িয়ে হাঁটছেন। বিষয়টা বেশ চমৎকার হলেও খুব আশ্চর্য হলাম। এটাও সম্ভব? এসব তো নিজের মায়েরা করে। সৎমা কি কখনও এসব করে? ব্যাপারটা কেমন যেন ভেতর থেকে মেনে নিতে পারছি না।

উঠে উনার কাছে গেলাম। বললাম, "আমার কাছে দিন।" উনাকে কিছু ডাকতে ইতস্তত লাগছিল আমার, তাই কিছু সম্বোধন না করেই বললাম।

উনি মুখে হাসি ফুটিয়ে বললেন, "বাচ্চাদের আমার পছন্দ। তোমার মেয়ে কান্না করছিল খুব। কান্না শুনে আসি। তুমি ঘুমাচ্ছ দেখে আর না ডেকে কোলে নিলাম। দেখ, কীভাবে ঠান্ডা হয়ে গেছে আমার কোলে উঠে।"

আমি শুকনো হেসে হাত বাড়িয়ে মেয়েকে নিলাম।
তারপর উনি প্রশ্ন ছুড়লেন, "তুমি কতদিন থাকবে এখানে? মানে কতদিনের ছুটি?"
জমে গেলাম উনার প্রশ্ন শুনে। ভেতরে ভেতরে নিভে গেলাম খুব। বাবার সাথে ছোট থেকে ভালো সম্পর্ক থাকলে, বড় একটা ভাই থাকলে, নিজের কোনো ইনকাম থাকলে, উনার প্রশ্নের উত্তর গলা উঁচু করে জবাব দিতে পারতাম। এভাবে গুটিয়ে যেতাম না। আমি শুকনো কণ্ঠে আস্তে করে বললাম, "কালই চলে যাব।"

চলবে.....?
(রেসপন্স করবেন সবাই। আরও দু পর্বেই শেষ হয়ে যাবে গল্পটা।)

নতুন_সূর্যোদয়
শারমিন_প্রিয়া
পর্ব_এক

 #লিচু শপলিচু শপের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আযহার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।ঈদ মোবারক
24/05/2020

#লিচু শপ
লিচু শপের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আযহার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক

Address

Dinajpur
5200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Go N Dine posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share